بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
✦ ✦ ✦
রুকইয়াহ গাইডলাইন — বাংলা অর্থসহ

শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ

رقية قوية لجميع أعضاء الجسد وابطال السحر والمس والحسد بإذن الله تعالى
✦ ✦ ✦
শাইখ أبو محمد العراقي-এর রুকইয়াহ থেকে সংকলিত · RUQ-0011
রাকী ফয়সাল আহমেদ সাবিত
আল কুরআন রুকইয়াহ হিলিং সেন্টার
Al Quranic Ruqyah Healing Center

এই গাইডলাইন সম্পর্কে

এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।

আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।

এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য

শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ

রুকইয়াহ অডিও

শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ

رقية قوية لجميع أعضاء الجسد وابطال السحر والمس والحسد بإذن الله تعالى

🔗 https://www.youtube.com/watch?v=tHJ4cIm-iT4

দৈর্ঘ্য: ৩৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে

রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ২৪ আয়াত-পরিসর

প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
সূরা আল-ফাতিহা : ২–৭
ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ ٱهْدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾

২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।

৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,

৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

রুকইয়াহয় ০:৫৮
সূরা আল-বাকারা : ১০২
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾

১০২. তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

রুকইয়াহয় ১:৩৫
সূরা আল-বাকারা : ১০২–১০৩
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾ وَلَوْ أَنَّهُمْ ءَامَنُوا۟ وَٱتَّقَوْا۟ لَمَثُوبَةٌۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ خَيْرٌۭ ۖ لَّوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٣﴾

১০২. তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

১০৩. যদি তারা ঈমান আনত এবং খোদাভীরু হত, তবে আল্লাহর কাছ থেকে উত্তম প্রতিদান পেত। যদি তারা জানত।

রুকইয়াহয় ২:১৪
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৭–১২২
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾

১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।

১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।

১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।

১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।

১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।

১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।

রুকইয়াহয় ৪:২০، ৬:২০ · ২ বার
সূরা ইউনুস : ৮১
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

রুকইয়াহয় ৫:৪৫، ৬:০৭، ৭:১০ · ৩ বার
সূরা ইউনুস : ৮১–৮২
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾

৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।

৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।

রুকইয়াহয় ৭:২৪
সূরা আল-আম্বিয়া : ১৮
بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌۭ ۚ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ ﴿١٨﴾

১৮. বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।

রুকইয়াহয় ৭:৪৩
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৮–১৩৯
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾ قَالَ فِرْعَوْنُ ءَامَنتُم بِهِۦ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّ هَٰذَا لَمَكْرٌۭ مَّكَرْتُمُوهُ فِى ٱلْمَدِينَةِ لِتُخْرِجُوا۟ مِنْهَآ أَهْلَهَا ۖ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿١٢٣﴾ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍۢ ثُمَّ لَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ﴿١٢٤﴾ قَالُوٓا۟ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ ﴿١٢٥﴾ وَمَا تَنقِمُ مِنَّآ إِلَّآ أَنْ ءَامَنَّا بِـَٔايَٰتِ رَبِّنَا لَمَّا جَآءَتْنَا ۚ رَبَّنَآ أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًۭا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ ﴿١٢٦﴾ وَقَالَ ٱلْمَلَأُ مِن قَوْمِ فِرْعَوْنَ أَتَذَرُ مُوسَىٰ وَقَوْمَهُۥ لِيُفْسِدُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَيَذَرَكَ وَءَالِهَتَكَ ۚ قَالَ سَنُقَتِّلُ أَبْنَآءَهُمْ وَنَسْتَحْىِۦ نِسَآءَهُمْ وَإِنَّا فَوْقَهُمْ قَٰهِرُونَ ﴿١٢٧﴾ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ ٱسْتَعِينُوا۟ بِٱللَّهِ وَٱصْبِرُوٓا۟ ۖ إِنَّ ٱلْأَرْضَ لِلَّهِ يُورِثُهَا مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ وَٱلْعَٰقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿١٢٨﴾ قَالُوٓا۟ أُوذِينَا مِن قَبْلِ أَن تَأْتِيَنَا وَمِنۢ بَعْدِ مَا جِئْتَنَا ۚ قَالَ عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يُهْلِكَ عَدُوَّكُمْ وَيَسْتَخْلِفَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ ﴿١٢٩﴾ وَلَقَدْ أَخَذْنَآ ءَالَ فِرْعَوْنَ بِٱلسِّنِينَ وَنَقْصٍۢ مِّنَ ٱلثَّمَرَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ ﴿١٣٠﴾ فَإِذَا جَآءَتْهُمُ ٱلْحَسَنَةُ قَالُوا۟ لَنَا هَٰذِهِۦ ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۭ يَطَّيَّرُوا۟ بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓ ۗ أَلَآ إِنَّمَا طَٰٓئِرُهُمْ عِندَ ٱللَّهِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿١٣١﴾ وَقَالُوا۟ مَهْمَا تَأْتِنَا بِهِۦ مِنْ ءَايَةٍۢ لِّتَسْحَرَنَا بِهَا فَمَا نَحْنُ لَكَ بِمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلطُّوفَانَ وَٱلْجَرَادَ وَٱلْقُمَّلَ وَٱلضَّفَادِعَ وَٱلدَّمَ ءَايَٰتٍۢ مُّفَصَّلَٰتٍۢ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ قَوْمًۭا مُّجْرِمِينَ ﴿١٣٣﴾ وَلَمَّا وَقَعَ عَلَيْهِمُ ٱلرِّجْزُ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَ ۖ لَئِن كَشَفْتَ عَنَّا ٱلرِّجْزَ لَنُؤْمِنَنَّ لَكَ وَلَنُرْسِلَنَّ مَعَكَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿١٣٤﴾ فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُمُ ٱلرِّجْزَ إِلَىٰٓ أَجَلٍ هُم بَٰلِغُوهُ إِذَا هُمْ يَنكُثُونَ ﴿١٣٥﴾ فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ بِأَنَّهُمْ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا وَكَانُوا۟ عَنْهَا غَٰفِلِينَ ﴿١٣٦﴾ وَأَوْرَثْنَا ٱلْقَوْمَ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ يُسْتَضْعَفُونَ مَشَٰرِقَ ٱلْأَرْضِ وَمَغَٰرِبَهَا ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا ۖ وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ ٱلْحُسْنَىٰ عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ بِمَا صَبَرُوا۟ ۖ وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهُۥ وَمَا كَانُوا۟ يَعْرِشُونَ ﴿١٣٧﴾ وَجَٰوَزْنَا بِبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْبَحْرَ فَأَتَوْا۟ عَلَىٰ قَوْمٍۢ يَعْكُفُونَ عَلَىٰٓ أَصْنَامٍۢ لَّهُمْ ۚ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱجْعَل لَّنَآ إِلَٰهًۭا كَمَا لَهُمْ ءَالِهَةٌۭ ۚ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌۭ تَجْهَلُونَ ﴿١٣٨﴾ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ مُتَبَّرٌۭ مَّا هُمْ فِيهِ وَبَٰطِلٌۭ مَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٣٩﴾

১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।

১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।

১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।

১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।

১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।

১২৩. ফেরাউন বলল, তোমরা কি (তাহলে) আমার অনুমতি দেয়ার আগেই ঈমান আনলে! এটা প্রতারণা, যা তোমরা এ নগরীতে প্রদর্শন করলে। যাতে করে এ শহরের অধিবাসীদিগকে শহর থেকে বের করে দিতে পার। সুতরাং তোমরা শীঘ্রই বুঝতে পারবে।

১২৪. অবশ্যই আমি কেটে দেব তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে। তারপর তোমাদের সবাইকে শূলীতে চড়িয়ে মারব।

১২৫. তারা বলল, আমাদেরকে তো মৃত্যুর পর নিজেদের পরওয়ারদেগারের নিকট ফিরে যেতেই হবে।

১২৬. বস্তুতঃ আমাদের সাথে তোমার শত্রুতা তো এ কারণেই যে, আমরা ঈমান এনেছি আমাদের পরওয়ারদেগারের নিদর্শনসমূহের প্রতি যখন তা আমাদের নিকট পৌঁছেছে। হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর।

১২৭. ফেরাউনের সম্প্রদায়ের র্সদাররা বলল, তুমি কি এমনি ছেড়ে দেবে মূসা ও তার সম্প্রদায়কে। দেশময় হৈ-চৈ করার জন্য এবং তোমাকে ও তোমার দেব-দেবীকে বাতিল করে দেবার জন্য। সে বলল, আমি এখনি হত্যা করব তাদের পুত্র সন্তানদিগকে; আর জীবিত রাখব মেয়েদেরকে। বস্তুতঃ আমরা তাদের উপর প্রবল।

১২৮. মূসা বললেন তার কওমকে, সাহায্য প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট এবং ধৈর্য্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই এ পৃথিবী আল্লাহর। তিনি নিজের বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন এবং শেষ কল্যাণ মুত্তাকীদের জন্যই নির্ধারিত রয়েছে।

১২৯. তারা বলল, আমাদের কষ্ট ছিল তোমার আসার পূর্বে এবং তোমার আসার পরে। তিনি বললেন, তোমাদের পরওয়ারদেগার শীঘ্রই তোমাদের শক্রদের ধ্বংস করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দেশে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন। তারপর দেখবেন, তোমরা কেমন কাজ কর।

১৩০. তারপর আমি পাকড়াও করেছি-ফেরাউনের অনুসারীদেরকে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

১৩১. অতঃপর যখন শুভদিন ফিরে আসে, তখন তারা বলতে আরম্ভ করে যে, এটাই আমাদের জন্য উপযোগী। আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয় তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে। শুনে রাখ তাদের অলক্ষণ যে, আল্লাহরই এলেমে রয়েছে, অথচ এরা জানে না।

১৩২. তারা আরও বলতে লাগল, আমাদের উপর জাদু করার জন্য তুমি যে নিদর্শনই নিয়ে আস না কেন আমরা কিন্তু তোমার উপর ঈমান আনছি না।

১৩৩. সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত প্রভৃতি বহুবিধ নিদর্শন একের পর এক। তারপরেও তারা গর্ব করতে থাকল। বস্তুতঃ তারা ছিল অপরাধপ্রবণ।

১৩৪. আর তাদের উপর যখন কোন আযাব পড়ে তখন বলে, হে মূসা আমাদের জন্য তোমার পরওয়ারদেগারের নিকট সে বিষয়ে দোয়া কর যা তিনি তোমার সাথে ওয়াদা করে রেখেছেন। যদি তুমি আমাদের উপর থেকে এ আযাব সরিয়ে দাও, তবে অবশ্যই আমরা ঈমান আনব তোমার উপর এবং তোমার সাথে বনী-ইসরাঈলদেরকে যেতে দেব।

১৩৫. অতঃপর যখন আমি তাদের উপর থেকে আযাব তুলে নিতাম নির্ধারিত একটি সময় পর্যন্ত-যেখান পর্যন্ত তাদেরকে পৌছানোর উদ্দেশ্য ছিল, তখন তড়িঘড়ি তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।

১৩৬. সুতরাং আমি তাদের কাছে থেকে বদলা নিয়ে নিলাম-বস্তুতঃ তাদেরকে সাগরে ডুবিয়ে দিলাম। কারণ, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল আমার নিদর্শনসমূহকে এবং তৎপ্রতি অনীহা প্রদর্শন করেছিল।

১৩৭. আর যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তাদেরকেও আমি উত্তরাধিকার দান করেছি এ ভুখন্ডের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের যাতে আমি বরকত সন্নিহিত রেখেছি এবং পরিপূর্ণ হয়ে গেছে তোমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত কল্যাণ বনী-ইসরাঈলদের জন্য তাদের ধৈর্য্যধারণের দরুন। আর ধ্বংস করে দিয়েছে সে সবকিছু যা তৈরী করেছিল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় এবং ধ্বংস করেছি যা কিছু তারা সুউচ্চ নির্মাণ করেছিল।

১৩৮. বস্তুতঃ আমি সাগর পার করে দিয়েছি বনী-ইসরাঈলদিগকে। তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌছাল, যারা স্বহস্তনির্মিত মূর্তিপুজায় নিয়োজিত ছিল। তারা বলতে লাগল, হে মূসা; আমাদের উপাসনার জন্যও তাদের মূর্তির মতই একটি মূর্তি নির্মাণ করে দিন। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে বড়ই অজ্ঞতা রয়েছে।

১৩৯. এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা ধ্বংস হবে এবং যা কিছু তারা করেছে তা যে ভুল!

রুকইয়াহয় ৮:১৫
সূরা আল-ফালাক : ১–৩
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

রুকইয়াহয় ৮:৪৬
১০
সূরা আল-ফালাক : ৪–৫
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

রুকইয়াহয় ৯:০৭، ৯:১৮ · ২ বার
১১
সূরা ত্ব-হা : ২৫
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى ﴿٢٥﴾

২৫. মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

রুকইয়াহয় ১১:১০
১২
সূরা ত্ব-হা : ২৬
وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

রুকইয়াহয় ১১:২৫، ১২:৫৫، ১৩:০৮ · ৩ বার
১৩
সূরা ত্ব-হা : ২৬–২৭
وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾ وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

২৭. এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

রুকইয়াহয় ১১:৪২
১৪
সূরা ত্ব-হা : ২৫–২৭
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى ﴿٢٥﴾ وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾ وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾

২৫. মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

২৬. এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

২৭. এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

রুকইয়াহয় ১১:৫৯
১৫
সূরা আন-নিসা : ৫৪
أَمْ يَحْسُدُونَ ٱلنَّاسَ عَلَىٰ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۖ فَقَدْ ءَاتَيْنَآ ءَالَ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَءَاتَيْنَٰهُم مُّلْكًا عَظِيمًۭا ﴿٥٤﴾

৫৪. নাকি যাকিছু আল্লাহ তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে দান করেছেন সে বিষয়ের জন্য মানুষকে হিংসা করে। অবশ্যই আমি ইব্রাহীমের বংশধরদেরকে কিতাব ও হেকমত দান করেছিলাম আর তাদেরকে দান করেছিলাম বিশাল রাজ্য।

রুকইয়াহয় ১৪:২৫
১৬
সূরা আল-কাহফ : ৩৯
وَلَوْلَآ إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَآءَ ٱللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِٱللَّهِ ۚ إِن تَرَنِ أَنَا۠ أَقَلَّ مِنكَ مَالًۭا وَوَلَدًۭا ﴿٣٩﴾

৩৯. যদি তুমি আমাকে ধনে ও সন্তানে তোমার চাইতে কম দেখ, তবে যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন একথা কেন বললে না; আল্লাহ যা চান, তাই হয়। আল্লাহর দেয়া ব্যতীত কোন শক্তি নেই।

রুকইয়াহয় ১৪:৪৭، ১৫:১৫ · ২ বার
১৭
সূরা আল-কলম : ৫১
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٥١﴾

৫১. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।

রুকইয়াহয় ১৫:৩০
১৮
সূরা আল-কলম : ৫২
وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ﴿٥٢﴾

৫২. অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

রুকইয়াহয় ১৬:২৪
১৯
সূরা আল-ফাতিহা : ৩
ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾

৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

রুকইয়াহয় ১৭:২৩، ১৭:৩৭ · ২ বার
২০
সূরা আল-ইখলাস : ১–৩
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾

১. বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,

২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,

৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি

রুকইয়াহয় ১৭:২৭
২১
সূরা আল-ফালাক : ১–৪
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

রুকইয়াহয় ১৭:৪০
২২
সূরা আন-নাস : ১–৬
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾

১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

২. মানুষের অধিপতির,

৩. মানুষের মা’বুদের

৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে

৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

রুকইয়াহয় ১৮:০০
২৩
সূরা আল-বুরূজ : ১৫
ذُو ٱلْعَرْشِ ٱلْمَجِيدُ ﴿١٥﴾

১৫. মহান আরশের অধিকারী।

রুকইয়াহয় ১৯:২১
২৪
সূরা ইউনুস : ১০
دَعْوَىٰهُمْ فِيهَا سُبْحَٰنَكَ ٱللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَٰمٌۭ ۚ وَءَاخِرُ دَعْوَىٰهُمْ أَنِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٠﴾

১০. সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র তোমার সত্তা হে আল্লাহ’। আর শুভেচ্ছা হল সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে।

রুকইয়াহয় ৩৫:১৩

রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]৭ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر৬ বার

শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৪৪ অংশ

শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
وَجَعَلَ ذِكْرَهُ حِصْنًا حَصِينًا مِنْ كُلِّ شَرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُ بِكَ وَنَسْتَغِيثُ بِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً لِكُلِّ مَرِيضٍ وَفَرَجًا لِكُلِّ مَهْمُومٍ وَفَكًّا لِكُلِّ مَعْقُودٍ وَإِبْطَالًا لِكُلِّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ وَعَيْنٍ وَمَسٍّ اللَّهُمَّ اجْعَلِ اجْعَلْ مَا نقراه نَارًا عَلَى كُلِّ سَاحِرٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَا نقراه نَارًا عَلَى كُلِّ سَاحِرٍ وَحَاسِدٍ وَشِفَاءً وَنُورًا وَرَحْمَةً لِكُلِّ مبتلا يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ
এবং তাঁর যিকিরকে সকল অনিষ্ট ও বিপদ থেকে সুরক্ষিত দুর্গ বানিয়েছেন। হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছেই সাহায্য চাই এবং আপনার কাছেই ফরিয়াদ করি। হে আল্লাহ! এই রুকইয়াহকে প্রত্যেক রোগীর জন্য আরোগ্য, প্রত্যেক দুশ্চিন্তাগ্রস্তের জন্য মুক্তি, প্রত্যেক বাঁধা খুলে দেওয়ার মাধ্যম এবং সকল জাদু, হিংসা ও নজর বাতিলকারী বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আমরা যা পাঠ করছি তা প্রত্যেক জাদুকরের উপর আগুন বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আমরা যা পাঠ করছি তা প্রত্যেক জাদুকর ও হিংসুকের উপর আগুন এবং প্রত্যেক বিপদগ্রস্তের জন্য শিফা, নূর ও রহমত বানিয়ে দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! আমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
০:০৭–০:৪৭
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত অভিশপ্ত শয়তান।
১:৩২–১:৩৫
النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ يُعَلِّمُونَ
মানুষকে জাদু শিক্ষা দেয়, মানুষকে জাদু শিক্ষা দেয়, মানুষকে জাদু শিক্ষা দেয়, মানুষকে জাদু শিক্ষা দেয়।
২:০২–২:১৪
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ أَوْ مَدْفُونٍ أَوْ مَرْشُوشٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ أَوْ مَعْقُودٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ أَوْ مَدْفُونٍ أَوْ مَرْشُوشٍ أَوْ مَعْقُودٍ اللَّهُمَّ افْضَحِ السَّحَرَةَ وَأَبْطِلْ أَعْمَالَهُمْ وَرُدَّ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمْ اللَّهُمَّ افْضَحِ السَّحَرَةَ وَأَبْطِلْ أَعْمَالَهُمْ وَرُدَّ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمْ اللَّهُمَّ افْضَحِ السَّحَرَةَ وَأَبْطِلْ أَعْمَالَهُمْ وَرُدَّ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمْ
হে আল্লাহ! খাদ্যে বা পানীয়ে মিশ্রিত প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! খাদ্যে বা পানীয়ে মিশ্রিত প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! খাদ্যে বা পানীয়ে মিশ্রিত প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! খাদ্যে বা পানীয়ে মিশ্রিত, মাটিতে পোঁতা, ছিটানো বা বাঁধা প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন, বাঁধা, বাঁধা, বাঁধা, বাঁধা, বাঁধা, বাঁধা, বাঁধা। হে আল্লাহ! খাদ্যে বা পানীয়ে মিশ্রিত, মাটিতে পোঁতা, ছিটানো বা বাঁধা প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! জাদুকরদের ফাঁস করে দিন এবং তাদের কর্ম বাতিল করে দিন এবং তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ! জাদুকরদের ফাঁস করে দিন এবং তাদের কর্ম বাতিল করে দিন এবং তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ! জাদুকরদের ফাঁস করে দিন এবং তাদের কর্ম বাতিল করে দিন এবং তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন।
৩:৩২–৪:১৬
اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُعَقَّدٍ فِي الْأَجْسَادِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُعَقَّدٍ فِي الْأَجْسَادِ وَالْأَرْوَاحِ وَالْبُيُوتِ وَالْأَرْزَاقِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ السَّحَرَةِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مُعَقَّدٍ فِي الْأَجْسَادِ مُعَقَّدٍ فِي الْأَجْسَادِ مُعَقَّدٍ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ مُعَقَّدٍ فِي الْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالْبَيْتِ وَالْأَرْزَاقِ
হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন, দেহে বাঁধা প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। দেহ, আত্মা, ঘর ও রিযিকে বাঁধা প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন। হে আল্লাহ! যেমন আপনি জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিয়েছিলেন, দেহে বাঁধা প্রত্যেক জাদু বাতিল করে দিন, দেহে বাঁধা, দেহে বাঁধা, দেহে বাঁধা, দেহে বাঁধা, দেহে বাঁধা, দেহে বাঁধা, দেহ ও আত্মা ও ঘর ও রিযিকে বাঁধা।
৫:০৪–৫:৪২
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ
৫:৫৫–৬:০০
الْمُفْسِدِينَ الرَّجِيمِ
অনিষ্টকারীদের (কাজ আল্লাহ সঠিক করেন না)। অভিশপ্ত শয়তান।
৬:১২–৬:২০
الرَّجِيمِ
অভিশপ্ত শয়তান।
৭:৪১–৭:৪৩
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ
অভিশপ্ত শয়তানের কুমন্ত্রণা, ফুঁ ও বিষাক্ত নিঃশ্বাস থেকে। আল্লাহর নামে
৮:৩৬–৮:৪২
اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ فِي الرَّأْسِ وَالْقَلْبِ وَالصَّدْرِ وَالرَّحِمِ وَالْأَعْصَابِ وَالْمَفَاصِلِ اللَّهُمَّ فُكَّ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ فِي الرَّأْسِ وَالْقَلْبِ وَالصَّدْرِ وَالرَّحِمِ وَالْأَعْصَابِ وَالْمَفَاصِلِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ فِي الرَّأْسِ وَالْقَلْبِ وَالصَّدْرِ وَالرَّحِمِ وَالْأَعْصَابِ وَالْمَفَاصِلِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ عُقِدَتْ فِي الرَّأْسِ وَالْقَلْبِ وَالصَّدْرِ وَالرَّحِمِ
হে আল্লাহ! মাথা, হৃদয়, বক্ষ, জরায়ু, স্নায়ু ও জয়েন্টে বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! মাথা, হৃদয়, বক্ষ, জরায়ু, স্নায়ু ও জয়েন্টে বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! মাথা, হৃদয়, বক্ষ, জরায়ু, স্নায়ু ও জয়েন্টে বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! মাথা, হৃদয়, বক্ষ, জরায়ুতে বাঁধা প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন
৯:২৬–১০:২১
وَالْأَعْصَابِ وَالْأَعْصَابِ وَالْأَعْصَابِ وَالْأَعْصَابِ وَالْأَعْصَابِ وَالْمَفَاصِلِ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ اللَّهُمَّ فُكَّ الْعُقَدَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَعُوذُ بِاللَّهِ
স্নায়ু, স্নায়ু, স্নায়ু, স্নায়ু, স্নায়ু ও জয়েন্ট। হে আল্লাহ! গিঁট, শিকল ও তালা খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট, শিকল ও তালা খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট, শিকল ও তালা খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট, শিকল ও তালা খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট, শিকল ও তালা খুলে দিন। হে আল্লাহ! গিঁট খুলে দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই
১০:২১–১১:০৫
أَمْرِي
আমার কাজ
১১:৪০–১১:৪২
يَفْقَهُ قَوْلِي
যেন তারা আমার কথা বুঝতে পারে
১১:৫৬–১১:৫৯
اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ
হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন
১২:১২–১২:৫৩
اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ وَيَسِّرِ الْأُمُورَ اللَّهُمَّ اشْرَحِ الصُّدُورَ وَأَطْلِقِ الْأَلْسِنَةَ وَأَطْلِقِ الْأَلْسِنَةَ وَأَطْلِقِ الْأَلْسِنَةَ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ
হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন এবং কাজসমূহ সহজ করে দিন। হে আল্লাহ! বক্ষসমূহ প্রশস্ত করে দিন এবং জিহ্বাগুলো মুক্ত করে দিন, জিহ্বাগুলো মুক্ত করে দিন, জিহ্বাগুলো মুক্ত করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, এবং প্রত্যেক বাধা দূর করে দিন
১৩:০০–১৩:৫৬
وَأَزِلْ كُلَّ تَعْطِيلٍ وَرَبْطٍ وَعُقْدَةٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ
এবং প্রত্যেক বাধা, বন্ধন ও গিঁট দূর করে দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! নাকি তারা মানুষের প্রতি হিংসা করে? নাকি তারা মানুষের প্রতি হিংসা করে? নাকি তারা মানুষের প্রতি হিংসা করে?
১৩:৫৬–১৪:২৩
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ وَكُلَّ نَفْسٍ حَسَدَتْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ وَكُلَّ نَفْسٍ حَسَدَتْ وَكُلَّ نَفْسٍ حَسَدَتْ وَكُلَّ نَفْسٍ حَسَدَتْ اللَّهُمَّ ارْدُدْ كَيْدَ الْحَاسِدِينَ اللَّهُمَّ ارْدُدْ كَيْدَ الْحَاسِدِينَ وَاشْفِ كُلَّ مَحْسُودٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ. الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ. بِسْمِ اللَّهِ
হে আল্লাহ! প্রত্যেক হিংসাত্মক দৃষ্টি বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক দৃষ্টি বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক দৃষ্টি যা তাকিয়েছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক দৃষ্টি যা তাকিয়েছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক দৃষ্টি যা তাকিয়েছে এবং প্রত্যেক আত্মা যে হিংসা করেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক দৃষ্টি যা তাকিয়েছে এবং প্রত্যেক আত্মা যে হিংসা করেছে, প্রত্যেক আত্মা যে হিংসা করেছে, প্রত্যেক আত্মা যে হিংসা করেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! হিংসুকদের চক্রান্ত প্রতিহত করুন। হে আল্লাহ! হিংসুকদের চক্রান্ত প্রতিহত করুন এবং প্রত্যেক হিংসার শিকারকে আরোগ্য দান করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! অভিশপ্ত শয়তানের কুমন্ত্রণা, ফুঁ ও বিষাক্ত নিঃশ্বাস থেকে। আল্লাহর নামে
১৬:৩০–১৭:২৩
يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا
হে আমাদের প্রতিপালক! হে আল্লাহ, হে আমাদের প্রতিপালক! হে আল্লাহ, হে আমাদের প্রতিপালক!
১৮:২২–১৮:৩২
وَالْمَنِّ الْقَدِيمِ وَالْمَنِّ الْقَدِيمِ وَذَا الْوَجْهِ الْكَرِيمِ وَلِيَّ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ وَالدَّعَوَاتِ الْمُسْتَجَابَاتِ يَا فَعَّالًا لِمَا تُرِيدُ يَدْ نَسْأَلُكَ بِعِزِّكَ الَّذِي لَا يُرَامُ وَبِمُلْكِكَ الَّذِي لَا يُضَامُ وَبِنُورِكَ الَّذِي مَلَأَ أَرْكَانَ عَرْشِكَ أَنْ تُعَافِيَنَا مِنْ
এবং প্রাচীন অনুগ্রহের অধিকারী, এবং প্রাচীন অনুগ্রহের অধিকারী, এবং সম্মানিত চেহারার অধিকারী, পরিপূর্ণ বাণীসমূহের এবং কবুল হওয়া দুআসমূহের অধিকারী, হে যিনি যা চান তা সম্পন্নকারী! আমরা আপনার কাছে প্রার্থনা করছি আপনার সেই মর্যাদার উসিলায় যা আক্রমণযোগ্য নয়, এবং আপনার সেই রাজত্বের উসিলায় যা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, এবং আপনার সেই নূরের উসিলায় যা আপনার আরশের কোণাগুলো পূর্ণ করে দিয়েছে, যেন আপনি আমাদের সুস্থতা দান করেন থেকে
১৯:০১–১৯:৪৪
أَنْ تُعَافِيَنَا
যেন আপনি আমাদের সুস্থতা দান করেন
১৯:৪৯–১৯:৫২
فِي أَجْسَامِنَا وَأَجْسَادِنَا بِقُوَّتِكَ وَعِزَّتِكَ يَا ذَا الْعِزَّةِ وَالْجَبَرُوتِ وَالْقُوَّةِ وَالْمَلَكُوتِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِخُدَّامِ عُشَّاقِ عُقَدِ السِّحْرِ وَالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِخُدَّامِ وَعُشَّاقِ عُقَدِ السِّحْرِ وَالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِخُدَّامِ وَعُشَّاقِ عُقَدِ السِّحْرِ وَالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ مِمَّا أَثَّرُوا فِي جَسَدِ الْمَحْسُودِ وَالْمَسْحُورِ مِنَ الْأَمْرَاضِ النَّفْسِيَّةِ وَالرُّوحِيَّةِ مِنَ الْأَمْرَاضِ
আমাদের শরীর ও দেহে, আপনার শক্তি ও মর্যাদার মাধ্যমে, হে মর্যাদা, প্রতাপ, শক্তি ও রাজত্বের অধিকারী! হে আল্লাহ! জাদু, নজর ও হিংসার বাঁধনে নিয়োজিত সেবক ও অনুরক্তদের আপনি দেখুন। হে আল্লাহ! জাদু, নজর ও হিংসার বাঁধনে নিয়োজিত সেবক ও অনুরক্তদের আপনি দেখুন। হে আল্লাহ! জাদু, নজর ও হিংসার বাঁধনে নিয়োজিত সেবক ও অনুরক্তদের আপনি দেখুন, যা তারা হিংসার শিকার ও জাদুগ্রস্তের দেহে প্রভাব ফেলেছে মানসিক ও আধ্যাত্মিক রোগসমূহের মাধ্যমে, রোগসমূহের মাধ্যমে
১৯:৫৭–২০:৩৮
النَّفْسِيَّةِ وَالرُّوحِيَّةِ وَالْأَمْرَاضِ الْعَقْلِيَّةِ وَالْأَمْرَاضِ الْعَقْلِيَّةِ وَالْعُضْوِيَّةِ وَأَمْرَاضِ الْهَلَاوِسِ وَالِاضْطِرَابَاتِ النَّفْسِيَّةِ وَالْقَلَقِ وَالْهَلَعِ وَالِاكْتِئَابِ وَالضِّيقِ وَالْحُزْنِ وَالْكَرْبِ وَالْقَلَقِ وَالْهَلَعِ وَالْقَلَقِ وَالْهَلَعِ وَالْقَلَقِ وَالْهَلَعِ وَالِاكْتِئَابِ وَالضِّيقِ وَالْحُزْنِ وَالْكَرْبِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِمَا أَثَّرُوا فِي الْهَيْكَلِ الْعَظْمِيِّ وَالْجِهَازِ الدَّوْرِيِّ وَالْجِهَازِ التَّنَفُّسِيِّ وَالْجِهَازِ الْعَصَبِيِّ وَالْجِهَازِ الْبَوْلِيِّ وَالْجِهَازِ اللِّمْفَاوِيِّ وَالْجِهَازِ التَّنَاسُلِيِّ وَالْجِهَازِ الصَّمَّاوِيِّ وَالْجِهَازِ الْعَضَلِيِّ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ
মানসিক ও আধ্যাত্মিক রোগ, এবং বুদ্ধিবৃত্তিক রোগ এবং শারীরিক রোগ, এবং হ্যালুসিনেশন ও মানসিক ব্যাধি এবং উদ্বেগ, আতঙ্ক, বিষণ্নতা, অস্বস্তি, দুঃখ ও কষ্ট, উদ্বেগ, আতঙ্ক, উদ্বেগ, আতঙ্ক, উদ্বেগ, আতঙ্ক, বিষণ্নতা, অস্বস্তি, দুঃখ ও কষ্ট। হে আল্লাহ! আপনি দেখুন যা তারা কঙ্কালতন্ত্র, রক্ত সংবহনতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, মূত্রতন্ত্র, লসিকাতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র, অন্তঃক্ষরা তন্ত্র, পেশীতন্ত্র এবং আত্মা, মন, বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মনে প্রভাব ফেলেছে
২০:৩৮–২১:২১
وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ الْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالْعَقْلِ وَالْجَسَدِ وَالْجَسَدِ وَالْجَسَدِ وَالْجَسَدِ وَكُلِّ خَلَايَا الْأَعْضَاءِ وَمَا أَصَابَهَا مِنْ ضَعْفٍ أَوْ وَهْنٍ أَوْ خُمُولٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الشُّعَبِ الْهَوَائِيَّةِ وَنَقْصِ الْأُكْسِجِينِ وَالِاحْتِقَانِ وَالِالْتِهَابِ وَمَا أَصَابَ الْقَلْبَ وَالضَّغْطَ وَالرِّئَتَيْنِ وَالْكُلَى وَالْكَبِدَ
বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মন, বুদ্ধি, বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মন, বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মন, বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মন, বুদ্ধি, দেহ, আত্মা, মন, বুদ্ধি, দেহ, বুদ্ধি, দেহ, দেহ, দেহ, দেহ এবং অঙ্গের প্রতিটি কোষে যে দুর্বলতা, অক্ষমতা বা অলসতা এসেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা শ্বাসনালীসমূহে, অক্সিজেনের ঘাটতিতে, কনজেশনে ও প্রদাহে এবং হৃদয়, রক্তচাপ, ফুসফুসদ্বয়, কিডনি ও লিভারে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন
২১:২১–২১:৫৭
وَمَا أَثَّرُوا فِي الْأَعْصَابِ الدِّمَاغِيَّةِ وَالْحَنْجَرَةِ وَالْقَصَبَةِ الْهَوَائِيَّةِ وَالْحُصَيْلَاتِ الْهَوَائِيَّةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْأَرْحَامِ والمباض وَالْهُرْمُونَاتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا عَلَى الْهُرْمُونَاتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا عَلَى الْأَرْحَامِ وَالْمَبَايِضِ وَالْهُرْمُونَاتِ وَالْحَمْلِ وَالْوِلَادَةِ وَالْإِنْجَابِ وَالْأَجِنَّةِ وَمَا أَثَّرُوا فِي الْغُدَدِ الصَّمَّاءِ و وَالسَّيَلَانِ الْعَصَبِ وَالْخَلَايَا وَالْأَنْسِجَةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْعَصَبِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْعَصَبِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْعَصَبِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ
এবং তারা মস্তিষ্কের স্নায়ু, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালী ও শ্বাসনালীর শাখাসমূহে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা জরায়ু, ডিম্বাশয় ও হরমোনে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা হরমোনসমূহে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা জরায়ু, ডিম্বাশয়, হরমোন, গর্ভধারণ, প্রসব, সন্তান জন্মদান ও ভ্রূণে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে ও স্নায়ুর সঞ্চালনে, কোষ ও টিস্যুতে যা প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ! তারা স্নায়ুতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা স্নায়ুতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা স্নায়ুতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা তন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে
২২:০১–২২:৩১
الْعَصَبِيِّ وَالْإِحْسَاسِ وَالْمَشَاعِرِ وَالتَّفْكِيرِ وَالذَّاكِرَةِ وَالتَّرْكِيزِ وَالْأَعْصَابِ وَالْأَعْصَابِ الْمَرْكَزِيَّةِ وَالْمُحِيطِيَّةِ وَكُلِّ مَا أَصَابَ الْجَسَدَ مِنْ فَيْرُوسٍ أَوْ مِيكْرُوبٍ أَوْ بَكْتِيرْيَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْعَضَلِيِّ وَالْعَضَلَاتِ وَالْعَضَلَاتِ الْهَيْكَلِيَّةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْعَضَلِيِّ فِي الْجِهَازِ الْعَضَلِيِّ وَالْعَضَلَاتِ الْهَيْكَلِيَّةِ وَالْقَلْبِ وَالْقَلْبِ وَالْقَلْبِ قَلْبٍ وَمَا أَثَّرَ فِي الْأَوْتَارِ وَالْأَرْبِطَةِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْعِظَامِ وَالْغَضَارِيفِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرَ فِي الْجِهَازِ الْعَضَلِيِّ وَالْعَضَلَاتِ الْهَيْكَلِيَّةِ وَالْقَلْبِيَّةِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْعِظَامِ وَالْغَضَارِيفِ
স্নায়ুতন্ত্র, অনুভূতি, অনুভব, চিন্তা, স্মৃতি, একাগ্রতা, স্নায়ু, কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় স্নায়ু এবং দেহে যে ভাইরাস, জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করেছে তা বাতিল করুন। হে আল্লাহ! তারা পেশীতন্ত্র, পেশী ও কঙ্কালপেশীতে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পেশীতন্ত্রে, পেশীতন্ত্রে ও কঙ্কালপেশী এবং হৃদয়, হৃদয়, হৃদয়ে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন এবং যা টেন্ডন, লিগামেন্ট, জয়েন্ট, হাড় ও তরুণাস্থিতে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ! যা পেশীতন্ত্র, কঙ্কালপেশী, হৃদয়, জয়েন্ট, হাড় ও তরুণাস্থিতে প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন
২২:৩১–২৩:০৫
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرَ فِي الْجِهَازِ الْبَوْلِيِّ وَالْمَثَانَةِ وَالْكُلَى وَالْإِفْرَازَاتِ وَمَا أَثَّرَ فِي الْجِهَازِ اللِّمْفَاوِيِّ وَالْعُقَدِ اللِّمْفَاوِيَّةِ والاوعدات اللِّمْفَاوِيَّةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرَ فِي الْجِهَازِ الْبَوْلِيِّ وَالْمَثَانَةِ وَالْحَالِبَيْنِ وَالْكُلَى وَالْإِفْرَازَاتِ وَمَا أَثَّرَ فِي الْجِهَازِ اللِّمْفَاوِيِّ وَالْعُقَدِ اللِّمْفَاوِيَّةِ وَالْأَوْعِيَةِ اللمفا فاويه اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْهَضْمِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْهَضْمِيِّ وَالْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ وَالْمَرِيءِ وَالْكَبِدِ وَالطِّحَالِ وَالْبَنْكِرْيَاسِ وَمَا أَثَّرَ فِي الْقَلْبِ وَالشَّرَايِينِ وَمَا أَثَّرَ فِي الْقَلْبِ وَالشَّرَايِينِ وَمَا أَثَّرَ فِي
হে আল্লাহ! তারা মূত্রতন্ত্র, মূত্রথলি, কিডনি ও নিঃসরণে এবং লসিকাতন্ত্র, লসিকা গ্রন্থি ও লসিকা নালীতে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা মূত্রতন্ত্র, মূত্রথলি, মূত্রনালী, কিডনি ও নিঃসরণে এবং লসিকাতন্ত্র, লসিকা গ্রন্থি ও লসিকা নালীতে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পরিপাকতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পরিপাকতন্ত্র, পাকস্থলী, অন্ত্র, খাদ্যনালী, লিভার, প্লীহা ও অগ্ন্যাশয়ে এবং হৃদয় ও ধমনীতে যা প্রভাব ফেলেছে এবং হৃদয় ও ধমনীতে যা প্রভাব ফেলেছে এবং যা প্রভাব ফেলেছে
২৩:০৫–২৩:৩৬
الْقَلْبِ وَالشَّرَايِينِ وَمَا أَثَّرَ فِي الْقَلْبِ وَالشَّرَايِينِ وَالْأَوْرِدَةِ وَالْأَوْعِيَةِ الدَّمَوِيَّةِ وَصَفَائِحِ الدَّمِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي صَفَائِحِ الدَّمِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْهَضْمِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْهَضْمِيِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْجِهَازِ الْهَضْمِيِّ وَالْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ وَالْمَرِيءِ وَالْكَبِدِ وَالطِّحَالِ وَالْبَنْكِرْيَاسِ وَمَا أَثَّرُوا فِي الْقَلْبِ وَالشَّرَايِينِ وَالْأَوْرِدَةِ وَالْأَوْعِيَةِ الدَّمَوِيَّةِ وَصَفَائِحِ الدَّمِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا
হৃদয় ও ধমনীতে এবং হৃদয়, ধমনী, শিরা, রক্তনালী ও রক্তকণিকায় যা প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ! তারা রক্তকণিকায় যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পরিপাকতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পরিপাকতন্ত্রে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! তারা পরিপাকতন্ত্র, পাকস্থলী, অন্ত্র, খাদ্যনালী, লিভার, প্লীহা ও অগ্ন্যাশয়ে এবং হৃদয়, ধমনী, শিরা, রক্তনালী ও রক্তকণিকায় যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! চোখ দুটোতে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! চোখ দুটোতে যা প্রভাব ফেলেছে তা বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ! যা
২৩:৩৬–২৪:০৬
أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي وَالْأَسْنَانِ وَالْجِلْدِ وَالشَّعْرِ وَالْمَسَامِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا مَا أَثَّرُوا مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ وَالْأَنْفِ وَالْفَمِ وَاللِّسَانِ وَالْأَسْنَانِ وَالْجِلْدِ وَالْمَسَامِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ وَالْأُذُنِ وَالْأَنْفِ وَالْفَمِ وَاللِّسَانِ وَالْأَسْنَانِ وَالْفَكِّ وَالْفَكِّ وَالْجِلْدِ وَالشَّعْرِ وَالْمَسَامِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَمُودِ الْفَقْرِ وَالْفَقَرَاتِ الْعُنُقِيَّةِ وَالصَّدْرِيَّةِ وَالْقَطَنِيَّةِ وَالْعَجُزِيَّةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ مَا أَحْدَثُوهُ مِنْ خُمُولٍ
চোখে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা এবং দাঁত, ত্বক, চুল ও লোমকূপে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা চোখে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা চোখে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন, হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা প্রভাব ফেলেছে, যা প্রভাব ফেলেছে, যা প্রভাব ফেলেছে চোখ, নাক, মুখ, জিহ্বা, দাঁত, ত্বক ও লোমকূপে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা প্রভাব ফেলেছে চোখ, কান, নাক, মুখ, জিহ্বা, দাঁত, চোয়াল, চোয়াল, ত্বক, চুল ও লোমকূপে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা প্রভাব ফেলেছে মেরুদণ্ড এবং ঘাড়ের, বক্ষের, কোমরের ও ত্রিকাস্থির কশেরুকায়। হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যত অলসতা সৃষ্টি করেছে তার সবকিছু।
২৪:০৬–২৪:৫০
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَحْدَثُوهُ مِنْ خُمُولٍ وَأَرَقٍ وَتَعَبٍ وَضِيقٍ وَنِسْيَانٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَحْدَثُوا مِنْ خُمُولٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَحْدَثُوا مِنْ خُمُولٍ وَأَرَقٍ وَتَعَبٍ وَضِيقٍ وَنِسْيَانٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَحْدَثُوا مِنْ خُمُولٍ وَأَرَقٍ وَتَعَبٍ وَضِيقٍ وَنِسْيَانٍ وَثِقَلٍ فِي الرَّأْسِ وَالْأَكْتَافِ وَثِقَلٍ فِي الرَّأْسِ وَالْأَكْتَافِ وَثِقَلٍ فِي الرَّأْسِ وَالْأَكْتَافِ وَثِقَلٍ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ وَالْأَكْتَافِ وَوَخْزٍ فِي الْأَطْرَافِ وَوَخْزٍ فِي الْأَطْرَافِ وَبُرُودَةٍ أَوْ حَرَارَةٍ فِي الْبَدَنِ أَوْ بُرُودَةٍ أَوْ
হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যা সৃষ্টি করেছে অলসতা, অনিদ্রা, ক্লান্তি, অস্বস্তি ও বিস্মৃতি থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যা সৃষ্টি করেছে অলসতা থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যা সৃষ্টি করেছে অলসতা, অনিদ্রা, ক্লান্তি, অস্বস্তি ও বিস্মৃতি থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যা সৃষ্টি করেছে অলসতা, অনিদ্রা, ক্লান্তি, অস্বস্তি, বিস্মৃতি এবং মাথা ও কাঁধে ভারী ভাব থেকে, মাথা ও কাঁধে ভারী ভাব, মাথা ও কাঁধে ভারী ভাব, মাথায় ভারী ভাব, মাথায়, মাথায়, মাথায়, মাথা ও কাঁধে এবং হাত-পায়ে খোঁচা লাগা, হাত-পায়ে খোঁচা লাগা এবং শরীরে ঠান্ডা বা গরম অনুভূতি, বা ঠান্ডা বা...
২৪:৫২–২৫:৩৩
حَرَارَةٍ فِي الْبَدَنِ أَوْ بُرُودَةٍ أَوْ حَرَارَةٍ فِي الْبَدَنِ أَوْ بُرُودَةٍ أَوْ حَرَارَةٍ فِي الْبَدَنِ وَنَوْبَاتِ الصَّرْعِ وَالتَّشَنُّجَاتِ وَنَوْبَاتِ صَرْعٍ أَوْ تَشَنُّجَاتٍ وَنَوْبَاتِ صَرْعٍ أَوْ تَشَنُّجٍ النَّجَاةِ أَوْ ضَعْفٍ لِلذَّاكِرَةِ وَضَعْفِ الذَّاكِرَةِ وَضَعْفِ الذَّاكِرَةِ وَالتَّرْكِيزِ وَكَثْرَةِ النَّوْمِ وَالْأَرَقِ وَالْأَلَمِ وَالْأَلَمِ فِي الْبَطْنِ وَآلَامِ الْبَطْنِ وَآلَامِ الْبَطْنِ وَآلَامِ الْبَطْنِ وَآلَامِ الْبَطْنِ وَالْمَعِدَةِ وَالْغَثَيَانِ وَالْإِمْسَاكِ وَضِيقِ التَّنَفُّسِ وَآلَامِ الْمَعِدَةِ وَالْغَثَيَانِ
গরম অনুভূতি শরীরে, বা ঠান্ডা বা গরম অনুভূতি শরীরে, বা ঠান্ডা বা গরম অনুভূতি শরীরে, এবং মৃগীরোগের খিঁচুনি ও পেশী সংকোচন, মৃগীরোগের খিঁচুনি বা পেশী সংকোচন, মৃগীরোগের খিঁচুনি বা পেশী সংকোচন থেকে মুক্তি, বা স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা এবং স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা এবং স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের দুর্বলতা, অতিরিক্ত ঘুম, অনিদ্রা, ব্যথা, পেটে ব্যথা, পেটের ব্যথা, পেটের ব্যথা, পেটের ব্যথা, পেটের ব্যথা এবং পাকস্থলীর ব্যথা, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, শ্বাসকষ্ট এবং পাকস্থলীর ব্যথা, বমি বমি ভাব
২৫:৩৩–২৬:১২
وَآلَامِ الْمَعِدَةِ وَالْبَطْنِ وَالْغَثَيَانِ وَالْإِمْسَاكِ وَالضِّيقِ وَالتَّنَفُّسِ فَسْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ وَالسَّائِلِ الشَّوْكِيِّ وَالْمِهَادِ وَمَا تَحْتَ الْمِهَادِ وَمَا أَثَّرَ فِي التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ وَالْمَشَاعِرِ وَالْعَادَاتِ وَالْإِرَادَةِ وَالطُّمُوحِ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّمْ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّمْ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّمْ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّمْ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ الْمُخِّمْ أَبْطِلْ
এবং পাকস্থলী ও পেটের ব্যথা, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, শ্বাসকষ্ট থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে (সেরিবেলাম) প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ডের তরল, থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাসে প্রভাব ফেলেছে এবং যা চিন্তাশক্তি, উপলব্ধি, অনুভূতি, অভ্যাস, ইচ্ছাশক্তি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় প্রভাব ফেলেছে। বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে... বাতিল করুন।
২৬:১২–২৬:৪৮
مَا أَثَّرَ فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِ وَالسَّائِلِ الشَّوْكِيِّ وَالْمِهَادِ وَمَا تَحْتَ الْمِهَادِ وَمَا أَثَّرَ فِي التَّفْكِيرِ وَمَا أَثَّرَ فِي التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ وَمَا أَثَّرُوا فِي
যা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা মস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ডের তরল, থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাসে প্রভাব ফেলেছে এবং যা চিন্তাশক্তিতে প্রভাব ফেলেছে, যা চিন্তাশক্তি ও উপলব্ধিতে প্রভাব ফেলেছে এবং যা প্রভাব ফেলেছে...
২৬:৪৮–২৭:১২
وَالْمَشَاعِرِ وَالْعَادَاتِ وَالْإِرَادَةِ وَالطُّمُوحِ وَمَا أَثَّرُوا فِي التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ وَالْمَشَاعِرِ وَالْعَادَاتِ وَالْإِرَادَةِ وَالطُّمُوحِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي مَنَامِهِ مِنْ أَحْلَامٍ أَحْلَامٍ مُفْزِعَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُفْزِعَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُفْزِعَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُفْزِعَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُفْزِعَةٍ وَمَقَابِرَ وَطُرُقٍ مُوحِشَةٍ وَسُقُوطٍ مِنْ أَمَاكِنَ عَالِيَةٍ وَمَا يَرَاهُ مِنْ حَيَوَانَاتٍ
এবং অনুভূতি, অভ্যাস, ইচ্ছাশক্তি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং যা তারা চিন্তাশক্তি, উপলব্ধি, অনুভূতি, অভ্যাস, ইচ্ছাশক্তি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে। হে আল্লাহ বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি তার স্বপ্নে যা দেখে, ভীতিকর স্বপ্ন থেকে, ভীতিকর স্বপ্ন থেকে, ভীতিকর স্বপ্ন থেকে, ভীতিকর স্বপ্ন থেকে, ভীতিকর স্বপ্ন থেকে, কবরস্থান ও ভয়ংকর রাস্তা এবং উঁচু স্থান থেকে পতন এবং সে যেসব প্রাণী দেখে
২৭:১৮–২৭:৫৯
مُؤْذِيَةٍ وَحَشَرَاتٍ وَزَوَاحِفَ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَبْطِلْ مَا يَرَاهُ الْمُبْتَلَى فِي الْمَنَامِ مِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ وَمِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ مِنْ أَحْلَامٍ مُزْعِجَةٍ وَرُؤْيَةِ طُرُقٍ مُوحِشَةٍ وَمَقَابِرَ وَسُقُوطٍ مِنْ أَمَاكِنَ مُرْتَفِعَاتٍ عَالِيَةٍ وَمَا يَرَاهُ مِنْ حَيَوَانَاتٍ مُؤْذِيَةٍ وَحَشَرَاتٍ وَزَوَاحِفَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ وَالْحَسَدِ وَالسِّحْرِ فِي الْجِلْدِ وَمَا تَحْتَ الْجِلْدِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ وَالْحَسَدِ وَالسِّحْرِ اللَّهُمَّ
ক্ষতিকর, পোকামাকড় ও সরীসৃপ দেখা থেকে (রক্ষা করুন)। হে আমাদের রব, বাতিল করুন আক্রান্ত ব্যক্তি স্বপ্নে যা দেখে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে, বিরক্তিকর স্বপ্ন থেকে এবং ভয়ংকর রাস্তা ও কবরস্থান দেখা এবং উঁচু স্থান থেকে পতন এবং ক্ষতিকর প্রাণী, পোকামাকড় ও সরীসৃপ দেখা থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন বদনজর, হিংসা ও জাদুর সকল প্রভাব ত্বকে ও ত্বকের নিচে। হে আল্লাহ বাতিল করুন বদনজরের সকল প্রভাব। হে আল্লাহ বাতিল করুন বদনজরের সকল প্রভাব। হে আল্লাহ বাতিল করুন বদনজরের সকল প্রভাব। হে আল্লাহ বাতিল করুন বদনজর, হিংসা ও জাদুর সকল প্রভাব। হে আল্লাহ
২৭:৫৯–২৮:৫০
أَبْطِلْ كُلَّ أَثَرٍ لِلْعَيْنِ وَالْحَسَدِ وَالسِّحْرِ فِي الْجِلْدِ وَتَحْتَ الْجِلْدِ وَفِي الْعُرُوقِ وَالْأَوْرِدَةِ وَالشَّرَايِينِ وَفِي الْعُرُوقِ وَالْأَوْرِدَةِ والشراين وَفِي اللَّحْمِ وَالشَّحْمِ وَالْعِظَامِ وَالْمُخِّ وَكُلِّ خَلِيَّةٍ مِنْ خَلَايَا الْجَسَدِ أَوْ فِي كُلِّ خَلِيَّةٍ مِنْ خَلَايَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ خُرُوجًا لَا يُبْقِي أَثَرًا وَلَا بقي بَقِيَّةً لَا يُبْقِي أَثَرًا وَلَا بَقِيَّةً اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ فِي الْجَسَدِ أَوِ الرُّوحِ أَوِ النَّفْسِ أَوِ الْعَقْلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ
বাতিল করুন বদনজর, হিংসা ও জাদুর সকল প্রভাব ত্বকে, ত্বকের নিচে, শিরা-উপশিরা ও ধমনীতে, রগ ও শিরায়, মাংস, চর্বি, হাড় ও মস্তিষ্কে এবং শরীরের প্রতিটি কোষে, শরীরের প্রতিটি কোষে। হে আল্লাহ এমনভাবে বের করে দিন যেন কোনো চিহ্ন বা অবশেষ না থাকে, কোনো চিহ্ন বা অবশেষ না থাকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন শরীরে বাঁধা প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন শরীরে বাঁধা প্রতিটি গিঁট, শরীরে, শরীরে, শরীরে, শরীরে। হে আল্লাহ বাতিল করুন শরীর, রুহ, নফস বা আকলে বাঁধা প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন প্রতিটি
২৮:৫০–২৯:৩১
عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْجَسَدِ وَالرُّوحِ وَالنَّفْسِ وَالْعَقْلِ وَحُلَّ كُلَّ رِبَاطٍ وَفُكَّ كُلَّ قَيْدٍ وَأَزِلْ كُلَّ أَثَرٍ وَارْفَعْ كُلَّ بَلَاءٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ بِقُوَّتِكَ يَا قَوِيُّ يَا عَزِيزُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ فِي الْجَسَدِ أَوِ الرُّوحِ أَوِ النَّفْسِ أَوِ الْعَقْلِ اللَّهُمَّ حُلَّ كُلَّ رِبَاطٍ وَفُكَّ كُلَّ قَيْدٍ وَأَزِلْ كُلَّ أَثَرٍ وَارْفَعْ كُلَّ بَلَاءٍ بِقُوَّتِكَ يَا قَوِيُّ يَا عَزِيزُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الدَّمِ وَجَرَيَانِهِ وَسَيْرِهِ وَجَرَيَانِهِ وَسَيْرِهِ وَمَا أَثَّرُوا فِي الْمَنَاعَةِ وَقُوَّتِهَا اللَّهُمَّ أَعِدِ الْجَسَدَ إِلَى تَوَازُنِهِ اللَّهُمَّ أَعِدِ الْجَسَدَ إِلَى تَوَازُنِهِ
গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ বাতিল করুন শরীর, রুহ, নফস ও আকলে থাকা প্রতিটি গিঁট এবং প্রতিটি বাঁধন খুলে দিন, প্রতিটি শৃঙ্খল মুক্ত করুন, প্রতিটি প্রভাব দূর করুন এবং প্রতিটি বিপদ উঠিয়ে নিন, হে বিশ্বজগতের রব, আপনার শক্তি দ্বারা, হে শক্তিশালী, হে পরাক্রমশালী। হে আল্লাহ বাতিল করুন শরীর, রুহ, নফস বা আকলে বাঁধা প্রতিটি গিঁট। হে আল্লাহ প্রতিটি বাঁধন খুলে দিন, প্রতিটি শৃঙ্খল মুক্ত করুন, প্রতিটি প্রভাব দূর করুন এবং প্রতিটি বিপদ উঠিয়ে নিন আপনার শক্তি দ্বারা, হে শক্তিশালী, হে পরাক্রমশালী। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা রক্তে ও তার প্রবাহ ও চলাচলে প্রভাব ফেলেছে, প্রবাহ ও চলাচলে, এবং যা তারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও তার শক্তিতে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ শরীরকে তার ভারসাম্যে ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ শরীরকে তার ভারসাম্যে ফিরিয়ে দিন
২৯:৩১–৩০:১৬
إِلَى تَوَازُنِهِ إِلَى تَوَازُنِهِ إِلَى تَوَازُنِهِ وَقُوَّتِهِ وَعَافِيَتِهِ وَنَشَاطِهِ اللَّهُمَّ أَعِدِ الْجَسَدَ إِلَى تَوَازُنِهِ وَقُوَّتِهِ وَعَافِيَتِهِ وَنَشَاطِهِ بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْحَوَاسِّ كُلِّهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْحَوَاسِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْحَوَاسِّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْحَوَاسِّ كُلِّهَا كُلِّهَا فِي السَّمْعِ وَالْبَصَرِ وَالشَّمِّ وَالذَّوْقِ وَاللَّمْسِ اللَّهُمَّ رُدَّ كُلَّ حَاسَّةٍ إِلَى كَمَالِهَا وَوَقْتِهَا وَصِحَّتِهَا اللَّهُمَّ رُدَّ كُلَّ حَاسَّةٍ إِلَى كَمَالِهَا إِلَى قُوَّتِهَا إِلَى صِحَّتِهَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي النَّوْمِ وَالرَّاحَةِ وَالسُّكُونِ
তার ভারসাম্যে, তার ভারসাম্যে, তার ভারসাম্যে, শক্তি, সুস্থতা ও প্রাণবন্ততায়। হে আল্লাহ শরীরকে তার ভারসাম্য, শক্তি, সুস্থতা ও প্রাণবন্ততায় ফিরিয়ে দিন আপনার রহমতে, হে দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা সকল ইন্দ্রিয়ে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা ইন্দ্রিয়ে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা ইন্দ্রিয়ে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা সকল ইন্দ্রিয়ে প্রভাব ফেলেছে, সবগুলোতে, শ্রবণ, দৃষ্টি, ঘ্রাণ, স্বাদ ও স্পর্শে। হে আল্লাহ প্রতিটি ইন্দ্রিয়কে তার পূর্ণতা, শক্তি ও সুস্থতায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ প্রতিটি ইন্দ্রিয়কে তার পূর্ণতায়, তার শক্তিতে, তার সুস্থতায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা ঘুম, বিশ্রাম ও প্রশান্তিতে প্রভাব ফেলেছে
৩০:১৬–৩০:৫৬
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي النَّوْمِ وَالرَّاحَةِ وَالسُّكُونِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّوْمَ طُمَأْنِينَةً اللَّهُمَّ اجْعَلِ النَّوْمَ طُمَأْنِينَةً وَرَاحَةً وَشِفَاءً وَاجْعَلِ الِاسْتِيقَاظَ نَشَاطًا وَقُوَّةً وَعَافِيَةً اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الرِّزْقِ وَالْبَرَكَةِ وَالْقَبُولِ وَالتَّوْفِيقِ اللَّهُمَّ افْتَحْ افْتَحْ أَبْوَابَ فَضْلِكَ وَرِزْقِكَ وَرَحْمَتِكَ وَاصْرِفْ كُلَّ شَرٍّ وَبَلَاءٍ وَحَسَدٍ وَسِحْرٍ عَنَّا وَعَنْ أَهْلِنَا وَأَوْلَادِنَا يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ. اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَلَاقَاتِ وَالْمَحَبَّةِ وَالْأُلْفَةِ وَالْأَهْلِ وَالْأَوْلَادِ وَالْبَيْتِ وَالْأُمِّ وَالْبِنْتِ وَالْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ. اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ الْقُلُوبِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرَ
হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা ঘুম, বিশ্রাম ও প্রশান্তিতে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ ঘুমকে প্রশান্তি বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ ঘুমকে প্রশান্তি, বিশ্রাম ও আরোগ্য বানিয়ে দিন এবং জাগরণকে প্রাণবন্ততা, শক্তি ও সুস্থতা বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা রিযিক, বরকত, গ্রহণযোগ্যতা ও সাফল্যে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ খুলে দিন, খুলে দিন আপনার অনুগ্রহ, রিযিক ও রহমতের দরজাসমূহ এবং দূর করে দিন সকল অনিষ্ট, বিপদ, হিংসা ও জাদু আমাদের থেকে এবং আমাদের পরিবার ও সন্তানদের থেকে, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ বাতিল করুন তারা যা কিছু সম্পর্ক, ভালোবাসা, সৌহার্দ্য, পরিবার, সন্তান, ঘর, মা, মেয়ে, ভাই ও বোনদের মধ্যে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ হৃদয়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করুন। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা প্রভাব
৩০:৫৬–৩১:৩৬
فِي الْعَلَاقَاتِ وَالْمَحَبَّةِ وَالْأُلْفَةِ بَيْنَ الزَّوْجَيْنِ بَيْنَ الْمَخْطُوبَةِ وَخَطِيبِهَا بَيْنَ الْأَهْلِ وَالْأَوْلَادِ وَالْأُمِّ وَالْبِنْتِ وَالْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ الْقُلُوبِ اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ الْقُلُوبِ اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ الْقُلُوبِ اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ الْقُلُوبِ وَأَصْلِحْ ذَاتَ الْبَيْنِ وَاصْرِفْ كُلَّ فِتْنَةٍ وَنِزَاعٍ وَخِ خِلَافٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي النَّفْسِ مِنْ يَأْسٍ وَقُنُوطٍ وَحُزْنٍ وَضِيقٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي النَّفْسِ مِنْ يَأْسٍ مِنْ يَأْسٍ مِنْ يَأْسٍ مِنْ يَأْسٍ وَقُنُوطٍ وَحُزْنٍ وَضِيقٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي النَّفْسِ مِنْ يَأْسٍ وَقُنُوطٍ وَحُزْنٍ وَضِيقٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي
ফেলেছে সম্পর্ক, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে, বাগদত্তা ও তার বাগদত্তের মধ্যে, পরিবার ও সন্তান, মা, মেয়ে, ভাই ও বোনদের মধ্যে। হে আল্লাহ হৃদয়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করুন। হে আল্লাহ হৃদয়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করুন। হে আল্লাহ হৃদয়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করুন। হে আল্লাহ হৃদয়গুলোর মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করুন, সম্পর্ক ঠিক করে দিন এবং দূর করে দিন সকল ফিতনা, বিবাদ ও মতবিরোধ। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা নফসে প্রভাব ফেলেছে, হতাশা, নৈরাশ্য, দুঃখ ও অস্বস্তি থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা নফসে প্রভাব ফেলেছে, হতাশা, হতাশা, হতাশা, হতাশা, নৈরাশ্য, দুঃখ ও অস্বস্তি থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা নফসে প্রভাব ফেলেছে হতাশা, নৈরাশ্য, দুঃখ ও অস্বস্তি থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা প্রভাব ফেলেছে
৩১:৩৬–৩২:২৩
النَّفْسِ مِنْ يَأْسٍ وَقُنُوطٍ وَحُزْنٍ وَضِيقٍ اللَّهُمَّ امْلَأِ الْقُلُوبَ طُمَأْنِينَةً وَرِضًا وَسَعَادَةً وَسُرُورًا وَاجْعَلْنَا مِنَ الشَّاكِرِينَ الصَّابِرِينَ الْمُحْتَسِبِينَ الْمُحْسِنِينَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَقْلِ مِنْ تَشْتِيتٍ وَنِسْيَانٍ وَوَسْوَسَةٍ وَحَيْرَةٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَقْلِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَقْلِ مِنْ تَشْتِيتٍ مِنْ تَشْتِيتٍ وَنِسْيَانٍ وَوَسْوَسَةٍ وَحَيْ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْنَا سَكِينَتَكَ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْنَا سَكِينَتَكَ وَارْبُطْ عَلَى قُلُوبِنَا
নফসে হতাশা, নৈরাশ্য, দুঃখ ও অস্বস্তি থেকে। হে আল্লাহ হৃদয়গুলো পূর্ণ করে দিন প্রশান্তি, সন্তুষ্টি, সুখ ও আনন্দে এবং আমাদের কৃতজ্ঞ, ধৈর্যশীল, সওয়াবের আশাকারী ও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন, হে বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা আকলে প্রভাব ফেলেছে, বিভ্রান্তি, বিস্মৃতি, কুমন্ত্রণা ও দ্বিধা থেকে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা আকলে প্রভাব ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা আকলে প্রভাব ফেলেছে বিভ্রান্তি থেকে, বিভ্রান্তি, বিস্মৃতি, কুমন্ত্রণা ও... হে আল্লাহ আমাদের উপর আপনার প্রশান্তি নাযিল করুন। হে আল্লাহ আমাদের উপর আপনার প্রশান্তি নাযিল করুন এবং আমাদের হৃদয়সমূহ দৃঢ় করুন
৩২:২৩–৩৩:১১
وَثَبِّتْ أَفْكَارَنَا وَنَوِّرْ بَصَائِرَنَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ مَا أُكِلَ مِنَ الصِّحَّةِ وَالْعَافِيَةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أُكِلَ مِنَ الصِّحَّةِ وَالْعَافِيَةِ اللَّهُمَّ عَوِّضْنَا عَافِيَةً وَقُوَّةً وَنَشَاطًا وَصِحَّةً دَائِمَةً اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ عَوِّضْنَا عَافِيَةً وَقُوَّةً وَنَشَاطًا وَنَشَاطًا وَصِحَّةً دَائِمَةً اللَّهُمَّ اجْعَلْ أَجْسَادَنَا مَحْفُوظَةً بِذِكْرِكَ وَرِعَايَتِكَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ أَوْ مَشْرُوبٍ أَوْ مَدْفُونٍ أَوْ مَرْشُوشٍ أَوْ مَعْمُولٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ وَأَبْطِلْهُ وَاقْطَعْ أَثَرَهُ اقْطَعْ أَثَرَهُ وَاقْطَعْ أَثَرَهُ وَاحْرِقْ يَا
এবং আমাদের চিন্তাশক্তি স্থির করুন এবং আমাদের অন্তর্দৃষ্টি আলোকিত করুন। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা কিছু স্বাস্থ্য ও সুস্থতা থেকে খেয়ে ফেলেছে। হে আল্লাহ বাতিল করুন যা স্বাস্থ্য ও সুস্থতা থেকে খেয়ে ফেলেছে। হে আল্লাহ আমাদের বদলে দিন সুস্থতা, শক্তি, প্রাণবন্ততা ও চিরস্থায়ী স্বাস্থ্য। হে আল্লাহ, হে আল্লাহ আমাদের বদলে দিন সুস্থতা, শক্তি, প্রাণবন্ততা ও চিরস্থায়ী স্বাস্থ্য। হে আল্লাহ আমাদের শরীরকে আপনার স্মরণ ও যত্নের মাধ্যমে সংরক্ষিত রাখুন। হে আল্লাহ বাতিল করুন প্রতিটি জাদু, খাওয়া হোক বা পান করা হোক, পুঁতে রাখা হোক, ছিটানো হোক বা তৈরি করা হোক। হে আল্লাহ তা বের করে দিন ও বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ তা বের করে দিন ও বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ তা বের করে দিন ও বাতিল করে দিন। হে আল্লাহ তা বের করে দিন ও বাতিল করে দিন এবং তার প্রভাব কেটে দিন, প্রভাব কেটে দিন, প্রভাব কেটে দিন এবং পুড়িয়ে দিন, হে
৩৩:১১–৩৪:০০
رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عَيْنٍ أَصَابَتْ بِحَسَدٍ أَوْ حِقْدٍ أَوْ نَظَرٍ اللَّهُمَّ رُدَّ كَيْدَهَا فِي نَحْرِهَا وَاجْعَلْ تَدْمِيرَهَا فِي تَدْبِيرِهَا اللَّهُمَّ طَهِّرِ الْجَسَدَ وَالرُّوحَ وَالنَّفْسَ وَالْقَلْبَ وَالْعَقْلَ تَطْهِيرًا تَامًّا وَاغْسِلْهُمْ بِمَاءِ رَحْمَتِكَ وَنُورِ مَغْفِرَتِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي أَجْسَادِنَا نُورًا وَفِي قُلُوبِنَا نُورًا وَفِي أَسْمَاعِنَا نُورًا وَعَنْ أَيْمَانِنَا نُورًا وَعَنْ شَمَائِلِنَا نُورًا وَمِنْ فَوْقِنَا نُورًا
বিশ্বজগতের রব। হে আল্লাহ বাতিল করুন হিংসা, বিদ্বেষ বা কুদৃষ্টি দ্বারা লাগা প্রতিটি বদনজর। হে আল্লাহ তার চক্রান্ত তার নিজের গলায় ফিরিয়ে দিন এবং তার পরিকল্পনাতেই তার ধ্বংস ঘটিয়ে দিন। হে আল্লাহ শরীর, রুহ, নফস, হৃদয় ও আকলকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করে দিন এবং তা ধুয়ে দিন আপনার রহমতের পানি ও ক্ষমার আলো দিয়ে। হে আল্লাহ আমাদের শরীরে নূর দিন, আমাদের হৃদয়ে নূর দিন, আমাদের শ্রবণে নূর দিন, আমাদের ডানদিকে নূর দিন, আমাদের বামদিকে নূর দিন এবং আমাদের উপরে নূর দিন
৩৪:০০–৩৪:৪৬
وَمِنْ تَحْتِنَا نُورًا وَاجْعَلْ لَنَا نُورًا عَظِيمًا اللَّهُمَّ احْفَظْنَا بِحِفْظِكَ وَاكْلَأْنَا بِرِعَايَتِكَ وَاحْرُسْنَا بِعَيْنِكَ الَّتِي لَا تَنَامُ اللَّهُمَّ وَاكْنُفْنَا بِكَنَفِكَ الَّذِي لَا يُضَامُ اللَّهُمَّ اكْنُفْنَا اللَّهُمَّ اكْنُفْنَا بِكَنَفِكَ الَّذِي لَا
এবং আমাদের নিচে নূর দিন এবং আমাদের জন্য মহান নূর বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ আমাদের আপনার হেফাজতে রাখুন, আপনার তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করুন এবং আপনার নিদ্রাহীন চোখ দিয়ে পাহারা দিন। হে আল্লাহ আমাদের আপনার নিরাপদ আশ্রয়ে রাখুন যেখানে কোনো ক্ষতি হয় না। হে আল্লাহ আমাদের আশ্রয় দিন। হে আল্লাহ আমাদের আপনার আশ্রয়ে রাখুন যা...
৩৪:৪৬–৩৫:১৩
وَصَلِّ اللَّهُمَّ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ يِنْ
এবং হে আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.), তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীদের উপর দরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন
৩৫:২২–৩৫:৩১

অন্যান্য পঠিত অংশ ৩৫ অংশ

এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَعَلَ الْقُرْآنَ شِفَاءً وَرَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِينَ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি কুরআনকে মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত বানিয়েছেন।
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২০:০১
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
তার (শয়তানের) কুমন্ত্রণা, ফুঁ ও বিষাক্ত নিঃশ্বাস থেকে। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০০:৫১
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৬:০০
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৭:১৭
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ قُلْ أَعُوذُ
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। বলুন, আমি আশ্রয় চাই ভোরের প্রভুর কাছে। বলুন, আমি আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১৮:৪২
شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ
গিঁটে ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, এবং ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫৮:৫৫
فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي
গিঁটে (ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে), এবং ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪৯:০২
النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ النَّفْ الْفَاثَاتِ
গিঁটে ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, এবং ফুঁ দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫৯:১২
الْعُقَدَ وَالسَّلَاسِلَ وَالْأَقْفَالَ
গিঁট, শিকল ও তালাসমূহ
তুলনীয়: সূরা গাফির (আল-মু'মিন), আয়াত ৭১৯:৩৩
مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ قَالَ رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
অভিশপ্ত শয়তান থেকে। তিনি (মূসা) বললেন, হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫১১:০৫
قَالَ رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي رَبِّ
তিনি বললেন, হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। হে আমার প্রতিপালক
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫–২৬১১:১৩
اشْرَحْ لِي صَدْرِي رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন। হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫–২৬১১:১৮
وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَيَسِّرْ لِي
এবং আমার কাজ সহজ করে দিন, এবং সহজ করে দিন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬১১:৩৫
اللَّهُ مَا شَاءَ اللَّهُ
আল্লাহ, মাশাআল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৭৭১৪:৫৫
مَا شَاءَ اللَّهُ مَا شَاءَ اللَّهُ
মাশাআল্লাহ, মাশাআল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-আ'লা, আয়াত ৭১৫:০৫
سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ
তারা যিকির শুনে বলে, তারা বলে যে সে তো পাগল
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১১৬:১৪
يُولَدْ. وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ بِسْمِ اللَّهِ
...জন্ম দেওয়া হয়নি এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ৪১৭:৩২
وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১৭:৫২
اللَّهُمَّ يَا ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ
হে আল্লাহ! হে মহাশক্তির অধিকারী!
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮৭১৮:৩২
اللَّهُمَّ يَا ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ
হে আল্লাহ! হে মহাশক্তির অধিকারী!
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮৭১৮:৩৯
اللَّهُمَّ يَا ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ
হে আল্লাহ! হে মহাশক্তির অধিকারী!
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮৭১৮:৪৫
اللَّهُمَّ يَا ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ
হে আল্লাহ! হে মহাশক্তির অধিকারী!
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮৭১৮:৫১
اللَّهُمَّ يَا ذَا السُّلْطَانِ الْعَظِيمِ
হে আল্লাহ! হে মহাশক্তির অধিকারী!
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮৭১৮:৫৬
أَنْفُسِ الْجِنِّ وَأَعْيُنِ الْإِنْسِ أَنْ تُعَافِيَنَا
জ্বিনদের ক্ষতিকর শ্বাস এবং মানুষের হিংসাত্মক দৃষ্টি থেকে, যেন আপনি আমাদের সুস্থতা দান করেন
তুলনীয়: সূরা আল-মা'আরিজ, আয়াত ১৮–১৯১৯:৪৪
مِنْ أَنْفُسِ الْجِنِّ وَأَعْيُنِ الْإِنْسِ
জ্বিনদের ক্ষতিকর শ্বাস এবং মানুষের দৃষ্টি থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-মা'আরিজ, আয়াত ১৮–১৯১৯:৫২
وَالضَّلَالَاتِ وَأَمْرَاضِ الْوَسَاوِسِ الْقَهْرِيَّةِ
এবং বিভ্রান্তিসমূহ এবং অবসেসিভ কমপালসিভ (বাধ্যতামূলক কুমন্ত্রণা) রোগসমূহ
তুলনীয়: সূরা আন-নাস, আয়াত ৩–৪২০:৪৪
وَالْبَنْكِرْيَاسَ وَمَا أَثَّرُوا فِي الْأَعْصَابِ الدِّمَاغِ
এবং অগ্ন্যাশয় এবং তারা মস্তিষ্কের স্নায়ুতে যা প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৯৬২১:৫৭
النَّاعِمَةِ وَمَا أَثَّرُوا فِي الْأَوْتَارِ وَالْأَرْبِطَةِ
নরম (তরুণাস্থি), এবং তারা টেন্ডন ও লিগামেন্টে যা প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাজর, আয়াত ২–৪২২:৫৯
الْعَيْنَيْنِ
চোখ দুটো
তুলনীয়: সূরা আল-বালাদ, আয়াত ৮২৩:৫৯
الْعَيْنَيْنِ وَالْأُذُنَيْنِ وَالْأَنْفِ وَالْفَمِ وَاللِّسَانِ
চোখ, দুই কান, নাক, মুখ ও জিহ্বা
তুলনীয়: সূরা আল-বালাদ, আয়াত ৮–১০২৪:০৯
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ مَا أَثَّرُوا فِي الْعَيْنَيْنِ وَالْأُذُنَيْنِ
হে আল্লাহ বাতিল করুন যা তারা চোখ ও দুই কানে প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আল-বালাদ, আয়াত ৮–৯২৪:২২
وَالْإِدْرَاكِ وَمَا أَثَّرُوا فِي التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ
এবং উপলব্ধিতে এবং যা তারা চিন্তাশক্তি ও উপলব্ধিতে প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাজর, আয়াত ১২২৭:০৬
التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ وَمَا أَثَّرُوا فِي التَّفْكِيرِ
চিন্তাশক্তি ও উপলব্ধি এবং যা তারা চিন্তাশক্তিতে প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাজর, আয়াত ১২২৭:১২
وَالْإِدْرَاكِ وَمَا أَثَّرُوا فِي التَّفْكِيرِ وَالْإِدْرَاكِ
এবং উপলব্ধিতে এবং যা তারা চিন্তাশক্তি ও উপলব্ধিতে প্রভাব ফেলেছে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাজর, আয়াত ১২২৭:১৫
وَفِي أَبْصَارِنَا نُورًا
এবং আমাদের দৃষ্টিতে নূর দিন
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৭৯৩৪:৩০

তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)

রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
  1. ০:৪৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  2. ০:৫৮ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ২–৭
  3. ১:২৮ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  4. ১:৩৫ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
  5. ২:১৪ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২–১০৩
  6. ৪:১৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  7. ৪:২০ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১২২
  8. ৫:৪২ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  9. ৫:৪৫ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  10. ৬:০৭ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  11. ৬:১৪ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  12. ৬:২০ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১২২
  13. ৭:০৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  14. ৭:১০ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
  15. ৭:২৪ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১–৮২
  16. ৭:৩৮ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  17. ৭:৪৩ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
  18. ৮:০৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  19. ৮:১৫ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১৩৯
  20. ৮:৩২ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  21. ৮:৪৬ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৩
  22. ৯:০৭ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫
  23. ৯:১৮ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪–৫
  24. ১১:১০ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫
  25. ১১:২৫ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬
  26. ১১:৪২ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬–২৭
  27. ১১:৫৯ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৫–২৭
  28. ১২:৫৫ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬
  29. ১৩:০৮ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ২৬
  30. ১৪:০৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  31. ১৪:২৫ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪
  32. ১৪:৪৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  33. ১৪:৪৭ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৩৯
  34. ১৫:১৫ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৩৯
  35. ১৫:২৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
  36. ১৫:৩০ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
  37. ১৬:২৪ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫২
  38. ১৭:১৫ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
  39. ১৭:২৩ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
  40. ১৭:২৭ — সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ১–৩
  41. ১৭:৩৭ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
  42. ১৭:৪০ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৪
  43. ১৮:০০ — সূরা আন-নাস, আয়াত ১–৬
  44. ১৯:২১ — সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১৫
  45. ৩৫:১৩ — সূরা ইউনুস, আয়াত ১০

সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী

📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন

আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।

এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:

১. শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ

আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।

🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম

"হে আল্লাহ আমার শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"

উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।

এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।

এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।

🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম

১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।

২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।

৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।

৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।

৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।

সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।

🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন

গোসলের নিয়ম:

এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।

এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।

🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন

গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।

🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন

১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।

২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।

৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।

৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।

🟢 আমল

সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।

সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।

🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন

নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।

🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।

শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।

কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।

🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল

ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন

এই গাইডলাইনের বিষয় (শরীরের সকল অঙ্গের জন্য শক্তিশালী রুকইয়াহ এবং আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমে জাদু, জিনের আসর ও বদনজর বাতিলকরণ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।

ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন

১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।

ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত

সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।

ধাপ ৪ — নিয়মিততা

প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।