- ১ ঘুমের মধ্যেই নবায়ন হচ্ছে জাদু? স্বপ্নে বারবার খাওয়া-দাওয়া দেখেন? ঘুম থেকে উঠে শরীর ভেঙে আসে? যে গোপন দরজা দিয়ে ক্ষতি ঢোকে — আজ সেটা বন্ধ করার আমল শিখবেন ইনশাআল্লাহ।
- ২ যে আয়াত ৭ বার পড়লে "জমে যায়" ওয়াসওয়াসা রোজকার পুনরাবৃত্ত ওয়াসওয়াসা, নেতিবাচক চিন্তা আর কাজে বারবার বাধা — সকালের মাত্র ২ মিনিটের একটি আমলে থামিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি শিখবেন আজ ইনশাআল্লাহ।
- ৩ সূরা বাকারার গোপন সুরক্ষা প্রোগ্রাম শাইখ বলেন — যে এই আমলে লেগে থাকবে, জাদু যতবারই করা হোক, জাদুকর যত কাছেরই হোক — ক্ষতি তাকে স্পর্শ করবে না ইনশাআল্লাহ। ঘরের সবার জন্যই সুরক্ষা।
- ৪ হিংসুক ঘর থেকে বের হতেই যা করবেন শান্ত-স্থির বাড়িটা কোনো কোনো মেহমান যাওয়ার ঠিক পর থেকে হঠাৎ অশান্ত — ঝগড়া, কান্না, দুঃস্বপ্ন? জাদু নয়, এটা হতে পারে নজর-হাসাদের রেশ। ঘর পরিষ্কারের উপায় শিখুন ইনশাআল্লাহ।
- ৫ জিন-শয়তানের নজরদারিতে থাকার ৪টি লক্ষণ রূহানী সমস্যায় আক্রান্ত অনেকের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ চোখে পড়ার মতো করে বারবার ফিরে আসে। লক্ষণগুলো কী, কেন এই নজরদারি, আর মুক্তির উপায় — সব আজকের পোস্টে ইনশাআল্লাহ।
- ৬ জাদুকররা ঘরের যে ৫ জায়গায় জাদু লুকায় জাদুর বস্তু শিকারের যত কাছে থাকে, প্রভাব তত শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে — তাই জাদুকর চেষ্টা করে জিনিসটা একদম কাছেই রাখতে; অনেক সময় ঘরের ভেতরেই, কেউ টেরও পায় না।
- ৭ শরীরের ৬ জায়গায় তেল — জাদু নিস্তেজ হয়ে যায় শাইখের ব্যাখ্যায় — শরীরের কিছু জায়গা যেন "দরজা", যেদিক দিয়ে জাদুর শক্তি ঢোকে ও নবায়ন হয়। সেই ৬টি দরজা বন্ধ করলে ভেতরের জাদু ও তার খাদেম রসদহারা হয়ে নিস্তেজ হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- ৮ মাত্র ২টি জিনিসের ১০ দিনের ওয়াজিফা শাইখ বলেন — এই কুরআনী ওয়াজিফা জাদু ভাঙে আর ক্বারীনকে আপনার অনুগত করে দেয় ইনশাআল্লাহ — সে আর কষ্ট দেবে না, আটকে রাখবে না। নিজের চিকিৎসা নিজেই, ঘরে বসে।
- ৯ সূরা দুখানের ৭টি আশ্চর্য ফায়দা রূহানী রোগের চিকিৎসায় তো বটেই — এই মহান সূরার সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো কাশফ: যা আপনার থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা প্রকাশ করে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।
- ১০ আটকে থাকা ভাগ্য ফেরানোর এক গ্লাস পানির আমল এক সময় যা ধরতেন তা-ই সহজে হয়ে যেত — আর এখন প্রতিটি পথে দেয়াল? জাদু-নজর-হাসাদে ছিনতাই হওয়া তাওফীক ফিরিয়ে আনার পরীক্ষিত আমল শিখুন ইনশাআল্লাহ।
- ১১ স্বপ্ন ভুলে যাওয়ার আসল কারণ — আর ফেরানোর উপায় আগে দিব্যি স্বপ্ন মনে থাকত। যেই রুকইয়াহ বা সঠিক চিকিৎসা শুরু করলেন — সব মুছে যেতে লাগল? শাইখের ব্যাখ্যায় এটা কাকতালীয় নয় — পরিকল্পিত। কেন আর কী করবেন, জানুন ইনশাআল্লাহ।
- ১২ জাদু কেটে গেছে — বোঝার একটিই লক্ষণ অনেকে বছরের পর বছর ভেবে যান "জাদুটা এখনো আছে" — অথচ সেটা কবেই ভেঙে পড়েছে; রয়ে গেছে শুধু ভয়, ওয়াসওয়াসা আর ভুল যোগসূত্রের ঘোর। আজ সেই ঘোর ভাঙবে ইনশাআল্লাহ।
- ১৩ এক আয়াতেই জাদু অকেজো — জাদুকরের জন্য "ধাক্কা" শাইখ বলেন — সূরা ইউনুসের একটি আয়াতে আছে এমন এক মহা রহস্য, যার তিলাওয়াতে জাদুকর ও জাদুর খাদেম ধাক্কা খায়, আর জাদুর "টাস্ক" যন্ত্রের মতো বিকল হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- ১৪ ঘরের যে ৩ জায়গা থেকে ক্বারীন-শয়তান শক্তি পায় যারা মাস বা ক্বারীনের তসল্লুতে ভুগছেন — ঘরেরই কিছু জায়গায় কিছু অভ্যাস তাদের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়, শেফা পিছিয়ে দেয়। জায়গা তিনটি চিনে রাখুন ইনশাআল্লাহ।
- ১৫ বদনজরের শয়তানকে দুর্বল করার আমল শাইখ বলেন — শাইতানুল আইনকে (নজরের খাদেম-শয়তান) সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, পোড়ায় ও প্রকাশ করে দেয় একটা জিনিস: তার বিরুদ্ধে সরাসরি দোয়া। এত সহজ যে অবাক হবেন — অথচ বহু ভারী প্রোগ্রামের চেয়ে দ্রুত ইনশাআল্লাহ।
- ১৬ এক গ্লাস পানিতেই বুঝুন — পেটে জাদু আছে কি না খাওয়ানো জাদুর সবচেয়ে প্রিয় ঠিকানা পেট। শাইখের এই ছোট্ট আমলে পেটে জাদু বা গিঁট থাকলে কয়েক মিনিটেই টের পাবেন — আর একই সাথে সেটা ভাঙতেও শুরু করবে ইনশাআল্লাহ।
- ১৭ সূরা কিয়ামাহ — ছড়ানো জাদু এক জায়গায় জমা করুন আরিদ, জাদু আর গিঁট যখন মাথা থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকে — টার্গেট করা কঠিন। শাইখের এই কৌশলে মাত্র ৩ দিনে সব এক বিন্দুতে জমা হয় — তারপর এক জায়গায় আঘাত ইনশাআল্লাহ।
- ১৮ রাতের ছোট এক সূরা — পোঁতা-দূরের জাদু বাতিল যে জাদু মাটিতে পোঁতা, বহু দূরে রাখা, বা জায়গাই অজানা — এমনকি জ্বীনদের হাতে বানানো জাদু — সবকিছুর জন্য শাইখ দিয়েছেন একটাই ব্যবস্থা: সূরা যিলযালা, রাতে ইনশাআল্লাহ।
- ১৯ জাদু মনে হচ্ছে? আসলে হয়তো জমে থাকা হিংসা এক ধরনের হাসাদ আছে যা শুধু ক্লান্তি-সংকীর্ণতায় থামে না — জাদুর পুরো উপসর্গ নিয়ে হাজির হয়: ভয়, ওয়াসওয়াসা, তাআত্তিল, দুঃস্বপ্ন। আর আপনি খুঁজতে থাকেন এমন জাদু, যেটার অস্তিত্বই নেই।
- ২০ হিংসার জাদুকর-শয়তান পোড়ানোর ঘরোয়া প্রোগ্রাম সবচেয়ে কঠিন হাসাদ সেটা — যা আসে জাদু-জানা, হিংসুটে শয়তান সাথে নিয়ে। সুখবর: রাকীর কাছে না গিয়েও একে ঘরে বসে হারানো যায় ইনশাআল্লাহ — শাইখের পুরো প্রোগ্রামটা আজ।
- ২১ প্রবল হিংসার মাঝেও কিছু মানুষ সফল হয় কেন? হাসাদ সত্যি, নজর সত্যি — কিন্তু "হিংসা মানেই ধ্বংস" — এটা সত্যি নয়। কুরআনের ঘোষণা: আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তারা কারও ক্ষতি করতে পারে না। তাহলে পার্থক্যটা কোথায়? ৬টি রহস্যে ইনশাআল্লাহ।
- ২২ আইনুল কবুল — গ্রহণযোগ্যতার উপর বদনজর নতুন মানুষরা আপনাকে পছন্দ করে, কাছে আসে — তারপর কোনো বোধগম্য কারণ ছাড়াই সরে যায়? বারবার, জীবনের নানা ক্ষেত্রে? এর একটা নাম আছে — আইনুল কবুল: কবুল-মহব্বতের দিকটাতেই নজর লাগা।
- ২৩ মানুষের চোখে আপনার ভাবমূর্তিই যখন হিংসার নিশানা সবাই ভাবে হাসাদ মানে অসুখ বা রিজিক-বন্ধ। অথচ সবচেয়ে বিপজ্জনক ধরনগুলোর একটা — সুনাম, মর্যাদা আর মানুষের মাঝে কবুলের উপর আঘাত। চিনবেন ৫টি লক্ষণে ইনশাআল্লাহ।
- ২৪ জাদু-নজরের বিরুদ্ধে আপনার "প্রথম ঢাল" সবাই খোঁজে সবচেয়ে শক্তিশালী রুকইয়াহ, সবচেয়ে কড়া প্রোগ্রাম। কিন্তু আসল প্রশ্নটা কেউ করে না — ক্ষতিটা আমার কাছে পৌঁছায় কী করে? আজ সেই প্রবেশপথ বন্ধ করার আমল ইনশাআল্লাহ।
- ২৫ ৫ মিনিটের পরীক্ষা — ক্বারীন চেপে বসেছে কি না একটা ছোট, শক্তিশালী সূরা কয়েক মিনিট পড়লেই ধরা পড়ে যায় — আপনার ক্বারীন আপনার উপর চেপে বসেছে কি না। সাথে শাইখের দেওয়া আরেকটা সহজ নির্ণয়-সূত্র — দুটোই আজ ইনশাআল্লাহ।
- ২৬ ক্বারীন সহজে ভোলে না — তাকে "ভুলিয়ে দেওয়ার" সূরা রুকইয়াহর পর সত্যিকারের আরাম পেলেন — ক'দিন পরেই হালকা-হালকা উপসর্গ ফিরতে শুরু করল? সবাই বলছে "জাদু নবায়ন হয়েছে"? শাইখ বলছেন — সত্যিটা প্রায়ই আরও গভীরে, আর অনেক কম ভয়ের।
- ২৭ ভাগ্য চুরি করা শয়তান — যে সূরায় সে পুড়ে যায় যা-ই পরিকল্পনা করেন — এমনকি শুধু মনে মনে ভাবলেও — আটকে যায়? অন্যের বেলায় যেটা এমনিই হয়, আপনার বেলায় সেটাই ভেস্তে যায়? শাইখ এর পেছনে দেখছেন এক বিশেষ শ্রেণির জ্বীনকে — মারিদ।
- ২৮ কান-পাতা শয়তান আটকানোর সকাল-সন্ধ্যার আমল যে শয়তানরা আপনার কথা শুনে লক্ষ্যে আগে পৌঁছে সব ভেস্তে দেয়, আর যে জাদুকর খবর পেয়ে সাথে সাথে গিঁট দেয় — দুটোই আটকানোর এক গ্লাস পানির আমল ইনশাআল্লাহ।
- ২৯ জ্বীন-জাদুকর চেপে বসার বিপজ্জনক লক্ষণগুলো কিছু জ্বীন নিজেরাই জাদুকর — দেহের ভেতরে, দেহ ঘিরে বা বাইরে থেকে কাজ করে। আক্রান্তদের মুখে চোখে পড়ার মতো বারবার আসা লক্ষণগুলো আর মুক্তির প্রোগ্রাম — সব আজ ইনশাআল্লাহ।
- ৩০ জাদুকরের চোখ থেকে "অদৃশ্য" হওয়ার আমল যে জাদুকর বারবার জাদু নবায়ন করে, যে শয়তানরা খবর টানে, যে তাবি'আ পিছু লেগে থাকে — তাদের চোখ থেকে আড়াল হয়ে যাওয়ার পরীক্ষিত আমল। শাইখ বলেন — তখন চিকিৎসাও চলবে নবায়নের যন্ত্রণা ছাড়া ইনশাআল্লাহ।
- ৩১ যে "চোখ" আপনাকে নজরে রাখে — আর জাদু নবায়ন হতে থাকে চিকিৎসায় যত এগোন, জাদু তত নবায়ন হয় — খবরটা জাদুকরের কাছে পৌঁছে দেয় কে? শাইখ দেখিয়েছেন ৩টি পথ — শেষেরটা শুনে অনেকেই চমকে যাবেন।
- ৩২ সিহর রাসাদ — ঘরে গাঁথা "পাহারাদার জাদু" এক ধরনের শক্তিশালী জাদু ঘরের সাথেই গেঁথে দেওয়া হয় — শক্তিশালী জ্বীন-প্রহরীরা সেটা পাহারা দেয়। কীভাবে চিনবেন, আর ছোট্ট এক সূরায় কীভাবে ভাঙবেন — আজকের পোস্টে ইনশাআল্লাহ।
- ৩৩ সিহরুল ইরসাল — দূর থেকে "পাঠানো" জাদু এই জাদুতে জাদুকর কিছু খাওয়ায় না, ঘরেও ঢোকে না — আপনার ছবি, চুল বা ব্যবহৃত জিনিস ধরে দূর থেকে শয়তানদের "পাঠিয়ে" দেয়। ঘুমে-জাগরণে সেই হামলাই হয়ে ওঠে আক্রান্তের দুঃস্বপ্ন।
- ৩৪ যে স্বপ্ন একবার দেখলেও সাবধান হতে হবে স্বপ্নে বাথরুম — শুনতে সাধারণ, অথচ রূহানী আসরের সাথে এর সম্পর্ক গভীর। শাইখ এমন ১০+ রকম বাথরুম-স্বপ্ন চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো একবার দেখলেও গুরুত্বের সাথে নেওয়া দরকার — ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- ৩৫ স্বপ্নে বারবার পরীক্ষায় আটকে যাওয়ার আসল মানে উত্তর মনে পড়ছে না। প্রশ্নপত্র ফাঁকা। সময় শেষ, খাতায় কিছুই লেখা হয়নি। নাম লিখতে ভুলে গেছেন। হল খুঁজেই পাচ্ছেন না... ৩০-৪০-৫০ বছর বয়সেও এই স্বপ্ন কেন ফিরে আসে — শাইখের ব্যাখ্যাটা শুনুন।
- ৩৬ বিয়ে-আটকানো জাদু — লক্ষণ ও ভাঙার পদ্ধতি ছেলে-মেয়ে দুজনের ক্ষেত্রেই হয়। আগে লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখুন — সব বা বেশিরভাগ মিললে তবেই এই চিকিৎসা; শাইখ বলেন, তখন এটা যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ।
- ৩৭ একটি আয়াতেই তালা খুলে গেল — এক ভাইয়ের সত্য অভিজ্ঞতা দিন ১৪-তে বলেছিলাম কান-পাতা শয়তানের কথা — যে খবর চুরি করে লক্ষ্যে আগে পৌঁছে সব ভেস্তে দেয়। শাইখ ফাওয়াজ আল-আসওয়াদ আজ শুনিয়েছেন এমনই একজনের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা।
- ৩৮ যাকে নিশ্চিত জানেন জাদু করেছে — সূরা মারইয়ামের আয়াত এই আমল সবার জন্য না — শুধু তাদের জন্য, যারা একদম নিশ্চিত জানেন কে জাদু করেছে, এমনকি অনেক সময় সেই ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করে বা খোলাখুলি হুমকি দেয়।
- ৩৯ জাদু জাদুকরের কাছেই ফিরিয়ে দিন যে জাদু করেছে বা যে জাদুকরের কাছে গিয়েছে — তার নাম জানুন বা না জানুন, দুটো সূরা দিয়ে জাদু তারই দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার আমল আজকের পোস্টে ইনশাআল্লাহ।
- ৪০ জাদু নবায়নকারী প্রহরী — হারাসুস সিহর শক্তিশালী জাদুতে জাদুকর কখনো একাধিক প্রহরী-শয়তান নিয়োগ করে — যাদের কাজই খাদেমকে সক্রিয় রাখা, বেরোতে বাধা দেওয়া আর জাদু নবায়ন করা।
- ৪১ বাসা বদলেও সমাধান হয় না — ছিটানো জাদুর আসল চিকিৎসা এটা স্বাভাবিক — কারণ জ্বীনদের ক্ষমতা আছে জাদুর শক্তি নতুন জায়গায় বহন করে নেওয়ার। বাসা পাল্টানো তাই চিকিৎসা নয় — আসল সমাধান অন্য জায়গায়।
- ৪২ সিহরুল হাম্মামাত — পেট-জরায়ুতে সরাসরি আঘাত যাদের বাথরুমের মজরায় (নালায়) সরাসরি জাদু ছিটানো বা রাখা হয়েছে — এটা মূলত পেট ও জরায়ু অঞ্চলে সরাসরি আঘাত করে। প্রতিদিন বাথরুমে ঢোকাটাই এই জাদু নবায়নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- ৪৩ সাপ-খাদেম — সবচেয়ে বিপজ্জনক জাদুর প্রাণী জাদুর খাদেমদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ধরনগুলোর একটা — সাপ বা অজগরের রূপ নেওয়া শয়তান। কীভাবে চিনবেন, আর যে সূরায় সে ধ্বংস হয়।
- ৪৪ বহু বছর লুকিয়ে থাকা জ্বীন প্রকাশের ৭ দিনের প্রোগ্রাম কিছু জ্বীন এতটাই শক্তিশালী আর গভীরে লুকানো থাকে যে বছরের পর বছর ধরাই পড়ে না — বহু গিঁট আর প্রাচীরের আড়ালে লুকিয়ে থেকে তাআত্তিল ঘটিয়ে চলে। একটা সহজ পদ্ধতিতে তাকে প্রকাশ করার উপায় জানুন।
- ৪৫ সিহরের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে — তীব্র ক্বারীন-তসল্লুত অনেকে বহু রুকইয়াহ প্রোগ্রাম করেছেন, কিছু উপসর্গে উন্নতিও পেয়েছেন — তবু তাআত্তিল, অস্থিরতা আর একই সমস্যা ফিরে ফিরে আসে। কারণ হয়তো সিহর নয় — নিজের ক্বারীনের তীব্র তসল্লুত।
- ৪৬ দেহের ভেতরে জ্বীন — কীভাবে বাঁচে, কী খায়, কেন যায় না এই আলোচনাটা কোনো আমল না — বোঝাপড়ার আলোচনা। জ্বীন কেন ঢোকে, দেহের ভেতরে কীভাবে বাঁচে, কীসে শক্তি পায় আর কেন বেরোতে চায় না — জানলে চিকিৎসাও সহজ হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- ৪৭ মাসস আশিক থেকে চূড়ান্ত মুক্তির প্রোগ্রাম মাসস আশিক (প্রেমাসক্ত জ্বীনের চেপে বসা) জীবনে তাআত্তিল, দুঃস্বপ্ন, অস্বাভাবিক টান আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনীহা তৈরি করে। শাইখ ফাওয়াজ আল-আসওয়াদ দিয়েছেন একদম সহজ, শুধু কুরআনভিত্তিক একটা প্রোগ্রাম।
- ৪৮ মানব-তাবি'আ — হিংসুক মানুষের নীরব পিছু লাগা সবসময় আলোচনা হয় শয়তানি তাবি'আ বা ক্বারীন নিয়ে — কিন্তু সবচেয়ে বিপজ্জনক পিছু-লাগা কখনো মানুষের হতে পারে, যে হাত না লাগিয়েও জীবন আটকে দেয়।
- ৪৯ মাত্র ৩ মিনিটে বুঝে নিন — তাবি'আ আছে কি না তাবি'আ (পিছু-লাগা শয়তান) আছে কি না বুঝতে রাকীর কাছে যাওয়ার আগে নিজেই একটা সহজ পরীক্ষা করতে পারেন — মাত্র কয়েক মিনিটে ইনশাআল্লাহ।
- ৫০ তাবি'আর তালা ভাঙার লবণ-হারমাল ধোঁয়া গতকাল তাবি'আ পরীক্ষার পদ্ধতি জেনেছেন। আজ তার শক্তিশালী চিকিৎসা — সহজ, ঘরোয়া উপকরণে, তিন জুমার এক প্রমাণিত আমল।
- ৫১ মাথায় কেন্দ্রীভূত আসর — শেষ করার উপায় কানে টিনিটাস, মাথায় কম্পন-ঝিমঝিম, হঠাৎ ভুলে যাওয়া, মনোযোগে সমস্যা — এসব বারবার হলে আসরটা মাথায় কেন্দ্রীভূত হতে পারে, ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- ৫২ রুকইয়াহর ফল আটকে রাখে যে গিঁট — কাফিয়াতুর রাস রুকইয়াহ শুনলেই ঘুম পায়, অস্থির লাগে, কী পড়া হলো মনেও থাকে না? মাথার একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিঁট থাকলে এমনটা হয় — সেটাই রুকইয়াহর পূর্ণ উপকার আটকে দেয়, ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- ৫৩ রুকইয়াহতে তড়পায়, তবু বের হয় না কেন রুকইয়াহতে হাত-পা-মাথা-পেট নড়েচড়ে ওঠে — বোঝা যায় আসর কষ্ট পাচ্ছে, বেরোনোর চেষ্টা করছে — কিন্তু বের হয় না। দুটো আসল কারণ জেনে নিন আজ।
- ৫৪ দেহ থেকে নজর-গিঁট টেনে বের করার রুকইয়াহ হাসাদগ্রস্ত, ক্বারীন-আক্রান্ত, তাবি'আ-আক্রান্ত এমনকি সিহরগ্রস্ত — সবার দেহেই নজর ও গিঁট জমে থাকে। আজকের পূর্ণাঙ্গ রুকইয়াহতে সেগুলো টেনে বের করার পদ্ধতি জানুন।
- ৫৫ জাদু ভাঙলে জাদুকরের কী হয় — সত্যিটা যা কেউ বলে না জাদু ভেঙে গেলে কি জাদুকরের নিজের ক্ষতি হয়? শান্ত, ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিতে বিষয়টা বুঝে নেওয়া যাক, বাড়াবাড়ি ছাড়াই।
- ৫৬ সবচেয়ে বিপজ্জনক আসর — নীরবে কষ্ট দেয়, ধীরে সারে রুকইয়াহতে না দেখেন কিছু, না শোনেন, না তড়পান — অথচ জীবনে তাআত্তিল, বিলম্ব, অদ্ভুত স্বপ্ন লেগেই আছে? এটাই "চতুর্থ শ্রেণি" — সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ নীরবে কাজ করে।
- ৫৭ স্বপ্নে বারবার মাকে দেখা — নির্ণয় ও শেফার চাবি আপনি আগে থেকেই সিহর বা মাস-আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত, আর স্বপ্নে বারবার মাকে দেখছেন — নেতিবাচক দৃশ্যে? এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা ও শেফার চাবি আছে ইনশাআল্লাহ।
- ৫৮ ক্বারীন শুধু ওয়াসওয়াসা না — যে সত্য অনেকে জানেন না কিছু রাকী-চিকিৎসক বলেন — ক্বারীনের কাজ শুধু ওয়াসওয়াসা দেওয়া। একটা সহজ প্রশ্নেই এই ধারণা ভেঙে পড়ে।
- ৫৯ এই ৭টি লক্ষণ মিললে বুঝবেন সুস্থ হতে শুরু করেছেন যারা নীরবে ভুগেছেন (দিন ২৮-এর "চতুর্থ শ্রেণি"), তাদের সুস্থতাও আসে নীরবে — চিৎকার-খিঁচুনি বা নাটকীয় প্রতিক্রিয়া ছাড়াই। এই ৭টি সূক্ষ্ম লক্ষণ চিনে রাখুন।
- ৬০ যে জিনিসটা প্রতিটি আসর ভেতর থেকে ভয় পায় ৩০ দিনের এই সিরিজের শেষ পোস্টে একটা প্রশ্নের উত্তর — চিকিৎসা বা রুকইয়াহর সময় কোন জিনিসটা দেখলে দেহের ভেতরের আসর সত্যিকারের ভয় পায়?
- ৬১ রুকইয়াহ করতে ক্ষমতা লাগে না শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর জবাব — যে কেউ পারে। তবে কয়েকটি শর্ত আছে, আর সেগুলো না মানলে চিকিৎসাটাই নবীজি ﷺ-এর পথ থেকে সরে যায়।
- ৬২ নিজে পড়ব, নাকি রাকীর কাছে যাব? শাইখ বালীর জবাব — উত্তম হলো নিজেই নিজের রুকইয়াহ করা। তবে কারও কাছে গেলেও দোষ নেই; কথাটা নিষেধের নয়, অগ্রাধিকারের।
- ৬৩ ৪৫ দিনের একটা সহজ প্রোগ্রাম ফোনে সব শুনে শাইখ বালী বললেন — বিষয়টা সহজ। কাগজ-কলম নিন। তারপর চারটি লাইনে তিনি পুরো চিকিৎসাটা লিখিয়ে দিলেন।
- ৬৪ যে তিনটি শাইখ নিজেই ছেড়েছেন রুকইয়াহর তিনটি চেনা প্র্যাকটিস থেকে শাইখ বালী নিজে ফিরে এসেছেন — অথচ যারা করে তাদের উপর ইনকার করেননি। আদবটা এখানেই।
- ৬৫ রোগী ব্যথা পেলে ওটা জিন নয় রাকী কীভাবে বুঝবে আঘাতটা জিনের গায়ে পড়ছে, না রোগীর? শাইখ বালীর জবাবে একটা সহজ মাপকাঠি আছে — আর তার আগে একটা সতর্কবার্তা।
- ৬৬ রূহেরও খাবার দরকার হয় শাইখ বালী বলেন — রূহকে খেতে দিতে হয়, নইলে সে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আর তার একটাই খাদ্য: আল্লাহর যিকির।
- ৬৭ আপনার পাথেয়টা আসলে কী? শাইখ বালী বলেন — আমলের সংখ্যা নয়, আমলের ভেতরটাই পাথেয়। আর সেই পাথেয় শুরু হয় ঘরের ভেতর থেকে, রুজির ভেতর থেকে।
- ৬৮ পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক নামাজ নূর, সদকা প্রমাণ, ধৈর্য আলো, আর কুরআন আপনার পক্ষে বা বিপক্ষে দলিল — একটাই হাদিসে সবটুকু।
- ৬৯ সিহর সত্যি, আর প্রতিকারও আছে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী সাহির চেনার স্পষ্ট আলামত দিয়েছেন, আর ঘরে বসে করার মতো একটা পূর্ণ প্রোগ্রামও।
- ৭০ আল্লাহ যখন আপনাকে নিয়ে গর্ব করেন আরাফার দিনে আল্লাহ ফেরেশতাদের কাছে বান্দাদের নিয়ে গর্ব করেন — আর আরেকটি মুহূর্ত আছে, যা সফর ছাড়াই আপনার নাগালে।
- ৭১ চারটি কাজেই সিহর ভাঙে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর কাছে প্রশ্নটা এসেছিল এক ক্লান্ত স্বামীর কাছ থেকে। জবাবে কোনো কবিরাজের নাম নেই — চারটি ঘরোয়া কাজ।
- ৭২ নজর আর হাসাদ এক জিনিস নয় শাইখ বালী আগে পার্থক্যটা ধরিয়ে দিলেন, তারপর দিলেন পূর্ণ চিকিৎসা — সুরক্ষা, প্রতিকার আর নিজেকে সামলানো।
- ৭৩ নৈকট্যের মুহূর্তে মুয়াজের প্রশ্ন মুআয ইবনে জাবাল রা. চাইলেন এমন একটি আমল, যা জান্নাতে নেবে। জবাবে নবীজি ﷺ খুলে দিলেন ইসলামের মাথা, খুঁটি আর কল্যাণের দরজা।
- ৭৪ ইলমের শুরুটা ছোট থেকেই শাইখ বালী তালিবুল ইলমের ভিত্তি-স্তরটা সাজিয়ে দিয়েছেন — ছোট ছোট মূলপাঠ, মুখস্থ, উস্তাদকে শুনিয়ে নেওয়া, তারপর আমল।
- ৭৫ জিন ও কাফিরুন কি তাহসিনের অংশ? শাইখ বালীর জবাব সোজাসাপটা — এমন কোনো হাদিস আমার জানা নেই। তবে প্রমাণিত তাহসিনগুলো তিনি নাম ধরে বলে দিলেন।
- ৭৬ সাদা অন্তর, নাকি উল্টানো পাত্র নবীজি ﷺ দেখিয়েছেন, প্রতিটি ফিতনায় অন্তরে একটা করে দাগ পড়ে — সাদা কিংবা কালো। শেষে অন্তর দুই রকমেরই থাকে।
- ৭৭ আওয়াবীনের নামাজ আসলে কোনটি? সহীহ হাদিসে সালাতুল আওয়াবীন মানে সালাতুদ দুহা — সূর্য চড়ে ওঠার পর, যখন রোদে বালু গরম হয়ে ওঠে।
- ৭৮ পবিত্র যারা, ভালোবাসা তাদের আল্লাহ বলেন, তিনি তাওবাকারীদের ভালোবাসেন আর ভালোবাসেন পবিত্রতা অর্জনকারীদের (সূরা বাকারা, আয়াত ২২২)। শাইখ বালী দেখালেন সেই পবিত্রতা কীভাবে।
- ৭৯ পড়া পানিতে ঘর মোছা যাবে কি? শাইখ বালী উল্টো প্রশ্নটাই করলেন — এটা করছেন কেন? ভয়টা যদি নজর বা সিহরের হয়, তবে ঘরের জন্য পথটা আরও সহজ ও উত্তম।
- ৮০ লবণে কি শয়তান তাড়ানো যায়? শাইখ বালীর জবাবে দুটো জিনিস একসাথে — নবীজি ﷺ-এর পথই উত্তম, তবু যে করে তাকে বিদআতি বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না।
- ৮১ শয়তানকে ঘরে জায়গা দেবেন না শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী কয়েকটি ছোট আমলের কথা বলেছেন — শুরুটা ঘরের দরজা থেকেই। কোনোটাই কঠিন নয়, অথচ শয়তানের জায়গাটা এতেই ছোট হয়ে আসে।
- ৮২ নিয়ত বদলান, পুরো দিন বদলাবে শাইখ বালী বলেন, মানুষ ভালো নিয়ত দিয়ে অগণিত নেকি কামাতে পারে — খাওয়া, ঘুম, বেতনের টাকা, এমনকি চুপ থাকাটা পর্যন্ত ইবাদত হয়ে যায়।
- ৮৩ গুপ্তধনের খবর জিন দেয় না শাইখ বালী এমন দাবি শোনা প্রত্যেককে একটাই পরামর্শ দেন — এসব বাজে কথায় মন দেবেন না। কারণ এর অনেকটাই নিছক খুরাফাত।
- ৮৪ দাবিটা যাচাই করার সহজ উপায় শাইখ বালীর কাছে এক ব্যক্তি এসেছিলেন এই সমস্যা নিয়েই। শাইখ তাঁকে একটি বাক্য শিখিয়ে দিলেন — আর তাতেই দাবিদারের মুখোশ খুলে গেল।
- ৮৫ ঘরে অদ্ভুত কিছু ঘটছে — কী করবেন শাইখ বালী ঘর ছাড়ার কথা বলেননি। তিনি এক মাসের একটা রুটিন ধরিয়ে দিয়েছেন — তারপরও না গেলে ইস্তিখারা।
- ৮৬ নামাজ নূর, সদকা প্রমাণ, ধৈর্য আলো শাইখ বালী এই হাদিসটি ধরে ধরে খুলেছেন — পবিত্রতা, মিযান, নামাজ, সদকা, ধৈর্য, কুরআন। শেষ বাক্যটি সবচেয়ে কাঁপিয়ে দেওয়া।
- ৮৭ ঈমান মাপার দৈনিক মানদণ্ড শাইখ বালী একে বলেছেন ঈমানের দৈনিক থার্মোমিটার। মাপকাঠিটা একটাই — আজ ফজর ধরতে পেরেছেন কি না।
- ৮৮ বিছানা ভেজানো — একটি সহজ চেষ্টা শাইখ বালী একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে শোনা একটি সহজ পরামর্শ বলেছেন। উপকরণ একটাই — খাঁটি মধু।
- ৮৯ ইরকুন-নাসা — নববী চিকিৎসা শাইখ বালী এটি তুলে ধরেছেন ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহ.-এর আত-তিব্বুন নববী থেকে, একটি সহীহ ও প্রসিদ্ধ হাদিসের ভিত্তিতে।
- ৯০ হায়াত বাড়ানোর তিনটি কারণ শাইখ বালী বলেন — আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, মা-বাবার সাথে সদাচরণ, আর সদকা। তিনটিই হাদিসে স্পষ্ট।
- ৯১ শয়তানকে হারানোর একটাই চাবি শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী বলেন — শয়তান নিজেই স্বীকার করেছে, একদল মানুষকে সে কিছুতেই পথভ্রষ্ট করতে পারে না। তারা মুখলিস।
- ৯২ নফসের সাথে জিহাদ করবেন কীভাবে শাইখ বালী একটি আয়াত ধরে দেখিয়েছেন — যে সত্যিই নিজের নফসের সাথে লড়ে, আল্লাহ তার জন্য কল্যাণের পথগুলো খুলে দেন।
- ৯৩ রাগটা কি সত্যিই বদলানো যায়? শাইখ বালী বলেন — হালীম হওয়া জন্মগত কিছু নয়, অভ্যাস করে অর্জন করার জিনিস। তিনটি ধাপে পথটা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন।
- ৯৪ আপনার এক মিনিটের দাম কত? শাইখ বালী একটা হিসাব কষে দেখিয়েছেন — দিনে মাত্র এক মিনিট তাসবিহে দিলে সারা জীবনে কী দাঁড়ায়।
- ৯৫ নফস গঠন মানে আসলে কী? শাইখ বালীর কাছে প্রশ্ন এসেছিল — নফস গঠন আর ইলম অর্জন কি এক জিনিস? জবাবটা এক লাইনের।
- ৯৬ আগে খালি করুন, তারপর ভরুন শাইখ বালী বলেন — আল্লাহর পথে চলতে চাইলে তাখলিয়া আগে, তাহলিয়া পরে। এই ক্রমটা উল্টে ফেললেই পরিশ্রম বৃথা যায়।
- ৯৭ নিজের হিসাব নিজেই নিন শাইখ বালী মুহাসাবার তিনটি স্তম্ভ ভেঙে দেখিয়েছেন — সকালে শর্ত, সারাদিন নজরদারি, রাতে হিসাব।
- ৯৮ পাথর হয়ে যাওয়া অন্তরের চিকিৎসা শাইখ বালী বলেন — এটি একটি রোগ, আর এর চারটি চিকিৎসা আছে। প্রতিটিই ঘরে বসে শুরু করা যায়।
- ৯৯ কালো দাগ মুছে অন্তর সাদা করুন শাইখ বালী বলেন — অন্তর উজ্জ্বল করার স্তম্ভ তিনটি: গুনাহ ছেড়ে দেওয়া, তাওবা করা, আর ইস্তিগফার।
- ১০০ প্রতিটি দৃষ্টিতে একটি দাগ পড়ে শাইখ বালী বলেন — এই যুগে চোখ নামানোটাই একটা জিহাদ, আর এর সওয়াবও মুজাহিদদের মতো।
- ১০১ আমল দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছেন? শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী একে বলছেন উজব — চুপিসারে গাফেল অন্তরে ঢুকে পড়া একটা রোগ। চিকিৎসাটাও তিনি তিন ধাপে বলে দিয়েছেন।
- ১০২ অলসতা নিছক স্বভাব নয়, রোগ নবীজি ﷺ এই জিনিসটা থেকেই আশ্রয় চেয়েছেন। শাইখ বালী বলছেন — মুসলিম কখনো অলস হয় না; আর এর চিকিৎসা শুরু হয় একটা দুআ দিয়ে।
- ১০৩ খালি সময়টাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ শাইখ বালী বলছেন — সময়ই আপনার জীবন। যে সময়টা ভালো কাজে দিল, সে ভালোদের দলে। আর নবীজি ﷺ দুটো নিয়ামতের কথা বলেছেন, যাতে মানুষ সবচেয়ে বেশি ঠকে।
- ১০৪ ফজরটা প্রতিদিনের একটা পরীক্ষা শাইখ বালী বলছেন — ঘুমন্ত মানুষের ঘাড়ে শয়তান তিনটি গিঁট বেঁধে রাখে। সেই গিঁট খোলার পদ্ধতিটাও নবীজি ﷺ বলে দিয়েছেন।
- ১০৫ আগের সেই স্বাদটা কোথায় হারিয়ে গেল? শাইখ বালী বলছেন — ঈমান বাড়ে, ঈমান কমেও; তাই পিছিয়ে পড়াটাই শেষ কথা নয়। কেন কমে আর কীভাবে ফেরা যায়, দুটোই তিনি ধরিয়ে দিয়েছেন।
- ১০৬ এগিয়ে গেল যারা, তাদের কাতারে আসুন নবীজি ﷺ বললেন — মুফাররিদূনরা এগিয়ে গেছে। সাহাবিরা জানতে চাইলেন, তারা কারা? জবাব এল: বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরকারী নারী ও পুরুষ।
- ১০৭ চোখ নামালেই অন্তরটা বেঁচে যায় শাইখ বালী আয়াতটা নিয়ে অবাক হয়েছেন — আল্লাহ বলেননি ফাসিকদের বলো, পাপীদের বলো; বলেছেন “মুমিনদের বলো, তারা যেন দৃষ্টি নামিয়ে রাখে”।
- ১০৮ দৃষ্টির হুকুমগুলো একসাথে জেনে নিন শাইখ বালী দশটি প্রশ্নে দৃষ্টির বিধান সাজিয়েছেন — বেগানা নারী, ছবি, ডাক্তার, পাত্রী দেখা, মাহরাম, এমনকি খেলা দেখা পর্যন্ত।
- ১০৯ গোপন অভ্যাসটার শরঈ হুকুম কী? শাইখ বালী শুরু করেন ইমাম শাফিঈ রহ.-এর জবাব দিয়ে — মূল হুকুম হারাম। তবে তিনি ইমাম আহমাদ রহ.-এর ভিন্ন একটি মতও গোপন করেননি।
- ১১০ সিগারেটে কি অজু ভেঙে যায়? শাইখ বালীর জবাবটা দুই ভাগে — ধূমপান হারাম, কিন্তু এতে অজু ভাঙে না। আর হারাম হওয়ার কারণ তিনি পাঁচটি ধরে ধরে বলেছেন।
- ১১১ সোশ্যাল মিডিয়ার শরয়ী সীমারেখা শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী এখানে কয়েকটি সীমারেখা এঁকে দিয়েছেন। এর একটি ভাঙলেই ঘরে নজর আর হাসাদের দরজা খুলে যায়।
- ১১২ আমরা তো খারাপ কিছু করছি না শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর জবাবটা কড়া নয়, কিন্তু নির্মম রকম সৎ — শয়তান এখানে ঠিক যা খোঁজে, তা পেয়ে যায়।
- ১১৩ ভালোবাসাটা কোথা থেকে ঢুকল? শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী প্রশ্নটাকে উল্টে দেন — মনে বসল কীভাবে? আর সেখান থেকেই বেরোনোর পথটা ধরিয়ে দেন।
- ১১৪ ছাড়তে চান? কাগজ-কলম নিন শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী শুধু “হারাম” বলে থামেননি — ছাড়ার একটা ধাপে-ধাপে তালিকাই ধরিয়ে দিয়েছেন।
- ১১৫ তাস খেলা কি হালাল না হারাম? শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী উত্তরটা দিয়েছেন একটাই সহজ নিয়ম দিয়ে — খেলাটা ভাগ্যের, না হিসাবের?
- ১১৬ নাশিদ শোনা যাবে, তবে দুটো শর্তে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর জবাবটা ছোট, কিন্তু এই দুটো শর্তেই আজকের বেশিরভাগ নাশিদ আটকে যায়।
- ১১৭ বুকের ওই চাপটার আসল কারণ শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী কারণটা দেখিয়েছেন একদম গোড়া থেকে — দেহের খাবার আছে, রুহের খাবারটা নেই।
- ১১৮ ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী চারটি কাজ বলেছেন। প্রথমটার ব্যাপারে তাঁর কথা — এটি পরীক্ষিত।
- ১১৯ মৃত্যু — নীরব উপদেশদাতা শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী বলেন — মৃত্যুর স্মরণ এক ভুলে যাওয়া সুন্নাহ; অথচ কথা না বলেই সে সবচেয়ে কড়া উপদেশটা দিয়ে যায়।
- ১২০ প্রস্তুতিটা আজই নিতে হয় শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী ধরে ধরে বলে দিয়েছেন — মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি মানে ঠিক কী কী করা।
- ১২১ যে বন্ধুর সাথে হেসেছিলে, সে নেই শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী বলছেন — মৃত্যুর কোনো বয়স নেই, কোনো কারণও লাগে না। সে ওখানে অপেক্ষা করছে, আর আপনি তার পিছু পিছু।
- ১২২ আগামীকাল আপনি কোথায় থাকবেন? শাইখ বালী দৃশ্যটা এঁকে দিয়েছেন — কেউ নাকের কাছে হাত আনবে নিঃশ্বাস দেখতে, কেউ বুকে হাত রাখবে হৃৎস্পন্দন খুঁজতে।
- ১২৩ রূহ বেরিয়ে যাওয়ার সেই মুহূর্তটা শাইখ বালী বারা ইবনে আজিব রা.-এর বর্ণনাটি তুলে ধরেছেন — মুমিনের রূহ বের হয় মশকের মুখ থেকে ফোঁটা গড়িয়ে পড়ার মতো সহজে।
- ১২৪ শেষ শয্যায় তাঁরা যা বলে গেছেন শাইখ বালী কয়েকজনের শেষ কথাগুলো একসাথে এনেছেন — সাহাবি, খলিফা, ইমাম। প্রত্যেকের শেষ কথাটাই ছিল ভাঙা মনের।
- ১২৫ মৃত্যুর সময় নেমে আসেন ফেরেশতারা শাইখ বালী সূরা ফুসসিলাতের আয়াত ধরে দেখিয়েছেন — শর্ত মাত্র দুটো: ‘আমাদের রব আল্লাহ’ বলা, আর তার উপর অটল থাকা।
- ১২৬ দুটি জানাজা — একটি আসমানে শাইখ বালী বলছেন, নেক মুমিন মারা গেলে জমিনে মানুষ তার দেহের জানাজা বহন করে, আর আসমানে ফেরেশতারা তার রূহের।
- ১২৭ মৃত্যুশয্যায় পাঁচটি ওসিয়ত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. ছেলে আবদুর রহমানকে পাঁচটি কথা বলে গিয়েছিলেন। শাইখ বালী বলছেন — এই পাঁচটাই সারা জীবনের জন্য যথেষ্ট।
- ১২৮ কবরের তিন প্রশ্ন মুখস্থে হয় না শাইখ বালী বলছেন, যাঁদের আল্লাহ অটল রাখেন তাঁদের পরিচয় কুরআনেই আছে — ঈমানের ছয় রুকন যিনি অন্তরে বসিয়ে আমলে চালিয়েছেন।
- ১২৯ কবরে আমলগুলো ঘিরে দাঁড়ায় শাইখ বালী ইবনে হিব্বানের বর্ণনাটি তুলে ধরেছেন — নামাজ মাথার পাশে, রোজা ডানে, যাকাত বাঁয়ে, আর মানুষের উপকার পায়ের কাছে।
- ১৩০ গীবতকারীর কবরে যা ঘটে মিরাজের রাতে নবীজি ﷺ এমন কিছু মানুষ দেখেছিলেন — তামার নখ দিয়ে নিজেদের মুখ ও বুক খামচাচ্ছে। জিবরিল আ. পরিচয়টা বলে দিলেন।
- ১৩১ রক্তের নদীতে সাঁতার কাটছে যে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখানো একটি দৃশ্য। শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী বলেন — এটাই সুদখোরের কবরের অবস্থা। দৃশ্যটা ভয় দেখানোর জন্য নয়, ফিরে আসার সুযোগ দেওয়ার জন্য।
- ১৩২ যে কবরে পাথর বারবার নেমে আসে নবীজি ﷺ কবরের যে দৃশ্য দেখেছিলেন, শাইখ বালী সেটাই মনে করিয়ে দেন — নামাজে অবহেলাকারীর মাথায় পাথর নামে, মাথা আবার জোড়া লাগে, আবার পাথর।
- ১৩৩ চুলার ভেতরে যাদের রাখা হয় শাইখ বালী বলেন — শাস্তির বর্ণনাটা কেবল ভয় দেখানোর জন্য নয়, দরজাগুলো বন্ধ করার জন্য। ইসলাম যিনার অনেক আগেই পথগুলো আটকে দিয়েছে।
- ১৩৪ কুরআন পড়ে আমল করে না যে মিরাজের রাতে নবীজি ﷺ এমন কিছু মানুষকে দেখেছিলেন, যাদের মাথা পাথরে চূর্ণ করা হচ্ছিল। জিবরীল আ. বললেন — এরা কুরআন নেয়, তারপর ছুড়ে ফেলে।
- ১৩৫ মরার পরও যে আমল চলতে থাকে শাইখ বালী বলেন — মৃত্যুর সাথে সাথে আমলের খাতা বন্ধ, তিনটি জিনিস ছাড়া। আর এই তিনটির যেকোনো একটা আজই শুরু করা যায়।
- ১৩৬ শিঙায় ফুঁক দেওয়ার সেই দিন দাজ্জালের আবির্ভাব, ঈসা আ.-এর অবতরণ, ঠান্ডা বাতাস, তারপর শিঙার ফুঁক — শাইখ বালী শেষ দৃশ্যগুলো পরপর সাজিয়ে দেন।
- ১৩৭ চারটি প্রশ্নের আগে পা নড়বে না শাইখ বালী প্রশ্নগুলো একে একে খুলে দেখান — বয়স, যৌবন, ইলম আর সম্পদ। আজ থেকেই জবাব তৈরি করা ছাড়া উপায় নেই।
- ১৩৮ যে দিনের ভয়ে শিশুরাও বুড়ো হয় শাইখ বালী কুরআনের নামগুলো ধরে ধরে দেখান — কারিআ, ওয়াকিআ, হাক্কা, তাম্মা, সাখখা। নামগুলোই দিনটার পরিচয়।
- ১৩৯ পিঁপড়ার মতো ছোট হয়ে উঠবে কিয়ামতের মাঠে এক অদ্ভুত দৃশ্য। শাইখ বালী বলেন — এরাই দুনিয়াতে আল্লাহর বান্দাদের উপর অহংকার করত।
- ১৪০ সাপটি বলবে — আমিই তোমার সম্পদ শাইখ বালী বলেন — সাপটি কথা বলবে, বলবে ‘আমিই তোমার মাল, আমিই তোমার সঞ্চয়’। এ সেই লোক, যে সম্পদের যাকাত দেয়নি।
- ১৪১ মুখে আগুনের লাগাম পরানো হবে যাকে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী তিনটি দৃশ্য এঁকে দেখিয়েছেন — আর তিনটিরই শিকড় একটাই জায়গায়: আমানতের খেয়ানত।
- ১৪২ যাদের দিকে আল্লাহ ফিরেও তাকাবেন না আবু যর রা. বলে উঠেছিলেন — তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল! কারা তারা, ইয়া রাসূলাল্লাহ? জবাবে তিনটি মানুষের কথা এল।
- ১৪৩ যে পাল্লায় ওজন হবে আপনার আমল শাইখ বালী বলেন — মিযানে তিনটি জিনিস রাখা হবে: আমল, আমলনামা, আর মানুষটি নিজে। তিনটিই ওজন হবে।
- ১৪৪ পুলসিরাতে আটকে রাখে যে গুনাহ শাইখ বালী বলেন — ওই আঙটাগুলোই আসলে বান্দার গুনাহ। গীবতের আঙটা গীবতকারীকেই আঁকড়ে ধরে।
- ১৪৫ জান্নাতের সবচেয়ে নিচু মানুষটিও রাজা জান্নাত বুঝতে হলে আগে দুনিয়ার মাপকাঠিটা সরিয়ে রাখতে হবে — কারণ সেখানকার কোনো কিছুই এখানকার মতো নয়।
- ১৪৬ জাহান্নাম কেবল জ্বলন্ত আগুন নয় সেখানে শহর আছে, কামরা আছে, শিকল আছে, ধোঁয়া আছে — আর শেষ পর্যন্ত খোলা আছে তওবার দরজাও।
- ১৪৭ সংসার টেকে ছাড়ে, তর্কে নয় দাম্পত্য জীবন গড়ে ওঠে তানাযুল-এর উপর, তানাযু-এর উপর নয় — অর্থাৎ নিজের কিছু অধিকার ছেড়ে দেওয়ার উপর, ঝগড়ার উপর নয়।
- ১৪৮ ইবলিস সবচেয়ে খুশি হয় যে কথায় সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় ইবলিস তাকেই বুকে জড়িয়ে বলে — তুমিই আসল, যে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে ফিরেছে।
- ১৪৯ নিয়ত মীমাংসার হলে আল্লাহ মিলিয়ে দেন শাইখ বালী বলেন — আল্লাহ তাওফিককে নিয়তের সাথে বেঁধে দিয়েছেন। তাই মধ্যস্থতায় নামার আগে নিজের নিয়তটা দেখে নিন।
- ১৫০ নাশিযা বলার আগে তিনটি ধাপ মানুন শাইখ বালী স্পষ্ট বলেছেন — আল্লাহ তিনটি ধাপ রেখেছেন, আর কোনো ধাপ ডিঙিয়ে যাওয়া যাবে না।
- ১৫১ স্বামী আরেকজনের সাথে কথা বলছে শাইখ ওয়াহিদ বালীর জবাব দুই ভাগে এল — একদিকে যে পথে সে যাচ্ছে সেটাই ভুল, অন্যদিকে স্ত্রীর জন্য রাখা আছে ধৈর্যের এক বিশাল প্রতিদান।
- ১৫২ এই একটা নিয়ম ছাড়া সংসার হয় না শাইখ ওয়াহিদ বালী বলেন — স্বামী স্ত্রীর সাথে আচরণ করবে আল্লাহর জন্য, স্ত্রীও স্বামীর সাথে আল্লাহর জন্য। এই ভিতটা না থাকলে দাম্পত্য দাঁড়ায় না।
- ১৫৩ স্বামী জুলুম করলে আনুগত্য কতটুকু? প্রশ্নকারিণী জানতে চেয়েছেন — স্বামীর আনুগত্যের সর্বনিম্ন সীমাটা কী, যাতে আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজে পড়ে না যাই।
- ১৫৪ স্বামীর ডাকে সাড়া দিতে পারছি না ৫০ বছরের এক বোনের প্রশ্ন — না মনে জোর আছে, না শরীরে; ঘরটাও ছোট। শাইখ বালীর জবাবে আছে একটা বড় স্বস্তি।
- ১৫৫ সুখী হবেন কোন স্ত্রীকে পেয়ে? শাইখ ওয়াহিদ বালী এখানে কাগজ-কলমের একটা হিসাব দিয়েছেন — ছয়টি গুণে ১০০ নম্বর ভাগ করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
- ১৫৬ পরিবার বিয়ে দিচ্ছে না — কী করব? শাইখ ওয়াহিদ বালীর জবাবে দুটো কথা — মেয়েটির জন্য একটা সান্ত্বনা, আর অভিভাবকদের জন্য একটা কড়া নসিহত।
- ১৫৭ পূর্ণ মুসলিম আসলে কে? নবীজি ﷺ নিজেই মাপকাঠিটা বলে দিয়েছেন, আর শাইখ ওয়াহিদ বালী দেখিয়েছেন — যাচাইটা হয় তিনটি জায়গায়: জিহ্বা, হাত আর হিজরত।
- ১৫৮ সন্তানকে কোথায় পড়াবেন? শাইখ ওয়াহিদ বালী নিজের দেশের অভিভাবকদের একটা ধারা বেছে নিতে বলেছেন — আর কারণ হিসেবে দিয়েছেন তিনটি স্পষ্ট মানদণ্ড।
- ১৫৯ সন্তান আপনাকেই নকল করছে কুরআনের শিক্ষক-শিক্ষিকা আর বাবা-মা — সবার জন্য শাইখ ওয়াহিদ বালীর চারটি নসিহত। প্রথমটাই সবচেয়ে কঠিন: আপনি নিজেই আদর্শ।
- ১৬০ বিয়ে দেরি হওয়ার আসল কারণগুলো শাইখ ওয়াহিদ বালী কারণগুলো একটা একটা করে ধরিয়ে দিয়েছেন — আর প্রতিটির পাশে রেখেছেন একটা করে সমাধান।
- ১৬১ পাত্রী দেখা জায়েজ, নির্জনতা নয় শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর কাছে প্রশ্ন এসেছিল — শারঈ রুইয়্যাহর সীমা কতটুকু? জবাবটা যত সহজ, তত স্পষ্ট।
- ১৬২ মক্কায় দেখা হবে, কিন্তু কীভাবে? শাইখ বালীর জবাবে দুটো জিনিস আলাদা হয়ে গেল — শুধু দেখা, আর বসে কথা বলা। নিয়ম দুটোর জন্য এক নয়।
- ১৬৩ বাগদানের আংটি পরা কি যাবে? শাইখ বালী নিজেই জানিয়ে দিলেন, এ বিষয়ে তাঁর আগের মত থেকে তিনি ফিরে এসেছেন — আর কারণ দুটি খুব পরিষ্কার।
- ১৬৪ অবাধ্যতার প্রতিদান ফিরে আসে শাইখ বালী বলেন — কেউ জেনেশুনে মা-বাবার অবাধ্য হয় না; অবাধ্যতা আসে না-জানা থেকে। জানলে কোনো সন্তান কখনো অবাধ্য হতো না।
- ১৬৫ সম্পর্ক কাটলে বরকতও কাটে শাইখ বালী বলেন — যে রক্তের সম্পর্ক জোড়া রাখে, আল্লাহ তার সাথে সম্পর্ক জোড়েন; আর যে ছিন্ন করে, আল্লাহ তার থেকে ছিন্ন করেন।
- ১৬৬ আত্মীয়তা রক্ষার পাঁচটি পথ শাইখ বালী একদম হাতে-কলমে বলে দিলেন — কী করলে সিলা রক্ষা হয়, আর তারা খারাপ ব্যবহার করলে আপনার করণীয় কী।
- ১৬৭ যে ভুলগুলো সন্তানকে ভেতরে ভেঙে দেয় শাইখ বালী তারবিয়াতের চেনা ভুলগুলো এক এক করে ধরিয়ে দিলেন — তুলনা, অতিরিক্ত আদর, আর নিজে না করে আদেশ করা।
- ১৬৮ শিশু মিথ্যা বলে? শাস্তির ভয় সরান শাইখ বালীর দেওয়া চিকিৎসাটা এত সহজ যে অনেকে প্রথমে বিশ্বাসই করতে চান না — তাকে শাস্তি থেকে নিরাপদ করে দিন।
- ১৬৯ মেয়ের নামটা যেন একটা ইতিহাস হয় শাইখ বালী নাম বাছাইয়ের একটাই মাপকাঠি দিলেন — এমন নাম, যার পেছনে একটা ইতিহাস আছে; বড় হয়ে যেটা সে নিজেই পড়তে পারবে।
- ১৭০ কালো না হলে কি পর্দা হয় না? শাইখ বালী মাপকাঠিটা বদলে দিলেন — প্রশ্ন রঙের নয়। প্রশ্ন হলো, পোশাকটা ঢাকে কি না, আর নজর টানে কি না।
- ১৭১ সদকা সম্পদ কমায় না শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী বলেন — যেদিন আপনি সদকা করবেন, সেদিন আসমান থেকে একজন ফেরেশতা নেমে শুধু আপনার জন্য দোয়া করবেন।
- ১৭২ জুমার দিনটা যেভাবে কাজে লাগে শাইখ বালী পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা করে বলে দিয়েছেন — ঘরে বসেও জুমার দিনের বড় অংশটা পাওয়া যায়।
- ১৭৩ কত দূর গেলে কসর করা যায় শাইখ বালী সোজাসুজি বলে দিলেন — দূরত্ব নির্ধারণ করে নবীজি ﷺ থেকে তিনি কোনো হাদিস জানেন না; বাকি সব সাহাবিদের ইজতিহাদ।
- ১৭৪ হিফজ শেষ, এবার শুকরিয়া শাইখ বালী হাফেজ ছেলে-মেয়েদের বলেন — কুরআন মুখস্থ হওয়া আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত; আর এই নিয়ামতের শুকরিয়া হলো আমল।
- ১৭৫ দারিদ্র্যের শারঈ সমাধান কী শাইখ বালী শুরুতেই ধারণাটা ভেঙে দিলেন — রিজিক মানে শুধু টাকা নয়। সুস্থতা রিজিক, সন্তানের সদাচরণ রিজিক, ফজরের তাওফিকও রিজিক।
- ১৭৬ ধনী হওয়ার চারটি শারঈ পথ চারটিই আমল — খরচ নেই, ঝুঁকি নেই। আর প্রত্যেকটির পেছনে কুরআন বা সহীহ হাদিসের দলিল আছে।
- ১৭৭ ব্যবসায় বরকত কোথায় থাকে শাইখ বালী বলেন — বরকত থাকে সত্য বলায় আর ত্রুটি স্পষ্ট করে দেওয়ায়। লুকালে ওই বেচাকেনার বরকত মুছে দেওয়া হয়।
- ১৭৮ লাভের ভাগ হয়, মূলধনের নয় শাইখ বালী শারঈ বিনিয়োগের চারটি শর্ত বলে দিয়েছেন। একটিও ভুল হলে লাভটা আর হালাল থাকে না।
- ১৭৯ সম্পদ নিয়ামত, না কি পরীক্ষা শাইখ বালী খুতবার শুরুতেই মনে করিয়ে দিলেন — দুনিয়াটাই পরীক্ষার ঘর। বুদ্ধিমান সে-ই, যে দুনিয়াকে আখিরাতের ক্ষেত বানায়।
- ১৮০ হারাম লোকমা যেভাবে ঢুকে পড়ে শাইখ বালী এমন কয়েকটি দরজা দেখিয়েছেন, যেগুলো দিয়ে হারাম ঢোকে — অথচ মানুষ টেরও পায় না।
- ১৮১ ব্যাংকের সুদ কি খরচ করা যাবে? শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর কাছে প্রশ্নটা এসেছিল এক বিধবা বোনের পক্ষ থেকে। জবাবে তিনি শুধু “না” বলেননি — বেরোনোর রাস্তাটাও দেখিয়ে দিয়েছেন।
- ১৮২ অনলাইনের আয়টা হালাল তো? শাইখ বালী এখানে দুটো জিনিস আলাদা করেছেন — কনটেন্ট বানানোর পাঁচটি শর্ত, আর আয় করার হালাল বিকল্পগুলো।
- ১৮৩ পার্লার আর বিয়ের হলের ব্যবসাটা? শাইখ বালী এখানে সোজা “হারাম” বলে থামেননি। তিনি দেখিয়েছেন কোন শর্তগুলো মানলে ব্যবসাটা বৈধ থাকে, আর কোথায় গিয়ে তা নষ্ট হয়ে যায়।
- ১৮৪ পুরোনো সোনা নতুন বলে বিক্রি শাইখ বালী বলেন, বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ — কারণ অনেক ব্যবসায়ীই এটা করেন, আর ধরেই নেন এতে দোষের কিছু নেই।
- ১৮৫ যে ধোঁকা দেয় সে আমার নয় শাইখ বালী বলেন, এই অপরাধটাকে অসুস্থ মন এত ছোট করে দেখেছে যে একে উদারতা ও চালাকি বলে চালানো হয়।
- ১৮৬ উপহার নাকি ঘুষ পার্থক্যটা কোথায়? শাইখ বালী পার্থক্যটা এক লাইনে ধরিয়ে দিয়েছেন — আর সেই এক লাইনেই আমাদের অনেক অভ্যাস ধরা পড়ে যায়।
- ১৮৭ শাস্তি নয়, আসল উদ্দেশ্য প্রতিরোধ শাইখ বালী শরয়ী শাস্তিগুলোর ব্যাখ্যা দিয়ে শেষে যেখানে এসে থেমেছেন, সেটাই সবচেয়ে জরুরি — আল্লাহর মুরাকাবা।
- ১৮৮ রাতে দুশ্চিন্তা, দিনে অপমান শাইখ বালী ঋণকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। আর মুক্তির পথটা তিনি রেখেছেন তিনটি ধাপে — দুআ, নিয়ত আর সাশ্রয়।
- ১৮৯ শহীদের গুনাহও মাফ, ঋণ ছাড়া শাইখ বালী বলেন, এই হাদিসটি পড়ে তিনি নিজেই ভীষণভাবে নাড়া খেয়েছিলেন — আর এখান থেকেই ঋণের প্রশ্নটার জবাব শুরু।
- ১৯০ “বাবার ঋণটা আমার উপর” শাইখ বালী বলেন, কথাটা বলার আগে একটা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে — মৃত ব্যক্তি কি কিছু রেখে গেছেন?
- ১৯১ ঋণটা মাফ করে যাকাত ধরা যাবে? এ প্রশ্নে আলিমদের মাঝে দুটি মত। শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী নিজে আগের মত ছেড়ে দ্বিতীয় মতে ফিরেছেন — কারণগুলো শুনলে বোঝা যায় কেন।
- ১৯২ ফিতরাটা সন্তানের চোখের সামনে দিন শাইখ বালী বলেন — ওভাবে দিলে দোষ নেই। তবে জীবনে অন্তত একবার নিজে হাতে করুন; সন্তানের মনে ছবিটা সারাজীবন গেঁথে থাকবে।
- ১৯৩ শেয়ার তিন রকম — আপনারটা কোনটা? শাইখ বালী শেয়ারকে তিন ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছেন — বিশুদ্ধ হারাম, বিশুদ্ধ হালাল, আর মিশ্র। গোলমালটা বাধে তৃতীয়টাতেই।
- ১৯৪ কাঁচা ফল আগেই বিক্রি করবেন না শাইখ বালী বলেন — জমির টমেটো কিংবা গাছের আম-আপেল-ডালিম বিক্রি করা জায়েয, তবে একটাই শর্তে। শর্তটা না মানলে বিক্রিটাই বাতিল।
- ১৯৫ ঝগড়াটা যেভাবে আপনার আমল আটকায় শাইখ বালী বলেন — সোম ও বৃহস্পতিবার আমল পেশ করা হয়, আর যাদের মাঝে শত্রুতা আছে তাদের ক্ষমা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৯৬ মজলিসের রসটাই আমল খেয়ে ফেলে শাইখ বালী বলেন — গীবত ও চোগলখোরি দুটোই কবিরা গুনাহ। আর কিয়ামতের দিন জমানো নেকিগুলো এভাবেই হাতছাড়া হয়ে যায়।
- ১৯৭ সব পণ্যই কি বয়কটের তালিকায়? শাইখ বালীর জবাব সোজা — না, সব জিনিস বয়কটের নয়। বয়কটটা নির্দিষ্ট, আর সেটার একটা স্পষ্ট মাপকাঠিও আছে।
- ১৯৮ মিযানে সবচেয়ে ভারী যে জিনিস শাইখ বালী বলেন — সুন্দর চরিত্র মানুষকে রোজাদার ও রাতজাগা ইবাদতকারীর মর্যাদায় পৌঁছে দেয়। অথচ এখানেই আমরা সবচেয়ে অমনোযোগী।
- ১৯৯ বেপর্দা শুধু কাপড়ের ব্যাপার নয় শাইখ বালী তাবাররুজের সংজ্ঞাটা দিয়েছেন এক লাইনে — আর তাতে পোশাক, চলা, হাসি ও কথা সবই এসে পড়ে।
- ২০০ সহিহ হিজাবের পাঁচটি শর্ত শাইখ বালী শর্তগুলো এক এক করে গুনে দিয়েছেন। শেষ শর্তটা অনেকেই খেয়াল করেন না — অথচ সেটাও হাদিসে স্পষ্ট এসেছে।
- ২০১ সত্য বললে বাবার ব্যবসাটাই বন্ধ ইবরাহিম (আ.) জানতেন — মূর্তি বানানোই তাঁর বাবার সবচেয়ে বড় আয়। তবু তিনি মুখ খুলেছিলেন, আর খুলেছিলেন সবচেয়ে নরম ভাষায়।
- ২০২ ‘বাপ-দাদা করত’ — এটাই কি দলিল? ইবরাহিম (আ.) একটাই প্রশ্ন করেছিলেন। জবাবে একটা প্রমাণও এল না — এল শুধু পূর্বপুরুষের অভ্যাস।
- ২০৩ আসামির কাঠগড়ায় ইবরাহিম (আ.) শাইখ বালী বলেন, এই ভিড়টাই তো ইবরাহিম (আ.) চেয়েছিলেন — একসাথে সবাইকে তাওহিদের দাওয়াত দেওয়ার সুযোগ।
- ২০৪ সূর্যটা পশ্চিম থেকে ওঠাও শাইখ বালী বলেন, ইবরাহিম (আ.) তর্কটা মাটি থেকে তুলে নিয়ে গেলেন আসমানে — আর শাসক সেখানেই থেমে গেলেন।
- ২০৫ প্রাসাদে একা, সাথে শুধু দুআ শাইখ বালী বলেন, সারা (আ.) নামাজে দাঁড়িয়ে দুআ করলেন — আর বারবার লোকটি তাঁর দিকে হাত বাড়িয়ে থেমে গেল।
- ২০৬ ‘আল্লাহ কি এটা আদেশ করেছেন?’ উত্তরটা ছিল এক শব্দের — ‘হ্যাঁ’। তখন হাজেরা (আ.) বললেন, তাহলে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।
- ২০৭ কৃতজ্ঞ ঘরেই কাবার ভিত ওঠে শাইখ বালী বলেন, ইসমাইল (আ.) বুঝে গেলেন কথাটা কার সম্পর্কে। আর শুকরিয়া করা ঘরটাই টিকে গেল — সেখান থেকেই কাবার ভিত উঠল।
- ২০৮ ছুরিটা ধরা ছিল নিজের কলিজায় শাইখ বালী বলেন, পরীক্ষাটা ছিল দুজনের — বাবার সবরে, আর ছেলের আত্মসমর্পণে। কোনটা বেশি বিস্ময়কর, বলা কঠিন।
- ২০৯ বিজয় আসে সবরের সাথেই আগুন, শাসক, নিঃসন্তান বছরগুলো, শুকনো মরুভূমি — সব পেরিয়ে একটাই কথা: সবরের সাথেই সাহায্য আসে।
- ২১০ ৯৯টি নাম শুধু মুখস্থ করলেই হয়? শাইখ বালী বলেন, আলিমরা বলেছেন ‘ইহসা’ মানে চারটি জিনিস — মুখস্থ করা, অর্থ বোঝা, সে অনুযায়ী আমল করা, আর ওই নামে আল্লাহকে ডাকা।
- ২১১ খতম পড়ে বখশে দেওয়া যায় কি? শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী এখানে দলিলের হিসাবটাই খুলে দিয়েছেন — মৃতের কাছে ঠিক ছয়টি আমল পৌঁছায়, আর সেগুলো হাদিসেই নির্ধারিত।
- ২১২ তাশাহহুদে কি ‘সাইয়িদিনা’ বলব? শাইখ বালীর জবাব দুই ভাগে ভাগ করা — নামাজ ও আযানের নির্ধারিত শব্দে নয়, তবে এ দুটোর বাইরে বলায় কোনো বাধা নেই।
- ২১৩ মা কি টের পান আমি এসেছি? শাইখ বালী যে মতটিকে প্রাধান্য দেন — মৃত ব্যক্তি যিয়ারত টের পান না, কারণ এর পক্ষে দলিল নেই। কিন্তু যিয়ারতের আসল লাভটা তো জীবিতেরই।
- ২১৪ খাওয়ারিজ কারা, চেনা যায় কীসে? শাইখ বালী ইতিহাসটা খুলে বলেছেন — আলী রা.-এর বিরুদ্ধে বেরিয়ে যাওয়া একটি দল, যাদের সবচেয়ে স্পষ্ট চিহ্ন কবিরা গুনাহে তাকফির।
- ২১৫ মিলাদ কি নবীজির শেখানো পথ? শাইখ বালী একটাই মাপকাঠি দিয়েছেন — ইবাদতে মূল বিধান থেমে থাকা, যতক্ষণ না দলিল আসে। এই নিয়মটা ধরলে সন্দেহ আর থাকে না।
- ২১৬ কুরআন পড়ি, তবু মন ভরে না কেন? শাইখ বালীর পরামর্শ — কুরআনকে আল্লাহর পাঠানো চিঠি হিসেবে পড়ুন। তখন হরফ গোনা ছাপিয়ে কথাগুলো হৃদয়ে গিয়ে লাগে।
- ২১৭ আল্লাহ কাকে ভালোবেসে ফেলেন? শাইখ বালী বলছেন, সেগুলো হলো নফল — আর এই আলোচনায় তিনি বেছে নিয়েছেন নফল নামাজকে, কারণ নামাজের মর্যাদাই আলাদা।
- ২১৮ ওদের উৎসবে শামিল হব কেন? শাইখ বালীর জবাব — শুভেচ্ছাটা আসলে একটা আকিদাকে সমর্থন, আর সেই আকিদাকে কুরআন নিজেই মিথ্যা বলে দিয়েছে।
- ২১৯ অমুসলিমের উপহার নেওয়া যাবে কি? শাইখ বালীর সংক্ষিপ্ত জবাব — গ্রহণ করা জায়েয; শর্ত একটাই, উপহারটা যেন মনকে তাদের দ্বীনের দিকে ঝুঁকিয়ে না দেয়।
- ২২০ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি? হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেছেন — ফরজের চেয়ে প্রিয় কিছু দিয়ে বান্দা আমার নৈকট্য পায়নি। শাইখ বালী এখান থেকেই শুরু করেছেন।
- ২২১ তাওবা শুধু পাপীদের জন্য নয় শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী একটি আয়াতের দিকে আঙুল রাখেন — আল্লাহ সেখানে ডেকেছেন “হে মুমিনগণ” বলে, “হে পাপীরা” বলে নয়।
- ২২২ জান্নাতে যাঁর পায়ের শব্দ শোনা গেল শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী এই হাদিসটার সামনে থেমে গিয়েছিলেন। যে আমল তাঁকে ওখানে নিয়ে গেল, সেটা খুব ছোট একটা অভ্যাস।
- ২২৩ তাওবার কথা ভাবা মানেই তাওবা নয় শাইখ বালীকে প্রশ্ন করা হলো — তাওবার চিন্তা করাটাই কি তাওবা? জবাবে তিনি একটাই শর্ত সামনে আনলেন।
- ২২৪ নিয়ত মুখে নয়, অন্তরে শাইখ বালী দেখিয়ে দেন, শয়তান আমল আটকায় না — সে চায় আমলটা গোপনের খাতা থেকে প্রকাশের খাতায় সরে যাক।
- ২২৫ দোয়া কখনো বৃথা যায় না শাইখ বালী বলেন — সাড়া তিনভাবে আসতে পারে। যেটা এখনো হাতে আসেনি, তার একটা কাজ ঠিকই হয়ে গেছে।
- ২২৬ দুই সিজদার মাঝের সেই দোয়া শাইখ বালী এই বসাটাকে বলেন — রবের সামনে আদবের বসা। এখানে আপনি একটাই জিনিস চান, বারবার চান।
- ২২৭ যে অভ্যাস তাকে জান্নাতে নিল নবীজি ﷺ এমন এক লোকের কথা বলেছেন, যার গুনাহ এত বেশি ছিল যে জাহান্নামের কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিল — একটি অভ্যাস তাকে বাঁচিয়ে দিল।
- ২২৮ নামাজে মন বসছে না কেন শাইখ বালীর জবাবটা চমকে দেয় — মনোযোগের কাজটা নামাজের ভেতরে শুরু হয় না, শুরু হয় আজান শোনার মুহূর্ত থেকে।
- ২২৯ নামাজ পিছিয়ে দেওয়ার পরিণতি শাইখ বালীকে বলা হলো — যারা নামাজ ওয়াক্ত পার করে পড়ে, তাদের জন্য কিছু বলুন। জবাবে তিনটি কথা এল, শেষটা সবচেয়ে কঠিন।
- ২৩০ ছুটে যাওয়া নামাজ কীভাবে কাযা করবেন শাইখ বালী শুধু “কাযা করুন” বলে থামেননি — তিনি খাতা-কলমসহ পুরো হিসাবটা ধরিয়ে দিয়েছেন।
- ২৩১ সাহু সিজদা কখন, সালামের আগে না পরে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী আলিমদের মতভেদটা বলে দিয়ে তারপর দেখিয়েছেন — দলিল কোন মতটাকে সমর্থন করে।
- ২৩২ এই দশ দিনের আমল আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় শাইখ বালী একটা শব্দের দিকে আঙুল রাখেন — নবীজি ﷺ বলেননি “সবচেয়ে উত্তম”, বলেছেন “সবচেয়ে প্রিয়”। পার্থক্যটা আসমান-জমিন।
- ২৩৩ আরাফার দিনে ঘরে বসে যা করবেন শাইখ বালী বলেন — হাজিরা যখন আরাফায় তালবিয়া আর দোয়ায় ব্যস্ত, আপনি নিজের ঘরে বসেই দোয়া ও কান্নায় ব্যস্ত হয়ে যান।
- ২৩৪ কুরআন ছেড়ে দেওয়ার পাঁচটি রূপ শাইখ বালী বলেন, মুসহাফ ঘরে থাকলেই “ছেড়ে দেওয়া” থেকে বাঁচা যায় না — পরিত্যাগেরও কয়েকটা চেহারা আছে, একটা তো প্রায় কেউ খেয়ালই করে না।
- ২৩৫ কুরআন মুখস্থের সবচেয়ে ভালো পথ শাইখ বালীর পদ্ধতিতে কোনো জাদু নেই — কম নিন, বেশি বার পড়ুন, আর নামাজে সেটাই তিলাওয়াত করুন। এটুকুই।
- ২৩৬ কুরআনের স্বাদ পাচ্ছেন না কেন শাইখ বালী রমজানে কুরআন উপভোগ করার কথা বলতে গিয়ে যে পরামর্শটা দিলেন, সেটাই আসলে স্বাদ ফিরে পাওয়ার চাবি।
- ২৩৭ কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরা কোনটি শাইখ বালী একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করেন — মসজিদের দরজায় পৌঁছানোর আগেই নবীজি ﷺ এক সাহাবিকে উত্তরটা শিখিয়ে দিয়েছিলেন।
- ২৩৮ সারাক্ষণ আল্লাহর সাথে থাকবেন যেভাবে শাইখ বালী তিনটা অবস্থার কথা বলেন — হয় যিকিরে, নয় শোকরে, নয়তো সবরে। এই তিনটার বাইরে বান্দার আর কোনো মুহূর্ত থাকে না।
- ২৩৯ শোকরের মাকামে পৌঁছাবেন যেভাবে শাইখ বালী বলেন, আল্লাহ মানুষকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন — শোকরগুজার আর অকৃতজ্ঞ। তৃতীয় কোনো দল নেই।
- ২৪০ নৈকট্যের স্বাদ সিজদাতেই লুকানো শাইখ বালী বলেন — এই মুহূর্তগুলো অন্তরে নামলে অন্তর আলোকিত হয়, বুক প্রশস্ত হয়। আর তার ঠিকানা একটাই: সিজদা।