← সব লেখা

শাইখ হিবশী সিরিজ

১০টি পর্ব · শুরু থেকে ক্রমানুসারে পড়ুন।

  1. হতাশা বুকে নিয়ে চিকিৎসা হয় না মাসের পর মাস আমল চালিয়েও উন্নতি না দেখলে অন্তরে একটা কথা জমে — আমার আর হবে না। শাইখ বলেন, এই কথাটাই সবচেয়ে বড় বাধা।
  2. একটা ম্যাচের জন্য এতটা কষ্ট? ছেলেটা দাঁড়াতেই পারছিল না — তবু দুই মাস ধরে ওজন কমাচ্ছে, শুধু একটা খেলার জন্য। শাইখের প্রশ্ন — শিফার জন্য আমরা কতটুকু পারি?
  3. চুলাকে তো কেউ লাথি মারে না চুলার তাপ, তেলের ছিটা, ছুরির কাটা — সব সয়ে যান হাসিমুখে। শাইখ সেখান থেকেই বললেন, যেখানে ভালোবাসা আছে, কষ্টটা কষ্ট মনে হয় না।
  4. বাসায় কাঁদেন, মলে কাঁদেন না কেন? একই কাটা, একই ব্যথা — শুধু জায়গাটা আলাদা। শাইখ এই একটা দৃশ্য দিয়েই বুঝিয়ে দিলেন, নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
  5. বন্ধুদের সামনে পারেন, ঘরে পারেন না কেন? স্ত্রীটা আপনার শিফার পেছনে ছুটছেন, আর আপনি ঘরে ঢুকেই সব ছেড়ে দিচ্ছেন। শাইখ বলেন — ভারসাম্য রাখুন, সে আপনার কাছে আমানত।
  6. দরজার সামনে ২০ জন জাদুকর শাইখ রোগীকে একটা দৃশ্য কল্পনা করতে বললেন। দৃশ্যটা ভয়ংকর — কিন্তু শেষে ভয়টাই জায়গা বদলে ফেলে। আজকের ডায়েরিটা তাদের জন্য, যাদের রাতে ঘুম আসে না।
  7. নামাজে দাঁড়ালেই যা ঘটে যায় বান্দা নামাজে দাঁড়ালে তার গুনাহগুলো এনে মাথা ও কাঁধের উপর রাখা হয় — তারপর প্রতিটা রুকু-সিজদায় সেগুলো ঝরে পড়তে থাকে।
  8. যে আসরে শয়তান নাচে বাদ্য আর নাচের ভেতর কেউ একজন পড়ে যায়, শরীর কাঁপতে থাকে — আর চারপাশের মানুষ হাততালি দেয়। শাইখের নসিহতটা ঠিক এখানেই।
  9. সন্তানের ছবি আর নজরের দরজা ছেলেটা রুকইয়াহর পর ভালো হয়ে গিয়েছিল। মা আবার ছবি দিলেন। বললেন — কী করব, ইচ্ছে করে যে। শাইখের উত্তরটা কাউকে দোষারোপ নয়।
  10. ১০ প্রতিটা ব্যথায় একটা বাক্য রোগী জিজ্ঞেস করলেন — কতবার পড়ব? শাইখ বললেন, ১০০ বার হলেও, ২০০ বার হলেও। যতবার শরীরে কিছু টের পাবেন, ততবার।