← শাইখ বালী সিরিজ

শাইখ নিজেই যা ছেড়ে দিয়েছেন

রুকইয়াহসুন্নাহরাকীর আদবসেলফ রুকইয়াহ

রুকইয়াহর তিনটি চেনা প্র্যাকটিস থেকে শাইখ বালী নিজে ফিরে এসেছেন — অথচ যারা করে তাদের দোষারোপও করেননি। আদবটা এখানেই।

প্রশ্নটা যেভাবে আসে

প্রশ্নটা করা হয়েছিল সরাসরি — রুকইয়াহর অধ্যায়ে আপনি কোন কোন বিষয় থেকে রুজু করেছেন? পানিতে পড়া কি তার একটি?

কারণ চারপাশে এসবই স্বাভাবিক হয়ে গেছে — সংখ্যা গুনে গুনে আয়াত পড়া, জিনের সাথে লম্বা কথা, বোতল বোতল পড়া পানি।

মানুষ এসবের পেছনে সময় দেয়, টাকা দেয়; তারপর ক্লান্ত হয়ে ভাবে — আমার বেলায় কিছুই কাজ করছে না কেন?

শাইখ বালী জবাবে তিনটি জিনিসের কথা বললেন, যেগুলো তিনি নিজেই ছেড়ে দিয়েছেন।

শাইখের জবাব

সবচেয়ে উত্তম হলো মানুষ নিজেই নিজের চিকিৎসা করা — শাইখ নিজে ২৫ বছরেরও বেশি আগে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন।

যে তিনটি থেকে তিনি রুজু করেছেন: নির্দিষ্ট সংখ্যা ধরে আয়াত পুনরাবৃত্তি — এটা ৫০ বার, ওটা ২০ বার; জিনের সাথে দীর্ঘ কথোপকথন; আর পানিতে পড়া।

দলিল — আমলের মাপকাঠি

مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ

যে ব্যক্তি এমন কোনো আমল করল যাতে আমাদের নির্দেশ নেই, তা প্রত্যাখ্যাত। (সহীহ মুসলিম ১৭১৮)

তবু শাইখ বলেন — ইবনে তাইমিয়া ও ইমাম আহমাদ রহ.-এর মতো কিছু আলিম পানিতে পড়ার কথা বলেছেন; তাই আমি নিজে এটা গ্রহণ করি না, কিন্তু যারা করে তাদের উপর ইনকারও করি না

করণীয়

  1. ৫০ বার, ২০ বার — এই সংখ্যার হিসাব ছেড়ে দিন; মন দিয়ে পড়াটাই আসল।
  2. জিনের সাথে জেরা নয় — প্রয়োজন অনুযায়ী যতটুকু দরকার, ঠিক ততটুকুই।
  3. নিজের রুকইয়াহ নিজে করুন — মানুষ যত ভাঙা মনে চায়, কবুল তত কাছে।
  4. যেখানে আলিমদের মতভেদ আছে, সেখানে কাউকে দোষারোপ নয় — এই আদবটা ধরে রাখুন।

মাসিক রুকইয়াহ কোর্স

১২টি লাইভ রুকইয়াহ সেশন ★ প্রতিটি সেশনের রেকর্ডেড ভিডিও ★ প্রতিটি সেশনের আলাদা সেশন নোট ★ ৫০০ টাকার ডায়াগনোসিস প্যাকেজ মাত্র ১৫০ টাকায় ★ রাকীর সাথে গ্রুপে কনসাল্ট করার সুযোগ ★ আলাদা টেলিগ্রাম গ্রুপ ★ ভাই ও বোনদের জন্য ভিন্ন ডিসকাশন গ্রুপ ★ আলাদা আলাদা সমস্যার জন্য আলাদা সেশন ★ প্রতিটি সেশনে গাইডলাইন ও প্রশ্নোত্তর পর্ব

কোর্সের হাদিয়া মাত্র ৪৯০ টাকা। জয়েন করতে মেসেজে লিখুন Session — ফর্মের লিংক পাঠিয়ে দেব ইনশাআল্লাহ।


সূত্র: শাইখ ওয়াহিদ আব্দুস সালাম বালী-এর আলোচনা অবলম্বনে

অনুবাদ ও সংকলন: রাকী ফয়সাল আহমেদ সাবিত — আল কুরআন রুকইয়াহ হিলিং সেন্টার

আরও পড়ুন