রুকইয়াহ করার নিয়ম — শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত
রুকইয়াহ মানে কুরআনের আয়াত ও রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া। এটি শিরকমুক্ত, সম্পূর্ণ শরীয়তসম্মত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি — আর সবচেয়ে বড় কথা, এর জন্য কারও কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক নয়। নিজের রুকইয়াহ নিজেই করা যায়।
রুকইয়াহ করা কি জায়েজ?
শর্ত তিনটি, যেগুলো মানলে রুকইয়াহ নিঃসন্দেহে জায়েজ:
- পড়তে হবে কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও সিফাত, অথবা সহীহ হাদীসে বর্ণিত দোয়া দিয়ে।
- পড়তে হবে আরবিতে বা এমন ভাষায় যার অর্থ বোঝা যায়।
- বিশ্বাস রাখতে হবে যে রুকইয়াহ নিজে থেকে কিছু করে না — শিফা দেন কেবল আল্লাহ।
এর বাইরে গিয়ে অস্পষ্ট শব্দ, সংখ্যা-তাবিজ, জিনের সাহায্য চাওয়া বা রাকীকে অতিমানবীয় ভাবা — এগুলোই সীমা ছাড়ানো, এবং কিছু ক্ষেত্রে শিরক।
সেলফ রুকইয়াহ করার নিয়ম
ধাপ ১ — প্রস্তুতি
- ওজু করে পরিষ্কার জায়গায় বসুন
- অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন যে শিফা আল্লাহর হাতে
- ঘরে ছবি, গান-বাজনা ও অন্যান্য গুনাহের উপকরণ থাকলে সরিয়ে ফেলুন
ধাপ ২ — যা পড়বেন
- সূরা ফাতিহা
- আয়াতুল কুরসী (সূরা বাকারা, আয়াত ২৫৫)
- সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
- সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস — তিনবার করে
সমস্যাভেদে সিহর, বদনজর বা জিনের আয়াতগুলোও যোগ করা হয়।
ধাপ ৩ — কীভাবে প্রয়োগ করবেন
- নিজের উপর: পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে সমস্ত শরীরে হাত বুলান
- পানিতে: পড়ে পানিতে ফুঁ দিন, সেই পানি পান করুন ও তা দিয়ে গোসল করুন
- তেল বা মধুতে: পড়ে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করুন
ধাপ ৪ — ধারাবাহিকতা
এটাই সবচেয়ে জরুরি ধাপ, আর এখানেই বেশিরভাগ মানুষ থেমে যান। কমপক্ষে দুই-তিন সপ্তাহ থেকে এক মাস নিয়মিত চালিয়ে যান। একদিনে ফল না পেলে হতাশ হবেন না।
রুকইয়াহর পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় এবং সকাল-সন্ধ্যার আযকার ধরে রাখুন। অভিজ্ঞ রাকীদের পর্যবেক্ষণ — এই দুটি ছাড়া রুকইয়াহর ফল ধীর হয়।
কখন রাকীর কাছে যাবেন
নিজে চেষ্টা করার পরও যদি লক্ষণ না কমে, অথবা সমস্যাটা ঠিক কী তা বুঝতে না পারেন — তখন অভিজ্ঞ ও দ্বীনদার রাকীর পরামর্শ নেওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন, রাকী কেবল একজন মাধ্যম।
শারীরিক বা মানসিক গুরুতর উপসর্গে অবশ্যই যোগ্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। রুকইয়াহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বিকল্প নয়, পরিপূরক।
এই বিষয়ে সব লেখা (৯৩টি)
- উচ্চ রক্তচাপের আমল — সূরা ইয়াসীন উচ্চ রক্তচাপের আমল — উচ্চ রক্তচাপ (এবং নিম্ন রক্তচাপেও)। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা ইয়াসীন — সূরা ইয়াসীন সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা ইয়াসীন — সারাদিনের কাজে সহজতা, মনের প্রশান্তি ও দিনভর হেফাজত। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা দূরীকরণ — সূরা ইয়াসীন স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা দূরীকরণ — ভুলে যাওয়া, পড়া মনে না থাকা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- ঋণ পরিশোধের আমল — সূরা ইয়াসীন ঋণ পরিশোধের আমল — দীর্ঘদিনের ঋণ, পাওনাদারের চাপ। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- আর্থিক বাধা দূর করার আমল — সূরা ইয়াসীন আর্থিক বাধা দূর করার আমল — রিজিকে সংকীর্ণতা, ঋণদাতার চাপ, ঘরে অভাব। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- সন্তান ও প্রসবের আমল — পাঁচটি নিয়ত — সূরা ইয়াসীন সন্তান ও প্রসবের আমল — পাঁচটি নিয়ত — সন্তান কামনা, প্রসবে সহজতা, সন্তানের কল্যাণ। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- প্রসববেদনার সময় সূরা ইয়াসীন — সূরা ইয়াসীন প্রসববেদনার সময় সূরা ইয়াসীন — সন্তান প্রসবে সহজতা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- কঠিন পারিবারিক সমস্যার সম্মিলিত আমল — সূরা ইয়াসীন কঠিন পারিবারিক সমস্যার সম্মিলিত আমল — হঠাৎ নেমে আসা বিপদ, পারিবারিক সংকট। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- মুবীন-পদ্ধতি — কর্মসংস্থান ও অস্থিরতার আমল — সূরা ইয়াসীন মুবীন-পদ্ধতি — কর্মসংস্থান ও অস্থিরতার আমল — চাকরি না হওয়া, ব্যবসায় মন্দা, দীর্ঘ দুশ্চিন্তা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- মুমূর্ষু ও মৃত ব্যক্তির পাশে সূরা ইয়াসীন — সূরা ইয়াসীন মুমূর্ষু ও মৃত ব্যক্তির পাশে সূরা ইয়াসীন — মৃত্যুযন্ত্রণা হালকা হওয়া, রুহ কবজে কোমলতা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- মৃত মা-বাবাকে স্বপ্নে দেখার আমল — সূরা ইয়াসীন মৃত মা-বাবাকে স্বপ্নে দেখার আমল — মৃত মা-বাবার সাথে সংযোগ, ঈসালে সওয়াব। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- জুমার দিনে মা-বাবার কবরে সূরা ইয়াসীন — সূরা ইয়াসীন জুমার দিনে মা-বাবার কবরে সূরা ইয়াসীন — মা-বাবার মাগফিরাত, নিজের গুনাহ মাফ। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- ঝগড়া-বিবাদ থেকে মুক্তি — সূরা ইয়াসীন ঝগড়া-বিবাদ থেকে মুক্তি — পরিবারে শত্রুতা, মতবিরোধ, রাগারাগি। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- ঈমানের সাথে মৃত্যু ও আকস্মিক মৃত্যু থেকে সুরক্ষা — সূরা ইয়াসীন ঈমানের সাথে মৃত্যু ও আকস্মিক মৃত্যু থেকে সুরক্ষা — খারাপ মৃত্যু, দুর্ঘটনা, পানিতে ডোবা বা আগুনে পোড়ার ভয়। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি — সূরা ইয়াসীন মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি — দুধ শুকিয়ে যাওয়া, শিশু ক্ষুধার্ত থাকা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- বিয়েতে বাধা দূর করার আমল — সূরা ইয়াসীন বিয়েতে বাধা দূর করার আমল — সম্বন্ধ আসে কিন্তু ভেঙে যায়, বিয়েতে দীর্ঘ দেরি। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- বিধ্বস্ত ঘর আবাদ করার বিশেষ আমল — সূরা ইয়াসীন বিধ্বস্ত ঘর আবাদ করার বিশেষ আমল — ভেঙে পড়া সংসার, দাম্পত্য কলহ, স্বামী-স্ত্রীর দূরত্ব, বন্ধ দোকান-ব্যবসা। ধাপে ধাপে পদ্ধতি, কোন স্তরের আমল, আর একজন রাকীর টীকা।
- অদৃশ্য ঢাল: শক্তিশালী কোরআনী সুরক্ষা জিন, শয়তান, মানুষের ক্ষতিকর নজর ও জাদুটোনা থেকে নিজেকে আড়াল করার পরীক্ষিত আমল
- বন্ধুদের সামনে পারেন, ঘরে পারেন না কেন? স্ত্রীটা আপনার শিফার পেছনে ছুটছেন, আর আপনি ঘরে ঢুকেই সব ছেড়ে দিচ্ছেন। শাইখ বলেন — ভারসাম্য রাখুন, সে আপনার কাছে আমানত।
- বাসায় কাঁদেন, মলে কাঁদেন না কেন? একই কাটা, একই ব্যথা — শুধু জায়গাটা আলাদা। শাইখ এই একটা দৃশ্য দিয়েই বুঝিয়ে দিলেন, নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
- চুলাকে তো কেউ লাথি মারে না চুলার তাপ, তেলের ছিটা, ছুরির কাটা — সব সয়ে যান হাসিমুখে। শাইখ সেখান থেকেই বললেন, যেখানে ভালোবাসা আছে, কষ্টটা কষ্ট মনে হয় না।
- একটা ম্যাচের জন্য এতটা কষ্ট? ছেলেটা দাঁড়াতেই পারছিল না — তবু দুই মাস ধরে ওজন কমাচ্ছে, শুধু একটা খেলার জন্য। শাইখের প্রশ্ন — শিফার জন্য আমরা কতটুকু পারি?
- হতাশা বুকে নিয়ে চিকিৎসা হয় না মাসের পর মাস আমল চালিয়েও উন্নতি না দেখলে অন্তরে একটা কথা জমে — আমার আর হবে না। শাইখ বলেন, এই কথাটাই সবচেয়ে বড় বাধা।
- লবণে কি শয়তান তাড়ানো যায়? শাইখ বালীর জবাবে দুটো জিনিস একসাথে — নবীজি ﷺ-এর পথই উত্তম, তবু যে করে তাকে বিদআতি বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না।
- পড়া পানিতে ঘর মোছা যাবে কি? শাইখ বালী উল্টো প্রশ্নটাই করলেন — এটা করছেন কেন? ভয়টা যদি নজর বা সিহরের হয়, তবে ঘরের জন্য পথটা আরও সহজ ও উত্তম।
- জিন ও কাফিরুন কি তাহসিনের অংশ? শাইখ বালীর জবাব সোজাসাপটা — এমন কোনো হাদিস আমার জানা নেই। তবে প্রমাণিত তাহসিনগুলো তিনি নাম ধরে বলে দিলেন।
- চারটি কাজেই সিহর ভাঙে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর কাছে প্রশ্নটা এসেছিল এক ক্লান্ত স্বামীর কাছ থেকে। জবাবে কোনো কবিরাজের নাম নেই — চারটি ঘরোয়া কাজ।
- সিহর সত্যি, আর প্রতিকারও আছে শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী সাহির চেনার স্পষ্ট আলামত দিয়েছেন, আর ঘরে বসে করার মতো একটা পূর্ণ প্রোগ্রামও।
- রোগী ব্যথা পেলে ওটা জিন নয় রাকী কীভাবে বুঝবে আঘাতটা জিনের গায়ে পড়ছে, না রোগীর? শাইখ বালীর জবাবে একটা সহজ মাপকাঠি আছে — আর তার আগে একটা সতর্কবার্তা।
- যে তিনটি শাইখ নিজেই ছেড়েছেন রুকইয়াহর তিনটি চেনা প্র্যাকটিস থেকে শাইখ বালী নিজে ফিরে এসেছেন — অথচ যারা করে তাদের উপর ইনকার করেননি। আদবটা এখানেই।
- ৪৫ দিনের একটা সহজ প্রোগ্রাম ফোনে সব শুনে শাইখ বালী বললেন — বিষয়টা সহজ। কাগজ-কলম নিন। তারপর চারটি লাইনে তিনি পুরো চিকিৎসাটা লিখিয়ে দিলেন।
- নিজে পড়ব, নাকি রাকীর কাছে যাব? শাইখ বালীর জবাব — উত্তম হলো নিজেই নিজের রুকইয়াহ করা। তবে কারও কাছে গেলেও দোষ নেই; কথাটা নিষেধের নয়, অগ্রাধিকারের।
- রুকইয়াহ করতে ক্ষমতা লাগে না শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর জবাব — যে কেউ পারে। তবে কয়েকটি শর্ত আছে, আর সেগুলো না মানলে চিকিৎসাটাই নবীজি ﷺ-এর পথ থেকে সরে যায়।
- যে জিনিসটা প্রতিটি আসর ভেতর থেকে ভয় পায় ৩০ দিনের এই সিরিজের শেষ পোস্টে একটা প্রশ্নের উত্তর — চিকিৎসা বা রুকইয়াহর সময় কোন জিনিসটা দেখলে দেহের ভেতরের আসর সত্যিকারের ভয় পায়?
- এই ৭টি লক্ষণ মিললে বুঝবেন সুস্থ হতে শুরু করেছেন যারা নীরবে ভুগেছেন (দিন ২৮-এর "চতুর্থ শ্রেণি"), তাদের সুস্থতাও আসে নীরবে — চিৎকার-খিঁচুনি বা নাটকীয় প্রতিক্রিয়া ছাড়াই। এই ৭টি সূক্ষ্ম লক্ষণ চিনে রাখুন।
- ক্বারীন শুধু ওয়াসওয়াসা না — যে সত্য অনেকে জানেন না কিছু রাকী-চিকিৎসক বলেন — ক্বারীনের কাজ শুধু ওয়াসওয়াসা দেওয়া। একটা সহজ প্রশ্নেই এই ধারণা ভেঙে পড়ে।
- স্বপ্নে বারবার মাকে দেখা — নির্ণয় ও শেফার চাবি আপনি আগে থেকেই সিহর বা মাস-আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত, আর স্বপ্নে বারবার মাকে দেখছেন — নেতিবাচক দৃশ্যে? এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা ও শেফার চাবি আছে ইনশাআল্লাহ।
- সবচেয়ে বিপজ্জনক আসর — নীরবে কষ্ট দেয়, ধীরে সারে রুকইয়াহতে না দেখেন কিছু, না শোনেন, না তড়পান — অথচ জীবনে তাআত্তিল, বিলম্ব, অদ্ভুত স্বপ্ন লেগেই আছে? এটাই "চতুর্থ শ্রেণি" — সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ নীরবে কাজ করে।
- জাদু ভাঙলে জাদুকরের কী হয় — সত্যিটা যা কেউ বলে না জাদু ভেঙে গেলে কি জাদুকরের নিজের ক্ষতি হয়? শান্ত, ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিতে বিষয়টা বুঝে নেওয়া যাক, বাড়াবাড়ি ছাড়াই।
- দেহ থেকে নজর-গিঁট টেনে বের করার রুকইয়াহ হাসাদগ্রস্ত, ক্বারীন-আক্রান্ত, তাবি'আ-আক্রান্ত এমনকি সিহরগ্রস্ত — সবার দেহেই নজর ও গিঁট জমে থাকে। আজকের পূর্ণাঙ্গ রুকইয়াহতে সেগুলো টেনে বের করার পদ্ধতি জানুন।
- রুকইয়াহতে তড়পায়, তবু বের হয় না কেন রুকইয়াহতে হাত-পা-মাথা-পেট নড়েচড়ে ওঠে — বোঝা যায় আসর কষ্ট পাচ্ছে, বেরোনোর চেষ্টা করছে — কিন্তু বের হয় না। দুটো আসল কারণ জেনে নিন আজ।
- রুকইয়াহর ফল আটকে রাখে যে গিঁট — কাফিয়াতুর রাস রুকইয়াহ শুনলেই ঘুম পায়, অস্থির লাগে, কী পড়া হলো মনেও থাকে না? মাথার একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিঁট থাকলে এমনটা হয় — সেটাই রুকইয়াহর পূর্ণ উপকার আটকে দেয়, ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- মাথায় কেন্দ্রীভূত আসর — শেষ করার উপায় কানে টিনিটাস, মাথায় কম্পন-ঝিমঝিম, হঠাৎ ভুলে যাওয়া, মনোযোগে সমস্যা — এসব বারবার হলে আসরটা মাথায় কেন্দ্রীভূত হতে পারে, ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- তাবি'আর তালা ভাঙার লবণ-হারমাল ধোঁয়া গতকাল তাবি'আ পরীক্ষার পদ্ধতি জেনেছেন। আজ তার শক্তিশালী চিকিৎসা — সহজ, ঘরোয়া উপকরণে, তিন জুমার এক প্রমাণিত আমল।
- মাত্র ৩ মিনিটে বুঝে নিন — তাবি'আ আছে কি না তাবি'আ (পিছু-লাগা শয়তান) আছে কি না বুঝতে রাকীর কাছে যাওয়ার আগে নিজেই একটা সহজ পরীক্ষা করতে পারেন — মাত্র কয়েক মিনিটে ইনশাআল্লাহ।
- মানব-তাবি'আ — হিংসুক মানুষের নীরব পিছু লাগা সবসময় আলোচনা হয় শয়তানি তাবি'আ বা ক্বারীন নিয়ে — কিন্তু সবচেয়ে বিপজ্জনক পিছু-লাগা কখনো মানুষের হতে পারে, যে হাত না লাগিয়েও জীবন আটকে দেয়।
- মাসস আশিক থেকে চূড়ান্ত মুক্তির প্রোগ্রাম মাসস আশিক (প্রেমাসক্ত জ্বীনের চেপে বসা) জীবনে তাআত্তিল, দুঃস্বপ্ন, অস্বাভাবিক টান আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনীহা তৈরি করে। শাইখ ফাওয়াজ আল-আসওয়াদ দিয়েছেন একদম সহজ, শুধু কুরআনভিত্তিক একটা প্রোগ্রাম।
- দেহের ভেতরে জ্বীন — কীভাবে বাঁচে, কী খায়, কেন যায় না এই আলোচনাটা কোনো আমল না — বোঝাপড়ার আলোচনা। জ্বীন কেন ঢোকে, দেহের ভেতরে কীভাবে বাঁচে, কীসে শক্তি পায় আর কেন বেরোতে চায় না — জানলে চিকিৎসাও সহজ হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- সিহরের চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে — তীব্র ক্বারীন-তসল্লুত অনেকে বহু রুকইয়াহ প্রোগ্রাম করেছেন, কিছু উপসর্গে উন্নতিও পেয়েছেন — তবু তাআত্তিল, অস্থিরতা আর একই সমস্যা ফিরে ফিরে আসে। কারণ হয়তো সিহর নয় — নিজের ক্বারীনের তীব্র তসল্লুত।
- বহু বছর লুকিয়ে থাকা জ্বীন প্রকাশের ৭ দিনের প্রোগ্রাম কিছু জ্বীন এতটাই শক্তিশালী আর গভীরে লুকানো থাকে যে বছরের পর বছর ধরাই পড়ে না — বহু গিঁট আর প্রাচীরের আড়ালে লুকিয়ে থেকে তাআত্তিল ঘটিয়ে চলে। একটা সহজ পদ্ধতিতে তাকে প্রকাশ করার উপায় জানুন।
- সাপ-খাদেম — সবচেয়ে বিপজ্জনক জাদুর প্রাণী জাদুর খাদেমদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ধরনগুলোর একটা — সাপ বা অজগরের রূপ নেওয়া শয়তান। কীভাবে চিনবেন, আর যে সূরায় সে ধ্বংস হয়।
- সিহরুল হাম্মামাত — পেট-জরায়ুতে সরাসরি আঘাত যাদের বাথরুমের মজরায় (নালায়) সরাসরি জাদু ছিটানো বা রাখা হয়েছে — এটা মূলত পেট ও জরায়ু অঞ্চলে সরাসরি আঘাত করে। প্রতিদিন বাথরুমে ঢোকাটাই এই জাদু নবায়নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- বাসা বদলেও সমাধান হয় না — ছিটানো জাদুর আসল চিকিৎসা এটা স্বাভাবিক — কারণ জ্বীনদের ক্ষমতা আছে জাদুর শক্তি নতুন জায়গায় বহন করে নেওয়ার। বাসা পাল্টানো তাই চিকিৎসা নয় — আসল সমাধান অন্য জায়গায়।
- জাদু নবায়নকারী প্রহরী — হারাসুস সিহর শক্তিশালী জাদুতে জাদুকর কখনো একাধিক প্রহরী-শয়তান নিয়োগ করে — যাদের কাজই খাদেমকে সক্রিয় রাখা, বেরোতে বাধা দেওয়া আর জাদু নবায়ন করা।
- যাকে নিশ্চিত জানেন জাদু করেছে — সূরা মারইয়ামের আয়াত এই আমল সবার জন্য না — শুধু তাদের জন্য, যারা একদম নিশ্চিত জানেন কে জাদু করেছে, এমনকি অনেক সময় সেই ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করে বা খোলাখুলি হুমকি দেয়।
- একটি আয়াতেই তালা খুলে গেল — এক ভাইয়ের সত্য অভিজ্ঞতা দিন ১৪-তে বলেছিলাম কান-পাতা শয়তানের কথা — যে খবর চুরি করে লক্ষ্যে আগে পৌঁছে সব ভেস্তে দেয়। শাইখ ফাওয়াজ আল-আসওয়াদ আজ শুনিয়েছেন এমনই একজনের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা।
- বিয়ে-আটকানো জাদু — লক্ষণ ও ভাঙার পদ্ধতি ছেলে-মেয়ে দুজনের ক্ষেত্রেই হয়। আগে লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখুন — সব বা বেশিরভাগ মিললে তবেই এই চিকিৎসা; শাইখ বলেন, তখন এটা যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ।
- স্বপ্নে বারবার পরীক্ষায় আটকে যাওয়ার আসল মানে উত্তর মনে পড়ছে না। প্রশ্নপত্র ফাঁকা। সময় শেষ, খাতায় কিছুই লেখা হয়নি। নাম লিখতে ভুলে গেছেন। হল খুঁজেই পাচ্ছেন না... ৩০-৪০-৫০ বছর বয়সেও এই স্বপ্ন কেন ফিরে আসে — শাইখের ব্যাখ্যাটা শুনুন।
- যে স্বপ্ন একবার দেখলেও সাবধান হতে হবে স্বপ্নে বাথরুম — শুনতে সাধারণ, অথচ রূহানী আসরের সাথে এর সম্পর্ক গভীর। শাইখ এমন ১০+ রকম বাথরুম-স্বপ্ন চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো একবার দেখলেও গুরুত্বের সাথে নেওয়া দরকার — ওয়াল্লাহু আ'লাম।
- সিহরুল ইরসাল — দূর থেকে "পাঠানো" জাদু এই জাদুতে জাদুকর কিছু খাওয়ায় না, ঘরেও ঢোকে না — আপনার ছবি, চুল বা ব্যবহৃত জিনিস ধরে দূর থেকে শয়তানদের "পাঠিয়ে" দেয়। ঘুমে-জাগরণে সেই হামলাই হয়ে ওঠে আক্রান্তের দুঃস্বপ্ন।
- সিহর রাসাদ — ঘরে গাঁথা "পাহারাদার জাদু" এক ধরনের শক্তিশালী জাদু ঘরের সাথেই গেঁথে দেওয়া হয় — শক্তিশালী জ্বীন-প্রহরীরা সেটা পাহারা দেয়। কীভাবে চিনবেন, আর ছোট্ট এক সূরায় কীভাবে ভাঙবেন — আজকের পোস্টে ইনশাআল্লাহ।
- যে "চোখ" আপনাকে নজরে রাখে — আর জাদু নবায়ন হতে থাকে চিকিৎসায় যত এগোন, জাদু তত নবায়ন হয় — খবরটা জাদুকরের কাছে পৌঁছে দেয় কে? শাইখ দেখিয়েছেন ৩টি পথ — শেষেরটা শুনে অনেকেই চমকে যাবেন।
- জাদুকরের চোখ থেকে "অদৃশ্য" হওয়ার আমল যে জাদুকর বারবার জাদু নবায়ন করে, যে শয়তানরা খবর টানে, যে তাবি'আ পিছু লেগে থাকে — তাদের চোখ থেকে আড়াল হয়ে যাওয়ার পরীক্ষিত আমল। শাইখ বলেন — তখন চিকিৎসাও চলবে নবায়নের যন্ত্রণা ছাড়া ইনশাআল্লাহ।
- জ্বীন-জাদুকর চেপে বসার বিপজ্জনক লক্ষণগুলো কিছু জ্বীন নিজেরাই জাদুকর — দেহের ভেতরে, দেহ ঘিরে বা বাইরে থেকে কাজ করে। আক্রান্তদের মুখে চোখে পড়ার মতো বারবার আসা লক্ষণগুলো আর মুক্তির প্রোগ্রাম — সব আজ ইনশাআল্লাহ।
- কান-পাতা শয়তান আটকানোর সকাল-সন্ধ্যার আমল যে শয়তানরা আপনার কথা শুনে লক্ষ্যে আগে পৌঁছে সব ভেস্তে দেয়, আর যে জাদুকর খবর পেয়ে সাথে সাথে গিঁট দেয় — দুটোই আটকানোর এক গ্লাস পানির আমল ইনশাআল্লাহ।
- ভাগ্য চুরি করা শয়তান — যে সূরায় সে পুড়ে যায় যা-ই পরিকল্পনা করেন — এমনকি শুধু মনে মনে ভাবলেও — আটকে যায়? অন্যের বেলায় যেটা এমনিই হয়, আপনার বেলায় সেটাই ভেস্তে যায়? শাইখ এর পেছনে দেখছেন এক বিশেষ শ্রেণির জ্বীনকে — মারিদ।
- ক্বারীন সহজে ভোলে না — তাকে "ভুলিয়ে দেওয়ার" সূরা রুকইয়াহর পর সত্যিকারের আরাম পেলেন — ক'দিন পরেই হালকা-হালকা উপসর্গ ফিরতে শুরু করল? সবাই বলছে "জাদু নবায়ন হয়েছে"? শাইখ বলছেন — সত্যিটা প্রায়ই আরও গভীরে, আর অনেক কম ভয়ের।
- ৫ মিনিটের পরীক্ষা — ক্বারীন চেপে বসেছে কি না একটা ছোট, শক্তিশালী সূরা কয়েক মিনিট পড়লেই ধরা পড়ে যায় — আপনার ক্বারীন আপনার উপর চেপে বসেছে কি না। সাথে শাইখের দেওয়া আরেকটা সহজ নির্ণয়-সূত্র — দুটোই আজ ইনশাআল্লাহ।
- জাদু-নজরের বিরুদ্ধে আপনার "প্রথম ঢাল" সবাই খোঁজে সবচেয়ে শক্তিশালী রুকইয়াহ, সবচেয়ে কড়া প্রোগ্রাম। কিন্তু আসল প্রশ্নটা কেউ করে না — ক্ষতিটা আমার কাছে পৌঁছায় কী করে? আজ সেই প্রবেশপথ বন্ধ করার আমল ইনশাআল্লাহ।
- কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরা কোনটি শাইখ বালী একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করেন — মসজিদের দরজায় পৌঁছানোর আগেই নবীজি ﷺ এক সাহাবিকে উত্তরটা শিখিয়ে দিয়েছিলেন।
- কুরআন ছেড়ে দেওয়ার পাঁচটি রূপ শাইখ বালী বলেন, মুসহাফ ঘরে থাকলেই “ছেড়ে দেওয়া” থেকে বাঁচা যায় না — পরিত্যাগেরও কয়েকটা চেহারা আছে, একটা তো প্রায় কেউ খেয়ালই করে না।
- আইনুল কবুল — গ্রহণযোগ্যতার উপর বদনজর নতুন মানুষরা আপনাকে পছন্দ করে, কাছে আসে — তারপর কোনো বোধগম্য কারণ ছাড়াই সরে যায়? বারবার, জীবনের নানা ক্ষেত্রে? এর একটা নাম আছে — আইনুল কবুল: কবুল-মহব্বতের দিকটাতেই নজর লাগা।
- হিংসার জাদুকর-শয়তান পোড়ানোর ঘরোয়া প্রোগ্রাম সবচেয়ে কঠিন হাসাদ সেটা — যা আসে জাদু-জানা, হিংসুটে শয়তান সাথে নিয়ে। সুখবর: রাকীর কাছে না গিয়েও একে ঘরে বসে হারানো যায় ইনশাআল্লাহ — শাইখের পুরো প্রোগ্রামটা আজ।
- রাতের ছোট এক সূরা — পোঁতা-দূরের জাদু বাতিল যে জাদু মাটিতে পোঁতা, বহু দূরে রাখা, বা জায়গাই অজানা — এমনকি জ্বীনদের হাতে বানানো জাদু — সবকিছুর জন্য শাইখ দিয়েছেন একটাই ব্যবস্থা: সূরা যিলযালা, রাতে ইনশাআল্লাহ।
- সূরা কিয়ামাহ — ছড়ানো জাদু এক জায়গায় জমা করুন আরিদ, জাদু আর গিঁট যখন মাথা থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকে — টার্গেট করা কঠিন। শাইখের এই কৌশলে মাত্র ৩ দিনে সব এক বিন্দুতে জমা হয় — তারপর এক জায়গায় আঘাত ইনশাআল্লাহ।
- এক গ্লাস পানিতেই বুঝুন — পেটে জাদু আছে কি না খাওয়ানো জাদুর সবচেয়ে প্রিয় ঠিকানা পেট। শাইখের এই ছোট্ট আমলে পেটে জাদু বা গিঁট থাকলে কয়েক মিনিটেই টের পাবেন — আর একই সাথে সেটা ভাঙতেও শুরু করবে ইনশাআল্লাহ।
- বদনজরের শয়তানকে দুর্বল করার আমল শাইখ বলেন — শাইতানুল আইনকে (নজরের খাদেম-শয়তান) সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, পোড়ায় ও প্রকাশ করে দেয় একটা জিনিস: তার বিরুদ্ধে সরাসরি দোয়া। এত সহজ যে অবাক হবেন — অথচ বহু ভারী প্রোগ্রামের চেয়ে দ্রুত ইনশাআল্লাহ।
- ঘরের যে ৩ জায়গা থেকে ক্বারীন-শয়তান শক্তি পায় যারা মাস বা ক্বারীনের তসল্লুতে ভুগছেন — ঘরেরই কিছু জায়গায় কিছু অভ্যাস তাদের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়, শেফা পিছিয়ে দেয়। জায়গা তিনটি চিনে রাখুন ইনশাআল্লাহ।
- এক আয়াতেই জাদু অকেজো — জাদুকরের জন্য "ধাক্কা" শাইখ বলেন — সূরা ইউনুসের একটি আয়াতে আছে এমন এক মহা রহস্য, যার তিলাওয়াতে জাদুকর ও জাদুর খাদেম ধাক্কা খায়, আর জাদুর "টাস্ক" যন্ত্রের মতো বিকল হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- স্বপ্ন ভুলে যাওয়ার আসল কারণ — আর ফেরানোর উপায় আগে দিব্যি স্বপ্ন মনে থাকত। যেই রুকইয়াহ বা সঠিক চিকিৎসা শুরু করলেন — সব মুছে যেতে লাগল? শাইখের ব্যাখ্যায় এটা কাকতালীয় নয় — পরিকল্পিত। কেন আর কী করবেন, জানুন ইনশাআল্লাহ।
- আটকে থাকা ভাগ্য ফেরানোর এক গ্লাস পানির আমল এক সময় যা ধরতেন তা-ই সহজে হয়ে যেত — আর এখন প্রতিটি পথে দেয়াল? জাদু-নজর-হাসাদে ছিনতাই হওয়া তাওফীক ফিরিয়ে আনার পরীক্ষিত আমল শিখুন ইনশাআল্লাহ।
- সূরা দুখানের ৭টি আশ্চর্য ফায়দা রূহানী রোগের চিকিৎসায় তো বটেই — এই মহান সূরার সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো কাশফ: যা আপনার থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা প্রকাশ করে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।
- মাত্র ২টি জিনিসের ১০ দিনের ওয়াজিফা শাইখ বলেন — এই কুরআনী ওয়াজিফা জাদু ভাঙে আর ক্বারীনকে আপনার অনুগত করে দেয় ইনশাআল্লাহ — সে আর কষ্ট দেবে না, আটকে রাখবে না। নিজের চিকিৎসা নিজেই, ঘরে বসে।
- শরীরের ৬ জায়গায় তেল — জাদু নিস্তেজ হয়ে যায় শাইখের ব্যাখ্যায় — শরীরের কিছু জায়গা যেন "দরজা", যেদিক দিয়ে জাদুর শক্তি ঢোকে ও নবায়ন হয়। সেই ৬টি দরজা বন্ধ করলে ভেতরের জাদু ও তার খাদেম রসদহারা হয়ে নিস্তেজ হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
- জিন-শয়তানের নজরদারিতে থাকার ৪টি লক্ষণ রূহানী সমস্যায় আক্রান্ত অনেকের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ চোখে পড়ার মতো করে বারবার ফিরে আসে। লক্ষণগুলো কী, কেন এই নজরদারি, আর মুক্তির উপায় — সব আজকের পোস্টে ইনশাআল্লাহ।
- সূরা বাকারার গোপন সুরক্ষা প্রোগ্রাম শাইখ বলেন — যে এই আমলে লেগে থাকবে, জাদু যতবারই করা হোক, জাদুকর যত কাছেরই হোক — ক্ষতি তাকে স্পর্শ করবে না ইনশাআল্লাহ। ঘরের সবার জন্যই সুরক্ষা।
- যে আয়াত ৭ বার পড়লে "জমে যায়" ওয়াসওয়াসা রোজকার পুনরাবৃত্ত ওয়াসওয়াসা, নেতিবাচক চিন্তা আর কাজে বারবার বাধা — সকালের মাত্র ২ মিনিটের একটি আমলে থামিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি শিখবেন আজ ইনশাআল্লাহ।
- ঘুমের মধ্যেই নবায়ন হচ্ছে জাদু? স্বপ্নে বারবার খাওয়া-দাওয়া দেখেন? ঘুম থেকে উঠে শরীর ভেঙে আসে? যে গোপন দরজা দিয়ে ক্ষতি ঢোকে — আজ সেটা বন্ধ করার আমল শিখবেন ইনশাআল্লাহ।
- রাকীর কাছে যাব, নাকি নিজে পড়ব? কেউ বলে ভালো রাকী ধরো, কেউ বলে নিজে পড়ো। শাইখ বালীর জবাব — উত্তম হলো নিজে নিজের রুকইয়াহ করা; তবে কারও কাছে গেলেও দোষ নেই।
- যে কেউ রুকইয়াহ করতে পারে শাইখ বালীর জবাব — হ্যাঁ, পারে। তবে কিছু শর্ত আছে, আর সেগুলো না জেনে নামলেই মানুষ ভুল পথে চলে যায়।
- শাইখ নিজেই যা ছেড়ে দিয়েছেন রুকইয়াহর তিনটি চেনা প্র্যাকটিস থেকে শাইখ বালী নিজে ফিরে এসেছেন — অথচ যারা করে তাদের দোষারোপও করেননি। আদবটা এখানেই।
- মারটা কার গায়ে পড়ছে আসলে? শাইখ বালীর জবাবটা রাকীদের জন্য যতটা, রোগীর পরিবারের জন্যও ঠিক ততটা — প্রয়োজন ছাড়া মারধরের আশ্রয় নেওয়াই উচিত নয়।
- সিহর ভাঙা এত কঠিন কিছু নয় শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালীর কাছে প্রশ্নটা এসেছিল একজন ক্লান্ত স্বামীর কাছ থেকে। জবাবটা এত সহজ যে অনেকে প্রথমে বিশ্বাসই করতে চান না।
আরও পড়ুন
২৭ জুলাই ২০২৬ · ২ মিনিট
ওয়াসওয়াসা — লক্ষণ, কারণ ও মুক্তির পথ
ওয়াসওয়াসা কী, ওয়াসওয়াসা রোগের লক্ষণ কোনগুলো, কেন আসে আর কীভাবে মুক্তি মেলে — কুরআন ও সহীহ সুন্নাহভিত্তিক গাইড।
২৭ জুলাই ২০২৬ · ২ মিনিট
তাবিজ — জায়েজ কি না, আর বিকল্প কী
তাবিজ ব্যবহার করা কি জায়েজ, কোন তাবিজ স্পষ্ট শিরক, আলিমদের মতভেদ কোথায়, আর তাবিজের শরীয়তসম্মত বিকল্প কী।
২৭ জুলাই ২০২৬ · ২ মিনিট
সূরা বাকারা — ফজিলত, কখন পড়বেন ও ঘরের সুরক্ষা
সূরা বাকারার ফজিলত কী, ঘরে সূরা বাকারা পড়লে কী হয়, শেষ দুই আয়াতের ফজিলত, আর ব্যস্ত মানুষ কীভাবে নিয়মিত পড়বেন।