بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
✦ ✦ ✦
রুকইয়াহ গাইডলাইন — বাংলা অর্থসহ

যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে

رقية حرق وتفجير عقد الجسد بسبب السحر والعين والحسد بإذن الله تعالى
✦ ✦ ✦
শাইখ أبو محمد العراقي-এর রুকইয়াহ থেকে সংকলিত · RUQ-0023
রাকী ফয়সাল আহমেদ সাবিত
আল কুরআন রুকইয়াহ হিলিং সেন্টার
Al Quranic Ruqyah Healing Center

এই গাইডলাইন সম্পর্কে

এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৫৬ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।

আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।

এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য

যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে

জাদু, বদনজর ও হিংসার প্রভাব যদি থেকে থাকে তা বাতিল করার নিয়তে পাঠ করা একটি নিবিড় শারঈ রুকইয়াহ, যেখানে বিশেষভাবে গিঁট (বাঁধন) এবং আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে অনুভূত প্রভাবগুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে; আমরা আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি সমস্ত ক্ষতি বাতিল করে দেন এবং তাঁর অনুমতিক্রমে আরোগ্য ও সুস্থতা দান করেন।

রুকইয়াহ অডিও

যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে

رقية حرق وتفجير عقد الجسد بسبب السحر والعين والحسد بإذن الله تعالى

🔗 https://www.youtube.com/watch?v=t4jdaEZ_OtY

দৈর্ঘ্য: ৫৬ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে

রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৪৭ আয়াত-পরিসর

প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
সূরা আল-ফাতিহা : ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

রুকইয়াহয় ০:০০
সূরা আল-ফাতিহা : ২–৭
ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ ٱهْدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾

২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।

৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,

৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

রুকইয়াহয় ২:৩১
সূরা আলে ইমরান : ২
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ﴿٢﴾

২. আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।

রুকইয়াহয় ৩:৪০
সূরা আল-বাকারা : ২৫৫
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾

২৫৫. আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

রুকইয়াহয় ৩:৪৬، ৪:০৬، ৪:৩৩ · ৩ বার
সূরা ত্ব-হা : ১১০
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِۦ عِلْمًۭا ﴿١١٠﴾

১১০. তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।

রুকইয়াহয় ৪:০২
সূরা আল-বাকারা : ২৪৮
وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ ءَايَةَ مُلْكِهِۦٓ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلتَّابُوتُ فِيهِ سَكِينَةٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ وَبَقِيَّةٌۭ مِّمَّا تَرَكَ ءَالُ مُوسَىٰ وَءَالُ هَٰرُونَ تَحْمِلُهُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةًۭ لَّكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٢٤٨﴾

২৪৮. বনী-ইসরাঈলদেরকে তাদের নবী আরো বললেন, তালূতের নেতৃত্বের চিহ্ন হলো এই যে, তোমাদের কাছে একটা সিন্দুক আসবে তোমাদের পালকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের মনের সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আর তাতে থাকবে মূসা, হারুন এবং তাঁদের সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী। সিন্দুকটিকে বয়ে আনবে ফেরেশতারা। তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাক, তাহলে এতে তোমাদের জন্য নিশ্চিতই পরিপূর্ণ নিদর্শন রয়েছে।

রুকইয়াহয় ৫:১৭، ৫:৩৯ · ২ বার
সূরা ইউনুস : ৮১–৮২
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।

রুকইয়াহয় ৬:৩১
সূরা আল-ফুরকান : ২৩
وَقَدِمْنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُوا۟ مِنْ عَمَلٍۢ فَجَعَلْنَٰهُ هَبَآءًۭ مَّنثُورًا ﴿٢٣﴾

২৩. আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।

রুকইয়াহয় ৮:৩৮، ৩৭:২৭ · ২ বার
সূরা আল-মু'মিনূন : ১৮
وَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۢ بِقَدَرٍۢ فَأَسْكَنَّٰهُ فِى ٱلْأَرْضِ ۖ وَإِنَّا عَلَىٰ ذَهَابٍۭ بِهِۦ لَقَٰدِرُونَ ﴿١٨﴾

১৮. আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে থাকি পরিমাণ মত অতঃপর আমি জমিনে সংরক্ষণ করি এবং আমি তা অপসারণও করতে সক্ষম।

রুকইয়াহয় ৯:৫৪
১০
সূরা ত্ব-হা : ২৫–২৮
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى ﴿٢٥﴾ وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾ وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾ يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى ﴿٢٨﴾

২৫. মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

২৭. এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

২৮. যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

রুকইয়াহয় ১১:০৩
১১
সূরা আশ-শারহ : ১–৮
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ ﴿١﴾ وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ ﴿٢﴾ ٱلَّذِىٓ أَنقَضَ ظَهْرَكَ ﴿٣﴾ وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ ﴿٤﴾ فَإِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٥﴾ إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًۭا ﴿٦﴾ فَإِذَا فَرَغْتَ فَٱنصَبْ ﴿٧﴾ وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَٱرْغَب ﴿٨﴾

১. আমি কি আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি?

২. আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা,

৩. যা ছিল আপনার জন্যে অতিশয় দুঃসহ।

৪. আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি।

৫. নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।

৬. নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।

৭. অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন।

৮. এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন।

রুকইয়াহয় ১২:০৩
১২
সূরা আল-ইসরা : ৮১
وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا ﴿٨١﴾

৮১. বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।

রুকইয়াহয় ১৩:৩৮
১৩
সূরা আল-ইসরা : ৮২
وَنُنَزِّلُ مِنَ ٱلْقُرْءَانِ مَا هُوَ شِفَآءٌۭ وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا خَسَارًۭا ﴿٨٢﴾

৮২. আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।

রুকইয়াহয় ১৪:১৭
১৪
সূরা আল-ফাতিহা : ১–২
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

রুকইয়াহয় ১৫:৫৯
১৫
সূরা ত্ব-হা : ২৬–২৭
وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾ وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

২৭. এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

রুকইয়াহয় ১৬:০৫
১৬
সূরা ত্ব-হা : ১০৫
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا ﴿١٠٥﴾

১০৫. তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।

রুকইয়াহয় ১৬:৫৯
১৭
সূরা ত্ব-হা : ১০৬–১০৭
فَيَذَرُهَا قَاعًۭا صَفْصَفًۭا ﴿١٠٦﴾ لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًۭا وَلَآ أَمْتًۭا ﴿١٠٧﴾

১০৬. অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।

১০৭. তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।

রুকইয়াহয় ১৭:৫৩
১৮
সূরা আল-বাকারা : ৭৪
ثُمَّ قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ فَهِىَ كَٱلْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ قَسْوَةًۭ ۚ وَإِنَّ مِنَ ٱلْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ ٱلْأَنْهَٰرُ ۚ وَإِنَّ مِنْهَا لَمَا يَشَّقَّقُ فَيَخْرُجُ مِنْهُ ٱلْمَآءُ ۚ وَإِنَّ مِنْهَا لَمَا يَهْبِطُ مِنْ خَشْيَةِ ٱللَّهِ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٧٤﴾

৭৪. অতঃপর এ ঘটনার পরে তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেছে। তা পাথরের মত অথবা তদপেক্ষাও কঠিন। পাথরের মধ্যে এমন ও আছে; যা থেকে ঝরণা প্রবাহিত হয়, এমনও আছে, যা বিদীর্ণ হয়, অতঃপর তা থেকে পানি নির্গত হয় এবং এমনও আছে, যা আল্লাহর ভয়ে খসেপড়তে থাকে! আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।

রুকইয়াহয় ১৯:৫৯
১৯
সূরা আল-কারি'আ : ৫
وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ ٱلْمَنفُوشِ ﴿٥﴾

৫. এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।

রুকইয়াহয় ২২:২৫
২০
সূরা আল-ইনশিকাক : ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ إِذَا ٱلسَّمَآءُ ٱنشَقَّتْ ﴿١﴾

১. যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

রুকইয়াহয় ২৩:১২
২১
সূরা ইবরাহীম : ২৬
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍۢ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ ٱجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ ٱلْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍۢ ﴿٢٦﴾

২৬. এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন স্থিতি নেই।

রুকইয়াহয় ২৪:১১
২২
সূরা আল-কাহফ : ৯৮
قَالَ هَٰذَا رَحْمَةٌۭ مِّن رَّبِّى ۖ فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ رَبِّى جَعَلَهُۥ دَكَّآءَ ۖ وَكَانَ وَعْدُ رَبِّى حَقًّۭا ﴿٩٨﴾

৯৮. যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।

রুকইয়াহয় ২৪:৫১
২৩
সূরা আল-আম্বিয়া : ৩০
أَوَلَمْ يَرَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًۭا فَفَتَقْنَٰهُمَا ۖ وَجَعَلْنَا مِنَ ٱلْمَآءِ كُلَّ شَىْءٍ حَىٍّ ۖ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ ﴿٣٠﴾

৩০. কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?

রুকইয়াহয় ২৫:৫১
২৪
সূরা আল-ফাতিহা : ৩
ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾

৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

রুকইয়াহয় ২৬:১৯
২৫
সূরা আল-ইনফিতার : ৩–৪
وَإِذَا ٱلْبِحَارُ فُجِّرَتْ ﴿٣﴾ وَإِذَا ٱلْقُبُورُ بُعْثِرَتْ ﴿٤﴾

৩. যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

৪. এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,

রুকইয়াহয় ২৬:২৪
২৬
সূরা আল-ফালাক : ১–৫
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ২৬:৫৬
২৭
সূরা মুহাম্মাদ : ১০
۞ أَفَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۚ دَمَّرَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ ۖ وَلِلْكَٰفِرِينَ أَمْثَٰلُهَا ﴿١٠﴾

১০. তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি অতঃপর দেখেনি যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছে? আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং কাফেরদের অবস্থা এরূপই হবে।

রুকইয়াহয় ৩০:১৯
২৮
সূরা আল-আ'রাফ : ১৩৭
وَأَوْرَثْنَا ٱلْقَوْمَ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ يُسْتَضْعَفُونَ مَشَٰرِقَ ٱلْأَرْضِ وَمَغَٰرِبَهَا ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا ۖ وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ ٱلْحُسْنَىٰ عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ بِمَا صَبَرُوا۟ ۖ وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهُۥ وَمَا كَانُوا۟ يَعْرِشُونَ ﴿١٣٧﴾

১৩৭. আর যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তাদেরকেও আমি উত্তরাধিকার দান করেছি এ ভুখন্ডের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের যাতে আমি বরকত সন্নিহিত রেখেছি এবং পরিপূর্ণ হয়ে গেছে তোমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত কল্যাণ বনী-ইসরাঈলদের জন্য তাদের ধৈর্য্যধারণের দরুন। আর ধ্বংস করে দিয়েছে সে সবকিছু যা তৈরী করেছিল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় এবং ধ্বংস করেছি যা কিছু তারা সুউচ্চ নির্মাণ করেছিল।

রুকইয়াহয় ৩০:৩৬
২৯
সূরা আশ-শু'আরা : ১৭২
ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْءَاخَرِينَ ﴿١٧٢﴾

১৭২. এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।

রুকইয়াহয় ৩০:৫৫
৩০
সূরা আল-হাশর : ২
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَٰبِ مِن دِيَٰرِهِمْ لِأَوَّلِ ٱلْحَشْرِ ۚ مَا ظَنَنتُمْ أَن يَخْرُجُوا۟ ۖ وَظَنُّوٓا۟ أَنَّهُم مَّانِعَتُهُمْ حُصُونُهُم مِّنَ ٱللَّهِ فَأَتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِنْ حَيْثُ لَمْ يَحْتَسِبُوا۟ ۖ وَقَذَفَ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلرُّعْبَ ۚ يُخْرِبُونَ بُيُوتَهُم بِأَيْدِيهِمْ وَأَيْدِى ٱلْمُؤْمِنِينَ فَٱعْتَبِرُوا۟ يَٰٓأُو۟لِى ٱلْأَبْصَٰرِ ﴿٢﴾

২. তিনিই কিতাবধারীদের মধ্যে যারা কাফের, তাদেরকে প্রথমবার একত্রিত করে তাদের বাড়ী-ঘর থেকে বহিস্কার করেছেন। তোমরা ধারণাও করতে পারনি যে, তারা বের হবে এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদের দূর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর কবল থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর আল্লাহর শাস্তি তাদের উপর এমনদিক থেকে আসল, যার কল্পনাও তারা করেনি। আল্লাহ তাদের অন্তরে ত্রাস সঞ্চার করে দিলেন। তারা তাদের বাড়ী-ঘর নিজেদের হাতে এবং মুসলমানদের হাতে ধ্বংস করছিল। অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।

রুকইয়াহয় ৩১:১১
৩১
সূরা আল-আহকাফ : ২৫
تُدَمِّرُ كُلَّ شَىْءٍۭ بِأَمْرِ رَبِّهَا فَأَصْبَحُوا۟ لَا يُرَىٰٓ إِلَّا مَسَٰكِنُهُمْ ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْقَوْمَ ٱلْمُجْرِمِينَ ﴿٢٥﴾

২৫. তার পালনকর্তার আদেশে সে সব কিছুকে ধ্বংস করে দেবে। অতঃপর তারা ভোর বেলায় এমন হয়ে গেল যে, তাদের বসতিগুলো ছাড়া কিছুই দৃষ্টিগোচর হল না। আমি অপরাধী সম্প্রদায়কে এমনিভাবে শাস্তি দিয়ে থাকি।

রুকইয়াহয় ৩১:৫৪
৩২
সূরা আস-সাফফাত : ১–১০
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾ فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ﴿٢﴾ فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾ إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ﴿٤﴾ رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ ﴿٥﴾ إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾ وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾ لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ﴿٨﴾ دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ﴿٩﴾ إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ﴿١٠﴾

১. শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,

২. অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,

৩. অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের-

৪. নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।

৫. তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।

৬. নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।

৭. এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।

৮. ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।

৯. ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।

১০. তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।

রুকইয়াহয় ৩৩:৩৩
৩৩
সূরা ত্ব-হা : ২৫–২৬
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى ﴿٢٥﴾ وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾

২৫. মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

রুকইয়াহয় ৩৪:৪৯
৩৪
সূরা ত্ব-হা : ২৭–২৮
وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾ يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى ﴿٢٨﴾

২৭. এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

২৮. যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

রুকইয়াহয় ৩৫:১১
৩৫
সূরা আল-বাকারা : ৬০
۞ وَإِذِ ٱسْتَسْقَىٰ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦ فَقُلْنَا ٱضْرِب بِّعَصَاكَ ٱلْحَجَرَ ۖ فَٱنفَجَرَتْ مِنْهُ ٱثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًۭا ۖ قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍۢ مَّشْرَبَهُمْ ۖ كُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ مِن رِّزْقِ ٱللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ مُفْسِدِينَ ﴿٦٠﴾

৬০. আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে দাংগা-হাংগামা করে বেড়িও না।

রুকইয়াহয় ৩৫:২১، ৩৬:০১ · ২ বার
৩৬
সূরা ত্ব-হা : ১০৫–১০৭
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا ﴿١٠٥﴾ فَيَذَرُهَا قَاعًۭا صَفْصَفًۭا ﴿١٠٦﴾ لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًۭا وَلَآ أَمْتًۭا ﴿١٠٧﴾

১০৫. তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।

১০৬. অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।

১০৭. তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।

রুকইয়াহয় ৩৬:৪৯
৩৭
সূরা আয-যালযালাহ : ২–৩
وَأَخْرَجَتِ ٱلْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾ وَقَالَ ٱلْإِنسَٰنُ مَا لَهَا ﴿٣﴾

২. যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।

৩. এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?

রুকইয়াহয় ৩৭:২০
৩৮
সূরা আশ-শু'আরা : ৮০–৯৩
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ ﴿٨٠﴾ وَٱلَّذِى يُمِيتُنِى ثُمَّ يُحْيِينِ ﴿٨١﴾ وَٱلَّذِىٓ أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِى خَطِيٓـَٔتِى يَوْمَ ٱلدِّينِ ﴿٨٢﴾ رَبِّ هَبْ لِى حُكْمًۭا وَأَلْحِقْنِى بِٱلصَّٰلِحِينَ ﴿٨٣﴾ وَٱجْعَل لِّى لِسَانَ صِدْقٍۢ فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿٨٤﴾ وَٱجْعَلْنِى مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ ٱلنَّعِيمِ ﴿٨٥﴾ وَٱغْفِرْ لِأَبِىٓ إِنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلضَّآلِّينَ ﴿٨٦﴾ وَلَا تُخْزِنِى يَوْمَ يُبْعَثُونَ ﴿٨٧﴾ يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌۭ وَلَا بَنُونَ ﴿٨٨﴾ إِلَّا مَنْ أَتَى ٱللَّهَ بِقَلْبٍۢ سَلِيمٍۢ ﴿٨٩﴾ وَأُزْلِفَتِ ٱلْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿٩٠﴾ وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ﴿٩١﴾ وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٩٢﴾ مِن دُونِ ٱللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ ﴿٩٣﴾

৮০. যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।

৮১. যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।

৮২. আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।

৮৩. হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

৮৪. এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

৮৫. এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

৮৬. এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।

৮৭. এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

৮৮. যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

৮৯. কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।

৯০. জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।

৯১. এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।

৯২. তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।

৯৩. আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?

রুকইয়াহয় ৪৩:০৮
৩৯
সূরা আশ-শু'আরা : ৮–১০২
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةًۭ ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٨﴾ وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ ﴿٩﴾ وَإِذْ نَادَىٰ رَبُّكَ مُوسَىٰٓ أَنِ ٱئْتِ ٱلْقَوْمَ ٱلظَّٰلِمِينَ ﴿١٠﴾ قَوْمَ فِرْعَوْنَ ۚ أَلَا يَتَّقُونَ ﴿١١﴾ قَالَ رَبِّ إِنِّىٓ أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ ﴿١٢﴾ وَيَضِيقُ صَدْرِى وَلَا يَنطَلِقُ لِسَانِى فَأَرْسِلْ إِلَىٰ هَٰرُونَ ﴿١٣﴾ وَلَهُمْ عَلَىَّ ذَنۢبٌۭ فَأَخَافُ أَن يَقْتُلُونِ ﴿١٤﴾ قَالَ كَلَّا ۖ فَٱذْهَبَا بِـَٔايَٰتِنَآ ۖ إِنَّا مَعَكُم مُّسْتَمِعُونَ ﴿١٥﴾ فَأْتِيَا فِرْعَوْنَ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولُ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٦﴾ أَنْ أَرْسِلْ مَعَنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿١٧﴾ قَالَ أَلَمْ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدًۭا وَلَبِثْتَ فِينَا مِنْ عُمُرِكَ سِنِينَ ﴿١٨﴾ وَفَعَلْتَ فَعْلَتَكَ ٱلَّتِى فَعَلْتَ وَأَنتَ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ ﴿١٩﴾ قَالَ فَعَلْتُهَآ إِذًۭا وَأَنَا۠ مِنَ ٱلضَّآلِّينَ ﴿٢٠﴾ فَفَرَرْتُ مِنكُمْ لَمَّا خِفْتُكُمْ فَوَهَبَ لِى رَبِّى حُكْمًۭا وَجَعَلَنِى مِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿٢١﴾ وَتِلْكَ نِعْمَةٌۭ تَمُنُّهَا عَلَىَّ أَنْ عَبَّدتَّ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿٢٢﴾ قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢٣﴾ قَالَ رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَآ ۖ إِن كُنتُم مُّوقِنِينَ ﴿٢٤﴾ قَالَ لِمَنْ حَوْلَهُۥٓ أَلَا تَسْتَمِعُونَ ﴿٢٥﴾ قَالَ رَبُّكُمْ وَرَبُّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٢٦﴾ قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ ٱلَّذِىٓ أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٢٧﴾ قَالَ رَبُّ ٱلْمَشْرِقِ وَٱلْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَآ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ ﴿٢٨﴾ قَالَ لَئِنِ ٱتَّخَذْتَ إِلَٰهًا غَيْرِى لَأَجْعَلَنَّكَ مِنَ ٱلْمَسْجُونِينَ ﴿٢٩﴾ قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَىْءٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٣٠﴾ قَالَ فَأْتِ بِهِۦٓ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ ﴿٣١﴾ فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِىَ ثُعْبَانٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٣٢﴾ وَنَزَعَ يَدَهُۥ فَإِذَا هِىَ بَيْضَآءُ لِلنَّٰظِرِينَ ﴿٣٣﴾ قَالَ لِلْمَلَإِ حَوْلَهُۥٓ إِنَّ هَٰذَا لَسَٰحِرٌ عَلِيمٌۭ ﴿٣٤﴾ يُرِيدُ أَن يُخْرِجَكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِۦ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ ﴿٣٥﴾ قَالُوٓا۟ أَرْجِهْ وَأَخَاهُ وَٱبْعَثْ فِى ٱلْمَدَآئِنِ حَٰشِرِينَ ﴿٣٦﴾ يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٍۢ ﴿٣٧﴾ فَجُمِعَ ٱلسَّحَرَةُ لِمِيقَٰتِ يَوْمٍۢ مَّعْلُومٍۢ ﴿٣٨﴾ وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنتُم مُّجْتَمِعُونَ ﴿٣٩﴾ لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ ٱلسَّحَرَةَ إِن كَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَٰلِبِينَ ﴿٤٠﴾ فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالُوا۟ لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ ٱلْغَٰلِبِينَ ﴿٤١﴾ قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذًۭا لَّمِنَ ٱلْمُقَرَّبِينَ ﴿٤٢﴾ قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلْقُوا۟ مَآ أَنتُم مُّلْقُونَ ﴿٤٣﴾ فَأَلْقَوْا۟ حِبَالَهُمْ وَعِصِيَّهُمْ وَقَالُوا۟ بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ ٱلْغَٰلِبُونَ ﴿٤٤﴾ فَأَلْقَىٰ مُوسَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿٤٥﴾ فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿٤٦﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٤٧﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿٤٨﴾ قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ۚ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍۢ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٩﴾ قَالُوا۟ لَا ضَيْرَ ۖ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ ﴿٥٠﴾ إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَٰيَٰنَآ أَن كُنَّآ أَوَّلَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٥١﴾ ۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِىٓ إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ ﴿٥٢﴾ فَأَرْسَلَ فِرْعَوْنُ فِى ٱلْمَدَآئِنِ حَٰشِرِينَ ﴿٥٣﴾ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ لَشِرْذِمَةٌۭ قَلِيلُونَ ﴿٥٤﴾ وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَآئِظُونَ ﴿٥٥﴾ وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَٰذِرُونَ ﴿٥٦﴾ فَأَخْرَجْنَٰهُم مِّن جَنَّٰتٍۢ وَعُيُونٍۢ ﴿٥٧﴾ وَكُنُوزٍۢ وَمَقَامٍۢ كَرِيمٍۢ ﴿٥٨﴾ كَذَٰلِكَ وَأَوْرَثْنَٰهَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿٥٩﴾ فَأَتْبَعُوهُم مُّشْرِقِينَ ﴿٦٠﴾ فَلَمَّا تَرَٰٓءَا ٱلْجَمْعَانِ قَالَ أَصْحَٰبُ مُوسَىٰٓ إِنَّا لَمُدْرَكُونَ ﴿٦١﴾ قَالَ كَلَّآ ۖ إِنَّ مَعِىَ رَبِّى سَيَهْدِينِ ﴿٦٢﴾ فَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنِ ٱضْرِب بِّعَصَاكَ ٱلْبَحْرَ ۖ فَٱنفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍۢ كَٱلطَّوْدِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٦٣﴾ وَأَزْلَفْنَا ثَمَّ ٱلْءَاخَرِينَ ﴿٦٤﴾ وَأَنجَيْنَا مُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓ أَجْمَعِينَ ﴿٦٥﴾ ثُمَّ أَغْرَقْنَا ٱلْءَاخَرِينَ ﴿٦٦﴾ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةًۭ ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٦٧﴾ وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ ﴿٦٨﴾ وَٱتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَٰهِيمَ ﴿٦٩﴾ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٧٠﴾ قَالُوا۟ نَعْبُدُ أَصْنَامًۭا فَنَظَلُّ لَهَا عَٰكِفِينَ ﴿٧١﴾ قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ ﴿٧٢﴾ أَوْ يَنفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ ﴿٧٣﴾ قَالُوا۟ بَلْ وَجَدْنَآ ءَابَآءَنَا كَذَٰلِكَ يَفْعَلُونَ ﴿٧٤﴾ قَالَ أَفَرَءَيْتُم مَّا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٧٥﴾ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُمُ ٱلْأَقْدَمُونَ ﴿٧٦﴾ فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّۭ لِّىٓ إِلَّا رَبَّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٧٧﴾ ٱلَّذِى خَلَقَنِى فَهُوَ يَهْدِينِ ﴿٧٨﴾ وَٱلَّذِى هُوَ يُطْعِمُنِى وَيَسْقِينِ ﴿٧٩﴾ وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ ﴿٨٠﴾ وَٱلَّذِى يُمِيتُنِى ثُمَّ يُحْيِينِ ﴿٨١﴾ وَٱلَّذِىٓ أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِى خَطِيٓـَٔتِى يَوْمَ ٱلدِّينِ ﴿٨٢﴾ رَبِّ هَبْ لِى حُكْمًۭا وَأَلْحِقْنِى بِٱلصَّٰلِحِينَ ﴿٨٣﴾ وَٱجْعَل لِّى لِسَانَ صِدْقٍۢ فِى ٱلْءَاخِرِينَ ﴿٨٤﴾ وَٱجْعَلْنِى مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ ٱلنَّعِيمِ ﴿٨٥﴾ وَٱغْفِرْ لِأَبِىٓ إِنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلضَّآلِّينَ ﴿٨٦﴾ وَلَا تُخْزِنِى يَوْمَ يُبْعَثُونَ ﴿٨٧﴾ يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌۭ وَلَا بَنُونَ ﴿٨٨﴾ إِلَّا مَنْ أَتَى ٱللَّهَ بِقَلْبٍۢ سَلِيمٍۢ ﴿٨٩﴾ وَأُزْلِفَتِ ٱلْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿٩٠﴾ وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ﴿٩١﴾ وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ﴿٩٢﴾ مِن دُونِ ٱللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ ﴿٩٣﴾ فَكُبْكِبُوا۟ فِيهَا هُمْ وَٱلْغَاوُۥنَ ﴿٩٤﴾ وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ ﴿٩٥﴾ قَالُوا۟ وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ ﴿٩٦﴾ تَٱللَّهِ إِن كُنَّا لَفِى ضَلَٰلٍۢ مُّبِينٍ ﴿٩٧﴾ إِذْ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٩٨﴾ وَمَآ أَضَلَّنَآ إِلَّا ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٩٩﴾ فَمَا لَنَا مِن شَٰفِعِينَ ﴿١٠٠﴾ وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍۢ ﴿١٠١﴾ فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةًۭ فَنَكُونَ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٠٢﴾

৮. নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

৯. আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

১০. যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;

১১. ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?

১২. সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।

১৩. এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।

১৪. আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।

১৫. আল্লাহ বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।

১৬. অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।

১৭. যাতে তুমি বনী-ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।

১৮. ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।

১৯. তুমি সেই-তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।

২০. মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।

২১. অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।

২২. আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী-ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।

২৩. ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?

২৪. মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।

২৫. ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?

২৬. মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।

২৭. ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।

২৮. মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।

২৯. ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।

৩০. মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?

৩১. ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।

৩২. অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।

৩৩. আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।

৩৪. ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।

৩৫. সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?

৩৬. তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।

৩৭. তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।

৩৮. অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।

৩৯. এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।

৪০. যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি-যদি তারাই বিজয়ী হয়।

৪১. যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?

৪২. ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

৪৩. মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।

৪৪. অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।

৪৫. অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।

৪৬. তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।

৪৭. তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

৪৮. যিনি মূসা ও হারুনের রব।

৪৯. ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।

৫০. তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।

৫১. আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।

৫২. আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।

৫৩. অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,

৫৪. নিশ্চয় এরা (বনী-ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।

৫৫. এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।

৫৬. এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।

৫৭. অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।

৫৮. এবং ধন-ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।

৫৯. এরূপই হয়েছিল এবং বনী-ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।

৬০. অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।

৬১. যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।

৬২. মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।

৬৩. অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।

৬৪. আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।

৬৫. এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।

৬৬. অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।

৬৭. নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী ছিল না।

৬৮. আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

৬৯. আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।

৭০. যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?

৭১. তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।

৭২. ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?

৭৩. অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?

৭৪. তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।

৭৫. ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।

৭৬. তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?

৭৭. বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।

৭৮. যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,

৭৯. যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,

৮০. যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।

৮১. যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।

৮২. আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।

৮৩. হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

৮৪. এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

৮৫. এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

৮৬. এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।

৮৭. এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

৮৮. যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

৮৯. কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।

৯০. জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।

৯১. এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।

৯২. তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।

৯৩. আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?

৯৪. অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।

৯৫. এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।

৯৬. তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ

৯৭. আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।

৯৮. যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব-পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।

৯৯. আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।

১০০. অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।

১০১. এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।

১০২. হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।

রুকইয়াহয় ৪৫:৩৪
৪০
সূরা ফুসসিলাত : ৪৪
وَلَوْ جَعَلْنَٰهُ قُرْءَانًا أَعْجَمِيًّۭا لَّقَالُوا۟ لَوْلَا فُصِّلَتْ ءَايَٰتُهُۥٓ ۖ ءَا۬عْجَمِىٌّۭ وَعَرَبِىٌّۭ ۗ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ هُدًۭى وَشِفَآءٌۭ ۖ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَقْرٌۭ وَهُوَ عَلَيْهِمْ عَمًى ۚ أُو۟لَٰٓئِكَ يُنَادَوْنَ مِن مَّكَانٍۭ بَعِيدٍۢ ﴿٤٤﴾

৪৪. আমি যদি একে অনারব ভাষায় কোরআন করতাম, তবে অবশ্যই তারা বলত, এর আয়াতসমূহ পরিস্কার ভাষায় বিবৃত হয়নি কেন? কি আশ্চর্য যে, কিতাব অনারব ভাষায় আর রসূল আরবী ভাষী! বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার। যারা মুমিন নয়, তাদের কানে আছে ছিপি, আর কোরআন তাদের জন্যে অন্ধত্ব। তাদেরকে যেন দূরবর্তী স্থান থেকে আহবান করা হয়।

রুকইয়াহয় ৪৭:০৬
৪১
সূরা আল-কামার : ১২
وَفَجَّرْنَا ٱلْأَرْضَ عُيُونًۭا فَٱلْتَقَى ٱلْمَآءُ عَلَىٰٓ أَمْرٍۢ قَدْ قُدِرَ ﴿١٢﴾

১২. এবং ভুমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে।

রুকইয়াহয় ৪৭:৩৪
৪২
সূরা আল-বাকারা : ২৫৯
أَوْ كَٱلَّذِى مَرَّ عَلَىٰ قَرْيَةٍۢ وَهِىَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىٰ يُحْىِۦ هَٰذِهِ ٱللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا ۖ فَأَمَاتَهُ ٱللَّهُ مِا۟ئَةَ عَامٍۢ ثُمَّ بَعَثَهُۥ ۖ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ ۖ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍۢ ۖ قَالَ بَل لَّبِثْتَ مِا۟ئَةَ عَامٍۢ فَٱنظُرْ إِلَىٰ طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰ حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ ءَايَةًۭ لِّلنَّاسِ ۖ وَٱنظُرْ إِلَى ٱلْعِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًۭا ۚ فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُۥ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ ﴿٢٥٩﴾

২৫৯. তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়ীঘরগুলো ভেঙ্গে ছাদের উপর পড়ে ছিল? বলল, কেমন করে আল্লাহ মরনের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন একশ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কত কাল এভাবে ছিলে? বলল আমি ছিলাম, একদিন কংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো একশ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায় নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দেই এবং সেগুলোর উপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দেই। অতঃপর যখন তার উপর এ অবস্থা প্রকাশিত হল, তখন বলে উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।

রুকইয়াহয় ৪৮:০২
৪৩
সূরা আল-ফালাক : ২–৫
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ৪৮:৩২
৪৪
সূরা আল-ফালাক : ৪
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

রুকইয়াহয় ৪৮:৪৮
৪৫
সূরা আন-নাস : ১–৬
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

২. মানুষের অধিপতির,

৩. মানুষের মা’বুদের

৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে

৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

রুকইয়াহয় ৪৯:০৩
৪৬
সূরা আত-তাগাবুন : ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۖ لَهُ ٱلْمُلْكُ وَلَهُ ٱلْحَمْدُ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ ﴿١﴾

১. নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

রুকইয়াহয় ৫৫:৪৬
৪৭
সূরা আস-সাফফাত : ১৮০–১৮২
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾

১৮০. পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।

১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

১৮২. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

রুকইয়াহয় ৫৬:২৩

রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]১৫ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر২ বার

শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৭২ অংশ

শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
بِسْمِ اللَّهِ الْمَلِكِ بِسْمِ اللَّهِ الْمَلِكِ الْحَقِّ الْمُبِينِ بِسْمِ اللَّهِ الْمَلِكِ الْحَقِّ الْمُبِينِ بِسْمِ
আল্লাহর নামে যিনি অধিপতি, আল্লাহর নামে যিনি অধিপতি সুস্পষ্ট সত্য, আল্লাহর নামে যিনি অধিপতি সুস্পষ্ট সত্য, আল্লাহর নামে
০:০৩–০:১৩
بِسْمِ اللَّهِ الْمَلِكِ بِسْمِ اللَّهِ الْمَلِكِ الْحَقِّ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ رَبِّ الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ نَسْتَفْتِحُ هَذِهِ الرُّقْيَةَ بِعِزَّةِ اللَّهِ الَّتِي لَا تُرَامُ وَبِقُدْرَتِهِ الَّتِي قَهَرَ بِهَا كُلَّ الْمَخْلُوقَاتِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَبْرَأُ إِلَيْكَ مِنْ حَوْلِنَا وَقُوَّتِنَا إِلَى حَوْلِكَ وَقُوَّتِكَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِ حَاسِدَةٍ لَامّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ لَامَّةٍ
আল্লাহর নামে যিনি অধিপতি, আল্লাহর নামে যিনি অধিপতি সত্য, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে যিনি ভূমি ও আকাশের রব। আমরা এই রুকইয়া শুরু করছি আল্লাহর অপ্রতিরোধ্য ইজ্জতের মাধ্যমে এবং তাঁর সেই ক্ষমতার মাধ্যমে যা দিয়ে তিনি সকল সৃষ্টিকে পরাভূত করেছেন। হে আল্লাহ, আমরা আমাদের শক্তি-সামর্থ্য থেকে মুক্ত হয়ে তোমার শক্তি-সামর্থ্যের দিকে ফিরছি। হে আল্লাহ, উম্মতের প্রতিটি হিংসুক নজর বাতিল করে দাও (বারবার বলা হয়েছে)
০:১৮–১:১১
نَاظِرَةٌ نَاظِرَةٌ نَاظِرَةٌ نَاظِرَةٌ نَاظِرَةٌ أَصَابَتْ نَشَاطًا فَأَخْمَدَتْهُ أَصَابَتْ نَشَاطًا فَأَخْمَدَتْهُ أَصَابَتْ قُوَّةً فَأَضْعَفَتْهَا أَصَابَتْ قُوَّةً فَأَضْعَفَتْهَا أَصَابَتْ قُوَّةً فَأَضْعَفَتْهَا أَصَابَتْ قُوَّةً فَأَضْعَفَتْهَا وَأَصَابَتْ هِمَّةً فَافْتَرَتْهَا فَأَصَابَتْ هِمَّةً فَافْتَرَتْهَا اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَكْتَافِ وَالظَّهْرِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْأَعْصَابِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَكْتَافِ وَالظَّهْرِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْأَعْصَابِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَكْتَافِ وَالظَّهْرِ
তাকিয়ে থাকা নজর (বারবার)। তা উদ্যমকে আঘাত করে তা নিভিয়ে দিয়েছে (বারবার), তা শক্তিকে আঘাত করে তা দুর্বল করে দিয়েছে (বারবার), তা মনোবলকে আঘাত করে তা ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে (বারবার)। হে আল্লাহ, কাঁধ, পিঠ, জয়েন্ট ও স্নায়ুর প্রতিটি গিঁট খুলে দাও (বারবার)
১:১১–২:০০
وَالْمَفَاصِلِ وَالْأَعْصَابِ. اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَكْتَافِ وَالظَّهْرِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْأَعْصَابِ وَأَزِلْ عَنِ الْجَسَدِ كُلَّ ثِقَلٍ وَخُمُولٍ. وَأَزِلْ عَنِ الْجَسَدِ كُلَّ ثِقَلٍ وَخُمُولٍ وَبَدِّلْ هَذَا الْوَهْنَ قُوَّةً وَنَشَاطًا وَعَافِيَةً تُعِينُ عَلَى طَاعَتِكَ وَأَمْرِ دُنْيَاكَ
…জয়েন্ট ও স্নায়ুর। হে আল্লাহ কাঁধ, পিঠ, জয়েন্ট ও স্নায়ুর প্রতিটি গিঁট খুলে দাও এবং শরীর থেকে সকল ভারীভাব ও অলসতা দূর করে দাও। শরীর থেকে সকল ভারীভাব ও অলসতা দূর করে দাও এবং এই দুর্বলতাকে এমন শক্তি, উদ্যম ও সুস্থতায় বদলে দাও যা তোমার আনুগত্যে ও দুনিয়ার কাজে সহায়তা করে
২:০০–২:২৭
اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ، اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ مِنْ كُلِّ تَعَبٍ وَخُمُولٍ وَثِقَلٍ، اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ مِنْ كُلِّ تَعَبٍ وَمَرَضٍ وَخُمُولٍ وَثِقَلٍ، اللَّهُمَّ اشْفِ الْجَسَدَ مِنْ كُلِّ تَعَبٍ وَخُمُولٍ وَثِقَلٍ، اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ مِنْ كُلِّ تَعَبٍ وَخُمُولٍ وَثِقَلٍ
হে আল্লাহ শরীরকে আরোগ্য দাও, হে আল্লাহ শরীরকে সকল ক্লান্তি, অলসতা ও ভারীভাব থেকে আরোগ্য দাও, হে আল্লাহ শরীরকে সকল ক্লান্তি, রোগ, অলসতা ও ভারীভাব থেকে আরোগ্য দাও (বারবার)
৩:১৬–৩:৩৬
الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ
যিনি তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবেন (আয়াতুল কুরসী)
৩:৫৭–৪:০২
وَلَا يؤوده حِفْظُهُمَا، وَلَا يؤوده حِفْظُهُمَا، وَلَا يؤوده حِفْظُهُمَا
উভয়ের হেফাজত করা তাঁকে ক্লান্ত করে না (৩ বার)
৪:২৪–৪:৩৩
أَنِرْ جَسَدَهُ بِنُورِ الْقُرْآنِ اللَّهُمَّ اطْرُدْ عَنْهُ كُلَّ نُعَاسٍ وَتَعَبٍ وَمَرَضٍ وَوَهْنٍ اللَّهُمَّ اطْرُدْ عَنْ هَذَا الْجَسَدِ كُلَّ تَعَبٍ وَوَهْنٍ اللَّهُمَّ اطْرُدْ عَنِ الْجَسَدِ كُلَّ ثِقَلٍ وَتَعَبٍ وَوَهْنٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ.
তার শরীরকে কুরআনের নূর দিয়ে আলোকিত কর। হে আল্লাহ তার থেকে সকল তন্দ্রা, ক্লান্তি, রোগ ও দুর্বলতা দূর করে দাও। হে আল্লাহ এই শরীর থেকে সকল ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে দাও। হে আল্লাহ শরীর থেকে সকল ভারীভাব, ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে দাও, হে বিশ্বজগতের রব
৪:৫০–৫:১২
فِيهِ سَكِينَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ فِيهِ سَكِينَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ فِيهِ سَكِينَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ
তাতে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে প্রশান্তি রয়েছে (৩ বার)
৫:২৭–৫:৩৯
اللَّهُمَّ أَنْزِلْ سَكِينَةً تُذْهِبُ عَنْهُ الِاضْطِرَابَ، اللَّهُمَّ أَنْزِلْ سَكِينَةً يِنَهْ تُذْهِبُ عَنْهُ الِاضْطِرَابَ وَتَمْلَأُ بَدَنَهُ خِفَّةً وَرَاحَةً، تَمْلَأُ الْبَدَنَ خِفَّةً وَرَاحَةً، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
হে আল্লাহ প্রশান্তি নাযিল কর যা তার থেকে অস্থিরতা দূর করে দেয়, হে আল্লাহ প্রশান্তি নাযিল কর যা তার থেকে অস্থিরতা দূর করে দেয় এবং তার শরীরকে হালকাভাব ও আরামে পূর্ণ করে দেয়, শরীরকে হালকাভাব ও আরামে পূর্ণ করে দেয়, হে বিশ্বজগতের রব
৬:০২–৬:২৭
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ عَلَى الْأَكْتَافِ وَأَثْقَلَتِ الْحَرَكَةَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حِينٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَاسِدٍ وَعَيْنٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ رَبَطَتِ الْأَكْتَافَ رَبَطَتِ الْأَكْتَافَ رَبَطَتِ الْأَكْتَافَ رَبَطَتِ الْأَكْتَافَ أَثْقَلَتِ الْحَرَكَةَ أَثْقَلَتِ الْأَكْتَافَ أَثْقَلَتِ الْأَكْتَافَ أَثْقَلَتِ الْأَكْتَافَ رَبَطَتْ عَنِ الْحَرَكَةِ رَبَطَتِ الْحَرَكَةَ رَبَطَتِ الْحَرَكَةَ يُبْطِلُ كُلَّ حَسَدٍ وَعَيْنٍ
হে আল্লাহ সকল হিংসা ও কুনজর বাতিল কর, কাঁধের উপর থাকা তা নড়াচড়াকে ভারী করে দিয়েছে (বারবার বলা হয়েছে); কাঁধ বেঁধে দিয়েছে, নড়াচড়া ভারী করে দিয়েছে, কাঁধ ভারী করে দিয়েছে, নড়াচড়া বেঁধে দিয়েছে (এই বাক্যাংশগুলো বারবার) — সকল হিংসা ও কুনজর বাতিল হয়ে যাক
৭:৩৯–৮:৩৪
اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَزِلِ الْخُمُولَ فِي الْجَسَدِ، اللَّهُمَّ أَزِ الْخُمُولَ فِي الْجَسَدِ، اللَّهُمَّ
হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, শরীরের অলসতা দূর কর, হে আল্লাহ শরীরের অলসতা দূর কর, হে আল্লাহ
৯:৩০–৯:৪২
اللَّهُمَّ طَهِّرِ الْبَدَنَ، اللَّهُمَّ بَطَهِّرِ الْبَدَنَ، اللَّهُمَّ طَهِّرِ الْبَدَنَ، اللَّهُمَّ طَهِّرِ الْبَدَنَ، اللَّهُمَّ أَطْهِرِ الْبَدَنَ، اللَّهُمَّ طَهِّرِ الْبَدَنَ مِنْ أَثَرِ كُلِّ عَيْنٍ لَامّ، مِنْ أَثَرِ كُلِّ عَيْنٍ لَامّ، مِنْ أَثَرِ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّهْ، مِنْ أَثَرِ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّهْ، مِنْ أَثَرِ كُلِّ عَيْنٍ لَامّ
হে আল্লাহ শরীরকে পবিত্র কর (বারবার), হে আল্লাহ শরীরকে প্রতিটি হিংসুক নজরের প্রভাব থেকে পবিত্র কর (বারবার)
১০:২৮–১০:৫৮
اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَعْصَابِ وَفِي الْعِظَامِ وَالْأَكْتَافِ، سَبَّبَتْ لَهُ تعبابت لَهُ تعبابت لَهُ تَعَبًا، لَهُ تَعَبًا،
হে আল্লাহ স্নায়ুর প্রতিটি গিঁট খুলে দাও (বারবার), হাড় ও কাঁধেও, যা তার জন্য কষ্টের কারণ হয়েছে (বারবার)
১১:৩৩–১১:৫৯
اللَّهُمَّ ضَعْ عَنْهُ كُلَّ ثِقَلٍ فِي الْأَكْتَافِ اللَّهُمَّ ضَعْ عَنْهُ ثِقَلَ الْأَكْتَافِ ثِقَلَ الْأَكْتَافِ ثِقَلَ الْأَكْتَافِ ثِقَلَ الْأَكْتَافِ ثِقَلَ الْأَكْتَافِ وَاشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْعِبَادَةِ وَالطَّاعَةِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُ الْهِمَّةَ وَالْقُوَّةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُ الْهِمَّةَ وَالْقُوَّةَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ بَعْدَ هَذَا التَّعَبِ يُسْرًا اللَّهُمَّ وَاجْعَلْ وَاجْعَلْ بَعْدَ هَذَا التَّعَبِ يُسْرًا
হে আল্লাহ তার কাঁধ থেকে সকল ভার সরিয়ে দাও (বারবার) এবং ইবাদত ও আনুগত্যের জন্য তার বুক প্রশস্ত কর। হে আল্লাহ তাকে উদ্যম ও শক্তি দান কর (বারবার)। হে আল্লাহ এই কষ্টের পর সহজতা দান কর (বারবার)
১২:৩৮–১৩:১৭
وَزَهَقَ الْبَاطِلُ، وَزَهَقَ الْبَاطْ طِلُ، وَزَهَقَ الْبَاطِلُ
বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে, বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে, বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে
১৩:২৭–১৩:৩৪
اللَّهُمَّ أَزْهِقْ كُلَّ ضَعْفٍ وَوَهْنٍ اللَّهُمَّ أَزْهِقْ كُلَّ ضَعْفٍ وَوَهْنٍ اللَّهُمَّ أَزْهِقْ كُلَّ ضَعْفٍ وَوَهْنٍ اسْتَوْلَى عَلَى الْبَدَنِ اللَّهُمَّ أَزْهِقْ كُلَّ كُلَّ ضَعْفٍ كُلَّ ضَعْفٍ كُلَّ ضَعْفٍ كُلَّ ضَعْفٍ كُلَّ ضَعْفٍ كُلَّ ضَعْفٍ وَوَهْنٍ اسْتَوْلَى عَلَى الْبَدَنِ وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ
হে আল্লাহ সকল দুর্বলতা ও অক্ষমতা বিলুপ্ত কর যা শরীরের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে (বারবার বলা হয়েছে) এবং কুরআন থেকে নাযিল করি
১৩:৫৩–১৪:১৬
اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْقُرْآنَ شِفَاءً لِلْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْقُرْآنَ شِفَاءً لِلْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْقُرْآنَ شِفَاءً لِلْجَسَدِ مِنْ ثِقَلٍ وَخُمُولٍ وَكَسَلٍ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْقُرْآنَ شِفَاءً لِلْجَسَدِ مِنْ كُلِّ ثِقَلٍ وَخُمُولٍ وَكَسَلٍ وَتَعَبٍ وَوَهْنٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ وَاللَّهُ يَشْفِيكَ اللَّهُمَّ زَلْزِلْ كُلَّ حِصْنٍ اللَّهُمَّ زَلْزِلْ كُلَّ حِصْنٍ اللَّهُمَّ زَلْزِلْ كُلَّ حِصْنٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقِ الْعُقَدَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَحْرِقِ الْعُقَدَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَحْرِقِ الْعُقَدَ
হে আল্লাহ কুরআনকে শরীরের জন্য আরোগ্য বানাও (বারবার), সকল ভারীভাব, অলসতা ও কুঁড়েমি, ক্লান্তি ও দুর্বলতা থেকে, হে বিশ্বজগতের রব। আল্লাহর নামে, আমি তোমাকে রুকইয়া করছি আর আল্লাহই তোমাকে আরোগ্য দেবেন। হে আল্লাহ প্রতিটি দুর্গ কাঁপিয়ে দাও (৩ বার)। হে আল্লাহ সকল গিঁট পুড়িয়ে দাও (৩ বার)
১৪:৩০–১৫:১৬
الْأَعْظَمِ يَفُكُّ كُلَّ رَبْطٍ عَلَى الْأَعْصَابِ اللَّهُمَّ دَمِّرْ مَعَاقِلَ السَّحَرَةِ وَحُصُونَ الْحُسَّادِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَفُكُّ كُلَّ رَبْطٍ عَلَى الْأَعْصَابِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَفُكُّ كُلَّ رَبْطٍ عَلَى الْأَعْصَابِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَفُكُّ كُلَّ رَبْطٍ عَلَى الْأَعْصَابِ اللَّهُمَّ دَمِّرْ مَعَاقِلَ السَّحَرَةِ وَحُصُونَ الْحُسَّادِ فِي الْمَفَاصِلِ وَالْبَطْنِ وَالرَّأْسِ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْ بِسْمِ
সর্বমহান যিনি স্নায়ুর উপর প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন। হে আল্লাহ যাদুকরদের ঘাঁটি ও হিংসুকদের দুর্গ ধ্বংস করে দাও (এই দোয়া বারবার বলা হয়েছে)। হে আল্লাহ যাদুকরদের ঘাঁটি ও হিংসুকদের দুর্গ জয়েন্ট, পেট ও মাথায় ধ্বংস করে দাও। অভিশপ্ত শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ফুৎকার থেকে, আল্লাহর নামে
১৫:২৭–১৫:৫৯
يَفْقَهُ قَوْلِي بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تُحَلُّ الْعُقَدُ
যেন সে আমার কথা বুঝতে পারে। আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান — গিঁট খুলে যায়
১৬:১৭–১৬:২৩
بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الرَّأْسِ وَالنُّطْقِ وَالْفَهْمِ اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ وَالنُّطْقِ وَالْفَهْمِ اللَّهُمَّ احْلُلْ
আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়। হে আল্লাহ মাথায়, কথা বলায় ও বোধশক্তিতে প্রতিটি গিঁট খুলে দাও (বারবার বলা হয়েছে) — মাথায়, কথা বলায় ও বোধশক্তিতে প্রতিটি গিঁট খুলে দাও
১৬:৩১–১৬:৫৩
أَمْتَى بِسْمِ اللَّهِ تُنْسَفُ عُقَدُ الْمَفَاصِلِ الْعَظِيمَةِ نَسْفًا نَسْفًا اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقَدَ الْمَفَاصِلِ الْعَظِيمَةِ نَسْفًا نَسْفًا نَسْفًا نَسْفًا نَسْفًا اللَّهُمَّ انْسِفِ الْعُقَدَ يَا رَبِّ
কখন? আল্লাহর নামে জয়েন্টের বড় গিঁটগুলো সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। হে আল্লাহ গিঁটগুলো চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও (বারবার) — জয়েন্টের বড় গিঁটগুলো সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও, হে রব
১৭:৫৭–১৮:১৯
يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ الْحَاسِدَةِ فِي الْعُرُوقِ تَفْجِيرًا اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ الْحَاسِدَةِ فِي الْعُرُوقِ شُرُوقِي تَفْجِيرًا اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ عُقَدَ الْعُيُونِ عُقَدَ الْعُيُونِ عُقَدَ الْعُيُونِ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تُفَجَّرُ عُقَدُ الْعُيُونِ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ عُقَدُ الْعُيُونِ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ عُقَدُ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ الْحَاسِدَةِ فِي الْعُرُوقِ فِي الْعُرُوقِ فِي الْعُرُوقِ فِي الْعُرُوقِ فِي الْعُرُوقِ تَفْجِيرًا
তারা তা প্রবাহিত করবে অজস্র ধারায়। হে আল্লাহ শিরায় থাকা হিংসুক চোখের গিঁটগুলো অজস্র ধারায় প্রবাহিত করে দাও (এই দোয়া বারবার বলা হয়েছে) — আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান, চোখের গিঁটগুলো প্রবাহিত হয়ে যাক, শিরায়-শিরায় অজস্র ধারায় প্রবাহিত করে দাও
১৮:৪৬–১৯:২৫
تَفْجِيرًا تَفْجِيرًا تَفْجِيرًا اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ الْحَاسِدَةِ فِي الْعُرُوقِ تَفْجِيرًا اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ عُقَدَ الْعُيُونِ الْحَاسِدَةِ فِي الْعُرُوقِ تَفْجِيرًا تَفْجِيرًا فَجِّرْ عُقَدَ الْعُيُونِ
অজস্র ধারায় (৩ বার)। হে আল্লাহ শিরায় থাকা হিংসুক চোখের গিঁটগুলো অজস্র ধারায় প্রবাহিত করে দাও (বারবার বলা হয়েছে) — চোখের গিঁটগুলো প্রবাহিত করে দাও
১৯:২৫–১৯:৫৬
اللَّهُمَّ فَجِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ كَالْحِجَارَةِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ كَالْحِجَارَةِ كَالْحِجَارَةِ كَالْحِجَارَةِ كَالْحِجَارَةِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ اللَّهُمَّ فَجِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ كَالْحِجَارَةِ كَالْحِجَارَةِ كَالْحِجَارَةِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ كُلُّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ بِسْمِ لِ تُفَجَّرُ كُلُّ عُقْدَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ صَلْبَةٍ كَالْحِجَارَةِ فِي الظَّهْرِ
হে আল্লাহ পিঠ ও কাঁধে পাথরের মতো শক্ত প্রতিটি গিঁট বিস্ফোরিত করে (উন্মুক্ত করে) দাও (বারবার বলা হয়েছে)। আল্লাহর নামে পাথরের মতো শক্ত প্রতিটি গিঁট পিঠে বিস্ফোরিত হয়ে যাক
২০:১৭–২০:৫৬
وَالْأَكْتَافِ فِي الظَّهْرِ وَالْأَكْتَافِ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ تَفْجِيرًا أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ
…এবং কাঁধে, পিঠ ও কাঁধে। আল্লাহর নামে গিঁটগুলো সম্পূর্ণ বিস্ফোরিত হয়ে যাক। আমি সর্বশ্রোতা…
২০:৫৬–২১:০৫
تُنْسَفُ عُقَدُ السِّحْرِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ بِأَمْرِ اللَّهِ تُنْسَفُ الْعُقَدُ بِإِذْنِ اللَّهِ تُنْسَفُ كُلُّ عُقْدَةٍ لِلسِّحْرِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ الْعُقَدُ تُنْسَفُ عُقَدُ السِّحْرِ تُنْسَفُ عُقَدُ السِّحْرِ نَسْفًا نَسْفًا نَسْفًا عُقَدَ السِّحْرِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ فِي
জাদুর গিঁট উড়িয়ে দেয়, যা খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে পেটে, পেটে, পেটে, পেটে, পেটে, আল্লাহর নামে ও আল্লাহ মহান, আল্লাহর নামে ও আল্লাহ মহান, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয় আল্লাহর নির্দেশে, গিঁট উড়িয়ে দেয় আল্লাহর অনুমতিতে, জাদুর প্রতিটি গিঁট উড়িয়ে দেয় যা খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে পেটে, পেটে, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, গিঁট উড়িয়ে দেয়, গিঁট উড়িয়ে দেয়, জাদুর গিঁট উড়িয়ে দেয়, জাদুর গিঁট উড়িয়ে দেয়, উড়িয়ে দেওয়া, উড়িয়ে দেওয়া, উড়িয়ে দেওয়া, জাদুর গিঁট যা খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে, খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে, খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে, খাওয়ানো ও পান করানো হয়েছে, পেটে, পেটে, পেটে
২১:১৮–২২:০৭
الْبَطْنِ فِي الْبَطْنِ تُنْسَفُ نَسْفًا بِأَمْرِ اللَّهِ تُنْسَفُ نَسْفًا بِإِذْنِ اللَّهِ تُنْسَفُ نَسْفًا بِأَمْرِ اللَّهِ
পেটে, পেটে, উড়িয়ে দেয় সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর নির্দেশে, উড়িয়ে দেয় সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর অনুমতিতে, উড়িয়ে দেয় সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর নির্দেশে
২২:০৭–২২:১৯
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত (শয়তান)
২২:২৩–২২:২৫
اللَّهُمَّ اجْعَلْ عُقَدَ الْعَيْنِ وَالْحَسَدِ هَبَاءً هَبَاءً كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ
হে আল্লাহ, নজর ও হিংসার গিঁটকে ধূলিকণা বানিয়ে দাও, ধূলিকণা, ছড়িয়ে যাওয়া রঙিন পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া রঙিন পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের
২২:৪১–২২:৫৬
انْشَقَّتْ
বিদীর্ণ হবে
২৩:১১–২৩:১২
إِذَا السَّمَاءُ مَا انْشَقَّتِ اللَّهُمَّ شُقَّ وَدَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ دَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ دَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ دَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ دَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ دَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ عُقِدَتْ عَلَى الشَّرَايِينِ عُقِدَتْ عَلَى الْجَسَدِ وَدِمَائِهِ عُقِدَتْ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْأَعْصَابِ فِي الْأَعْصَابِ فِي الْأَعْصَابِ فِي الْأَعْصَابِ كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عُقْدَةٍ فِي الْجَسَدِ كُلُّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ عُقِدَتْ عُقِدَتْ عُقِدَتْ بِسْمِ اللَّهِ تَشَقَّقُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تَشَقَّقُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُدَمَّرُ الْعُقَدُ
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, হে আল্লাহ বিদীর্ণ কর ও ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট যা বাঁধা হয়েছে, বাঁধা হয়েছে ধমনীতে, বাঁধা হয়েছে শরীরে ও তার রক্তে, বাঁধা হয়েছে শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে, স্নায়ুতে, স্নায়ুতে, স্নায়ুতে, স্নায়ুতে, প্রতিটি গিঁট, প্রতিটি গিঁট শরীরে, প্রতিটি গিঁট বাঁধা হয়েছে, বাঁধা হয়েছে, বাঁধা হয়েছে, বাঁধা হয়েছে, আল্লাহর নামে গিঁট বিদীর্ণ হয়, আল্লাহর নামে গিঁট বিদীর্ণ হয়, আল্লাহর নামে গিঁট ধ্বংস হয়
২৩:১৭–২৪:০৭
اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اجْتَثَّ جُذُورَ الْعُقَدِ جُذُورَ الْعُقَدِ جُذُورَ الْعُقَدِ تُجْتَثُّ بِسْمِ اللَّهِ جُذُورُ الْعُقَدِ الْخَبِيثَةِ مِنَ الْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ
হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, উপড়ে ফেল গিঁটের শিকড়সমূহ, গিঁটের শিকড়সমূহ, গিঁটের শিকড়সমূহ উপড়ে ফেলা হয় আল্লাহর নামে, নোংরা গিঁটের শিকড়সমূহ পাকস্থলী ও অন্ত্র থেকে, আল্লাহর নামে, নামে
২৪:৩২–২৪:৪৭
السِّحْرِ وَالْأَسْقَامِ الْمُتَرَاكِمَةِ دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ وَالْأَسْقَامِ اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ وَالْأَسْقَامِ اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ وَالْأَسْقَامِ اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ عُقَدَ السِّحْرِ عُقَدَ السِّحْرِ عُقَدَ السِّحْرِ عُقَدَ السِّحْرِ عُقَدَ السِّحْرِ اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ السِّحْرِ وَالْأَسْقَامِ الْمُتَرَاكِمَةِ دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا دَكًّا بِسْمِ اللَّهِ
জাদু ও জমাকৃত রোগসমূহের, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদুর গিঁট, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদু ও রোগের গিঁট, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদু ও রোগের গিঁট, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদু ও রোগের গিঁট, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদুর গিঁট, জাদুর গিঁট, জাদুর গিঁট, জাদুর গিঁট, জাদুর গিঁট, জাদুর গিঁট, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর জাদু ও জমাকৃত রোগসমূহের গিঁট, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, চূর্ণ-বিচূর্ণ, আল্লাহর নামে
২৫:১৩–২৫:৪৭
كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا كَانَتَا رَتْقًا كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا اللَّهُمَّ افْتُقْ وَفُكَّ وَفُكَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الصَّدْرِ وَالْبَطْنِ فِي الصَّدْرِ وَالْبَطْنِ فِي الصَّدْرِ وَالْبَطْنِ فِي الصَّدْرِ وَالْبَطْنِ بِسْمِ اللَّهِ
উভয়ে মিলিত ছিল, অতঃপর আমি সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন করলাম, মিলিত ছিল, মিলিত ছিল, অতঃপর বিচ্ছিন্ন করলাম, হে আল্লাহ বিচ্ছিন্ন কর ও খুলে দাও, খুলে দাও প্রতিটি গিঁট বুকে ও পেটে, বুকে ও পেটে, বুকে ও পেটে, বুকে ও পেটে, আল্লাহর নামে
২৫:৫৯–২৬:১৯
اللَّهُمَّ بَعْثِرْ وَاسْتَخْرِجْ كُلَّ عُقْدَةٍ خَفِيَّةٍ، كُلَّ عُقْدَةٍ خَفِيَّةٍ، كُلَّ عُقْدَةٍ خَفِيَّةٍ، كُلَّ عُقْدَةٍ خَفِيَّةٍ فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُقْمٍ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ الْجَسَدِ، فِي عُمْقِ
হে আল্লাহ ছড়িয়ে দাও ও বের করে আন প্রতিটি লুকানো গিঁট, প্রতিটি লুকানো গিঁট, প্রতিটি লুকানো গিঁট, প্রতিটি লুকানো গিঁট শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে, শরীরের গভীরে
২৬:৩২–২৬:৫৩
الْعُقَدِ اللَّهُمَّ احْلُلْ وَاصْعَقْ كُلَّ عُقْدَةٍ نَفَثَتْ فِيهَا الشَّيَاطِينُ اللَّهُمَّ حُلَّ وَاصْعَقْ وَاصْعَقْ وَاصْعَقْ وَاصْعَقْ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ نَفَثَتْ فِيهَا الشَّيَاطِينُ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ نَفَثَتْ فِيهَا الشَّيَاطِينُ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ نَفَثَتْ فِيهَا الشَّيَاطِينُ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ نَفَثَتْ فِيهَا الشَّيَاطِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ عُقْدَةٍ تَسَبَّبَتْ فِي الْآلَامِ فِي الْآلَامِ فِي الْآلَامِ فِي الْآلَامِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ عُقْدَةٍ تَسَبَّبَتْ فِي الْأَلَمِ فِي الْأَلَمِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ عُقْدَةٍ تَسَبَّبَتْ فِي الْمَفَاصِلِ وَالْعِظَامِ
গিঁটে, হে আল্লাহ খুলে দাও ও ভস্মীভূত কর প্রতিটি গিঁট যাতে শয়তানরা ফুঁ দিয়েছে, হে আল্লাহ খুলে দাও ও ভস্মীভূত কর, ভস্মীভূত কর, ভস্মীভূত কর, ভস্মীভূত কর প্রতিটি গিঁট, প্রতিটি গিঁট যাতে শয়তানরা ফুঁ দিয়েছে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট যাতে শয়তানরা ফুঁ দিয়েছে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট যাতে শয়তানরা ফুঁ দিয়েছে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট যাতে শয়তানরা ফুঁ দিয়েছে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট শরীরে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট শরীরে, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট শরীরে, হে আল্লাহ পুড়িয়ে ফেল প্রতিটি গিঁট যা ব্যথার কারণ হয়েছে, ব্যথার কারণ হয়েছে, ব্যথার কারণ হয়েছে, ব্যথার কারণ হয়েছে, হে আল্লাহ পুড়িয়ে ফেল প্রতিটি গিঁট যা ব্যথার কারণ হয়েছে, ব্যথার কারণ হয়েছে, হে আল্লাহ পুড়িয়ে ফেল প্রতিটি গিঁট যা জয়েন্ট ও হাড়ে ব্যথার কারণ হয়েছে
২৭:১৫–২৮:০৮
اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عَلَى الْأَعْصَابِ، عَلَى الْأَعْصَابِ، عَلَى الْأَعْصَابِ، عَلَى الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ، اللَّهُمَّ أَزِلْ ضَغْطَ الرَّأْسِ وَثِقَلَ الصُّدَاعِ وَالْخُمُولَ وَالْكَسَلَ وشتاه الذِّهْنِ وَالْفِكْرِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ كُلَّهَا، اللَّهُمَّ فَكِّكْ عُقَدَ الْبَطْنِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ وَاطْرُدْ كُلَّ انْتِفَاخٍ، وَاطْرُدْ كُلَّ انْتِفَاخٍ وَعُقْدَةٍ عَقَدَهَا الشَّيَاطِينُ فِي الْأَمْعَاءِ وَالْقَالُونِ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ
হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট স্নায়ুর উপর, স্নায়ুর উপর, স্নায়ুর উপর, স্নায়ুর উপর, হে আল্লাহ খুলে দাও প্রতিটি গিঁট, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়, হে আল্লাহ দূর কর মাথার চাপ, মাথাব্যথার ভার, অলসতা ও অবসাদ এবং মন ও চিন্তার বিভ্রান্তি, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের সব গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও পেটের গিঁট এবং তাড়িয়ে দাও সকল ফোলাভাব, তাড়িয়ে দাও সকল ফোলাভাব ও গিঁট যা শয়তানরা বেঁধেছে অন্ত্র ও কোলনে, হে বিশ্বজগতের রব, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ
২৮:০৮–২৮:৫৪
اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ عَنْ هَذَا الْبَدَنِ قَطْعًا كَامِلًا، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ، اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَدَدَ الشَّيْطَانِ عَنْ هَذَا الْبَدَنِ قَطْعًا كَامِلًا، اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لَهُ فِيهِ مَقَرًّا وَلَا مُسْتَقَرًّا، اللَّهُمَّ نَظِّفِ الدَّمَ وَطَهِّرِ الْعُرُوقَ وقوي الْأَعْصَابَ، اللَّهُمَّ أَعِدْ لِهَذَا الْجَسَدِ نَشَاطَهُ، اللَّهُمَّ أَعِدْ لَهُ حَيَوِيَّتَهُ، اللَّهُمَّ أَعِدْ لَهُ صِحَّتَهُ، اللَّهُمَّ اكْتُبْ لِمَنْ طَالَتْ فَتْرَةُ عِلَاجِهِ فَرَجًا عَاجِلًا
কেটে দাও শয়তানের সাহায্য এই দেহ থেকে সম্পূর্ণভাবে, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য, হে আল্লাহ কেটে দাও শয়তানের সাহায্য এই দেহ থেকে সম্পূর্ণভাবে, হে আল্লাহ তার জন্য এতে কোনো অবস্থান বা স্থিতি রেখো না, হে আল্লাহ রক্ত পরিষ্কার কর, শিরাসমূহ পবিত্র কর এবং স্নায়ুসমূহ শক্তিশালী কর, হে আল্লাহ এই দেহকে তার সজীবতা ফিরিয়ে দাও, হে আল্লাহ তাকে তার প্রাণশক্তি ফিরিয়ে দাও, হে আল্লাহ তাকে তার সুস্থতা ফিরিয়ে দাও, হে আল্লাহ যার চিকিৎসার সময় দীর্ঘায়িত হয়েছে তার জন্য ত্বরিত মুক্তি লিখে দাও
২৮:৫৪–২৯:৩৬
قَرِيبًا وَشِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَلَا أَلَمًا وَلَا عِلَّةً اللَّهُمَّ احْفَظْهُ بِحِفْظِكَ الَّذِي لَا يُرَامُ اللَّهُمَّ وَاكْلَأْهُ بِعَيْنِكَ الَّتِي لَا تَنَامُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً وَخَلَاصًا وَنَجَاةً لِكُلِّ مَنْ يَسْتَمِعُ إِلَيْهَا نَعُوذُ بِكَلِمَاتِكَ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا
নিকটবর্তী, এবং এমন আরোগ্য যা কোনো রোগ, ব্যথা বা অসুস্থতা অবশিষ্ট রাখবে না, হে আল্লাহ তাকে সংরক্ষণ কর তোমার অলঙ্ঘনীয় হেফাজতে, হে আল্লাহ তাকে দেখাশোনা কর তোমার নিদ্রাহীন দৃষ্টি দিয়ে, হে আল্লাহ এই রুকইয়াহকে আরোগ্য, মুক্তি ও নাজাত বানাও যে কেউ এটি শোনে তার জন্য, আমরা আশ্রয় চাই তোমার পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের যা
২৯:৩৬–৩০:০৪
وَظَنَّ ظَنُّوا
এবং তারা ধারণা করেছিল, তারা মনে করেছিল
৩১:১০–৩১:১১
وَأَيْدِي الْمُؤْمِنِينَ، رِيحٌ فِيهَا عَذَابٌ أَلِيمٌ، تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا
এবং মুমিনদের হাতে (এসেছিল) এমন বাতাস যাতে ছিল যন্ত্রণাদায়ক আযাব, যা ধ্বংস করে দেয় সবকিছু তার রবের নির্দেশে
৩১:৪০–৩১:৫৪
كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ
সবকিছু তার রবের নির্দেশে, ধ্বংস করে সবকিছু তার রবের নির্দেশে, ধ্বংস করে সবকিছু নির্দেশে
৩২:০১–৩২:১৭
الْعُقَدَ اللَّهُمَّ دَمِّرْ عُقَدَ الْأَعْصَابِ وَالْعُرُوقِ وَالْأَوْرِدَةِ وَالشَّرَايِينِ اللَّهُمَّ دَمِّرِ الْعُقَدَ عُقْدَةً عُقْدَةً اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ عُقْدَةٍ عَطَّلَتْ عَطَّلَتْ وَأَخَّرَتْ اللَّهُمَّ انْسِفْ وَدَمِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ أَخَّرَتْ اللَّهُمَّ دَمِّرْ عُقَدَ الشَّيَاطِينِ فِي هَذَا الْجَسَدِ كُلَّ عُقْدَةٍ عَقَدُوهَا كُلَّ عُقْدَةٍ سَبَّبَتِ الْعَوَقَةَ سَبَّبَتْ حَبْسًا وَرَبْطًا لِلْجَسَدِ سَبَّبَتْ أَلَمًا وَأَوْجَاعًا وَتَوَرُّمَ الْأَعْصَابِ
গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর স্নায়ু, শিরা, রক্তনালী ও ধমনীর গিঁট, হে আল্লাহ ধ্বংস কর গিঁট, গিঁটে গিঁটে, হে আল্লাহ উড়িয়ে দাও প্রতিটি গিঁট যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে ও বিলম্ব ঘটিয়েছে, হে আল্লাহ উড়িয়ে দাও ও ধ্বংস কর প্রতিটি গিঁট যা বিলম্ব ঘটিয়েছে, হে আল্লাহ ধ্বংস কর এই দেহে শয়তানদের গিঁট, প্রতিটি গিঁট যা তারা বেঁধেছে, প্রতিটি গিঁট যা বাধা সৃষ্টি করেছে, বন্দিত্ব ও দেহ বন্ধনের কারণ হয়েছে, ব্যথা-যন্ত্রণা ও স্নায়ুর ফোলাভাব সৃষ্টি করেছে
৩২:২৪–৩৩:০২
رِيحٌ فِيهَا عَذَابٌ أَلِيمٌ تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا
এমন বাতাস যাতে আছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব, যা ধ্বংস করে দেয় সবকিছু তার রবের নির্দেশে
৩৩:১২–৩৩:২০
اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا فَانْفَجَرَتْ مِنْهُ، اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا
বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর প্রবাহিত হলো, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হলো বারোটি ঝর্ণা, বারোটি ঝর্ণা
৩৫:২৬–৩৬:০১
يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
আমার রব উড়িয়ে দেবেন চূর্ণ করে, আমার রব উড়িয়ে দেবেন চূর্ণ করে
৩৬:৪৩–৩৬:৪৯
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ تُحَلُّ كُلُّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الرَّأْسِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الرَّأْسِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الرَّأْسِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الرَّأْسِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الرَّأْسِ وَفُكَّ عُقَدَ الظَّهْرِ وَفُكَّ عُقَدَ الْبَطْنِ وَفُكَّ عُقَدَ الْمَفَاصِلِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ كُلَّ عُقْدَةٍ قَوِيَّةٍ رُبِطَتْ حُصِّنَتْ تَرَاكَمَتْ بِالْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ يَبْطُلُ كُلُّ أَثَرٍ بِسْمِ اللَّهِ تَخْرُجُ كُلُّ عَيْنٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ
মহান, সর্বমহান আল্লাহর নামে প্রতিটি গিঁট খুলে যায়, মহান, সর্বমহান আল্লাহর নামে প্রতিটি গিঁট খুলে যায়, মহান, সর্বমহান আল্লাহর নামে প্রতিটি গিঁট খুলে যায়, প্রতিটি গিঁট, প্রতিটি গিঁট খুলে যায়, প্রতিটি গিঁট খুলে যায়, খুলে যায় প্রতিটি গিঁট, খুলে যায় প্রতিটি গিঁট, খুলে যায় প্রতিটি গিঁট, খুলে যায় প্রতিটি গিঁট, খুলে যায় প্রতিটি গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও মাথার গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও মাথার গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও মাথার গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও মাথার গিঁট, হে আল্লাহ খুলে দাও মাথার গিঁট এবং খুলে দাও পিঠের গিঁট এবং খুলে দাও পেটের গিঁট এবং খুলে দাও জয়েন্টের গিঁট, হে আল্লাহ ফাটিয়ে দাও প্রতিটি শক্তিশালী গিঁট যা বাঁধা হয়েছে, সুরক্ষিত করা হয়েছে, শরীরে জমা হয়েছে, আল্লাহর নামে সকল প্রভাব বাতিল হয়ে যায়, আল্লাহর নামে প্রতিটি নজর ও হিংসা বের হয়ে যায়, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে
৩৭:৩৩–৩৮:২০
تُفَجَّرُ الْعُقَدُ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ قَدْ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ
গিঁট ফেটে যায়, গিঁট ফেটে যায়, গিঁট ফেটে যায়, গিঁট ফেটে যায়, গিঁট ফেটে গেছে, আল্লাহর নামে গিঁট ফেটে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট ফেটে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট ফেটে যায়
৩৮:২২–৩৮:৩৬
تفجر الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ، تفجر الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ، تفجر الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ، تفجر الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ، تفجر الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ، تفجر الْعُقَدُ، اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ وَأَبْطِلْ كَيْدَ الشَّيْطَانِ وَأَخْرِجْ سُمُومَ اللَّهِ، اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ، حُلَّ عُقَدَ الْأَبْدَانِ وَأَبْطِلْ كَيْدَ الشَّيْطَانِ وَأَخْرِجْ سُمُومَ الْعَيْنِ وَالْجَانِّ، بِسْمِ اللَّهِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ وَالنَّاصِيَةِ وَتَزُولُ عَنِ النُّفُوسِ كُلُّ غَاشِيَةٍ، تَبْطُلُ كُلُّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ قَاسِيَةٍ، تَبْطُلُ كُلُّ عَيْنٍ، تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ، تفجر
গিঁট ফেটে যায় আল্লাহর নামে, গিঁট ফেটে যায় আল্লাহর নামে, গিঁট ফেটে যায় আল্লাহর নামে, গিঁট ফেটে যায় আল্লাহর নামে, গিঁট ফেটে যায় আল্লাহর নামে, গিঁট ফেটে যায়, হে আল্লাহ দেহসমূহের গিঁট খুলে দাও এবং শয়তানের চক্রান্ত ব্যর্থ কর এবং বিষ বের কর, হে আল্লাহ দেহসমূহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও, দেহের গিঁট খুলে দাও এবং শয়তানের চক্রান্ত ব্যর্থ কর এবং চোখ ও জিনের বিষ বের কর, আল্লাহর নামে মাথা ও কপালের গিঁট ফেটে যায় এবং আত্মাসমূহ থেকে সকল আচ্ছাদন দূর হয়ে যায়, প্রতিটি হিংসুক নিষ্ঠুর নজর বাতিল হয়ে যায়, প্রতিটি নজর বাতিল হয়ে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, ফেটে যায়
৩৮:৪২–৩৯:৩০
عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ بِسْمِ اللَّهِ تفجر عُقَدُ الرَّأْسِ وَالنَّاصِيَةِ وَتَزُولُ عَنِ النُّفُوسِ وَتَبْطُلُ كُلُّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ قَاسِيَةٍ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ وَالْأَنْفَاسِ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، فُكَّ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ، فُكَّ عُقَدَ الصَّدْرِ وَالْأَنْفَاسِ وَاطْرُدْ عَنِ الرُّوحِ كُلَّ وَسْوَاسٍ، اللَّهُمَّ ابْرِئِ الْجَسَدَ مِنْ عِلَّةِ النَّاسِ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
মাথার গিঁট, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, মাথার গিঁট ফেটে যায়, আল্লাহর নামে মাথা ও কপালের গিঁট ফেটে যায় এবং আত্মাসমূহ থেকে দূর হয়ে যায় এবং প্রতিটি হিংসুক নিষ্ঠুর নজর বাতিল হয়ে যায়, হে আল্লাহ বুকের গিঁট খুলে দাও, হে আল্লাহ বুকের গিঁট খুলে দাও, হে আল্লাহ বুকের ও নিঃশ্বাসের গিঁট খুলে দাও, বুকের গিঁট খুলে দাও, বুকের গিঁট খুলে দাও, খুলে দাও, বুকের গিঁট খুলে দাও, বুকের গিঁট খুলে দাও, বুকের গিঁট খুলে দাও, বুকের ও নিঃশ্বাসের গিঁট খুলে দাও এবং আত্মা থেকে তাড়িয়ে দাও সকল কুমন্ত্রণা, হে আল্লাহ মানুষের অসুস্থতা থেকে এই দেহকে সুস্থ কর, হে বিশ্বজগতের রব
৩৯:৩০–৪০:০৮
أَكْبَرُ تَنْسِفُ عُقَدَ الظَّهْرِ تَنْسِفُ عُقَدَ الظَّهْرِ تَنْسِفُ عُقَدَ الظَّهْرِ تَنْسِفُ عُقَدَ الظَّهْرِ وَالمَفَاصِلِ تَنْسِفُ عُقَدَ المَفَاصِلِ تَنْسِفُ عُقَدَ المَفَاصِلِ تَنْسِفُ عُقَدَ المَفَاصِلِ تَنْسِفُ عُقَدَ المَفَاصِلِ صَلِّ وَتَتَسَاقَطُ حُصُونُ المَوَانِعِ وَالعَوَائِقِ وَيَخْرُجُ الضُّرُّ بَيْنَ المَفَاصِلِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ فُكَّ عُقَدَ البَطْنِ وَالأَمْعَاءِ وَأَخْرِجْ مِنْهَا كُلَّ دَاءٍ وَبَلَاءٍ وَأَبْدِلِ الضِّيقَ بِشِفَاءٍ وَرَخَاءٍ بِسْمِ اللَّهِ العَظِيمِ الأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ العَظِيمِ
আল্লাহু আকবার! (এই যিকির) পিঠের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, পিঠের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, পিঠের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, পিঠ ও জয়েন্টের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, জয়েন্টের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, জয়েন্টের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, জয়েন্টের গিঁট চূর্ণ করে দেয়, জয়েন্টের গিঁট চূর্ণ করে দেয়; বাধা ও প্রতিবন্ধকতার দুর্গসমূহ ভেঙে পড়ে যায় এবং জয়েন্টগুলোর মধ্যকার ক্ষতি বের হয়ে যায়। হে আল্লাহ, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, পেট ও অন্ত্রের গিঁট খুলে দিন, এবং তা থেকে সকল রোগ-ব্যাধি ও বিপদ বের করে দিন এবং কষ্টের বদলে সুস্থতা ও স্বাচ্ছন্দ্য দান করুন। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, মহান আল্লাহর নামে
৪০:১৩–৪০:৫৪
الْأَعْظَمُ يَهْدِمُ كُلَّ حَصٍّ حَسَنٍ مُطَلْسَمٍ، وَيَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ فِي الدَّمِ وَالْأَعْصَابِ، يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ، يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ، يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ، يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ، يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ، اللَّهُمَّ يَا فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى أَبْطِلْ عُقَدَ الشَّهْوَةِ وَالْهَوَى، وَاشْفِ الْجَسَدَ مِمَّا اكْتَوَى، وَأَعِدْ لَهُ الْعَافِيَةَ وَالْقُوَى، أَبْطِلِ الْعُقَدَ، أَبْطِلِ الْعُقَدَ، أَبْطِلِ الْعُقَدَ، قَدْ أَبْطِلِ الْعُقَدَ، أَبْطِلِ الْعُقَدَ، أَبْطِلِ الْعُقَدَ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ
সর্বমহান, তিনি প্রতিটি সুদৃঢ় মন্ত্রপূত দুর্গ ধ্বংস করে দেন এবং রক্ত ও স্নায়ুতে থাকা প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন, প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন, প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন, প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন, প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন। হে আল্লাহ, হে শস্যবীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী, কুপ্রবৃত্তি ও কামনার গিঁট বাতিল করে দিন এবং দগ্ধ দেহকে সুস্থ করুন এবং তাকে আফিয়াত ও শক্তি ফিরিয়ে দিন। গিঁট বাতিল করুন, গিঁট বাতিল করুন, গিঁট বাতিল করুন, নিশ্চয়ই গিঁট বাতিল হয়ে গেছে, গিঁট বাতিল করুন, গিঁট বাতিল করুন। আল্লাহর নামে গিঁট বাতিল হয়ে যায় (এভাবে বারবার)
৪০:৫৪–৪১:৪৭
الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، بِسْمِ اللَّهِ تَبْطُلُ الْعُقَدُ، اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَ الدَّمِ وَالْعُرُوقِ، حُلَّ عُقَدَ الْعُرُوقِ، حُلَّ عُقَدَ الْعُرُوقِ، حُلَّ عُقَدَ الْعُرُوقِ، اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَ الدَّمِ وَالْعُرُوقِ وَأَخْرِجْ مِنْهَا كُلَّ أَثَرٍ، وَأَخْرِجْ مِنْهَا كُلَّ أَثَرٍ، وَأَعِدْ لِلْجَسَدِ كُلَّ بهاء اللَّهُ أَكْبَرُ، بِسْمِ اللَّهِ تَسْكُنُ حَرَكَةُ النَّبْضِ الْمُضْطَرِبِ وَتَزُولُ عُقَدُ الْمُسَيِّبِ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْجَسَدِ وَيَبْطُلُ كُلُّ سِحْرٍ فِي الْجَسَدِ وَيَبْطُلُ كُلُّ سِحْرٍ، تَزُولُ الْعُقَدُ، تَزُولُ الْعُقَدُ، تَزُولُ الْعُقَدُ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْأَعْصَابِ الْمَشْدُودَةِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْأَعْصَابِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْأَعْصَابِ
গিঁট, আল্লাহর নামে গিঁট বাতিল হয়ে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট বাতিল হয়ে যায়। হে আল্লাহ, রক্ত ও শিরার গিঁট খুলে দিন, শিরার গিঁট খুলে দিন, শিরার গিঁট খুলে দিন, শিরার গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ, রক্ত ও শিরার গিঁট খুলে দিন এবং তা থেকে সকল চিহ্ন বের করে দিন, তা থেকে সকল চিহ্ন বের করে দিন এবং দেহকে সম্পূর্ণ সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিন। আল্লাহু আকবার। আল্লাহর নামে অস্থির নাড়ির গতি শান্ত হয় এবং দেহে থাকা সকল যাদুর গিঁট দূর হয়ে যায় এবং দেহের সকল যাদু বাতিল হয়ে যায়, সকল যাদু বাতিল হয়ে যায়, গিঁট দূর হয়ে যায়, গিঁট দূর হয়ে যায়, গিঁট দূর হয়ে যায়। হে আল্লাহ, শক্ত হয়ে থাকা স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন
৪১:৪৭–৪২:২৯
المَشْدُودَةِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ المَشْدُودَةِ وَالآلَامِ المُتَنَقِّلَةِ المَمْدُودَةِ اللَّهُمَّ احْصُدْ جُذُورَ العَيْنِ المَحْسُودَةِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ تَفُكُّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ فُكَّ عُقَدَ الأَعْصَابِ بِسْمِ اللَّهِ تُفَجِّرُ عُقَدَ الوَخْزِ وَالتَّنْمِيلِ يُبْطِلُ كُلَّ ثِقَلٍ وَتَعْطِيلٍ أَعُوذُ بِاللَّهِ
শক্ত হয়ে থাকা (স্নায়ু), হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, স্নায়ুর গিঁট খুলে দিন, হে আল্লাহ, শক্ত হয়ে থাকা স্নায়ুর গিঁট এবং ছড়িয়ে থাকা স্থানান্তরিত ব্যথাসমূহ খুলে দিন। হে আল্লাহ, হিংসাপূর্ণ নজরের শিকড় কেটে ফেলুন। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, স্নায়ুর গিঁট খুলে যায় (বারবার)। আল্লাহর নামে ঝিনঝিন ও অসাড়তার গিঁট বিস্ফোরিত হয়ে যায়, সকল ভারিভাব ও অচলতা বাতিল হয়ে যায়। আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি
৪২:২৯–৪৩:০৪
اللَّهُمَّ أَنْتَ الشَّافِي، اللَّهُمَّ لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا، اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ، اللَّهُمَّ اشفي الْجَسَدَ، اللَّهُمَّ أَعِدْ إِلَى الْجَسَدِ رُوحَهُ وَقُوَّتَهُ، اللَّهُمَّ أَعِدْ لِلْجَسَدِ قُوَّتَهُ، يَا رَبَّنَا
হে আল্লাহ, আপনিই আরোগ্যদাতা, হে আল্লাহ, আপনার আরোগ্য ব্যতীত কোনো আরোগ্য নেই, এমন আরোগ্য যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না। হে আল্লাহ, দেহকে আরোগ্য দিন, হে আল্লাহ, দেহকে আরোগ্য দিন, হে আল্লাহ, দেহে তার প্রাণশক্তি ও শক্তি ফিরিয়ে দিন, হে আল্লাহ, দেহকে তার শক্তি ফিরিয়ে দিন, হে আমাদের রব
৪৬:৪৬–৪৭:০৬
اللَّهُمَّ اجْعَلْ حَيَاتَهُ هُدًى وَجَسَدَهُ فِي شِفَاءٍ دَائِمٍ مِنَ العَيْنِ الحَاسِدَةِ مِنَ العَيْنِ الحَاسِدَةِ مِنَ العَيْنِ الحَاسِدَةِ
হে আল্লাহ, তার জীবনকে হেদায়াতময় করে দিন এবং তার দেহকে হিংসুক নজর থেকে স্থায়ী আরোগ্যে রাখুন, হিংসুক নজর থেকে, হিংসুক নজর থেকে
৪৭:১৮–৪৭:৩১
عَلَى أَمْرٍ قَدْ دَرَّ، اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ دَخَلَتْ إِلَى الْجَسَدِ فَأَوْرَثَتْهُ الْكَسَلَ وَالْخُمُولَ وَالْوَانَ، اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ، اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ، اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ أَوْرَثَتِ الْكَسَلَ وَالْخُمُولَ وَالْوَهَنَ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
এক নির্ধারিত বিষয়ে। হে আল্লাহ, দেহে প্রবেশ করা প্রতিটি হিংসুক নজর বের করে দিন যা তাকে অলসতা ও নিস্তেজতা এবং নানা রূপ দান করেছে। হে আল্লাহ, প্রতিটি হিংসুক নজর বের করে দিন, হে আল্লাহ, প্রতিটি হিংসুক নজর বের করে দিন, হে আল্লাহ, প্রতিটি হিংসুক নজর বের করে দিন যা অলসতা, নিস্তেজতা ও দুর্বলতা দান করেছে, হে বিশ্বজগতের রব
৪৭:৩৯–৪৮:০২
لَحْمًا، اللَّهُمَّ قوي الْأَعْصَابَ وَالْعِظَامَ وَالْمَفَاصِلَ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا، اللَّهُمَّ امْنَحْهُ قُوَّةً فِي الْبَدَنِ وَالْعَقْلِ، اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ خُمُولٍ، اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ خُمُولٍ فِي الصَّبَاحِ وَالْمَسَاءِ، اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ خُمُولٍ عَلَى
গোশত। হে আল্লাহ, স্নায়ু, হাড় ও জয়েন্টগুলোকে শক্তিশালী করুন, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, তাকে দেহে ও মনে শক্তি দান করুন। হে আল্লাহ, সকল নিস্তেজতা চূর্ণ করে দিন, হে আল্লাহ, সকাল-সন্ধ্যা সকল নিস্তেজতা চূর্ণ করে দিন, হে আল্লাহ, সকল নিস্তেজতা চূর্ণ করে দিন
৪৮:০৬–৪৮:২৭
حَسَدَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ عَاقِدٍ إِذَا عَقَدَ
হিংসা থেকে। হে আল্লাহ, আমরা আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি গিঁট বাঁধনকারীর অনিষ্ট থেকে যখন সে গিঁট বাঁধে
৪৮:৪৪–৪৮:৪৮
حَسَدَ النَّشَا الَنِ النَّشَاطَ كُلَّ مَنْ حَسَدَ الْقُوَّةَ
প্রাণশক্তি ও কর্মক্ষমতাকে হিংসা করে, প্রত্যেক যে শক্তিকে হিংসা করে
৪৮:৫৫–৪৮:৫৯
اللَّهُمَّ اعْصِمْهُ مِنْ وَسَاوِسِ الشَّيْطَانِ الَّذِي ثَبَّطَتْهُ عَنِ الْعِبَادَةِ وَالْعَمَلِ، اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ حَتَّى تَرْضَى
হে আল্লাহ, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে তাকে রক্ষা করুন যা তাকে ইবাদত ও কাজ থেকে নিরুৎসাহিত করেছে। হে আল্লাহ, আপনার প্রশংসা যতক্ষণ না আপনি সন্তুষ্ট হন
৪৯:১৮–৪৯:২৭
رَضِيتَ، وَلَكَ الْحَمْدُ بَعْدَ الرِّضَا، اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ، اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَالْهَرَمِ وَعَذَابِ القبرم اللَّهُمَّ آتِ نُفُوسَنَا تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا
আপনি সন্তুষ্ট হন এবং সন্তুষ্টির পরও আপনার প্রশংসা। হে আল্লাহ, আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ, আমরা আপনার নিকট আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, হে আল্লাহ, আমরা আপনার নিকট আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, হে আল্লাহ, আমরা আপনার নিকট আশ্রয় চাই অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, বার্ধক্য ও কবরের শাস্তি থেকে। হে আল্লাহ, আমাদের নফসকে তাকওয়া দান করুন এবং একে পবিত্র করুন, আপনিই এর সর্বোত্তম পবিত্রকারী, এবং একে পবিত্র করুন, আপনিই এর সর্বোত্তম পবিত্রকারী, আপনিই এর অভিভাবক ও কার্যনির্বাহী
৪৯:৩২–৫০:২১
السَّمَاءِ، أَخْرِجْ مِنَ الْجَسَدِ كُلَّ عَيْنٍ لَامِسَةٍ، كُلَّ عَيْنٍ لَامَّةٍ، كُلَّ عَيْنٍ نَاظِرَةٍ، كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ تَأَثَّرَ ثَّرَ بِهَا النَّشَاطُ، تَغَيَّرَتْ بِهَا الصِّحَّةُ، اللَّهُمَّ اقْلَعْ جُذُورَ الْكَسَلِ مِنَ الْبَدَنِ، اللَّهُمَّ أَنْزِلْ شِفَاءً فِي مَوَاضِعِ الْأَلَمِ وَالثِّقَلِ، اللَّهُمَّ أَنْزِلْ شِفَاءً فِي مَوَاضِعِ الْأَلَمِ وَالثِّقَلِ، اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ فِي الْأَكْتَافِ، فِي الْأَكْتَافِ، فِي الْأَكْتَافِ، فِي الْأَكْتَافِ، فِي الْأَكْتَافِ وَفِي الرَّقَبَةِ، وَفِي الرَّقَبَةِ وَالسَّاقَيْنِ وَالْمَفَاصِلِ كُلِّهَا، اللَّهُمَّ حُلَّهَا عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً عُقْدَةً بِقُدْرَتِكَ يَا قَوِيُّ يَا عَزِيزُ، اللَّهُمَّ يَا مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ نَقِّ الْجَسَدَ مِنَ الْوَهْنِ وَالتَّعَبِ
আকাশে। দেহ থেকে বের করে দিন প্রতিটি স্পর্শকারী নজর, প্রতিটি ক্ষতিকর নজর, প্রতিটি তাকিয়ে থাকা নজর, প্রতিটি হিংসুক নজর যার প্রভাবে কর্মচাঞ্চল্য প্রভাবিত হয়েছে এবং যার কারণে স্বাস্থ্য পরিবর্তিত হয়েছে। হে আল্লাহ, দেহ থেকে অলসতার শিকড় উপড়ে ফেলুন। হে আল্লাহ, ব্যথা ও ভারিভাবের স্থানসমূহে আরোগ্য নাজিল করুন, হে আল্লাহ, ব্যথা ও ভারিভাবের স্থানসমূহে আরোগ্য নাজিল করুন। হে আল্লাহ, কাঁধে বাঁধা প্রতিটি গিঁট খুলে দিন, কাঁধে, কাঁধে, কাঁধে, কাঁধে, এবং ঘাড়ে, ঘাড়ে, এবং দুই পায়ে এবং সকল জয়েন্টে। হে আল্লাহ, এগুলো খুলে দিন, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, আপনার ক্ষমতায়, হে শক্তিশালী, হে পরাক্রমশালী। হে আল্লাহ, হে যাঁর হাতে সকল কিছুর সার্বভৌমত্ব, দেহকে দুর্বলতা ও ক্লান্তি থেকে পরিশুদ্ধ করুন
৫০:২৮–৫১:২১
الْغَيْرِ طبيعي اللَّهُمَّ إِذَا اسْتَيْقَظَ فَاجْعَلْهُ فِي طِيبِ النَّفْسِ نَشِيطًا مَقْبُولًا مَحْفُوظًا بِحِفْظِكَ، اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلشَّيَاطِينِ عَلَى الْبَدَنِ سَبِيلًا، اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلشَّيَاطِينِ عَلَى هَذَا الْبَدَنِ سَبِيلًا بِالْخُمُولِ وَلَا عَلَى الرُّوحِ بِالتَّثْبِيطِ، اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْقَلْبَ مُعَلَّقًا بِكَ، اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْجَسَدَ طاعا لَكَ، اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْجَسَدَ طاعا لَكَ فِي الْحَرَكَةِ وَالسُّكُونِ، اللَّهُمَّ أَعِنْهُ عَلَى أَدَاءِ مَهَامِّهِ وَعِبَادَتِهِ وَأَعْمَالِهِ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، اللَّهُمَّ بَدِّلْ كُلَّ ضَعْفٍ بِقُوَّةٍ، اللَّهُمَّ بَدِّلْ كُلَّ ضَعْفٍ قُوَّةً وَكُلَّ خُمُولٍ حَرَكَةً وَبَرَكَةً وَكُلَّ كل ضِيقٍ سَعَةً
অস্বাভাবিক (দুর্বলতা)। হে আল্লাহ, যখন সে জাগ্রত হয় তখন তাকে প্রফুল্ল মন, প্রাণবন্ত, গ্রহণযোগ্য এবং আপনার হেফাজতে সুরক্ষিত রাখুন। হে আল্লাহ, শয়তানদের জন্য এই দেহের উপর কোনো পথ রাখবেন না, হে আল্লাহ, শয়তানদের জন্য এই দেহের উপর অলসতার মাধ্যমে কোনো পথ রাখবেন না এবং না রুহের উপর নিরুৎসাহের মাধ্যমে। হে আল্লাহ, হৃদয়কে আপনার সাথে সংযুক্ত করুন। হে আল্লাহ, দেহকে আপনার আনুগত্যশীল করুন, হে আল্লাহ, দেহকে চলাফেরা ও স্থিরতায় আপনার আনুগত্যশীল করুন। হে আল্লাহ, তার দায়িত্ব, ইবাদত ও কাজসমূহ সম্পাদনে তাকে সাহায্য করুন, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ, প্রতিটি দুর্বলতাকে শক্তি দিয়ে বদলে দিন, হে আল্লাহ, প্রতিটি দুর্বলতাকে শক্তি দিয়ে বদলে দিন এবং প্রতিটি নিস্তেজতাকে চলাফেরা ও বরকত দিয়ে এবং প্রতিটি সংকীর্ণতাকে প্রশস্ততা দিয়ে
৫১:২১–৫২:০৯
وَشَرْحًا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَى هَذَا
এবং প্রশান্তি দিয়ে। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, হে আল্লাহ, এর উপর নাজিল করুন
৫২:০৯–৫২:১৪
فِي الشَّجَرِ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، بِسْمِ اللَّهِ يَزُولُ عَنِ الْأَكْتَافِ الثِّقَلُ، بِسْمِ اللَّهِ عُقَدُ التَّنْمِيلِ تفجر تفجر بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الْبُطُونِ وَالْعَوْرَاتِ وَالْأَرْحَامِ وَأَبْطِلْ مَا فِيهَا مِنْ طَلَاسِمَ وَخَيَالَاتٍ، اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ، فُكَّ الْعُقَدَ، فُكَّ الْعُقَدَ أَسْفَلَ الْبَطْنِ، فُكَّ الْعُقَدَ أَسْفَلَ الْبَطْنِ، تَنْسِفُ عُقَدَ الْمَنْعِ وَالرَّبْطِ، تُخْرِجُ سُمُومَ الْحَسَدِ، يَزُولُ عَنِ النَّفْسِ كُلُّ كل حَسَدٍ، بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَ الْوَجْهِ وَالْعَيْنَيْنِ، أَزِلْ مَا فِيهِمَا مِنْ سَوَادٍ، اللَّهُمَّ أَعِدْ بَهْجَةَ الْجَسَدِ، اللَّهُمَّ أَعِدْ لِهَذَا الْجَسَدِ بَهْجَتَهُ، حُلَّ عُقَدَ الْوَجْهِ، حُلَّ عُقَدَ كُلِّ رِبَاطٍ أَوْ أَوْرَثَ الضِّيقَ وَالذُّبُولَ، حَالَ بَيْنَ
গাছে, হে বিশ্বজগতের রব। আল্লাহর নামে কাঁধ থেকে ভারিভাব দূর হয়ে যায়। আল্লাহর নামে ঝিনঝিনের গিঁট বিস্ফোরিত হয়, বিস্ফোরিত হয়। আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ, পেট, গুপ্তাঙ্গ ও জরায়ুর গিঁট খুলে দিন এবং তাতে থাকা মন্ত্র ও কল্পনা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, গিঁট খুলে দিন, গিঁট খুলে দিন, গিঁট খুলে দিন, পেটের নিচের গিঁট খুলে দিন, পেটের নিচের গিঁট খুলে দিন, নিষেধ ও বাঁধনের গিঁট চূর্ণ করে দিন, হিংসার বিষ বের করে দিন, নফস থেকে সকল হিংসা দূর হয়ে যায়। আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ, মুখমণ্ডল ও চোখের গিঁট খুলে দিন, তাতে থাকা কালোভাব দূর করুন। হে আল্লাহ, দেহের সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিন, হে আল্লাহ, এই দেহকে তার সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিন। মুখমণ্ডলের গিঁট খুলে দিন, প্রতিটি বাঁধনের গিঁট খুলে দিন যা সংকীর্ণতা ও নিস্তেজতা সৃষ্টি করেছে এবং মাঝে বাধা দিয়েছে
৫২:২৩–৫৩:১২
النَّفْسَ وَالوُصُولَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ المَتِينِ العَمِيقِ الأَلِيمِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ القَدِيمِ المَتِينِ العَمِيقِ الأَلِيمِ
নফস ও পৌঁছানোর মাঝে। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে — সুদৃঢ়, গভীর, বেদনাদায়ক। হে আল্লাহ, পুরনো, সুদৃঢ়, গভীর, বেদনাদায়ক হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করে দিন
৫৩:১২–৫৩:৩১
اللَّهُمَّ فُكَّ عُقَدَ الحَسَدِ القَدِيمِ المَتِينِ العَمِيقِ الأَلِيمِ وَاطْرُدْ بِحَوْلِكَ كُلَّ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ القَدِيمِ المَتِينِ العَمِيقِ الأَلِيمِ وَاطْرُدْ بِحَوْلِكَ كُلَّ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ بِسْمِ اللَّهِ تَذُوبُ كُلُّ عُقْدَةٍ قَوِيَّةٍ اسْتَقَرَّتْ اسْتَقَرَّتْ اسْتَقَرَّتْ تَذُوبُ العُقَدُ عُقَدُ العَيْنِ وَالحَسَدِ يَا رَبَّ العَالَمِينَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ وَأَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ يَا رَبَّ العَالَمِينَ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ اصْرِفْ كُلَّ دَاءٍ
হে আল্লাহ, পুরনো, সুদৃঢ়, গভীর, বেদনাদায়ক হিংসার গিঁট খুলে দিন এবং আপনার শক্তিতে প্রতিটি বিতাড়িত শয়তানকে বিতাড়িত করুন। হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করুন, হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করুন, হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করুন, পুরনো, সুদৃঢ়, গভীর, বেদনাদায়ক হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করুন এবং আপনার শক্তিতে প্রতিটি বিতাড়িত শয়তানকে বিতাড়িত করুন। আল্লাহর নামে প্রতিটি দৃঢ়ভাবে স্থির হয়ে যাওয়া গিঁট গলে যায়, স্থির হয়ে যাওয়া, স্থির হয়ে যাওয়া, স্থির হয়ে যাওয়া — গিঁট গলে যায়, নজর ও হিংসার গিঁট, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ, সকল যাদু বাতিল করুন এবং প্রতিটি গিঁট খুলে দিন এবং প্রতিটি কুদৃষ্টি বের করে দিন, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ, প্রতিটি নজর ও হিংসা বের করে দিন, হে আল্লাহ, প্রতিটি রোগ দূর করে দিন
৫৩:৩৫–৫৪:২৫
عَنِ الرُّوحِ وَالْجَسَدِ اللَّهُمَّ اخْتِمْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ بِالشِّفَاءِ وَتَقَبَّلْ دعائنا فِي السَّمَاءِ مَاءِ اللَّهُمَّ اخْتِمْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ بِالشِّفَاءِ وَتَقَبَّلْ دعائنا وَاغْلِقْ مَنَافِذَ الْجَسَدِ مِنْ كُلِّ عَنْ كُلِّ دَاءٍ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ اخْتِمْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ بِالشِّفَاءِ وَتَقَبَّلْ دعائنا وَاغْلِقْ مناف الْجَسَدِ عَنْ كُلِّ دَاءٍ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُحَصِّنُ الْجَسَدَ بَعْدَ بَعْدَ الْمَرَضِ يُحَصِّنُ الْجَسَدَ مِنَ الشَّيْطَانِ يُبْطِلُ كُلَّ كَيْدٍ يَا رَبَّنَا أَبْطِلْهُ أَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَخْرِجِ الْعُقَدَ وَالْأَسْحَارَ اللَّهُمَّ أَخْرِجِ الْعُقَدَ وَالْأَسْحَارَ طَهِّرِ الدِّمَاءَ طَهِّرِ الدِّمَاءَ بِسْمِ اللَّهِ يُخْرِجُ كُلَّ
রুহ ও দেহ থেকে। হে আল্লাহ, এই রুকইয়াকে আরোগ্য দিয়ে সমাপ্ত করুন এবং আকাশে আমাদের দুআ কবুল করুন। হে আল্লাহ, এই রুকইয়াকে আরোগ্য দিয়ে সমাপ্ত করুন এবং আমাদের দুআ কবুল করুন এবং দেহের সকল প্রবেশপথ সকল রোগ ও বিপদ থেকে বন্ধ করে দিন। হে আল্লাহ, এই রুকইয়াকে আরোগ্য দিয়ে সমাপ্ত করুন এবং আমাদের দুআ কবুল করুন এবং দেহের প্রবেশপথ সকল রোগ ও বিপদ থেকে বন্ধ করে দিন। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে রোগের পর দেহকে সুরক্ষিত করে, দেহকে শয়তান থেকে সুরক্ষিত করে, প্রতিটি চক্রান্ত বাতিল করে দেয়। হে আমাদের রব, তা বাতিল করুন, তা বাতিল করুন। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, গিঁট ও যাদু বের করে দিন, হে আল্লাহ, গিঁট ও যাদু বের করে দিন, রক্ত পবিত্র করুন, রক্ত পবিত্র করুন। আল্লাহর নামে প্রতিটি বের হয়ে যায়
৫৪:২৫–৫৫:১৬
أَثَرٍ وَسُمٍّ وَيَزُولُ عَنِ العَقْلِ كُلُّ غَمٍّ وَيَنْكَشِفُ عَنِ الرُّوحِ كُلُّ هَمٍّ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَعِدْ لِلْجَسَدِ قُوَّتَهُ وَنَشَاطَهُ وَاشْفِ صَدْرَهُ وَانْبِسَاطَهُ وَاطْرُدْ كُلَّ نَفَسٍ وَكُلَّ إِحْبَاطٍ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَعِدْ لِلْجَسَدِ قُوَّتَهُ يَا رَبَّ العَالَمِينَ. بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ السَّمِيعِ العَلِيمِ. بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ لَا إِلَهَ
চিহ্ন ও বিষ, এবং মন থেকে সকল দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায় এবং রুহ থেকে সকল দুঃখ উন্মোচিত হয়ে যায়। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, দেহকে তার শক্তি ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে দিন এবং তার বক্ষকে আরোগ্য ও প্রশস্ততা দান করুন এবং প্রতিটি কুমন্ত্রণাদায়ক নফস ও প্রতিটি হতাশা বিতাড়িত করুন। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, দেহকে তার শক্তি ফিরিয়ে দিন, হে বিশ্বজগতের রব। আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না, যিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, কোনো (সত্য) মাবুদ নেই
৫৫:১৬–৫৫:৪৬
حَسْبُنَا الخَالِقُ مِنَ المَخْلُوقِ حَسْبُنَا الرَّازِقُ مِنَ المَرْزُوقِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرًا وَحُلَّ عُقْدًا وَفُكَّ رَبْطًا وَأَخْرِجْ عُيُونًا وَمَسًّا وَحَسَدًا بِحَوْلِكَ وَقُدْرَتِكَ يَا عَزِيزُ يَا
সৃষ্টিকর্তাই আমাদের জন্য যথেষ্ট সৃষ্টির বিপরীতে, রিযিকদাতাই আমাদের জন্য যথেষ্ট রিযিকপ্রাপ্তের বিপরীতে। হে আল্লাহ, যাদু বাতিল করুন, গিঁট খুলে দিন, বাঁধন মুক্ত করুন এবং কুদৃষ্টি, জিনের স্পর্শ ও হিংসা বের করে দিন আপনার শক্তি ও ক্ষমতায়, হে পরাক্রমশালী, হে
৫৬:০৩–৫৬:২৩

অন্যান্য পঠিত অংশ ৮৭ অংশ

এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
اللَّهِ الْمَلِكِ الْحَقِّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
আল্লাহ অধিপতি, সত্য। পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:১৩
بِسْمِ اللَّهِ الشَّافِي
আরোগ্যদানকারী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩:০৩
بِسْمِ اللَّهِ الشَّافِي
আরোগ্যদানকারী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩:০৭
بِسْمِ اللَّهِ الشَّافِي
আরোগ্যদানকারী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩:১০
بِسْمِ اللَّهِ الشَّافِي
আরোগ্যদানকারী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩:১৩
حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
উভয়ের (আসমান-জমিনের) হেফাজত করা তাঁকে ক্লান্ত করে না, আর তিনিই সর্বোচ্চ, মহান
তুলনীয়: সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৪৪:১৯
بِسْمِ اللَّهِ الْحَيِّ الْقَيُّومِ
চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১–২৪:৩৯
بِسْمِ اللَّهِ الْحَيِّ الْقَيُّومِ
চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১–২৪:৪৪
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:১৪
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:১৮
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:২২
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:২৭
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:৩০
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ عَظِيمٌ
মহান, মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৭:৩৪
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৮:২৮
أَزِ الْخُمُولَ فِي الْجَسَدِ، اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ هَبَاءً مَنْثُورًا
শরীরের অলসতা দূর কর, হে আল্লাহ তা ছড়ানো ধূলিকণায় পরিণত করে দাও
তুলনীয়: সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩৯:৪২
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ
আর বল, সত্য এসেছে এবং বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে, বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৩:১৭
وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ
বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে, বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৩:৩৪
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
নিশ্চয় বাতিল বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৩:৪৯
كُلَّهَا بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَفُكُّ كُلَّ رَبْطٍ
সবগুলো। মহান, সর্বমহান আল্লাহর নামে যিনি স্নায়ুর উপর প্রতিটি বাঁধন খুলে দেন
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩১৫:১৬
عَلَى الْأَعْصَابِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَفُكُّ
স্নায়ুর উপর। মহান, সর্বমহান আল্লাহর নামে যিনি খুলে দেন
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩১৫:২০
كُلَّ رَبْطٍ عَلَى الْأَعْصَابِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
স্নায়ুর উপর প্রতিটি বাঁধন। মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩১৫:২৪
تَدْمِيرًا أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ
সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দাও। আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি (অভিশপ্ত শয়তান) থেকে
তুলনীয়: সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬১৫:৫১
بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ قَدْ
আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২১৬:২৩
بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ
আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২১৬:২৭
كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ احْلُلْ كُلَّ عُقْدَةٍ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ প্রতিটি গিঁট খুলে দাও। আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮১৬:৫৩
فَقُلْ قُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
তাহলে বল, আমার রব তা সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫১৭:২৫
فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
তাহলে বল আমার রব তা সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন (দুইবার)
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৬১৭:৩০
فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
তাহলে বল আমার রব তা সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন (দুইবার)
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৬১৭:৩৫
فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
তাহলে বল, আমার রব তা সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫১৭:৪১
فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
তাহলে বল আমার রব তা সম্পূর্ণ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন (দুইবার)
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৬১৭:৪৫
عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَا عِبَادُ اللَّهِ، يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا، يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا، يُفَجِّرُونَهَا
একটি ঝর্ণা যা থেকে আল্লাহর বান্দারা পান করবে, তারা তা প্রবাহিত করবে অজস্র ধারায় (বারবার)
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬১৮:২৩
تَفْجِيرًا عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ
অজস্র ধারায়। একটি ঝর্ণা যা থেকে আল্লাহর বান্দারা পান করবে, তারা তা প্রবাহিত করবে অজস্র ধারায়। একটি ঝর্ণা যা থেকে আল্লাহর বান্দারা পান করবে
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬১৮:৩৩
الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَإِذَا الْجِبَالُ
সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং যখন পাহাড়সমূহ…(আয়াতের সূচনা)
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮২১:০৫
نُسِفَتْ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ
উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, আর যখন পাহাড়সমূহকে উড়িয়ে দেওয়া হবে, আর যখন পাহাড়সমূহকে উড়িয়ে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আল-মুরসালাত, আয়াত ১০–১১২১:০৮
وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
আর যখন পাহাড়সমূহকে উড়িয়ে দেওয়া হবে, আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান
তুলনীয়: সূরা আল-মুরসালাত, আয়াত ১০২১:১৩
هَبَاءً كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ
ধূলিকণা, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো
তুলনীয়: সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ৫২২:৪৯
الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ
ছড়িয়ে যাওয়া, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো
তুলনীয়: সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ৫২২:৫৬
كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ كَالْعِهْنِ الْمَنْفُوشِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ إِذَا السَّمَاءُ
ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো, ছড়িয়ে যাওয়া পশমের মতো, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে, যখন আকাশ
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮২৩:০০
اجْتُثَّتْ مِنْ فَوْقِ الْأَرْضِ، اجْتُثَّ مِنْ فَوْقِ الْأَرْضِ مَا لَهَا مِنْ قَرَارٍ
উপড়ে ফেলা হয়েছে ভূমির উপর থেকে, উপড়ে ফেলা হয় ভূমির উপর থেকে, তার কোনো স্থিরতা নেই
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ২৬২৪:২৩
بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮২৪:৪৭
فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ رَبِّي جَعَلَهُ دَكًّا فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ رَبِّي جَعَلَهُ دَكًّا اللَّهُمَّ دُكَّ عُقَدَ
অতঃপর যখন আমার রবের প্রতিশ্রুতি আসবে, তিনি তা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন, অতঃপর যখন আমার রবের প্রতিশ্রুতি আসবে, তিনি তা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন, হে আল্লাহ চূর্ণ-বিচূর্ণ কর গিঁট
তুলনীয়: সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৯৮২৫:০০
تُدَكُّ الْعُقَدُ دَكًّا دَكًّا أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
গিঁটকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, চূর্ণ-বিচূর্ণ, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮২৫:৪৭
الْجَسَدِ فِي عُمْقِ الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ
শরীরের, শরীরের গভীরে, পরম করুণাময় আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৬:৫৩
النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي
গিঁটে ফুঁ দানকারিনী নারীদের অনিষ্ট থেকে, এবং গিঁটে ফুঁ দানকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫২৭:১১
يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وذرى
অতিক্রম করতে পারে না কোনো নেককার বা পাপী, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন ও ছড়িয়ে দিয়েছেন তার অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–২৩০:০৪
وَبَرَأَ وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً الرَّجِيمِ
এবং প্রসারিত করেছেন, এবং আকাশ থেকে যা নামে তার অনিষ্ট থেকে, পানি, বিতাড়িত শয়তান
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১০৩০:০৮
رَبِّهَا تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا اللَّهُمَّ دَمِّرْ
তার রবের, ধ্বংস করে সবকিছু তার রবের নির্দেশে, হে আল্লাহ ধ্বংস কর
তুলনীয়: সূরা আল-আহকাফ, আয়াত ২৫৩২:১৭
اللَّهُمَّ حُلَّ هَذِهِ الْعُقْدَةَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
হে আল্লাহ এই গিঁট খুলে দাও, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৩৩:০৩
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ، بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার গুঁতা, তার ফুঁ ও তার কুমন্ত্রণা থেকে, পরম করুণাময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৩৩:২৪
بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ
আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়, আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২৩৪:৩৮
بِسْمِ اللَّهِ تُحَلُّ الْعُقَدُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
আল্লাহর নামে গিঁট খুলে যায়, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৩৪:৪৪
وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي
এবং খুলে দাও গিঁট আমার জিহ্বা থেকে, এবং খুলে দাও গিঁট আমার জিহ্বা থেকে
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬–২৭৩৪:৫৫
وَاحْلُلْ عُقْدَةً دَهْ مِنْ لِسَانِي، وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ
এবং খুলে দাও গিঁট আমার জিহ্বা থেকে, এবং খুলে দাও গিঁট
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬–২৭৩৫:০১
لِسَانِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ
জিহ্বা থেকে, এবং খুলে দাও গিঁট আমার জিহ্বা থেকে, এবং খুলে দাও গিঁট
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৭৩৫:০৫
بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَإِذِ اسْتَسْقَى مُوسَى
আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয়, এবং স্মরণ কর যখন মূসা পানি প্রার্থনা করলেন
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৩৫:১৮
بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا عَيْنًا يَشْرَبُ
যা দিয়ে আল্লাহর বান্দারা প্রবাহিত করত প্রবাহিতভাবে, একটি ঝর্ণা যা থেকে পান করত
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬৩৬:১২
بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا عَيْنًا يَشْرَبُ
যা দিয়ে আল্লাহর বান্দারা প্রবাহিত করত প্রবাহিতভাবে, একটি ঝর্ণা যা থেকে পান করত
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬৩৬:১৭
بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا عَيْنًا يَشْرَبُ
যা দিয়ে আল্লাহর বান্দারা প্রবাহিত করত প্রবাহিতভাবে, একটি ঝর্ণা যা থেকে পান করত
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬৩৬:২২
بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا وَيَسْأَلُونَكَ
যা দিয়ে আল্লাহর বান্দারা প্রবাহিত করত প্রবাহিতভাবে, এবং তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ইনসান, আয়াত ৬৩৬:২৭
عَنِ الْجِبَالِ فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا يَنْسِفُهَا رَبِّي
পাহাড়সমূহ সম্পর্কে, বল, আমার রব সেগুলো চূর্ণ করে উড়িয়ে দেবেন, আমার রব উড়িয়ে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫৩৬:৩৩
نَسْفًا يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا
চূর্ণ করে, আমার রব উড়িয়ে দেবেন চূর্ণ করে, আমার রব উড়িয়ে দেবেন চূর্ণ করে
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৬৩৬:৩৮
الرَّحِيمِ إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا إِذَا زُلْزِلَتِ
পরম দয়ালু, যখন পৃথিবীকে প্রকম্পিত করা হবে তার প্রবল প্রকম্পনে, যখন প্রকম্পিত করা হবে
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ১৩৭:০৩
الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا
পৃথিবীকে তার প্রবল প্রকম্পনে, যখন পৃথিবীকে প্রকম্পিত করা হবে তার প্রবল প্রকম্পনে
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ১৩৭:০৭
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ
এবং পৃথিবী তার বোঝাসমূহ বের করে দেবে, এবং পৃথিবী বের করে দেবে
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ২৩৭:১২
أَثْقَالَهَا وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا وَأَخْرَجَتِ
তার বোঝাসমূহ, এবং পৃথিবী বের করে দেবে তার বোঝাসমূহ, এবং বের করে দেবে
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ২৩৭:১৫
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩৮:২০
بِسْمِ اللَّهِ تُفَجَّرُ الْعُقَدُ بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে গিঁট ফেটে যায়, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩৮:৩৬
الْعَيْنِ وَالْجَ جَانِّ، بِسْمِ اللَّهِ، بِسْمِ اللَّهِ، بِسْمِ
নজর ও জিন, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৩৮:৫৭
بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, ওয়াল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৪০:০৮
مُحْكَمٍ وَيُبْطِلُ مَا كَانَ فِي الدَّمِ وَيُبْطِلُ مَا كَانَ
সুদৃঢ়, এবং রক্তে যা ছিল তা বাতিল করে দেয়, এবং যা ছিল তা বাতিল করে...
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৪০:৫৮
أَوْ يَنْتَصِرُونَ
অথবা তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে (কুরআনের আয়াতাংশ)
তুলনীয়: সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৩৯৪৫:২৭
وَفَجَّرْنَا الأَرْضَ عُيُونًا
এবং আমি ভূমি থেকে প্রস্রবণ প্রবাহিত করলাম (কুরআনের আয়াত)
তুলনীয়: সূরা আল-কামার, আয়াত ১২৪৭:৩১
الجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ
দেহের উপর। পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি রবের নিকট
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৪৮:২৭
أَثْقَلَتِ الجَسَدَ وَمِنْ كُلِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ كُلَّ مَنْ
যা দেহকে ভারী করে দিয়েছে, এবং প্রতিটি হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে, প্রত্যেক যে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৪৮:৫১
وَالنَّشَاطَ وَالهِمَّةَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ
এবং কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্যমকে (হিংসা করে)। পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। বলুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৪৮:৫৯
اللَّهُمَّ لَكَ الحَمْدُ حَتَّى تَرْضَى وَلَكَ الحَمْدُ إِذَا
হে আল্লাহ, আপনার প্রশংসা যতক্ষণ না আপনি সন্তুষ্ট হন এবং আপনার প্রশংসা যখন
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮৯৪৯:২৭
آتِنَا نُفُوسَنَا تَقْوَاهَا
আমাদের নফসকে তাকওয়া দান করুন
তুলনীয়: সূরা আত-তীন, আয়াত ৪৫০:০৩
اللَّهُمَّ يَا ذَا القُوَّةِ المَتِينِ
হে আল্লাহ, হে মহাশক্তির অধিকারী, দৃঢ়তার মালিক
তুলনীয়: সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত ৫৮৫০:২১
يَا مَنْ لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلَا فِي
হে তিনি যাঁকে ভূমিতে কোনো কিছু অক্ষম করতে পারে না এবং না
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৫০:২৫
البَدَنِ نُورَ العَافِيَةِ وَاجْعَلِ الصِّحَّةَ تَسْرِي فِي العُرُوقِ وَالأَعْصَابِ كَمَا يَسْرِي المَاءُ
দেহে সুস্থতার আলো এবং স্বাস্থ্যকে শিরা ও স্নায়ুতে প্রবাহিত করে দিন যেমনভাবে পানি প্রবাহিত হয়
তুলনীয়: সূরা আয-যুখরুফ, আয়াত ৫৯৫২:১৪
يَزُولُ كُلُّ ثِقَلٍ عَنِ الْأَكْتَافِ، تفجر عُقَدُ التَّنْمِيلِ
কাঁধ থেকে সকল ভারিভাব দূর হয়ে যায়, ঝিনঝিনের গিঁট বিস্ফোরিত হয়
তুলনীয়: সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬৪৫২:২৯
الوَجْهِ بِسْمِ اللَّهِ يَفُكُّ كُلَّ رِبَاطٍ بِسْمِ اللَّهِ يَفُكُّ
মুখমণ্ডলের মাঝে। আল্লাহর নামে প্রতিটি বাঁধন খুলে যায়, আল্লাহর নামে খুলে যায়
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৫৩:০৫
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ فَجِّرْ عُقَدَ الحَسَدِ القَدِيمِ
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ, পুরনো হিংসার গিঁট বিস্ফোরিত করে দিন
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৫৩:১৬
وَاطْرُدْ بِحَوْلِكَ وَاطْرُدْ بِحَوْلِكَ كُلَّ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ
এবং আপনার শক্তিতে বিতাড়িত করুন, আপনার শক্তিতে বিতাড়িত করুন প্রতিটি বিতাড়িত শয়তানকে
তুলনীয়: সূরা আত-তাকভীর, আয়াত ২৫৫৩:৩১
اسْمُهُ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ
যাঁর নামের সাথে ভূমিতে বা আকাশে কোনো কিছু (ক্ষতি করতে পারে না) এবং তিনিই
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৫৫:৩৮
أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ. حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الوَكِيلُ
সবচেয়ে দয়ালু। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কার্যনির্বাহী
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৭৩৫৫:৫৬

তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)

রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
  1. ০:০০ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
  2. ২:২৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  3. ২:৩১ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ২–৭
  4. ৩:৩৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  5. ৩:৪০ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ২
  6. ৩:৪৬ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
  7. ৪:০২ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১১০
  8. ৪:০৬ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
  9. ৪:৩৩ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
  10. ৫:১২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  11. ৫:১৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৪৮
  12. ৫:৩৯ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৪৮
  13. ৬:২৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  14. ৬:৩১ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১–৮২
  15. ৮:৩৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  16. ৮:৩৮ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
  17. ৯:৪৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  18. ৯:৫৪ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১৮
  19. ১০:৫৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  20. ১১:০৩ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫–২৮
  21. ১১:৫৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  22. ১২:০৩ — সূরা আশ-শারহ, আয়াত ১–৮
  23. ১৩:৩৮ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১
  24. ১৪:১৭ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
  25. ১৫:৫৯ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
  26. ১৬:০৫ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬–২৭
  27. ১৬:৫৯ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫
  28. ১৭:৫৩ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৬–১০৭
  29. ১৮:১৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  30. ১৯:৫৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  31. ১৯:৫৯ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৭৪
  32. ২২:১৯ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  33. ২২:২৫ — সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ৫
  34. ২৩:১২ — সূরা আল-ইনশিকাক, আয়াত ১
  35. ২৪:০৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  36. ২৪:১১ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ২৬
  37. ২৪:৫১ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৯৮
  38. ২৫:৫১ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৩০
  39. ২৬:১৯ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
  40. ২৬:২৪ — সূরা আল-ইনফিতার, আয়াত ৩–৪
  41. ২৬:৫৬ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৫
  42. ৩০:১৩ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  43. ৩০:১৯ — সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ১০
  44. ৩০:৩৬ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৩৭
  45. ৩০:৫৫ — সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৭২
  46. ৩১:০৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  47. ৩১:১১ — সূরা আল-হাশর, আয়াত ২
  48. ৩১:৫৪ — সূরা আল-আহকাফ, আয়াত ২৫
  49. ৩৩:২০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  50. ৩৩:৩৩ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১–১০
  51. ৩৪:৪৯ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫–২৬
  52. ৩৫:১১ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৭–২৮
  53. ৩৫:২১ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৬০
  54. ৩৬:০১ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৬০
  55. ৩৬:০৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  56. ৩৬:৪৯ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৭
  57. ৩৭:২০ — সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ২–৩
  58. ৩৭:২৭ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
  59. ৪৩:০৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  60. ৪৩:০৮ — সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ৮০–৯৩
  61. ৪৫:৩৪ — সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ৮–১০২
  62. ৪৭:০৬ — সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৪৪
  63. ৪৭:৩৪ — সূরা আল-কামার, আয়াত ১২
  64. ৪৮:০২ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৯
  65. ৪৮:৩২ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ২–৫
  66. ৪৮:৪৮ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪
  67. ৪৯:০৩ — সূরা আন-নাস, আয়াত ১–৬
  68. ৫৫:৪৬ — সূরা আত-তাগাবুন, আয়াত ১
  69. ৫৬:২৩ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮০–১৮২

সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী

📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।

এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:

১. যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে

আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।

🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম

"হে আল্লাহ আমার যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"

উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।

এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।

এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।

🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম

১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।

২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।

৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।

৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।

৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।

সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।

🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন

গোসলের নিয়ম:

এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।

এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।

🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন

গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।

🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন

১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।

২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।

৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।

৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।

🟢 আমল

সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।

সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।

🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন

নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।

🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।

শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।

কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।

🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল

ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন

এই গাইডলাইনের বিষয় (যাদু, বদনজর ও হিংসার কারণে দেহের গিঁট পুড়িয়ে ও বিস্ফোরিত করে দেওয়ার রুকইয়া, আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।

ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন

১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।

ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত

সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪ — নিয়মিততা

প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।