بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
✦ ✦ ✦
রুকইয়াহ গাইডলাইন — বাংলা অর্থসহ

শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য

رقية قوية مؤثرة بقراءة خاشعة ودعاء قوي مزلزل لإبطال السحر وفك العقد
✦ ✦ ✦
শাইখ أبو محمد العراقي-এর রুকইয়াহ থেকে সংকলিত · RUQ-0013
রাকী ফয়সাল আহমেদ সাবিত
আল কুরআন রুকইয়াহ হিলিং সেন্টার
Al Quranic Ruqyah Healing Center

এই গাইডলাইন সম্পর্কে

এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৫০ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।

আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।

এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য

শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য

প্রভাবশালী শারয়ী রুকইয়াহ — বিনম্র চিত্তে কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর অনুমতিক্রমে জাদু বাতিল ও বাঁধন খোলার জন্য এই রুকইয়াহ আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর উপর ভিত্তি করে, যা বিনম্রতা ও কাকুতি-মিনতির সাথে বিশুদ্ধ ও ব্যাপক দোয়াসমূহসহ পাঠ করা হয়। আমরা মহান আল্লাহ, মহান আরশের রবের কাছে প্রার্থনা করি, যেন তিনি এতে শিফা রাখেন এবং এর মাধ্যমে জাদু বাতিল করেন, বাঁধন খুলে দেন, ক্ষতি দূর করেন এবং অনিষ্ট সরিয়ে দেন। কেননা তিনিই একমাত্র শিফাদাতা, তাঁর শিফা ছাড়া কোনো শিফা নেই।

রুকইয়াহ অডিও

শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য

رقية قوية مؤثرة بقراءة خاشعة ودعاء قوي مزلزل لإبطال السحر وفك العقد

🔗 https://www.youtube.com/watch?v=Z2_PuBeNr_E

দৈর্ঘ্য: ৫০ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে

রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ১৯ আয়াত-পরিসর

প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
সূরা আল-ফাতিহা : ১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾

১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

রুকইয়াহয় ০:২৭
সূরা আল-আ'রাফ : ৮৯
قَدِ ٱفْتَرَيْنَا عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا إِنْ عُدْنَا فِى مِلَّتِكُم بَعْدَ إِذْ نَجَّىٰنَا ٱللَّهُ مِنْهَا ۚ وَمَا يَكُونُ لَنَآ أَن نَّعُودَ فِيهَآ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّنَا ۚ وَسِعَ رَبُّنَا كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًا ۚ عَلَى ٱللَّهِ تَوَكَّلْنَا ۚ رَبَّنَا ٱفْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِٱلْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْفَٰتِحِينَ ﴿٨٩﴾

৮৯. আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি, অথচ তিনি আমাদেরকে এ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। আমাদের কাজ নয় এ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করা, কিন্তু আমাদের প্রতি পালক আল্লাহ যদি চান। আমাদের প্রতিপালক প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। আল্লাহর প্রতিই আমরা ভরসা করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা। আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।

রুকইয়াহয় ০:৩৩
সূরা ইউনুস : ৮১
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

রুকইয়াহয় ৩:৩৪، ৪:১৭ · ২ বার
সূরা ইউনুস : ৮১–৮২
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।

রুকইয়াহয় ৪:৩৬
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৮–১৩৯
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾ قَالَ فِرْعَوْنُ ءَامَنتُم بِهِۦ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّ هَٰذَا لَمَكْرٌۭ مَّكَرْتُمُوهُ فِى ٱلْمَدِينَةِ لِتُخْرِجُوا۟ مِنْهَآ أَهْلَهَا ۖ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿١٢٣﴾ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍۢ ثُمَّ لَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ﴿١٢٤﴾ قَالُوٓا۟ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ ﴿١٢٥﴾ وَمَا تَنقِمُ مِنَّآ إِلَّآ أَنْ ءَامَنَّا بِـَٔايَٰتِ رَبِّنَا لَمَّا جَآءَتْنَا ۚ رَبَّنَآ أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًۭا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ ﴿١٢٦﴾ وَقَالَ ٱلْمَلَأُ مِن قَوْمِ فِرْعَوْنَ أَتَذَرُ مُوسَىٰ وَقَوْمَهُۥ لِيُفْسِدُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَيَذَرَكَ وَءَالِهَتَكَ ۚ قَالَ سَنُقَتِّلُ أَبْنَآءَهُمْ وَنَسْتَحْىِۦ نِسَآءَهُمْ وَإِنَّا فَوْقَهُمْ قَٰهِرُونَ ﴿١٢٧﴾ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ ٱسْتَعِينُوا۟ بِٱللَّهِ وَٱصْبِرُوٓا۟ ۖ إِنَّ ٱلْأَرْضَ لِلَّهِ يُورِثُهَا مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ وَٱلْعَٰقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿١٢٨﴾ قَالُوٓا۟ أُوذِينَا مِن قَبْلِ أَن تَأْتِيَنَا وَمِنۢ بَعْدِ مَا جِئْتَنَا ۚ قَالَ عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يُهْلِكَ عَدُوَّكُمْ وَيَسْتَخْلِفَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ ﴿١٢٩﴾ وَلَقَدْ أَخَذْنَآ ءَالَ فِرْعَوْنَ بِٱلسِّنِينَ وَنَقْصٍۢ مِّنَ ٱلثَّمَرَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ ﴿١٣٠﴾ فَإِذَا جَآءَتْهُمُ ٱلْحَسَنَةُ قَالُوا۟ لَنَا هَٰذِهِۦ ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۭ يَطَّيَّرُوا۟ بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓ ۗ أَلَآ إِنَّمَا طَٰٓئِرُهُمْ عِندَ ٱللَّهِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿١٣١﴾ وَقَالُوا۟ مَهْمَا تَأْتِنَا بِهِۦ مِنْ ءَايَةٍۢ لِّتَسْحَرَنَا بِهَا فَمَا نَحْنُ لَكَ بِمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلطُّوفَانَ وَٱلْجَرَادَ وَٱلْقُمَّلَ وَٱلضَّفَادِعَ وَٱلدَّمَ ءَايَٰتٍۢ مُّفَصَّلَٰتٍۢ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ قَوْمًۭا مُّجْرِمِينَ ﴿١٣٣﴾ وَلَمَّا وَقَعَ عَلَيْهِمُ ٱلرِّجْزُ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَ ۖ لَئِن كَشَفْتَ عَنَّا ٱلرِّجْزَ لَنُؤْمِنَنَّ لَكَ وَلَنُرْسِلَنَّ مَعَكَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿١٣٤﴾ فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُمُ ٱلرِّجْزَ إِلَىٰٓ أَجَلٍ هُم بَٰلِغُوهُ إِذَا هُمْ يَنكُثُونَ ﴿١٣٥﴾ فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ بِأَنَّهُمْ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا وَكَانُوا۟ عَنْهَا غَٰفِلِينَ ﴿١٣٦﴾ وَأَوْرَثْنَا ٱلْقَوْمَ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ يُسْتَضْعَفُونَ مَشَٰرِقَ ٱلْأَرْضِ وَمَغَٰرِبَهَا ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا ۖ وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ ٱلْحُسْنَىٰ عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ بِمَا صَبَرُوا۟ ۖ وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهُۥ وَمَا كَانُوا۟ يَعْرِشُونَ ﴿١٣٧﴾ وَجَٰوَزْنَا بِبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْبَحْرَ فَأَتَوْا۟ عَلَىٰ قَوْمٍۢ يَعْكُفُونَ عَلَىٰٓ أَصْنَامٍۢ لَّهُمْ ۚ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱجْعَل لَّنَآ إِلَٰهًۭا كَمَا لَهُمْ ءَالِهَةٌۭ ۚ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌۭ تَجْهَلُونَ ﴿١٣٨﴾ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ مُتَبَّرٌۭ مَّا هُمْ فِيهِ وَبَٰطِلٌۭ مَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٣٩﴾

১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।

১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।

১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।

১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।

১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।

১২৩. ফেরাউন বলল, তোমরা কি (তাহলে) আমার অনুমতি দেয়ার আগেই ঈমান আনলে! এটা প্রতারণা, যা তোমরা এ নগরীতে প্রদর্শন করলে। যাতে করে এ শহরের অধিবাসীদিগকে শহর থেকে বের করে দিতে পার। সুতরাং তোমরা শীঘ্রই বুঝতে পারবে।

১২৪. অবশ্যই আমি কেটে দেব তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে। তারপর তোমাদের সবাইকে শূলীতে চড়িয়ে মারব।

১২৫. তারা বলল, আমাদেরকে তো মৃত্যুর পর নিজেদের পরওয়ারদেগারের নিকট ফিরে যেতেই হবে।

১২৬. বস্তুতঃ আমাদের সাথে তোমার শত্রুতা তো এ কারণেই যে, আমরা ঈমান এনেছি আমাদের পরওয়ারদেগারের নিদর্শনসমূহের প্রতি যখন তা আমাদের নিকট পৌঁছেছে। হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর।

১২৭. ফেরাউনের সম্প্রদায়ের র্সদাররা বলল, তুমি কি এমনি ছেড়ে দেবে মূসা ও তার সম্প্রদায়কে। দেশময় হৈ-চৈ করার জন্য এবং তোমাকে ও তোমার দেব-দেবীকে বাতিল করে দেবার জন্য। সে বলল, আমি এখনি হত্যা করব তাদের পুত্র সন্তানদিগকে; আর জীবিত রাখব মেয়েদেরকে। বস্তুতঃ আমরা তাদের উপর প্রবল।

১২৮. মূসা বললেন তার কওমকে, সাহায্য প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট এবং ধৈর্য্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই এ পৃথিবী আল্লাহর। তিনি নিজের বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন এবং শেষ কল্যাণ মুত্তাকীদের জন্যই নির্ধারিত রয়েছে।

১২৯. তারা বলল, আমাদের কষ্ট ছিল তোমার আসার পূর্বে এবং তোমার আসার পরে। তিনি বললেন, তোমাদের পরওয়ারদেগার শীঘ্রই তোমাদের শক্রদের ধ্বংস করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দেশে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন। তারপর দেখবেন, তোমরা কেমন কাজ কর।

১৩০. তারপর আমি পাকড়াও করেছি-ফেরাউনের অনুসারীদেরকে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

১৩১. অতঃপর যখন শুভদিন ফিরে আসে, তখন তারা বলতে আরম্ভ করে যে, এটাই আমাদের জন্য উপযোগী। আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয় তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে। শুনে রাখ তাদের অলক্ষণ যে, আল্লাহরই এলেমে রয়েছে, অথচ এরা জানে না।

১৩২. তারা আরও বলতে লাগল, আমাদের উপর জাদু করার জন্য তুমি যে নিদর্শনই নিয়ে আস না কেন আমরা কিন্তু তোমার উপর ঈমান আনছি না।

১৩৩. সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত প্রভৃতি বহুবিধ নিদর্শন একের পর এক। তারপরেও তারা গর্ব করতে থাকল। বস্তুতঃ তারা ছিল অপরাধপ্রবণ।

১৩৪. আর তাদের উপর যখন কোন আযাব পড়ে তখন বলে, হে মূসা আমাদের জন্য তোমার পরওয়ারদেগারের নিকট সে বিষয়ে দোয়া কর যা তিনি তোমার সাথে ওয়াদা করে রেখেছেন। যদি তুমি আমাদের উপর থেকে এ আযাব সরিয়ে দাও, তবে অবশ্যই আমরা ঈমান আনব তোমার উপর এবং তোমার সাথে বনী-ইসরাঈলদেরকে যেতে দেব।

১৩৫. অতঃপর যখন আমি তাদের উপর থেকে আযাব তুলে নিতাম নির্ধারিত একটি সময় পর্যন্ত-যেখান পর্যন্ত তাদেরকে পৌছানোর উদ্দেশ্য ছিল, তখন তড়িঘড়ি তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।

১৩৬. সুতরাং আমি তাদের কাছে থেকে বদলা নিয়ে নিলাম-বস্তুতঃ তাদেরকে সাগরে ডুবিয়ে দিলাম। কারণ, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল আমার নিদর্শনসমূহকে এবং তৎপ্রতি অনীহা প্রদর্শন করেছিল।

১৩৭. আর যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তাদেরকেও আমি উত্তরাধিকার দান করেছি এ ভুখন্ডের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের যাতে আমি বরকত সন্নিহিত রেখেছি এবং পরিপূর্ণ হয়ে গেছে তোমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত কল্যাণ বনী-ইসরাঈলদের জন্য তাদের ধৈর্য্যধারণের দরুন। আর ধ্বংস করে দিয়েছে সে সবকিছু যা তৈরী করেছিল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় এবং ধ্বংস করেছি যা কিছু তারা সুউচ্চ নির্মাণ করেছিল।

১৩৮. বস্তুতঃ আমি সাগর পার করে দিয়েছি বনী-ইসরাঈলদিগকে। তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌছাল, যারা স্বহস্তনির্মিত মূর্তিপুজায় নিয়োজিত ছিল। তারা বলতে লাগল, হে মূসা; আমাদের উপাসনার জন্যও তাদের মূর্তির মতই একটি মূর্তি নির্মাণ করে দিন। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে বড়ই অজ্ঞতা রয়েছে।

১৩৯. এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা ধ্বংস হবে এবং যা কিছু তারা করেছে তা যে ভুল!

রুকইয়াহয় ৫:৫৫
সূরা আল-ফালাক : ২–৫
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ৮:২০
সূরা আল-ফালাক : ৪–৫
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ৮:৪১
সূরা আল-বাকারা : ১০২
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾

১০২. তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

রুকইয়াহয় ৯:৫০، ১০:০১ · ২ বার
সূরা আত-তাওবা : ১০৭
وَٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مَسْجِدًۭا ضِرَارًۭا وَكُفْرًۭا وَتَفْرِيقًۢا بَيْنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَإِرْصَادًۭا لِّمَنْ حَارَبَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ مِن قَبْلُ ۚ وَلَيَحْلِفُنَّ إِنْ أَرَدْنَآ إِلَّا ٱلْحُسْنَىٰ ۖ وَٱللَّهُ يَشْهَدُ إِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ ﴿١٠٧﴾

১০৭. আর যারা নির্মাণ করেছে মসজিদ জিদের বশে এবং কুফরীর তাড়নায় মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্যে এবং ঐ লোকের জন্য ঘাটি স্বরূপ যে পূর্ব থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে, আর তারা অবশ্যই শপথ করবে যে, আমরা কেবল কল্যাণই চেয়েছি। পক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষী যে, তারা সবাই মিথ্যুক।

রুকইয়াহয় ১০:১৬
১০
সূরা আল-মায়িদা : ৯১
إِنَّمَا يُرِيدُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ فِى ٱلْخَمْرِ وَٱلْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ ٱللَّهِ وَعَنِ ٱلصَّلَوٰةِ ۖ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ ﴿٩١﴾

৯১. শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে?

রুকইয়াহয় ১০:৩০
১১
সূরা আল-মায়িদা : ৬৪
وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ يَدُ ٱللَّهِ مَغْلُولَةٌ ۚ غُلَّتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا۟ بِمَا قَالُوا۟ ۘ بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ يُنفِقُ كَيْفَ يَشَآءُ ۚ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًۭا مِّنْهُم مَّآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَٰنًۭا وَكُفْرًۭا ۚ وَأَلْقَيْنَا بَيْنَهُمُ ٱلْعَدَٰوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ ۚ كُلَّمَآ أَوْقَدُوا۟ نَارًۭا لِّلْحَرْبِ أَطْفَأَهَا ٱللَّهُ ۚ وَيَسْعَوْنَ فِى ٱلْأَرْضِ فَسَادًۭا ۚ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٦٤﴾

৬৪. আর ইহুদীরা বলেঃ আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে। তাদেরই হাত বন্ধ হোক। একথা বলার জন্যে তাদের প্রতি অভিসম্পাত। বরং তাঁর উভয় হস্ত উম্মুক্ত। তিনি যেরূপ ইচ্ছা ব্যয় করেন। আপনার প্রতি পলনকর্তার পক্ষ থেকে যে কালাম অবর্তীণ হয়েছে, তার কারণে তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফর পরিবর্ধিত হবে। আমি তাদের পরস্পরের মধ্যে কেয়ামত পর্যন্ত শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। তারা যখনই যুদ্ধের আগুন প্রজ্জ?482;িত করে, আল্লাহ তা নির্বাপিত করে দেন। তারা দেশে অশান্তি উৎপাদন করে বেড়ায়। আল্লাহ অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না।

রুকইয়াহয় ১০:৫২
১২
সূরা আল-ফুরকান : ২১
۞ وَقَالَ ٱلَّذِينَ لَا يَرْجُونَ لِقَآءَنَا لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْنَا ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ أَوْ نَرَىٰ رَبَّنَا ۗ لَقَدِ ٱسْتَكْبَرُوا۟ فِىٓ أَنفُسِهِمْ وَعَتَوْ عُتُوًّۭا كَبِيرًۭا ﴿٢١﴾

২১. যারা আমার সাক্ষাৎ আশা করে না, তারা বলে, আমাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ করা হল না কেন? অথবা আমরা আমাদের পালনকর্তাকে দেখি না কেন? তারা নিজেদের অন্তরে অহংকার পোষণ করে এবং গুরুতর অবাধ্যতায় মেতে উঠেছে।

রুকইয়াহয় ১২:৩৩
১৩
সূরা আল-ফুরকান : ২২–২৩
يَوْمَ يَرَوْنَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ لَا بُشْرَىٰ يَوْمَئِذٍۢ لِّلْمُجْرِمِينَ وَيَقُولُونَ حِجْرًۭا مَّحْجُورًۭا ﴿٢٢﴾ وَقَدِمْنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُوا۟ مِنْ عَمَلٍۢ فَجَعَلْنَٰهُ هَبَآءًۭ مَّنثُورًا ﴿٢٣﴾

২২. যেদিন তারা ফেরেশতাদেরকে দেখবে, সেদিন অপরাধীদের জন্যে কোন সুসংবাদ থাকবে না এবং তারা বলবে, কোন বাধা যদি তা আটকে রাখত।

২৩. আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।

রুকইয়াহয় ১৩:০৭
১৪
সূরা আন-নাহল : ৯৮
فَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ﴿٩٨﴾

৯৮. অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।

রুকইয়াহয় ১৫:৫৮
১৫
সূরা আল-আ'রাফ : ১৩৯
إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ مُتَبَّرٌۭ مَّا هُمْ فِيهِ وَبَٰطِلٌۭ مَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٣٩﴾

১৩৯. এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা ধ্বংস হবে এবং যা কিছু তারা করেছে তা যে ভুল!

রুকইয়াহয় ২৩:৩৩
১৬
সূরা আল-আম্বিয়া : ১৮
بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌۭ ۚ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ ﴿١٨﴾

১৮. বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।

রুকইয়াহয় ২৩:৫৩
১৭
সূরা আল-হিজর : ৯৭–৯৯
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ ﴿٩٧﴾ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ ٱلسَّٰجِدِينَ ﴿٩٨﴾ وَٱعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأْتِيَكَ ٱلْيَقِينُ ﴿٩٩﴾

৯৭. আমি জানি যে আপনি তাদের কথাবর্তায় হতোদ্যম হয়ে পড়েন।

৯৮. অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।

৯৯. এবং পালনকর্তার এবাদত করুন, যে পর্যন্ত আপনার কাছে নিশ্চিত কথা না আসে।

রুকইয়াহয় ২৭:৪৩
১৮
সূরা আল-মুমতাহিনা : ৪
قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌۭ فِىٓ إِبْرَٰهِيمَ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ إِذْ قَالُوا۟ لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَءَٰٓؤُا۟ مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةُ وَٱلْبَغْضَآءُ أَبَدًا حَتَّىٰ تُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَحْدَهُۥٓ إِلَّا قَوْلَ إِبْرَٰهِيمَ لِأَبِيهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ وَمَآ أَمْلِكُ لَكَ مِنَ ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ ۖ رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ ﴿٤﴾

৪. তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করব। তোমার উপকারের জন্যে আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন।

রুকইয়াহয় ৩৪:২৭
১৯
সূরা আত-তালাক : ৩
وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ ۚ وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُۥٓ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بَٰلِغُ أَمْرِهِۦ ۚ قَدْ جَعَلَ ٱللَّهُ لِكُلِّ شَىْءٍۢ قَدْرًۭا ﴿٣﴾

৩. এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।

রুকইয়াহয় ৪৫:০৫

রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া

أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر২ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]৯ বার

শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৭৩ অংশ

শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ
অভিশপ্ত শয়তানের কুমন্ত্রণা, তার ফুঁ এবং তার বিষ থেকে (আশ্রয় চাই)
০:১৮–০:২৭
وَأَنْتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ وَشِفَاءً بِسْمِ اللهِ عَلَى دِينِنَا بِسْمِ اللهِ عَلَى أَنْفُسِنَا بِسْمِ اللهِ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ عَائِدٍ لَنَا بِسْمِ اللهِ عَلَى الْبُطُونِ بِسْمِ اللهِ عَلَى الصُّدُورِ بِسْمِ اللهِ عَلَى الْعُقُولِ بِسْمِ اللهِ عَلَى الْعُقُولِ
আর আপনিই শ্রেষ্ঠ মুক্তিদাতা/বিচারক। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে এবং আরোগ্য। আল্লাহর নামে আমাদের দ্বীনের উপর, আল্লাহর নামে আমাদের নিজেদের উপর, আল্লাহর নামে আমাদের সংক্রান্ত সকল বিষয়ের উপর, আল্লাহর নামে উদরের উপর, আল্লাহর নামে বুকের উপর, আল্লাহর নামে মস্তিষ্কের উপর, আল্লাহর নামে মস্তিষ্কের উপর
০:৪১–১:৩৭
بِسْمِ اللهِ عَلَى الْعُقُولِ بَرَكَةٌ وَشِفَاءٌ
আল্লাহর নামে মস্তিষ্কের উপর, বরকত ও আরোগ্য
১:৪০–১:৫২
مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ اللهُ يَشْفِيكُمْ اللهُ يُبْرِئُكُمْ اللهُ يَرْعَاكُمْ اللهُ يَحْفَظُكُمْ مِنْ شُرُورِ الْمُعْتَدِينَ
প্রতিটি হিংসুক আত্মা বা কুদৃষ্টি থেকে। আল্লাহ তোমাদের আরোগ্য দান করুন, আল্লাহ তোমাদের সুস্থ করুন, আল্লাহ তোমাদের যত্ন করুন, আল্লাহ তোমাদের সীমালঙ্ঘনকারীদের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন
২:০২–২:২৩
بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন
২:৩২–৩:২৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ
যাতে জাদু আছে, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
৩:৩০–৩:৩৪
اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ كُلَّهَا خَفِيَّهَا وَقَوِيَّهَا إِنَّ هَؤُلَاءِ
হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। হে আল্লাহ, সমস্ত জাদু বাতিল করে দিন, গোপন ও শক্তিশালী সবকিছু। নিশ্চয় এরা
৫:০৪–৫:৫৪
اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ
হে আল্লাহ, তাদের মধ্যে যে জাদু বাঁধা হয়েছে তা বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি) - হে আল্লাহ, তাদের মধ্যে যে জাদু বাঁধা হয়েছে তা বাতিল করে দিন। বাতিল করে দিন যে জাদু তাদের মধ্যে বাঁধা হয়েছে। হে আল্লাহ, তাদের মধ্যে যে জাদু বাঁধা হয়েছে তা বাতিল করে দিন (আরও পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, বাতিল করে দিন
৬:৪৫–৭:৪১
الْأَسْحَارُ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ الَّتِي فِيهِمْ تَعَقَّدَتْ التي فيهم تعقدت
যে জাদু তাদের মধ্যে বাঁধা হয়েছে। হে আল্লাহ, তা বাতিল করে দিন। তাদের মধ্যে বাঁধা জাদু। হে আল্লাহ, বাতিল করে দিন যে জাদু তাদের মধ্যে বাঁধা হয়েছে (বহুবার পুনরাবৃত্তি - তাদের মধ্যে বাঁধা)
৭:৪১–৮:১৫
اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الْكَثِيرَةَ الَّتِي فِيهِمْ تَنَوَّعَتْ وَتَشَكَّلَتْ وَتَعَدَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الْكَثِيرَةَ الَّتِي فِيهِمْ تَنَوَّعَتْ وَتَشَكَّلَتْ وَتَعَدَّدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْحَارَ الْكَثِيرَةَ جَمِيعَ الْأَسْحَارِ جَمِيعَ الْأَسْحَارِ الْأَسْحَارَ الْكَثِيرَةَ الَّتِي فِيهِمْ تَنَوَّعَتْ وَتَشَكَّلَتْ وَتَعَدَّدَتْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ
হে আল্লাহ, অনেক জাদু বাতিল করে দিন যা তাদের মধ্যে বিভিন্ন রূপে, আকারে ও সংখ্যায় বিস্তার লাভ করেছে। হে আল্লাহ, অনেক জাদু বাতিল করে দিন, সমস্ত জাদু, সমস্ত জাদু, অনেক জাদু যা তাদের মধ্যে বিভিন্ন রূপে, আকারে ও সংখ্যায় বিস্তার লাভ করেছে, হে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, পরিবারের জাদু বাতিল করে দিন (নয়বার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করে দিন
৮:৫২–৯:৪০
التَّفْرِيقِ بَيْنَ الْأُسَرِ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا
পরিবারগুলোর মধ্যে বিচ্ছেদ, তারা এই দুজনের (হারুত-মারুতের) থেকে শিখে নেয় যা দ্বারা তারা স্বামী ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায়, তারা এই দুজনের থেকে শিখে নেয়
৯:৪০–৯:৫০
الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ
স্বামী ও তার স্ত্রী, তারা এই দুজনের থেকে শিখে নেয় যা দ্বারা তারা বিচ্ছেদ ঘটায়
৯:৫৪–১০:০১
وَزَوْجِهِ
এবং তার স্ত্রী
১০:১০–১০:১২
بَيْنَ الْمُؤْمِنِينَ
মুমিনদের মধ্যে
১০:২২–১০:২৬
أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ كُلَّ سِحْرٍ سَبَّبَ الْمَشَاكِلَ كُلَّ سِحْرٍ سَبَّبَ الْمَشَاكِلَ وَالْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ بَيْنَ الْأُسْرَةِ الْوَاحِدَةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بَيْنَ الزَّوْجَيْنِ بِالْقُلُوبِ وَالْأَجْسَادِ وَالْعُقُولِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بَيْنَ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ سِحْرَ تَدْمِيرِ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ تَدْمِيرِ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ تَدْمِيرِ الْأُسَرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْأَقَارِبِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأَقَارِبِ
বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করে দিন। যে জাদু সমস্যার কারণ, সেই জাদু, যে জাদু এক পরিবারের মধ্যে সমস্যা, শত্রুতা ও বিদ্বেষের কারণ তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হৃদয়, শরীর ও মনের বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, পরিবারগুলোর মধ্যে বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, পরিবার ধ্বংসের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, পরিবার ধ্বংসের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, পরিবার ধ্বংসের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, আত্মীয়দের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, আত্মীয়দের জাদুসমূহ বাতিল করে দিন
১১:১৮–১১:৫৬
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ
হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন
১২:০৫–১২:২৯
أَنْفُسَهُمْ وَعَتَوْا عُتُوًّا كَبِيرًا
তারা নিজেদের মধ্যে অহংকার করেছে এবং চরম সীমালঙ্ঘন করেছে
১৩:০০–১৩:০৭
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ ونفسه اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ توارثه اللهم ابطل كل سحر توارثوه اللهم ابطل كل سحر توارثوه اللهم ابطل كل سحر توارثوه اللهم ابطل كل سحر توارثوه اللهم ابطل كل سحر ر تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ
তার কুমন্ত্রণা, তার ফুঁ এবং তার বিষ থেকে। হে আল্লাহ, তার উত্তরাধিকারে পাওয়া সকল জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)
১৩:৩৯–১৪:২৯
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تَوَارَثَتْهُ الْأَبْنَاءُ وَالْبَنَاتُ مِنَ الْآبَاءِ وَالْأُمَّهَاتِ
হে আল্লাহ, তারা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, বাবা-মায়ের কাছ থেকে ছেলে-মেয়েরা যে জাদু উত্তরাধিকারে পেয়েছে তা বাতিল করে দিন
১৪:২৯–১৫:২৬
وَالْأَجْدَادِ وَالْأَجْدَادِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُمْتَدٍّ اللَّهُمَّ
এবং দাদা-দাদীদের কাছ থেকে, দাদা-দাদীদের কাছ থেকে। হে আল্লাহ, সকল বিস্তৃত/দীর্ঘস্থায়ী জাদু বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ
১৫:২৬–১৫:৫৮
الْبَاطِلُ
মিথ্যা
১৬:২৫–১৬:২৭
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
১৬:৩৯–১৬:৪৭
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا إِنَّ
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। নিশ্চয়
১৬:৫২–১৭:০৫
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْأَرَقِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْفَشَلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْفَشَلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْفَشَلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعَبِ تعطيل اللهم ابطل اسحار التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। হে আল্লাহ, অনিদ্রার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ব্যর্থতার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ব্যর্থতার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ব্যর্থতার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ক্লান্তি/প্রতিবন্ধকতার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, প্রতিবন্ধকতার জাদু বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)
১৭:১৭–১৮:০৫
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ التَّعْطِيلِ عَنِ الزَّوَاجِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْعُنُوسَةِ وَالْبَوَارِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْعُنُوسَةِ
হে আল্লাহ, বিবাহে বাধাদানকারী জাদুসমূহ বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, অবিবাহিত থাকা ও ব্যর্থতার জাদুসমূহ বাতিল করে দিন
১৮:০৬–১৮:৫৯
وَالْبَوَارِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْعُنُوسَةِ وَالْبَوَارِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْأَرَقِ وَالْفَشَلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ عَدَمِ التَّوْفِيقِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْفَشَلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ
ও ব্যর্থতা। হে আল্লাহ, অবিবাহিত থাকা ও ব্যর্থতার জাদুসমূহ বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, অনিদ্রা ও ব্যর্থতার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সফলতা না পাওয়ার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ব্যর্থতার জাদুসমূহ বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করে দিন
১৮:৫৯–১৯:১৮
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَطَّلَ عَمَلًا عَطَّلَ فِعْلًا وَقَوْلًا
হে আল্লাহ, যে জাদু কাজ বন্ধ করে দিয়েছে, কর্ম ও বাক্য বন্ধ করে দিয়েছে তা বাতিল করে দিন
১৯:২৩–১৯:৩০
الرَّحِيمِ سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا سَيَجْعَلُ اللهُ بَعْدَ عُسْرِي يُسْرًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ شُرُودِ الْأَذْهَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ إِنْسِيٍّ أَوْ شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ إِنْسِيٍّ أَوْ شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ النِّسْيَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ شُرُودِ الْأَذْهَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ شُرُودِ الْأَذْهَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ شُرُودِ الْأَذْهَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَبْطِلْ سِحْرَ
অসীম দয়ালু। আল্লাহ কষ্টের পর স্বস্তি দান করবেন (আটবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, ...এর জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, মানুষ বা জিনের জাদু বাতিল করে দিন (দুইবার)। হে আল্লাহ, বিস্মৃতির জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার জাদু বাতিল করে দিন (তিনবার)। হে আল্লাহ, জাদু বাতিল করে দিন
১৯:৩৮–২০:২৮
شُرُودِ الْأَذْهَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ النِّسْيَانِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْعَمَى اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْعَمَى اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَلَى الْكُلَى اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْأَجْسَادِ وَلِفَسَادِ الْأَجْسَادِ صَنَعُوهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا فِي الْبُيُوتِ مِنْ
মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়া। হে আল্লাহ, বিস্মৃতির জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, অন্ধত্বের জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, অন্ধত্বের জাদুসমূহ বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, কিডনির উপর করা সকল জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, শরীর নষ্ট করার জন্য তারা যে জাদু তৈরি করেছে তা বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, শরীরে থাকা এবং শরীর নষ্ট করার জন্য তৈরি করা সকল জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ঘরে যা আছে তা বাতিল করে দিন
২০:২৮–২১:১৭
أَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا فِي الْبُيُوتِ مِنْ أَسْحَارٍ خَفِيَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا فِي الْبُيُوتِ مِنْ أَسْحَارٍ أَخْفَوْهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبُيُوتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبُيُوتِ فِي الْبُيُوتِ فِي الْبُيُوتِ فِي الْبُيُوتِ فِي الْبُيُوتِ اللهُ أَكْبَرُ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبُيُوتِ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ دَخَلَ الْبُيُوتَ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ سَكَنَ الْبُيُوتَ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ سَبَّبَ الْمَشَاكِلَ وَالتَّعَبَ وَالْأَمْرَاضَ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ عَلَى بُيُوتِنَا اللهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ دَخَلَ بُيُوتَنَا اللهُ أَكْبَرُ عَلَى شَيَاطِينِ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ اللهُ أَكْبَرُ عَلَى مَنْ
জাদু, কুদৃষ্টি ও হিংসা। হে আল্লাহ, ঘরে থাকা গোপন জাদুসমূহ বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ঘরে তারা যা গোপন করে রেখেছে সেই জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ, ঘরে থাকা সকল জাদু বাতিল করে দিন (ঘরে ঘরে ঘরে ঘরে ঘরে বহুবার পুনরাবৃত্তি)। আল্লাহু আকবার, তিনি ঘরের সকল জাদু বাতিল করে দেন। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার — যে শয়তান ঘরে প্রবেশ করেছে তার উপর, যে শয়তান ঘরে বসবাস করছে তার উপর, যে শয়তান সমস্যা, কষ্ট ও রোগের কারণ তার উপর, যে শয়তান আমাদের ঘরের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে তার উপর, আল্লাহু আকবার, যে শয়তান আমাদের ঘরে প্রবেশ করেছে তার উপর, আল্লাহু আকবার, মানুষ ও জিনের শয়তানদের উপর, আল্লাহু আকবার, যার উপর
২১:১৭–২২:০৮
دَخَلَ الْبُيُوتَ اللهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ حَاسِدٍ دَخَلَ إِلَى بُيُوتِنَا اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ سَاحِرٍ وَشَيْطَانٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا فِي الْبُيُوتِ مِنْ أَسْحَارٍ خَفِيَّةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَخْفَوْهُ فِي الْبُيُوتِ مَا رَشُّوهُ فِي الْبُيُوتِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ سَاحِرَةٍ دَخَلَتْ إِلَى الْبُيُوتِ دَخَلَتْ إِلَى الْبَيْتِ خُلْسَةً دَخَلَتْ إِلَى الْبَيْتِ دَخَلَتْ إِلَى الْبَيْتِ خُلْسَةً دَخَلَتْ إِلَى الْبَيْتِ غَدْرًا فَرَشَّتْ سِحْرَهَا فَرَشَّتِ السِّحْرَ فِي غُرَفِ النَّوْمِ فِي زَوَايَا الْغُرَفِ رَشَّتِ السِّحْرَ عَلَى الْعَتَبَاتِ وَالْأَبْوَابِ رَشَّتِ السِّحْرَ
ঘরে প্রবেশ করেছে, আল্লাহু আকবার, প্রতিটি হিংসুকের বিরুদ্ধে যে আমাদের ঘরে প্রবেশ করেছে। হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদুকর ও শয়তানের বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট। হে আল্লাহ, ঘরে থাকা গোপন জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ, তারা ঘরে যা লুকিয়েছে, যা ছিটিয়েছে তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদুকরনীর বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট যে ঘরে প্রবেশ করেছে, চুরি করে ঘরে প্রবেশ করেছে, বিশ্বাসঘাতকতা করে ঘরে প্রবেশ করেছে, তার জাদু ছড়িয়েছে, শোবার ঘরে জাদু ছড়িয়েছে, ঘরের কোণে, দরজার চৌকাঠ ও দরজায় জাদু ছিটিয়েছে, জাদু ছিটিয়েছে
২২:০৮–২২:৫৬
عَلَى النَّوَافِذِ رَشَّتِ السِّحْرَ عَلَى عَلَى رَشَّتِ السِّحْرَ عَلَى الْوِسَادَةِ رَشَّتِ السِّحْرَ عَلَى السَّرِيرِ عَلَى الْمَلَابِسِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَا اقْطَعْ اقْطَعْ يَدَهَا أَبْطِلْ سِحْرَهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَعُوذُ بِاللهِ
জানালায় জাদু ছিটিয়েছে, জাদু ছিটিয়েছে, বালিশে জাদু ছিটিয়েছে, বিছানায়, কাপড়ে। হে আল্লাহ, তার বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট, তার হাত কেটে দাও, তার জাদু বাতিল কর, হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই
২২:৫৬–২৩:১৩
إِنَّ هَؤُلَاءِ
নিশ্চয় এরা
২৩:২৩–২৩:২৯
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبَيْتِ رَشَّتْهُ السَّاحِرَةُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ فِي اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبَيْتِ رَشَّتْهُ السَّاحِرَةُ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِمَنْ دَخَلَ بُيُوتَنَا
হে আল্লাহ, ঘরে জাদুকরনী যা ছিটিয়েছে সেই সব জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ বাতিল কর, হে আল্লাহ ঘরে জাদুকরনী যা ছিটিয়েছে সেই সব জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ, যে আমাদের ঘরে প্রবেশ করেছে তার বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট
২৪:০৪–২৪:১৬
السَّاحِرَةُ سَرَقَتْ مِنْ مَلَابِسِنَا وَآثَارِنَا وَشُعُورِنَا وَأَظَافِرِنَا فَذَهَبَتْ بِهِ إِلَى السَّاحِرِ أَوِ السَّاحِرَةِ فَعَقَدَتِ السِّحْرَ فَوَضَعَتْهُ فِي فِرَاشِنَا أَوْ طَعَامِنَا أَوْ شَرَابِنَا لِتَضُرَّ لِيَضُرُّونَا وَيُؤْذُونَا وَيُعَطِّلُونَ وَيُفَرِّقُونَا اللَّهُمَّ رُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ اللَّهُمَّ اجْعَلْ سِحْرَهُمْ وَأَذِيَّتَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اللَّهُمَّ
জাদুকরনী আমাদের কাপড়, চিহ্ন, চুল ও নখ চুরি করেছে এবং তা নিয়ে জাদুকর বা জাদুকরনীর কাছে গিয়েছে, সে জাদু বেঁধেছে এবং তা আমাদের বিছানায়, খাবারে বা পানীয়ে রেখেছে যাতে ক্ষতি করে, আমাদের কষ্ট দেয়, বাধা দেয় এবং আমাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায়। হে আল্লাহ, তাদের জাদু তাদের উপর ফিরিয়ে দাও। হে আল্লাহ, তাদের জাদু ও কষ্ট তাদের নিজেদের উপর চাপিয়ে দাও, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়। হে আল্লাহ
২৪:২৩–২৪:৫৫
كُلَّ سِحْرٍ حَمَلَهُ طَالِبُ السِّحْرِ فَوَضَعَهُ فِي بَيْتِ السَّاحِرِ لِيَعْقِدَهُ وَيُجَدِّدَهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبَحْرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْبَحْرِ أَدْخَلُوهُ اللَّهُمَّ احْرِقْ مَا فِي الْبَحْرِ مِنْ أَسْحَارٍ اللَّهُمَّ احْرِقْ مَا فِي الْأَنْهَارِ مِنْ أَسْحَارٍ اللَّهُمَّ احْرِقْ مَا عَلَى شَاطِئِ الْبَحْرِ مِنْ أَسْحَارٍ دَفَنُوهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي طَيْرٍ رَبَطُوهُ كُلَّ سِحْرٍ فِي شَجَرٍ عَلَّقُوهُ كُلَّ سِحْرٍ فِي شَجَرٍ رَبَطُوهُ عَلَّقُوهُ كُلَّ سِحْرٍ مِنْ آثَارِنَا صَنَعُوهُ كُلَّ سِحْرٍ مِنْ مَعْدِنٍ صَنَعُوهُ مِنْ خَشَبٍ صَنَعُوهُ مِنْ خَشَبٍ
যে জাদু জাদু-প্রার্থনাকারী বহন করে জাদুকরের ঘরে রেখেছে তা বাঁধার ও নবায়ন করার জন্য, হে আল্লাহ তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, সাগরে যে জাদু আছে তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, সাগরে যে জাদু তারা প্রবেশ করিয়েছে তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, সাগরে যে জাদু আছে তা পুড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ, নদীতে যে জাদু আছে তা পুড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ, সমুদ্র তীরে যে জাদু তারা পুঁতে রেখেছে তা পুড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ, পাখিতে বাঁধা প্রতিটি জাদু বাতিল কর, গাছে ঝুলানো প্রতিটি জাদু, গাছে বাঁধা ও ঝুলানো প্রতিটি জাদু বাতিল কর, আমাদের চিহ্ন দিয়ে তৈরি প্রতিটি জাদু, ধাতু দিয়ে তৈরি, কাঠ দিয়ে তৈরি, কাঠ দিয়ে তৈরি
২৫:১১–২৫:৫৫
نَحَتُوهُ كُلَّ سِحْرٍ مَنْقُوشٍ مَنْحُوتٍ مَرْسُومٍ أَبْطِلْ سِحْرَ الطَّلَاسِمِ أَبْطِلْ عَزَائِمَهُمْ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَحْرُوسٍ
যা তারা খোদাই করেছে, প্রতিটি খোদাইকৃত, ক্ষোদিত, অঙ্কিত জাদু, তাবিজের জাদু বাতিল কর, তাদের মন্ত্র বাতিল কর, প্রতিটি সুরক্ষিত জাদু বাতিল কর
২৫:৫৫–২৬:০৫
يَا رَبِّ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ آخِرِ سَاعَةٍ اللَّهُمَّ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ الْمُبَارَكَةِ وَفِي الثُّلُثِ الْأَخِيرِ مِنَ اللَّيْلِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَحْرُوسٍ وَأَبْطِلْ مَا فِي الْبُطُونِ مِنْ أَسْحَارٍ وَعُقَدٍ أَخْرِجْ مَا فِي الْبُطُونِ أَخْرِجْ مَا فِي الْبُطُونِ أَخْرِجْ مَا فِي
হে প্রভু, এই সময়ে, শেষ সময়ে। হে আল্লাহ, এই সময়ে, এই বরকতময় সময়ে এবং রাতের শেষ তৃতীয়াংশে, প্রতিটি সুরক্ষিত জাদু বাতিল কর এবং পেটে যে জাদু ও গিঁট আছে তা বাতিল কর। পেটে যা আছে তা বের কর, পেটে যা আছে তা বের কর, যা আছে তা বের কর
২৬:১২–২৬:৩৫
مِنْ أَسْحَارٍ وَعُقَدٍ وَعُيُونٍ يَا رَبِّ يَا اللَّهُ سَأَلْنَاكَ يَا رَبِّ أَنْ تستجب أَنْ تستجب هَذَا الدُّعَاءَ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ يَا رَبِّ اللَّهُمَّ اقْطَعْ مَا فِي الْبُطُونِ وَاحْرِقْ مَا فِي الْبُطُونِ مِنْ عُقَدٍ وَأَسْحَارٍ وَعُيُونٍ وَشَيْطَانٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ قَطْعَ السَّلَاسِلِ فِي
জাদু, গিঁট ও কুদৃষ্টি থেকে। হে প্রভু, হে আল্লাহ, আমরা তোমার কাছে চাই, হে প্রভু, তুমি কবুল কর, তুমি কবুল কর এই দোয়া এই সময়ে, এই সময়ে। হে প্রভু, হে আল্লাহ, পেটে যা আছে তা কেটে দাও এবং পেটে যে গিঁট, জাদু, কুদৃষ্টি ও শয়তান আছে তা পুড়িয়ে দাও, হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক। পেটে শৃঙ্খল কেটে দাও
২৬:৩৯–২৭:০২
مَسْحُوبَةٍ لِلْعَوْرَاتِ مَسْحُوبَةٍ لِلصُّدُورِ وَالْأَعْنَاقِ
গোপনাঙ্গের দিকে টানা, বুক ও গলার দিকে টানা
২৭:০৭–২৭:১১
الْجَسَدِ أَرْهَقَ النَّفْسِيَّةَ أَتْعَبَهَا قَهْرًا اللَّهُمَّ أَذِقِ السَّاحِرَ أَلَمَ سِحْرِهِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ مَا فِي الْبُطُونِ وَالْأَرْحَامِ اللَّهُمَّ احْرِقْ مَا عَلَى الصُّدُورِ مِنْ اذا اللَّهُمَّ احْرِقْ مَا عَلَى الصُّدُورِ مِنْ ضِيقٍ وَهَمٍّ وَنَكَدٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
শরীরের উপর, মানসিকভাবে ক্লান্ত করেছে, জোরপূর্বক কষ্ট দিয়েছে। হে আল্লাহ, জাদুকরকে তার জাদুর ব্যথা আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ, পেট ও জরায়ুতে যা আছে তা বের কর। হে আল্লাহ, বুকে যে কষ্ট আছে তা পুড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ, বুকে যে সংকীর্ণতা, দুশ্চিন্তা ও কষ্ট আছে তা পুড়িয়ে দাও, হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক
২৭:১৫–২৭:৩৯
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَلَى قُوَّتِنَا لِإِضْعَافِنَا اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ مَرْبُوطٍ وَمَرْبُوطَةٍ حُلَّ السِّحْرَ عَنْ كُلِّ مَرْبُوطٍ وَمَرْبُوطَةٍ وَمَسْحُورٍ وَمَسْحُورَةٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ نَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الْأَعْظَمِ نَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ الْعَظِيمَ رَبِيعَ قُلُوبِنَا
হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ, আমাদের শক্তির উপর যে জাদু আমাদের দুর্বল করার জন্য করা হয়েছে তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদু খুলে দাও। হে আল্লাহ, প্রতিটি বাঁধা পুরুষ ও নারীকে মুক্ত কর, প্রতিটি বাঁধা ও জাদুগ্রস্ত পুরুষ-নারী থেকে জাদু খুলে দাও, হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী। হে আল্লাহ, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আমরা তোমার মহান নামের উসিলায় তোমার কাছে প্রার্থনা করি, আমরা তোমার প্রতিটি নামের উসিলায় প্রার্থনা করি যা তুমি নিজের জন্য রেখেছ, অথবা তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা তোমার কাছে গায়েবের জ্ঞানে সংরক্ষিত রেখেছ— যে তুমি মহান কুরআনকে আমাদের অন্তরের বসন্ত বানাও
২৮:০৭–২৯:০১
وَنَوِّرْ صُدُورَنَا وَأَذْهِبْ هُمُومَنَا وَأَحْزَانَنَا اللَّهُمَّ مَا قَسَمْتَ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ مِنْ خَيْرٍ مِنْ خَيْرٍ وَيُسْرٍ مِنْ خَيْرٍ ورسل وَمَغْفِرَةٍ وَتَيْسِيرٍ وَرَحْمَةٍ وَشِفَاءٍ وَنَصْرٍ عَلَى الْأَعْدَاءِ اللَّهُمَّ اجْعَلْ لَنَا مِنْهُ أَوْفَرَ الْحَظِّ وَالنَّصِيبِ وَمَا قَسَمْتَ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ مِنْ شَرٍّ وَبَلَاءٍ وَإِيذَاءٍ وَتَسْلِيطٍ مِنْ شَيْطَانٍ اوساح اللَّهُمَّ فَاصْرِفْهُ عَنَّا وَاصْرِفْهُ عَنَّا وَاصْرِفْنَا عَنْهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
এবং আমাদের বুকের আলো এবং আমাদের দুশ্চিন্তা ও দুঃখ দূরীকরণ। হে আল্লাহ, এই রাতে তুমি যে কল্যাণ, সহজতা, রহমত, ক্ষমা, দয়া, আরোগ্য এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে বিজয় বণ্টন করেছ, হে আল্লাহ তা থেকে আমাদের জন্য সর্বাধিক ভাগ্য ও অংশ নির্ধারণ কর। আর এই রাতে তুমি যে অকল্যাণ, বিপদ, কষ্ট এবং নোংরা শয়তানের আধিপত্য বণ্টন করেছ, হে আল্লাহ তা আমাদের থেকে দূরে সরিয়ে দাও, আমাদের থেকে তা দূরে সরিয়ে দাও এবং আমাদের তা থেকে দূরে রাখ, হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক
২৯:০১–২৯:৪৮
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ نَسْتَغِيثُ أَنْتَ عَضُدُنَا وَأَنْتَ نَصِيرُنَا بِكَ نَصُولُ وَبِكَ نَجُولُ وَبِكَ نُقَاتِلُ اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِ السَّحَرَةِ وخدام وَحُرَّاسِهِمْ وَخَدَمِهِمْ وَكُبَرَائِهِمْ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ وَمِنْ عُقَدِهِمْ وَأَسْحَارِهِمْ وَرَبْطِهِمْ وَعُقَدِهِمْ
হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, তোমার রহমতের উসিলায় আমরা সাহায্য চাই। তুমি আমাদের শক্তি এবং তুমি আমাদের সাহায্যকারী। তোমার মাধ্যমে আমরা আক্রমণ করি, তোমার মাধ্যমে ঘুরি এবং তোমার মাধ্যমে লড়াই করি। হে আল্লাহ, আমরা তোমাকে জাদুকরদের গলায় স্থাপন করি। হে আল্লাহ, আমরা তোমাকে জাদুকরদের ও তাদের সেবক, রক্ষী, খাদেম ও নেতাদের গলায় স্থাপন করি। হে আল্লাহ, আমরা তাদের অনিষ্ট থেকে, তাদের গিঁট ও জাদু থেকে, তাদের বাঁধন ও গিঁট থেকে তোমার আশ্রয় চাই
২৯:৪৮–৩০:২৯
وَأَسْلِحَتِهِمْ أَبْطِلْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ مَرْشُوشٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَرْشُوشٍ وطاته الْأَرْجُلُ وَبَاطِنُ الْأَقْدَامِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَرْشُوشٍ وطاته الْأَرْجُلُ وَبَاطِنُ الْأَقْدَامِ تَحْمِلُهُ الساقين الْأَقْدَامُ ضِيقُ الصُّدُورِ سَبَّبَ اخْتِنَاقًا وَأَوْجَاعًا عَطَّلَ زَوَاجًا عَطَّلَ حَالًا مَرْشُوشٌ لِتَعْطِيلِنَا مَرْشُوشٌ عَلَى الْأَقْدَامِ مَرْشُوشٌ عَلَى الْأَقْدَامِ مَرْشُوشٌ عَلَى الْأَقْدَامِ دَامَ
এবং তাদের অস্ত্র থেকে। আমাদের থেকে প্রতিটি ছিটানো জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ, প্রতিটি ছিটানো জাদু বাতিল কর যা পা ও পায়ের তলায় মাড়ানো হয়েছে। হে আল্লাহ, প্রতিটি ছিটানো জাদু বাতিল কর যা পা ও পায়ের তলায় মাড়ানো হয়েছে, যা পায়ে বহন করা হয়, বুকে সংকীর্ণতা সৃষ্টি করে, শ্বাসরোধ ও ব্যথার কারণ হয়, বিয়ে বাধাগ্রস্ত করে, অবস্থা বাধাগ্রস্ত করে, আমাদের বাধাগ্রস্ত করার জন্য ছিটানো, পায়ে ছিটানো, পায়ে ছিটানো, পায়ে ছিটানো, স্থায়ী
৩০:২৯–৩১:১৫
مَرْشُوشٌ عَلَى الْأَقْدَامِ أَثَّرَ عَلَى حَيَاتِنَا
পায়ে ছিটানো, আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলেছে
৩১:১৫–৩১:২২
كُلُّ سِحْرٍ أَثَّرَ عَلَى الْأَقْدَامِ وَالرُّكَبِ وَالْمَفَاصِلِ وَأَسْفَلِ الظَّهْرِ وَأَسْفَلِ الظَّهْرِ مَرْشُوشٌ مَرْشُوشٌ أَثَّرَ عَلَى أَسْفَلِ الظَّهْرِ أَثَّرَ عَلَى الْبُطُونِ وَالْأَرْحَامِ أَثَّرَ عَلَى العور رات اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اسْتَغَاثُوا فِيهِ بِمُلُوكٍ
প্রতিটি জাদু যা পায়ে, হাঁটুতে, জয়েন্টে এবং কোমরের নিচে প্রভাব ফেলেছে, কোমরের নিচে ছিটানো, ছিটানো, কোমরের নিচে প্রভাব ফেলেছে, পেট ও জরায়ুতে প্রভাব ফেলেছে, গোপনাঙ্গে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদু বাতিল কর যাতে তারা জিনদের রাজাদের কাছে সাহায্য চেয়েছে
৩১:২৭–৩১:৪৭
وَالْأَرْحَامِ كُلُّ سِحْرٍ فِي جُثَثٍ وَعِظَامٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي الْحَمَّامِ صَنَعُوهُ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَلْمُوسٍ مَلْبُوسٍ مَحْسُوسٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ في صَنَعُوهُ مِنْ بَلَدٍ بَعِيدَةٍ صَنَعُوهُ بَعَثُوهُ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ بِآيَةٍ مَعْكُوسَةٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تانوا فِيهِ كِتَابَكَ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ تانوا فِيهِ كِتَابَكَ بِآيَةٍ حَرَّفُوهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ حَرَّكَتْهُ الرِّيَاحُ أَحْرَقَتْهُ النِّيرَانُ ضُرَّ فِي الْهَوَاءِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي جَبَلٍ أَوْ غَارٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَبْطِلْ جَمِيعَ الْأَسْحَارِ بِأَنْوَاعِهَا وَأَعْدَادِهَا وَأَشْكَالِهَا يَا رَبِّ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ
এবং জরায়ুর উপর, লাশ ও হাড়ে যে জাদু আছে। হে আল্লাহ, গোসলখানায় তারা যে জাদু তৈরি করেছে তা বাতিল কর। প্রতিটি স্পর্শকৃত, পরিহিত, অনুভূত জাদু বাতিল কর। দূরবর্তী দেশ থেকে তৈরি ও প্রেরিত প্রতিটি জাদু বাতিল কর। উল্টানো আয়াত দিয়ে করা প্রতিটি জাদু বাতিল কর। তোমার কিতাব দিয়ে যে অবজ্ঞা করেছে তার প্রতিটি জাদু বাতিল কর, আয়াত বিকৃত করে যে জাদু করেছে তা বাতিল কর। হে আল্লাহ, বাতাসে চালিত, আগুনে পোড়ানো, বাতাসে ক্ষতিকর প্রতিটি জাদু বাতিল কর। পাহাড় বা গুহায় প্রতিটি জাদু বাতিল কর। হে সৃষ্টিকুলের প্রতিপালক, প্রতিটি জাদু বাতিল কর। সকল প্রকার, সংখ্যা ও আকৃতির জাদু বাতিল কর, হে প্রভু, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ
৩১:৫৩–৩২:৪৭
أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ يَا رَبِّ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الظَّالِمِينَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْحَاسِدِينَ الْحَاقِدِينَ مِنْ غَدْرِهِمْ وَمَكْرِهِمْ وَحِقْدِهِمْ وَحَسَدِهِمْ وَشِدَّةِ بَطْشِهِمْ وَتَرَبُّصِهِمْ وَمُتَابَعَتِهِمْ وَتَجْدِيدِهِمْ نَعُوذُ بِكَ مِنْ صَبْرِهِمْ وَصَبْرِ شَيَاطِينِهِمْ وَاسْتِمَاتَتِهِمْ فِي الْبَاطِلِ نَعُوذُ بِكَ مِنْ شَهَوَاتِهِمْ وَزَيْغِهِمْ وَضَلَالَاتِهِمْ اللَّهُمَّ اكْفِنَاهُمْ بِمَا شِئْتَ اللَّهُمَّ اكْفِنَاهُمْ بِمَا شِئْتَ وَكَيْفَ شِئْتَ وَمَتَى شِئْتَ حَسْبُنَا اللهُ حَسْبُنَا اللهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللهُ
প্রতিটি জাদু বাতিল কর, হে প্রভু। হে আল্লাহ, আমরা তোমার কাছে যালিমদের থেকে আশ্রয় চাই এবং হিংসুক-হানকারীদের থেকে আশ্রয় চাই, তাদের বিশ্বাসঘাতকতা, চক্রান্ত, বিদ্বেষ, হিংসা, তীব্র নির্যাতন, ওঁত পেতে থাকা, অনুসরণ ও পুনরাবৃত্তি থেকে। আমরা তোমার কাছে তাদের অধ্যবসায় ও তাদের শয়তানদের অধ্যবসায় এবং বাতিলে তাদের দৃঢ়তা থেকে আশ্রয় চাই। আমরা তোমার কাছে তাদের কামনা-বাসনা, বিভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ, তুমি যেভাবে চাও আমাদের জন্য তাদের থেকে যথেষ্ট হও। হে আল্লাহ, তুমি যা চাও, যেভাবে চাও এবং যখন চাও আমাদের জন্য তাদের থেকে যথেষ্ট হও। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট
৩২:৪৭–৩৩:৪২
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى منذانا حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى مَنْ ترب ربص بِنَا وَرَاقَبَنَا حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى مَنْ خَيَّلَ لَنَا حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى مَنْ حَسَدَنَا حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى مَنْ قَذَفَنَا حَسْبُنَا اللَّهُ عَلَى مَنْ سَحَرَنَا حَسْبُنَا الْخَالِقُ مِنَ الْمَخْلُوقِ
আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের ক্ষতি করতে চেয়েছে তার বিরুদ্ধে, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের ওঁত পেতে ছিল ও নজরদারি করেছে তার বিরুদ্ধে, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের বিভ্রান্ত করেছে তার বিরুদ্ধে, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের হিংসা করেছে তার বিরুদ্ধে, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের অপবাদ দিয়েছে তার বিরুদ্ধে, আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট যে আমাদের জাদু করেছে তার বিরুদ্ধে, স্রষ্টাই আমাদের জন্য সৃষ্টির চেয়ে যথেষ্ট
৩৩:৪৯–৩৪:২৭
الْمَصِيرِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ اللَّهُمَّ قَاتِلِ السَّحَرَةَ اللَّهُمَّ قَاتِلِ السَّحَرَةَ اللَّهُمَّ قَاتِلِ
প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। হে আল্লাহ, জাদুকরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, হে আল্লাহ জাদুকরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, হে আল্লাহ যুদ্ধ কর
৩৪:৩১–৩৪:৪০
وَلَا يُؤْمِنُونَ بِوَعْدِكَ وَيُؤْذُونَ عِبَادَكَ وَإِمَاءَكَ وَيُقَاتِلُونَ اوليائك اللَّهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ اللَّهُمَّ القر الرُّعْبَ فِي قُلُوبِهِمْ وَأَنْزِلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ الْأَلِيمَ وَعَذَابَكَ الشَّدِيدَ إِلَهَ الْحَقِّ أَعِنَّا وَلَا تُعِنْ عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا وَلَا تَنْصُرْ عَلَيْنَا وَسَدِّدْ رَمْيَنَا وَأَهْلِكْ عَدُوَّنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا من بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا من بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا من بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا
এবং তোমার প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে না এবং তোমার বান্দাদের কষ্ট দেয় এবং তোমার প্রিয়জনদের বিরুদ্ধে লড়াই করে। হে আল্লাহ, তাদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি কর। হে আল্লাহ, তাদের অন্তরে ভীতি স্থাপন কর এবং তাদের উপর তোমার যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ও কঠোর আযাব নাযিল কর। হে সত্য ইলাহ, আমাদের সাহায্য কর এবং আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাদের বিজয়ী কর এবং আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে বিজয়ী করো না, আমাদের নিশানা সঠিক কর এবং আমাদের শত্রুকে ধ্বংস কর, যে আমাদের উপর অন্যায় করেছে তার বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য কর (একাধিকবার পুনরাবৃত্তি)
৩৪:৪৭–৩৫:৪১
وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا يَا رَبِّ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ بِقُدْرَتِكَ الَّتِي تُمْسِكُ بِهَا السَّمَاوَاتِ السَّبْعَ أَنْ تَكْفِيَنَا بَأْسَ السَّحَرَةِ أَنْ تَكْفِيَنَا بَأْسَ السَّحَرَةِ أَنْ تَكْفِيَنَا بَأْسَ السَّحَرَةِ وَالشَّيَاطِينِ وَالْعَفَارِيتِ وَالْمَرَدَةِ إِنَّكَ أَشَدُّ بَأْسًا
যে আমাদের উপর অন্যায় করেছে তার বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য কর (বহুবার পুনরাবৃত্তি), হে প্রভু। হে আল্লাহ, আমরা তোমার সেই ক্ষমতার উসিলায় প্রার্থনা করি যা দিয়ে তুমি সপ্ত আসমান ধরে রেখেছ যে, তুমি জাদুকরদের কষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা কর, জাদুকরদের কষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা কর, জাদুকর, শয়তান, দুষ্ট জিন ও বিদ্রোহী জিনদের কষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা কর, নিশ্চয় তুমি অধিক শক্তিশালী
৩৫:৪১–৩৬:৪১
وَأَشَدَّ تَنْكِيلًا اللَّهُمَّ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا فِي هَذِهِ السَّاعَةِ الْمُبَارَكَةِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ الْمُبَارَكَةِ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ بَصِّرْ كُلَّ مسعور بِسِحْرِهِ بَصِّرْ كُلَّ مَسْحُورٍ بِمَكَانِ سِحْرِهِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ بَصِّرْ كُلَّ مَسْحُورٍ بِمَكَانِ سِحْرِهِ بَصِّرْ كُلَّ مَسْحُورٍ بِدَائِهِ وَدَوَائِهِ رَبُّنَا اللَّهُ الَّذِي فِي السَّمَاءِ
এবং অধিক কঠোর শাস্তিদাতা। হে আল্লাহ, তুমি আরোগ্য দাও, তুমিই আরোগ্যদাতা, তোমার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই, এমন আরোগ্য যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না। হে আল্লাহ, হে আমাদের প্রভু, এই বরকতময় সময়ে, হে প্রভু, হে প্রভু, এই বরকতময় সময়ে, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ, প্রতিটি জাদুগ্রস্তকে তার জাদুর বিষয়ে দৃষ্টি দাও, প্রতিটি জাদুগ্রস্তকে তার জাদুর স্থান দেখাও, হে প্রভু, হে প্রভু, এই সময়ে প্রতিটি জাদুগ্রস্তকে তার জাদুর স্থান দেখাও, প্রতিটি জাদুগ্রস্তকে তার রোগ ও তার ঔষধ দেখাও, আমাদের প্রভু আল্লাহ যিনি আসমানে আছেন
৩৬:৪১–৩৭:২১
كَمَا رَحْمَتُكَ فِي السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ عَلَيْنَا فِي الْأَرْضِ اغْفِرْ لَنَا حَوْبَنَا وخطايا أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِينَ أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِينَ أَنْتَ رَبُّ الْمُسْتَضْعَفِينَ أَنْتَ رَبُّ الْمَسْحُورِينَ وَالْمُسْتَغِيثِينَ بِكَ وَحْدَكَ فِي كَشْفِ الْبَلَاءِ وَكَشْفِ الْكَرْبِ وَكَشْفِ الْهَمِّ وَكَشْفِ السِّحْرِ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ اللَّهُمَّ فَأَنْزِلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ الَّتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ عَلَى كُلِّ سِحْرٍ فَيَبْطُلَ وَيَزُولَ ويحرق وَيَخْرُجَ
যেমন তোমার রহমত আসমানে আছে, তেমনি তোমার রহমত আমাদের উপর জমিনে নাযিল কর। আমাদের পাপ ও ভুলত্রুটি ক্ষমা কর। তুমি পুণ্যবানদের প্রভু, তুমি পুণ্যবানদের প্রভু, তুমি দুর্বলদের প্রভু, তুমি জাদুগ্রস্তদের প্রভু এবং যারা বিপদ দূরীকরণ, কষ্ট দূরীকরণ, দুশ্চিন্তা দূরীকরণ ও জাদু দূরীকরণে একমাত্র তোমার কাছে সাহায্য চায়, হে দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু। হে আল্লাহ, তোমার সেই রহমত থেকে রহমত নাযিল কর যা সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে আছে এবং তোমার আরোগ্য থেকে আরোগ্য নাযিল কর প্রতিটি জাদুর উপর যাতে তা বাতিল হয়ে যায়, দূর হয়ে যায়, পুড়ে যায় এবং বের হয়ে যায়
৩৭:২৬–৩৮:১৯
اللَّهُمَّ أَعِنَّا وَلَا تُعِنْ عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا وَلَا تَنْصُرْ عَلَيْنَا وَسَدِّدْ رَمْيَنَا وَأَهْلِكْ عَدُوَّنَا يَا رَبِّ يَا اللَّهُ ك لَنَا جَارًا مِنْ شَرِّ خَلْقِكَ أَجْمَعِينَ هَذَا وصل اللهم عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا
হে আল্লাহ, আমাদের সাহায্য কর এবং আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাদের বিজয়ী কর এবং আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে বিজয়ী করো না, আমাদের নিশানা সঠিক কর এবং আমাদের শত্রুকে ধ্বংস কর। হে প্রভু, হে আল্লাহ, তুমি হও আমাদের জন্য তোমার সমস্ত সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে রক্ষাকারী প্রতিবেশী। এটুকুই। হে আল্লাহ, আমাদের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার এবং সাহাবীদের উপর অজস্র দরূদ ও সালাম বর্ষণ কর
৩৮:১৯–৩৮:৫৩
يَحْفَظُكُمْ بِحِفْظِهِ إِنَّهُ وَلِيُّ ذَلِكَ وَالْقَادِرُ عَلَيْهِ. الصَّوْتُ وَاضِحٌ يَا إِخْوَانْ الصَّوْتُ وَاضِحٌ جَزَاكُمُ اللَّهُ خَيْرًا بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ نَعَمْ طَبْعًا الْيَوْمَ كَانَ بَثٌّ تَجْرِيبِيٌّ فِي الْقَنَاةِ قَدْرَ الْمُسْتَطَاعِ أَنْ نُعْطِيَ طَبْعًا لِلْيُوتِيُوبِ حَقًّا فِي الْبُثُوثِ وَنَسْأَلُ اللَّهَ التَّيْسِيرَ وَالتَّوْفِيقَ طَبْعًا الْبُثُوثُ فِي الْيُوتِيُوبِ فِيهَا مِيزَةُ الْبَقَاءِ بَقَاءُ الْبَثِّ يَعْنِي عِنْدَمَا نَعْمَلُ أَيَّ بَثٍّ يَكُونُ بِإِذْنِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ الْبَثُّ مَوْجُودٌ مُتَاحٌ مَتَى أَرَدْتُمْ أَنْ يَعْنِي تُرَاجِعُونَ وَتَسْمَعُونَ للرقاء
আল্লাহ তাঁর হিফাজতে আপনাদের হিফাজত করুন, নিশ্চয়ই তিনিই এর অভিভাবক এবং এর উপর ক্ষমতাবান। ভাইয়েরা, শব্দ স্পষ্ট, শব্দ স্পষ্ট, জাযাকুমুল্লাহু খাইরান, বারাকাল্লাহু ফীকুম। হ্যাঁ, অবশ্যই আজকে চ্যানেলে একটি পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ছিল, যথাসাধ্য চেষ্টা করছি ইউটিউবে সম্প্রচারের অধিকার প্রদান করার। আল্লাহর কাছে সহজতা ও তাওফীক কামনা করছি। অবশ্যই ইউটিউবে সম্প্রচারের একটি বৈশিষ্ট্য আছে যে সম্প্রচার থেকে যায়, অর্থাৎ যখনই আমরা কোনো সম্প্রচার করি, ইনশাআল্লাহ তা বিদ্যমান থাকে, যখনই আপনারা চান ফিরে গিয়ে রুকইয়াহ শুনতে পারবেন
৩৮:৫৭–৩৯:৫০
بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ آ وَكَذَلِكَ نَصِيحَتِي طَبْعًا فِي هَذِهِ السَّاعَةِ فُرْصَةٌ أَنِّي أَنْصَحُكُمْ لِكُلِّ مُصَابٍ بِسِحْرٍ أَوْ مَسٍّ أَوْ عَيْنٍ أَوْ حَسَدٍ يَعْنِي اعْلَمْ يَا أَخِي عِلْمَ الْيَقِينِ يا رحمكم اللَّهُ مَا أَصَابَكَ لَمْ يَكُنْ ليخطاك لَا شَكَّ يَعْنِي وَاللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ هُوَ أَرْحَمُ بِكَ مِنْ نَفْسِكَ وَمَا ابتلائك إِلَّا لِيُقَرِّبَكَ مِنْهُ لَا لِيُهْلِكَكَ فَمَا نَيْأَسُ أَبَدًا وَلَا نَسْتَسْلِمُ لِلْخَوْفِ أَبَدًا بِإِذْنِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلَا نَجْعَلُ الشَّيْطَانَ يَعْنِي أَنَّهُ يُقْنِعُكَ انه حَالَكَ مايوم أَوْ أَنَّهُ مَا فِي فَائِدَةٍ فَكَمْ مِنْ مَرِيضٍ شُفِيَ بِإِذْنِ اللَّهِ وَكَمْ مِنْ مَسْحُورٍ فُكَّ بِإِذْنِ اللَّهِ وَكَمْ مِنْ مَعْقُودٍ فُرِّجَ بِإِذْنِ اللَّهِ
বারাকাল্লাহু ফীকুম, তাছাড়া এই মুহূর্তে এটা একটা সুযোগ যে আমি আপনাদের নসীহত করি - প্রতিটি জাদু, মস (জ্বিনের আছর), বদনজর বা হিংসায় আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য - ভাই, নিশ্চিত জ্ঞানের সাথে জানো, আল্লাহ আপনাদের উপর রহম করুন, তোমার উপর যা এসেছে তা তোমাকে এড়িয়ে যেতে পারতো না, নিঃসন্দেহে। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল তোমার নিজের চেয়েও তোমার প্রতি বেশি দয়ালু, এবং তোমার পরীক্ষা কেবল তোমাকে তাঁর কাছে নিকটবর্তী করার জন্যই, ধ্বংস করার জন্য নয়। তাই কখনো হতাশ হয়ো না, কখনো ভয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করো না, ইনশাআল্লাহ। শয়তানকে কখনো তোমাকে বিশ্বাস করাতে দিয়ো না যে তোমার অবস্থা হতাশাজনক বা কোনো লাভ নেই। কত রোগী ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়েছে, কত জাদুগ্রস্ত ইনশাআল্লাহ মুক্ত হয়েছে, কত বাঁধাগ্রস্ত ইনশাআল্লাহ মুক্তি পেয়েছে
৩৯:৫০–৪০:৪৪
كَذَلِكَ بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ مُهِمٌّ جِدًّا أَنَّهُ نَثْبُتُ عَلَى الصَّلَاةِ فِي وَقْتِهَا وَلَا نَتْرُكُ الْقُرْآنَ مَهْمَا اشْتَدَّ عَلَيْنَا التَّعَبُ يَا إِخْوَانُ مَهْمَا اشْتَدَّ عَلَيْنَا التَّعَبُ لَا نَتْرُكُ الْقُرْآنَ أَبَدًا فَإِنَّ الْقُرْآنَ شِفَاءٌ
তাছাড়া বারাকাল্লাহু ফীকুম, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা নামাজ তার সময়ে দৃঢ়ভাবে আদায় করি এবং কুরআন কখনো ছেড়ে না দেই, যতই আমাদের উপর ক্লান্তি ভারী হোক না কেন। ভাইয়েরা, যতই ক্লান্তি বাড়ুক, কুরআন কখনো ছাড়বো না, কেননা কুরআন শিফা (আরোগ্য)
৪০:৪৪–৪১:০০
الْبَلَاءُ مَعَ دَوَامِ الذِّكْرِ هَذِهِ قَاعِدَةٌ أَبَدًا يَا إِخْوَانْ أَبَدًا مَا يَثْبُتُ الْبَلَاءُ بِإِذْنِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِدَوَامِ الذِّكْرِ نَلْتَزِمُ بِأَذْكَارِ الصَّبَاحِ نَلْتَزِمُ بِأَذْكَارِ الْمَسَاءِ آيَةُ الْكُرْسِيِّ مُهِمَّةٌ جِدًّا الْمُعَوِّذَتَيْنِ كَذَلِكَ الْإِكْثَارُ مِنَ الِاسْتِغْفَارِ وَالصَّلَاةُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكُلُّ هَذِهِ مَفَاتِيحُ الْفَرَجِ بِإِذْنِ اللَّهِ تَعَالَى وَإِيَّاكَ أَنْ تَتَعَلَّقَ بِالرَّاقِي أَكْثَرَ مِنْ تَعَلُّقِكَ بِاللَّهِ هَذِهِ نُقْطَةٌ مُهِمَّةٌ جِدًّا وَاللَّهِ يَا إِخْوَانْ مِنْ قَلْبٍ صَادِقٍ بِإِذْنِ اللَّهِ بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ بِإِذْنِ اللَّهِ أَتَكَلَّمُ لَكُمْ وَاللَّهِ بِكُلِّ صِدْقٍ أَنَّهُ مَا نَتَعَلَّقُ براقي أَبَدًا
বালা-মুসিবত সর্বদা যিকিরের সাথে থাকে না - এটা একটা নীতি, ভাইয়েরা, কখনো নয়, বালা-মুসিবত টিকে থাকে না ইনশাআল্লাহ যদি যিকির অব্যাহত থাকে। আমরা সকালের যিকির পালন করি, সন্ধ্যার যিকির পালন করি, আয়াতুল কুরসী খুবই গুরুত্বপূর্ণ, মুআওবিযাতাইন (নাস ও ফালাক) তেমনি, এবং বেশি বেশি ইস্তিগফার ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদ - এসবই ইনশাআল্লাহ তায়ালার অনুমতিতে মুক্তির চাবিকাঠি। এবং সাবধান - রাকীর (রুকইয়াহকারীর) সাথে আল্লাহর চেয়ে বেশি সংযুক্ত হয়ো না, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আল্লাহর কসম ভাইয়েরা, সত্য হৃদয় থেকে, ইনশাআল্লাহ, বারাকাল্লাহু ফীকুম, ইনশাআল্লাহ আমি আপনাদের সাথে সম্পূর্ণ সততার সাথে কথা বলছি যে আমরা কখনো রাকীর সাথে সংযুক্ত হবো না
৪১:০৯–৪১:৫৪
أَكْثَرَ مِنْ تَعَلُّقِنَا بِاللَّهِ فَالرَّاقِي سَبَبٌ وَاللَّهُ وَحْدَهُ هُوَ الشَّافِي الْمُعَافِي لَا تَرْكُضْ لَا تَرْكُضْ خَلْفَ مَنِ ادَّعَى الْعِلَاجَ وَلَا تعطي جَسَدَكَ وَلَا أَسْرَارَكَ هَاي مُهِمَّةٌ يَا إِخْوَانْ وَاللَّهِ كَثِيرٌ مَنْ وَقَعَ لِلْأَسَفِ أَنَّهُ يُعْطِي أَسْرَارَهُ وَيُعْطِي جَسَدَهُ لِمَنْ لَا يُؤْتَمَنُ دِيَانَتُهُ كُنْ حَذِرًا كُنْ حَذِرًا فَلَيْسَ كُلُّ مَنْ تَكَلَّمَ بِالدِّينِ صَادِقًا هَذِهِ خُذُوهَا قَاعِدَةً وَلَا تُكْثِرْ مِنَ التَّتَبُّعِ تَتَبُّعِ الْأَعْرَاضِ دَائِمًا يَعْنِي هَاي مُهِمَّةٌ جِدًّا كَثِيرٌ مَنْ يَعْنِي نُعْطِي هَذِهِ الْوَصَايَا وَنُعْطِي هَذِهِ الْأُمُورَ كَثِيرٌ مَنْ يَتَّبِعُ الْأَعْرَاضَ يَعْنِي لَا تُفَسِّرْ كُلَّ شَيْءٍ عَلَى أَنَّهُ السِّحْرُ بِسَبَبِ السِّحْرِ بِسَبَبِ
আল্লাহর সাথে আমাদের সংযুক্তির চেয়ে বেশি। রাকী তো কেবল একটা উপায়, আল্লাহর কসম, একমাত্র আল্লাহই শিফাদাতা ও আরোগ্যদাতা। দৌড়িয়ো না, চিকিৎসার দাবিদারদের পেছনে দৌড়িয়ো না, নিজের শরীর ও গোপন বিষয় কাউকে দিয়ো না - এটা গুরুত্বপূর্ণ ভাইয়েরা। আল্লাহর কসম, দুর্ভাগ্যবশত অনেকে এমন হয়েছে যে সে তার গোপন বিষয় দিয়ে দিয়েছে, তার শরীর দিয়ে দিয়েছে এমন ব্যক্তিকে যার দ্বীনদারীতে আস্থা রাখা যায় না। সতর্ক থাকো, সতর্ক থাকো, কারণ দ্বীনের কথা বলা মানেই সৎ নয় - এটা নীতি হিসেবে গ্রহণ করো। উপসর্গ অনুসরণ করা বেশি বাড়িয়ো না - সবসময় উপসর্গ অনুসরণ করা - এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই উপদেশগুলো দিচ্ছি কারণ অনেকে উপসর্গ অনুসরণ করে, অর্থাৎ প্রতিটি জিনিসকে জাদুর কারণে বা
৪১:৫৪–৪২:৪১
الْعَيْنِ أَنَا أَعْرِفُ جَيِّدًا وَاللَّهِ يَا إِخْوَانْ انه الْأَعْرَاضَ وَالتَّأْثِيرَاتِ هَذَا جُزْءٌ مِنْ حَيَاتِكَ وَلَكِنْ حَاوِلْ قَدْرَ المصلحته لَوْ تمث تَمَثَّلْ وتقوي نَفْسَكَ أَنَّهُ مَا نَتَّبِعُهَا أَبَدًا وَنَتَجَاهَلُهَا بِكُلِّ مَا نَمْلِكُ مِنْ قُوَّةٍ نُقَوِّي قُلُوبَنَا نَتَوَكَّلُ عَلَى اللَّهِ نُشْغِلُ أَنْفُسَنَا بِطَاعَةِ اللَّهِ فَالشَّيْطَانُ يَضْعُفُ مَعَ الذِّكْرِ بِإِذْنِ اللَّهِ تَعَالَى وَيَقْوَى مَعَ الْخَوْفِ هَذَا مِيزَانٌ خُذُوهَا بِحَيَاتِكُمْ هَذِهِ قَاعِدَةٌ كُلَّمَا ضَعُفْتَ أَنْتَ كُلَّمَا تَقْوَى الشَّيْطَانُ عَلَيْكَ كُلَّمَا قَوِيتَ أَنْتَ ضَعُفَ الشَّيْطَانُ كُلَّمَا خِفْتَ أَنْتَ تَقْوَى الشَّيْطَانُ الشَّيْطَانُ دَائِمًا هَذَا الْمِيزَانُ اللي بينا وَبَيْنَهُ أَنْتَ إِذَا كُنْتَ
বদনজরের কারণে ব্যাখ্যা করো না। আমি ভালোভাবে জানি ভাইয়েরা, আল্লাহর কসম, উপসর্গ ও প্রভাবগুলো তোমার জীবনের একটি অংশ, কিন্তু যথাসাধ্য চেষ্টা করো তা প্রতিনিধিত্ব না করে এবং নিজেকে শক্তিশালী করো যাতে আমরা তা কখনো অনুসরণ না করি এবং পূর্ণ শক্তি দিয়ে তা উপেক্ষা করি। আমরা আমাদের হৃদয়কে শক্তিশালী করি, আল্লাহর উপর ভরসা করি, নিজেদের আল্লাহর আনুগত্যে ব্যস্ত রাখি। কারণ শয়তান যিকিরের সাথে দুর্বল হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ তায়ালা, এবং ভয়ের সাথে শক্তিশালী হয়। এটা একটা দাঁড়িপাল্লা, জীবনে গ্রহণ করো এই নীতি - যতই তুমি দুর্বল হবে, শয়তান তোমার উপর ততই শক্তিশালী হবে; যতই তুমি শক্তিশালী হবে, শয়তান ততই দুর্বল হবে; যতই তুমি ভয় পাবে, শয়তান ততই শক্তিশালী হবে। শয়তান সবসময় - এটাই সেই দাঁড়িপাল্লা যা তোমার আর তার মধ্যে - যদি তুমি হও
৪২:৪১–৪৩:২৪
ذُو شَخْصِيَّةٍ إِيمَانِيَّةٍ ثَابِتَةٍ لَا تَهْتَزُّ أَبَدًا مَهْمَا كَانَ عِنْدَكَ مِنْ أَعْرَاضٍ وَتَأْثِيرَاتٍ فَأَنْتَ مُسَيْطِرٌ عَلَى الشَّيْطَانِ كُلَّمَا ضَعُفْتَ كُلَّمَا كُنْتَ انْهِزَامِيًّا كُلَّمَا أَصَابَتْكَ الْأَعْرَاضُ و يعني ياست الشَّيْطَانُ رَاحَ يَتَقَوَّى عَلَيْكَ وَاعْلَمْ يَا أَخِي أَنَّ طُولَ الْبَلَاءِ لَا يَعْنِي عَدَمَ الشِّفَاءِ هَذِهِ طَبْعًا مَوْجُودَةٌ عِنْدَ الْكَثِيرِ سُبْحَانَ اللَّهِ طَالَ عَلَيْهِمُ الْبَلَاءُ طَالَ عَلَيْهِمُ السِّحْرُ طَالَ عَلَيْهِمُ الْمَرَضُ وَلَكِنْ لَا يَعْنِي عَدَمَ الشِّفَاءِ بَلْ قَدْ يَكُونُ رِفْعَةً يَعْنِي هَذَا الْمِيزَانُ مُهِمٌّ جِدًّا أَنَّكَ تَضَعُ هَذِهِ النِّيَّةَ فِي قَلْبِكَ يَا أَخِي أَنْتَ هَذِهِ الْأُمُورُ اللي
একটি দৃঢ় ঈমানী চরিত্রের অধিকারী, কখনো কম্পিত হবে না যতই তোমার উপসর্গ ও প্রভাব থাকুক না কেন, তাহলে তুমি শয়তানের উপর নিয়ন্ত্রক। যতই তুমি দুর্বল হবে, যতই তুমি পরাজয়বাদী হবে, যতই তোমার উপর উপসর্গ আসবে এবং তুমি নিরাশ হবে, শয়তান তোমার উপর তত শক্তিশালী হবে। জেনে রাখো ভাই, বালা-মুসিবতের দীর্ঘতা মানে আরোগ্য না হওয়া নয় - এটা অবশ্যই অনেকের মধ্যে আছে, আল্লাহ পবিত্র-মহান, বালা তাদের উপর দীর্ঘায়িত হয়েছে, জাদু দীর্ঘায়িত হয়েছে, রোগ দীর্ঘায়িত হয়েছে - কিন্তু তার মানে আরোগ্য না হওয়া নয়, বরং তা হতে পারে মর্যাদা বৃদ্ধি। এই দাঁড়িপাল্লা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই নিয়ত তোমার হৃদয়ে রাখো ভাই - এই যে বিষয়গুলো
৪৩:২৪–৪৪:০৩
قَاعِدٌ تَحْدُثُ لَكَ مِنْ أَعْرَاضٍ وَتَأْثِيرَاتٍ يَا إِخْوَانُ هَذَا قَدْ يَكُونُ رِفْعَةً لِدَرَجَاتِكَ تَكْفِيرًا لِسَيِّئَاتِكَ وَتَعْلِيمًا لَكَ عَلَى الصَّبْرِ وَالْيَقِينِ فَقُلْ دَائِمًا حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ مِنْ قَلْبٍ صَادِقٍ حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ كُلُّنَا اللِّي مَوْجُودِينَ الْآنَ تَعَرَّضْنَا لِلظُّلْمِ تَعَرَّضْنَا لِلْمَرَضِ تَعَرَّضْنَا لِلْفِرَاقِ لِلتَّعْطِيلِ لِكُلِّ شَيْءٍ مِنْ أُمُورِ حَيَاتِنَا اللِّي هِيَ قَدْ تَكُونُ يَعْنِي قَدْ نَجِدُ الْأَشْيَاءَ أَمَامَنَا مَسْدُودَةً وَلَكِنْ نُكْثِرُ مِنْ قَوْلِ حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ وَاللَّهِ أَفْضَلُ ذِكْرٍ هَذَا حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ كُنْ وَاثِقًا أَنَّ اللَّهَ لَا يُخَيِّبُ مَنْ لَجَأَ إِلَيْهِ وَأَخِيرًا
তোমার সাথে ঘটছে উপসর্গ ও প্রভাবের আকারে, ভাইয়েরা, এটা হতে পারে তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি, তোমার গুনাহের কাফফারা, এবং তোমাকে ধৈর্য ও দৃঢ় বিশ্বাসের শিক্ষা। তাই সবসময় বলো 'হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল' - সত্য হৃদয় থেকে 'হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল'। আমরা যারা এখন উপস্থিত, আমরা সবাই অত্যাচারের শিকার হয়েছি, রোগে আক্রান্ত হয়েছি, বিচ্ছেদের শিকার হয়েছি, আমাদের জীবনের সবকিছুতে বাধার শিকার হয়েছি - যেখানে হয়তো আমরা আমাদের সামনে সবকিছু বন্ধ দেখতে পাই, কিন্তু বেশি বেশি বলি 'হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল'। আল্লাহর কসম, এটাই সর্বোত্তম যিকির। নিশ্চিত থাকো যে আল্লাহ যে তাঁর কাছে আশ্রয় নেয় তাকে নিরাশ করেন না। এবং সবশেষে
৪৪:০৩–৪৪:৫৩
أَخِيرًا إِنْ صَدَقْتَ مَعَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ صَدَقَ اللَّهُ مَعَكَ وَإِذَا لجئت عَلَى اللَّهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى وَاللَّهُ كَفَاكَ وَإِذَا تَوَكَّلْتَ عَلَيْهِ شَفَاكَ قُرْآنِيَّةٌ مُنَزَّلَةٌ مُنَزَّلَةٌ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آيَاتٌ تُتْلَى مَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ مَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ وَنِعْمَ وَنِعْمَ
সবশেষে - যদি তুমি আল্লাহর সাথে সত্যবাদী থাকো, আল্লাহও তোমার সাথে সত্য থাকবেন। যদি তুমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে আশ্রয় নাও, আল্লাহর কসম, তিনিই তোমার জন্য যথেষ্ট। যদি তুমি তাঁর উপর ভরসা করো, তিনি তোমাকে আরোগ্য দেবেন। কুরআনী, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর অবতীর্ণ আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় - 'যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট'
৪৪:৫৩–৪৫:২০
وَيَا إِخْوَانْ فِيكُمْ أَمْرٌ ثاني رَحِمَكُمُ اللَّهُ هُوَ الذُّنُوبُ بَابٌ وَاسِعٌ وَاسِعٌ يَدْخُلُ مِنْهُ الشَّيْطَانُ الذُّنُوبُ هُوَ بَابٌ وَاسِعٌ جِدًّا يَدْخُلُ مِنْهُ الشَّيْطَانُ وَالْإِصْرَارُ عَلَى عَلَيْهَا طَبْعًا إِذَا تص عَلَى الذَّنْبِ لَا شَكَّ أَنَّهُ يُضْعِفُ الْقَلْبَ اللَّهُ الْمُسْتَعَانُ يُثَقِّلُ الرُّوحَ يُؤَخِّرُ الْفَرَجَ لَا لِأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَعْنِي بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ لَا يُرِيدُ الْقَلْبَ الْمُثَقَّلَ لَا يُرِيدُ الْقَلْبَ الْمُثَقَّلَ بِالْمَعَاصِي لَا يَقْوَى عَلَى مجاهده
আর ভাইয়েরা, আল্লাহ আপনাদের রহম করুন, তোমাদের মধ্যে আরেকটি বিষয় আছে, তা হলো গুনাহ - এটা একটা প্রশস্ত দরজা, খুবই প্রশস্ত দরজা যা দিয়ে শয়তান প্রবেশ করে। গুনাহ হলো খুবই প্রশস্ত দরজা যা দিয়ে শয়তান প্রবেশ করে, আর তাতে অবিচল থাকা - অবশ্যই যদি তুমি গুনাহে অবিচল থাকো নিঃসন্দেহে তা হৃদয়কে দুর্বল করে দেয়। আল্লাহই সাহায্যকারী, তা আত্মাকে ভারী করে দেয়, মুক্তিকে বিলম্বিত করে দেয়। না, কারণ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল, বারাকাল্লাহু ফীকুম, ভারী হৃদয় চান না - পাপে ভারাক্রান্ত হৃদয় চান না, তা সংগ্রাম করার শক্তি রাখে না
৪৫:২৪–৪৬:০৮
الْبَلَاءُ فَكُلُّ ذَنْبٍ تُصِرُّ عَلَيْهِ قَدْ يَكُونُ حِجَابًا بَيْنَكَ وَبَيْنَ الشِّفَاءِ وَكُلُّ تَوْبَةٍ صَادِقَةٍ مِنْ قَلْبِكَ تَكُونُ مِفْتَاحَ الْفَرَجِ مِفْتَاحَ الْفَرَجِ تَنْتَظِرُهُ بِإِذْنِ اللَّهِ لَا تَحْتَقِرْ ذَنْبًا لَا تَحْتَقِرْ ذَنْبًا أَبَدًا وَلَا تقول هَذَا الذَّنْبُ صَغِيرٌ هَذِهِ صَغَائِرُ هَذِهِ لَا ترى الذَّنْبَ إِذَا أَنْتَ تَقُولُ عَلَيَّ هَذَا صَغِيرٌ فَالصَّغَائِرُ مَعَ الْإِصْرَارِ تَصِيرُ كَبَائِرَ لَا شَكَّ أَنَا رَاحْ أَتَكَلَّمْكُمْ شُوَيَّةْ بِلَهْجَتِي يَعْنِي بَارَكَ اللَّهُ بِكُمْ يَعْنِي الشَّيْطَانُ لَا يَفْتَحُ بَابًا إِلَّا لِيُدْخِلَكَ مِنْ مِنْ بَعْدِهِ أَبْوَابًا عِدَّةً أَبْوَابًا أَكْبَرَ
বালা-মুসিবতের বিরুদ্ধে। প্রতিটি গুনাহ যাতে তুমি অবিচল থাকো তা তোমার ও শিফার মধ্যে পর্দা হতে পারে, আর প্রতিটি সত্য তাওবা যা তোমার হৃদয় থেকে আসে তা মুক্তির চাবিকাঠি হয়ে যায়, চাবিকাঠি যার জন্য তুমি ইনশাআল্লাহ অপেক্ষা করবে। কোনো গুনাহকে তুচ্ছ করো না, কোনো গুনাহকে কখনো তুচ্ছ করো না, বলো না যে এই গুনাহ ছোট, এটা সগীরাহ (ছোট গুনাহ) - এভাবে গুনাহকে দেখো না। যদি তুমি বলো এটা ছোট, তাহলে জেনে রাখো ছোট গুনাহও অবিচলতার সাথে বড় গুনাহে পরিণত হয়, নিঃসন্দেহে। আমি একটু আমার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলবো, বারাকাল্লাহু বিকুম - শয়তান একটা দরজা খোলে শুধু তোমাকে তার পিছনের আরও অনেক বড় দরজায় প্রবেশ করানোর জন্য
৪৬:০৮–৪৬:৫৮
بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ يَعْنِي اتْرُكْ بَارَكَ اللَّهُ فِيكَ كُلَّ شَيْءٍ يُغْضِبُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى لَوْ يَعْنِي أَحْيَانًا نَفْسُكَ تَتْعَبُ تَتْعَبُ بِالْبِدَايَةِ فَالتَّعَبُ فِي طَاعَةِ بِطَاعَةِ اللَّهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَهْوَنُ أَهْوَنُ عَلَيْكَ مِنْ دَوَامِ الْبَلَاءِ خُذْ بَصَرَكَ احْفَظْ احْفَظْ لِسَانَكَ ابْتَعِدْ عَنِ الْحَرَامِ الْخَفِيِّ قَبْلَ الظَّاهِرِ فَإِنَّ الْخَلَوَاتِ أَسْرَعُ هَدْمًا لِلْقَلْبِ مِنْ مِنَ الْعَلَنِ وَاللَّهُ الْمُسْتَعَانُ يَعْنِي إِنْ وَقَعْتَ فَارْجِعْ فَوْرًا أَيُّ إِنْسَانٍ مُتَعَرِّضٌ أَنَّهُ يَقَعُ أَحْيَانًا يَقَعُ بِذَنْبٍ مُعَيَّنٍ تَقَعُ أَنْتَ تَقَعُ بِذَنْبٍ بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ فَإِذَا
বারাকাল্লাহু ফীকুম, ছেড়ে দাও, বারাকাল্লাহু ফীক, এমন সব কিছু যা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লকে রাগান্বিত করে, এমনকি যদি কখনো তোমার নিজের কষ্ট হয়, শুরুতে কষ্ট হয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আনুগত্যে কষ্ট সহ্য করা তোমার জন্য অনেক সহজ বালা-মুসিবতের স্থায়িত্বের চেয়ে। চোখ নিচু রাখো, জিহ্বা হেফাজত করো, প্রকাশ্য হারামের আগে গোপন হারাম থেকে দূরে থাকো, কারণ নির্জনতা প্রকাশ্যের চেয়ে দ্রুত হৃদয় ধ্বংস করে। আল্লাহই সাহায্যকারী। যদি তুমি পড়ে যাও, তাহলে সাথে সাথে ফিরে এসো। প্রতিটি মানুষই সংশয়যুক্ত, কখনো কখনো নির্দিষ্ট কোনো গুনাহে পড়ে যায় - তুমি পড়ে যাও গুনাহে, বারাকাল্লাহু ফীকুম, তাহলে
৪৬:৫৮–৪৭:৪৫
وَقَعْتَ رَاحْ أَتَكَلَّمُ عِرَاقِي عِرَاقِي بِلَهْجَتِي يَعْنِي فَإِذَا وَقَعْتَ أَنْتَ بِهَذَا الذَّنْبِ ارْجِعْ ارْجِعْ إِلَى اللَّهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى لَا تُؤَجِّلِ التَّوْبَةَ لَا تاخر التَّوْبَةَ فَاللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَعْنِي
পড়ে গেলে, আমি একটু ইরাকি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলবো - যদি তুমি এই গুনাহে পড়ে যাও, তাহলে ফিরে এসো, ফিরে এসো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে। তাওবা বিলম্বিত করো না, তাওবা দেরি করো না, কারণ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল
৪৭:৪৫–৪৮:০১
يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ يَعْنِي اجْعَلْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ عَفْوًا اجْعَلْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الذَّنْبِ سُدُودًا حَاجِزًا اجْعَلْ بَيْنَكَ وَبَيْنَ هَذَا الذَّنْبِ حَاجِزًا غَيِّرِ الْمَكَانَ اقْطَعِ الْأَسْبَابَ مُهِمٌّ جِدًّا تُصَاحِبِ الصَّالِحِينَ دَوِّرْ دَوِّرْ يَعْنِي يَبْحَثُ دَوِّرْ عَنِ الصَّالِحِينَ دَوِّرْ عَنِ النَّاسِ اللِّي أَنْتَ تَعْرِفُهُمْ عِنْدَهُمْ سِمَاتٌ إِسْلَامِيَّةٌ عِنْدَهُمُ الهديه الظَّاهِرُ نَاسٌ خلوقه خَوْشْ نَاسٍ نَاسٍ تَخَافُ اللَّهَ بِيكَ صاحبه هَذَا الْإِنْسَانَ الصَّالِحَ وَأَكْثِرْ مِنْ قَوْلِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ طَبْعًا مُهِمٌّ جِدًّا أَنَّهُ يَكُونُ بِقَلْبٍ حَاضِرٍ وَلَا
বলেন যে আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন। তাই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লের সাথে তোমার মধ্যে ক্ষমা রাখো, তোমার ও গুনাহের মধ্যে বাঁধ তৈরি করো, একটা বাধা রাখো, এই গুনাহের সাথে তোমার মাঝে বাধা রাখো। জায়গা পরিবর্তন করো, কারণগুলো বিচ্ছিন্ন করো - এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সৎ মানুষদের সঙ্গী হও - খোঁজো, অনুসন্ধান করো সৎ মানুষদের, খোঁজো এমন মানুষদের যাদের তুমি চেনো যাদের মধ্যে ইসলামী বৈশিষ্ট্য আছে, যাদের আচরণ স্পষ্টত ভালো মানুষের মতো, যারা ভদ্র, ভালো মানুষ, যারা আল্লাহকে ভয় করে - এমন ব্যক্তিকে বন্ধু বানাও যে সৎ, এবং বেশি বেশি 'আস্তাগফিরুল্লাহি ওয়া আতুবু ইলাইহি' বলো। অবশ্যই এটা গুরুত্বপূর্ণ যে তা হবে উপস্থিত হৃদয় দিয়ে, শুধু নয়
৪৮:০৫–৪৮:৪৭
بِاللِّسَانِ فَقَطْ يَعْنِي الْمَسْأَلَةُ مُو بَسْ بِاللِّسَانِ إِنْسَانٌ لَا يَعْنِي خَلِّ قَلْبَكَ دَائِمًا يَحْضُرُ لِلذِّكْرِ يَحْضُرُ لِلدُّعَاءِ يَعْنِي وَاعْلَمْ أَنَّ كَثِيرًا مِنَ الشِّفَاءِ يَبْدَأُ مِنْ هُنَا بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ مِنْ دَمْعَةِ التَّوْبَةِ مِنْ تَرْكِ ذَنْبٍ مِنْ صِدْقٍ مَعَ اللَّهِ فِي الْخَلْوَةِ قَبْلَ الْعَلَنِ فَإِذَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ شَافَ مِنْكَ الصِّدْقَ شَافَ مِنْكَ هَذَا يَعْنِي بِإِذْنِهِ تَعَالَى يَفْتَحُ لَكَ أَبْوَابًا بَابَ لَا
কেবল মুখ দিয়ে - অর্থাৎ ব্যাপারটা শুধু মুখের কথা নয়, মানুষ যেন সবসময় তার হৃদয়কে যিকিরের জন্য, দোয়ার জন্য উপস্থিত রাখে। জেনে রাখো, অনেক আরোগ্য শুরু হয় এখান থেকে, বারাকাল্লাহু ফীকুম - তাওবার অশ্রু থেকে, গুনাহ ছেড়ে দেওয়া থেকে, নির্জনে আল্লাহর সাথে সততা থেকে প্রকাশ্যের আগে। যখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল তোমার মধ্যে সততা দেখেন, তিনি এটা দেখেন এবং তাঁর অনুমতিতে তোমার জন্য দরজা খুলে দেন, এমন দরজা যা
৪৮:৪৭–৪৯:২০
يَرْجِعُ مَعَهُ بَلَاءٌ أَبَدًا اللَّهُ يُبَارِكُ فِيكُمْ مَا أُرِيدُ أُطَوِّلُ عَلَيْكُمْ جَزَاكُمُ اللَّهُ خَيْرًا وَنَسْأَلُ اللَّهَ التَّوْفِيقَ وَالتَّيْسِيرَ وَأَنْ يُبَارِكَ فِيكُمْ إِنِّي طَبْعًا دَائِمًا أُحِبُّ أَنِّي أَتَكَلَّمُ بِهَذِهِ الْأُمُورِ لَيْشْ يَعْنِي الْيُوتِيوبُ فُرْصَةٌ أَنِّي أَتَكَلَّمُ لِأَنَّ التَّعْلِيقَاتِ قَلِيلَةٌ وَمَا مَاكُو شَيْءٌ يَعْنِي شُو عَلَيْهِ أَحْيَانًا أُبَدِّي بِالتِّيكْ تُوكْ تَعْرِفُونَ أُرِيدُ أُحَاوِلُ أَنِّي أَتَكَلَّمُ حَتَّى لَوْ بِلَهْجَتِي أَوْ أَنِّي أُعْطِيَ بَعْضَ النَّصَائِحِ وَلَكِنْ لِكَثْرَةِ التَّعْلِيقَاتِ سُبْحَانَ اللَّهِ تُشَوِّشُ عَلَيَّ فَيَصِيرُ تَشْوِيشٌ عَلَى عَقْلِي مَا أَقْدَرُ أَتَكَلَّمُ فَأَحْيَانًا أُغْلِقُ الْبَثَّ
তার সাথে আর কখনো বালা ফিরে আসে না। আল্লাহ আপনাদের বরকত দিন, আমি আপনাদের সাথে বেশি সময় নিতে চাই না, জাযাকুমুল্লাহু খাইরান, আল্লাহর কাছে তাওফীক ও সহজতা কামনা করছি এবং তিনি আপনাদের বরকত দিন। অবশ্যই আমি সবসময় এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি কেন? কারণ ইউটিউব একটা সুযোগ আমার কথা বলার, কারণ মন্তব্য কম, আর তেমন কিছু নেই বলতে... কখনো টিকটকে শুরু করি, জানেন, চেষ্টা করি কথা বলার, এমনকি নিজের আঞ্চলিক ভাষায় হলেও, কিছু উপদেশ দেওয়ার, কিন্তু অতিরিক্ত মন্তব্যের কারণে, আল্লাহ পবিত্র-মহান, তা আমাকে বিভ্রান্ত করে, তখন আমার মনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, কথা বলতে পারি না, তাই কখনো কখনো সম্প্রচার বন্ধ করে দেই
৪৯:২৫–৫০:০৩
احنا إِخْوَةٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ يُبَارِكُ فِيكُمْ وَيَحْفَظُكُمْ خُذْ رَاحَتَكَ نَجِيبُ الشَّايَ مَا لَا جَزَاكُمُ اللَّهُ خَيْرًا رَاحْ أُغْلِقُ طَبْعًا وَرَاحْ نَرْفَعُ طَبْعًا هَذَا هَذِهِ الرُّقْيَةَ وَهَذَا الْكَلَامَ يَعْنِي فِي رَاحْ نُثْبِتُ هَذَا الْبَثَّ بِإِذْنِ اللَّهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى اللَّهُ يَحْفَظُ الْجَمِيعَ مَا كَانَ مِنْ خَطَأٍ أَوْ سَهْوٍ أَوْ نِسْيَانٍ فَمِنِّي من الشَّيْطَانِ وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ مِنْهُ بَرَاءٌ وَمَا كَانَ متوفيقا وَتَسْدِيدٍ فَمِنْ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا لَا تَنْسَوْا مَصَالِحَ الدُّعَاءِ أَسْتَوْدِعُكُمُ اللَّهَ وَالسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ
আমরা ভাই ভাই ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আপনাদের বরকত দিন ও হিফাজত করুন। বিশ্রাম নিন, চা আনি, না... জাযাকুমুল্লাহু খাইরান, এখন বন্ধ করবো অবশ্যই, এবং এই রুকইয়াহ ও এই কথাগুলো আপলোড করবো। আমরা ইনশাআল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এই সম্প্রচার সংরক্ষণ করবো, আল্লাহ সবাইকে হিফাজত করুন। যদি কোনো ভুল, বিস্মৃতি বা অবহেলা হয়ে থাকে তা আমার পক্ষ থেকে ও শয়তানের পক্ষ থেকে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তা থেকে মুক্ত। আর যা তাওফীক ও সঠিকতার সাথে হয়েছে তা আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের পক্ষ থেকে, তাঁদের উপর অসংখ্য সালাম বর্ষিত হোক। দোয়ার স্বার্থ ভুলবেন না, আল্লাহর কাছে আপনাদের সোপর্দ করলাম, ওয়াস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
৫০:০৩–৫০:৪৩

অন্যান্য পঠিত অংশ ৫২ অংশ

এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
أَعُوذُ بِاللهِ الرَّجِيمِ
আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮০:০৪
بِسْمِ اللهِ بَرَكَةٌ
আল্লাহর নামে, বরকত
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:৫৫
بِسْمِ اللهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১:৪৬
بِسْمِ اللهِ أَرْقِيكُمْ
আল্লাহর নামে আমি তোমাদের উপর রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১:৫২
مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكُمْ
যা তোমাদের কষ্ট দেয় এমন সবকিছু থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭১:৫৬
مِنَ الْإِنْسِ وَالْجَانِّ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ
মানুষ ও জিন থেকে। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০২:২৩
سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ
তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয়
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৩:৫৮
اللهُ سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ
আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৪:০২
السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ السِّحْرَ إِنَّ اللهَ سَيُبْطِلُهُ
জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৪:২৫
النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي
গিরায় ফুঁ দেয়া জাদুকরীদের অনিষ্ট থেকে, এবং গিরায় ফুঁ দেয়া নারীদের অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫৮:৩৭
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ مَنِ الْأَقَارِبِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مِنَ الْأَقَارِبِ
হে আল্লাহ, আত্মীয়দের থেকে আসা জাদু বাতিল করে দিন, হে আল্লাহ, আত্মীয়দের থেকে আসা সকল জাদু বাতিল করে দিন
তুলনীয়: সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৫৪১১:৫৬
أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ
সকল জাদু বাতিল করে দিন
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২১৪:৪০
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার কুমন্ত্রণা, তার ফুঁ এবং তার বিষ থেকে। পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১৬:০৫
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ
এবং বলুন, সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, বিলুপ্ত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৬:১২
وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৬:২৭
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৬:৪৭
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৬:৫৯
الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৭:০৫
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই বিষয়
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১৭:১২
يُعَطِّلُ عَمَلًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَطَّلَ عَمَلًا
যা কাজ বন্ধ করে দেয়। হে আল্লাহ, যে জাদু কাজ বন্ধ করে দিয়েছে তা বাতিল করে দিন
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২১৯:১৮
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَٰنِ
তার কুমন্ত্রণা, তার ফুঁ এবং তার বিষ থেকে। পরম করুণাময় আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১৯:৩৩
السَّمِيعِ الْعَلِيمِ
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ
তুলনীয়: সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১৩২৩:১৩
بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ
বরং আমি সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করি
তুলনীয়: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮২৩:৪৭
بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ
বরং আমি সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করি
তুলনীয়: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮২৩:৫০
حَسَدًا لِيَسْحَرَنَا اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِطَالِبَةِ السِّحْرِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَنْ ذَهَبَتْ إِلَى السَّاحِرِ أَوِ
হিংসাবশত আমাদের জাদু করার জন্য। হে আল্লাহ, জাদু প্রার্থনাকারিণীর বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট। হে আল্লাহ, যে জাদুকরের কাছে গিয়েছে তার বিরুদ্ধে তুমিই যথেষ্ট, অথবা
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৪২৪:১৬
أَرِنَا بِهِمْ مَا يَشْفِي الصُّدُورَ
আমাদের দেখাও তাদের মাধ্যমে যা বুকের প্রশান্তি দেয়
তুলনীয়: সূরা আল-আদিয়াত, আয়াত ১০২৪:৫৫
وَيُذْهِبُ غَيْظَ الْقُلُوبِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي بُيُوتِنَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ
এবং অন্তরের ক্রোধ দূর করে। হে আল্লাহ, আমাদের ঘরের সব জাদু বাতিল কর। হে আল্লাহ, বাতিল কর
তুলনীয়: সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১৫২৫:০১
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا فِي الْبُطُونِ
হে আল্লাহ, পেটে যা আছে তা বাতিল কর
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫২৬:০৫
الْبُطُونِ أَخْرِجْ مَا فِي الْبُطُونِ
পেটে, পেটে যা আছে তা বের কর
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫২৬:৩৫
الْبُطُونِ كُلَّ حَبْلٍ وَسِلْسِلَةٍ مُمْتَدَّةٍ فِي الْبُطُونِ
পেটে, পেটে বিস্তৃত প্রতিটি রশি ও শৃঙ্খল
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫২৭:০২
وَالرُّؤُوسِ كُلَّ سِحْرٍ طَوَّقَ الرَّأْسَ كُلَّ سِحْرٍ أَثَّرَ عَلَى
এবং মাথার দিকে, প্রতিটি জাদু যা মাথা বেষ্টন করেছে, প্রতিটি জাদু যা প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৭৯২৭:১১
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ
এবং আমরা অবশ্যই জানি যে তুমি
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৯৭২৭:৩৯
وَالْأَقْدَامِ أَثَّرَ عَلَى الرُّكَبِ سَبَّبَ حَرَارَةً فِي
এবং পায়ে, হাঁটুতে প্রভাব ফেলেছে, উষ্ণতার কারণ হয়েছে
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৩৭৩০:৪৯
أَثَّرَ عَلَى سَعْيِنَا لِلْعَمَلِ وَالطَّاعَاتِ
আমাদের কাজ ও ইবাদতের প্রচেষ্টায় প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৬১৩১:২২
الْجَانِّ وَمَرَدَتِهِمْ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَلَى الْمَبَايِضِ
এবং তাদের বিদ্রোহী জিনদের কাছে। ডিম্বাশয়ের উপর প্রতিটি জাদু বাতিল কর
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২৩১:৪৭
وَالْأَرْحَامِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَلَى الْمَبَايِضِ
এবং জরায়ুর উপর, ডিম্বাশয়ের উপর প্রতিটি জাদু বাতিল কর
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২৩১:৫০
الْمُصَافَحَةِ تَمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ عَبْرَ الْهَاتِفِ تَمَّ
হাত মেলানোর মাধ্যমে করা প্রতিটি জাদু বাতিল করা হলো। টেলিফোনের মাধ্যমে করা প্রতিটি জাদু বাতিল করা হলো
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২৩২:০৭
السَّحَرَةِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الظَّالِمِينَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ
জাদুকরদের থেকে, এবং আমরা তোমার কাছে যালিমদের থেকে আশ্রয় চাই এবং আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮৩২:৫০
وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ
এবং শয়তানদের থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ, আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮৩২:৫৮
وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৭৩৩৩:৪২
السَّحَرَةَ الَّذِينَ يَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ وَيُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ
জাদুকরদের যারা তোমার পথ থেকে বাধা দেয় এবং তোমার রাসূলদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করে
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৪৫৩৪:৪০
وَامْكُرْ لَنَا وَلَا تَمْكُرْ عَلَيْنَا
এবং আমাদের পক্ষে কৌশল অবলম্বন কর এবং আমাদের বিরুদ্ধে কৌশল অবলম্বন করো না
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৪৩৫:১৮
تَقَدَّسَ اسْمُكَ أَمْرُكَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ اللَّهُمَّ
তোমার নাম পবিত্র, তোমার আদেশ আসমান ও জমিনে প্রবাহিত। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৫৩৭:২১
حَيَّاكُمُ اللهُ أَحِبَّتِي فِي اللهِ وَأَسْأَلُ اللهَ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَنْ يُبَارِكَ فِيكُمْ جَمِيعًا وَأَنْ
আল্লাহ আপনাদের সুস্বাগতম জানান, আমার আল্লাহর জন্য প্রিয় ভাই-বোনেরা। এবং আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আপনাদের সকলকে বরকত দান করেন এবং
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১৩৮:৫৩
آ وَإِنْ شَاءَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى رَاحْ نُحَاوِلْ
এবং ইনশাআল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমরা চেষ্টা করবো
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১৩৯:২২
وَكَذَلِكَ الْقُرْآنُ سُبْحَانَ اللَّهِ هُوَ حِصْنٌ حَصِينٌ مِنْ كُلِّ سِحْرٍ وَمَسٍّ وَلَا يَثْبُتُ
এবং আল্লাহ পবিত্র-মহান, কুরআন হলো সমস্ত জাদু ও জ্বিনের আছর থেকে সুরক্ষিত দুর্গ এবং তা টিকে থাকে না
তুলনীয়: সূরা লুকমান, আয়াত ৩০৪১:০০
يَعْنِي نِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
অর্থাৎ, হ্যাঁ, 'নি'মাল ওয়াকীল' - 'হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল'
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৭৩৪৫:২০
اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى يَعْنِي أَنْتَ إِذَا تَتْعَبُ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা - অর্থাৎ তুমি যদি কষ্ট পাও
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১৪৭:১১
لَا يَمَلُّ حَتَّى أَنْتَ تَمَلُّ وَاللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى
কখনো ক্লান্ত হন না, যতক্ষণ না তুমি নিজেই ক্লান্ত হও, আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১৪৮:০১
الصِّدْقِ وَالرُّجُوعِ
সততা ও প্রত্যাবর্তন
তুলনীয়: সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত ৩১৪৯:১৪
تُغْلَقُ وَشِفَاءٌ بِإِذْنِ اللَّهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى مَا
বন্ধ হয় না, আর ইনশাআল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আরোগ্য যা
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১৪৯:২০
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَحْدَهُ هَذَا وصلي اللَّهُمَّ عَلَى
রাহমান রাহীম একাই - এই এবং সালাত পড়ুন হে আল্লাহ, রহমত বর্ষণ করুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩৫০:৩০

তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)

রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
  1. ০:০৬ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  2. ০:১৩ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  3. ০:২৭ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
  4. ০:৩৩ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৮৯
  5. ৩:২৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  6. ৩:৩৪ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  7. ৪:১৭ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  8. ৪:৩৬ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১–৮২
  9. ৫:৫৫ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১৩৯
  10. ৮:১৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  11. ৮:২০ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ২–৫
  12. ৮:৪১ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫
  13. ৯:৫০ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
  14. ১০:০১ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
  15. ১০:১২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  16. ১০:১৬ — সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১০৭
  17. ১০:২৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  18. ১০:৩০ — সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৯১
  19. ১০:৪৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  20. ১০:৫২ — সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৬৪
  21. ১২:২৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  22. ১২:৩৩ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২১
  23. ১৩:০৭ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২২–২৩
  24. ১৩:৩৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  25. ১৫:৫৮ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮
  26. ১৯:৩০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  27. ২৩:১৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  28. ২৩:৩৩ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৩৯
  29. ২৩:৫৩ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
  30. ২৭:৪৩ — সূরা আল-হিজর, আয়াত ৯৭–৯৯
  31. ৩৪:২৭ — সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত ৪
  32. ৪৫:০৫ — সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩

সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী

📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।

এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:

১. শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য

আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।

🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম

"হে আল্লাহ আমার শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"

উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।

এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।

এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।

🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম

১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।

২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।

৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।

৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।

৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।

সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।

🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন

গোসলের নিয়ম:

এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।

এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।

🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন

গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।

🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন

১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।

২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।

৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।

৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।

🟢 আমল

সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।

সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।

🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন

নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।

🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।

শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।

কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।

🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল

ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন

এই গাইডলাইনের বিষয় (শক্তিশালী প্রভাবশালী রুকইয়াহ, বিনম্র তিলাওয়াত ও শক্তিশালী কম্পনসৃষ্টিকারী দোয়া সহ, জাদু বাতিল করার ও বাঁধন খোলার জন্য) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।

ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন

১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।

ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত

সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪ — নিয়মিততা

প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।