- ১ হতাশা বুকে নিয়ে চিকিৎসা হয় না মাসের পর মাস আমল চালিয়েও উন্নতি না দেখলে অন্তরে একটা কথা জমে — আমার আর হবে না। শাইখ বলেন, এই কথাটাই সবচেয়ে বড় বাধা।
- ২ একটা ম্যাচের জন্য এতটা কষ্ট? ছেলেটা দাঁড়াতেই পারছিল না — তবু দুই মাস ধরে ওজন কমাচ্ছে, শুধু একটা খেলার জন্য। শাইখের প্রশ্ন — শিফার জন্য আমরা কতটুকু পারি?
- ৩ চুলাকে তো কেউ লাথি মারে না চুলার তাপ, তেলের ছিটা, ছুরির কাটা — সব সয়ে যান হাসিমুখে। শাইখ সেখান থেকেই বললেন, যেখানে ভালোবাসা আছে, কষ্টটা কষ্ট মনে হয় না।
- ৪ বাসায় কাঁদেন, মলে কাঁদেন না কেন? একই কাটা, একই ব্যথা — শুধু জায়গাটা আলাদা। শাইখ এই একটা দৃশ্য দিয়েই বুঝিয়ে দিলেন, নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
- ৫ বন্ধুদের সামনে পারেন, ঘরে পারেন না কেন? স্ত্রীটা আপনার শিফার পেছনে ছুটছেন, আর আপনি ঘরে ঢুকেই সব ছেড়ে দিচ্ছেন। শাইখ বলেন — ভারসাম্য রাখুন, সে আপনার কাছে আমানত।
- ৬ দরজার সামনে ২০ জন জাদুকর শাইখ রোগীকে একটা দৃশ্য কল্পনা করতে বললেন। দৃশ্যটা ভয়ংকর — কিন্তু শেষে ভয়টাই জায়গা বদলে ফেলে। আজকের ডায়েরিটা তাদের জন্য, যাদের রাতে ঘুম আসে না।
- ৭ নামাজে দাঁড়ালেই যা ঘটে যায় বান্দা নামাজে দাঁড়ালে তার গুনাহগুলো এনে মাথা ও কাঁধের উপর রাখা হয় — তারপর প্রতিটা রুকু-সিজদায় সেগুলো ঝরে পড়তে থাকে।
- ৮ যে আসরে শয়তান নাচে বাদ্য আর নাচের ভেতর কেউ একজন পড়ে যায়, শরীর কাঁপতে থাকে — আর চারপাশের মানুষ হাততালি দেয়। শাইখের নসিহতটা ঠিক এখানেই।
- ৯ সন্তানের ছবি আর নজরের দরজা ছেলেটা রুকইয়াহর পর ভালো হয়ে গিয়েছিল। মা আবার ছবি দিলেন। বললেন — কী করব, ইচ্ছে করে যে। শাইখের উত্তরটা কাউকে দোষারোপ নয়।
- ১০ প্রতিটা ব্যথায় একটা বাক্য রোগী জিজ্ঞেস করলেন — কতবার পড়ব? শাইখ বললেন, ১০০ বার হলেও, ২০০ বার হলেও। যতবার শরীরে কিছু টের পাবেন, ততবার।