এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৯ মিনিট ২ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
প্রেমাসক্ত স্পর্শ পুড়িয়ে দেওয়া এবং উন্মাদনা ও অশ্লীল স্বপ্নসমূহ নির্মূল করার জন্য একটি শক্তিশালী রুকইয়াহ
অত্যন্ত শক্তিশালী রুকইয়াহ 'আশিক জ্বিন' (প্রেমাসক্ত জ্বিন) পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য 🔥
ইনশাআল্লাহ শক্তিশালী ও নিবিড় রুকইয়াহ, কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা, বিরক্তিকর চিন্তা এবং অশ্লীল স্বপ্ন ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট মানসিক ও আত্মিক ক্ষতি দূর করার জন্য
রুকইয়াহ অডিও
প্রেমাসক্ত স্পর্শ পুড়িয়ে দেওয়া এবং উন্মাদনা ও অশ্লীল স্বপ্নসমূহ নির্মূল করার জন্য একটি শক্তিশালী রুকইয়াহ
رقية قوية لحرق المس العاشق ونسف الهوس والأحلام الفاحشة
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=36SjCrlASOo
দৈর্ঘ্য: ৩৯ মিনিট ২ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৩০ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
রুকইয়াহয় ২:১৪، ৫:২৮، ১৪:২৬ · ৩ বার
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ﴿٢﴾
২. আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
রুকইয়াহয় ২:২০
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾
২৫৫. আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
রুকইয়াহয় ২:২৮، ৩:১২ · ২ বার
৪
সূরা আল-মু'মিনূন : ৯৭–৯৮
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ ﴿٩٧﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ ﴿٩٨﴾
৯৭. বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি,
৯৮. এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।
রুকইয়াহয় ৪:০৬
إِنَّ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ إِذَا مَسَّهُمْ طَٰٓئِفٌۭ مِّنَ ٱلشَّيْطَٰنِ تَذَكَّرُوا۟ فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ ﴿٢٠١﴾
২০১. যাদের মনে ভয় রয়েছে, তাদের উপর শয়তানের আগমন ঘটার সাথে সাথেই তারা সতর্ক হয়ে যায় এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে উঠে।
রুকইয়াহয় ৫:৩৮
وَقَدِمْنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُوا۟ مِنْ عَمَلٍۢ فَجَعَلْنَٰهُ هَبَآءًۭ مَّنثُورًا ﴿٢٣﴾
২৩. আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।
রুকইয়াহয় ৭:০২
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
রুকইয়াহয় ৮:৩৮
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।
রুকইয়াহয় ৯:২৮
وَنُنَزِّلُ مِنَ ٱلْقُرْءَانِ مَا هُوَ شِفَآءٌۭ وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ ٱلظَّٰلِمِينَ إِلَّا خَسَارًۭا ﴿٨٢﴾
৮২. আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।
রুকইয়াহয় ১০:৩৯، ১১:০৬، ১১:২৮ · ৩ বার
وَإِنَّهُۥ لَهُدًۭى وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ﴿٧٧﴾
৭৭. এবং নিশ্চিতই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত।
রুকইয়াহয় ১০:৫৩، ১১:১১، ১১:২৪ · ৩ বার
১১
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৭–১২২
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾
১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।
রুকইয়াহয় ১২:৪৩
يَوْمَ يَقُولُ ٱلْمُنَٰفِقُونَ وَٱلْمُنَٰفِقَٰتُ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱنظُرُونَا نَقْتَبِسْ مِن نُّورِكُمْ قِيلَ ٱرْجِعُوا۟ وَرَآءَكُمْ فَٱلْتَمِسُوا۟ نُورًۭا فَضُرِبَ بَيْنَهُم بِسُورٍۢ لَّهُۥ بَابٌۢ بَاطِنُهُۥ فِيهِ ٱلرَّحْمَةُ وَظَٰهِرُهُۥ مِن قِبَلِهِ ٱلْعَذَابُ ﴿١٣﴾
১৩. যেদিন কপট বিশ্বাসী পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারীরা মুমিনদেরকে বলবেঃ তোমরা আমাদের জন্যে অপেক্ষা কর, আমরাও কিছু আলো নিব তোমাদের জ্যোতি থেকে। বলা হবেঃ তোমরা পিছনে ফিরে যাও ও আলোর খোঁজ কর। অতঃপর উভয় দলের মাঝখানে খাড়া করা হবে একটি প্রাচীর, যার একটি দরজা হবে। তার অভ্যন্তরে থাকবে রহমত এবং বাইরে থাকবে আযাব।
রুকইয়াহয় ১৪:২৯
إِذْ جَآءُوكُم مِّن فَوْقِكُمْ وَمِنْ أَسْفَلَ مِنكُمْ وَإِذْ زَاغَتِ ٱلْأَبْصَٰرُ وَبَلَغَتِ ٱلْقُلُوبُ ٱلْحَنَاجِرَ وَتَظُنُّونَ بِٱللَّهِ ٱلظُّنُونَا۠ ﴿١٠﴾
১০. যখন তারা তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল উচ্চ ভূমি ও নিম্নভূমি থেকে এবং যখন তোমাদের দৃষ্টিভ্রম হচ্ছিল, প্রাণ কন্ঠাগত হয়েছিল এবং তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে নানা বিরূপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করছিলে।
রুকইয়াহয় ১৬:৩২، ১৬:৫৮ · ২ বার
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۚ إِنَّهُۥ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ﴿٢٠٠﴾
২০০. আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরণাপন্ন হও তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
রুকইয়াহয় ১৮:৪২، ১৯:০১، ১৯:২৭ · ৩ বার
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٣٦﴾
৩৬. যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কিছু কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আল্লাহর শরণাপন্ন হোন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
রুকইয়াহয় ১৯:০৫
إِنَّ بَطْشَ رَبِّكَ لَشَدِيدٌ ﴿١٢﴾ إِنَّهُۥ هُوَ يُبْدِئُ وَيُعِيدُ ﴿١٣﴾ وَهُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلْوَدُودُ ﴿١٤﴾ ذُو ٱلْعَرْشِ ٱلْمَجِيدُ ﴿١٥﴾ فَعَّالٌۭ لِّمَا يُرِيدُ ﴿١٦﴾
১২. নিশ্চয় তোমার পালনকর্তার পাকড়াও অত্যন্ত কঠিন।
১৩. তিনিই প্রথমবার অস্তিত্ব দান করেন এবং পুনরায় জীবিত করেন।
১৪. তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়;
১৫. মহান আরশের অধিকারী।
১৬. তিনি যা চান, তাই করেন।
রুকইয়াহয় ২০:২২
أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُۥ جَنَّةٌۭ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَابٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ لَهُۥ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَأَصَابَهُ ٱلْكِبَرُ وَلَهُۥ ذُرِّيَّةٌۭ ضُعَفَآءُ فَأَصَابَهَآ إِعْصَارٌۭ فِيهِ نَارٌۭ فَٱحْتَرَقَتْ ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْءَايَٰتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ ﴿٢٦٦﴾
২৬৬. তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে, আর এতে সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং সে বার্ধক্যে পৌছবে, তার দুর্বল সন্তান সন্ততিও থাকবে, এমতাবস্থায় এ বাগানের একটি ঘূর্ণিবায়ু আসবে, যাতে আগুন রয়েছে, অনন্তর বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে যাবে? এমনিভাবে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ননা করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর।
রুকইয়াহয় ২১:৪২
وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًۭا وَزَيَّنَّٰهَا لِلنَّٰظِرِينَ ﴿١٦﴾
১৬. নিশ্চয় আমি আকাশে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছি এবং তাকে দর্শকদের জন্যে সুশোভিত করে দিয়েছি।
রুকইয়াহয় ২৩:২২
وَحَفِظْنَٰهَا مِن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ رَّجِيمٍ ﴿١٧﴾
১৭. আমি আকাশকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে নিরাপদ করে দিয়েছি।
রুকইয়াহয় ২৩:৫৩
وَحِيلَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ كَمَا فُعِلَ بِأَشْيَاعِهِم مِّن قَبْلُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ فِى شَكٍّۢ مُّرِيبٍۭ ﴿٥٤﴾
৫৪. তাদের ও তাদের বাসনার মধ্যে অন্তরাল হয়ে গেছে, যেমন-তাদের সতীর্থদের সাথেও এরূপ করা হয়েছে, যারা তাদের পূর্বে ছিল। তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত।
রুকইয়াহয় ২৪:৩৯
لَّا تُدْرِكُهُ ٱلْأَبْصَٰرُ وَهُوَ يُدْرِكُ ٱلْأَبْصَٰرَ ۖ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ ﴿١٠٣﴾
১০৩. দৃষ্টিসমূহ তাঁকে পেতে পারে না, অবশ্য তিনি দৃষ্টিসমূহকে পেতে পারেন। তিনি অত্যন্ত সুক্ষদর্শী, সুবিজ্ঞ।
রুকইয়াহয় ২৬:৩৫
وَسَكَنتُمْ فِى مَسَٰكِنِ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ ٱلْأَمْثَالَ ﴿٤٥﴾ وَقَدْ مَكَرُوا۟ مَكْرَهُمْ وَعِندَ ٱللَّهِ مَكْرُهُمْ وَإِن كَانَ مَكْرُهُمْ لِتَزُولَ مِنْهُ ٱلْجِبَالُ ﴿٤٦﴾
৪৫. তোমরা তাদের বাসভূমিতেই বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে এবং তোমাদের জানা হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই বর্ণনা করেছি।
৪৬. তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু-চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড় টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।
রুকইয়াহয় ২৭:১৮
بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌۭ ۚ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ ﴿١٨﴾
১৮. বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
রুকইয়াহয় ২৮:২৩، ২৮:৩৪ · ২ বার
إِن كُلُّ نَفْسٍۢ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌۭ ﴿٤﴾ فَلْيَنظُرِ ٱلْإِنسَٰنُ مِمَّ خُلِقَ ﴿٥﴾
৪. প্রত্যেকের উপর একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।
৫. অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে।
রুকইয়াহয় ২৯:১৩
ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
রুকইয়াহয় ২৯:৫৬
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ ﴿١﴾ لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٢﴾ وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ ﴿٣﴾ وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌۭ مَّا عَبَدتُّمْ ﴿٤﴾ وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ ﴿٥﴾
১. বলুন, হে কাফেরকূল,
২. আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
৩. এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
৪. এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
৫. তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
রুকইয়াহয় ২৯:৫৯
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ﴿٤﴾
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪. এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
রুকইয়াহয় ৩০:৩১
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ৩০:৪১
مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾
২. মানুষের অধিপতির,
৩. মানুষের মা’বুদের
৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
রুকইয়াহয় ৩০:৫৮
৩০
সূরা আস-সাফফাত : ১৮০–১৮২
سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾
১৮০. পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।
১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
১৮২. সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।
রুকইয়াহয় ৩৮:৫০
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]১১ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر১ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৫০ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
الْعَزِيزُ الْقَهَّارُ مُهْلِكُ الظَّلَمَةِ وَالْأَشْرَارِ وَمُزْهِقُ الْبَاطِلِ وَمُزْهِقُ الْبَاطِلِ بِالْحَقِّ وَالْإِصْرَارِ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ مُدَبِّرُ الْأَمْرِ مُدَمِّرُ السَّحَرَةِ مُبْطِلُ السِّحْرِ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا
মহাপরাক্রমশালী, প্রবল দমনকারী, অত্যাচারী ও দুষ্কৃতকারীদের ধ্বংসকারী, বাতিলকে নিশ্চিহ্নকারী, সত্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে বাতিলকে নিশ্চিহ্নকারী; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, সার্বভৌমত্ব তাঁরই এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, তিনিই বিষয়াদির পরিচালক, যাদুকরদের ধ্বংসকারী, যাদু বাতিলকারী; এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, তাঁর ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর দরূদ ও অগণিত সালাম বর্ষিত হোক। আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, মহান
০:১২–০:৫৫
عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ وَمَسٍّ عَاشِقٍ خَادِعٍ الَّذِي يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ الَّذِي يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ الَّذِي يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ الَّذِي يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ الَّذِي يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ فَيَزْرَعُ الْهَوَسَ وَالْأَفْكَارَ الْمَرَضِيَّةَ وَيُعْمِي الْبَصَرَ وَالْبَصِيرَ وَيَجْلِبُ الْأَحْلَامَ الْفَاحِشَةَ لَيْلًا وَنَهَارًا اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ وَاجْعَلْ
প্রতিটি নোংরা শয়তানের বিরুদ্ধে, প্রতিটি নোংরা শয়তানের বিরুদ্ধে, প্রতিটি নোংরা শয়তানের বিরুদ্ধে, এবং প্রতারক প্রেমাসক্ত আসরের বিরুদ্ধে যা মাথা ও মস্তিষ্কের ওপর কর্তৃত্ব করে, যা মাথা ও মস্তিষ্কের ওপর কর্তৃত্ব করে (বারবার), যা মাথা ও মস্তিষ্কের ওপর কর্তৃত্ব করে — অতঃপর তা পাগলামি ও রোগগ্রস্ত চিন্তা রোপণ করে, দৃষ্টি ও অন্তর্দৃষ্টিকে অন্ধ করে দেয়, এবং রাত-দিন অশ্লীল স্বপ্ন নিয়ে আসে। হে আল্লাহ, তাদের ওপর আগুনের শিখা নাযিল করুন (৫ বার), এবং করে দিন
১:০৬–১:৪৫
مَارِدٍ وَاللَّهُمَّ وَأَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ حَلَّ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ حَلَّ فِي هَذَا الْجَسَدِ وَغَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا وَأَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ وَأَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ وَأَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ حَلَّ فِي هَذَا الْجَسَدِ وَأَغَارَ
বিদ্রোহী জ্বিন — হে আল্লাহ, এই দেহে অবস্থানরত প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিনকে জ্বালিয়ে দিন। হে আল্লাহ, এই দেহে অবস্থানরত ও ক্ষতিসাধনকারী প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিনকে জ্বালিয়ে দিন। হে আমাদের প্রভু, প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিনকে জ্বালিয়ে দিন, প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিনকে জ্বালিয়ে দিন, প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিন যা এই দেহে অবস্থান করে ও অনিষ্ট করে তাকে জ্বালিয়ে দিন
১:৪৯–২:১০
حِفْظُهُمَا وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا
আর এ দুটিকে (আসমান ও জমিন) সংরক্ষণ করা তাঁর জন্য কষ্টকর নয় (বারবার পুনরাবৃত্তি)
৩:০০–৩:১২
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَطْرُدُ وَيَحْرِقُ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَطْرُدُ وَيَحْرِقُ يَطْرُدُ وَيَحْرِقُ كُلَّ عَاشِقٍ يَطْرُدُ وَيَحْرِقُ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ كُلَّ شَيْطَانٍ عَاشِقٍ يَتَسَلَّطُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْعَقْلِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৩ বার); তাড়িয়ে দেয় ও জ্বালিয়ে দেয় প্রতিটি প্রেমাসক্ত শয়তান যা মাথা ও মস্তিষ্কের ওপর কর্তৃত্ব করে (বারবার); আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে ও আল্লাহ মহান; তাড়িয়ে দেয় ও জ্বালিয়ে দেয়, তাড়িয়ে দেয় ও জ্বালিয়ে দেয় প্রতিটি প্রেমাসক্তকে, তাড়িয়ে দেয় ও জ্বালিয়ে দেয় প্রতিটি প্রেমাসক্ত শয়তানকে (বারবার) যা মাথা ও মস্তিষ্কের ওপর কর্তৃত্ব করে। আমি আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি
৩:১৭–৪:০৬
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে, চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে, চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে
৪:৫৩–৫:০৮
تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ
চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে, চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে
৫:১২–৫:১৭
وَيُدَمِّرُ مَكْرَهُمْ فِي الْفِكْرِ وَالْمَنَامِ
এবং তাদের চক্রান্ত ধ্বংস করে দেয় চিন্তা ও স্বপ্নে
৫:২৩–৫:২৮
إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ
যখন তাদের শয়তানের কোনো স্পর্শ লাগে
৫:৩৩–৫:৩৭
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَمًى فِي الْبَصِيرَةِ وَالْبَصَرِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ كُلَّ عَمًى فِي الْبَصِيرَةِ وَالْبَصَرِ صَرْ بِسْمِ اللَّهِ يَقْطَعُ الْهَوَسَ قَطْعًا بِسْمِ اللَّهِ وَيَقْطَعُ الْهَوَسَ قَطْعًا يَقْطَعُ الْهَوَسَ قَطْعًا يَقْطَعُ الْهَوَسَ قَطْعًا يَقْطَعُ الْهَوَسَ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৩ বার); আল্লাহর নামে অন্তর্দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তির প্রতিটি অন্ধত্ব জ্বালিয়ে দেয়, আল্লাহর নামে অন্তর্দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তির প্রতিটি অন্ধত্ব জ্বালিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে পাগলামিকে সম্পূর্ণরূপে কেটে ফেলে, আল্লাহর নামে পাগলামিকে সম্পূর্ণরূপে কেটে ফেলে (বারবার)
৬:৩০–৬:৫৫
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৬ বার)
৭:৫৪–৮:০৮
يَنْسِفُ كُلَّ تَخَيُّلٍ وَشَهْوَةٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ نَسْفًا وَيَجْعَلُ هَبَاءً مَنْثُورًا يَنْسِفُ كُلَّ تَخَيُّلٍ يَنْسِفُ كُلَّ تَخَيُّلٍ وَشَهْوَةٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ نَسْفًا نَسْفًا بِأَمْرِ اللَّهِ وَيَجْعَلُ هَبَاءً
প্রতিটি কল্পনা, কামনা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয় এবং তা ছড়ানো ধূলিকণায় পরিণত করে; প্রতিটি কল্পনাকে ধ্বংস করে দেয়, প্রতিটি কল্পনা, কামনা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে সম্পূর্ণরূপে, সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর নির্দেশে ধ্বংস করে দেয় এবং ধূলিকণায় পরিণত করে
৮:১৩–৮:৩৩
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ
৯:১৮–৯:২২
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُبْطِلُ وَيَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يُسَلِّطُ الْأَحْلَامَ الْفَاحِشَةَ لَيْلًا وَنَهَارًا بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ وَبِيَأْمُرُ اللَّهُ يُبْطِلُ وَيَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يُسَلِّطُ الْأَحْلَامَ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ وَيَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يُبْطِلُ وَيَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يُبْطِلُ وَيَمْحَقُ كُلَّ سِحْرٍ يُسَلِّطُ الْأَحْلَامَ الْفَاحِشَةَ لَيْلًا وَنَهَارًا
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৫ বার); বাতিল করে ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু যা রাত-দিন অশ্লীল স্বপ্ন চাপিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর রহমতে; বাতিল করে ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু যা স্বপ্ন চাপিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে বাতিল করে ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু, বাতিল করে ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু, নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু, নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু, বাতিল করে ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় প্রতিটি যাদু যা রাত-দিন অশ্লীল স্বপ্ন চাপিয়ে দেয়
৯:৪৮–১০:৩২
وَنَفْخِهِ وَنَفَسِهِ
এবং তার ফুঁ ও তার নিঃশ্বাস
১০:৩৬–১০:৩৯
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ
এবং আমরা কুরআন থেকে নাযিল করি
১১:১৪–১১:১৯
اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الشِّفَاءَ عَلَى الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الشِّفَاءَ عَلَى الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الشِّفَاءَ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الشِّفَاءَ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَنْزِلِ الشِّفَاءَ بِسْمِ اللَّهِ يَنْزِلُ الشِّفَاءُ يَنْزِلُ الشِّفَاءُ يَنْزِلُ الشِّفَاءُ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ عَلَى الرَّأْسِ وَالْجَسَدِ وَيَسْحَقُ كُلَّ شَيْطَانٍ
হে আল্লাহ, দেহের ওপর আরোগ্য নাযিল করুন, হে আল্লাহ দেহের ওপর আরোগ্য নাযিল করুন, হে আল্লাহ মাথা ও দেহের ওপর আরোগ্য নাযিল করুন, হে আল্লাহ মাথা ও দেহের ওপর আরোগ্য নাযিল করুন, হে আল্লাহ আরোগ্য নাযিল করুন; আল্লাহর নামে আরোগ্য নাযিল হচ্ছে, আরোগ্য নাযিল হচ্ছে, আরোগ্য নাযিল হচ্ছে মাথা ও দেহের ওপর, মাথা ও দেহের ওপর (বারবার); এবং প্রতিটি নোংরা শয়তানকে সম্পূর্ণরূপে চূর্ণ করে দেয়
১১:৪০–১২:২০
خَبِيثٍ سَحْقًا وَيَسْحَقُ كُلَّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ سَحْقًا وَيَسْحَقُ كُلَّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ سَحْقًا وَيَسْحَقُ كُلَّ شَيْطَانٍ وَيَسْحَ يَسْحَقُ وَيَسْحَقُ وَيَسْحَقُ كُلَّ شَيْطَانٍ خَبِيثٍ سَحْقًا سَحْقًا
নোংরা, সম্পূর্ণরূপে চূর্ণ করে দেয়; এবং প্রতিটি নোংরা শয়তানকে সম্পূর্ণরূপে চূর্ণ করে দেয়, প্রতিটি নোংরা শয়তানকে সম্পূর্ণরূপে চূর্ণ করে দেয়, এবং প্রতিটি শয়তানকে চূর্ণ করে, চূর্ণ করে, চূর্ণ করে, প্রতিটি নোংরা শয়তানকে সম্পূর্ণরূপে, সম্পূর্ণরূপে চূর্ণ করে দেয়
১২:২০–১২:৩৯
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُدَمِّرُ الْوَهْمَ يُدَمِّرُ الْوَهْمَ يُدَمِّرُ الْوَهْمَ تُدَمِّرُ الْوَسَاوِسَ يُدَمِّرُ كُلَّ شَيْطَانٍ بِسْمِ اللَّهِ يُدَمِّرُ كُلَّ شَيْطَانٍ زَرَعَ الْوَهْمَ فِي الدِّمَاغِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْعَاشِقِ اللَّهُمَّ انْسِفْهُ اللَّهُمَّ اقْطَعْ شَهْوَتَهُ اللَّهُمَّ لَا تُتِمَّ لَهُ عَمَلَهُ اللَّهُمَّ اقْذِفْ فِي قَلْبِهِ الرُّعْبَ كُلَّمَا نَوَى اللَّهُمَّ أَهْلِكْ عَادًا وَثَمُودَ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৫ বার); ধ্বংস করে দেয় ভ্রম, ধ্বংস করে দেয় ভ্রম, ধ্বংস করে দেয় ভ্রম, ধ্বংস করে দেয় কুমন্ত্রণা, ধ্বংস করে দেয় প্রতিটি শয়তান; আল্লাহর নামে ধ্বংস করে দেয় প্রতিটি শয়তান যে মস্তিষ্কে ভ্রম রোপণ করেছে। হে আল্লাহ, এই প্রেমাসক্তের ওপর আপনি কর্তৃত্বশীল হোন; হে আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দিন; হে আল্লাহ তার কামনা কেটে দিন; হে আল্লাহ তার কাজ সম্পন্ন হতে দেবেন না; হে আল্লাহ, যখনই সে সংকল্প করে তখনই তার অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করুন; হে আল্লাহ, যেমন আপনি আদ ও সামুদ জাতিকে ধ্বংস করেছিলেন
১৩:৪৯–১৪:২৬
وَظَاهِرَةٌ مِنْ قِبَلِهِ الْعَذَابُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ يُوضَعُ سُورٌ مِنْ نَارٍ يَمْنَعُ اقْتِرَابَ الشَّيَاطِينِ يُبْنَى سُورٌ مِنْ نَارٍ يَمْنَعُ اقْتِرَابَ الشَّيَاطِينِ وَيُمَزِّقُهُمْ تَمْزِيقًا وَيُمَزِّقُهُمْ تَمْزِيقًا وَيُمَزِّقُهُمْ وَيُمَزِّقُهُمْ وَيُمَزِّقُهُمْ وَيُمَزِّقُهُمْ وَيُمَزِّقُهُمْ اللَّهُمَّ مَزِّقِ الشَّيَاطِينَ تَمْزِيقًا مَزِّقْهُمْ مَزِّقْهُمْ مَزِّقْهُمْ تَمْزِيقًا يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
এবং তার আগে যারা প্রকাশ্যে ছিল তাদের আযাব। আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (বারবার); আগুনের একটি প্রাচীর স্থাপিত হয় যা শয়তানদের নিকটবর্তী হতে বাধা দেয়; আগুনের প্রাচীর নির্মিত হয় যা শয়তানদের নিকটবর্তী হতে বাধা দেয় এবং তাদের সম্পূর্ণরূপে ছিন্নভিন্ন করে দেয়, ছিন্নভিন্ন করে দেয় (বারবার); হে আল্লাহ, শয়তানদের সম্পূর্ণরূপে ছিন্নভিন্ন করে দিন, ছিন্নভিন্ন করুন, ছিন্নভিন্ন করুন, ছিন্নভিন্ন করুন সম্পূর্ণরূপে; হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক
১৫:৪৬–১৬:২৮
الْقُلُوبُ الْحَنَاجِرَ وَبَلَغَتْ قُلُوبُ الْحَنَاجِرِ وَبَلَغَتْ
অন্তরসমূহ কণ্ঠনালীতে এসে পৌঁছেছিল, এবং অন্তরসমূহ কণ্ঠনালীতে এসে পৌঁছেছিল, এবং পৌঁছেছিল
১৬:৫২–১৬:৫৮
وَتَظُنُّونَ بِاللَّهِ الظُّنُونَا بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَنْسِفُ كُلَّ وَسْوَاسٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ يَنْسِفُ كُلَّ وَسْوَاسٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ وَيَحْرِقُ الْمَسَّ فِيمَا حَصَّ فِيمَا حَصَّنَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يَنْسِفُ كُلَّ وَسْوَاسٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ بِسْمِ اللَّهِ يَنْسِفُ كُلَّ وَسْوَاسٍ وَفِكْرٍ مَرَضِيٍّ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ
এবং তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে নানারকম ধারণা করছিলে। আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান (৭ বার); প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে ধ্বংস করে দেয়, প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে ধ্বংস করে দেয়, এবং যা কিছু সুরক্ষিত তাতে থাকা আসরকে জ্বালিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে; প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে ধ্বংস করে দেয়; আল্লাহর নামে প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও রোগগ্রস্ত চিন্তাকে ধ্বংস করে দেয়; আল্লাহর নামে আসরকে জ্বালিয়ে দেয়, আসরকে জ্বালিয়ে দেয় (বারবার)
১৭:০৪–১৭:৫১
يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ بِأَمْرِ اللَّهِ بِإِذْنِ اللَّهِ بِقُوَّةِ اللَّهِ بِعِزَّةِ اللَّهِ بِقُوَّةِ اللَّهِ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ الشَّيْطَانَ يَحْرِقُ الشَّيْطَانَ يَحْرِقُ الْمَسَّ فِي الْأَجْسَادِ فِي الرَّأْسِ وَالصَّدْرِ وَالْبَطْنِ وَالرَّحِمِ وَالْأَمْعَاءِ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ فِي الدَّمِ فِي الدَّمِ فِي الدَّمِ يَحْرِقُ الْمَسَّ فِي الدِّمَاءِ يَحْرِقُ الْمَسَّ فِي الدِّمَاءِ يَحْرِقُ كُلَّ شَيْطَانٍ فِي الدَّمِ جَارًا فِي الدَّمِ الدَّمِ مَشَى فِي الدَّمِ يَجْرِي يَحْرِقُ بِأَمْرِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ الْمَسَّ يَحْرِقُ بِأَمْرِ اللَّهِ
আসরকে জ্বালিয়ে দেয় (বারবার) আল্লাহর নির্দেশে, আল্লাহর অনুমতিতে, আল্লাহর শক্তিতে, আল্লাহর সম্মানে, আল্লাহর শক্তিতে; আসরকে জ্বালিয়ে দেয়, আসরকে জ্বালিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে শয়তানকে জ্বালিয়ে দেয়, শয়তানকে জ্বালিয়ে দেয়; আসরকে জ্বালিয়ে দেয় দেহে, মাথায়, বুকে, পেটে, জরায়ুতে ও নাড়িতে; আসরকে জ্বালিয়ে দেয়, আসরকে জ্বালিয়ে দেয় রক্তে, রক্তে, রক্তে; আসরকে জ্বালিয়ে দেয় রক্তে, আসরকে জ্বালিয়ে দেয় রক্তে; প্রতিটি শয়তানকে জ্বালিয়ে দেয় রক্তে প্রবাহিত অবস্থায়, রক্তে সঞ্চরণশীল, রক্তে চলমান — আল্লাহর নির্দেশে জ্বালিয়ে দেয়; আল্লাহর নামে আসরকে জ্বালিয়ে দেয়, আসরকে জ্বালিয়ে দেয়, আসরকে জ্বালিয়ে দেয় আল্লাহর নির্দেশে
১৭:৫১–১৮:৩৪
وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
আর যদি শয়তান তোমাকে কুমন্ত্রণা দেয়
১৮:৩৮–১৮:৪২
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ ذَ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
তাহলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর, আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর, আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর, আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর, আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর; আর যদি শয়তান তোমাকে কুমন্ত্রণা দেয়
১৮:৪৬–১৯:০১
وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
আর যদি শয়তান তোমাকে কুমন্ত্রণা দেয়
১৯:২৪–১৯:২৭
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ
তাহলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর, আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর
১৯:৩২–১৯:৩৭
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تَشْتَعِلُ النَّارُ فِي كُلِّ نَزْغٍ وَشَهْوَةٍ شَيْطَانِيَّةٍ فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تَشْتَعِلُ النَّارُ تَشْتَعِلُ النَّارُ تَشْتَعِلُ النَّارُ فِي كُلِّ نَزْغٍ وَشَهْوَةٍ فِي كُلِّ نَزْغٍ وَشَهْوَةٍ فِي كُلِّ نَزْغٍ وَشَهْوَةٍ فِي كُلِّ نَزْغٍ وَشَهْوَةٍ شَيْطَانِيَّةٍ فَتَحْرِقُهَا حَرْقًا حَرْقًا حَرْقًا حَرْقًا حَرْقًا حَرْقًا بِأَمْرِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; আগুন জ্বলে ওঠে প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও শয়তানি কামনায়, অতঃপর তা সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দেয় (বারবার); আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; আগুন জ্বলে ওঠে, আগুন জ্বলে ওঠে, আগুন জ্বলে ওঠে প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও কামনায়, প্রতিটি কুমন্ত্রণা ও কামনায় (বারবার), শয়তানি — তা সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দেয়, জ্বালিয়ে দেয় (বারবার) আল্লাহর নির্দেশে
১৯:৪৩–২০:১৮
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ بَطْشَكَ عَلَى الشَّيْطَانِ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ بَطْشَكَ الشَّدِيدَ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ عَاشِقٍ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَنْزِلُ بَطْشُ اللَّهِ الشَّدِيدُ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ عَلَى كُلِّ جِنٍّ عَاشِقٍ فَيُهْلِكُ وَيُدَمِّرُهُ فَيُهْلِكُهُ وَيُدَمِّرُهُ فَيُهْلِكُ وَيُدَمِّرُهُ فَيُهْلِكُ وَيُدَمِّرُهُ وَيُدَمِّرُهُ بِسْمِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; আল্লাহর নামে; হে আল্লাহ, শয়তানের ওপর আপনার কঠোর আঘাত নাযিল করুন; হে আল্লাহ, প্রতিটি প্রেমাসক্তের ওপর আপনার কঠোর আঘাত নাযিল করুন, প্রতিটি প্রেমাসক্তের ওপর; আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; আল্লাহর কঠোর আঘাত নাযিল হয় প্রতিটি প্রেমাসক্ত জ্বিনের ওপর, প্রতিটি প্রেমাসক্ত জ্বিনের ওপর (বারবার); অতঃপর তাকে ধ্বংস করে দেয় ও নিশ্চিহ্ন করে দেয়, ধ্বংস করে দেয় ও নিশ্চিহ্ন করে দেয় (বারবার); আল্লাহর নামে
২১:০৩–২১:৩৭
إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَى الرَّأْسِ وَالْمَسِّ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَى الرَّأْسِ وَالْمَسِّ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَى الْمَسِّ فِي الرَّأْسِ أَنْزِلْ عَلَيْهِ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِ نَارًا تُحْرِقُهُ نَارًا تُحْرِقُهُ نَارًا تُحْرِقُهُ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ عَلَى الْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ فِي الرَّأْسِ نَارًا تُحْرِقُهُ تُحْرِقُهُ تُحْرِقُهُ
একটি ঘূর্ণিঝড় যাতে ছিল আগুন, ফলে তা পুড়ে গেল; তাতে আঘাত হানল একটি ঘূর্ণিঝড় যাতে ছিল আগুন, যাতে ছিল আগুন, যাতে ছিল আগুন, ফলে তা পুড়ে গেল (বারবার); আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; হে আল্লাহ, মাথায় ও আসরের ওপর নাযিল করুন, হে আল্লাহ মাথায় ও আসরের ওপর নাযিল করুন, হে আল্লাহ মাথায় থাকা আসরের ওপর নাযিল করুন, তার ওপর নাযিল করুন, হে আল্লাহ তার ওপর এমন আগুন নাযিল করুন যা তাকে পুড়িয়ে দেবে, পুড়িয়ে দেবে, পুড়িয়ে দেবে মাথায়, মাথায়, মাথায়, মাথায় প্রেমাসক্ত আসরের ওপর, মাথায়, মাথায়, মাথায় — আগুন যা তাকে পুড়িয়ে দেবে, পুড়িয়ে দেবে, পুড়িয়ে দেবে
২১:৫০–২২:৩০
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ تُنَكِّلُ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; কঠোর শাস্তি দেয়
২২:৫৫–২২:৫৮
بالشواض وَالنُّحَاسِ وَتُقْطَعُ أَعْنَاقُهُمْ بِأَمْرِ اللَّهِ
আগুনের শিখা ও গলিত পিতল দ্বারা, এবং আল্লাহর নির্দেশে তাদের গর্দান কেটে ফেলে
২৩:১৩–২৩:১৭
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ احْفَظِ الْعَقْلَ وَالْجَسَدَ اللَّهُمَّ احْفَظِ الْعَقْلَ وَالْجَسَدَ اللَّهُمَّ احْفَظِ الْعَقْلَ وَالْجَسَدَ يُطْرَدُ كُلُّ شَيْطَانٍ رَجِيمٍ يُطْرَدُ بِأَمْرِ اللَّهِ كُلُّ شَيْطَانٍ كُلُّ شَيْطَانٍ كُلُّ شَيْطَانٍ يُطْرَدُ بِأَمْرِ اللَّهِ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; মস্তিষ্ক ও দেহকে রক্ষা করুন, হে আল্লাহ মস্তিষ্ক ও দেহকে রক্ষা করুন, হে আল্লাহ মস্তিষ্ক ও দেহকে রক্ষা করুন; তাড়িয়ে দেয় প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তানকে, আল্লাহর নির্দেশে তাড়িয়ে দেয় প্রতিটি শয়তানকে, প্রতিটি শয়তানকে, প্রতিটি শয়তানকে, আল্লাহর নির্দেশে তাড়িয়ে দেয়
২৪:১৩–২৪:৩৩
اللَّهُمَّ اقْطَعْ شَهَوَاتِ الشَّيَاطِينِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ تُقْطَعُ الشَّهَوَاتُ تُقْطَعُ الشَّهَوَاتُ تُقْطَعُ الشَّهَوَاتُ تُقْطَعُ الشَّهَوَاتُ تُقْطَعُ الشَّهَوَاتُ وَيُحَالُ بَيْنَ الْجِنِّ وَبَيْنَ أَهْدَافِهِ الْخَبِيثَةِ وَيُحَالُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَهْدَافِهِ الْخَبِيثَةِ بِأَمْرِ اللَّهِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ
হে আল্লাহ, শয়তানদের কামনা-বাসনা কেটে দাও, আল্লাহর নামে, আল্লাহু আকবার, কামনাগুলো কেটে যাক, কামনাগুলো কেটে যাক, কামনাগুলো কেটে যাক, কামনাগুলো কেটে যাক, কামনাগুলো কেটে যাক, এবং জিন ও তার নোংরা উদ্দেশ্যের মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি হোক, এবং তার ও তার নোংরা উদ্দেশ্যের মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি হোক, বিতাড়িত আল্লাহর নির্দেশে, তার কুমন্ত্রণা থেকে, তার ফুৎকার থেকে ও তার নিঃশ্বাস থেকে, দৃষ্টিসমূহ তাকে আয়ত্ত করতে পারে না, দৃষ্টিসমূহ তাকে আয়ত্ত করতে পারে না
২৬:০০–২৬:৩৪
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ اكْشِفِ الضُّرَّ اللَّهُمَّ اكْشِفِ الضُّرَّ اللَّهُمَّ اكْشِفِ الضُّرَّ اللَّهُمَّ أَعِدِ الرُّؤْيَةَ الْحَقِيقِيَّةَ اللَّهُمَّ اطْرُدْ كُلَّ تَخَيُّلٍ اللَّهُمَّ اطْرُدْ كُلَّ تَخَيُّلٍ اللَّهُمَّ اكْشِفِ الضُّرَّ وَاطْرُدْ كُلَّ تَخْيِيلٍ وَاطْرُدْ كُلَّ تَخْيِيلٍ وَاطْرُدْ كُلَّ تَخْيِيلٍ عَنِ الْأَعْيُنِ عَنِ الْأَعْيُنِ فِي
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ কষ্ট দূর করো, হে আল্লাহ কষ্ট দূর করো, হে আল্লাহ কষ্ট দূর করো, হে আল্লাহ প্রকৃত দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দাও, হে আল্লাহ সকল কল্পনা দূর করে দাও, হে আল্লাহ সকল কল্পনা দূর করে দাও, হে আল্লাহ কষ্ট দূর করো এবং সকল কল্পনা দূর করো এবং সকল কল্পনা দূর করো এবং সকল কল্পনা দূর করো চোখ থেকে, চোখ থেকে
২৬:৪৭–২৭:০৮
ظَلَمُوا
জুলুম করেছিল
২৭:১৬–২৭:১৮
اللَّهُمَّ دَمِّرِ الْحُصُونَ بِسْمِ اللَّهِ تُدَمَّرُ الْحُصُونُ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الرَّأْسِ وَيُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الصَّدْرِ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الْبَطْنِ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الْأَرْحَامِ وَالْمَثَانَةِ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الْعَوْرَاتِ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسٍّ وَمَسْكَنٍ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الْأَيْدِي وَالْأَقْدَامِ فِي الْأَفْخَاذِ فِي الْأَرْدَافِ فِي أَسْفَلِ الظَّهْرِ يُدَمَّرُ كُلُّ يُدَمَّرُ كُلُّ حِصْنٍ وَمَسٍّ لِلْمَسِّ الْعَاشِقِ فِي الدِّمَاءِ يُدَمَّرُ بِأَمْرِ
হে আল্লাহ দুর্গগুলো ধ্বংস করে দাও, আল্লাহর নামে দুর্গগুলো ধ্বংস হোক, প্রতিটি দুর্গ ধ্বংস হোক, প্রতিটি দুর্গ ধ্বংস হোক, প্রতিটি দুর্গ ধ্বংস হোক, প্রতিটি দুর্গ ধ্বংস হোক, মাথায় থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, বুকে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, পেটে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, জরায়ু ও মূত্রথলিতে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, লজ্জাস্থানে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, হাত-পায়ে, উরুতে, নিতম্বে, কোমরের নিচে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ও বাসস্থান ধ্বংস হোক, রক্তে থাকা প্রেমাসক্ত স্পর্শের প্রতিটি দুর্গ ধ্বংস হোক, নির্দেশে ধ্বংস হোক
২৭:৩৫–২৮:১৮
عَلَى الْبَاطِلِ فَيَدْمَغُهُ بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى
বাতিলের উপর, ফলে তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়; বরং আমরা সত্য দিয়ে আঘাত করি
২৮:৩১–২৮:৩৪
اللَّهُ أَكْبَرُ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ وَالْهَوَسَ فَيَزْهَقُ وَيَتَلَاشَى إِلَى الْأَبَدِ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ وَالْهَوَسَ يَدْمَغُ الْبَاطِلَ وَالْهَوَسَ وَسَوْفَ
আল্লাহু আকবার, বাতিল ও উন্মাদনাকে চূর্ণ করে দেয়, ফলে তা বিলুপ্ত হয়ে চিরতরে মিলিয়ে যায়, আল্লাহর নামে ও আল্লাহু আকবার, বাতিলকে চূর্ণ করে দেয়, বাতিলকে চূর্ণ করে দেয়, বাতিলকে চূর্ণ করে দেয়, বাতিল ও উন্মাদনাকে চূর্ণ করে দেয়, বাতিল ও উন্মাদনাকে চূর্ণ করে দেয়, শীঘ্রই
২৮:৫৪–২৯:০৯
وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُحْمَى الْعَقْلُ يُحْمَى الْعَقْلُ وَتُحْرَسُ الرُّوحُ بِحِفْظِ اللَّهُمَّ احْفَظِ الْعَقْلَ اللَّهُمَّ احمي الْعَقْلَ اللَّهُمَّ احمي الْعَقْلَ اللَّهُمَّ احمي الْعَقْلَ اللَّهُمَّ احْرُسِ النَّفْسَ وَالرُّوحَ وَالْجَسَدَ اللَّهُمَّ احْرُسِ النَّفْسَ وَالرُّوحَ
আল্লাহু আকবার, মন-মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখো, মন-মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখো এবং আত্মাকে সংরক্ষণের মাধ্যমে পাহারা দাও, হে আল্লাহ মন-মস্তিষ্ক রক্ষা করো, হে আল্লাহ মন-মস্তিষ্ক রক্ষা করো, হে আল্লাহ মন-মস্তিষ্ক রক্ষা করো, হে আল্লাহ মন-মস্তিষ্ক রক্ষা করো, হে আল্লাহ প্রাণ, আত্মা ও দেহকে পাহারা দাও, হে আল্লাহ প্রাণ ও আত্মাকে পাহারা দাও
২৯:৩০–২৯:৪৬
اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ وَيَا شَدِيدَ الْبَطْشِ وَيَا شَدِيدَ الْبَطْشِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ وَيَا شَدِيدَ الْبَطْشِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ وَيَا شَدِيدَ الْبَطْشِ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ وَيَا يَا شَدِيدَ الْبَطْشِ يَا أَنْزِلْ بَطْشَكَ وَعَذَابَكَ عَلَى كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ سَكَنَ هَذَا الرَّأْسَ سَكَنَ الْجَسَدَ سَكَنَ الرَّأْسَ سَكَنَ الْأَعْنَاقَ وَالصُّدُورَ وَالْبُطُونَ وَالظُّهُورَ سَكَنَ الْعَوْرَاتِ وَالْأَرْحَامَ وَالْمَبَايِضَ سَكَنَ أَعْنَاقَ الْأَرْحَامِ سَكَنَ الْأَفْخَاذَ سَكَنَ السَّاقَيْنِ سَكَنَ سَكَنَ سَكَنَ الدَّمَ سَكَنَ الْأَيْدِيَ وَالْأَقْدَامَ اللَّهُمَّ يَا مَالِكَ الْمُلْكِ
হে আল্লাহ, হে সার্বভৌমত্বের মালিক, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক এবং হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক ও হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক ও হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক ও হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, তোমার প্রতিশোধ ও শাস্তি নাযিল করো প্রতিটি প্রেমাসক্ত স্পর্শের উপর যা এই মাথায় বসবাস করছে, দেহে বসবাস করছে, মাথায় বসবাস করছে, ঘাড়ে-বুকে-পেটে-পিঠে বসবাস করছে, লজ্জাস্থানে-জরায়ুতে-ডিম্বাশয়ে বসবাস করছে, জরায়ুর ঘাড়ে বসবাস করছে, উরুতে বসবাস করছে, পায়ের গোছায় বসবাস করছে, রক্তে বসবাস করছে, হাত-পায়ে বসবাস করছে, হে আল্লাহ হে সার্বভৌমত্বের মালিক
৩১:১১–৩২:০৬
كُلِّ مَسٍّ عَاشِقٍ سَكَنَ الْجَسَدَ اللَّهُمَّ احْرِقُوا إِحْرَاقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقُوا حَرْقًا وَاسْحَقْهُ سَحْقًا وَاسْحَقْهُ سَحْقًا وَاسْحَقْهُ سَحْقًا وَاسْحَقْهُ سَحْقًا وَدَمِّرْهُ تَدْمِيرًا وَدَمِّرْهُ تَدْمِيرًا وَدَمِّرْهُ تَدْمِيرًا وَدَمِّرْهُ تَدْمِيرًا وَمَزِّقْهُ تَمْزِيقًا تَمْزِيقًا لَا تَدَعْ لَهُ فِي الْجَسَدِ قَرَارًا وَلَا أَثَرًا لَا تَدَعْ لَهُ فِي الْجَسَدِ قَرَارًا لَا تَدَعْ لَهُ فِي
প্রতিটি প্রেমাসক্ত স্পর্শের উপর যা দেহে বসবাস করছে, হে আল্লাহ তাকে দগ্ধ করে পোড়াও, হে আল্লাহ তাকে দগ্ধ করে পোড়াও (বহুবার পুনরাবৃত্তি), এবং তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দাও (বহুবার পুনরাবৃত্তি), এবং তাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দাও (বহুবার পুনরাবৃত্তি), এবং তাকে খণ্ড-বিখণ্ড করে টুকরো টুকরো করে দাও, দেহে তার জন্য কোনো স্থিতি বা চিহ্ন অবশিষ্ট রেখো না, দেহে তার জন্য কোনো স্থিতি অবশিষ্ট রেখো না
৩২:১৩–৩২:৫৫
الْجَسَدِ قَرَارًا لَا تَدَعْ لَهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ قَرَارًا وَلَا أَثَرًا اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ مِن تَحْتِ أَقْدَامِهِ اللَّهُمَّ اصْعَقُوا بِصَوَاعِقِ غَضَبِكَ اللَّهُمَّ اصْعَقُوا بِصَوَاعِقِ غَضَبِكَ اللَّهُمَّ اصْعَقُوا بِصَوَاعِقِ غَضَبِكَ اللَّهُمَّ احْرِقْ نَوَاصِيَهُ بِنَارِكَ الْمُوقَدَةِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ دَابِرَهُ اللَّهُمَّ اقْطَعْ دَابِرَهُ اللَّهُمَّ اقْطَعْ دَابِرَهُ اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقْدَهُ اللَّهُمَّ انْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَانْسِفْ عُقْدَهُ وَفَكِّكْ حُصُونَهُ وَفَكِّكْ حُصُونَهُ وَفَكِّكْ حُصُونَهُ وَدَمِّرْ عَرْشَهُ الَّذِي أَقَامَهُ فِي هَذَا الْعَقْلِ وَالْجَسَدِ اللَّهُمَّ
দেহে স্থিতি, এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে তার জন্য কোনো স্থিতি বা চিহ্ন অবশিষ্ট রেখো না, হে আল্লাহ তার পায়ের নিচের মাটি প্রকম্পিত করো, হে আল্লাহ তোমার ক্রোধের বজ্রপাত দিয়ে তাকে আঘাত করো (বারবার), হে আল্লাহ তোমার প্রজ্বলিত আগুন দিয়ে তার মাথার সামনের অংশ পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তার শিকড় কেটে ফেলো (বারবার), হে আল্লাহ তার গিঁট বিধ্বস্ত করে দাও (বারবার), এবং তার দুর্গসমূহ ভেঙে ফেলো (বারবার) এবং তার সিংহাসন ধ্বংস করো যা সে এই মন-মস্তিষ্ক ও দেহে স্থাপন করেছে, হে আল্লাহ
৩২:৫৫–৩৩:৩৬
اِحْرِقْ كُلَّ أُفُقٍ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ أُفُقٍ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ وَكُلَّ فِكْرٍ مَرَضِيٍّ وَكُلَّ فِكْرٍ مَرَضِيٍّ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا احْرِقْ كُلَّ افم احْرِقْ يَا رَبَّنَا كُلَّ أُفُقٍ كُلَّ أُفُقٍ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ احْرِقْ كُلَّ أُفُقٍ مَلَأَهُ بِالْهَوَسِ وَكُلَّ فِكْرٍ مَرَضِيٍّ نَثَرَهُ فِي الرَّأْسِ وَكُلَّ ضَبَابٍ بَابٍ أَعْمَى بِهِ الْبَصَرَ وَالْبَصِيرَةَ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَيْهِ صوت الْعَذَابِ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَيْهِ صوت عَذَابٍ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَيْهِ صوت عَذَابٍ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا وَأَشْعِلْ فِي عُرُوقِهِ نَارًا وَأَشْعِلْ فِي عُرُوقِهِ نَارًا وَأَشْعِلْ فِي عُرُوقِهِ نَارًا فِي عُرُوقِهِ نَارًا فِي عُرُوقِهِ نَارًا فِي عُرُوقِهِ نَارًا نَارًا وَأَشْعِلْ فِي عُرُوقِهِ
উন্মাদনায় পরিপূর্ণ প্রতিটি দিগন্ত পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ উন্মাদনায় পরিপূর্ণ প্রতিটি দিগন্ত পুড়িয়ে দাও (বারবার), এবং প্রতিটি অসুস্থ চিন্তা, এবং প্রতিটি অসুস্থ চিন্তা, হে আমাদের প্রতিপালক প্রতিটি দিগন্ত পুড়িয়ে দাও, হে আমাদের প্রতিপালক প্রতিটি দিগন্ত পুড়িয়ে দাও যা উন্মাদনায় পরিপূর্ণ, উন্মাদনায় পরিপূর্ণ প্রতিটি দিগন্ত পুড়িয়ে দাও এবং প্রতিটি অসুস্থ চিন্তা যা সে মাথায় ছড়িয়ে দিয়েছে, এবং প্রতিটি কুয়াশা যা দৃষ্টি ও অন্তর্দৃষ্টিকে অন্ধ করে দিয়েছে, হে আল্লাহ তার উপর শাস্তির আওয়াজ ঢেলে দাও (বারবার), হে আল্লাহ হে আমাদের প্রতিপালক, এবং তার শিরায় শিরায় আগুন জ্বালিয়ে দাও (বারবার)
৩৩:৩৬–৩৪:৩০
نَارًا وَفِي أَعْصَابِهِ جَمْرًا وَفِي أَعْصَابِهِ جَمْرًا وَفِي أَعْصَابِهِ جَمْرًا وَفِي سَمْعِهِ وَبَصَرِهِ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ شُوَاظًا مِنْ نَارٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ وَسَعْيَهُ فِي خَسَارٍ وَأَحْلَامَهُ الْفَاحِشَةَ عَلَيْهِ وَبَالًا وَجَهَنَّمَ وَدَمَارًا اللَّهُمَّ اقْطَعْ صِلَتَهُ بِالْمَنَامِ اللَّهُمَّ اقْطَعْ صِلَتَهُ بِالْمَنَامِ وَنَكِّلْ بِهِ فِي اللَّيْلِ وَالظَّلَامِ وَاجْعَلْ صُرَاخَهُ يَعْلُو فِي كُلِّ آنٍ وَمَقَامٍ اللَّهُمَّ اطْرُدْهُ مَطْرُودًا واللهقه مُمَزَّقًا مُمَزَّقًا مُمَزَّقًا اللَّهُمَّ اطْرُدْهُ مَطْرُودًا وَمَزِّقْهُ مُمَزَّقًا وَأَحْرِقْهُ مُحْتَرِقًا وَاجْعَلْهُ عِبْرَةً لِكُلِّ مَارِدٍ وَشَيْطَانٍ كُلَّ عِبْرَةٍ لِكُلِّ مُعْتَبِرٍ اللَّهُمَّ يَا هَازِمَ الْأَحْزَابِ مُنْزِلَ الْكِتَابِ مُجْرِيَ السَّحَابِ سَرِيعَ
আগুন এবং তার স্নায়ুতে জ্বলন্ত অঙ্গার (বারবার), এবং তার শ্রবণ ও দৃষ্টিতে আগুনের লেলিহান শিখা (বারবার), হে আল্লাহ তার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দাও এবং তার অশ্লীল স্বপ্নগুলোকে তার জন্য বিপর্যয়, জাহান্নাম ও ধ্বংসে পরিণত করো, হে আল্লাহ ঘুমের সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন করো (বারবার), এবং রাতের অন্ধকারে তাকে শাস্তি দাও, এবং প্রতিটি মুহূর্ত ও স্থানে তার চিৎকার উচ্চস্বরে গুঞ্জিত হোক, হে আল্লাহ তাকে বিতাড়িত করে তাড়িয়ে দাও এবং তাকে টুকরো টুকরো করে চূর্ণ-বিচূর্ণ করো (বারবার), হে আল্লাহ তাকে বিতাড়িত করে তাড়িয়ে দাও এবং টুকরো টুকরো করে চূর্ণ-বিচূর্ণ করো এবং পুড়িয়ে ভস্ম করে দাও, এবং তাকে প্রতিটি বিদ্রোহী ও শয়তানের জন্য শিক্ষা এবং প্রতিটি উপদেশগ্রহীতার জন্য দৃষ্টান্ত বানিয়ে দাও, হে আল্লাহ হে দলগুলোকে পরাজিতকারী, কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, দ্রুততম
৩৪:৩০–৩৫:২৪
الْحِسَابِ اهْزِمِ الْمَسَّ اهْزِمِ الْمَسَّ الْعَاشِقَ الْخَادِمَ دَمِّرْهُ تَدْمِيرًا اللَّهُمَّ اهْزِمْهُ وَزَلْزِلْهُ اللَّهُمَّ اهْزِمْهُ وَزَلْزِلْهُ اللَّهُمَّ اهْزِمْهُ وَزَلْزِلْهُ اللَّهُمَّ اهْزِمْهُ وَزَلْزِلْهُ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَى رَأْسِهِ الْحَمِيمَ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَى رَأْسِهِ الْحَمِيمَ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَى
হিসাবগ্রহণকারী, প্রেমাসক্ত সেবক স্পর্শকে পরাজিত করো, তাকে পরাজিত করো, তাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দাও, হে আল্লাহ তাকে পরাজিত করো ও প্রকম্পিত করো (বারবার), হে আল্লাহ তার মাথায় ফুটন্ত পানি ঢেলে দাও (বারবার), হে আল্লাহ তার
৩৫:২৪–৩৫:৪১
وَأَحْرِقْ شَهَوَاتِهِ الْخَبِيثَةَ فِي سَعِيرٍ وَجَحِيمٍ اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لَهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ مَلْجَأً وَلَا قَرَارًا وَلَا فِي الْعَقْلِ مَسْكَنًا اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لَهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ مَلْجَأً وَلَا فِي الْعَقْلِ مَسْكَنًا وَلَا فِي هَذَا الْقَلْبِ امنى اللَّهُمَّ نقي هَذَا الرَّأْسَ تَنْقِيَةً وَطَهِّرْ هَذِهِ الرُّوحَ تَطْهِيرًا وَارْفَعْ عَنْهَا الْغِشَاوَةَ وَالْهَوَسَ وَالظُّنُونَ اللَّهُمَّ مَزِّقْ سَطْوَتَهُ اللَّهُمَّ مَزِّقْ سَطْوَتَهُ اللَّهُمَّ مَزِّقْ سَطْوَتَهُ اللَّهُمَّ مَزِّقْ سَطْوَتَهُ اللَّهُمَّ مَزِّقْ سَطْوَتَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَاهْشِمْ شَوْكَتَهُ وَقَطِّعْ أَنْفَاسَهُ وَاقْطَعْ وَقَطِّعْ اللَّهُمَّ قَطِّعْ أَوْصَالَهُ قَطِّعْ أَوْصَالَهُ قَطِّعْ أَوْصَالَهُ وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُ وَاقْطَعْ وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُ وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُ
এবং তার নোংরা কামনা-বাসনাগুলো প্রজ্বলিত আগুন ও জাহান্নামে পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ এই দেহে তার জন্য কোনো আশ্রয় বা স্থিতি রেখো না এবং মন-মস্তিষ্কে তার জন্য কোনো বাসস্থান রেখো না, হে আল্লাহ এই দেহে তার জন্য কোনো আশ্রয় রেখো না, মন-মস্তিষ্কে কোনো বাসস্থান রেখো না এবং এই হৃদয়ে কোনো নিরাপত্তা রেখো না, হে আল্লাহ এই মাথাকে সম্পূর্ণরূপে পরিশুদ্ধ করো এবং এই আত্মাকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করো এবং তা থেকে আচ্ছন্নতা, উন্মাদনা ও কুধারণা দূর করে দাও, হে আল্লাহ তার প্রভাব-প্রতিপত্তি চূর্ণ-বিচূর্ণ করো (বারবার), হে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক, এবং তার কণ্টক ভেঙে দাও এবং তার নিঃশ্বাস কেটে ফেলো এবং কেটে ফেলো, হে আল্লাহ তার সন্ধিগুলো বিচ্ছিন্ন করো (বারবার) এবং তার নিঃশ্বাস কেটে ফেলো এবং কেটে ফেলো
৩৫:৪৬–৩৬:৩৩
وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُ وَاقْطَعْ أَنْفَاسَهُ وَأَنْزِلْ عَلَيْهِ الرِّجْزَ وَالْعَذَابَ الْأَلِيمَ وَأَنْزِلْ عَلَيْهِ الرِّجْزَ الْأَلِيمَ وَالْعَذَابَ الْعَلِيمَ اللَّهُمَّ أَعِدْ لِلْعَقْلِ نُورَهُ وَلِلْبَصَرِ صَفَاءَهُ وَلِلْبَصِيرَةِ جَلَاءَهَا وَلِلْمَنَامِ طَهَارَتَهُ وَسَكِينَتَهُ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ مَنَامٍ فَاحِشٍ اراد بِهِ التَّدْنِيسُ اللَّهُمَّ احْرِقْ كُلَّ مَنَامٍ فَاحِشٍ اراد بِهِ التَّدْنِيسُ وَاحْرِقْ كُلَّ فِكْرٍ مَرَضِيٍّ اراد بِهِ التاييس اللَّهُمَّ سَلِّطْ عَلَيْهِ جُنْدًا مِنْ جُنْدِكَ وَأَنْزِلْ عَلَيْهِ شُهُبَكَ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِ جُنُودَكَ وَأَنْزِلْ عَلَيْهِ شُهُبَكَ وَاحْرِقُوا فِي حِينِهِ وساعه اللَّهُمَّ انْصُرْ أُمَّتَكَ وَعَبْدَكَ اللَّهُمَّ انْصُرْ عَبْدَكَ وَأُمَّتَكَ عَلَى هَذَا الْعَدُوِّ الظَّالِمِ عَلَى هَذَا
এবং তার নিঃশ্বাস কেটে ফেলো (বারবার) এবং তার উপর অবতীর্ণ করো নোংরামি ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, এবং তার উপর অবতীর্ণ করো যন্ত্রণাদায়ক নোংরামি ও মহাশাস্তি, হে আল্লাহ মন-মস্তিষ্কের জন্য তার আলো এবং দৃষ্টির জন্য তার স্বচ্ছতা এবং অন্তর্দৃষ্টির জন্য তার উজ্জ্বলতা এবং ঘুমের জন্য তার পবিত্রতা ও প্রশান্তি ফিরিয়ে দাও, হে আল্লাহ প্রতিটি অশ্লীল স্বপ্ন পুড়িয়ে দাও যার উদ্দেশ্য ছিল কলুষিত করা, হে আল্লাহ প্রতিটি অশ্লীল স্বপ্ন পুড়িয়ে দাও যার উদ্দেশ্য কলুষিত করা এবং প্রতিটি অসুস্থ চিন্তা পুড়িয়ে দাও যার উদ্দেশ্য ছিল হতাশ করা, হে আল্লাহ তার উপর তোমার সৈন্যদের একটি দল প্রেরণ করো এবং তার উপর তোমার উল্কাপিণ্ড অবতীর্ণ করো, হে আল্লাহ তার উপর তোমার সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করো এবং তার উপর তোমার উল্কাপিণ্ড অবতীর্ণ করো এবং তাকে সাথে সাথে পুড়িয়ে দাও, হে আল্লাহ তোমার উম্মতকে সাহায্য করো এবং তোমার বান্দাকে সাহায্য করো, হে আল্লাহ তোমার বান্দা ও তোমার উম্মতকে সাহায্য করো এই যালিম শত্রুর বিরুদ্ধে, এই
৩৬:৩৩–৩৭:২১
الْعَدُوِّ الظَّالِمِ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا امْحُ أَبَاطِيلَهُ امْحُ أَبَاطِيلَهُ اللَّهُمَّ انْصُرْ عَبْدَكَ عَلَى هَذَا الْعَدُوِّ الظَّالِمِ انْصُرْ أَمَتَكَ عَلَى هَذَا الْعَدُوِّ الظَّالِمِ وَامْحُ أَبَاطِيلَهُ اللَّهُمَّ وَأَعِزَّ دِينَكَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ انْصُرْنَا عَلَى مَن ظَلَمَنَا اللَّهُمَّ اطْرُدْهُ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ يَا جَبَّارُ يَا جَبَّارُ يَا قَهَّارُ
যালিম শত্রু, হে আল্লাহ হে আমাদের প্রতিপালক তার মিথ্যাচারগুলো মুছে ফেলো (বারবার), হে আল্লাহ তোমার বান্দাকে এই যালিম শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করো, তোমার উম্মতকে এই যালিম শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করো এবং তার মিথ্যাচারগুলো মুছে ফেলো, হে আল্লাহ তোমার দ্বীনকে সম্মানিত করো, হে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক, হে আল্লাহ যে আমাদের প্রতি যুলুম করেছে তার বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো, হে আল্লাহ তাকে এই দেহ থেকে বিতাড়িত করো, হে আল্লাহ হে পরাক্রমশালী, হে পরাক্রমশালী, হে প্রবল দমনকারী
৩৭:২১–৩৭:৫০
خَامِدٌ مَهْلُوكٌ اللَّهُمَّ شَتِّتْ شَمْلَهُ اللَّهُمَّ وَفَرِّقْ جَمْعَهُ اللَّهُمَّ وَأَزِلْ أَزِلْ أَزِلْ مُلْكَهُ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اجْعَلْ حيله تَعُودُ عَلَيْهِ بِالْهَلَاكِ بِالْهَلَاكِ اللَّهُمَّ طَهِّرِ النَّفْسَ وَأَبْطِلِ الرِّجْسَ وَدَمِّرِ الْعَاشِقَ وَالْمَسَّ يَا رَبَّنَا يَا مَنْ أَمْرُهُ بَيْنَ الْكَافِ وَالنُّونِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرًا وَحُلَّ عقدا وَفُكَّ رَبْطًا وَأَخْرِجْ عُيُونًا وَمَسًّا وَحَسَدًا بِحَوْلِكَ وَقُدْرَتِكَ يَا عَزِيزُ يَا قَدِيرُ اللَّهُمَّ هَذَا الدُّعَاءُ وَمِنْكَ الْإِجَابَةُ وَهَذَا الْجُهْدُ وَعَلَيْكَ التُّكْلَانُ
নিস্তেজ, বিলুপ্ত, হে আল্লাহ তার দলবলকে ছিন্নভিন্ন করো, হে আল্লাহ তার একতাকে বিচ্ছিন্ন করো, হে আল্লাহ তার আধিপত্য দূর করো, দূর করো, দূর করো, হে আল্লাহ হে আমাদের প্রতিপালক তার চক্রান্তকে তার নিজের ধ্বংসের কারণ বানিয়ে দাও, ধ্বংসের কারণ বানিয়ে দাও, হে আল্লাহ প্রাণকে পবিত্র করো এবং অপবিত্রতাকে বাতিল করো এবং প্রেমাসক্ত স্পর্শকারীকে ধ্বংস করো, হে আমাদের প্রতিপালক হে তিনি যার আদেশ 'কুন' ও 'ফাইয়াকুন'-এর মধ্যে, হে আল্লাহ জাদু বাতিল করো এবং গিঁটসমূহ খুলে দাও এবং বাঁধনসমূহ মুক্ত করো এবং চোখ লাগা, স্পর্শ ও হিংসা বের করে দাও তোমার শক্তি ও ক্ষমতার দ্বারা, হে পরাক্রমশালী, হে ক্ষমতাবান, হে আল্লাহ এই দোয়া আমার পক্ষ থেকে, আর কবুল করা তোমার পক্ষ থেকে, এবং এই প্রচেষ্টা আমার, আর তোমার উপরই ভরসা
৩৭:৫৯–৩৮:৫০
অন্যান্য পঠিত অংশ ৪৪ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَضَعَتْ لِعَظَمَتِهِ جَبَابِرَةُ الْجَانِّ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর মহত্ত্বের সামনে জ্বিন সম্প্রদায়ের অত্যাচারীরা অবনত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১০:০০
وَعَنَتْ لكبريائيه مَرَدَةُ الشَّيَاطِينِ
এবং যাঁর মহিমার কাছে বিদ্রোহী শয়তানরা বশীভূত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২১০০:০৭
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا
এবং আল্লাহর জন্য অসংখ্য প্রশংসা
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮২০:৫৫
وَسُبْحَانَ سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا نَبْدَأُ هَذِهِ
এবং পবিত্র, পবিত্র আল্লাহ সকাল-সন্ধ্যায়; আমরা শুরু করছি এই
তুলনীয়: সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৪২০:৫৯
الرُّقْيَةَ الْقَاهِرَةَ الْمُزَلْزِلَةَ الشَّدِيدَةَ الْبَطْشِ
প্রবল পরাক্রমশালী, প্রকম্পনকারী, কঠোর আঘাতকারী রুকইয়াহ
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১১:০৩
كَيْدَهُمْ فِي تَبَارٍ وَأَحْرِقْ كُلَّ مَارِدٍ وَأَحْرِقْ كُلَّ
তাদের চক্রান্ত ধ্বংসের মধ্যে নিপতিত করুন, এবং প্রতিটি বিদ্রোহী জ্বিনকে জ্বালিয়ে দিন, এবং প্রতিটি
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪১:৪৫
الشَّيَاطِينِ تَدْحَرُ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ
শয়তানদের, চূর্ণ করে দেয় শয়তানদের কুমন্ত্রণাকে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭৫:০৮
وَيُدَمِّرُ مَكْرَهُمْ وَيُدَمِّرُ مَكْرَهُمْ وَيُدَمِّرُ مَكْرَهُمْ
এবং ধ্বংস করে দেয় তাদের চক্রান্ত, ধ্বংস করে দেয় তাদের চক্রান্ত, ধ্বংস করে দেয় তাদের চক্রান্ত
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৪৬৫:১৭
قَطْعًا يَقْطَعُ الْهَوَسَ قَطْعًا بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
সম্পূর্ণরূপে, পাগলামিকে সম্পূর্ণরূপে কেটে ফেলে; আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৫৫
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُ أَكْبَرُ يَنْسِفُ كُلَّ تَخَيُّلٍ
আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান; প্রতিটি কল্পনাকে ধ্বংস করে দেয়
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৮:০৮
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়ই
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৯:২২
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ
এবং আমরা কুরআন থেকে নাযিল করি যা আরোগ্যস্বরূপ
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২১১:১৯
إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। আল্লাহর নামে, আল্লাহ মহান
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২২০১৯:৩৭
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু; অতঃপর তাতে আঘাত হানল একটি ঘূর্ণিঝড় যাতে ছিল আগুন
তুলনীয়: সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ২২১:৩৭
يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شواض مِنْ نَارٍ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شواض
তোমাদের উভয়ের ওপর প্রেরণ করা হবে আগুনের শিখা, প্রেরণ করা হবে তোমাদের ওপর আগুনের শিখা
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২২:৩০
مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شواض مِنْ نَارٍ
আগুন ও গলিত পিতলের, তোমাদের উভয়ের ওপর প্রেরণ করা হবে আগুনের শিখা
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২২:৩৩
وَنُحَاسٌ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شواض مِنْ نَارٍ شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ شُوَاظٌ مِنْ نَارٍ
ও গলিত পিতলের, তোমাদের উভয়ের ওপর প্রেরণ করা হবে আগুনের শিখা, আগুনের শিখা, আগুনের শিখা
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২২:৩৭
شواض مِنْ نَارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرَانِ
আগুনের শিখা ও গলিত পিতল, তখন তোমরা কেউ সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩৫২২:৪৮
الشَّيَاطِينَ اللَّهُ أَكْبَرُ تُنَكِّلُ الشَّيَاطِينَ تُنَكِّلُ الشَّيَاطِينَ تُنَكِّلُ
শয়তানদের, আল্লাহ মহান; কঠোর শাস্তি দেয় শয়তানদের, কঠোর শাস্তি দেয় শয়তানদের, কঠোর শাস্তি দেয়
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২২১–২২২২২:৫৮
الشَّيَاطِينَ تُنَكِّلُ الشَّيَاطِينَ تُنَكِّلُ الشَّيَاطِينَ
শয়তানদের, কঠোর শাস্তি দেয় শয়তানদের, কঠোর শাস্তি দেয় শয়তানদের
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২২১–২২২২৩:১০
وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
এবং আমরা তা দর্শকদের জন্য সুশোভিত করেছি
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১০৮২৩:৩১
وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
এবং আমরা তা দর্শকদের জন্য সুশোভিত করেছি
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১০৮২৩:৩৬
وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
এবং আমরা তা দর্শকদের জন্য সুশোভিত করেছি
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১০৮২৩:৩৯
وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
এবং আমরা তা দর্শকদের জন্য সুশোভিত করেছি
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১০৮২৩:৪৩
وَزَيَّنَّاهَا لِلنَّاظِرِينَ
এবং আমরা তা দর্শকদের জন্য সুশোভিত করেছি
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১০৮২৩:৪৮
شَيْطَانٍ رَجِيمٍ
অভিশপ্ত শয়তান
তুলনীয়: সূরা আত-তাকভীর, আয়াত ২৫২৪:১০
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ احْفَظِ الْعَقْلَ وَالْجَسَدَ اللَّهُمَّ
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ মস্তিষ্ক ও দেহকে রক্ষা করুন, হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২২৪:১৬
وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ
এবং তাদের ও তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়ের মাঝে (অন্তরায় সৃষ্টি করা হলো)
তুলনীয়: সূরা আল-ওয়াকিয়া, আয়াত ২১২৪:৩৭
الْبَيْتِ فِي الْبَيْتِ فِي الْبَيْتِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَسَكَنتُمْ فِي مَسَاكِنِ الَّذِينَ
ঘরে, ঘরে, ঘরে। বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি, এবং তোমরা তাদের বাসস্থানে বসবাস করেছ যারা
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮২৭:০৮
بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ فَيَدْمَغُهُ بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ
সত্য দিয়ে বাতিলের উপর আঘাত হানি, ফলে তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়; বরং আমরা সত্য দিয়ে আঘাত করি
তুলনীয়: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮২৮:২৭
يَزْهَقُ وَيَتَلَاشَى إِلَى الْأَبَدِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
বিলুপ্ত হয়ে চিরতরে মিলিয়ে যাবে, আল্লাহর নামে যিনি অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১২৯:০৯
حَافِظٌ إِنْ كُلُّ نَفْسٍ لَمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ بِسْمِ اللَّهِ
পাহারাদার - নিশ্চয়ই প্রতিটি প্রাণের উপর একজন পাহারাদার নিযুক্ত আছে, আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আত-তারিক, আয়াত ৪২৯:২৫
وَالْجَسَدَ اللَّهُمَّ احْرُسْهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ بِحِفْظِكَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
এবং দেহকে, হে আল্লাহ এগুলোকে পাহারা দাও, হে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক, তোমার সুরক্ষায়, হে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৬৪–১৬৫২৯:৪৬
أَعْبُدُ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন, আর আমার জন্য আমার দ্বীন। আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়
তুলনীয়: সূরা আল-কাফিরূন, আয়াত ৬৩০:২১
الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ
অসীম দয়ালু, বলো, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, তিনি জন্ম দেননি
তুলনীয়: সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ১–৩৩০:২৬
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু, বলো আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ভোরের রবের কাছে, তার অনিষ্ট থেকে যা
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–২৩০:৩৬
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু, বলো আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের কাছে, মানুষের অধিপতি
তুলনীয়: সূরা আন-নাস, আয়াত ১–২৩০:৫২
مَن لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ
যাকে পৃথিবীতে বা আকাশে কোনো কিছুই অক্ষম করতে পারে না
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৩১:৩৭
وَيَا شَدِيدَ الْبَطْشِ يَا مَن لَا يُعْجِزُهُ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ أَنْزِلْ بَطْشَكَ وَعَذَابَكَ عَلَى
এবং হে কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণকারী, হে তিনি যাকে পৃথিবী বা আকাশে কোনো কিছুই অক্ষম করতে পারে না, তোমার প্রতিশোধ ও শাস্তি নাযিল করো
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৫৩২:০৬
كَيْدَهُ فِي تَبَارٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُ فِي تَبَارٍ
তার চক্রান্তকে ধ্বংস করে দাও, হে আল্লাহ তার চক্রান্তকে ধ্বংসে পরিণত করো
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ১–২৩৪:৪২
رَأْسِهِ الْحَمِيمَ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَى رَأْسِهِ الْحَمِيمَ
মাথায় ফুটন্ত পানি ঢেলে দাও, হে আল্লাহ তার মাথায় ফুটন্ত পানি ঢেলে দাও
তুলনীয়: সূরা আল-মা'আরিজ, আয়াত ১০৩৫:৪১
وَالْعَذَابَ الْأَلِيمَ وَالْعَذَابَ الْأَلِيمَ وَالْعَذَابَ
এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, এবং শাস্তি
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ৫০–৫১৩৬:৩৯
اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ
হে আল্লাহ তাকে ধরো (বারবার), হে আল্লাহ তাকে
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৪৩৭:৫১
بِهِ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَإِذَا هُوَ
ধরো, হে আল্লাহ তার উপর একটি মাত্র বজ্র-নিনাদ অবতীর্ণ করো, তখনই সে হয়ে যাবে
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ২৯৩৭:৫৪
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ২:১০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২:১৪ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ২:২০ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ২
- ২:২৮ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৩:১২ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৪:০৬ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ৫:২৮ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ৫:৩৮ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০১
- ৭:০২ — সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২৩
- ৮:৩৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৮:৩৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ৯:২৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১–৮২
- ১০:৩২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১০:৩৯ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
- ১০:৫৩ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৭
- ১১:০৬ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
- ১১:১১ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৭
- ১১:২৪ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৭
- ১১:২৮ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২
- ১২:৩৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১২:৪৩ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১২২
- ১৪:২৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ১৪:২৯ — সূরা আল-হাদীদ, আয়াত ১৩
- ১৬:২৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৬:৩২ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ১০
- ১৬:৫৮ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ১০
- ১৮:৩৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৮:৪২ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ১৯:০১ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ১৯:০৫ — সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬
- ১৯:২৭ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ২০:১৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২০:২২ — সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১২–১৬
- ২১:৪২ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ২৩:১৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৩:২২ — সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৬
- ২৩:৫৩ — সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭
- ২৪:৩৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৪:৩৯ — সূরা সাবা, আয়াত ৫৪
- ২৬:২০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৬:৩৫ — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১০৩
- ২৭:১৮ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৪৫–৪৬
- ২৮:১৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৮:২৩ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
- ২৮:৩৪ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
- ২৯:১৩ — সূরা আত-তারিক, আয়াত ৪–৫
- ২৯:৫২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৯:৫৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
- ২৯:৫৯ — সূরা আল-কাফিরূন, আয়াত ১–৫
- ৩০:৩১ — সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ৩–৪
- ৩০:৪১ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৩–৫
- ৩০:৫৮ — সূরা আন-নাস, আয়াত ২–৬
- ৩৮:৫০ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮০–১৮২
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. প্রেমাসক্ত স্পর্শ পুড়িয়ে দেওয়া এবং উন্মাদনা ও অশ্লীল স্বপ্নসমূহ নির্মূল করার জন্য একটি শক্তিশালী রুকইয়াহ
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার প্রেমাসক্ত স্পর্শ পুড়িয়ে দেওয়া এবং উন্মাদনা ও অশ্লীল স্বপ্নসমূহ নির্মূল করার জন্য একটি শক্তিশালী রুকইয়াহ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (প্রেমাসক্ত স্পর্শ পুড়িয়ে দেওয়া এবং উন্মাদনা ও অশ্লীল স্বপ্নসমূহ নির্মূল করার জন্য একটি শক্তিশালী রুকইয়াহ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।