এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
নতুন সৃষ্ট জাদু, বিচ্ছেদ ও আশিক (জিনের আসক্তি) ব্যর্থ করার জন্য আল্লাহর শক্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ
ইনশাআল্লাহ একটি পূর্ণাঙ্গ শরয়ী রুকইয়াহ, যা পুনরাবৃত্ত (নতুন করে হওয়া), ছিটানো, খাওয়ানো জাদু, বিচ্ছেদ ঘটানো জাদু এবং প্রেমাসক্ত জিনের আসর বাতিল করার জন্য — পবিত্র কুরআনের আয়াত ও প্রমাণিত দোয়া-সমূহ দ্বারা পাঠ করা হয়, একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা রেখে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন এটিকে সুস্থতা ও আরোগ্যের উপায় বানিয়ে দেন। মনোযোগ ও বিনয়ের সাথে শুনুন এবং বেশি বেশি দোয়া ও যিকির করুন, কেননা প্রকৃত আরোগ্যদাতা একমাত্র আল্লাহ।
রুকইয়াহ অডিও
নতুন সৃষ্ট জাদু, বিচ্ছেদ ও আশিক (জিনের আসক্তি) ব্যর্থ করার জন্য আল্লাহর শক্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ
رقية شاملة ومزلزلة لإبطال السحر المتجدد والتفريق والعاش بحول الله
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=6PPuWcvHCMw
দৈর্ঘ্য: ৩৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৩৫ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
ذَٰلِكَ لِيَعْلَمَ أَنِّى لَمْ أَخُنْهُ بِٱلْغَيْبِ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى كَيْدَ ٱلْخَآئِنِينَ ﴿٥٢﴾
৫২. ইউসুফ বললেনঃ এটা এজন্য, যাতে আযীয জেনে নেয় যে, আমি গোপনে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করিনি। আরও এই যে, আল্লাহ বিশ্বাসঘাতকদের প্রতারণাকে এগুতে দেন না।
রুকইয়াহয় ৫:৪৬
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ الٓمٓ ﴿١﴾ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ﴿٢﴾
১. আলিফ লাম মীম।
২. আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
রুকইয়াহয় ৭:৪১
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾
২৫৫. আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
রুকইয়াহয় ৮:২১، ৯:০০ · ২ বার
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾
১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
রুকইয়াহয় ৯:৪৫
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
রুকইয়াহয় ১০:১০
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾
১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
রুকইয়াহয় ১০:৪৮
قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।
রুকইয়াহয় ১১:১২
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
রুকইয়াহয় ১১:২৮، ১১:৪৫ · ২ বার
وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾
৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।
রুকইয়াহয় ১২:১৪
وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ ﴿٦٩﴾
৬৯. তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।
রুকইয়াহয় ১২:৩৬
وَقَدِمْنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُوا۟ مِنْ عَمَلٍۢ فَجَعَلْنَٰهُ هَبَآءًۭ مَّنثُورًا ﴿٢٣﴾
২৩. আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।
রুকইয়াহয় ১৩:১২، ১৩:৩০ · ২ বার
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَٰنُ وَلَٰكِنَّ ٱلشَّيَٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَٰرُوتَ وَمَٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْءَاخِرَةِ مِنْ خَلَٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ﴿١٠٢﴾
১০২. তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।
রুকইয়াহয় ১৫:১৭، ১৫:৫৬ · ২ বার
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٥١﴾ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ﴿٥٢﴾
৫১. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
৫২. অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
রুকইয়াহয় ১৭:৩৪
وَإِذْ يَمْكُرُ بِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِيُثْبِتُوكَ أَوْ يَقْتُلُوكَ أَوْ يُخْرِجُوكَ ۚ وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ ٱللَّهُ ۖ وَٱللَّهُ خَيْرُ ٱلْمَٰكِرِينَ ﴿٣٠﴾
৩০. আর কাফেরেরা যখন প্রতারণা করত আপনাকে বন্দী অথবা হত্যা করার উদ্দেশ্যে কিংবা আপনাকে বের করে দেয়ার জন্য তখন তারা যেমন ছলনা করত তেমনি, আল্লাহও ছলনা করতেন। বস্তুতঃ আল্লাহর ছলনা সবচেয়ে উত্তম।
রুকইয়াহয় ১৮:২৬، ১৯:২২ · ২ বার
وَمَكَرُوا۟ وَمَكَرَ ٱللَّهُ ۖ وَٱللَّهُ خَيْرُ ٱلْمَٰكِرِينَ ﴿٥٤﴾
৫৪. এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী।
রুকইয়াহয় ১৮:৩১
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٥١﴾
৫১. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
রুকইয়াহয় ১৯:০০، ১৯:১৬ · ২ বার
يُرِيدُونَ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنْهَا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ مُّقِيمٌۭ ﴿٣٧﴾
৩৭. তারা দোযখের আগুন থেকে বের হয়ে আসতে চাইবে কিন্তু তা থেকে বের হতে পারবে না। তারা চিরস্থায়ী শাস্তি ভোগ করবে।
রুকইয়াহয় ১৯:৪৭
وَٱسْتَفْتَحُوا۟ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍۢ ﴿١٥﴾
১৫. পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
রুকইয়াহয় ২০:২৩
مِّن وَرَآئِهِۦ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّآءٍۢ صَدِيدٍۢ ﴿١٦﴾ يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ ﴿١٧﴾
১৬. তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।
১৭. ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
রুকইয়াহয় ২০:৫১
وَتَرَى ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ مُّقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ ﴿٤٩﴾ سَرَابِيلُهُم مِّن قَطِرَانٍۢ وَتَغْشَىٰ وُجُوهَهُمُ ٱلنَّارُ ﴿٥٠﴾
৪৯. তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।
৫০. তাদের জামা হবে দাহ্য আলকাতরার এবং তাদের মুখমন্ডলকে আগুন আচ্ছন্ন করে ফেলবে।
রুকইয়াহয় ২১:৫৮
فَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ﴿٩٨﴾
৯৮. অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।
রুকইয়াহয় ২৩:১৮
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا ﴿١٠٥﴾
১০৫. তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।
রুকইয়াহয় ২৪:০৩
إِنَّ ٱلَّذِينَ فَتَنُوا۟ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا۟ فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ ٱلْحَرِيقِ ﴿١٠﴾
১০. যারা মুমিন পুরুষ ও নারীকে নিপীড়ন করেছে, অতঃপর তওবা করেনি, তাদের জন্যে আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে দহন যন্ত্রণা,
রুকইয়াহয় ২৫:১৮
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
রুকইয়াহয় ২৬:১১
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾ فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ﴿٢﴾ فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾ إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ﴿٤﴾ رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ ﴿٥﴾ إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾ وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾ لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ﴿٨﴾ دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ﴿٩﴾ إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ﴿١٠﴾
১. শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,
২. অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,
৩. অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের-
৪. নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।
৫. তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।
৬. নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।
৭. এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
৮. ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।
৯. ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।
১০. তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।
রুকইয়াহয় ২৬:১৫
إِنَّ شَجَرَتَ ٱلزَّقُّومِ ﴿٤٣﴾ طَعَامُ ٱلْأَثِيمِ ﴿٤٤﴾ كَٱلْمُهْلِ يَغْلِى فِى ٱلْبُطُونِ ﴿٤٥﴾ كَغَلْىِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٦﴾
৪৩. নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ
৪৪. পাপীর খাদ্য হবে;
৪৫. গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।
৪৬. যেমন ফুটে পানি।
রুকইয়াহয় ২৭:২২
كَٱلْمُهْلِ يَغْلِى فِى ٱلْبُطُونِ ﴿٤٥﴾ كَغَلْىِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٦﴾
৪৫. গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।
৪৬. যেমন ফুটে পানি।
রুকইয়াহয় ২৭:৩৩
خُذُوهُ فَٱعْتِلُوهُ إِلَىٰ سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٤٧﴾ ثُمَّ صُبُّوا۟ فَوْقَ رَأْسِهِۦ مِنْ عَذَابِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٨﴾ ذُقْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾
৪৭. একে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,
৪৮. অতঃপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও,
৪৯. স্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো সম্মানিত, সম্ভ্রান্ত।
রুকইয়াহয় ২৭:৫৪
فَٱلْعَٰصِفَٰتِ عَصْفًۭا ﴿٢﴾ وَٱلنَّٰشِرَٰتِ نَشْرًۭا ﴿٣﴾
২. সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,
৩. মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ
রুকইয়াহয় ২৮:১৬
وَأَخْرَجَتِ ٱلْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾ وَقَالَ ٱلْإِنسَٰنُ مَا لَهَا ﴿٣﴾ يَوْمَئِذٍۢ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا ﴿٤﴾ بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا ﴿٥﴾ يَوْمَئِذٍۢ يَصْدُرُ ٱلنَّاسُ أَشْتَاتًۭا لِّيُرَوْا۟ أَعْمَٰلَهُمْ ﴿٦﴾ فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًۭا يَرَهُۥ ﴿٧﴾ وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍۢ شَرًّۭا يَرَهُۥ ﴿٨﴾
২. যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।
৩. এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?
৪. সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
৫. কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।
৬. সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।
৭. অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে
৮. এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।
রুকইয়াহয় ২৮:৩৭
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ﴿٤﴾
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪. এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
রুকইয়াহয় ২৯:০৪
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
রুকইয়াহয় ২৯:০৮
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ২৯:১২
مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾
২. মানুষের অধিপতির,
৩. মানুষের মা’বুদের
৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
রুকইয়াহয় ২৯:২৫
৩৫
সূরা আস-সাফফাত : ১৮০–১৮২
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾
১৮০. পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।
১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
১৮২. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।
রুকইয়াহয় ৩৪:৪২
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]১০ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৫১ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে
০:০০–০:৩২
هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ أُعِيذُكُمْ بِعِزَّةِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ أُعِيذُكُمْ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا تَجِدُونَ وَتُحَاذِرُونَ أُعِيذُكِ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا تَجِدِينَ وَتُحَاذِرِينَ أُعِيذُكِ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا تَجِدِينَ وَتُحَاذِرِينَ أُعِيذُكِ بِعِزَّةِ اللَّهِ أُعِيذُكُمْ بِعِزَّةِ اللَّهِ أُعِيذُكَ وَزَوْجَكَ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا تَجِدُونَ وَتُحَاذِرُونَ أُعِيذُكُمْ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ
এই ঘর, আল্লাহর নামে আমি রুকইয়াহ করছি এই ঘরে, আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি এই ঘরে, আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি এই ঘরে, আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি এই ঘরে, আল্লাহর নামে। আমি আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার আশ্রয় নিচ্ছি, আমি যা অনুভব করি ও যা থেকে সতর্ক থাকি তার অনিষ্ট থেকে। আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ইজ্জতের আশ্রয়ে দিচ্ছি, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে। আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার আশ্রয়ে দিচ্ছি তোমরা যা অনুভব করো ও যা থেকে সতর্ক থাকো তার অনিষ্ট থেকে। আমি তোমাকে আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার আশ্রয়ে দিচ্ছি তুমি যা অনুভব করো ও যা থেকে সতর্ক থাকো তার অনিষ্ট থেকে। আমি তোমাকে আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার আশ্রয়ে দিচ্ছি তুমি যা অনুভব করো ও যা থেকে সতর্ক থাকো তার অনিষ্ট থেকে। আমি তোমাকে আল্লাহর ইজ্জতের আশ্রয়ে দিচ্ছি, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ইজ্জতের আশ্রয়ে দিচ্ছি, আমি তোমাকে ও তোমার স্বামীকে আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার আশ্রয়ে দিচ্ছি তোমরা যা অনুভব করো ও যা থেকে সতর্ক থাকো তার অনিষ্ট থেকে। আমি তোমাদেরকে আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের আশ্রয়ে দিচ্ছি
০:৩৭–১:২৫
التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنَ السَّمَاءِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ
পরিপূর্ণ বাণীসমূহ, যা কোনো পুণ্যবান বা পাপী অতিক্রম করে না, আকাশ থেকে যা অবতীর্ণ হয় তার অনিষ্ট থেকে, এবং আকাশে যা আরোহণ করে তার অনিষ্ট থেকে, এবং যা সৃষ্টি করা হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে
১:২৫–১:৩৭
وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَٰنُ اللَّهُ
এবং রাত ও দিনের ফিতনার অনিষ্ট থেকে, রাত ও দিনের ফিতনার অনিষ্ট থেকে, রাত ও দিনের ফিতনার অনিষ্ট থেকে, রাত ও দিনের ফিতনার অনিষ্ট থেকে, এবং প্রতিটি রাতে আগমনকারীর অনিষ্ট থেকে, শুধু সেই আগমনকারী ছাড়া যে কল্যাণ নিয়ে আসে, হে পরম করুণাময় আল্লাহ
১:৪৪–২:০৮
أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَعَزُّ وَأَعْظَمُ مِمَّا نَخَافُ وَنَحْذَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا
আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আমরা যা ভয় করি ও যা থেকে সতর্ক থাকি তার চেয়ে তিনি অধিক ক্ষমতাশালী ও মহান, আল্লাহ সর্বাধিক মহান
২:১৭–২:৩৬
وَالشَّيَاطِينِ يَا مَنْ سَكَنْتُمُ الْأَجْسَادَ يَا مَنْ سَكَنْتُمُ الْأَجْسَادَ يَا مَنْ سَكَنْتُمُ الْأَجْسَادَ وَالْأَرْحَامَ وَالْعُرُوقَ يَا مَنْ عَقَدْتُمُ الْعُقَدَ وَصَنَعْتُمُ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ وَالْمَرْشُوشَ وَالْمُتَجَدِّدَ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ أُحَرِّجُ عَلَيْكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ أَنْ تَتَزَلْزَلُوا وَتَخْرُجُوا صَاغِرِينَ بَيْنَ يَدَيْ قُدْرَةِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ تَخْرُجُونَ بِأَمْرِ اللَّهِ بِإِذْنِ اللَّهِ تَخْرُجُونَ بِقُدْرَةِ اللَّهِ تَخْرُجُونَ صَاغِرِينَ ذَلِيلِينَ مَهْزُومِينَ
এবং শয়তানরা! হে তোমরা যারা দেহে বসবাস করছ, হে তোমরা যারা দেহে বসবাস করছ, হে তোমরা যারা দেহে, গর্ভাশয়ে ও শিরা-উপশিরায় বসবাস করছ, হে তোমরা যারা গিঁট বেঁধেছ এবং খাদ্য, পানীয়, ছিটানো ও নতুন সৃষ্ট জাদু তৈরি করেছ, আমি তোমাদের উপর আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, আল্লাহর নামে কসম দিচ্ছি, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, যিনি সুউচ্চ ও মহান, যে তোমরা কম্পিত হও এবং লাঞ্ছিত অবস্থায় আল্লাহর ক্ষমতার সামনে বের হয়ে যাও। আল্লাহর নামে তোমরা আল্লাহর নির্দেশে বের হও, আল্লাহর অনুমতিতে তোমরা আল্লাহর ক্ষমতায় বের হও, তোমরা লাঞ্ছিত, অপমানিত ও পরাজিত অবস্থায় বের হও
২:৪৪–৩:৩৭
مَدْحُورِينَ بِإِذْنِ اللهِ تَخْرُجُونَ تَتَزَلْزَلُونَ بِقُدْرَةِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُتَجَدِّدٍ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُتَجَدِّدٍ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مُتَجَدِّدٍ مُتَجَدِّدٍ مُتَجَدِّدٍ جُدِّدَ مُتَجَدِّدٍ مُتَجَدِّدٍ يُبْطَلُ بِأَمْرِ اللهِ بِسْمِ اللهِ تُفَجِّرُ كُلَّ عُقْدَةٍ ماكينه بِسْمِ اللهِ تُفَجِّرُ كُلَّ عُقْدَةٍ مَكِينَةٍ بِسْمِ اللهِ تُفَجِّرُ كُلَّ
বিতাড়িত অবস্থায়। আল্লাহর অনুমতিতে তোমরা বের হও, তোমরা আল্লাহর ক্ষমতায় কম্পিত হও। আল্লাহর নামে প্রতিটি নতুন সৃষ্ট জাদু বাতিল হয়ে যায়, আল্লাহর নামে প্রতিটি নতুন সৃষ্ট জাদু বাতিল হয়ে যায়, আল্লাহর নামে প্রতিটি নতুন সৃষ্ট জাদু বাতিল হয়ে যায়, নতুন, নতুন, নতুন সৃষ্ট, নতুন, নতুন, আল্লাহর নির্দেশে বাতিল হয়ে যায়। আল্লাহর নামে প্রতিটি মজবুত গিঁট বিস্ফোরিত হয়, আল্লাহর নামে প্রতিটি মজবুত গিঁট বিস্ফোরিত হয়, আল্লাহর নামে প্রতিটি
৩:৩৭–৪:০৭
تُفَجِّرُ كُلَّ عُقْدَةٍ ماكينه بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ لِلتَّفْرِيقِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ بَيْنَ الزَّوْجَةِ وَزَوْجِهَا بَيْنَ الْأُسْرَةِ وَالْأَهْلِ يُبْطِلُ سِحْرَ التَّفْرِيقِ يُبْطِلُ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بَيْنَ الزَّوْجِ وَزَوْجَتِهِ بَيْنَ الزَّوْجَةِ وَزَوْجِهَا بِالْقُلُوبِ وَالْأَجْسَادِ وَالْعُقُولِ يُبْطِلُ سِحْرَ الْأُسْرَةِ وَالْأَهْلِ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ خَبِيثٍ جَبَّارٍ مَرِيدٍ اللهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ
বিস্ফোরিত হয় প্রতিটি মজবুত গিঁট, আল্লাহর নামে। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টিকারী প্রতিটি জাদু, স্ত্রী ও তার স্বামীর মধ্যে, পরিবার ও আত্মীয়দের মধ্যে বিচ্ছেদের জাদু বাতিল হয়ে যায়, বিচ্ছেদের জাদু বাতিল হয়ে যায়। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের জাদু, স্ত্রী ও তার স্বামীর মধ্যে হৃদয়ে, দেহে ও মনে বিচ্ছেদের জাদু, পরিবার ও আত্মীয়দের জাদু বাতিল হয়ে যায়। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার প্রতিটি নিকৃষ্ট, স্বৈরাচারী, একগুঁয়ে আশেক জ্বিনের উপর। আল্লাহু আকবার প্রতিটি নিকৃষ্ট আশেক জ্বিনের উপর, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক
৪:১১–৫:১৭
عَاشِقٍ خَبِيثٍ عَاشِقٍ خَبِيثٍ اللَّهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ خَبِيثٍ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ خَبِيثٍ اعْلَمْ أَيُّهَا الْمَسُّ الْعَاشِقُ اعْلَمْ أَيُّهَا الْمَسُّ
নিকৃষ্ট আশেক, নিকৃষ্ট আশেক, আল্লাহু আকবার প্রতিটি নিকৃষ্ট আশেক জ্বিনের উপর, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার প্রতিটি নিকৃষ্ট আশেক জ্বিনের উপর। জেনে রাখো হে আশেক জিন! জেনে রাখো হে জিন
৫:১৭–৫:৩৩
مِنْ تَعْطِيلٍ وَتَفْرِيقٍ وَمَرَضٍ وَإِيذَاءٍ وَتَجْدِيدٍ لِلسِّحْرِ صَبَاحًا وَمَسَاءً هُوَ ظُلْمٌ ظُلْمٌ ظُلْمٌ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ
স্থবিরতা, বিচ্ছেদ, রোগ, কষ্ট দেওয়া এবং সকাল-সন্ধ্যায় জাদু নবায়ন করা — এটা অন্যায়, অন্যায়, অন্যায়, কিয়ামতের দিনের অন্ধকারসমূহ
৫:৩৮–৫:৪৬
وَلَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ وَلَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ أَتَظُنُّ أَنَّ اللَّهَ غَافِلٌ عَمَّا تَعْمَلُ كَلَّا وَاللَّهِ إِنَّ اللَّهَ حَكَمٌ عَدْلٌ سَوْفَ يَأْخُذُ حَقَّ هَذَا الْمَرِيضِ وَهَذِهِ الْمَرِيضَةِ مِنْكَ كَامِلًا كَامِلًا فَقَدْ آذَيْتَ مَنْ لَا يَسْتَحِقُّ الْإِيذَاءَ وَسَعَيْتَ فِي خَرَابِ الْبُيُوتِ وَتَشْتِيتِ الْأُسَرِ وَأَنْتَ تَعْلَمُ جَيِّدًا أَنَّ كَلَامَ اللَّهِ نَارٌ عَلَيْكَ وَحَرِيقًا وَذِكْرَ اللَّهِ يَحْرِقُكَ وَيُؤْذِيكَ فَمَا بَالُكَ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ الْقَاهِرَةِ لِكُلِّ جَبَّارٍ وَإِنْ كُنْتَ تَخَافُ مِنَ السَّحَرَةِ أَوْ تَخَافُ مِنْ مُلُوكِ الْجَانِّ وَمَرَدَتِهِمْ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ تَخْشَوْهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ إِنَّ السَّحَرَةَ وَالْمُلُوكَ يَمُوتُونَ وَيَفْنَوْنَ وَاللَّهُ هُوَ الْحَيُّ الَّذِي
এবং তিনি বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের কাজ সফল করেন না, এবং তিনি বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের কাজ সফল করেন না। তুমি কি মনে করো আল্লাহ তোমার কাজ সম্পর্কে অজ্ঞাত? কখনো না, আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায়বিচারক, তিনি অচিরেই এই পুরুষ রোগী ও এই নারী রোগীর হক তোমার থেকে সম্পূর্ণভাবে, সম্পূর্ণভাবে আদায় করবেন। তুমি এমন কাউকে কষ্ট দিয়েছ যে কষ্টের যোগ্য নয়, এবং তুমি ঘরবাড়ি ধ্বংস করতে ও পরিবার ছিন্নভিন্ন করতে চেষ্টা করেছ। তুমি ভালোভাবেই জানো যে আল্লাহর বাণী তোমার জন্য আগুন ও দহন, এবং আল্লাহর জিকির তোমাকে পুড়িয়ে দেয় ও কষ্ট দেয়, তাহলে প্রতিটি স্বৈরাচারীর জন্য আল্লাহর পরাক্রমশালী বাণীসমূহের কী অবস্থা হবে! আর যদি তুমি জাদুকরদের ভয় করো বা জ্বিনদের বাদশাহ ও বিদ্রোহী জ্বিনদের ভয় করো, তাহলে আল্লাহই অধিক হকদার যে তোমরা তাঁকে ভয় করবে, যদি তোমরা মুমিন হও। নিশ্চয় জাদুকর ও বাদশাহরা মৃত্যুবরণ করবে ও ধ্বংস হয়ে যাবে, আর আল্লাহই চিরঞ্জীব যিনি
৫:৫৮–৬:৪৯
لَا يَمُوتُ فَارْحَلِ الْآنَ فَارْحَلِ الْآنَ فَارْحَلِ الْآنَ فَارْحَلِ الْآنَ فَارْحَلِ الْآنَ وَاخْرُجْ خَاضِعًا ذَلِيلًا صَاغِرًا وَاخْرُجْ وَاخْرُجْ وَاخْرُجْ خَاضِعًا ذَلِيلًا صَاغِرًا ذَلِيلًا صَاغِرًا فَإِنَّكَ ضَعِيفٌ مَهْزُومٌ مَذْلُولٌ طَرِيدٌ صَغِيرٌ اخْرُجِ الْآنَ ارْحَلِ الْآنَ ارْحَلْ مِنَ الْجَسَدِ ارْحَلْ مِنَ الْجَسَدِ ارْحَلِ الْآنَ وَاخْرُجْ خَاضِعًا ذَلِيلًا صَاغِرًا فَإِنَّكَ ضَعِيفٌ مَهْزُومٌ مَذْلُولٌ طَرِيدٌ صَغِيرٌ لَا تَسْتَطِيعُ أَنْ تَفْعَلَ شَيْئًا أَبَدًا إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ اخْرُجْ طَاعَةً لِلَّهِ اخْرُجْ طَاعَةً لِلَّهِ وَرَسُولِهِ اخْرُجْ طَاعَةً لِلَّهِ
মৃত্যুবরণ করেন না। এখনই চলে যাও, এখনই চলে যাও, এখনই চলে যাও, এখনই চলে যাও, এখনই চলে যাও, এবং নত, লাঞ্ছিত, অপমানিত অবস্থায় বের হয়ে যাও, বের হও, বের হও, বের হও নত, লাঞ্ছিত, অপমানিত, লাঞ্ছিত, অপমানিত অবস্থায়। কেননা তুমি দুর্বল, পরাজিত, অপমানিত, বিতাড়িত, তুচ্ছ। এখনই বের হও, এখনই চলে যাও, দেহ থেকে চলে যাও, দেহ থেকে চলে যাও, এখনই চলে যাও, এবং নত, লাঞ্ছিত, অপমানিত অবস্থায় বের হয়ে যাও, কেননা তুমি দুর্বল, পরাজিত, অপমানিত, বিতাড়িত, তুচ্ছ, তুমি আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কখনো কিছুই করতে পারবে না, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আল্লাহর আনুগত্যে বের হও, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যে বের হও, আল্লাহর আনুগত্যে বের হও
৬:৪৯–৭:৩৭
وَإِلَّا سَتُحْرَقُ سَتُحْرَقُ بِآيَاتِ اللَّهِ أَعُوذُ بِاللَّهِ
নতুবা তুমি পুড়ে যাবে, তুমি আল্লাহর আয়াতসমূহ দ্বারা পুড়ে যাবে। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই
৭:৩৭–৭:৪১
وَلَا يؤوده حِفْظُهُمَا وَلَا يؤوده حِفْظُهُمَا وَلَا
এবং এ দুটির (আসমান ও জমিনের) সংরক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, এবং এ দুটির সংরক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, এবং
৮:৫৪–৯:০০
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ كَبِيرٍ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ كَبِيرٍ وَصَغِيرٍ صَرَعَ وَأَمْرَضَ أَفْقَدَ الْوَعْيَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ سِحْرٍ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ كَبِيرٍ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ كَبِيرٍ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ كَبِيرٍ اللَّهُ أَكْبَرُ يُدَمِّرُ كُلَّ خَادِمِ سِحْرٍ يُدَمِّرُ خَادِمَ السِّحْرِ يُدَمِّرُ خَادِمَ السِّحْرِ اللَّهُ أَكْبَرُ تَحْرِقُ بِهَا الْعُرُوقَ الْمَعْقُودَةَ اللَّهُ أَكْبَرُ تَحْرِقُ الْعُقَدَ كُلَّ عُقْدَةٍ كُلَّ عُقْدَةٍ مَعْقُودَةٍ مَعْقُودَةٍ
আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি বড় জাদু। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি বড় ও ছোট জাদু যা মৃগীরোগ ঘটায়, রোগাক্রান্ত করে ও জ্ঞান হারায়। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি জাদু, জাদু। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি বড় জাদু, বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি বড় জাদু, বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি বড় জাদু। আল্লাহু আকবার, ধ্বংস করে দেয় প্রতিটি জাদুর সেবক জ্বিনকে, ধ্বংস করে জাদুর সেবক জ্বিনকে, ধ্বংস করে জাদুর সেবক জ্বিনকে। আল্লাহু আকবার, এর দ্বারা বাঁধা শিরাসমূহ পুড়িয়ে দেয়। আল্লাহু আকবার, প্রতিটি বাঁধা গিঁট, প্রতিটি বাঁধা গিঁট পুড়িয়ে দেয়
৯:০৫–৯:৩৭
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يَنْقَلِبُ الْخَادِمُ الْعَاشِقُ صَاغِرًا مَهْزُومًا لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ لَهُ لَا حَوْلَ لَهُ وَلَا قُوَّةَ لَا حَوْلَ لَهُ وَلَا قُوَّةَ يَنْقَلِبُ الْخَادِمُ وَالْعَاشِقُ صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا مَهْزُومًا مَذْلُولًا مَدْحُورًا
আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদু, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে সেবক জ্বিন ও আশেক জ্বিন লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়ে ফিরে যায়। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই, তার কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই, তার কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই, তার কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই। সেবক জ্বিন ও আশেক জ্বিন লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত, পরাজিত, অপমানিত, বিতাড়িত হয়ে ফিরে যায়
১০:১৯–১০:৪৮
سَاجِدِينَ
সিজদারত অবস্থায়
১১:০৭–১১:০৮
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ سِحْرَ الْأُسْرَةِ الْمُشْتَرَكَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ سِحْرَ الْأُسْرَةِ الْمُشْتَرَكَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ سِحْرَ الْأُسْرَةِ الْمُشْتَرَكَ الْمُشْتَرَكَ الْمُشْتَرَكَ يُبْطِلُ بِأَمْرِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় পরিবারের যৌথ জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় পরিবারের যৌথ জাদু, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় পরিবারের যৌথ, যৌথ, যৌথ জাদু, আল্লাহর নির্দেশে বাতিল হয়ে যায়। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ
১১:১৬–১১:৩৬
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ
১১:৪১–১১:৪৫
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمُرْسَلَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمُرْسَلَ الْمُتَجَدِّدَ الْمُتَجَدِّدَ الْمُتَجَدِّدَ الْمُتَجَدِّدَ الْمُتَجَدِّدَ يُبْطِلُ بِأَمْرِ اللَّهِ كُلَّ سِحْرٍ يُبْطِلُ يُبْطِلُ بِأَمْرِ اللَّهِ يُفْسِدُ كُلَّ عَمَلٍ كُلَّ عَمَلٍ لِلسَّاحِرِ وَخَادِمِهِ الظَّالِمِ يُبْطِلُ بِأَمْرِ اللَّهِ وَيُحِقُّ اللَّهُ يَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ مُجْرِمٍ تَمَرَّدَ وَعَصَى يَحْرِقُ كُلَّ مُجْرِمٍ عَاشِقٍ مُجْرِمٍ عَاشِقٍ مُجْرِمٍ عَاشِقٍ مُجْرِمٍ عَاشِقٍ تَمَرَّدَ وَعَصَى تَمَرَّدَ وَعَصَى تَمَرَّدَ وَعَصَى يَحْرِقُ بِأَمْرِ
আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রেরিত জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রেরিত, নতুন সৃষ্ট, নতুন সৃষ্ট, নতুন সৃষ্ট, নতুন সৃষ্ট, নতুন সৃষ্ট জাদু, আল্লাহর নির্দেশে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি জাদু, বাতিল হয়ে যায়, বাতিল হয়ে যায় আল্লাহর নির্দেশে। নষ্ট করে দেয় জাদুকর ও তার জালিম সেবক জ্বিনের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি কাজ, আল্লাহর নির্দেশে বাতিল হয়ে যায়। আর আল্লাহ সত্য প্রতিষ্ঠা করেন, তিনি পুড়িয়ে দেন প্রতিটি অপরাধী আশেক জ্বিনকে যে বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা করেছে, তিনি পুড়িয়ে দেন প্রতিটি অপরাধী, অপরাধী আশেক, অপরাধী আশেক, অপরাধী আশেক, অপরাধী আশেক যে বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা করেছে, বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা করেছে, বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা করেছে, আল্লাহর নির্দেশে পুড়িয়ে দেন
১১:৫৮–১২:৩১
وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كَيْدَ الْعَاشِقِ وَالسَّاحِرِ يُبْطِلُ كَيْدَ الْعَاشِقِ وَالسَّاحِرِ يُبْطِلُ كَيْدَ الْعَاشِقِ كَيْدَ الْعَاشِقِ كَيْدَ الْعَاشِقِ وَالسَّاحِرِ اللَّهُ أَكْبَرُ يَنْسِفُ كُلَّ سِحْرٍ مَرْشُوشٍ عَلَى الْأَعْتَابِ وَالْأَبْوَابِ عَلَى الْأَعْتَابِ وَالْأَبْوَابِ يَنْسِفُ وَيُبْطِلُ يُبْطِلُ يُبْطِلُ بِأَمْرِ اللَّهِ
এবং জাদুকর যেখানেই আসুক না কেন সফল হয় না, এবং জাদুকর যেখানেই আসুক না কেন সফল হয় না। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় আশেক জ্বিন ও জাদুকরের চক্রান্ত, বাতিল হয়ে যায় আশেক জ্বিন ও জাদুকরের চক্রান্ত, বাতিল হয়ে যায় আশেক জ্বিনের চক্রান্ত, আশেক জ্বিনের চক্রান্ত, আশেক জ্বিন ও জাদুকরের চক্রান্ত। আল্লাহু আকবার, ধ্বংস করে দেয় দোরগোড়ায় ও দরজায় ছিটানো প্রতিটি জাদু, দোরগোড়ায় ও দরজায় ছিটানো জাদু ধ্বংস করে ও বাতিল করে, বাতিল করে, বাতিল করে আল্লাহর নির্দেশে
১২:৪২–১৩:০৯
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ هَبَاءً مَنْثُورًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ السِّحْرَ الْمَأْكُولَ وَالْمَشْرُوبَ هَبَاءً مَنْثُورًا هَبَاءً مَنْثُورًا هَبَاءً مَنْثُورًا هَبَاءً مَنْثُورًا اللَّهُ
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদুকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দিন, হে আল্লাহ! খাদ্যে ও পানীয়ে প্রয়োগকৃত জাদুকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দিন, বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা, বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা, বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা, আল্লাহ
১৪:৩৬–১৪:৫২
أَكْبَرُ تَتَفَجَّرُ الْعُقَدُ عُقَدُ الْأَمْعَاءِ عُقَدُ الْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ عُقَدُ الْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ عُقَدُ الْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ عُقَدُ الْمَعِدَةِ وَالْأَمْعَاءِ عُقَدُ الْمَعِدَةِ الْمَعِدَةِ عُقَدُ الْأَمْعَاءِ وَأَعْمَاقِ الْبُطُونِ أَعُوذُ
মহান, বিস্ফোরিত হয় গিঁটসমূহ, অন্ত্রের গিঁট, পাকস্থলী ও অন্ত্রের গিঁট, পাকস্থলী ও অন্ত্রের গিঁট, পাকস্থলী ও অন্ত্রের গিঁট, পাকস্থলীর গিঁট, পাকস্থলী, অন্ত্রের গিঁট ও পেটের গভীরে থাকা গিঁট। আমি আশ্রয় চাই
১৪:৫৭–১৫:১২
بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ
যা দিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হয়, তারা তাদের দুজনের থেকে যা শিখে তা দিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায়, তারা তাদের দুজনের থেকে যা শিখে তা দিয়ে বিচ্ছেদ ঘটায়
১৫:৪৪–১৫:৫৬
أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بَيْنَ الزَّوْجَيْنِ بِالْقُلُوبِ وَالْأَجْسَادِ وَالْعُقُولِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ أَسْبَابَ الْكُرْهِ وَالْبَغْضَاءِ فِي الْأُسْرَةِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ أَسْبَابَ الْكُرْهِ وَالْبَغْضَاءِ أَسْبَابَ الْكُرْهِ وَالْبَغْضَاءِ أَسْبَابَ الْكُرْهِ وَالْبَغْضَاءِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ أَسْبَابَ الْكُرْهِ وَالْبَغْضَاءِ فِي الْأُسْرَةِ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ أَبْطِلْ سِحْرَ التَّفْرِيقِ بَيْنَ الزَّوْجَيْنِ بِالْقُلُوبِ وَالْأَجْسَادِ وَالْعُقُولِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سَبَّبَ ضِيقًا فِي الصَّدْرِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سَبَّبَ ضِيقًا فِي الصَّدْرِ عِنْدَ رُؤْيَةِ
বাতিল করুন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হৃদয়ে, দেহে ও মনে বিচ্ছেদের জাদু। হে আল্লাহ! বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করুন। হে আল্লাহ! পরিবারে ঘৃণা ও বিদ্বেষের কারণসমূহ ছিন্ন করে দিন। হে আল্লাহ! ঘৃণা ও বিদ্বেষের কারণসমূহ ছিন্ন করে দিন, ঘৃণা ও বিদ্বেষের কারণসমূহ, ঘৃণা ও বিদ্বেষের কারণসমূহ। হে আল্লাহ! পরিবারে ঘৃণা ও বিদ্বেষের কারণসমূহ ছিন্ন করে দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করুন, বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করুন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হৃদয়ে, দেহে ও মনে বিচ্ছেদের জাদু বাতিল করুন। হে আল্লাহ! বুকে সংকীর্ণতার কারণ এমন প্রতিটি জাদু বাতিল করুন। হে আল্লাহ! বাতিল করুন, বুকে সংকীর্ণতার কারণ এমন প্রতিটি জাদু বাতিল করুন, দেখার সময়
১৬:০৮–১৬:৪৪
زَوْجَهَا أَوْ عِنْدَ رُؤْيَةِ زَوْجَتِهِ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ التَّفْرِيقَ وَالتَّعْطِيلَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ التَّفْرِيقَ وَالتَّعْطِيلَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ التَّفْرِيقَ وَالتَّعْطِيلَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ التَّفْرِيقَ وَالتَّعْطِيلَ اللَّهُ أَكْبَرُ تَفُكُّ عُقَدَ الْمَحَبَّةِ تَفُكُّ عُقَدَ قَدْ الْمَحَبَّةِ الْمُحَرَّمَةِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ سَبَّبَ الْبَغْضَاءَ سَبَّبَ الشَّحْنَاءَ سَبَّبَ الشَّحْنَاءِ وَالْبَغْضَاءِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمُتْبُوعَ بِالْخَادِمِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمُتْبُوعَ بِالْخَادِمِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ السِّحْرَ الْمُتْبُوعَ بِالْخَادِمِ بِسْمِ اللَّهِ يُخْزِي الْمَسَّ
তার স্বামীকে দেখার সময় অথবা তার স্ত্রীকে দেখার সময় (সৃষ্ট সংকীর্ণতা), প্রতিটি জাদু বাতিল করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক! প্রতিটি জাদু বাতিল করুন। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় বিচ্ছেদ ও স্থবিরতার জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় বিচ্ছেদ ও স্থবিরতার জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় বিচ্ছেদ ও স্থবিরতার জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় বিচ্ছেদ ও স্থবিরতার জাদু। আল্লাহু আকবার, খুলে যায় হারাম মহব্বতের গিঁট, খুলে যায় হারাম মহব্বতের গিঁট। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় বিদ্বেষ, শত্রুতা, শত্রুতা ও বিদ্বেষের কারণ এমন প্রতিটি জাদু। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি জাদু। আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় সেবক জ্বিন-অনুসারী জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় সেবক জ্বিন-অনুসারী জাদু, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় সেবক জ্বিন-অনুসারী জাদু, আল্লাহর নামে লাঞ্ছিত হয় আসক্ত জ্বিন
১৬:৪৪–১৭:১৯
الْعَاشِقُ بِسْمِ اللهِ يخسى يُخْزَى يُخْزَى الْمَسُّ الْعَاشِقُ وَيُدْحَرُ بِسْمِ اللهِ يُدْحَرُ الْعَاشِقُ بِسْمِ اللهِ يُدْحَرُ الْعَاشِقُ بِسْمِ اللهِ يُدْحَرُ الْعَاشِقُ
আশেক জ্বিন। আল্লাহর নামে অপমানিত হয়, লাঞ্ছিত হয়, লাঞ্ছিত হয় আসক্ত আশেক জ্বিন এবং বিতাড়িত হয়। আল্লাহর নামে বিতাড়িত হয় আশেক জ্বিন, আল্লাহর নামে বিতাড়িত হয় আশেক জ্বিন, আল্লাহর নামে বিতাড়িত হয় আশেক জ্বিন
১৭:১৯–১৭:৩০
الْعَيْنَ وَالْحَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ تُبْطِلُ الْعَيْنَ وَالْحَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ تُبْطِلُ كُلَّ عَيْنٍ حَاسِدَةٍ مَقْرُونَةٍ بِالسِّحْرِ مُقَرَّرَةٍ بِالسِّحْرِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تَحْرِقُ أَعْيُنَ الْحُسَّادِ تَحْرِقُ أَعْيُنَ الْحُسَّادِ وَالْمَرَدَةِ بِسْمِ اللَّهِ
নজর ও হিংসা, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় নজর ও হিংসা, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় প্রতিটি হিংসুক নজর যা জাদুর সাথে যুক্ত, জাদুর সাথে প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহর নামে, আল্লাহু আকবার, পুড়িয়ে দেয় হিংসুকদের চোখ, পুড়িয়ে দেয় হিংসুকদের ও বিদ্রোহী জ্বিনদের চোখ, আল্লাহর নামে
১৮:০২–১৮:২২
بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ مَكْرَ السَّحَرَةِ وَالْعَاشِقِ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ مَكْرَ السَّحَرَةِ وَالْعَاشِقِ الْمَاكِرِ الْعَاشِقِ الْمَاكِرِ الْعَاشِقِ الْمَاكِرِ الْعَاشِقِ الْمَاكِرِ اللهُ أَكْبَرُ يَرْتَدُّ كَيْدُهُمْ فِي نُحُورِهِمْ بِسْمِ اللهِ يَرْتَدُّ كَيْدُهُمْ فِي نُحُورِهِمْ أَعُوذُ بِاللهِ
আল্লাহর নামে জাদুকর ও ধূর্ত আশিক (জিন-প্রেমাসক্ত)-এর চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়। আল্লাহর নামে জাদুকর ও ধূর্ত আশিকের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়, ধূর্ত আশিক, ধূর্ত আশিক, ধূর্ত আশিক, ধূর্ত আশিক। আল্লাহু আকবার! তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরে যাক। আল্লাহর নামে, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরে যাক। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
১৮:৩৯–১৮:৫৭
بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ مَكْرَ السَّحَرَةِ وَالْعَاشِقِ الْمَاكِرِ اللهُ أَكْبَرُ يَرْتَدُّ كَيْدُهُمْ فِي نُحُورِهِمْ يَرْتَدُّ كَيْدُهُمْ فِي نُحُورِهِمْ يَرْتَدُّ كَيْدُهُمْ فِي نُحُورِهِمْ
আল্লাহর নামে জাদুকর ও ধূর্ত আশিকের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়। আল্লাহু আকবার! তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরে যাক, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরে যাক, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরে যাক।
১৯:৩৪–১৯:৪৩
وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ بِسْمِ اللهِ يُعَذِّبُ الْمَسَّ الْعَاشِقَ بِسْمِ اللهِ يُنْزِلُ الْعَذَابَ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ يُفْرَضُ الْخُرُوجُ اللهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يُحْصَرُ فِي الْأَطْرَافِ يُحْصَرُ فِي الْأَطْرَافِ حَتَّى يَخْرُجَ صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا يَخْرُجُ يَخْرُجُ بِأَمْرِ اللهِ أَعُوذُ بِاللهِ مِنْ
এবং তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি (৪ বার)। আল্লাহর নামে, স্পর্শকারী আশিককে শাস্তি দেয়। আল্লাহর নামে, প্রত্যেক আশিকের উপর শাস্তি নাযিল করে এবং তাকে বহিষ্কার হতে বাধ্য করে। আল্লাহু আকবার! আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, তাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অবরুদ্ধ করে (বারবার), যতক্ষণ না সে লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত, লাঞ্ছিত হয়ে বের হয়ে যায় (বারবার) আল্লাহর আদেশে। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি...
১৯:৫৬–২০:২৩
وَمِنْ وَرَائِهِ عَذَابٌ غَلِيظٌ بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الْعَذَابَ عَلَى السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الْعَذَابَ عَلَى السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الْعَذَابَ عَلَى السِّحْرِ وَالسَّحَرَةِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الْعَذَابَ عَلَى السِّحْرِ الْمُرْتَبِطِ بِالدَّمِ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَى السَّحَرَةِ الْعَذَابَ اللَّهُمَّ أَزِلْ كُلَّ سِحْرٍ ارْتَبَطَ بِالدَّمِ أَعُوذُ
এবং তার সামনে রয়েছে কঠিন শাস্তি। আল্লাহর নামে ওয়াল্লাহু আকবার। হে আল্লাহ, জাদুকরদের উপর শাস্তি নাযিল করুন (বারবার)। হে আল্লাহ, জাদু ও জাদুকরদের উপর শাস্তি নাযিল করুন। হে আল্লাহ, রক্তের সাথে সংযুক্ত জাদুর উপর শাস্তি নাযিল করুন। হে আল্লাহ, রক্তের সাথে সংযুক্ত প্রত্যেক জাদু দূর করে দিন। আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি...
২১:২৩–২১:৫৪
بِسْمِ اللهِ تق الشَّيَاطِينَ بِسْمِ اللهِ تُقَيِّدُ شَيَاطِينَ السِّحْرِ وَالْعِشْقِ وَالْعِشْقِ وَالْعِشْقِ وَالْعِشْقِ وَالْعِشْقِ اللهُ أَكْبَرُ تُصَفِّدُ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ عَنْ هَذَا الْجَسَدِ بِسْمِ اللهِ تَصُدُّ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ عَنْ هَذَا الْجَسَدِ عَنْ هَذَا الْجَسَدِ عَنْ هَذَا
আল্লাহর নামে শয়তানদের বেঁধে ফেলে। আল্লাহর নামে জাদু ও (জিনি) আসক্তির শয়তানদের বেঁধে ফেলে, আসক্তি, আসক্তি, আসক্তি, আসক্তি। আল্লাহু আকবার, তাদের হাত-পা এই দেহ থেকে শৃঙ্খলিত করে দেয়। আল্লাহর নামে তাদের হাত-পা প্রতিহত করে (বারবার) এই দেহ থেকে, এই দেহ থেকে, থেকে...
২২:৫৩–২৩:১৮
ظَالِمٍ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ بِسْمِ اللهِ يَطْرُدُ كُلَّ ظَالِمٍ عَاشِقٍ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ سَكَنَ الْعُرُوقَ وَالْأَرْحَامَ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ تُهْدَمُ الْمَسَاكِنُ وَالْعُقَدُ فِي الْجَسَدِ تُهْدَمُ تُهْدَمُ الْمَسَاكِنُ وَالْعُقَدُ فِي الْجَسَدِ تُهْدَمُ الْمَسَاكِنُ وَالْعُقَدُ فِي الْجَسَدِ فِي الْجَسَدِ فِي
...অত্যাচারীকে বহিষ্কার করে যে শিরা-উপশিরা ও জরায়ুতে বসবাস করে। আল্লাহর নামে প্রত্যেক অত্যাচারী আশিককে বহিষ্কার করে যে শিরা-উপশিরা ও জরায়ুতে বসবাস করে (বারবার)। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, দেহের মধ্যে (তার) আবাসস্থল ও গিঁটগুলো ধ্বংস করে দেয় (বারবার)।
২৩:২৮–২৩:৫৬
فَقُلْ يَنْسِفُهَا
তবে বলুন, আমার প্রতিপালক তা উড়িয়ে দেবেন
২৪:১৪–২৪:১৬
عِوَجًا وَلَا أَمْتًا بِسْمِ اللهِ تَنْسِفُ عُقَدَ السِّحْرِ الْمَرْشُوشِ بِسْمِ اللهِ تَنْسِفُ عُقَدَ السِّحْرِ الْمَرْشُوشِ الْمُنْتَشِرِ نَسْفًا نَسْفًا نَسْفًا اللهُ أَكْبَرُ تُفَجِّرُ كُتَلَ السِّحْرِ فِي الْبَطْنِ والظار تُفَجِّرُ كُتَلَ السِّحْرِ كُتَلَ السِّحْرِ كُتَلَ السِّحْرِ كُتَلَ السِّحْرِ كُتَلَ السِّحْرِ فِي الْبَطْنِ وَالظَّهْرِ فِي الْبَطْنِ وَالظَّهْرِ فِي الْبَطْنِ وَالظَّهْرِ إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ وَيُحْرِقُ كُلَّ سِحْرٍ مُتَجَدِّدٍ مُتَجَدِّدٍ مُتَجَدِّدٍ بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ يَحْتَرِقُ الْعَاشِقُ الْخَبِيثُ يَحْتَرِقُ
কোনো বক্রতা বা উচ্চতা-নিম্নতা। আল্লাহর নামে ছিটানো জাদুর গিঁট উড়িয়ে দেয়। আল্লাহর নামে ছিটানো ও বিস্তৃত জাদুর গিঁট সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেয় (বারবার)। আল্লাহু আকবার, পেট ও পিঠে জাদুর স্তূপ বিস্ফোরিত করে দেয় (বারবার) পেট ও পিঠে। এক ঘূর্ণিঝড় যাতে আগুন আছে, তা পুড়িয়ে দিল এবং আঘাত হানল (বারবার)। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে প্রত্যেক জাদু ব্যর্থ করে দেয় এবং প্রত্যেক নতুন সৃষ্ট জাদু পুড়িয়ে দেয় (বারবার)। আল্লাহর নামে ওয়াল্লাহু আকবার, অভিশপ্ত আশিক পুড়ে যাক, পুড়ে যাক
২৪:৩০–২৫:১২
الْعَاشِقُ الْخَبِيثُ يَحْتَرِقُ الْعَاشِقُ الْخَبِيثُ
অভিশপ্ত আশিক পুড়ে যাক, অভিশপ্ত আশিক পুড়ে যাক
২৫:১২–২৫:১৭
عَذَابُ الْحَرِيقِ حَرِيقٌ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ بِسْمِ اللهِ يُحْرِقُ كُلَّ شَيْطَانٍ بِسْمِ اللهِ يُحْرِقُ كُلَّ شَيْطَانٍ فَرَّقَ الْأُسَرَ عَطَّلَ الْحَيَاةَ اللهُ أَكْبَرُ يَا بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ تَمَرَّدَ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ
দহনের শাস্তি, দহন, এবং তাদের জন্য দহনের শাস্তি। আল্লাহর নামে প্রত্যেক শয়তানকে পুড়িয়ে দেয়। আল্লাহর নামে প্রত্যেক শয়তানকে পুড়িয়ে দেয় যে পরিবার বিচ্ছিন্ন করে ও জীবন নষ্ট করে। আল্লাহু আকবার, হে... আল্লাহর নামে ওয়াল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ, বিদ্রোহী প্রত্যেক শয়তানের উপর দহনের শাস্তি নাযিল করুন, হে আল্লাহ নাযিল করুন
২৫:৪৮–২৬:১১
فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ ثَاقِبٌ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ يَزْجُرُ كُلَّ شَيْطَانٍ زَجْرًا زَجْرًا بِتَكْبِيرِ اللهِ تزلزل كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عُقْدَةٍ كُلُّ عَارِضٍ كُلُّ عَارِضٍ فِي الْجَسَدِ شَيْطَانٍ مَارِدٍ بِسْمِ اللهِ يُرْمَى الْعَاشِقُ بِشِهَابٍ ثَاقِبٍ بِسْمِ اللهِ
তখন তার পিছনে ধাওয়া করে উজ্জ্বল জ্বলন্ত উল্কা। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে প্রত্যেক শয়তানকে ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেয় (বারবার), আল্লাহু আকবার বলে, প্রত্যেক গিঁট কেঁপে ওঠে, প্রত্যেক গিঁট, প্রত্যেক বাধা, দেহের প্রত্যেক বাধা, বিদ্রোহী শয়তান। আল্লাহর নামে অভিশপ্ত আশিককে উজ্জ্বল উল্কা দ্বারা নিক্ষেপ করা হয়। আল্লাহর নামে
২৬:৫৭–২৭:২১
بِسْمِ اللهِ يُصَبُّ الْحَمِيمُ يُصَبُّ الْحَمِيمُ عَلَى السِّحْرِ الْمَأْكُولِ وَالْمَشْرُوبِ اللهُ أَكْبَرُ تَغْلِي عُقَدُ الْبَطْنِ حَتَّى تَتَقَطَّعَ تَغْلِي عُقَدُ الْبَطْنِ حَتَّى تَنْقَطِعَ
আল্লাহর নামে ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়, খাওয়া ও পান করা জাদুর উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়। আল্লাহু আকবার, পেটের গিঁট ফুটতে থাকুক যতক্ষণ না তা ছিন্ন হয়ে যায় (বারবার)।
২৭:৩৮–২৭:৫০
يُقْهَرُ الْعَاشِقُ الْمُسْتَكْبِرُ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ يَذِلُّ وَيَصْغُرُ أَمَامَ جَلَالِ جَلَالِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا
অহংকারী আশিককে পরাভূত করে। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহর মহিমার সামনে সে লাঞ্ছিত ও ক্ষুদ্র হয়ে যাক। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে। কসম ধারাবাহিকভাবে প্রেরিত (ফেরেশতা/বায়ু)-দের!
২৮:০৩–২৮:১৬
بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ بِسْمِ اللهِ تَعْصِفُ حُصُونَ الْجَانِّ عَصْفًا عَصْفًا اللهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, জিনদের দুর্গগুলো প্রবল বাতাসে উড়িয়ে দেয় (বারবার)। আল্লাহু আকবার। আল্লাহর নামে
২৮:২৩–২৮:৩০
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ بِأَسْمَائِكَ الْحُسْنَى وَصِفَاتِكَ
হে আল্লাহ, আমরা আপনার নিকট আপনার সুন্দর নামসমূহ ও গুণাবলীর উসিলায় প্রার্থনা করছি
২৯:৩৫–২৯:৩৮
تُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سُحِرَ بِهِ أَهْلُ هَذَا الْبَيْتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سُحِرَ بِهِ أَهْلُ هَذَا الْبَيْتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ سُحِرَ بِهِ أَهْلُ هَذَا الْبَيْتِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ سُحِرُوا بِهِ سُحِرُوا بِهِ أَهْلُ هَذَا الْبَيْتِ سِحْرًا مَأْكُولًا فِي الْبُطُونِ أَوْ مَشْرُوبًا فِي الْعُرُوقِ أَوْ مَرْشُوشًا عَلَى الْأَعْتَابِ أَوْ مَدْفُونًا فِي التُّرَابِ أَوْ مُعَلَّقًا فِي الْهَوَاءِ اللَّهُمَّ اسف عُقَدَ السِّحْرِ منتشره فِي الْأَجْسَادِ نَسْفًا فَجِّرْهَا تَفْجِيرًا اجْعَلْهَا بَاءً مَنْثُورًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الاسر الْمُشْتَرَكِ الَّذِي صُنِعَ لِلتَّفْرِيقِ وَالْمَرَضِ وَقَطْعِ الْأَرْحَامِ وَتَعْطِيلِ الْأَرْزَاقِ وَالزَّوَاجِ
আপনি প্রত্যেক জাদু ব্যর্থ করে দিন, হে আমাদের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, এই ঘরের অধিবাসীদের উপর করা প্রত্যেক জাদু ব্যর্থ করে দিন (তিনবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, প্রত্যেক জাদু (বারবার) যা দিয়ে এই ঘরের অধিবাসীদের জাদু করা হয়েছে তা ব্যর্থ করে দিন — পেটে খাওয়া জাদু, শিরায় পান করা জাদু, দরজার চৌকাঠে ছিটানো জাদু, মাটিতে পুঁতে রাখা জাদু, বা বাতাসে ঝুলিয়ে রাখা জাদু। হে আল্লাহ, দেহে ছড়িয়ে থাকা জাদুর গিঁট উড়িয়ে দিন, বিস্ফোরিত করে দিন, তা ছড়ানো ছাইয়ে পরিণত করে দিন। হে আল্লাহ, বিচ্ছেদ, রোগ, আত্মীয়তা ছিন্নকরণ, রিযিক ও বিবাহ বন্ধের জন্য তৈরি করা সম্মিলিত জাদু ব্যর্থ করে দিন।
২৯:৪২–৩০:২১
اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقَدَ السِّحْرِ الْمُنْتَشِرَةِ فِي الْأَجْسَادِ نَسْفًا وَفَجِّرْهَا تَفْجِيرًا وَاجْعَلْهَا بَاءً مَنْذُورًا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ الْأُسْرَةِ الْمُشْتَرَكَةِ الَّذِي صُنِعَ لِلتَّفْرِيقِ وَالْمَرَضِ وَقَطْعِ الْأَرْحَامِ وَتَعْطِيلِ الْأَرْزَاقِ وَالزَّوَاجِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ الْعَاشِقِ الظَّالِمِ الْمَرِيدِ الَّذِي يُجَدِّدُ وَيُؤْذِي وَيُفَرِّقُ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَيْهِ صَوْتَ عَذَابٍ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ احْرِقْهُ احْرِقْهُ احْرِقْهُ احْرِقْهُ اقْطَعْ دَابِرَهُ اجْعَلْهُ فِي الْجَسَدِ ضَعِيفًا مَهْزُومًا مَذْلُولًا صَاغِرًا اجْعَلْهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ ضَعِيفًا مَهْزُومًا مَذْلُولًا اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ ضَعِيفًا مَهْزُومًا مَذْلُولًا طَرِيدًا صَغِيرًا لَا عِيلَةَ لَهُ وَلَا قُوَّةَ لَهُ اللَّهُمَّ
হে আল্লাহ, দেহে ছড়িয়ে থাকা জাদুর গিঁট উড়িয়ে দিন, বিস্ফোরিত করে দিন এবং তা ছড়ানো ছাইয়ে পরিণত করে দিন। হে আল্লাহ, বিচ্ছেদ, রোগ, আত্মীয়তা ছিন্নকরণ, রিযিক ও বিবাহ বন্ধের জন্য তৈরি করা সম্মিলিত জাদু ব্যর্থ করে দিন। হে আল্লাহ, এই অত্যাচারী, স্বেচ্ছাচারী আশিক স্পর্শকারীর বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন যে নতুন রূপ ধারণ করে, কষ্ট দেয় এবং বিচ্ছেদ ঘটায়। হে আল্লাহ, তার উপর শাস্তির আওয়াজ ঢেলে দিন। হে আল্লাহ, তাকে পুড়িয়ে দিন (পাঁচবার), তার বংশ কেটে দিন। তাকে এই দেহে দুর্বল, পরাজিত, অপমানিত, লাঞ্ছিত করে দিন (বারবার) — তার কোনো সহায়ক নেই, কোনো শক্তি নেই। হে আল্লাহ
৩০:২১–৩০:৫৭
أَبْطِلْ كُلَّ تَجْدِيدٍ يَسْعَى إِلَيْهِ السَّحَرَةُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ تَجْدِيدٍ كُلَّ تَجْدِيدٍ كُلَّ تَجْدِيدٍ كُلَّ تَجْدِيدٍ يَسْعَى إِلَيْهِ السَّحَرَةُ وَالشَّيَاطِينُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ هَذَا الْمَرِيضِ وَهَذِهِ الْمَرِيضَةِ حِجَابًا مَسْتُورًا سُورًا مَنِيعًا طَهِّرِ الدَّمَ طَهِّرِ طَهِّرِ الدَّمَ طَهِّرِ الدَّمَ طَهِّرِ الدَّمَ واشفي الْأَرْحَامَ وَأَصْلِحِ الْقُلُوبَ وَرُدَّ كَيْدَ الْكَائِدِينَ وَرُدَّ كَيْدَ الظَّالِمِينَ فِي نُحُورِهِمْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ الْمُعْتَدِي وَهَذَا الْعَاشِقِ الظَّالِمِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَنْ تَصَبَّرَ وَاعْتَدَى وَتَكَبَّرَ وَتَجَبَّرَ وَاعْتَدَى وَظَلَمَ وَبَطَشَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ
জাদুকররা যে প্রত্যেক নবায়নের চেষ্টা করে তা ব্যর্থ করে দিন। হে আল্লাহ, জাদুকর ও শয়তানরা যে প্রত্যেক নবায়ন (বারবার) চেষ্টা করে তা ব্যর্থ করে দিন। হে আল্লাহ, তাদের এবং এই রোগী ও রোগিনীর মধ্যে একটি অদৃশ্য পর্দা, একটি দুর্ভেদ্য প্রাচীর স্থাপন করুন। রক্ত পবিত্র করুন (বারবার) এবং জরায়ু আরোগ্য করুন, হৃদয় সংশোধন করুন এবং চক্রান্তকারী অত্যাচারীদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, এই আক্রমণকারী স্পর্শ ও এই অত্যাচারী আশিকের বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, যে কেউ অবিচল থেকে সীমালঙ্ঘন করেছে, অহংকার করেছে, দাম্ভিকতা করেছে, অত্যাচার করেছে ও নির্মমতা করেছে তার বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন
৩০:৫৭–৩১:৪০
بِهِ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِأَكْبَرِهِمْ وَأَصْغَرِهِمْ وَأَقْوَاهُمْ وَأَكْبَرِهِمْ وَأَقْدَمِهِمْ وَأَضْعَفِهِمْ وَأَقْدَمِهِمْ وَأَعْلَمِهِمْ بِالسِّحْرِ وَأَشَدِّهِمْ وَأَقْوَاهُمْ سِحْرًا اللَّهُمَّ أَهْلِكْ كُلَّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ شَيْطَانٍ مُتَكَبِّرٍ مَرِيضٍ اللَّهُمَّ لَكَ مَنْ تَسَلَّطُوا بِالسِّحْرِ عَلَى عِبَادِكَ عَدَدًا اقْتُلْهُمْ بَدَدًا فَإِنَّهُمْ لَا يُعْجِزُونَكَ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اللَّهُمَّ انْسِفْ بِهِمْ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا مَسِّ الْعَاشِقِ الْمُعْتَدِي اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَنْ تَصَبَّرَ وَتَكَبَّرَ وَتَجَبَّرَ وَاعْتَدَى وَظَلَمَ وَبَطَشَ اللَّهُمَّ إِنَّهُمْ لَا يُعْجِزُونَكَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ
হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, তাদের মধ্যে বড়, ছোট, শক্তিশালী, প্রবীণ, দুর্বল, প্রাচীন, জাদুতে সবচেয়ে জ্ঞানী এবং সবচেয়ে শক্তিশালী জাদুকরদের বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী, অহংকারী, বিদ্রোহী শয়তানকে ধ্বংস করুন। হে আল্লাহ, যারা জাদু দ্বারা আপনার বান্দাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে তাদের সংখ্যা যত হোক না কেন তাদের ধ্বংস করে ছড়িয়ে দিন, কেননা তারা আপনাকে অক্ষম করতে পারবে না, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়। হে আল্লাহ, তাদের উড়িয়ে দিন, হে আল্লাহ তাদের পুড়িয়ে দিন। হে আল্লাহ, এই আক্রমণকারী আশিকের স্পর্শের বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, যে অবিচল থেকে অহংকার করেছে, দাম্ভিকতা করেছে ও অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তারা আপনাকে অক্ষম করতে পারবে না। হে আল্লাহ, এই স্পর্শের বিরুদ্ধে
৩১:৪০–৩২:২২
الْمُعْتَدِي اللَّهُمَّ اقْطَعْ شَهْوَتَهُ لَا تَتِمَّ لَهُ عَمَلُهُ اقْذِفْ فِي قَلْبِهِ الرُّعْبَ كُلَّ مَا نَوَى أَهْلِكْ كُلَّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ شَيْطَانٍ مُتَكَبِّرٍ مَرِيدٍ أَهْلِكْ مَنْ تَسَلَّطَ بِالسِّحْرِ عَلَى عِبَادِكَ عَدَدًا اقْتُلْهُمْ بَدَدًا فَإِنَّهُمْ لَا يُعْجِزُونَكَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِمْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ دَمِّرْهُمْ تَدْمِيرًا مَزِّقْهُمْ تَمْزِيقًا شَتِّتْهُمْ تَشْتِيتًا اللَّهُمَّ فَرِّقْ جَمْعَهُمْ ضَيِّقْ صُدُورَهُمْ شَتِّتْ عُقُولَهُمْ اقْطَعْ عَنْهُمُ الْمَوَاهِبَ ابْعَثْ إِلَيْهِمُ النَّوَائِبَ ضَرْبَهُمْ بِضَرْبَةٍ تُقَسِّمُ ظُهُورَهُمْ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ أَخْرِجْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا صَاغِرًا ذَلِيلًا ذَلِيلًا مَهْزُومًا مَدْحُورًا اللَّهُمَّ
আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তার কামনা কেটে দিন, তার কাজ সম্পূর্ণ হতে দেবেন না, তার হৃদয়ে ভীতি নিক্ষেপ করুন। সে যা কিছু সংকল্প করেছে তা ধ্বংস করে দিন। প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী, অহংকারী, বিদ্রোহী শয়তানকে ধ্বংস করুন। যারা জাদু দ্বারা আপনার বান্দাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে তাদের ধ্বংস করে ছড়িয়ে দিন, তাদের সংখ্যা যত হোক না কেন, কেননা তারা আপনাকে অক্ষম করতে পারবে না। হে আল্লাহ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, তাদের সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করুন, তাদের ছিন্নভিন্ন করে দিন, তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিন। হে আল্লাহ, তাদের ঐক্য বিচ্ছিন্ন করুন, তাদের বুক সংকুচিত করুন, তাদের বুদ্ধি বিক্ষিপ্ত করে দিন, তাদের থেকে যোগ্যতা কেড়ে নিন, তাদের উপর বিপর্যয় প্রেরণ করুন, তাদের এমন আঘাত হানুন যা তাদের পিঠ বিদীর্ণ করে দেয়, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়। তাকে বের করে দিন, হে আল্লাহ তাকে বের করে দিন লাঞ্ছিত (চারবার), অপমানিত, অপমানিত, পরাজিত, বিতাড়িত অবস্থায়। হে আল্লাহ
৩২:২২–৩৩:০৮
نَكِّسْ مُلْكَهُمْ وَاقْسِمْ ظُهُورَهُمْ وَاكْسِرْ شَوْكَتَهُمْ وَعَطِّلْ أَسْلِحَتَهُمْ وَيَسْتَقْدِمُونَهُ فِي أَسْعَارِهِمْ ضِدَّنَا اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ تَابِعٍ وَتَابِعَةٍ وَغُولٍ وَغُولٍ وَعَابِثٍ وَعَابِثَةٍ وَقَرِينٍ وَقَرِينَةٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِمْ اللَّهُمَّ
তাদের রাজত্ব উল্টে দিন, তাদের পিঠ বিদীর্ণ করে দিন, তাদের শক্তি ভেঙে দিন এবং তাদের অস্ত্র অকার্যকর করে দিন যা তারা আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে থাকে। হে আল্লাহ, প্রত্যেক অনুসারী পুরুষ ও নারী, প্রত্যেক দুষ্ট জিন (গুল) পুরুষ ও নারী, প্রত্যেক দুষ্কৃতিকারী পুরুষ ও নারী এবং প্রত্যেক ক্বারীন ও ক্বারীনা (সহচর জিন)-এর বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ
৩৩:০৮–৩৩:২২
عَلَيْهِمْ كَقَوْمِ فِرْعَوْنَ الْمَاءَ وَأَرْسِلْ عَلَيْهِمْ أَنْجُمًا ثَاقِبَةً وَشُهُبًا حَارِقَةً وَصَوَاعِقَ مُدَمِّرَةً قَاتِلَةً اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ عَذَابًا شَدِيدًا اللَّهُمَّ أَنْزِلْ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالسَّحَرَةِ وَمَنْ عَاوَنَهُمْ وَمَنْ سَاعَدَهُمْ وَأَمَدَّهُمْ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالسَّاحِرِ الَّذِي عَقَدَ السِّحْرَ وَنَفَّذَ فِي الْعَقْدِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ أَنْفَاسَهُ اللَّهُمَّ لَا تُنْجِحْ أَعْمَالَهُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ أَسْحَارَهُ اللَّهُمَّ حُلَّ عُقَدَهُ اللَّهُمَّ افْتِكْ بِهِ بِالْأَمْرَاضِ اللَّهُمَّ افْتِكْ بِهِ بِالْأَمْرَاضِ وَالْعَاهَاتِ وَالْعِلَلِ وَالْأَمْرَاضِ عَلَيْهِ مَا يَشْغَلُهُ اللَّهُمَّ أَرْسِلْ عَلَيْهِ الْأَمْرَاضَ وَالْعَاهَاتِ وَالْعِلَلَ اللَّهُمَّ أَرْسِلْ عَلَيْهِ الْبَلَايَا اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالسَّاحِرِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِشَيَاطِينِهِ
ফিরাউনের সম্প্রদায়ের মতো তাদের উপর পানি (নিক্ষেপ করুন) এবং তাদের উপর উজ্জ্বল নক্ষত্র, জ্বলন্ত উল্কা এবং ধ্বংসাত্মক প্রাণঘাতী বজ্রপাত প্রেরণ করুন। হে আল্লাহ, তাদের উপর কঠোর শাস্তি নাযিল করুন। হে আল্লাহ নাযিল করুন। হে আল্লাহ, জাদুকরদের এবং যারা তাদের সহায়তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, যে জাদুকর জাদু বেঁধেছে এবং গিঁটে কার্যকর করেছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তার নিঃশ্বাস কেটে দিন। হে আল্লাহ, তার কাজ সফল হতে দেবেন না। হে আল্লাহ, তার জাদু ব্যর্থ করে দিন। হে আল্লাহ, তার গিঁট খুলে দিন। হে আল্লাহ, তাকে রোগ, প্রতিবন্ধকতা, ত্রুটি ও অসুস্থতা দ্বারা ধ্বংস করুন, তার উপর এমন কিছু চাপিয়ে দিন যা তাকে ব্যস্ত রাখবে। হে আল্লাহ, তার উপর রোগ, প্রতিবন্ধকতা, ত্রুটি ও বিপদাপদ প্রেরণ করুন। হে আল্লাহ, জাদুকরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তার শয়তানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন
৩৩:২৮–৩৪:১৪
اللَّهُمَّ صُدَّهُمْ وَرُدَّهُمْ وَأَخْرِجْهُمْ وَأَحْرِقْهُمْ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرًا وَحُلَّ عُقْدًا وَفُكَّ رِبْطًا وَأَخْرِجْ عُيُونًا وَمَسًّا وَحَسَدًا بِحَوْلِكَ وَقُدْرَتِكَ يَا عَزِيزُ >> >> يَا قَدِيرُ
হে আল্লাহ, তাদের প্রতিহত করুন, তাদের ফিরিয়ে দিন, তাদের বহিষ্কার করুন এবং তাদের পুড়িয়ে দিন, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়। হে আল্লাহ, জাদু ব্যর্থ করে দিন, গিঁট খুলে দিন, বাঁধন মুক্ত করে দিন এবং বদনজর, স্পর্শ (জিনের আসর) ও হিংসা বের করে দিন আপনার শক্তি ও ক্ষমতা দ্বারা, হে পরাক্রমশালী, হে ক্ষমতাবান
৩৪:১৪–৩৪:৪২
অন্যান্য পঠিত অংশ ৪২ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১০:২৩
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي هَذَا الْبَيْتَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِي
আল্লাহর নামে, আমি এই ঘরে রুকইয়াহ করছি, আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২০:৩৩
شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ
যা সৃষ্টি করা হয়েছে, উৎপন্ন করা হয়েছে ও গড়া হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে, এবং যা অবতীর্ণ হয় তার অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ২–৪১:২৯
فِي الْأَرْضِ وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ
পৃথিবীতে, এবং যা তা থেকে বের হয় তার অনিষ্ট থেকে, এবং রাত ও দিনের ফিতনার অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা সাবা, আয়াত ২১:৩৭
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا
এবং আল্লাহর জন্য অগণিত প্রশংসা
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮২২:৩৬
وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ
এবং আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা সকাল-সন্ধ্যায়। হে জ্বিন সম্প্রদায়
তুলনীয়: সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৪২২:৪০
عُقْدَةٍ مَكِينَةٍ بِسْمِ اللَّهِ
মজবুত গিঁট, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৪:০৭
الْعَاشِقُ وَيَا خَادِمَ السِّحْرِ الْمُرْسَلِ إِنَّمَا فَعَلْتَهُ
আশেক জ্বিন, এবং হে প্রেরিত জাদুর সেবক জ্বিন! তুমি যা করেছ তা কেবল
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৮০৫:৩৩
وَإِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي كَيْدَ الْخَائِنِينَ وَإِنَّ اللَّهَ
এবং নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তকে সফল হতে দেন না, এবং নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫২৫:৫০
لَا يَهْدِي كَيْدَ الْخَائِنِينَ
বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তকে সফল হতে দেন না
তুলনীয়: সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫২৫:৫৪
كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ
তারা যা করত, এবং তারা যা করত তা বাতিল হয়ে গেল, এবং বাতিল হয়ে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১০:০০
مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
তারা যা করত, এবং তারা যা করত তা বাতিল হয়ে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১০:০৫
قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ
তারা বলল, আমরা বিশ্বজগতের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান আনলাম। এবং জাদুকররা লুটিয়ে পড়ল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২১১১:০৪
وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ
এবং জাদুকররা সিজদায় লুটিয়ে পড়ল, এবং জাদুকররা সিজদায় লুটিয়ে পড়ল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২০–১২১১১:০৮
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
তা বাতিল করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১১:৩৬
اللَّهِ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ
আল্লাহ। তারা যা করেছে তা কেবল জাদুকরের চক্রান্ত, জাদুকরের চক্রান্ত, চক্রান্ত
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯১২:৩১
فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا
অতঃপর আমি তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দিলাম
তুলনীয়: সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩১৩:২৪
كُلِّ سِحْرٍ سَبَّبَ أَوْجَاعًا وَآلَامًا فِي الصَّدْرِ اللَّهُمَّ
বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণার কারণ এমন প্রতিটি জাদু, হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-আদিয়াত, আয়াত ১০১৬:৩৮
بِسْمِ اللَّهِ تُبْطِلُ الْعَيْنَ وَالْحَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ تُبْطِلُ
আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায় নজর ও হিংসা, আল্লাহর নামে বাতিল হয়ে যায়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২১৭:৫৯
لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَإِنْ يكادوا الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ
যখন তারা উপদেশ (কুরআন) শোনে, তখন কাফিররা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছড়ে ফেলবে।
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১১৯:০৭
وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ
এবং তারা বলে, নিশ্চয় সে তো পাগল; অথচ এ তো (বিশ্ববাসীর জন্য) উপদেশ মাত্র।
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১–৫২১৯:১৯
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী ব্যর্থ হয়েছে।
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২০:২৮
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী ব্যর্থ হয়েছে।
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২০:৩১
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী ব্যর্থ হয়েছে।
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২০:৩৬
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ
এবং প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী ব্যর্থ হয়েছে, এবং প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী ব্যর্থ হয়েছে, এবং ব্যর্থ হয়েছে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২০:৪০
كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
প্রত্যেক উদ্ধত সীমালঙ্ঘনকারী
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২০:৪৬
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ بِسْمِ اللهِ يَطْرُدُ كُلَّ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহর নামে প্রত্যেক...
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৩:২৫
رَبِّي نَسْفًا فَقُلْ يَنْسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا فَقُلْ يَنْسِفُهَا
আমার প্রতিপালক (তা) সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেবেন। তবে বলুন, আমার প্রতিপালক তা উড়িয়ে দেবেন। তবে বলুন, তা উড়িয়ে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫–১০৬২৪:১৬
رَبِّي نَسْفًا فَيَذَرُهَا قَاعًا صَفْصَفًا لَا تَرَى فِيهَا
আমার প্রতিপালক (তা) সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেবেন, অতঃপর তিনি তা সমতল ভূমি বানিয়ে দেবেন, তুমি তাতে দেখবে না
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৬–১০৭২৪:২৪
يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ وَلَهُمْ
...তওবা করে, তবে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি এবং তাদের জন্য রয়েছে দহনের শাস্তি, এবং তাদের জন্য
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১০২৫:৩৭
بِسْمِ اللهِ يَدْحَرُ كُلَّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ يَدْحَرُ كُلَّ
আল্লাহর নামে প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তানকে তাড়িয়ে দেয়, তাড়িয়ে দেয় প্রত্যেক
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭২৭:১০
الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ
পেটের মধ্যে ফুটতে থাকে, পেটের মধ্যে ফুটতে থাকে, পেটের মধ্যে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬২৭:৩০
تَغْلِي عُقَدُ الْبَطْنِ حَتَّى تَنْقَطِعَ خُذُوهُ فَاعْتِلُوهُ
পেটের গিঁট ফুটতে থাকুক যতক্ষণ না তা ছিন্ন হয়ে যায়। তাকে পাকড়াও করো, অতঃপর তাকে টেনে নিয়ে যাও।
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৬–৪৭২৭:৫০
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا
রহমান রাহিম। যখন পৃথিবী তার প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ১২৮:৩০
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ
এবং পৃথিবী তার (ভেতরের) বোঝা বের করে দেবে। যখন পৃথিবী কম্পিত হবে...
তুলনীয়: সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ২২৮:৩৪
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ اللهُ الصَّمَدُ
রহমান রাহিম। বলুন, তিনি আল্লাহ, এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, অবিনশ্বর।
তুলনীয়: সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ১–২২৮:৫৯
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। বলুন, আমি মানুষের প্রতিপালকের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৯:২১
الْعُلَى يَا قَاهِرَ الْجَبَابِرَةِ يَا كَاسِرَ لِأَثَرِهِ أَنْ
সুউচ্চ, হে অহংকারীদের দমনকারী, হে (তাদের) চিহ্ন বিনাশকারী, যেন
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ৬৯২৯:৩৮
اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِ اللَّهُمَّ
হে আল্লাহ, এই স্পর্শের বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৪৩২:৫৭
اُخْسُفْ بِهِمُ الْأَرْضَ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ رِجْزًا مِنَ السَّمَاءِ اللَّهُمَّ أَطْبِقْ عَلَيْهِمُ الْمَاءَ اللَّهُمَّ أَطْبِقْ
তাদেরকে মাটিতে ধ্বসিয়ে দিন। হে আল্লাহ, আকাশ থেকে তাদের উপর শাস্তি নাযিল করুন। হে আল্লাহ, তাদের উপর পানি বন্ধ করে দিন। হে আল্লাহ বন্ধ করে দিন
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৬২৩৩:২২
عَلَيْهِمْ عِقَابَكَ اللَّهُمَّ سَلِّطْ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ
তাদের উপর আপনার শাস্তি (নাযিল করুন)। হে আল্লাহ, তাদের একে অপরের উপর প্রভাবশালী করে দিন
তুলনীয়: সূরা আত-তূর, আয়াত ২৪–২৫৩৩:৩৮
اللَّهُمَّ أَرْسِلْ عَلَيْهِ نَارًا تُحْرِقُهُ اللَّهُمَّ أَرْسِلْ
হে আল্লাহ, তার উপর আগুন প্রেরণ করুন যা তাকে পুড়িয়ে দেবে। হে আল্লাহ প্রেরণ করুন
তুলনীয়: সূরা আশ-শামস, আয়াত ১৩৩৪:০২
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ৫:৪৬ — সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫২
- ৭:৪১ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১–২
- ৮:২১ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৯:০০ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৯:৩৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৯:৪৫ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১১৮
- ১০:১০ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১১৯
- ১০:৪৮ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১২০
- ১১:১২ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২১–১২২
- ১১:২৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১১:৪৫ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১২:১৪ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮২
- ১২:৩৬ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
- ১৩:০৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৩:১২ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
- ১৩:৩০ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
- ১৫:১২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৫:১৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
- ১৫:৫৬ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২
- ১৭:৩০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৭:৩৪ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১–৫২
- ১৮:২২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৮:২৬ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৩০
- ১৮:৩১ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৪
- ১৮:৫৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৯:০০ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
- ১৯:১৬ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
- ১৯:২২ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৩০
- ১৯:৪৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৯:৪৭ — সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৩৭
- ২০:২৩ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫
- ২০:৫১ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৬–১৭
- ২১:৫৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২১:৫৮ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৪৯–৫০
- ২৩:১৮ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮
- ২৩:৫৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৪:০৩ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১০৫
- ২৪:৫৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৫:১৮ — সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১০
- ২৬:১১ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ২৬:১৫ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১–১০
- ২৭:২২ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৩–৪৬
- ২৭:৩৩ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬
- ২৭:৫৪ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৭–৪৯
- ২৮:১৬ — সূরা আল-মুরসালাত, আয়াত ২–৩
- ২৮:৩৭ — সূরা আয-যালযালাহ, আয়াত ২–৮
- ২৯:০৪ — সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ৩–৪
- ২৯:০৮ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
- ২৯:১২ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৩–৫
- ২৯:২৫ — সূরা আন-নাস, আয়াত ২–৬
- ৩৪:৪২ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮০–১৮২
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. নতুন সৃষ্ট জাদু, বিচ্ছেদ ও আশিক (জিনের আসক্তি) ব্যর্থ করার জন্য আল্লাহর শক্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার নতুন সৃষ্ট জাদু, বিচ্ছেদ ও আশিক (জিনের আসক্তি) ব্যর্থ করার জন্য আল্লাহর শক্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (নতুন সৃষ্ট জাদু, বিচ্ছেদ ও আশিক (জিনের আসক্তি) ব্যর্থ করার জন্য আল্লাহর শক্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।