بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
✦ ✦ ✦
রুকইয়াহ গাইডলাইন — বাংলা অর্থসহ

খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ

رقية نارية قوية جدًا لحرق السحر والحسد والمس العاشق - رقية شرعية بصوت مؤثر
✦ ✦ ✦
শাইখ أبو محمد العراقي-এর রুকইয়াহ থেকে সংকলিত · RUQ-0019
রাকী ফয়সাল আহমেদ সাবিত
আল কুরআন রুকইয়াহ হিলিং সেন্টার
Al Quranic Ruqyah Healing Center

এই গাইডলাইন সম্পর্কে

এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৩ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।

আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।

এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য

খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ

এই শারিয়াহসম্মত নারী রুকইয়াহ (আগুনে পোড়ানোর মতো শক্তিশালী রুকইয়াহ) আল্লাহর ইচ্ছায় অত্যন্ত শক্তিশালী ও পরীক্ষিত, যা পুরনো যাদু, তীব্র হিংসা (হাসাদ), প্রেমাসক্ত জ্বিনের আসর (মেস আশেক) এবং ঘরে বসবাসকারী জ্বিন (আম্মার) পুড়িয়ে ধ্বংস করার জন্য। এতে রয়েছে শক্তিশালী অবতীর্ণ আয়াতসমূহ এবং প্রতিটি আধ্যাত্মিক ক্ষতি ধ্বংসকারী দোয়াসমূহ। বিনম্রতা ও দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এটি শুনুন, এবং প্রতিদিন যিকির ও শারিয়াহসম্মত রুকইয়াহ নিয়মিত পালনের সাথে এটি চালানো উত্তম। ⚡ এই রুকইয়াহর উপকারিতা: ✅ সব ধরনের যাদু নিষ্ক্রিয় করা ✅ প্রেমাসক্ত জ্বিনের আসর ও আম্মার পুড়িয়ে ফেলা ✅ তীব্র হিংসা ও কুদৃষ্টির (নজর) প্রভাব দূর করা ✅ নিজেকে ও ঘরকে সকল অনিষ্ট থেকে সুরক্ষিত করা ⚠ হেডফোন ব্যবহার করে, অর্থ অনুধাবন করে এবং আয়াতসমূহের প্রভাব উপলব্ধি করে শোনা উত্তম। #শারিয়াহসম্মত_রুকইয়াহ #যাদু_নিষ্ক্রিয়করণ #জ্বিনের_আসর_পোড়ানো #নজর_ও_হিংসা #রুকইয়াহ_শারইয়্যাহ

রুকইয়াহ অডিও

খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ

رقية نارية قوية جدًا لحرق السحر والحسد والمس العاشق - رقية شرعية بصوت مؤثر

🔗 https://www.youtube.com/watch?v=PbIq3wsMPPU

দৈর্ঘ্য: ৩৩ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে

রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ২৩ আয়াত-পরিসর

প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
সূরা আল-ফাতিহা : ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

রুকইয়াহয় ০:০০، ৯:৪৩ · ২ বার
সূরা আল-ফাতিহা : ১–২
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

রুকইয়াহয় ০:১৬
সূরা আল-ইসরা : ৮২
وَنُنَزِّلُ مِنَ ٱلْقُرْءَانِ مَا هُوَ شِفَآءٌۭ وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا خَسَارًۭا ﴿٨٢﴾

৮২. আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।

রুকইয়াহয় ০:৫৯، ২৫:৫৪، ২৬:৩০ · ৩ বার
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৭–১১৮
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾

১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।

১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।

রুকইয়াহয় ৪:৪৪
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৮–১১৯
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾

১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।

১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।

রুকইয়াহয় ৫:৫১
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৯–১২২
فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾

১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।

১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।

১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।

১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।

রুকইয়াহয় ৬:১৭
সূরা আল-কলম : ৫১–৫২
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٥١﴾ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ﴿٥٢﴾

৫১. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।

৫২. অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

রুকইয়াহয় ৬:৪০، ৮:২২ · ২ বার
সূরা আল-ফালাক : ১–৫
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ৯:০২
সূরা আল-ইসরা : ৮১
وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا ﴿٨١﴾

৮১. বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।

রুকইয়াহয় ৯:৫০
১০
সূরা ইয়াসীন : ৮–৯
إِنَّا جَعَلْنَا فِىٓ أَعْنَٰقِهِمْ أَغْلَٰلًۭا فَهِىَ إِلَى ٱلْأَذْقَانِ فَهُم مُّقْمَحُونَ ﴿٨﴾ وَجَعَلْنَا مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّۭا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّۭا فَأَغْشَيْنَٰهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾

৮. আমি তাদের গর্দানে চিবুক পর্যন্ত বেড়ী পরিয়েছি। ফলে তাদের মস্তক উর্দ্ধমুখী হয়ে গেছে।

৯. আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর তাদেরকে আবৃত করে দিয়েছি, ফলে তারা দেখে না।

রুকইয়াহয় ১১:০১، ১১:২৮، ১২:১৭، ১৩:০৮، ১৪:০১ · ৫ বার
১১
সূরা ত্ব-হা : ৬৯
وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ ﴿٦٩﴾

৬৯. তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।

রুকইয়াহয় ১৭:৩৬، ১৮:৩২، ১৮:৫০ · ৩ বার
১২
সূরা ইউনুস : ৮১
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

রুকইয়াহয় ১৯:০৮، ১৯:৩৫ · ২ বার
১৩
সূরা আল-বাকারা : ১০২
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾

১০২. তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

রুকইয়াহয় ১৯:৫১، ২০:১৪ · ২ বার
১৪
সূরা আল-মু'মিনূন : ৯৭–৯৮
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ ﴿٩٧﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ ﴿٩٨﴾

৯৭. বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি,

৯৮. এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।

রুকইয়াহয় ২১:১২
১৫
সূরা আর-রহমান : ৩৩–৩৫
يَٰمَعْشَرَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنِ ٱسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا۟ مِنْ أَقْطَارِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ فَٱنفُذُوا۟ ۚ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَٰنٍۢ ﴿٣٣﴾ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌۭ مِّن نَّارٍۢ وَنُحَاسٌۭ فَلَا تَنتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾

৩৩. হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

৩৪. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩৫. ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

রুকইয়াহয় ২২:২৫
১৬
সূরা আন-নাহল : ৯৮
فَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ﴿٩٨﴾

৯৮. অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।

রুকইয়াহয় ২৩:১৬
১৭
সূরা আল-ইসরা : ৪৫
وَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ جَعَلْنَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْءَاخِرَةِ حِجَابًۭا مَّسْتُورًۭا ﴿٤٥﴾

৪৫. যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন, তখন আমি আপনার মধ্যে ও পরকালে অবিশ্বাসীদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন পর্দা ফেলে দেই।

রুকইয়াহয় ২৩:২০
১৮
সূরা আন-নাহল : ৯৯–১০০
إِنَّهُۥ لَيْسَ لَهُۥ سُلْطَٰنٌ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ ﴿٩٩﴾ إِنَّمَا سُلْطَٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشْرِكُونَ ﴿١٠٠﴾

৯৯. তার আধিপত্য চলে না তাদের উপর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং আপন পালন কর্তার উপর ভরসা রাখে।

১০০. তার আধিপত্য তো তাদের উপরই চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং যারা তাকে অংশীদার মানে।

রুকইয়াহয় ২৪:১৮
১৯
সূরা আল-আনফাল : ২
إِنَّمَا ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتُهُۥ زَادَتْهُمْ إِيمَٰنًۭا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ ﴿٢﴾

২. যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে।

রুকইয়াহয় ২৪:৫৩
২০
সূরা আন-নাহল : ১০০
إِنَّمَا سُلْطَٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشْرِكُونَ ﴿١٠٠﴾

১০০. তার আধিপত্য তো তাদের উপরই চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং যারা তাকে অংশীদার মানে।

রুকইয়াহয় ২৫:১১
২১
সূরা আল-আ'রাফ : ১৯৬
إِنَّ وَلِۦِّىَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى نَزَّلَ ٱلْكِتَٰبَ ۖ وَهُوَ يَتَوَلَّى ٱلصَّٰلِحِينَ ﴿١٩٦﴾

১৯৬. আমার সহায় তো হলেন আল্লাহ, যিনি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। বস্তুত; তিনিই সাহায্য করেন সৎকর্মশীল বান্দাদের।

রুকইয়াহয় ২৫:২৫
২২
সূরা আত-তাওবা : ৫১
قُل لَّن يُصِيبَنَآ إِلَّا مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَنَا هُوَ مَوْلَىٰنَا ۚ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ ٱلْمُؤْمِنُونَ ﴿٥١﴾

৫১. আপনি বলুন, আমাদের কাছে কিছুই পৌঁছবে না, কিন্তু যা আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছেন; তিনি আমাদের কার্যনির্বাহক। আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত।

রুকইয়াহয় ২৭:০০
২৩
সূরা আস-সাফফাত : ১৮০–১৮২
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾

১৮০. পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।

১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।

১৮২. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

রুকইয়াহয় ৩৩:২২

রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]১০ বার

শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৩২ অংশ

শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
فِي أَحْسَنِ
সর্বোত্তম
০:১১–০:১৫
وَصَرَفَ عَنْهُ كَيْدَ الشَّيَاطِينِ وَصَرَفَ عَنْهُ كَيْدَ
এবং তার থেকে শয়তানদের চক্রান্ত দূর করে দিয়েছেন, এবং তার থেকে চক্রান্ত দূর করেছেন
০:৩২–০:৪১
الشَّيَاطِينِ وَفَضَّلَهُ بِالْإِيمَانِ
শয়তানদের এবং ঈমান দ্বারা তাকে মর্যাদা দান করেছেন
০:৫৫–০:৫৯
مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ بِقُوَّتِكَ الَّتِي قَهَرْتَ بِهَا الشَّيَاطِينَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ بِقُوَّتِكَ الَّتِي قَهَرْتَ بِهَا الشَّيَاطِينَ وَبِنُورِكَ الَّذِي أَشْرَقَتْ بِهِ الظُّلُمَاتُ وَبِقُدْرَتِكَ الَّتِي أَحَاطَتْ بِكُلِّ شَيْءٍ أَنْ تُنْزِلَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ شِفَاءً تَامًّا أَنْ تُنْزِلَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ شِفَاءً تَامًّا أَنْ تُنْزِلَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ شِفَاءً
মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর। হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে চাই আপনার সেই শক্তির উসিলায় যা দ্বারা আপনি শয়তানদের পরাভূত করেছেন। হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে চাই আপনার সেই শক্তির উসিলায় যা দ্বারা আপনি শয়তানদের পরাভূত করেছেন এবং আপনার সেই নূরের উসিলায় যা দিয়ে অন্ধকার আলোকিত হয়েছে, এবং আপনার সেই ক্ষমতার উসিলায় যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছে - যেন আপনি এই দেহে সম্পূর্ণ আরোগ্য নাযিল করেন, এই দেহে সম্পূর্ণ আরোগ্য নাযিল করেন, এই দেহে সম্পূর্ণ আরোগ্য
১:১৩–২:০৭
تَامًّا أَنْ تُنْزِلَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ شِفَاءً تَامًّا وَسَلَامًا دَائِمًا وَنُورًا يُبَدِّدُ كُلَّ ظُلْمَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ مُتَجَدِّدٍ وَكُلَّ حَسَدٍ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ وَكُلَّ حَسَدٍ مُسْتَمِرٍّ وَكُلَّ حَسَدٍ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ مُتَّصِلٍ مُسْتَمِرٍّ وَكُلَّ كُلَّ عَيْنٍ خَبِيثَةٍ حَاسِدَةٍ وَكُلَّ عَيْنٍ خَبِيثَةٍ حَاسِدَةٍ وَكُلَّ
সম্পূর্ণ নাযিল করেন, এই দেহে সম্পূর্ণ আরোগ্য ও চিরস্থায়ী শান্তি এবং এমন নূর নাযিল করেন যা সব অন্ধকার দূর করে দেয়। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু এবং প্রতিটি একটানা চলমান হিংসা বাতিল করে দিন, এবং প্রতিটি একটানা চলমান হিংসা এবং প্রতিটি একটানা চলমান হিংসা, একটানা চলমান, একটানা চলমান, একটানা চলমান, একটানা চলমান, এবং প্রতিটি হিংসুক অশুভ দৃষ্টি, এবং প্রতিটি হিংসুক অশুভ দৃষ্টি এবং প্রতিটি
২:০৮–৩:০৫
عَيْنٍ خَبِيثَةٍ حَاسِدَةٍ وَكُلَّ عَيْنٍ خَبِيثَةٍ حَاسِدَةٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلِّ شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلِّ شَيْطَانٍ مُتَلَبِّسٍ وَكُلِّ خَادِمِ سِحْرٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ وَكُلِّ خَادِمِ سِحْرٍ مَرْصُودٍ وَكُلِّ خَادِمِ سِحْرٍ مَعْقُودٍ وَمَرْصَدٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ
হিংসুক অশুভ দৃষ্টি এবং প্রতিটি হিংসুক অশুভ দৃষ্টি। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে আগুন বানিয়ে দিন প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শ ও প্রতিটি শয়তানের উপর। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে আগুন বানিয়ে দিন প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শের উপর। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে আগুন বানিয়ে দিন প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শ, প্রতিটি আসক্ত শয়তান এবং প্রতিটি বাঁধা বা প্রহরাধীন যাদুর সেবক জিনের উপর, এবং প্রতিটি প্রহরাধীন যাদুর সেবক জিনের উপর, এবং প্রতিটি বাঁধা ও প্রহরাধীন যাদুর সেবক জিনের উপর, বাঁধা বা প্রহরাধীন, বাঁধা বা প্রহরাধীন, বাঁধা বা প্রহরাধীন
৩:০৫–৩:৫৮
مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ مَعْقُودٍ أَوْ مَرْصُودٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ وَدَمِّرْهُمْ وَاطْرُدْهُمْ مِنْ هَذَا الْجَسَدِ طَرْدًا لَا يَرْجِعُونَ بَعْدَهُ أَبَدًا اللَّهُمَّ دَمِّرْهُمْ وَأَحْرِقْهُمْ وَاطْرُدْهُمْ مِنْ هَذَا الْجَسَدِ طَرْدًا لَا يَرْجِعُونَ بَعْدَهُ أَبَدًا اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ أَحْرِقْهُمْ وَدَمِّرْهُمْ وَاطْرُدْهُمْ مِنْ هَذَا الْجَسَدِ طَرْدًا لَا يَرْجِعُونَ بَعْدَهُ أَبَدًا بِحَوْلِكَ قُوَّتِكَ يَا قَوِيُّ يَا
বাঁধা বা প্রহরাধীন, বাঁধা বা প্রহরাধীন, বাঁধা বা প্রহরাধীন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন, ধ্বংস করে দিন এবং এই দেহ থেকে এমনভাবে বের করে দিন যেন তারা আর কখনো ফিরে না আসে। হে আল্লাহ! তাদের ধ্বংস করে দিন, জ্বালিয়ে দিন এবং এই দেহ থেকে এমনভাবে বের করে দিন যেন তারা আর কখনো ফিরে না আসে। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ! তাদের জ্বালিয়ে দিন, ধ্বংস করে দিন এবং এই দেহ থেকে এমনভাবে বের করে দিন যেন তারা আর কখনো ফিরে না আসে - আপনার শক্তি ও ক্ষমতা দিয়ে, হে পরাক্রমশালী, হে
৩:৫৮–৪:৩৪
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার প্ররোচনা, তার ফুৎকার এবং তার মন্ত্র থেকে
৪:৩৮–৪:৪৪
الرَّجِيمِ إِنَّا جَعَلْنَا
বিতাড়িত। নিশ্চয়ই আমরা স্থাপন করেছি
১০:৪৫–১০:৪৯
يُبْصِرُونَ إِنَّا جَعَلْنَا فِي
তারা দেখতে পায় না। নিশ্চয়ই আমরা স্থাপন করেছি
১১:২২–১১:২৮
يُبْصِرُونَ
তারা দেখতে পায় না
১২:১৫–১২:১৭
يُبْصِرُونَ
তারা দেখতে পায় না
১৩:০৬–১৩:০৮
يُبْصِرُونَ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ بِقَدَرِهِ يَا رَبَّنَا يَا ذَا الْجَلَالِ اللَّهُمَّ بِحَوْلِكَ وَقُوَّتِكَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَبْرَأُ وَقُوَّتَنَا إِلَى حَوْلِكَ وَقُوَّتِكَ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا
তারা দেখতে পায় না। হে আল্লাহ! হে আমাদের রব! হে আল্লাহ! হে আমাদের রব! হে আল্লাহ, আপনার ক্ষমতা দিয়ে, হে আমাদের রব, হে মহিমান্বিত সত্তা! হে আল্লাহ, আপনার শক্তি ও ক্ষমতা দিয়ে। হে আল্লাহ! আমরা আমাদের শক্তি ও ক্ষমতাকে আপনার শক্তি ও ক্ষমতার দিকে সমর্পণ করছি। হে আল্লাহ! হে আমাদের রব!
১৪:৫৩–১৫:১৪
مَارِدٍ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ أَنْ تُحْرِقَ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ أَنْ تُحْرِقَ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ مَسٍّ عَاشِقٍ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى الْجَسَدِ وَكُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ تَسَلَّطَ عَلَى الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ أَوْ جَدِيدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ أَوْ جَدِيدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ أَوْ جَدِيدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ وَجَدِيدٍ وَكُلَّ
বিদ্রোহী, প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তান, যেন আপনি জ্বালিয়ে দেন প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তানকে, যেন আপনি জ্বালিয়ে দেন প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তানকে এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি প্রেমাসক্ত জিনের স্পর্শকে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা এই দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা এই দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে, এবং প্রতিটি যাদুর সেবক জিন যা দেহের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন বা নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন বা নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন বা নতুন যাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! সকল পুরাতন ও নতুন যাদু এবং প্রতিটি
১৫:২৭–১৬:২০
رَصَدٌ وَعَقْدٌ وَطِلَّسْمٌ وَكُلُّ رَصَدٍ وَعَقْدِهِ وَطِلَّسْمٍ وَكُلُّ رَصَدٍ وَعَقْدِهِ وَطِلَّسْمٍ وَكُلُّ رَصَدٍ وَعَقْ قَدِهِ وَطِلَّسْمٍ وَكُلُّ رَصَدٍ وَعَقْدِهِ وَطِلَّسْمٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ وَتَحْرِقُهُ إِحْرَاقًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ وَتَحْرِقُ وَتُبْطِلُهُ وَتَحْرِقُ وَتَحْرِقُ وَتَحْرِقُ وَتَحْرِقُ وَتُبْطِلُهُ وَنُورًا يَشْفِي بِهَا وَنُورًا يَشْفِي الْجَسَدَ وَيُحَصِّنُهُ وَنُورًا يَشْفِي الْجَسَدَ وَيُحَصِّنُهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ وَتَحْرِقُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ
প্রহরা, বাঁধন ও তাবিজ এবং প্রতিটি প্রহরা, বাঁধন ও তাবিজ, এবং প্রতিটি প্রহরা, বাঁধন ও তাবিজ, এবং প্রতিটি প্রহরা, বাঁধন ও তাবিজ, এবং প্রতিটি প্রহরা, বাঁধন ও তাবিজ। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে ও পুড়িয়ে ফেলে। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে, পুড়িয়ে ফেলে এবং বাতিল করে দেয়, পুড়িয়ে ফেলে, পুড়িয়ে ফেলে, পুড়িয়ে ফেলে, পুড়িয়ে ফেলে, বাতিল করে দেয়, এবং এমন নূর যা দিয়ে আরোগ্য দান করে, এবং এমন নূর যা দেহকে আরোগ্য করে ও সুরক্ষিত করে, এবং এমন নূর যা দেহকে আরোগ্য করে ও সুরক্ষিত করে। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে ও পুড়িয়ে দেয়। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে
১৬:২০–১৭:০২
وَتُحْرِقُهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ نَارًا تَأْكُلُ السِّحْرَ وَتُحْرِقُهُ وَنُورًا يَشْفِي الْجَسَدَ وَيُحَصِّنُهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِمَاكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِمَاكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِمَاكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي كَنَفِكَ وَارْزُقْنَا السَّكِينَةَ وَالرَّاحَةَ وَالْعَافِيَةَ بِرَحْمَةِ رَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ
ও পুড়িয়ে দেয়। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াকে এমন আগুন বানিয়ে দিন যা যাদুকে গ্রাস করে ও পুড়িয়ে দেয়, এবং এমন নূর যা দেহকে আরোগ্য করে ও সুরক্ষিত করে। হে আল্লাহ! আমাদের আপনার আশ্রয় ও ছায়াতলে রাখুন। হে আল্লাহ! আমাদের আপনার আশ্রয় ও ছায়াতলে রাখুন। হে আল্লাহ! আমাদের আপনার আশ্রয়ে রাখুন। হে আল্লাহ! আমাদের আপনার ছায়াতলে রাখুন এবং আমাদের প্রশান্তি, আরাম ও সুস্থতা দান করুন আপনার দয়া ও করুণার মাধ্যমে, হে সর্বাধিক দয়ালু
১৭:০২–১৭:৩১
صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ
তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল যাদুকরের কৌশল, তারা যা করেছে তা কেবল
১৭:৪০–১৮:৩২
كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ
কুফরি করেছিল, তারা মানুষকে যাদু শেখাত, তারা মানুষকে যাদু শেখাত, তারা মানুষকে যাদু শেখাত, তারা মানুষকে
২০:০৫–২০:১৪
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত
২৪:১৫–২৪:১৮
وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ
এবং তারা তাদের রবের উপর ভরসা করে, এবং তারা তাদের রবের উপর ভরসা করে, এবং তাদের রবের উপর
২৪:৫৮–২৫:১১
وَرَحْمَةٌ
এবং রহমত
২৬:২২–২৬:২৩
فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ وَيَا مُذِلَّ الْمُتَكَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ وَيَا مُذِلَّ
মুমিনরা যেন ভরসা করে। হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী এবং হে দাম্ভিকদের অপমানকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী এবং হে দাম্ভিকদের
২৭:৩৮–২৮:১৮
السَّمَاءِ اللَّهُمَّ بِقُوَّتِكَ الَّتِي لَا تُرْ اللَّهُمَّ وَبِقُوَّتِكَ الَّتِي لَا تُرَدُّ وَبِعِزَّتِكَ الَّتِي لَا تُضَامُ نَسْأَلُكَ أَنْ تُنَزِّلَ بَرَكَتَكَ وَرَحْمَتَكَ وَنُورَكَ عَلَى هَذَا الْجَسَدِ
আকাশে। হে আল্লাহ! আপনার সেই শক্তি দিয়ে যা প্রতিহত হয় না। হে আল্লাহ! আপনার সেই শক্তি দিয়ে যা প্রতিহত হয় না এবং আপনার সেই সম্মান দিয়ে যা ক্ষুণ্ণ হয় না, আমরা আপনার কাছে চাই যে আপনি এই দেহের উপর আপনার বরকত, রহমত ও নূর নাযিল করুন
২৮:২৪–২৮:৪৪
لَعِينٍ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ لَعِينٍ وَكُلِّ مَسٍّ خَبِيثٍ وَمِنْ كُلِّ مَسٍّ خَبِيثٍ وَمِنْ كُلِّ مَسٍّ خَبِيثٍ وَكُلِّ سِحْرٍ مَكْرُوهٍ اللَّهُمَّ أَذْهِبْ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اطْرُدْهُمْ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ وَيَا مُذِلَّ الْمُتَكَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ وَيَا مُذِلَّ
অভিশপ্ত, প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে এবং প্রতিটি অশুভ স্পর্শ থেকে, এবং প্রতিটি অশুভ স্পর্শ থেকে, এবং প্রতিটি অশুভ স্পর্শ থেকে এবং ঘৃণিত সকল যাদু থেকে। হে আল্লাহ! দূর করে দিন। হে আল্লাহ! হে আমাদের রব! তাদের বের করে দিন। হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী এবং হে দাম্ভিকদের অপমানকারী! হে আল্লাহ! হে অহংকারীদের দমনকারী এবং হে দাম্ভিকদের
২৮:৪৯–২৯:২১
وَبِعِزَّتِكَ الَّتِي لَا تُضَامُ أَسْأَلُكَ أَنْ تُنْزِلَ بَرَكَتَكَ وَرَحْمَتَكَ وَنُورَكَ
এবং আপনার সেই সম্মান দিয়ে যা ক্ষুণ্ণ হয় না, আমি আপনার কাছে চাই যে আপনি নাযিল করুন আপনার বরকত, রহমত ও নূর
২৯:৩০–২৯:৩৯
اللَّعِينِ وَكُلِّ مَسٍّ خَبِيثٍ وَكُلِّ سِحْرٍ مَكْرُوهٍ اللَّهُمَّ أَذِبْ كَمَا يُذَابُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ اللَّهُمَّ ذِبْهُمْ كَمَا يُذَابُ الْمِلْحُ فِي
অভিশপ্ত জিন, প্রতিটি নোংরা স্পর্শ এবং প্রতিটি ঘৃণিত জাদু। হে আল্লাহ! যেভাবে পানিতে লবণ গলে যায় সেভাবে গলিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে গলিয়ে দাও যেভাবে গলে যায়
২৯:৪৫–৩০:০৫
هَبَاءً مَنْثُورًا وَاجْعَلْهُمْ هَبَاءً مَنْثُورًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ كُلَّ جِنٍّ مُتَعَلِّقٍ بِهَذَا الْجَسَدِ يُحْرَقُ وَيُبَدَّدُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كُلَّ جِنٍّ مُتَعَلِّقٍ بِهَذَا الْجَسَدِ يُحْرَقُ يُحْرَقُ وَيُبَدَّدُ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّارَ تَأْكُلُهُمْ وَتُحْرِقُهُمْ وَتُدَمِّرُ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّارَ تَأْكُلُهُمْ وَتُحْرِقُهُمْ وَتُدَمِّرُ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُمْ يَا رَبَّنَا مَطْرُودِينَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُمْ مَطْرُودِينَ يَجْرُونَ فِي كُلِّ وَادٍ
বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা, এবং তাদেরকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি জিনকে পুড়িয়ে ছড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি জিনকে পুড়িয়ে, পুড়িয়ে ছড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ! আগুনকে তাদের গ্রাস করতে, পুড়িয়ে দিতে ও ধ্বংস করতে দাও। হে আল্লাহ! আগুনকে তাদের গ্রাস করতে, পুড়িয়ে দিতে ও ধ্বংস করতে দাও। হে আমাদের প্রভু, হে আল্লাহ! তাদেরকে বিতাড়িত করে দাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে বিতাড়িত করে দাও, প্রতিটি উপত্যকায় দৌড়ে পালাবে
৩০:১৩–৩০:৫৯
يَهْرُبُونَ يَجْرُونَ فِي كُلِّ وَادٍ ويهرى
পালাবে, প্রতিটি উপত্যকায় দৌড়াবে এবং পালাবে
৩০:৫৯–৩১:০৪
لَهُمْ اللَّهُمَّ اجْعَلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ هَذَا الْجَسَدِ سُورًا مِنْ مَحْجُورًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ هَذَا الْجَسَدِ سُورًا مَحْجُورًا وَحِصْنًا مَتِينًا وَدِرْعًا حَصِينًا يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْجَبَّارِينَ وَيَا مُذِلَّ الْمُتَكَبِّرِينَ السَّمَاءِ بِقُوَّتِكَ الَّتِي لَا تُرَدُّ بِعِزَّتِكَ الَّتِي لَا تُضَامُ أَسْأَلُكَ أَنْ تُنْزِلَ بَرَكَتَكَ وَرَحْمَتَكَ وَنُورَكَ
তাদের জন্য। হে আল্লাহ! তাদের ও এই দেহের মাঝে একটি সুরক্ষিত প্রাচীর স্থাপন কর। হে আল্লাহ! তাদের ও এই দেহের মাঝে একটি সুরক্ষিত প্রাচীর, মজবুত দুর্গ এবং শক্তিশালী বর্ম স্থাপন কর, হে শক্তিশালী, হে মজবুত সত্তা! হে আল্লাহ! হে অত্যাচারীদের দমনকারী এবং হে অহংকারীদের অপমানকারী! আকাশ তোমার এমন শক্তি দ্বারা যা প্রতিহত হয় না, তোমার এমন সম্মান দ্বারা যা ক্ষুণ্ণ হয় না - আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, তুমি তোমার বরকত, রহমত ও নূর নাযিল কর
৩১:১০–৩১:৪৫
وَكُلِّ مَسٍّ خَبِيثٍ وَكُلِّ سِحْرٍ مَكْرُوهٍ اللَّهُمَّ أَذِبْ مَا يُذَابُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ وَاجْعَلْهُمْ هَبَاءً مَنْثُورًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ كُلَّ جِنٍّ مُتَعَلِّقٍ بِهَذَا الْجَسَدِ يُحْرَقُ وَيُبَدَّدُ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّارَ تَأْكُلُ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّارَ تَأْكُلُهُمْ وَتُحْرِقُهُمْ وَتُدَمِّرُ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُمْ يَا رَبَّنَا مَطْرُودِينَ مَهْزُومِينَ مَذْلُولِينَ مَدْحُورِينَ خَائِبِينَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُمْ يَهْرُبُونَ يَجْرُونَ فِي كُلِّ وَادٍ يَهْرُبُونَ وَلَا مَلْجَأَ لَهُمْ اللَّهُمَّ اجْعَلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ هَذَا الْجَسَدِ سُورًا مَحْجُورًا وَحِصْنًا مَتِينًا وَدِرْعًا صنا يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ وَاجْعَلْهَا سَبَبًا فِي
এবং প্রতিটি নোংরা স্পর্শ এবং প্রতিটি ঘৃণিত জাদু থেকে। হে আল্লাহ! যেভাবে পানিতে লবণ গলে যায় সেভাবে গলিয়ে দাও এবং তাদেরকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি জিনকে পুড়িয়ে ছড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ! আগুনকে গ্রাস করতে দাও, হে আল্লাহ! আগুনকে তাদের গ্রাস করতে, পুড়িয়ে দিতে ও ধ্বংস করতে দাও। হে আমাদের প্রভু, হে আল্লাহ! তাদেরকে বিতাড়িত, পরাজিত, অপমানিত, লাঞ্ছিত ও ব্যর্থ করে দাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে পালাতে বাধ্য কর, প্রতিটি উপত্যকায় দৌড়ে পালাবে, তাদের কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না। হে আল্লাহ! তাদের ও এই দেহের মাঝে একটি সুরক্ষিত প্রাচীর, মজবুত দুর্গ এবং শক্তিশালী বর্ম স্থাপন কর, হে শক্তিশালী, হে মজবুত সত্তা! হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও এবং একে কারণ বানিয়ে দাও
৩১:৫০–৩২:৩৬
الشِّفَاءِ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ وَاجْعَلْهَا سَبَبًا فِي الشِّفَاءِ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ وَاجْعَلْهَا سَبَبًا فِي الشِّفَاءِ وَالْعَافِيَةِ وَالْفَرَجِ وَالرَّاحَةِ وَالسَّكِينَةِ بِرَحْمَتِكَ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ وَاجْعَلْهَا اللَّهُمَّ بَارِكْ فِي هَذِهِ الرُّقْيَةِ وَاجْعَلْهَا سَبَبًا فِي الشِّفَاءِ وَاجْعَلْهَا سَبَبًا فِي
সুস্থতার। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও এবং একে সুস্থতার কারণ বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও এবং একে সুস্থতা, নিরাপত্তা, মুক্তি, প্রশান্তি ও প্রশান্তির কারণ বানিয়ে দাও তোমার রহমতে, হে আমাদের প্রভু! হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও, হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও এবং একে বানিয়ে দাও, হে আল্লাহ! এই রুকইয়াতে বরকত দাও এবং একে সুস্থতার কারণ বানিয়ে দাও এবং একে কারণ বানিয়ে দাও
৩২:৩৭–৩৩:১২
وَالسَّكِينَةِ بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ
এবং প্রশান্তির, তোমার রহমতে, হে সর্বাধিক দয়ালু
৩৩:১৬–৩৩:২২

অন্যান্য পঠিত অংশ ৪০ অংশ

এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَ الْإِنْسَانَ
পরম দয়ালু। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২০:০৫
أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
সর্বোত্তম আকৃতিতে
তুলনীয়: সূরা আত-তীন, আয়াত ৪০:২৮
الشَّيَاطِينِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَ الْإِنْسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ وَصَرَفَ عَنْهُ كَيْدَ
শয়তানদের। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মানুষকে সর্বোত্তম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে চক্রান্ত দূর করেছেন
তুলনীয়: সূরা আত-তীন, আয়াত ৪০:৪৩
يَعْمَلُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা যা করছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করেছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৫:২৭
يَعْمَلُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা যা করছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করেছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৫:৩১
يَعْمَلُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা যা করছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করেছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৫:৩৬
يَعْمَلُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা যা করছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করেছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৫:৪০
يَعْمَلُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা যা করছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করেছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৫:৪৬
هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا
সেখানে তা বাতিল হয়ে গেল, এবং তারা ফিরে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৯৬:১০
صَاغِرِينَ فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا
লাঞ্ছিত অবস্থায়, তারা পরাজিত হলো সেখানে এবং লাঞ্ছিত অবস্থায় ফিরে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৯৬:১৩
لِلْعَالَمِينَ وَإِنْ يكادوا الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ
সমগ্র জগতের জন্য। এবং নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাকে পিছলে ফেলার উপক্রম করে
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫০–৫১৮:১৭
لِلْعَالَمِينَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
সমগ্র জগতের জন্য। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৮:৫৪
الرَّجِيمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ
বিতাড়িত। পরম করুণাময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৮:৫৮
إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ
যখন সে হিংসা করে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৯:১৫
إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ
যখন সে হিংসা করে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৯:২০
إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ
যখন সে হিংসা করে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৯:২৫
إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ
যখন সে হিংসা করে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৯:৩১
إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ
যখন সে হিংসা করে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৫৯:৩৭
فِي أَعْنَاقِ الَّذِينَ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ
তাদের গলায়। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই, যিনি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ
তুলনীয়: সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬১০:৪৯
مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ إِنَّا جَعَلْنَا
বিতাড়িত শয়তান থেকে। নিশ্চয়ই আমরা স্থাপন করেছি
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮১০:৫৫
مِنْ حَوْلِنَا
আমাদের চারপাশ থেকে
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২৫১৫:০৮
نَسْأَلُكَ أَنْ تُحْرِقَ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ اللَّهُمَّ إِنَّا
আমরা আপনার কাছে চাই যে আপনি জ্বালিয়ে দিন প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তানকে। হে আল্লাহ! আমরা
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭১৫:১৪
نَسْأَلُكَ أَنْ تُحْرِقَ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ اللَّهُمَّ إِنَّا
আমরা আপনার কাছে চাই যে আপনি জ্বালিয়ে দিন প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তানকে। হে আল্লাহ! আমরা
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭১৫:১৮
نَسْأَلُكَ أَنْ تُحْرِقَ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ كُلَّ شَيْطَانٍ
আমরা আপনার কাছে চাই যে আপনি জ্বালিয়ে দিন প্রতিটি বিদ্রোহী শয়তানকে, প্রতিটি শয়তানকে
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭১৫:২৩
السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى
যাদুকরের কৌশল, যাদুকর যেখান থেকেই আসুক সফল হবে না এবং যাদুকর যেখান থেকেই আসুক
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯১৮:৪৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ
দিয়ে তোমরা যা এনেছ তা যাদু, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা এনেছ তা যাদু। নিশ্চয়ই আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৯:২৫
الْمُفْسِدِينَ وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ
বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের কাজ সফল হতে দেন না। এবং আল্লাহ তাঁর বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন, যদিও তা অপছন্দনীয় হোক
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮২১৯:৪০
كَفَرُوا وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ
কুফরি করেছিল, বরং শয়তানরাই কুফরি করেছিল, বরং শয়তানরাই
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ২৭১৯:৫৯
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ شُوَاظٌ
তোমাদের উভয়ের উপর পাঠানো হবে আগুনের শিখা, আগুনের শিখা, আগুনের শিখা
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২২:৫৯
مِنْ نَارٍ شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا
আগুনের, আগুনের শিখা এবং গলিত তামা, তখন তোমরা
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২৩:০৮
لِلْمُؤْمِنِينَ وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ
মুমিনদের জন্য। এবং আমরা কুরআন থেকে নাযিল করি যা আরোগ্য ও রহমত
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২২৬:২৩
الْمُتَكَبِّرِينَ يَا مَنْ لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي
অপমানকারী! হে তিনি যাকে পৃথিবীতে কোনো কিছুই অক্ষম করতে পারে না, আকাশেও না
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫২৮:১৮
وَأَنْ تُحَرِّرَهُ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ
এবং তাকে মুক্ত করুন প্রতিটি শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭২৮:৪৪
الْمُتَكَبِّرِينَ يَا مَنْ لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ اللَّهُمَّ بِقُوَّتِكَ الَّتِي لَا تُرَدُّ
অপমানকারী! হে তিনি যাকে পৃথিবীতে কোনো কিছুই অক্ষম করতে পারে না, আকাশেও না। হে আল্লাহ! আপনার সেই শক্তি দিয়ে যা প্রতিহত হয় না
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫২৯:২১
عَلَى هَذَا الْجَسَدِ وَأَنْ تُحَرِّرَهُ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ
এই দেহের উপর এবং তাকে মুক্ত করুন প্রতিটি শয়তান থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭২৯:৩৯
الْمَاءِ وَاجْعَلْهُمْ هَبَاءً مَنْثُورًا وَاجْعَلْهُمْ
পানিতে (লবণ) এবং তাদেরকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দাও এবং তাদেরকে বানিয়ে দাও
তুলনীয়: সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩৩০:০৫
وَيَهْرُبُونَ يَجْرُونَ فِي كُلِّ وَادٍ وَيَهْرُبُونَ وَلَا مَلْجَأَ
এবং পালাবে, প্রতিটি উপত্যকায় দৌড়াবে এবং পালাবে, তাদের কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না
তুলনীয়: সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১২৬৩১:০৪
يَا مَنْ لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي
হে সত্তা, যাকে পৃথিবীতে কোনো কিছু অক্ষম করতে পারে না, আর না আকাশে
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৩১:৩২
عَلَى هَذَا الْجَسَدِ وَأَنْ تُحَرِّرَهُ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ لَعِينٍ
এই দেহের উপর, এবং তাকে প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে মুক্ত কর
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭৩১:৪৫
الشِّفَاءِ وَالْعَافِيَةِ وَالْفَرَجِ وَالرَّاحَةِ
সুস্থতা, নিরাপত্তা, মুক্তি ও প্রশান্তির
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১১৮৩৩:১২

তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)

রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
  1. ০:০০ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
  2. ০:১৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
  3. ০:৫৯ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
  4. ৪:৩৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  5. ৪:৪৪ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১১৮
  6. ৫:৫১ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১১৯
  7. ৬:১৭ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৯–১২২
  8. ৬:৩৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  9. ৬:৪০ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১–৫২
  10. ৮:২২ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১–৫২
  11. ৯:০২ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৫
  12. ৯:৪৩ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
  13. ৯:৫০ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১
  14. ১০:৪২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  15. ১১:০১ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮–৯
  16. ১১:২৮ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮–৯
  17. ১২:১৭ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮–৯
  18. ১৩:০৮ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮–৯
  19. ১৪:০১ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮–৯
  20. ১৭:৩১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  21. ১৭:৩৬ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
  22. ১৮:৩২ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
  23. ১৮:৫০ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
  24. ১৯:০২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  25. ১৯:০৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  26. ১৯:৩৫ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  27. ১৯:৪৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  28. ১৯:৫১ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
  29. ২০:১৪ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
  30. ২১:০৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  31. ২১:১২ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
  32. ২২:২০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  33. ২২:২৫ — সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৩–৩৫
  34. ২৩:১৬ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮
  35. ২৩:২০ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৪৫
  36. ২৪:১১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  37. ২৪:১৮ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৯–১০০
  38. ২৪:৫৩ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ২
  39. ২৫:১১ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ১০০
  40. ২৫:২০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  41. ২৫:২৫ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৯৬
  42. ২৫:৫৪ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
  43. ২৬:৩০ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
  44. ২৭:০০ — সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৫১
  45. ৩৩:২২ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮০–১৮২

সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী

📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।

এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:

১. খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ

আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।

🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম

"হে আল্লাহ আমার খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"

উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।

এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।

এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।

🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম

১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।

২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।

৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।

৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।

৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।

সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।

🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন

গোসলের নিয়ম:

এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।

এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।

🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন

গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।

🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন

১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।

২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।

৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।

৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।

🟢 আমল

সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।

সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।

🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন

নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।

🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।

শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।

কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।

🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল

ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন

এই গাইডলাইনের বিষয় (খুবই শক্তিশালী নারিয়া (অগ্নি) রুকইয়াহ - জাদু, হিংসা ও প্রেমাসক্ত জিনের আসর পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য - প্রভাবশালী কণ্ঠে শরিয়াসম্মত রুকইয়াহ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।

ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন

১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।

ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত

সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪ — নিয়মিততা

প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।