এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৪৩ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
সব ধরনের জাদু, হিংসা, গিঁট ও বন্ধন উন্মোচন ও নিষ্ফল করার এবং আল্লাহর অনুমতিতে আধিপত্যকারী শয়তান তাড়ানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ
🧿 সকল প্রকার সিহর (জাদু-টোনা) উদঘাটন ও নিষ্ক্রিয় করার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী শরঈ রুকইয়াহ, হিংসা-বিদ্বেষ, বন্ধন ও গিঁট মুক্ত করার এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে আধিপত্যবিস্তারকারী শয়তানকে তাড়ানোর জন্য প্রভাবশালী পদ্ধতিতে ও মহান আয়াতসমূহ সহকারে, যা আক্রান্ত ব্যক্তির অস্তিত্বকে প্রকম্পিত করে এবং তার গোপন বিষয়সমূহ উন্মোচিত করে, সাথে রয়েছে মুসলিমের সুরক্ষা ও হেফাজতের জন্য উপকারী দোয়াসমূহ, যা প্রতিদিন চিকিৎসা ও পূর্ণ আরোগ্য লাভের নিয়তে পাঠ করা হয়
রুকইয়াহ অডিও
সব ধরনের জাদু, হিংসা, গিঁট ও বন্ধন উন্মোচন ও নিষ্ফল করার এবং আল্লাহর অনুমতিতে আধিপত্যকারী শয়তান তাড়ানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ
رقية قوية جدا لكشف وإبطال السحر بكل أنواعه والحسد والعُقد والقيود وطرد الشيطان المتسلّط بإذن الله
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=dYjKbxpYMxQ
দৈর্ঘ্য: ৪৩ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৩৩ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
রুকইয়াহয় ০:১৩
قَدِ ٱفْتَرَيْنَا عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا إِنْ عُدْنَا فِى مِلَّتِكُم بَعْدَ إِذْ نَجَّىٰنَا ٱللَّهُ مِنْهَا ۚ وَمَا يَكُونُ لَنَآ أَن نَّعُودَ فِيهَآ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّنَا ۚ وَسِعَ رَبُّنَا كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًا ۚ عَلَى ٱللَّهِ تَوَكَّلْنَا ۚ رَبَّنَا ٱفْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِٱلْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْفَٰتِحِينَ ﴿٨٩﴾
৮৯. আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি, অথচ তিনি আমাদেরকে এ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। আমাদের কাজ নয় এ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করা, কিন্তু আমাদের প্রতি পালক আল্লাহ যদি চান। আমাদের প্রতিপালক প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। আল্লাহর প্রতিই আমরা ভরসা করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা। আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।
রুকইয়াহয় ০:১৭
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ ٱهْدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।
৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
রুকইয়াহয় ১:২৫
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
রুকইয়াহয় ৪:৫০، ৫:২৫ · ২ বার
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ৪:৫৬
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ৫:১২
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ৫:৩০
وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّٰتٍۢ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَٰبٍۢ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ ٱلْعُيُونِ ﴿٣٤﴾
৩৪. আমি তাতে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি তাতে নির্ঝরিণী।
রুকইয়াহয় ৭:৫১
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
রুকইয়াহয় ১৩:০৬، ১৩:২৭، ১৪:০৮، ১৪:৪৭ · ৪ বার
وَقَدِمْنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُوا۟ مِنْ عَمَلٍۢ فَجَعَلْنَٰهُ هَبَآءًۭ مَّنثُورًا ﴿٢٣﴾
২৩. আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।
রুকইয়াহয় ১৫:১৫، ৪২:৫৬ · ২ বার
১১
সূরা গাফির (আল-মু'মিন) : ৭১–৭২
إِذِ ٱلْأَغْلَٰلُ فِىٓ أَعْنَٰقِهِمْ وَٱلسَّلَٰسِلُ يُسْحَبُونَ ﴿٧١﴾ فِى ٱلْحَمِيمِ ثُمَّ فِى ٱلنَّارِ يُسْجَرُونَ ﴿٧٢﴾
৭১. যখন বেড়িও শৃঙ্খল তাদের গলদেশে পড়বে। তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে।
৭২. ফুটন্ত পানিতে, অতঃপর তাদেরকে আগুনে জ্বালানো হবে।
রুকইয়াহয় ১৮:৪৭
۞ هَٰذَانِ خَصْمَانِ ٱخْتَصَمُوا۟ فِى رَبِّهِمْ ۖ فَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابٌۭ مِّن نَّارٍۢ يُصَبُّ مِن فَوْقِ رُءُوسِهِمُ ٱلْحَمِيمُ ﴿١٩﴾ يُصْهَرُ بِهِۦ مَا فِى بُطُونِهِمْ وَٱلْجُلُودُ ﴿٢٠﴾
১৯. এই দুই বাদী বিবাদী, তারা তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বিতর্ক করে। অতএব যারা কাফের, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।
২০. ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।
রুকইয়াহয় ২০:১০
يُصْهَرُ بِهِۦ مَا فِى بُطُونِهِمْ وَٱلْجُلُودُ ﴿٢٠﴾
২০. ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।
রুকইয়াহয় ২০:৩৭، ২০:৫৯ · ২ বার
يُصْهَرُ بِهِۦ مَا فِى بُطُونِهِمْ وَٱلْجُلُودُ ﴿٢٠﴾ وَلَهُم مَّقَٰمِعُ مِنْ حَدِيدٍۢ ﴿٢١﴾ كُلَّمَآ أَرَادُوٓا۟ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا۟ فِيهَا وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿٢٢﴾
২০. ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।
২১. তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।
২২. তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।
রুকইয়াহয় ২১:২০
وَقَرْنَ فِى بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ ٱلْجَٰهِلِيَّةِ ٱلْأُولَىٰ ۖ وَأَقِمْنَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتِينَ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِعْنَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓ ۚ إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجْسَ أَهْلَ ٱلْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًۭا ﴿٣٣﴾
৩৩. তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।
রুকইয়াহয় ২২:৩০، ২২:৪২ · ২ বার
إِذْ يُغَشِّيكُمُ ٱلنُّعَاسَ أَمَنَةًۭ مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ لِّيُطَهِّرَكُم بِهِۦ وَيُذْهِبَ عَنكُمْ رِجْزَ ٱلشَّيْطَٰنِ وَلِيَرْبِطَ عَلَىٰ قُلُوبِكُمْ وَيُثَبِّتَ بِهِ ٱلْأَقْدَامَ ﴿١١﴾
১১. যখন তিনি আরোপ করেন তোমাদের উপর তন্দ্রাচ্ছন্ন তা নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রশান্তির জন্য এবং তোমাদের উপর আকাশ থেকে পানি অবতরণ করেন, যাতে তোমাদিগকে পবিত্র করে দেন এবং যাতে তোমাদের থেকে অপসারিত করে দেন শয়তানের অপবিত্রতা। আর যাতে করে সুরক্ষিত করে দিতে পারেন তোমাদের অন্তরসমূহকে এবং তাতে যেন সুদৃঢ় করে দিতে পারেন তোমাদের পা গুলো।
রুকইয়াহয় ২৩:২৫
إِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَىٰٓ إِنِّى مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَىَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَجَاعِلُ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوكَ فَوْقَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ ۖ ثُمَّ إِلَىَّ مَرْجِعُكُمْ فَأَحْكُمُ بَيْنَكُمْ فِيمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ ﴿٥٥﴾
৫৫. আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের উপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো।
রুকইয়াহয় ২৫:৪৭
وَٱسْتَفْتَحُوا۟ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍۢ ﴿١٥﴾
১৫. পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
রুকইয়াহয় ২৯:৪৩
مِّن وَرَآئِهِۦ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّآءٍۢ صَدِيدٍۢ ﴿١٦﴾ يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ ﴿١٧﴾
১৬. তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।
১৭. ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
রুকইয়াহয় ৩০:২২
يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ ﴿١٧﴾
১৭. ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
রুকইয়াহয় ৩১:১২
فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَقُلْ أَنذَرْتُكُمْ صَٰعِقَةًۭ مِّثْلَ صَٰعِقَةِ عَادٍۢ وَثَمُودَ ﴿١٣﴾
১৩. অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলুন, আমি তোমাদেরকে সতর্ক করলাম এক কঠোর আযাব সম্পর্কে আদ ও সামুদের আযাবের মত।
রুকইয়াহয় ৩৪:১৯
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ إِذَا زُلْزِلَتِ ٱلْأَرْضُ زِلْزَالَهَا ﴿١﴾ وَأَخْرَجَتِ ٱلْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾
১. যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
২. যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।
রুকইয়াহয় ৩৫:৩৬
أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُۥ جَنَّةٌۭ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَابٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ لَهُۥ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَأَصَابَهُ ٱلْكِبَرُ وَلَهُۥ ذُرِّيَّةٌۭ ضُعَفَآءُ فَأَصَابَهَآ إِعْصَارٌۭ فِيهِ نَارٌۭ فَٱحْتَرَقَتْ ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْءَايَٰتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ ﴿٢٦٦﴾
২৬৬. তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে, আর এতে সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং সে বার্ধক্যে পৌছবে, তার দুর্বল সন্তান সন্ততিও থাকবে, এমতাবস্থায় এ বাগানের একটি ঘূর্ণিবায়ু আসবে, যাতে আগুন রয়েছে, অনন্তর বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে যাবে? এমনিভাবে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ননা করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর।
রুকইয়াহয় ৩৬:১৮
قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًۭا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًۭا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا ﴿٩٧﴾
৯৭. মূসা বললেনঃ দূর হ, তোর জন্য সারা জীবন এ শাস্তিই রইল যে, তুই বলবি; আমাকে স্পর্শ করো না, এবং তোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াদা আছে, যার ব্যতিক্রম হবে না। তুই তোর সেই ইলাহের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে থাকতি। আমরা সেটি জালিয়ে দেবই। অতঃপর একে বিক্ষিপ্ত করে সাগরে ছড়িয়ে দেবই।
রুকইয়াহয় ৩৬:৪৪
فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا۟ بِٱلطَّاغِيَةِ ﴿٥﴾
৫. অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।
রুকইয়াহয় ৩৭:৪৬
وَلَا تَدْعُ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ ۘ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ كُلُّ شَىْءٍ هَالِكٌ إِلَّا وَجْهَهُۥ ۚ لَهُ ٱلْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٨٨﴾
৮৮. আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। তিনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সবকিছু ধবংস হবে। বিধান তাঁরই এবং তোমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
রুকইয়াহয় ৩৭:৫৮
وَكَذَٰلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَآ أَخَذَ ٱلْقُرَىٰ وَهِىَ ظَٰلِمَةٌ ۚ إِنَّ أَخْذَهُۥٓ أَلِيمٌۭ شَدِيدٌ ﴿١٠٢﴾
১০২. আর তোমার পরওয়ারদেগার যখন কোন পাপপূর্ণ জনপদকে ধরেন, তখন এমনিভাবেই ধরে থাকেন। নিশ্চয় তাঁর পাকড়াও খুবই মারাত্নক, বড়ই কঠোর।
রুকইয়াহয় ৩৮:৩৮
ثَانِىَ عِطْفِهِۦ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ ۖ لَهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا خِزْىٌۭ ۖ وَنُذِيقُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿٩﴾
৯. সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে বিতর্ক করে, যাতে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে দেয়। তার জন্যে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা আছে এবং কেয়ামতের দিন আমি তাকে দহন-যন্ত্রণা আস্বাদন করাব।
রুকইয়াহয় ৩৯:১৩
إِنَّ ٱلَّذِينَ فَتَنُوا۟ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا۟ فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ ٱلْحَرِيقِ ﴿١٠﴾
১০. যারা মুমিন পুরুষ ও নারীকে নিপীড়ন করেছে, অতঃপর তওবা করেনি, তাদের জন্যে আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে দহন যন্ত্রণা,
রুকইয়াহয় ৩৯:২৮
قَٰتِلُوهُمْ يُعَذِّبْهُمُ ٱللَّهُ بِأَيْدِيكُمْ وَيُخْزِهِمْ وَيَنصُرْكُمْ عَلَيْهِمْ وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍۢ مُّؤْمِنِينَ ﴿١٤﴾
১৪. যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন। তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ শান্ত করবেন।
রুকইয়াহয় ৪০:০৭
وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍۢ كَانَتْ ظَالِمَةًۭ وَأَنشَأْنَا بَعْدَهَا قَوْمًا ءَاخَرِينَ ﴿١١﴾
১১. আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।
রুকইয়াহয় ৪০:১৯
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَٰبِ مِن دِيَٰرِهِمْ لِأَوَّلِ ٱلْحَشْرِ ۚ مَا ظَنَنتُمْ أَن يَخْرُجُوا۟ ۖ وَظَنُّوٓا۟ أَنَّهُم مَّانِعَتُهُمْ حُصُونُهُم مِّنَ ٱللَّهِ فَأَتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِنْ حَيْثُ لَمْ يَحْتَسِبُوا۟ ۖ وَقَذَفَ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلرُّعْبَ ۚ يُخْرِبُونَ بُيُوتَهُم بِأَيْدِيهِمْ وَأَيْدِى ٱلْمُؤْمِنِينَ فَٱعْتَبِرُوا۟ يَٰٓأُو۟لِى ٱلْأَبْصَٰرِ ﴿٢﴾
২. তিনিই কিতাবধারীদের মধ্যে যারা কাফের, তাদেরকে প্রথমবার একত্রিত করে তাদের বাড়ী-ঘর থেকে বহিস্কার করেছেন। তোমরা ধারণাও করতে পারনি যে, তারা বের হবে এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদের দূর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর কবল থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর আল্লাহর শাস্তি তাদের উপর এমনদিক থেকে আসল, যার কল্পনাও তারা করেনি। আল্লাহ তাদের অন্তরে ত্রাস সঞ্চার করে দিলেন। তারা তাদের বাড়ী-ঘর নিজেদের হাতে এবং মুসলমানদের হাতে ধ্বংস করছিল। অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।
রুকইয়াহয় ৪০:৩৩
৩৩
সূরা আস-সাফফাত : ১৮০–১৮২
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾
১৮০. পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।
১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
১৮২. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।
রুকইয়াহয় ৪৩:২৫
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر২ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার উন্মাদনা (ওয়াসওয়াসা), অহংকার-ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে) — دعاء الاستفتاح من حديث أبي سعيد الخدري — سنن أبي داود (٧٧٥)، جامع الترمذي (٢٤٢)১ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]৫ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৫২ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
وَأَنْتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ
আর আপনিই শ্রেষ্ঠ ফায়সালাকারী
০:২৭–০:৩২
وَشِفَاءٌ وَشِفَاءٌ بِسْمِ اللَّهِ عَلَى دِينِنَا بِسْمِ اللَّهِ عَلَى أَنْفُسِنَا بِسْمِ اللَّهِ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ عَائِدٍ لَنَا بِسْمِ اللَّهِ بَرَكَةٌ وَشِفَاءٌ بِسْمِ اللَّهِ بَرَكَةٌ وَشِفَاءٌ
এবং শিফা এবং শিফা। আল্লাহর নামে আমাদের দ্বীনের উপর, আল্লাহর নামে আমাদের নিজেদের উপর, আল্লাহর নামে আমাদের প্রতি ফিরে আসা সবকিছুর উপর। আল্লাহর নামে বরকত ও শিফা, আল্লাহর নামে বরকত ও শিফা
০:৩৮–১:১৬
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ
বিতাড়িত (শয়তান) থেকে - তার কুপ্ররোচনা, তার ফুঁ ও তার কুমন্ত্রণা থেকে (আশ্রয় প্রার্থনা)
১:২১–১:২৫
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَعُقَدٍ وَشَيَاطِينَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, বদনজর, কুদৃষ্টি, গিরা (বাঁধন) ও শয়তান আছে তার উপর
২:০১–২:১২
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ مِنْ كُلِّ سِحْرٍ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ عُيُونٍ وَأَسْحَارٍ وَنَظَرَاتٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُقَدٍ وَعُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَحَسَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ عُيُونٍ وَأَسْحَارٍ وَنَظَرَاتٍ وَعُقَدٍ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, বদনজর, কুদৃষ্টি ও হিংসা আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, বদনজর, কুদৃষ্টি ও হিংসা আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি সকল জাদু থেকে এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, বদনজর, কুদৃষ্টি ও হিংসা আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু বদনজর, জাদু, কুদৃষ্টি ও হিংসা আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি। আল্লাহর নামে। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, গিরা (বাঁধন), বদনজর, কুদৃষ্টি ও হিংসা আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু বদনজর, জাদু, কুদৃষ্টি ও গিরা (বাঁধন) আছে তার উপর
৩:১০–৪:০৭
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ عُيُونٍ وَنَظَرَاتٍ وَعُقَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ وَمَا فِيهِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَعُقَدٍ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ بِسْمِ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু বদনজর, কুদৃষ্টি ও গিরা (বাঁধন) আছে তার উপর। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে, এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে, এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে, এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু আছে। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি এবং তাতে যা কিছু জাদু, বদনজর ও গিরা (বাঁধন) আছে। আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার কুপ্ররোচনা, তার ফুঁ ও তার কুমন্ত্রণা থেকে। আল্লাহর নামে
৪:০৭–৪:৫০
حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ تَفُكُّ وَتُسَهِّرُ وَتُدَمِّرُ الدُّرُوعَ وَالْحُصُونَ بِسْمِ اللَّهِ تَفُكُّ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ الدُّرُوعَ وَالْحُصُونَ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُصْهِرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُصْهِرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ دُرُوعَ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ تُسَهِّرُ وَتُدَمِّرُ الدُّرُوعَ بِسْمِ اللَّهِ تُدَمِّرُ الدُّرُوعَ
হিংসুকের হিংসা থেকে, যখন সে হিংসা করে। আল্লাহর নামে ভেঙে দেয়, গলিয়ে দেয় ও ধ্বংস করে দেয় বর্ম ও দুর্গগুলো। আল্লাহর নামে ভেঙে দেয়। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় বর্ম ও দুর্গগুলো। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় শয়তানদের বর্মসমূহ। আল্লাহর নামে গলিয়ে দেয় ও ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো। আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো
৫:৫৪–৬:৩৯
بِسْمِ اللهِ تَفُكُّ وَتُسَهْرِطُ وَتُدَمِّرُ عُقَدَهُمْ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ تَفُكُّ وَتُسَهِّرُ بِسْمِ اللهِ تَنْسِفُ قُيُودَهُمْ بِسْمِ اللهِ تُدَمِّرُ مَرَابِطَهُمْ بِسْمِ اللهِ تَدُكُّ أَقْفَالَهُمْ بِسْمِ اللهِ تَفُكُّ وَتُفَجِّرُ وَتُخْرِجُ الْعُيُونَ
আল্লাহর নামে ভেঙে দেয়, গলিয়ে দেয় এবং ধ্বংস করে দেয় তাদের গিরা (বাঁধন)। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে ভেঙে দেয় ও গলিয়ে দেয়। আল্লাহর নামে উড়িয়ে দেয় তাদের বন্ধনগুলো। আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় তাদের ঘাঁটিগুলো। আল্লাহর নামে চূর্ণ করে দেয় তাদের তালাগুলো। আল্লাহর নামে ভেঙে দেয়, বিস্ফোরিত করে দেয় এবং বের করে দেয় বদনজরগুলো
৬:৫৫–৭:১৮
اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ وَفَجَّرْنَا فِيهَا
আল্লাহ বের করে দেন শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে বের করে দেয়। আল্লাহর নামে বের করে দেয় শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে বের করে দেয় শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে বের করে দেয় শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে। এবং আমরা তার মধ্যে প্রবাহিত করলাম
৭:২৮–৭:৫১
بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّا يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ
মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর কালিমাসমূহের মাধ্যমে
৮:০৯–৯:১০
التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
পরিপূর্ণ। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান। মহান আল্লাহর নামে
৯:১৪–৯:২৩
التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
পরিপূর্ণ। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান। মহান আল্লাহর নামে
৯:৩৪–৯:৪০
الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي
সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী
৯:৪৪–১০:৫৬
الْجَسَدُ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ بِسْمِ ل وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ عَطِّلْ فِي الْجَسَدِ فَرِّقْ فِي الْجَسَدِ أَمْرِضْ فِي الْجَسَدِ أَتْعِبْ فِي الْجَسَدِ عَطِّلْ وَأَمْرِضْ وَفَرِّقْ وَأَتْعِبْ وَأَرْهِقْ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ
শরীরে - বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, অসুস্থ করে দেয় শরীরে, অসুস্থ করে দেয় শরীরে, অসুস্থ করে দেয় শরীরে, অসুস্থ করে দেয় শরীরে, অসুস্থ করে দেয়। আল্লাহর নামে এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, নষ্ট করে দেয় শরীরে, বিচ্ছিন্ন করে দেয় শরীরে, অসুস্থ করে দেয় শরীরে, ক্লান্ত করে দেয় শরীরে। নষ্ট করে দেয়, অসুস্থ করে দেয়, বিচ্ছিন্ন করে দেয়, ক্লান্ত করে দেয় ও পরিশ্রান্ত করে দেয়। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে। আল্লাহর নামে
১০:৫৬–১১:৪৯
يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ بِسْمِ اللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ التَّامَّاتِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ أَمِرَّ مَرِّضْ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْجَسَدِ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ
বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু। আল্লাহর নামে এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, অসুস্থ করে দেয়। আল্লাহর নামে বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া সকল জাদু, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, বাতিল করে দেয় শরীরে স্থায়ী হওয়া জাদু, শরীরে
১১:৫০–১২:৫৮
مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ مُسْتَقِرٍّ فِي الْجَسَدِ أَمْرَضَ أَعُوذُ
শরীরে স্থায়ী, শরীরে স্থায়ী, অসুস্থ করে দেয়। আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি
১২:৫৮–১৩:০৩
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ
তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু
১৪:০২–১৪:০৮
يَسْحَبُ كُلَّ اذم فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ يُذْهِبُ وَيَسْحَبُ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يس اسْحَبْ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ مِنْ عُقَدٍ وَعُيُونٍ وَأَسْحَارٍ بِأَمْرِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ مِنْ عُقَدٍ وَعُيُونٍ وَأَسْحَارٍ بِأَمْرِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ
শরীরে সকল ক্ষতি টেনে বের করে দেয়। আল্লাহর নামে দূর করে দেয় ও টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি - গিরা (বাঁধন), বদনজর ও জাদু থেকে - আল্লাহর হুকুমে। আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি - গিরা (বাঁধন), বদনজর ও জাদু থেকে - আল্লাহর হুকুমে। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে
১৭:১৬–১৭:৫১
بِسْمِ اللَّهِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ مِنْ عَقْدٍ وَعُيُونٍ وَأَسْحَارٍ بِأَمْرِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يَسْحَبُ مِنَ الْجَسَدِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى مِنَ الْجَسَدِ مِنْ عَقْدٍ وَعُيُونٍ وَأَسْحَارٍ بِأَمْرِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি - গিরা (বাঁধন), বদনজর ও জাদু থেকে - আল্লাহর হুকুমে। আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীর থেকে, টেনে বের করে দেয় শরীর থেকে সকল ক্ষতি - গিরা (বাঁধন), বদনজর ও জাদু থেকে - আল্লাহর হুকুমে
১৭:৫৫–১৮:১৫
اللهُ يَسْحَبُ كُلَّ اذ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ مِنْ عُقَدٍ وَعُيُونٍ وَأَسْحَارٍ بِأَمْرِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى فِي الْجَسَدِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُقَدٍ وَعُيُونٍ بِأَمْرِ اللهِ
আল্লাহ টেনে বের করে দেন সকল ক্ষতি। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি - গিরা (বাঁধন), বদনজর ও জাদু থেকে - আল্লাহর হুকুমে। আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় শরীরের সকল ক্ষতি - জাদু, গিরা (বাঁধন) ও বদনজর থেকে - আল্লাহর হুকুমে
১৮:১৯–১৮:৪৪
بُطُونِهِمْ
তাদের পেটসমূহ
২০:৩৫–২০:৩৭
بِسْمِ اللَّهِ تُسْهَرُ وَتَنْزِعُ الْمَسَامِيرَ وَالدَّبَابِيسَ بِسْمِ اللَّهِ تَنْزِعُ وَتُسْهَرُ بِسْمِ اللَّهِ تُسْهَرُ وَتَنْزِعُ الْمَسَامِيرَ وَالدَّبَابِيسَ بِسْمِ اللَّهِ تَنْزِعُ بِسْمِ اللَّهِ تُظْهِرُ وَتَنْزِعُ الْمَسَامِيرَ وَالدَّبَابِيسَ بِسْمِ اللَّهِ تَنْزِعُ الْمَسَامِيرَ وَالدَّبَابِيسَ بِسْمِ اللَّهِ تَنْزِعُ بِأَمْرِ اللَّهِ تَنْزِعُ بِإِذْنِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ تَنْزِعُ الْمَسَامِيرَ وَالدَّبَابِيسَ بِسْمِ اللَّهِ يَنْزِعُ أَذَى الشَّيْطَانِ بِسْمِ اللَّهِ يَنْزِعُ هَذَا الشَّيْطَانَ بِسْمِ اللَّهِ يَنْزِعُ كُلَّ شَيْطَانٍ
আল্লাহর নামে জাগ্রত করে ও পেরেক এবং সূচগুলো উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে উপড়ে ফেলে ও জাগ্রত করে, আল্লাহর নামে প্রকাশ করে ও পেরেক এবং সূচগুলো উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে পেরেক ও সূচগুলো উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে আল্লাহর হুকুমে উপড়ে ফেলে, আল্লাহর অনুমতিতে উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে পেরেক ও সূচগুলো উপড়ে ফেলে, আল্লাহর নামে শয়তানের ক্ষতি দূর করে দেয়, আল্লাহর নামে এই শয়তানকে দূর করে দেয়, আল্লাহর নামে প্রত্যেক শয়তানকে দূর করে দেয়
২১:৪১–২২:২৪
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ أَنْ يُذْهِبَ
এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করে দিতে চান, আল্লাহ তো শুধু ইচ্ছা করেন দূর করে দিতে
২২:৩৬–২২:৪২
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করে দিতে চান
২৩:২১–২৩:২৫
وَيُذْهِبُ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطَانِ وَيُذْهِبُ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطَانِ وَيُذْهِبُ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطَانِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ مِنَ الْعُيُونِ
এবং তোমাদের থেকে শয়তানের অপবিত্রতা দূর করে দেন, এবং তোমাদের থেকে শয়তানের অপবিত্রতা দূর করে দেন, এবং তোমাদের থেকে শয়তানের অপবিত্রতা দূর করে দেন। মহান আল্লাহর নামে, সুমহান আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে, মহান আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে, মহান আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে; দেহকে পবিত্র করে, পবিত্র করে, দেহকে পবিত্র করে, দেহকে পবিত্র করে, দেহকে পবিত্র করে, দেহকে পবিত্র করে, বদনজর থেকে পবিত্র করে, বদনজর থেকে, বদনজর থেকে, বদনজর থেকে, বদনজর থেকে, বদনজর থেকে, বদনজর থেকে
২৩:৪৫–২৪:৩৪
يُطَهِّرُ الْجَسَدَ مِنَ الْأَسْحَارِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ يُطَهِّرُ مِنَ الْأَسْحَارِ مِنَ الْأَسْحَارِ مِنَ الْأَسْحَارِ مِنَ الْأَسْحَارِ مِنَ الْأَسْحَارِ بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ مِنْ أَذَى الشَّيَاطِينِ مِنْ أَذَى الشَّيَاطِينِ مِنْ أَذَى الشَّيَاطِينِ مِنْ أَذَى الشَّيَاطِينِ مِنَ الْعُقَدِ وَالْعُيُونِ وَالدَّبَابِيسِ وَالْمَسَامِيرِ وَالْخُيُوطِ وَالسَّلَاسِلِ وَالْقُيُودِ وَالْمَرَابِطِ وَالْأَقْفَالِ
দেহকে জাদু থেকে পবিত্র করে, দেহকে পবিত্র করে, জাদু থেকে পবিত্র করে, জাদু থেকে, জাদু থেকে, জাদু থেকে, জাদু থেকে, আল্লাহর নামে দেহকে শয়তানদের ক্ষতি থেকে পবিত্র করে, শয়তানদের ক্ষতি থেকে, শয়তানদের ক্ষতি থেকে, শয়তানদের ক্ষতি থেকে, বাঁধন ও বদনজর ও সূচ ও পেরেক ও সুতা ও শিকল ও বন্ধন ও তালা থেকে
২৪:৪২–২৫:১৯
بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ تَطْهِيرًا تَطْهِيرًا بِأَمْرِ اللَّهِ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ
আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে দেহকে পবিত্র করে, আল্লাহর নামে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করে, সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করে আল্লাহর হুকুমে, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে
২৫:১৯–২৫:৪৭
وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا
এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী, এবং তোমাকে কাফেরদের থেকে পবিত্রকারী
২৫:৫৩–২৬:০৭
مَا شَاءَ اللَّهُ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ
আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে (নয়বার পুনরাবৃত্তি) — আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে
২৬:৩২–২৭:২৪
وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ اللَّهُمَّ يَا قَاهِرَ الْمُتَكَبِّرِينَ وَالْمُتَجَبِّرِينَ يَا قَاصِمَ الْجَبَابِرَةِ يَا قَاصِمَ الْجَبَابِرَةِ يَا قَاصِمَ الْجَبَابِرَةِ وَكَاسِرَ الْأَكَاسِرَةِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ
এবং যা তিনি চাননি তা হয়নি, এবং যা তিনি চাননি তা হয়নি, এবং যা তিনি চাননি তা হয়নি। মহান, সুমহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ, হে অহংকারী ও উদ্ধতদের দমনকারী (ছয়বার পুনরাবৃত্তি), হে অত্যাচারীদের চূর্ণকারী (তিনবার), এবং সম্রাটদের ধ্বংসকারী, হে আল্লাহ দেহের মধ্যে জাদুর সেবককে পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ পুড়িয়ে দাও সেবককে
২৭:২৫–২৮:২৫
السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْ خَادِمَ السِّحْرِ فِي الْبَدَنِ اللَّهُمَّ افْضَحْهُمْ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ فِي الْبَدَنِ وَحَوْلَ الْبَدَنِ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا افْضَحْهُمْ فِي الْبَدَنِ وَحَوْلَ الْبَدَنِ اللَّهُمَّ اطْرُدْهُمْ مِنَ الْبَدَنِ وَحَوْلَ الْبَدَنِ اللَّهُمَّ اطْرُدْهُمْ حَوْلَ الْبَدَنِ وَبِالْبَدَنِ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ قُمْ هَدْمَ حُصُونِهِمْ هَدْمَ حُصُونِهِمْ هَدْمَ حُصُونِهِمْ
দেহে জাদুর সেবককে, হে আল্লাহ দেহে জাদুর সেবককে পুড়িয়ে দাও (বহুবার), হে আল্লাহ তাদের ফাঁস করে দাও, হে আল্লাহ তাদের দেহে ও দেহের চারপাশে পুড়িয়ে দাও, হে আমাদের রব তাদের দেহে ও দেহের চারপাশে ফাঁস করে দাও, হে আল্লাহ তাদের দেহ থেকে ও দেহের চারপাশ থেকে তাড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তাদের দেহের চারপাশ থেকে ও দেহ থেকে তাড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তাদের পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তাদের পুড়িয়ে দাও, উঠো, তাদের দুর্গ ধ্বংস করো, তাদের দুর্গ ধ্বংস করো, তাদের দুর্গ ধ্বংস করো
২৮:২৫–২৯:০৫
هَدْمَ حُصُونِهِمْ اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقَدَهُمْ اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقَدَهُمْ دَاخِلَ الْجَسَدِ دَاخِلَ الْجَسَدِ دَاخِلَ الْجَسَدِ دَاخِلَ الْجَسَدِ دَاخِلَ الْجَسَدِ دَاخِلَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ دَمِّرْهُمْ تَدْمِيرًا اللَّهُمَّ انْسِفْهُمْ نَسْفًا فِي الْبَدَنِ وَحَوْلَ الْبَدَنِ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ هَدِّمْ كُلَّ حِصْنٍ بَنَوْهُ وَعُقْدَةٍ عَقَدُوهَا دَاخِلَ الْجَسَدِ وَحَوْلَهُ وَاسْتَفْتَحُوا
তাদের দুর্গ ধ্বংস করো, হে আল্লাহ তাদের গিঁট চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও, হে আল্লাহ তাদের গিঁট চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও দেহের ভিতরে (বহুবার), হে আল্লাহ তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দাও, হে আল্লাহ তাদের দেহে ও দেহের চারপাশে সম্পূর্ণরূপে উড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ তাদের তৈরি প্রত্যেক দুর্গ এবং দেহের ভিতরে ও চারপাশে বাঁধা প্রত্যেক গিঁট ধ্বংস করে দাও যা তারা খুলে দিয়েছিল
২৯:০৫–২৯:৩৭
وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ وَيَأْتِيهِ الْمَوْتُ
এবং তার কাছে মৃত্যু আসবে (পাঁচবার পুনরাবৃত্তি)
৩০:৫৪–৩১:১২
عَذَابٌ غَلِيظٌ اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ حِصْنٍ لِلشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ حِصْنٍ لِلشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ حِصْنٍ لِلشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ حِصْنٍ لِلشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ شَتِّتْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ شَتِّتْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ انْسِفْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ عُقْدَةٍ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ
কঠোর শাস্তি। হে আল্লাহ শয়তানদের প্রত্যেক দুর্গ চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও (চারবার), হে আল্লাহ প্রত্যেক গিঁট ছিন্নভিন্ন করে দাও (দুইবার), হে আল্লাহ প্রত্যেক গিঁট চূর্ণবিচূর্ণ করে দাও, হে আল্লাহ প্রত্যেক গিঁট পুড়িয়ে দাও (দুইবার) যা দিয়ে অবাধ্য শয়তানরা দুর্গবদ্ধ হয়েছিল (বহুবার পুনরাবৃত্তি) — যা দিয়ে অবাধ্য শয়তানরা দুর্গবদ্ধ হয়েছিল
৩১:২৮–৩২:১৭
بِهَا الْمَرَدَةُ تَحَصَّنَتْ بِهَا الْعَفَارِيتُ تَحَصَّنَتْ بِهَا العف فَرَّتْ اللَّهُمَّ اكْشِفْ كُلَّ شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ اكْشِفْ كُلَّ جِنٍّ وَشَيْطَانٍ اللَّهُمَّ فُكَّ اثر مَنْ اسرو اللَّهُمَّ فُكَّ أَسْرَ مَنْ أَسَرُوهُ اللَّهُمَّ فُكَّ أَسْرَى مَنْ أَسَرُوهُ اللَّهُمَّ فُكَّ أَسْرَى مَنْ أَسَرُوهُ عُدْوَانًا وَظُلْمًا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا فُكَّ الْقُيُودَ بِسْمِ اللهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ وَسَحَرَ وَحَسَدَ وَخَدَمَ دَمَ الْعَيْنِ وَالْحَسَدِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ
যা দিয়ে অবাধ্য শয়তানরা দুর্গবদ্ধ হয়েছিল, যা দিয়ে ইফরিতরা দুর্গবদ্ধ হয়েছিল, যা দিয়ে ইফরিতরা দুর্গবদ্ধ হয়েছিল। হে আল্লাহ প্রত্যেক শয়তানকে উন্মোচন করে দাও, হে আল্লাহ প্রত্যেক জিন ও শয়তানকে উন্মোচন করে দাও, হে আল্লাহ যাদের বন্দী করা হয়েছে তাদের মুক্ত করো (কয়েকবার), যাকে অন্যায়ভাবে ও জুলুম করে বন্দী করা হয়েছে, হে আমাদের রব বন্ধন খুলে দাও। আল্লাহর নামে যা বাস করেছে, বাঁধা হয়েছে, বন্ধন করা হয়েছে, জাদু করা হয়েছে, হিংসা করা হয়েছে এবং বদনজরের সেবা করেছে তা বের হয়ে যায়, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে
৩২:১৭–৩৩:০০
بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ كُلُّ مَنْ سَكَنَ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ وَسَحَرَ وَحَسَدَ وَخَدَمَ الْعَيْنَ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে যা কিছু বাস করেছে তা বের হয়ে যায়, বাস, বাঁধন, বন্ধন, জাদু, হিংসা এবং বদনজরের সেবা থেকে বের হয়ে যায়, আল্লাহর নামে বাস ও বাঁধন থেকে বের হয়ে যায় (কয়েকবার পুনরাবৃত্তি), আল্লাহর নামে বাস, বাঁধন ও বন্ধন থেকে বের হয়ে যায়, আল্লাহর নামে
৩৩:০৭–৩৩:৩২
سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ بِسْمِ اللهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ بِسْمِ اللهِ يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ وَسَحَرَ وَكَتَبَ ونف بِسْمِ اللهِ يَخْرُجُ جون يَخْرُجُونَ بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ يَصْعَقُ كُلَّ جِنٍّ مَسَّ الْأَبْدَانَ يَصْعَقُ كُلَّ جِنٍّ مَسَّ الْأَبْدَانَ يَصْعَقُ يَصْعَقُ يَصْعَقُ كُلَّ جِنٍّ مَسَّ الْأَبْدَانَ
বাস, বাঁধন ও বন্ধন থেকে, আল্লাহর নামে বাস, বাঁধন, বন্ধন, জাদু, লেখা (তাবিজ) ও ফুঁক থেকে বের হয়ে যায়। আল্লাহর নামে জিনরা বের হয়ে যায়, তোমার নামে বের হয়ে যায়, হে মহান আল্লাহ, সুমহান — দেহে প্রবেশকারী প্রত্যেক জিন বজ্রাহত হোক, দেহে প্রবেশকারী প্রত্যেক জিন বজ্রাহত হোক, বজ্রাহত হোক, বজ্রাহত হোক, বজ্রাহত হোক দেহে প্রবেশকারী প্রত্যেক জিন
৩৩:৩৭–৩৪:১৪
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُزَلْزِلُ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُ أَكْبَرُ يُزَلْزِلُ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُزَلْزِلُ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُزَلْزِلُ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ
আল্লাহর নামে এবং আল্লাহু আকবার, দেহের মধ্যে প্রত্যেক শয়তানকে প্রকম্পিত করে দেয় (চারবার পুনরাবৃত্তি)
৩৫:০৬–৩৫:৩৬
بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ
আল্লাহর নামে দেহের মধ্যে প্রত্যেক আসক্ত (প্রেমাসক্ত জিন)-কে পুড়িয়ে দেয় (পাঁচবার পুনরাবৃত্তি)
৩৫:৫৪–৩৬:১৮
إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ
একটি ঘূর্ণিঝড় যাতে আগুন ছিল, ফলে তা পুড়ে গেল
৩৬:৪০–৩৬:৪৪
فِي الْيَمِّ نَسْفًا بِسْمِ اللَّهِ يُهْلِكُ كُلَّ جِنٍّ مَارِدٍ عَاشِقٍ تَسَلَّطَ بِلَيْلٍ وَنَهَارٍ بِسْمِ اللَّهِ يُهْلِكُ كُلَّ جِنٍّ
সমুদ্রে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়। আল্লাহর নামে দিনে ও রাতে আধিপত্যকারী প্রত্যেক অবাধ্য আসক্ত জিনকে ধ্বংস করে দেয়, আল্লাহর নামে প্রত্যেক জিনকে ধ্বংস করে দেয়
৩৭:০৪–৩৭:১৫
بِسْمِ اللَّهِ يُهْلِكُ كُلَّ جِنٍّ عَاشِقٍ مَارِدٍ تَسَلَّطَ بِلَيْلٍ وَنَهَارٍ بِسْمِ اللَّهِ يُهْلِكُ كُلَّ جِنٍّ مَارِدٍ عَاشِقٍ تَسَلَّطَ بِلَيْلٍ وَنَهَارٍ بِسْمِ اللَّهِ يُهْلِكُ كُلَّ جِنٍّ مَارِدٍ عَاشِقٍ تَسَلَّطَ بِلَيْلٍ وَنَهَارٍ
আল্লাহর নামে দিনে ও রাতে আধিপত্যকারী প্রত্যেক আসক্ত অবাধ্য জিনকে ধ্বংস করে দেয় (তিনবার পুনরাবৃত্তি)
৩৭:২১–৩৭:৪৫
وَجْهَهُ كُلُّ شَيْءٍ هَالِكٌ إِلَّا وَجْهَهُ اللَّهُمَّ خُذْهُ أَخْذَ
তাঁর সত্তা ব্যতীত সবকিছুই ধ্বংসশীল। হে আল্লাহ তাকে পাকড়াও করো পাকড়াও
৩৮:১৫–৩৮:২১
عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
পরাক্রমশালী সর্বশক্তিমানের ন্যায়, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক
৩৮:৩২–৩৮:৩৮
إِنَّ أَخْذَهُ أَلِيمٌ شَدِيدٌ إِنَّ أَخْذَهُ أَلِيمٌ شَدِيدٌ إِنَّ أَخْذَهُ أَلِيمٌ شَدِيدٌ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي
নিশ্চয় তাঁর পাকড়াও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও কঠোর (তিনবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ দেহের মধ্যে প্রত্যেক শয়তানকে পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ দেহের মধ্যে প্রত্যেক শয়তানকে পুড়িয়ে দাও
৩৮:৫০–৩৯:১৩
الْحَرِيقِ عَذَابُ الْحَرِيقِ عَذَابُ الْحَرِيقِ
অগ্নিদাহের শাস্তি, অগ্নিদাহের শাস্তি, অগ্নিদাহের শাস্তি
৩৯:২২–৩৯:২৮
اللَّهُمَّ اجْعَلِ الدَّمَ وَالْعِظَامَ وَالْمَفَاصِلَ وَالْعُرُوقَ وَالْأَوْرِدَةَ وَالشَّرَايِينَ وَالْجُلُودَ عَلَيْهِمْ نَارًا حَارِقَةً صَاعِقَةً مُدَمِّرَةً اللَّهُمَّ اجْعَلِ الدِّمَاءَ وَالْعِظَامَ وَالْمَفَاصِلَ وَالْعُرُوقَ وَالْأَوْرِدَةَ وَالشَّرَايِينَ وَالْجُلُودَ عَلَيْهِمْ نَارًا حَارِقَةً صَاعِقَةً مُدَمِّرَةً وَاجْعَلْ تَدْمِيرَهُمْ بِلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُمَّ اكْسِرْ شَوْكَتَهُمْ اللَّهُمَّ اكْسِرْ
হে আল্লাহ রক্ত, হাড়, জোড়া, শিরা, রগ, ধমনী ও চামড়াকে তাদের জন্য প্রজ্বলিত, বজ্রাঘাতকারী, ধ্বংসকারী আগুন বানিয়ে দাও; হে আল্লাহ রক্ত, হাড়, জোড়া, শিরা, রগ, ধমনী ও চামড়াকে তাদের জন্য প্রজ্বলিত, বজ্রাঘাতকারী, ধ্বংসকারী আগুন বানিয়ে দাও এবং তাদের ধ্বংস করে দাও 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' দিয়ে; হে আল্লাহ তাদের শক্তি ভেঙে দাও, হে আল্লাহ ভেঙে দাও
৩৯:৪১–৪০:০৭
وَحُصُونَهُمْ وَدُرُوعَهُمْ وَطَلَامَهُمْ وَجَدَاوِلَهُمْ اللَّهُمَّ احْرِقْ طَلَامَهُمْ
এবং তাদের দুর্গ, বর্ম, অত্যাচার ও পথসমূহ। হে আল্লাহ তাদের অত্যাচার পুড়িয়ে দাও
৪০:২৮–৪০:৩৩
فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ بِقُوَّتِكَ يَا عَزِيزُ يَا جَبَّارُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْجَسَدِ بِقُوَّتِكَ يَا عَزِيزُ يَا جَبَّارُ يَا مُنْتَقِمُ دَمِّرْ الْجِ دَمِّرْ دَمِّرْهُمْ دَمِّرْ هَذَا الْجِنَّ الْفَاسِقَ الزَّانِيَ الَّذِي تَسَلَّطَ بِالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ وَالسِّحْرِ وَتَحَصَّنَ بِهِمْ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّجُومَ عَلَيْهِ رُجُومًا وَالزَّقُّومَ لَهُ طَعَامًا اللَّهُمَّ اسْقِهِ حَمِيمًا اللَّهُمَّ أَهْلِكْ هَلَاكَ عَادٍ وَثَمُودَ
সুতরাং শিক্ষা গ্রহণ করো, হে চক্ষুষ্মানরা! হে আল্লাহ তোমার শক্তি দিয়ে তাদের দেহ থেকে বের করে দাও, হে পরাক্রমশালী, হে মহাশক্তিধর (বহুবার পুনরাবৃত্তি), হে প্রতিশোধ গ্রহণকারী, ধ্বংস করো, ধ্বংস করো, তাদের ধ্বংস করো — এই পাপাচারী, ব্যভিচারী জিনকে ধ্বংস করো যে বদনজর, হিংসা ও জাদু দিয়ে আধিপত্য করেছে এবং তাদের দ্বারা সুরক্ষিত হয়েছে। হে আল্লাহ নক্ষত্রগুলোকে তার জন্য নিক্ষেপযোগ্য বস্তু বানাও এবং যাক্কুম বৃক্ষকে তার খাদ্য বানাও, হে আল্লাহ তাকে ফুটন্ত পানি পান করাও, হে আল্লাহ তাকে আদ ও সামুদ জাতির মতো ধ্বংস করো
৪০:৫৭–৪১:৪৪
اللَّهُمَّ أَرْسِلْ عَلَيْهِ مَلَائِكَةً مِنْ عِنْدِكَ اللَّهُمَّ أَرْسِلْ عَلَيْهِ مَلَائِكَةً مِنْ عِنْدِكَ مَلَائِكَةً مِنْ عِنْدِكَ وَجُنْدًا مِنْ جُنْدِكَ يُحْرِقُونَهُمْ وَيُعَذِّبُونَهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا عَذَابًا شَدِيدًا عَذَابًا شَدِيدًا عَذَابًا شَدِيدًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَهُمْ وَزَلْزِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَعُقْدَةٍ وَكُلَّ سِحْرٍ وَعُقْدَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ وَزَلْزِلْ كُلَّ سِحْرٍ عُقْدَةٍ وَعَزَمَ عَلَيْهِ السَّاحِرُ عُقْدَةٍ وَعَزَمَ عَلَيْهِ السَّاحِرُ عُقْدَةٍ عُقْدَةٍ عُقْدَةٍ عُقْدَةٍ عُقْدَةٍ عُقْدَةٍ وَعَزَمَ عَلَيْهِ السَّاحِرُ أَوِ السَّاحِرَةُ بِنَفَثَاتِهِمُ الْخَبِيثَةِ بِنَفَثَاتِهِمُ الْخَبِيثَةِ بِنَفَثَاتِهِمُ الْخَبِيثَةِ بِنَفَثَاتِهِمُ الْخَبِيثَةِ بِنَفَثَاتِهِمُ الْخَبِيثَةِ وَرِيقِهِمُ النَّجِسِ
হে আল্লাহ তার উপর তোমার পক্ষ থেকে ফেরেশতা পাঠাও (দুইবার), তোমার পক্ষ থেকে ফেরেশতা এবং তোমার বাহিনী থেকে সৈন্য পাঠাও যারা তাদের পুড়িয়ে দেবে এবং কঠোর শাস্তি দেবে (চারবার পুনরাবৃত্তি), হে আল্লাহ তাদের জাদু নিষ্ফল করো এবং প্রত্যেক জাদু ও গিঁট চূর্ণবিচূর্ণ করো, এবং প্রত্যেক জাদু ও গিঁট — হে আল্লাহ নিষ্ফল করো এবং প্রত্যেক জাদু ও গিঁট চূর্ণবিচূর্ণ করো যা জাদুকর দৃঢ়সংকল্প করে বেঁধেছে — গিঁট, সংকল্প (বহুবার পুনরাবৃত্তি) — এবং জাদুকর বা জাদুকরনী যা তাদের নোংরা ফুঁক এবং অপবিত্র থুতু দিয়ে সংকল্প করেছে
৪১:৪৪–৪২:৩৮
وَبِتَعَاوِيذِهِمُ الْكُفْرِيَّةِ وَكُلِّ شَيْطَانٍ سَلَّطُومْ اللَّهُمَّ أَذْهِبْهُمْ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ شُلَّ أَيْدِيَهُمْ وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُمْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
এবং তাদের কুফরি তাবিজ-মন্ত্র দিয়ে এবং প্রত্যেক শয়তান যাদের আধিপত্য দেওয়া হয়েছে। হে আল্লাহ তাদের দূর করে দাও, হে আল্লাহ তাদের পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তাদের হাত অবশ করে দাও এবং তাদের নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাও, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক
৪২:৩৮–৪২:৫৬
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرًا وَحُلَّ عُقْدًا وَفُكَّ رَبْطًا وَأَخْرِجْ عُيُونًا وَمَسًّا وَحَسَدًا بِحَوْلِكَ وَقُدْرَتِكَ يَا عَزِيزُ يَا قَدِيرُ سُبْحَانَ رَبِّكَ
হে আল্লাহ জাদু নিষ্ফল করো, গিঁট খুলে দাও, বন্ধন মুক্ত করো এবং বদনজর, জিনের আসর ও হিংসা বের করে দাও — তোমার শক্তি ও ক্ষমতা দিয়ে, হে পরাক্রমশালী, হে সর্বশক্তিমান, পবিত্র তোমার রব
৪৩:০৯–৪৩:২৫
অন্যান্য পঠিত অংশ ৬৬ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:৩২
بِسْمِ اللَّهِ بَرَكَةٌ
আল্লাহর নামে, বরকত
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:৩৫
بِسْمِ اللَّهِ بَرَكَةٌ
আল্লাহর নামে, বরকত
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:৪১
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:১২
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:১৭
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:২২
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:২৫
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:৩০
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:৩৬
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:৩৯
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:৪৪
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:৪৭
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২:৫২
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:৫৪
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২:৫৮
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي الْجَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِ الْجَسَدَ
আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে শরীরে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২৩:০১
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩:০৫
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। বলুন, আমি ভোরের রবের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৫:০৭
بِسْمِ اللَّهِ تُدَمِّرُ الدُّرُوعَ
আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৩৯
بِسْمِ اللَّهِ تُدَمِّرُ الدُّرُوعَ
আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৪৩
بِسْمِ اللَّهِ تُدَمِّرُ مَرَّ الدُّرُوعَ
আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৪৬
بِسْمِ اللَّهِ تُدَمِّرُ الدُّرُوعَ
আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় বর্মগুলো
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৫০
بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ تُخْرِجُ كُلَّ عَيْنٍ تَرَاكَمَتْ فِي الْجَسَدِ بِسْمِ
আল্লাহর নামে বের করে দেয় শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে বের করে দেয় শরীরে জমে থাকা প্রতিটি বদনজর। আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৩৭:১৮
وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ
এবং আমরা তার মধ্যে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করলাম
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৩৪৭:৫৭
وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ
এবং আমরা তার মধ্যে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করলাম
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৩৪৮:০০
وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ
এবং আমরা তার মধ্যে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করলাম
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৩৪৮:০৫
التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ بِكَلِمَاتِهِ
পরিপূর্ণ। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, তাঁর কালিমাসমূহের মাধ্যমে
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩–৩৪৯:১০
الْأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ
সর্বমহান। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর কালিমাসমূহের মাধ্যমে
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩–৩৪৯:২৩
التَّامَّاتِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ وَبِكَلِمَاتِهِ
পরিপূর্ণ। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান, এবং তাঁর কালিমাসমূহের মাধ্যমে
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩–৩৪৯:২৮
الْأَعْظَمِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ
সর্বমহান। মহান আল্লাহর নামে, সর্বমহান
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩৯:৪০
>> بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ
>> মহান আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৯:৪৩
فِي الْجَسَدِ بِسْمِ اللَّهِ الْعَظِيمِ الْعَظِيمِ الْأَعْظَمِ
শরীরে। মহান আল্লাহর নামে, মহান, সর্বমহান
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩–৩৪১২:০৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৩:১৮
مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ
তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৪:৩৯
فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا
অতঃপর আমি তাকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দিলাম
তুলনীয়: সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩১৭:০৫
بِسْمِ اللهِ يَسْحَبُ كُلَّ اذم مِنَ الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ
আল্লাহর নামে শরীর থেকে টেনে বের করে দেয় সকল ক্ষতি। আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১৭:১১
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১৭:৫১
بِسْمِ اللَّهِ يَسْحَبُ بِسْمِ اللَّهِ يَسْحَبُ كُلَّ أَذًى بِسْمِ
আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয়। আল্লাহর নামে টেনে বের করে দেয় সকল ক্ষতি। আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৩১৮:১৫
يَصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُسَهِّرُ بِهِ مَا فِي
যা দ্বারা তাদের পেটে যা আছে তা গলিয়ে দেয়া হবে, যা দ্বারা তাদের পেটে যা আছে তা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২০:৩১
يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي
এর দ্বারা তাদের পেটের ভেতরে যা কিছু আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা যা আছে তা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২০:৪০
بُطُونِهِمْ يُسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ مَا
তাদের পেট, এর দ্বারা পেটে যা আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা যা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২০:৪৫
فِي بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ
তাদের পেটে, এর দ্বারা তাদের পেটে যা আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২০:৫১
مَا فِي بُطُونِهِمْ
তাদের পেটে যা আছে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২০:৫৭
يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي
এর দ্বারা তাদের পেটের ভেতরে যা কিছু আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা যা আছে তা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২১:০৩
بُطُونِهِمْ يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُسْهَرُ بِهِ مَا
তাদের পেট, এর দ্বারা তাদের পেটে যা আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা যা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২১:০৮
فِي بُطُونِهِمْ يُسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِ هُمْ يُصْهَرُ بِهِ
তাদের পেটে, এর দ্বারা তাদের পেটে যা আছে তা গলে যাবে, এর দ্বারা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০২১:১৩
بِسْمِ اللَّهِ يُطَهِّرُ الْجَسَدَ مِنَ الْأَسْحَارِ
আল্লাহর নামে দেহকে জাদু থেকে পবিত্র করে দেয়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৪:৩৪
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে (আল্লাহর নামে)
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৫:২৮
بِسْمِ اللَّهِ مَا شَاءَ اللَّهُ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ যা চেয়েছেন (তাই হয়েছে)
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৬:০৭
مَا شَاءَ اللَّهُ مَا شَاءَ اللَّهُ
আল্লাহ যা চেয়েছেন, আল্লাহ যা চেয়েছেন
তুলনীয়: সূরা আল-আ'লা, আয়াত ৭২৬:১২
مَا شَاءَ اللَّهُ مَا شَاءَ اللَّهُ
আল্লাহ যা চেয়েছেন, আল্লাহ যা চেয়েছেন
তুলনীয়: সূরা আল-আ'লা, আয়াত ৭২৬:২৬
وَخَابَ جَبَّارٌ عَنِيدٌ
এবং উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৯:৩৭
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৯:৫০
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী, অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৯:৫৫
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৯:৫৯
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫৩০:০৩
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫৩০:০৮
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত অবাধ্যকারী ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫৩০:১২
مِنْ وَرَائِهِ جَهَنَّمُ
তার পেছনে জাহান্নাম
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৬৩০:১৬
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩৩:০২
يَخْرُجُ مَنْ سَكَنَ وَعَقَدَ وَرَبَطَ بِسْمِ اللَّهِ يَخْرُجُ مَنْ
বাস, বাঁধন ও বন্ধন থেকে বের হয়ে যায়, আল্লাহর নামে বের হয়ে যায়
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ২২৩৩:৩২
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৩৩:৫৩
اخْتَرَقَ الْأَبْدَانَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
দেহে অনুপ্রবেশ করেছে। আমি শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৩৪:১৪
مَارِدٍ عَاشِقٍ تَسَلَّطَ بِلَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ
অবাধ্য আসক্ত জিন যে রাতে বা দিনে আধিপত্য করেছিল
তুলনীয়: সূরা নূহ, আয়াত ৫৩৭:১৫
عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ اللَّهُمَّ خُذْهُ أَخْذَ عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ
পরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমানের ন্যায়। হে আল্লাহ তাকে পাকড়াও করো পরাক্রমশালী সর্বশক্তিমানের ন্যায়
তুলনীয়: সূরা আল-কামার, আয়াত ৪২৩৮:২১
اللَّهُمَّ خُذْهُ أَخْذَ عَزِيزٍ مُقْتَدِرٍ اللَّهُمَّ خُذْهُ أَخْذَ
হে আল্লাহ তাকে পাকড়াও করো পরাক্রমশালী সর্বশক্তিমানের ন্যায়, হে আল্লাহ তাকে পাকড়াও করো
তুলনীয়: সূরা আল-কামার, আয়াত ৪২৩৮:২৭
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ০:০১ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ০:০৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে)
- ০:১৩ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ০:১৭ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৮৯
- ১:১৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১:২৫ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৭
- ৪:৫০ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
- ৪:৫৬ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৩–৫
- ৫:১২ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ২–৫
- ৫:২৫ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
- ৫:৩০ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৫
- ৭:৫১ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৩৪
- ১৩:০৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৩:০৬ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৩:২৭ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৪:০৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৪:৪৭ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৫:১১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৫:১৫ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
- ১৮:৪৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৮:৪৭ — সূরা গাফির (আল-মু'মিন), আয়াত ৭১–৭২
- ২০:০৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২০:১০ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯–২০
- ২০:৩৭ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০
- ২০:৫৯ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০
- ২১:২০ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০–২২
- ২২:২৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২২:৩০ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৩৩
- ২২:৪২ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৩৩
- ২৩:২৫ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ১১
- ২৫:৪৭ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৫
- ২৯:৪৩ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫
- ৩০:২২ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৬–১৭
- ৩১:১২ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৭
- ৩৪:১৯ — সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ১৩
- ৩৫:৩৬ — সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ১–২
- ৩৬:১৮ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৩৬:৪৪ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৯৭
- ৩৭:৪৬ — সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৫
- ৩৭:৫৮ — সূরা আল-কাসাস, আয়াত ৮৮
- ৩৮:৩৮ — সূরা হূদ, আয়াত ১০২
- ৩৯:১৩ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ৯
- ৩৯:২৮ — সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১০
- ৪০:০৭ — সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১৪
- ৪০:১৯ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১১
- ৪০:৩৩ — সূরা আল-হাশর, আয়াত ২
- ৪২:৫৬ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
- ৪৩:২৫ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮০–১৮২
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. সব ধরনের জাদু, হিংসা, গিঁট ও বন্ধন উন্মোচন ও নিষ্ফল করার এবং আল্লাহর অনুমতিতে আধিপত্যকারী শয়তান তাড়ানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার সব ধরনের জাদু, হিংসা, গিঁট ও বন্ধন উন্মোচন ও নিষ্ফল করার এবং আল্লাহর অনুমতিতে আধিপত্যকারী শয়তান তাড়ানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (সব ধরনের জাদু, হিংসা, গিঁট ও বন্ধন উন্মোচন ও নিষ্ফল করার এবং আল্লাহর অনুমতিতে আধিপত্যকারী শয়তান তাড়ানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।