এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৪ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ যা শয়তানকে প্রকম্পিত করে জাদু বদনজর ও কারীনের কারণে সৃষ্ট ওয়াসওয়াসা বিষণ্নতা ও প্যানিক অ্যাটাক চিকিৎসার জন্য
🌿 ইনশাআল্লাহ প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ, যা নিরাময় করে:
• ওয়াসওয়াসাতুল কাহরিয়া (মানসিক অবসেশন) ও নেতিবাচক চিন্তা
• হঠাৎ আতঙ্কের (প্যানিক অ্যাটাক) খিঁচুনি
• বিষণ্নতা, অস্বস্তি ও উদ্বেগ
• জাদু, বদনজর ও জ্বিনের আসর থেকে সৃষ্ট মানসিক ও শারীরিক রোগ
• করিন (সহচর জ্বিন), শয়তান ও জাদুকরের সহকারী জ্বিনদের আধিপত্য
📖 এই রুকইয়াহতে রয়েছে পবিত্র কুরআনের আয়াত ও নববী দোয়াসমূহ, যা এক প্রভাবশালী ও গম্ভীর কণ্ঠে তেলাওয়াত করা হয়েছে শয়তানদের পুড়িয়ে ফেলার এবং মাটিতে পুঁতে রাখা, ছিটানো ও খাওয়ানো জাদু ভেঙে দেওয়ার জন্য।
📌 এই রুকইয়াহ উপকারী তাদের জন্য যারা ভুগছেন:
• বিয়ে ও চাকরিতে বাধাগ্রস্ত হওয়া থেকে
• অবিরাম ভয় থেকে
• সম্মিলিত জাদুর লক্ষণ থেকে
• মনোযোগহীনতা ও রাতের ওয়াসওয়াসা থেকে
🎧 প্রতিদিন মনোযোগ ও চিন্তাভাবনার সাথে এটি শোনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সাথে শরীরে পড়া জলপাই তেল মাখা এবং নিয়মিত জিকির ও ইস্তিগফার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
রুকইয়াহ অডিও
শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ যা শয়তানকে প্রকম্পিত করে জাদু বদনজর ও কারীনের কারণে সৃষ্ট ওয়াসওয়াসা বিষণ্নতা ও প্যানিক অ্যাটাক চিকিৎসার জন্য
رقية شرعية قوية تهزّ الشيطان لعلاج الوسواس والاكتئاب ونوبات الهلع بسبب السحر والعين والقرين
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=03Yi6q3d9BE
দৈর্ঘ্য: ৩৪ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৪৫ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
রুকইয়াহয় ০:০৪
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
রুকইয়াহয় ০:০৪
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
রুকইয়াহয় ০:৫৬، ৬:২১ · ২ বার
صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾
৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
রুকইয়াহয় ১:৩৭
ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ ٱهْدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।
৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
রুকইয়াহয় ২:০৩، ১০:২৭ · ২ বার
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ ٱهْدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।
৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
রুকইয়াহয় ২:৩৪، ১০:৫৮ · ২ বার
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ﴿٢﴾
২. আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
রুকইয়াহয় ৩:১৭
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾
২৫৫. আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
রুকইয়াহয় ৩:২৯، ৩:৪০، ৩:৫৮ · ৩ বার
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۚ وَإِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًۭا ﴿١٣١﴾
১৩১. আর যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। বস্তুতঃ আমি নির্দেশ দিয়েছি তোমাদের পূর্ববর্তী গ্রন্থের অধিকারীদেরকে এবং তোমাদেরকে যে, তোমরা সবাই ভয় করতে থাক আল্লাহকে। যদি তোমরা তা না মান, তবে জেনো, সে সব কিছুই আল্লাহ তা’আলার যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আর আল্লাহ হচ্ছেন অভাবহীন, প্রসংশিত।
রুকইয়াহয় ৩:৪০
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِۦ عِلْمًۭا ﴿١١٠﴾
১১০. তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।
রুকইয়াহয় ৩:৫৩
১১
সূরা আল-বাকারা : ২৮৫–২৮৬
ءَامَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ ﴿٢٨٥﴾ لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا ٱكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًۭا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَٱعْفُ عَنَّا وَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلَىٰنَا فَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَٰفِرِينَ ﴿٢٨٦﴾
২৮৫. রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
২৮৬. আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
রুকইয়াহয় ৪:২৭
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾
১. বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
রুকইয়াহয় ৬:১০
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ﴿٤﴾
১. বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪. এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
রুকইয়াহয় ৬:১০
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾
১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
রুকইয়াহয় ৬:২৮
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾
১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
রুকইয়াহয় ৬:২৮
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
৪. গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
রুকইয়াহয় ৬:৩৬
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾
১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,
২. মানুষের অধিপতির,
৩. মানুষের মা’বুদের
রুকইয়াহয় ৬:৫০
مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾
২. মানুষের অধিপতির,
৩. মানুষের মা’বুদের
৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
রুকইয়াহয় ৬:৫৭
ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ ٱللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ ٱللَّهِ تَطْمَئِنُّ ٱلْقُلُوبُ ﴿٢٨﴾
২৮. যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।
রুকইয়াহয় ৭:২৭، ৭:৩৯ · ২ বার
وَإِنَّهُۥ لَهُدًۭى وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ﴿٧٧﴾
৭৭. এবং নিশ্চিতই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত।
রুকইয়াহয় ৮:২০
فَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ ﴿٩٨﴾
৯৮. অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।
রুকইয়াহয় ৮:২৭
وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ ۚ وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُۥٓ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بَٰلِغُ أَمْرِهِۦ ۚ قَدْ جَعَلَ ٱللَّهُ لِكُلِّ شَىْءٍۢ قَدْرًۭا ﴿٣﴾
৩. এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।
রুকইয়াহয় ৮:৩৭، ৯:৩৭ · ২ বার
وَٱصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِٱللَّهِ ۚ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَلَا تَكُ فِى ضَيْقٍۢ مِّمَّا يَمْكُرُونَ ﴿١٢٧﴾
১২৭. আপনি সবর করবেন। আপনার সবর আল্লাহর জন্য ব্যতীত নয়, তাদের জন্যে দুঃখ করবেন না এবং তাদের চক্রান্তের কারণে মন ছোট করবেন না।
রুকইয়াহয় ৯:০৮، ১০:০১ · ২ বার
ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
রুকইয়াহয় ১১:৩৮
২৫
সূরা আল-মু'মিনূন : ৯৭–৯৮
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ ﴿٩٧﴾ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ ﴿٩٨﴾
৯৭. বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি,
৯৮. এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।
রুকইয়াহয় ১১:৩৮، ১১:৫৫، ১৩:০০، ১৩:০৬، ১৩:১২ · ৫ বার
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ ﴿٩٧﴾
৯৭. বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি,
রুকইয়াহয় ১২:০১، ১২:৩০ · ২ বার
إِنَّ وَلِۦِّىَ ٱللَّهُ ٱلَّذِى نَزَّلَ ٱلْكِتَٰبَ ۖ وَهُوَ يَتَوَلَّى ٱلصَّٰلِحِينَ ﴿١٩٦﴾
১৯৬. আমার সহায় তো হলেন আল্লাহ, যিনি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। বস্তুত; তিনিই সাহায্য করেন সৎকর্মশীল বান্দাদের।
রুকইয়াহয় ১৩:৩৯
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۚ إِنَّهُۥ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ﴿٢٠٠﴾
২০০. আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরণাপন্ন হও তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
রুকইয়াহয় ১৪:১৮، ১৪:৩৮، ১৫:১৬ · ৩ বার
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٣٦﴾
৩৬. যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কিছু কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আল্লাহর শরণাপন্ন হোন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
রুকইয়াহয় ১৪:২৪
إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٢٢٠﴾
২২০. নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
রুকইয়াহয় ১৪:২৯
৩১
সূরা আল-আ'রাফ : ২০০–২০১
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۚ إِنَّهُۥ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ﴿٢٠٠﴾ إِنَّ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ إِذَا مَسَّهُمْ طَٰٓئِفٌۭ مِّنَ ٱلشَّيْطَٰنِ تَذَكَّرُوا۟ فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ ﴿٢٠١﴾
২০০. আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরণাপন্ন হও তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
২০১. যাদের মনে ভয় রয়েছে, তাদের উপর শয়তানের আগমন ঘটার সাথে সাথেই তারা সতর্ক হয়ে যায় এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে উঠে।
রুকইয়াহয় ১৫:৪২
إِنَّ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ إِذَا مَسَّهُمْ طَٰٓئِفٌۭ مِّنَ ٱلشَّيْطَٰنِ تَذَكَّرُوا۟ فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ ﴿٢٠١﴾
২০১. যাদের মনে ভয় রয়েছে, তাদের উপর শয়তানের আগমন ঘটার সাথে সাথেই তারা সতর্ক হয়ে যায় এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে উঠে।
রুকইয়াহয় ১৬:৪০
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
রুকইয়াহয় ১৭:০৪، ১৭:২১، ১৭:৩১، ১৮:০১، ১৮:১৫، ১৮:৪১ · ৬ বার
৩৪
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৭–১১৮
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾ فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾
১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
রুকইয়াহয় ১৯:১১
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
রুকইয়াহয় ১৯:৪৭
৩৬
সূরা আল-আ'রাফ : ১১৮–১২১
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
রুকইয়াহয় ২০:১৬
৩৭
সূরা আল-আ'রাফ : ১২০–১২১
وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
রুকইয়াহয় ২০:৩২
৩৮
সূরা আল-আ'রাফ : ১২০–১২২
وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।
রুকইয়াহয় ২০:৩২
وَقَالَ فِرْعَوْنُ ٱئْتُونِى بِكُلِّ سَٰحِرٍ عَلِيمٍۢ ﴿٧٩﴾ فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلْقُوا۟ مَآ أَنتُم مُّلْقُونَ ﴿٨٠﴾ فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٨٢﴾
৭৯. আর ফেরাউন বলল, আমার কাছে নিয়ে এস সুদক্ষ যাদুকরদিগকে।
৮০. তারপর যখন যাদুকররা এল, মূসা তাদেরকে বলল, নিক্ষেপ কর, তোমরা যা কিছু নিক্ষেপ করে থাক।
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
৮২. আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়।
রুকইয়াহয় ২০:৪৪
إِنِّى تَوَكَّلْتُ عَلَى ٱللَّهِ رَبِّى وَرَبِّكُم ۚ مَّا مِن دَآبَّةٍ إِلَّا هُوَ ءَاخِذٌۢ بِنَاصِيَتِهَآ ۚ إِنَّ رَبِّى عَلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ ﴿٥٦﴾
৫৬. আমি আল্লাহর উপর নিশ্চিত ভরসা করেছি যিনি আমার এবং তোমাদের পরওয়ারদেগার। পৃথিবীর বুকে বিচরণকারী এমন কোন প্রাণী নাই যা তাঁর র্পূণ আয়ত্তাধীন নয়। আমার পালকর্তার সরল পথে সন্দেহ নেই।
রুকইয়াহয় ২১:৫২، ২২:৪৩ · ২ বার
وَيَٰقَوْمِ هَٰذِهِۦ نَاقَةُ ٱللَّهِ لَكُمْ ءَايَةًۭ فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِىٓ أَرْضِ ٱللَّهِ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوٓءٍۢ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌۭ قَرِيبٌۭ ﴿٦٤﴾
৬৪. আর হে আমার জাতি! আল্লাহর এ উষ্ট্রীটি তোমাদের জন্য নিদর্শন, অতএব তাকে আল্লাহর যমীনে বিচরণ করে খেতে দাও, এবং তাকে মন্দভাবে স্পর্শও করবে না। নতুবা অতি সত্বর তোমাদেরকে আযাব পাকড়াও করবে।
রুকইয়াহয় ২২:৫৬
وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَٰلِحًۭا ۗ قَالَ يَٰقَوْمِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَٰهٍ غَيْرُهُۥ ۖ قَدْ جَآءَتْكُم بَيِّنَةٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ ۖ هَٰذِهِۦ نَاقَةُ ٱللَّهِ لَكُمْ ءَايَةًۭ ۖ فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِىٓ أَرْضِ ٱللَّهِ ۖ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوٓءٍۢ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ ﴿٧٣﴾
৭৩. সামুদ সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছি তাদের ভাই সালেহকে। সে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। তিনি ব্যতিত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি প্রমাণ এসে গেছে। এটি আল্লাহর উষ্টী তোমাদের জন্যে প্রমাণ। অতএব একে ছেড়ে দাও, আল্লাহর ভুমিতে চড়ে বেড়াবে। একে অসৎভাবে স্পর্শ করবে না। অন্যথায় তোমাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি পাকড়াও করবে।
রুকইয়াহয় ২৩:৪৫
وَأُتْبِعُوا۟ فِى هَٰذِهِۦ لَعْنَةًۭ وَيَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ ۚ بِئْسَ ٱلرِّفْدُ ٱلْمَرْفُودُ ﴿٩٩﴾
৯৯. আর এ জগতেও তাদের পেছনে লানত রয়েছে এবং কিয়ামতের দিনেও; অত্যন্ত জঘন্য প্রতিফল, যা তারা পেয়েছে।
রুকইয়াহয় ২৩:৫০
وَرَٰوَدَتْهُ ٱلَّتِى هُوَ فِى بَيْتِهَا عَن نَّفْسِهِۦ وَغَلَّقَتِ ٱلْأَبْوَٰبَ وَقَالَتْ هَيْتَ لَكَ ۚ قَالَ مَعَاذَ ٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ رَبِّىٓ أَحْسَنَ مَثْوَاىَ ۖ إِنَّهُۥ لَا يُفْلِحُ ٱلظَّٰلِمُونَ ﴿٢٣﴾
২৩. আর সে যে মহিলার ঘরে ছিল, ঐ মহিলা তাকে ফুসলাতে লাগল এবং দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল। সে মহিলা বললঃ শুন! তোমাকে বলছি, এদিকে আস, সে বললঃ আল্লাহ রক্ষা করুন; তোমার স্বামী আমার মালিক। তিনি আমাকে সযত্নে থাকতে দিয়েছেন। নিশ্চয় সীমা লংঘনকারীগণ সফল হয় না।
রুকইয়াহয় ২৪:৩০، ২৫:০০ · ২ বার
إِنَّمَآ أَمْرُهُۥٓ إِذَآ أَرَادَ شَيْـًٔا أَن يَقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ ﴿٨٢﴾
৮২. তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায়।
রুকইয়াহয় ২৫:২৮
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر২২ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]১৯ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার উন্মাদনা (ওয়াসওয়াসা), অহংকার-ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে) — دعاء الاستفتاح من حديث أبي سعيد الخدري — سنن أبي داود (٧٧٥)، جامع الترمذي (٢٤٢)৪ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৬২ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
وَاجْعَلِ الْقُرْآنَ الْعَظِيمَ طُمَأْنِينَةً لِلْقُلُوبِ وَاجْعَلِ الْقُرْآنَ الْعَظِيمَ طُمَأْنِينَةً لِلْقُلُوبِ وَدَوَاءً لِلنُّفُوسِ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى وَدَوَاءً لِلنُّفُوسِ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى وَدَوَاءً لِلنُّفُوسِ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ إِلَيْكَ أَيُّهَا الْمُبْتَلَى فِي نَفْسِكَ الْمَكْرُوبِ فِي إِلَيْكَ أَيُّهَا الْمُبْتَلَى فِي نَفْسِكَ الْمَكْرُوبِ فِي إِلَيْكَ أَيُّهَا الْمُبْتَلَى فِي نَفْسِكَ الْمَكْرُوبِ فِي صَدْرِكَ صَدْرِكَ صَدْرِكَ الْمَهْمُومِ الْمَغْمُومِ الْمَهْمُومِ الْمَغْمُومِ الْمَهْمُومِ الْمَغْمُومِ الْوَحِيدُ
এবং মহান কুরআনকে হৃদয়ের প্রশান্তি বানিয়েছেন, এবং মহান কুরআনকে হৃদয়ের প্রশান্তি বানিয়েছেন, এবং আত্মার জন্য ঔষধ। হে আল্লাহ! দরূদ, সালাম ও বরকত দান করুন। হে আল্লাহ! দরূদ, সালাম ও বরকত দান করুন। হে আল্লাহ! দরূদ, সালাম ও বরকত দান করুন। আমাদের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর। আমাদের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর। আমাদের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার এবং সকল সাহাবীর উপর। তোমার প্রতি, হে বিপদগ্রস্ত! তোমার অন্তরে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। তোমার প্রতি, হে বিপদগ্রস্ত! তোমার অন্তরে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। তোমার প্রতি, হে বিপদগ্রস্ত! তোমার অন্তরে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তোমার বুকে, তোমার বুকে, তোমার বুকে। পেরেশান, চিন্তিত। পেরেশান, চিন্তিত। পেরেশান, চিন্তিত। একাকী
০:১৩–০:৩৪
الْوَحِيدُ الْوَحِيدُ الْمُتْعَبُ بِسَبَبِ مَا أَصَابَكَ مِنْ سِحْرٍ أَوْ حَسَدٍ أَوْ الْمُتْعَبُ بِسَبَبِ مَا أَصَابَكَ مِنْ سِحْرٍ أَوْ حَسَدٍ أَوْ الْمُتْعَبُ بِسَبَبِ مَا أَصَابَكَ مِنْ سِحْرٍ أَوْ حَسَدٍ أَوْ تَسَلُّطِ جِنِّيٍّ هَذِهِ الرُّقْيَةُ تَسْتَهْدِفُ قَلْبَكَ وَتُطَهِّرُ تَسَلُّطِ جِنِّيٍّ هَذِهِ الرُّقْيَةُ تَسْتَهْدِفُ قَلْبَكَ وَتُطَهِّرُ تَسَلُّطِ جِنِّيٍّ هَذِهِ الرُّقْيَةُ تَسْتَهْدِفُ قَلْبَكَ وَتُطَهِّرُ صَدْرَكَ وَتُجْلِي الْغَمَامَ عَنْ رُوحِكَ بِإِذْنِ اللَّهِ صَدْرَكَ وَتُجْلِي الْغَمَامَ عَنْ رُوحِكَ بِإِذْنِ اللَّهِ صَدْرَكَ وَتُجْلِي الْغَمَامَ عَنْ رُوحِكَ بِإِذْنِ اللَّهِ الشَّافِي الْكَافِي أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ
একাকী, একাকী, ক্লান্ত—জাদু, হিংসা বা জ্বিনের আসরের কারণে তোমার উপর যা এসেছে তার দরুন। ক্লান্ত—জাদু, হিংসা বা জ্বিনের আসরের কারণে তোমার উপর যা এসেছে তার দরুন। ক্লান্ত—জাদু, হিংসা বা জ্বিনের আসরের কারণে তোমার উপর যা এসেছে তার দরুন। এই রুকইয়াহ তোমার হৃদয়কে লক্ষ্য করে এবং পবিত্র করে। এই রুকইয়াহ তোমার হৃদয়কে লক্ষ্য করে এবং পবিত্র করে। এই রুকইয়াহ তোমার হৃদয়কে লক্ষ্য করে এবং পবিত্র করে তোমার বুক, এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে তোমার আত্মা থেকে মেঘ দূর করে দেয়। তোমার বুক, এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে তোমার আত্মা থেকে মেঘ দূর করে দেয়। তোমার বুক, এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে তোমার আত্মা থেকে মেঘ দূর করে দেয়। যিনি আরোগ্যদাতা, পর্যাপ্তদাতা। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি, যিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ
০:৩৪–০:৫২
اللَّهُ لَا
আল্লাহ, নেই (কোনো উপাস্য তাঁকে ছাড়া)
৩:১৭–৩:১৭
لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ
তাঁকে তন্দ্রা স্পর্শ করে না
৩:২৯–৩:২৯
وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ
এবং তারা তাঁর জ্ঞানের কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না
৩:৫৮–৩:৫৮
الرَّجِيمِ الرَّجِيمِ آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ أُنْزِلَ
বিতাড়িত, বিতাড়িত (শয়তান)। রাসূল বিশ্বাস করেছেন যা, রাসূল বিশ্বাস করেছেন যা, রাসূল বিশ্বাস করেছেন যা নাযিল করা হয়েছে, নাযিল করা হয়েছে
৪:২২–৪:২৭
وَالنَّاسِ
এবং মানুষ (মানুষের প্রভুর কাছে আশ্রয়)
৭:১৭–৭:১৭
الَّذِينَ آمَنُوا الَّذِينَ آمَنُوا الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ
যারা বিশ্বাস করেছে, যারা বিশ্বাস করেছে, যারা বিশ্বাস করেছে এবং প্রশান্ত হয়, যারা বিশ্বাস করেছে এবং প্রশান্ত হয়
৭:২৪–৭:২৭
الْقُلُوبُ
অন্তরসমূহ
৭:৫২–৭:৫২
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ ও শ্বাস থেকে, তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ ও শ্বাস থেকে। এবং আমরা কুরআন থেকে নাযিল করি
৮:০১–৮:০৫
وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا
এবং ধৈর্য ধারণ করুন, আর আপনার ধৈর্য নয় ব্যতীত...
৯:০৮–৯:০৮
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত
১৩:৩৯–১৩:৩৯
وَهُوَ يَتَوَلَّى الصَّالِحِينَ وَهُوَ يَتَوَلَّى الصَّالِحِينَ
এবং তিনি সৎকর্মশীলদের অভিভাবকত্ব করেন। এবং তিনি সৎকর্মশীলদের অভিভাবকত্ব করেন
১৪:০৬–১৪:১২
إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। এবং যদি শয়তান তোমাকে প্ররোচিত করে
১৪:২৯–১৪:৩৩
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ
তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও
১৪:৪২–১৫:০০
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ
তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও
১৫:০০–১৫:০৫
مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
শয়তানের পক্ষ থেকে প্ররোচনা, শয়তানের পক্ষ থেকে প্ররোচনা। এবং যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, এবং যদি তোমাকে প্ররোচিত করে
১৫:১২–১৫:১৬
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ
তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও
১৫:২২–১৫:৩৯
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ
তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও। এবং যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, এবং যদি তোমাকে প্ররোচিত করে
১৫:৩৯–১৫:৪২
فَإِذَا هُمْ مُبْصِرُونَ
তখন তারা দৃষ্টি ফিরে পায় (দেখতে সক্ষম হয়)
১৬:৩০–১৬:৩৩
فَإِذَا هُمْ مُبْصِرُونَ
তখন তারা দৃষ্টি ফিরে পায় (দেখতে সক্ষম হয়)
১৬:৫৬–১৬:৫৬
الرَّجِيمِ الرَّجِيمِ فَلَمَّا فَلَمَّا
বিতাড়িত, বিতাড়িত। যখন, যখন
১৭:০১–১৭:০৪
سَيُبْطِلُهُ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ
তিনি এটা বাতিল করে দিবেন, তিনি এটা বাতিল করে দিবেন, যা তোমরা এনেছ
১৭:১২–১৭:১৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ
তা জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। যা তোমরা এনেছ তা জাদু
১৭:২১–১৭:২১
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয়। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন
১৭:৩৯–১৭:৫১
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
১৭:৫৫–১৮:০১
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
১৮:০৬–১৮:১৫
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ
...তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু
১৮:৩২–১৮:৩২
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ
১৮:৩৬–১৮:৩৬
إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ
নিশ্চয় আল্লাহ অনিষ্টকারীদের কাজ সংশোধন করেন না, নিশ্চয় আল্লাহ অনিষ্টকারীদের কাজ সংশোধন করেন না
১৮:৫৭–১৯:০৩
إِلَىٰ مُوسَىٰ
মূসার প্রতি (ওহী প্রেরণ)
১৯:১১–১৯:১১
الرَّجِيمِ.
বিতাড়িত (অভিশপ্ত শয়তান)।
২০:৪৪–২০:৪৪
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْ نَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ نَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ نَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ إِنِّي تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ
আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, তার প্ররোচনা, তার ফুঁ ও তার কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে; নিশ্চয় আমি আল্লাহর উপর ভরসা করেছি
২১:৩১–২১:৪৭
إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا
তিনি ছাড়া (কেউ নেই), তিনিই প্রতিটি প্রাণীর কপাল ধরে রেখেছেন
২২:৩৩–২২:৩৩
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত (অভিশপ্ত শয়তান)
২২:৫৬–২২:৫৬
وَلَا تَمَسُّوهَا
এবং তাকে স্পর্শ করো না
২৩:২৬–২৩:২৬
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ وَرَاوَدَتْهُ الَّتِي هُوَ فِي بَيْتِهَا عَن نَّفْسِهِ وَغَلَّقَتِ
তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে; এবং যে নারীর ঘরে সে ছিল, সে তাকে (ইউসুফকে) ফুসলাতে লাগল এবং দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল
২৪:২৪–২৪:৩০
قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ
সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি
২৪:৪৬–২৪:৫০
إِنَّهُ رَبِّي إِنَّهُ رَبِّي أَحْسَنَ مَثْوَايَ أَحْسَنَ مَثْوَايَ
নিশ্চয় তিনি (আমার প্রভু), নিশ্চয় তিনি আমার প্রভু, তিনি আমাকে উত্তমভাবে রেখেছেন, তিনি আমাকে উত্তমভাবে রেখেছেন
২৪:৫৮–২৫:০০
الرَّجِيمِ
বিতাড়িত (অভিশপ্ত শয়তান)
২৫:১১–২৫:১১
الرَّحِيمِ الرَّحِيمِ اللَّهُمَّ يَا مَن بِيَدِهِ الشِّفَاءُ وَبِكَلَامِهِ الدَّوَى يَا اللَّهُمَّ يَا مَن بِيَدِهِ الشِّفَاءُ وَبِكَلَامِهِ الدَّوَى يَا
অসীম দয়ালু, অসীম দয়ালু; হে আল্লাহ, হে তিনি যাঁর হাতে আরোগ্য এবং যাঁর বাণীতে ঔষধ, হে আল্লাহ যাঁর হাতে আরোগ্য এবং যাঁর বাণীতে ঔষধ, হে
২৫:১৮–২৫:২৩
نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا يُغَادِرُ سَقَمًا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ دَرَّ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ دَرَّ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ دَرَّ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً
আমরা আপনার কাছে এমন আরোগ্য প্রার্থনা করি যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না — এই প্রার্থনা বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে
২৫:৩৩–২৬:০৮
نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا يَا شَافِي يُغَادِرُ سَقَمًا يَا شَافِي يُغَادِرُ سَقَمًا يَا شَافِي يَا كَافِي
আমরা আপনার কাছে এমন আরোগ্য প্রার্থনা করি যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না — এই প্রার্থনা বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে; হে আরোগ্যদাতা, হে যথেষ্টকারী
২৬:০৮–২৬:৩৪
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ يَا مَن بِيَدِهِ كَشْفُ الضُّرِّ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ تَأَلَّمَتْ تَأَلَّمَتْ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ أَسْأَلُكَ أَن تَشْفِيَ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ
হে সর্বাধিক দয়ালুদের মধ্যে দয়ালু, হে সর্বাধিক দয়ালুদের মধ্যে দয়ালু, হে তিনি যাঁর হাতে কষ্ট দূরীকরণ (বহুবার পুনরাবৃত্তি); আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি যেন আপনি প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণকে আরোগ্য দান করেন — কষ্টপ্রাপ্ত, কষ্টপ্রাপ্ত, কষ্টপ্রাপ্ত — প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণকে
২৬:৩৮–২৭:০৪
كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ وَكُلُّ قَلْبٍ ضَاقَ وَكُلُّ صَدْرٍ انْقَبَضَ وَكُلُّ صَدْرٍ انْقَبَضَ وَكُلُّ فِكْرٍ تَشَوَّشَ وَكُلُّ فِكْرٍ تَشَوَّشَ وَكُلُّ فِكْرٍ تَشَوَّشَ أَسْأَلُكَ رَاحَةً بَاطِنِيَّةً أَسْأَلُكَ رَاحَةً بَاطِنِيَّةً أَسْأَلُكَ رَاحَةً بَاطِنِيَّةً وَهُدُوءَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا وَهُدُوءَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا وَهُدُوءَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْأَحْزَانَ
প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণ, এবং প্রতিটি সংকুচিত হৃদয়, এবং প্রতিটি সংকুচিত বক্ষ, এবং প্রতিটি বিক্ষিপ্ত চিন্তা — আমি আপনার কাছে অন্তরের প্রশান্তি, মনের প্রশান্তি ও হৃদয়ের প্রশান্তি প্রার্থনা করি এবং আমাদের থেকে কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা দূর করে দেওয়ার প্রার্থনা করি
২৭:০৪–২৭:৩৮
وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْأَحْزَانَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْأَحْزَانَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْأَحْزَانَ
এবং আমাদের থেকে কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা দূর করে দিন — (তিনবার পুনরাবৃত্তি)
২৭:৪০–২৭:৫০
وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْغُمُومَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْغُمُومَ وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ وَالْهُمُومَ وَالْغُمُومَ وَالْأَحْزَانَ وَالْأَحْزَانَ وَالْأَحْزَانَ وَالِاكْتِئَابَ وَالضِّيقَ وَالتَّوَتُّرَ وَالِانْحِصَارَ
এবং আমাদের থেকে দূর করে দিন কুমন্ত্রণা, দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা, বিষণ্নতা, হতাশা, মানসিক সংকীর্ণতা, উত্তেজনা ও অবরুদ্ধতা
২৭:৫৫–২৮:১৫
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَكُلَّ حَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَكُلَّ حَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ وَعَيْنٍ وَعَيْنٍ وَكُلَّ أَذًى مِنْ جَانٍّ أَوْ إِنْسٍ أَوْ إِنْسٍ أَوْ إِنْسٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ
হে আল্লাহ, সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দিন, হে আল্লাহ সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দিন, হে আল্লাহ সকল জাদু, হিংসা ও নজর এবং জিন বা মানুষের পক্ষ থেকে সকল ক্ষতি বাতিল করে দিন, হে আল্লাহ প্রতিটি আধিপত্যকারী শয়তানকে জ্বালিয়ে দিন
২৮:২৬–২৮:৫৭
شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ شَيْطَانٍ مُتَسَلِّطٍ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ وَاطْرُدْهُ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ وَاطْرُدْهُ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ وَاطْرُدْهُ يَا رَبَّنَا وَرُدَّ كَيْدَهُ فِي نَحْرِهِ وَاجْعَلْهُ مَدْحُورًا مَذْمُومًا وَرُدَّ كَيْدَهُ فِي نَحْرِهِ وَاجْعَلْهُ مَدْحُورًا مَذْمُومًا وَرُدَّ كَيْدَهُ فِي نَحْرِهِ وَاجْعَلْهُ مَدْحُورًا مَذْمُومًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ سَبَبًا فِي شِفَائِنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ سَبَبًا فِي شِفَائِنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ سَبَبًا فِي شِفَائِنَا سَبَبًا فِي شِفَاءِ فَائِنَا وَاكْتُبْ لَنَا رَاحَةَ الْبَالِ سَبَبًا فِي شِفَاءِ فَائِنَا وَاكْتُبْ لَنَا رَاحَةَ الْبَالِ سَبَبًا فِي شِفَاءِ فَائِنَا وَاكْتُبْ لَنَا رَاحَةَ الْبَالِ وَسَكِينَةَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَارْفَعْنَا يَا وَسَكِينَةَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَارْفَعْنَا يَا وَسَكِينَةَ النَّفْسِ وَطُمَأْنِينَةَ الْقَلْبِ وَارْفَعْنَا يَا رَبَّنَا وَاحْفَظْنَا بِحِفْظِكَ الَّذِي لَا يُرَامُ
আধিপত্যকারী শয়তান — হে আল্লাহ প্রতিটি আধিপত্যকারী শয়তানকে জ্বালিয়ে দিন এবং তাকে বিতাড়িত করুন হে আমাদের প্রভু, তার চক্রান্ত তারই গলায় ফিরিয়ে দিন এবং তাকে অপমানিত ও ধিকৃত করে দিন, হে আল্লাহ এই রুকইয়াহকে আমাদের আরোগ্যের কারণ বানিয়ে দিন এবং আমাদের জন্য মানসিক প্রশান্তি লিখে দিন, আত্মিক প্রশান্তি ও হৃদয়ের প্রশান্তি দান করুন এবং আমাদের মর্যাদা উঁচু করুন হে আমাদের প্রভু
২৮:৫৭–২৯:৩১
رَبَّنَا وَاحْفَظْنَا بِحِفْظِكَ الَّذِي لَا يُرَامُ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
আমাদের প্রভু, আপনার অলঙ্ঘনীয় হেফাজতে আমাদের রক্ষা করুন; হে আল্লাহ সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি) — হে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক
২৯:৩১–২৯:৫৫
اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا مَن يَقُولُ لِلشَّيْءِ كُن فَيَكُونُ نَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الْأَعْظَمِ نَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الْأَعْظَمِ نَسْأَلُكَ بِاسْمِكَ الْأَعْظَمِ الَّذِي إِذَا دُعِيتَ بِهِ أَجَبْتَ وَإِذَا سُئِلْتَ بِهِ أَعْطَيْتَ الَّذِي إِذَا دُعِيتَ بِهِ أَجَبْتَ وَإِذَا سُئِلْتَ بِهِ أَعْطَيْتَ الَّذِي إِذَا دُعِيتَ بِهِ أَجَبْتَ وَإِذَا سُئِلْتَ بِهِ أَعْطَيْتَ أَن تَجْعَلَ لَنَا أَن تَجْعَلَ لَنَا هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً أَن تَجْعَلَ لَنَا أَن تَجْعَلَ لَنَا هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً أَن تَجْعَلَ لَنَا أَن تَجْعَلَ لَنَا هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ
হে আল্লাহ, হে আমাদের প্রভু, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, হে তিনি যিনি কোনো বস্তুকে বলেন 'হও' আর তা হয়ে যায়; আমরা আপনার মহান নামের উসিলায় প্রার্থনা করি — যে নাম দ্বারা আহ্বান করা হলে আপনি সাড়া দেন এবং যা দ্বারা প্রার্থনা করা হলে আপনি দান করেন — যেন আপনি আমাদের জন্য এই রুকইয়াহকে এমন আরোগ্য বানিয়ে দেন যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না এবং এমন হিদায়াত যাতে বিভ্রান্তি নেই
৩০:০০–৩০:৩০
لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا يُكَدِّرُهَا الْمَرَاحَةُ بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا يُكَدِّرُهَا الْمَرَاحَةُ لَا يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ لَا يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ أَن تَجْعَلَ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ أَن تَجْعَلَ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ أَن تَجْعَلَ هَٰذِهِ الرُّقْيَةَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا لَا يُغَادِرُ سَقَمًا وَهُدًى لَا يَضِلُّ بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ وَسَاوِسَ وَسَاوِسَ اللَّهُمَّ اشْفِنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ أَلَمًا وَارْزُقْنَا اللَّهُمَّ اشْفِنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ أَلَمًا وَارْزُقْنَا اللَّهُمَّ اشْفِنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ أَلَمًا وَارْزُقْنَا نُورًا فِي صُدُورِنَا
কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, এবং এমন হিদায়াত যার পর বিভ্রান্তি নেই এবং এমন প্রশান্তি যা কোনো কষ্ট কলুষিত করে না; হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে প্রার্থনা করি যেন আপনি এই রুকইয়াহকে আরোগ্য বানিয়ে দেন — যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না এবং এমন হিদায়াত যার পর বিভ্রান্তি নেই এবং এমন প্রশান্তি যাতে কোনো কষ্ট বা কুমন্ত্রণা নেই — হে আল্লাহ আমাদের এমন আরোগ্য দান করুন যা কোনো কষ্ট অবশিষ্ট রাখে না এবং আমাদের হৃদয়ে জ্যোতি দান করুন
৩০:৩০–৩১:০৪
نُورًا فِي صُدُورِنَا نُورًا فِي صُدُورِنَا وَبَرَكَةً فِي أَعْمَارِنَا وَبَرَكَةً فِي أَعْمَارِنَا وَصَلَاحًا فِي دِينِنَا وَطُمَأْنِينَةً فِي قُلُوبِنَا وَرَاحَةً وَصَلَاحًا فِي دِينِنَا وَطُمَأْنِينَةً فِي قُلُوبِنَا وَرَاحَةً وَصَلَاحًا فِي دِينِنَا وَطُمَأْنِينَةً فِي قُلُوبِنَا وَرَاحَةً فِي أَنْفُسِنَا وَسَعَادَةً فِي دُنْيَانَا وَآخِرَتِنَا فِي أَنْفُسِنَا وَسَعَادَةً فِي دُنْيَانَا وَآخِرَتِنَا فِي أَنْفُسِنَا وَسَعَادَةً فِي دُنْيَانَا وَآخِرَتِنَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ
আমাদের বক্ষে নূর আমাদের বক্ষে নূর আমাদের হায়াতে বরকত আমাদের হায়াতে বরকত আমাদের দ্বীনে কল্যাণ ও অন্তরে প্রশান্তি এবং আরাম আমাদের দ্বীনে কল্যাণ ও অন্তরে প্রশান্তি এবং আরাম আমাদের দ্বীনে কল্যাণ ও অন্তরে প্রশান্তি এবং আরাম আমাদের নফসে আরাম ও দুনিয়া-আখিরাতে সুখ আমাদের নফসে আরাম ও দুনিয়া-আখিরাতে সুখ আমাদের নফসে আরাম ও দুনিয়া-আখিরাতে সুখ হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও
৩১:০৪–৩১:৩০
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ وَعَيْنٍ وَمَسٍّ وَكُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ وَعَيْنٍ وَمَسٍّ وَكُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ وَعَيْنٍ وَمَسٍّ وَكُلَّ شَيْطَانٍ تَسَلَّطَ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَ السَّحَرَةِ وَالْحُسَّادِ فِي نُحُورِهِمْ وَافْضَحْهُمْ وَفُكَّ كَيْدَ السَّحَرَةِ وَالْحُسَّادِ فِي نُحُورِهِمْ وَافْضَحْهُمْ وَفُكَّ كَيْدَ السَّحَرَةِ وَالْحُسَّادِ فِي نُحُورِهِمْ وَافْضَحْهُمْ وَفُكَّ كُلَّ رَبْطَةٍ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ يَا كُلَّ رَبْطَةٍ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ يَا كُلَّ رَبْطَةٍ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ يَا رَبَّنَا وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شُعْلَةَ شَيْطَانٍ رَبَّنَا وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شُعْلَةَ شَيْطَانٍ رَبَّنَا وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شُعْلَةَ شَيْطَانٍ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شَيْطَانِيَّةٍ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شَيْطَانِيَّةٍ
হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু বাতিল করে দাও হে আল্লাহ সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করে দাও এবং বদনজর বদস্পর্শ ও যে শয়তান আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে হে আল্লাহ কর এবং বদনজর বদস্পর্শ ও যে শয়তান আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে হে আল্লাহ কর এবং বদনজর বদস্পর্শ ও যে শয়তান আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে হে আল্লাহ কর জাদুকর ও হিংসুকদের চক্রান্ত তাদের নিজ গলায় ফিরিয়ে দাও তাদের উন্মোচিত কর এবং খুলে দাও জাদুকর ও হিংসুকদের চক্রান্ত তাদের নিজ গলায় ফিরিয়ে দাও তাদের উন্মোচিত কর এবং খুলে দাও জাদুকর ও হিংসুকদের চক্রান্ত তাদের নিজ গলায় ফিরিয়ে দাও তাদের উন্মোচিত কর এবং খুলে দাও প্রতিটি বাঁধন কেটে দাও প্রতিটি শিকল এবং নিভিয়ে দাও প্রতিটি শিখা হে প্রতিটি বাঁধন কেটে দাও প্রতিটি শিকল এবং নিভিয়ে দাও প্রতিটি শিখা হে প্রতিটি বাঁধন কেটে দাও প্রতিটি শিকল এবং নিভিয়ে দাও প্রতিটি শিখা হে আমাদের রব নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা শয়তানি শিখা আমাদের রব নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা শয়তানি শিখা আমাদের রব নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা শয়তানি শিখা কেটে দাও প্রতিটি শিকল এবং নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা কেটে দাও প্রতিটি শিকল এবং নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা
৩১:৩০–৩২:০১
وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وَأَطْفِئْ كُلَّ شُعْلَةٍ شَيْطَانِيَّةٍ اللَّهُمَّ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وطف كُلَّ شُعْلَةٍ شيطان اللَّهُمَّ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وطف كُلَّ شُعْلَةٍ شيطان اللَّهُمَّ وَاقْطَعْ كُلَّ سِلْسِلَةٍ وطف كُلَّ شُعْلَةٍ شيطان وَأَخْرِجْ كُلَّ اذ وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَوَسْوَاسٍ مِنْ اجس سادنا وَأَخْرِجْ كُلَّ اذ وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَوَسْوَاسٍ مِنْ اجس سادنا وَأَخْرِجْ كُلَّ اذ وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَوَسْوَاسٍ مِنْ اجس سادنا وَصُدُورِنَا وَصُدُورِنَا وَصُدُورِنَا اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ أَذًى وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَهَمٍّ وَوَسَاوِسَ مِنْ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ أَذًى وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَهَمٍّ وَوَسَاوِسَ مِنْ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ أَذًى وَضِيقٍ وَغَمٍّ وَهَمٍّ وَوَسَاوِسَ مِنْ أَجْسَادِنَا وَصُدُورِنَا أَجْسَادِنَا وَصُدُورِنَا أَجْسَادِنَا وَصُدُورِنَا اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ
এবং কেটে দাও প্রতিটি শিকল ও নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা হে আল্লাহ কেটে দাও প্রতিটি শিকল ও নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা হে আল্লাহ কেটে দাও প্রতিটি শিকল ও নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা হে আল্লাহ কেটে দাও প্রতিটি শিকল ও নিভিয়ে দাও প্রতিটি শয়তানি শিখা এবং বের করে দাও সমস্ত কষ্ট সংকীর্ণতা দুশ্চিন্তা ও কুমন্ত্রণা আমাদের দেহ থেকে এবং বের করে দাও সমস্ত কষ্ট সংকীর্ণতা দুশ্চিন্তা ও কুমন্ত্রণা আমাদের দেহ থেকে এবং বের করে দাও সমস্ত কষ্ট সংকীর্ণতা দুশ্চিন্তা ও কুমন্ত্রণা আমাদের দেহ থেকে ও আমাদের বক্ষ থেকে ও আমাদের বক্ষ থেকে ও আমাদের বক্ষ থেকে হে আল্লাহ বের করে দাও সমস্ত কষ্ট সংকীর্ণতা দুশ্চিন্তা চিন্তা ও কুমন্ত্রণা আমাদের দেহ ও বক্ষ থেকে আমাদের দেহ ও বক্ষ থেকে আমাদের দেহ ও বক্ষ থেকে হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর
৩২:০১–৩২:২৬
اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ عَنِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ عَنِ اللَّهُمَّ أَذْهِبِ الْوَهَنَ عَنِ الْجَسَدِ وَالضِّيقَ عَنِ الصَّدْرِ وَالتَّوَجُّسَ عَنِ الْقَلْبِ وَالْوَسَاوِسَ عَنِ الْفِكْرِ الصَّدْرِ وَالتَّوَجُّسَ عَنِ الْقَلْبِ وَالْوَسَاوِسَ عَنِ الْفِكْرِ الصَّدْرِ وَالتَّوَجُّسَ عَنِ الْقَلْبِ وَالْوَسَاوِسَ عَنِ الْفِكْرِ اللَّهُمَّ رُدَّ إِلَيْنَا قُوَّتَنَا اللَّهُمَّ رُدَّ إِلَيْنَا قُوَّتَنَا
হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা ও সংকীর্ণতা দেহ থেকে দুর্বলতা ও সংকীর্ণতা দেহ থেকে দুর্বলতা ও সংকীর্ণতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা ও সংকীর্ণতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা ও সংকীর্ণতা হে আল্লাহ দূর কর দেহ থেকে দুর্বলতা ও বক্ষ থেকে সংকীর্ণতা অন্তর থেকে ভীতি এবং চিন্তা থেকে কুমন্ত্রণা বক্ষ থেকে সংকীর্ণতা অন্তর থেকে ভীতি এবং চিন্তা থেকে কুমন্ত্রণা বক্ষ থেকে সংকীর্ণতা অন্তর থেকে ভীতি এবং চিন্তা থেকে কুমন্ত্রণা হে আল্লাহ আমাদের ফিরিয়ে দাও আমাদের শক্তি হে আল্লাহ আমাদের ফিরিয়ে দাও আমাদের শক্তি
৩২:২৬–৩২:৫১
اللَّهُمَّ رُدَّ إِلَيْنَا قُوَّتَنَا وَنَشَاطَنَا وَنَشَاطَنَا وَنَشَاطَنَا وَفَرَحَنَا وَفَرَحَنَا وَفَرَحَنَا وَبَصِيرَتَنَا وَبَصِيرَتَنَا
হে আল্লাহ আমাদের ফিরিয়ে দাও আমাদের শক্তি ও আমাদের উদ্যম ও আমাদের উদ্যম ও আমাদের উদ্যম ও আমাদের আনন্দ ও আমাদের আনন্দ ও আমাদের আনন্দ ও আমাদের অন্তর্দৃষ্টি ও আমাদের অন্তর্দৃষ্টি
৩২:৫১–৩২:৫৬
وَرِضَاكَ وَمَعِيَّتَكَ وَرَحْمَتَكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ الرِّجَالِ الرِّجَالِ اللَّهُمَّ طَهِّرْ قُلُوبَنَا اللَّهُمَّ طَهِّرْ قُلُوبَنَا اللَّهُمَّ طَهِّرْ قُلُوبَنَا وَجَدِّدْ إِيمَانَنَا وَجَدِّدْ إِيمَانَنَا
এবং তোমার সন্তুষ্টি তোমার সান্নিধ্য ও তোমার রহমত হে সর্বাধিক দয়ালু হে আল্লাহ আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে হে আল্লাহ আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে হে আল্লাহ আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে এবং আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে এবং আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে এবং আশ্রয় চাই ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে এবং আশ্রয় চাই ঋণের ভার ও মানুষের অত্যাচার থেকে এবং আশ্রয় চাই ঋণের ভার ও মানুষের অত্যাচার থেকে এবং আশ্রয় চাই ঋণের ভার ও মানুষের অত্যাচার থেকে হে আল্লাহ আমাদের অন্তর পবিত্র কর হে আল্লাহ আমাদের অন্তর পবিত্র কর হে আল্লাহ আমাদের অন্তর পবিত্র কর এবং আমাদের ঈমান নবায়ন কর এবং আমাদের ঈমান নবায়ন কর
৩৩:০৩–৩৩:৩১
وَجَدِّدْ إِيمَانَنَا وَثَبِّتْنَا عَلَى طَاعَتِكَ وَاصْرِفْ عَنَّا شُرُورَ الْخَلْقِ يَا وَثَبِّتْنَا عَلَى طَاعَتِكَ وَاصْرِفْ عَنَّا شُرُورَ الْخَلْقِ يَا وَثَبِّتْنَا عَلَى طَاعَتِكَ وَاصْرِفْ عَنَّا شُرُورَ الْخَلْقِ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ رَبَّ الْعَالَمِينَ رَبَّ الْعَالَمِينَ وَكَيْدَ الْمُؤْذِينَ وَكَيْدَ الْمُؤْذِينَ وَكَيْدَ الْمُؤْذِينَ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَبَاعِدْ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَبَاعِدْ
এবং আমাদের ঈমান নবায়ন কর এবং আমাদের তোমার আনুগত্যে অবিচল রাখ এবং সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমাদের দূরে রাখ হে এবং আমাদের তোমার আনুগত্যে অবিচল রাখ এবং সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমাদের দূরে রাখ হে এবং আমাদের তোমার আনুগত্যে অবিচল রাখ এবং সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমাদের দূরে রাখ হে সৃষ্টিকুলের রব সৃষ্টিকুলের রব সৃষ্টিকুলের রব এবং কষ্টদাতাদের চক্রান্ত থেকে এবং কষ্টদাতাদের চক্রান্ত থেকে এবং কষ্টদাতাদের চক্রান্ত থেকে এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং দূরে রাখ
৩৩:৩১–৩৩:৫৫
وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَتَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ وَبَاعِدْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ أَذَاهُمْ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ بَيْنَنَا وَبَيْنَ أَذَاهُمْ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ بَيْنَنَا وَبَيْنَ أَذَاهُمْ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا مِمَّنْ إِذَا دَعَاكَ أَجَبْتَهُ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا مِمَّنْ إِذَا دَعَاكَ أَجَبْتَهُ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا مِمَّنْ إِذَا دَعَاكَ أَجَبْتَهُ وَإِذَا سَأَلَكَ أَعْطَيْتَهُ وَإِذَا اسْتَعَانَ بِكَ أَعَنْتَهُ وَإِذَا سَأَلَكَ أَعْطَيْتَهُ وَإِذَا اسْتَعَانَ بِكَ أَعَنْتَهُ وَإِذَا سَأَلَكَ أَعْطَيْتَهُ وَإِذَا اسْتَعَانَ بِكَ أَعَنْتَهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي كَنَفِكَ وَحِفْظِكَ وَفِي أَمَانِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي كَنَفِكَ وَحِفْظِكَ وَفِي أَمَانِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي كَنَفِكَ وَحِفْظِكَ وَفِي أَمَانِكَ وَاجْعَلْ لَنَا فِي كُلِّ خَطْوَةٍ سَلَامَةً وَفِي كُلِّ نَفَسٍ وَاجْعَلْ لَنَا فِي كُلِّ خَطْوَةٍ سَلَامَةً وَفِي كُلِّ نَفَسٍ
এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং শয়তানদের আধিপত্য এবং দূরে রাখ আমাদের ও তাদের কষ্টের মধ্যে যেমন তুমি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছ আমাদের ও তাদের কষ্টের মধ্যে যেমন তুমি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছ আমাদের ও তাদের কষ্টের মধ্যে যেমন তুমি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছ হে আল্লাহ আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত কর যাদের ডাকলে তুমি সাড়া দাও হে আল্লাহ আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত কর যাদের ডাকলে তুমি সাড়া দাও হে আল্লাহ আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত কর যাদের ডাকলে তুমি সাড়া দাও এবং যারা চাইলে তুমি দাও এবং যারা সাহায্য চাইলে তুমি সাহায্য কর এবং যারা চাইলে তুমি দাও এবং যারা সাহায্য চাইলে তুমি সাহায্য কর এবং যারা চাইলে তুমি দাও এবং যারা সাহায্য চাইলে তুমি সাহায্য কর হে আল্লাহ আমাদের তোমার আশ্রয়ে তোমার হেফাজতে ও তোমার নিরাপত্তায় রাখ হে আল্লাহ আমাদের তোমার আশ্রয়ে তোমার হেফাজতে ও তোমার নিরাপত্তায় রাখ হে আল্লাহ আমাদের তোমার আশ্রয়ে তোমার হেফাজতে ও তোমার নিরাপত্তায় রাখ এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের জন্য নিরাপত্তা দাও প্রতিটি নিঃশ্বাসে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের জন্য নিরাপত্তা দাও প্রতিটি নিঃশ্বাসে
৩৩:৫৫–৩৪:২০
رَاحَةً وَفِي كُلِّ لَيْلَةٍ طُمَأْنِينَةً رَاحَةً وَفِي كُلِّ لَيْلَةٍ طُمَأْنِينَةً اللَّهُمَّ آمِينَ
আরাম ও প্রতিটি রাতে প্রশান্তি আরাম ও প্রতিটি রাতে প্রশান্তি হে আল্লাহ আমীন
৩৪:২৫–৩৪:৩০
آمِينَ آمِينَ
আমীন আমীন
৩৪:৩৪–৩৪:৩৪
অন্যান্য পঠিত অংশ ৭০ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
أَنْزَلَ الْكِتَابَ شِفَاءً وَرَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِينَ
তিনি কিতাব নাযিল করেছেন যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৭০:০৮
أَنْزَلَ الْكِتَابَ شِفَاءً وَرَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِينَ وَاجْعَلِ الْقُرْآنَ الْعَظِيمَ طُمَأْنِينَةً لِلْقُلُوبِ
তিনি কিতাব নাযিল করেছেন যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত, এবং মহান কুরআনকে হৃদয়ের প্রশান্তি বানিয়েছেন
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২০:০৮
الشَّافِي الْكَافِي أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ
আরোগ্যদাতা, পর্যাপ্তদাতা। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি, যিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ
তুলনীয়: সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬০:৫২
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
তাদের পথ, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৭১:৩৭
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১:৫৫
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১:৫৫
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি। আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৫:৫৮
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:১৭
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু। বলুন, আমি ভোরের প্রভুর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি, যা তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–২৬:২১
وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে। আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৬:৪২
قُلُوبُهُمْ قُلُوبُهُمْ بِذِكْرِ اللَّهِ الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ
তাদের অন্তর, তাদের অন্তর, আল্লাহর স্মরণে। যারা বিশ্বাস করেছে এবং প্রশান্ত হয়
তুলনীয়: সূরা আর-রা'দ, আয়াত ২৮৭:২৯
وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا
এবং এটি অত্যাচারীদের জন্য ক্ষতিই বৃদ্ধি করে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২৮:২২
وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا
এবং এটি অত্যাচারীদের জন্য ক্ষতিই বৃদ্ধি করে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮২৮:২৭
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি। এবং যে আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট
তুলনীয়: সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩৮:৩১
يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
যে আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট। আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি
তুলনীয়: সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩৯:০০
وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِمَّا وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِمَّا يَمْكُرُونَ
এবং তাদের চক্রান্তে কষ্ট পাবেন না। এবং তাদের চক্রান্তে কষ্ট পাবেন না
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৭০৯:১৮
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৯:৩২
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০৯:৩২
يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ
যে আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তিনিই তার জন্য যথেষ্ট। এবং ধৈর্য ধারণ করুন, আর আপনার ধৈর্য আল্লাহর সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়, এবং তাদের জন্য দুঃখ করবেন না
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১২৭৯:৪৯
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১০:১৯
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার কুমন্ত্রণা, ফুঁ এবং শ্বাস থেকে — আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১০:১৯
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিচ্ছি। আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১১১:৩৫
يَحْضُرُونِ
তারা উপস্থিত হয়
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৮১২:০১
فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَإِمَّا وَإِمَّا
তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নাও। এবং যদি, এবং যদি
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮১৫:০৫
وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ يَنْزَغَنَّكَ
এবং যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, তোমাকে প্ররোচিত করে
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০১৫:০৭
يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ
তোমাকে প্ররোচিত করে শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো প্ররোচনা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০১৫:০৯
إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ
নিশ্চয় যারা তাকওয়া অবলম্বন করে, যখন শয়তানের কোনো প্ররোচনা তাদের স্পর্শ করে
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০১১৬:৪০
مَا جِئْتُمْ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ
যা তোমরা এনেছ, যা তোমরা এনেছ তা জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। যা তোমরা এনেছ তা জাদু
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:১৪
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। যা তোমরা এনেছ তা জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। যা তোমরা এনেছ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:২৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
তা জাদু। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:৩৫
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ
তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয়
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:৪৪
اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয়। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:৪৮
اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয়। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:৪৮
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৭:৫১
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয়
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৮:১৩
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৮:১৩
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ
...তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৮:২৬
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ
...তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৮:৩২
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১১৮:৩৬
وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
এবং তারা যা করত তা ব্যর্থ হয়ে গেল, এবং তারা যা করত তা ব্যর্থ হয়ে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১৯:৩৯
وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
এবং তারা যা করত তা ব্যর্থ হয়ে গেল, এবং তারা যা করত তা ব্যর্থ হয়ে গেল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২০:০৬
إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا مَا مِن دَابَّةٍ إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا
তিনি ছাড়া (কেউ নেই), তিনিই তার কপাল ধরে রেখেছেন; এমন কোনো বিচরণশীল প্রাণী নেই যার কপাল তিনি ধরে রাখেন না
তুলনীয়: সূরা হূদ, আয়াত ৫৬২২:৩৩
وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ
এবং তাকে কোনো ক্ষতি দিয়ে স্পর্শ করো না
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৫৬২৩:২৬
فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ قَرِيبٌ
তাহলে নিকটবর্তী শাস্তি তোমাদের পাকড়াও করবে, তাহলে নিকটবর্তী শাস্তি তোমাদের পাকড়াও করবে
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৫৬২৩:৪৮
قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ
সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি
তুলনীয়: সূরা ইউসুফ, আয়াত ৭৯২৪:৪৬
قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ
সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, সে বলল, আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি
তুলনীয়: সূরা ইউসুফ, আয়াত ৭৯২৪:৫০
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
অভিশপ্ত শয়তান থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে; পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০২৫:১১
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে; পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০২৫:১৭
مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
তার প্ররোচনা, ফুঁ ও কুমন্ত্রণা থেকে; পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০২৫:১৭
اللَّهُمَّ يَا مَن بِيَدِهِ الشِّفَاءُ وَبِكَلَامِهِ الدَّوَى يَا مَنْ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ
হে আল্লাহ, হে তিনি যাঁর হাতে আরোগ্য এবং যাঁর বাণীতে ঔষধ, হে তিনি যিনি যখন কোনো কিছু ইচ্ছা করেন তখন তাকে শুধু বলেন 'হও', আর তা হয়ে যায়
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮২২৫:২৩
مَنْ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا نَسْأَلُكَ شِفَاءً لَا
যিনি যখন কোনো কিছু ইচ্ছা করেন তখন তাকে বলেন 'হও', আর তা হয়ে যায়; আমরা আপনার কাছে এমন আরোগ্য প্রার্থনা করি যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমরা এমন আরোগ্য প্রার্থনা করি যা
তুলনীয়: সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮২২৫:২৮
كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ
প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণ, প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণ
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১১১২৭:০৪
كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ كُلَّ نَفْسٍ تَأَلَّمَتْ
প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণ, প্রতিটি কষ্টপ্রাপ্ত প্রাণ
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১১১২৭:০৭
وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ
এবং আমাদের থেকে কুমন্ত্রণা দূর করে দিন
তুলনীয়: সূরা আত-তাকভীর, আয়াত ২৬২৭:৫০
وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ
এবং আমাদের থেকে কুমন্ত্রণা দূর করে দিন
তুলনীয়: সূরা আত-তাকভীর, আয়াত ২৬২৭:৫৫
وَأَن تُذْهِبَ عَنَّا الْوَسَاوِسَ
এবং আমাদের থেকে কুমন্ত্রণা দূর করে দিন
তুলনীয়: সূরা আত-তাকভীর, আয়াত ২৬২৮:০০
وَعَيْنٍ وَكُلَّ أَذًى مِنْ جَانٍّ وَكُلَّ أَذًى مِنْ جَانٍّ
নজর ও জিনের পক্ষ থেকে সকল ক্ষতি, জিনের পক্ষ থেকে সকল ক্ষতি
তুলনীয়: সূরা আল-আনফাল, আয়াত ২১২৮:৪১
رَبَّنَا وَاحْفَظْنَا بِحِفْظِكَ الَّذِي لَا يُرَامُ
আমাদের প্রভু, আপনার অলঙ্ঘনীয় হেফাজতে আমাদের রক্ষা করুন
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭২৯:৩১
يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا مَن يَقُولُ لِلشَّيْءِ
হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, হে তিনি যিনি কোনো বস্তুকে বলেন
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ২৭৩০:০৯
يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا مَن يَقُولُ لِلشَّيْءِ كُن فَيَكُونُ كُن فَيَكُونُ
হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, হে তিনি যিনি কোনো বস্তুকে বলেন 'হও' আর তা হয়ে যায়, 'হও' আর তা হয়ে যায়
তুলনীয়: সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১১৭৩০:০৯
بَعْدَهُ وَرَاحَةً لَا يُكَدِّرُهَا الْمَرَاحَةُ لَا يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ
যার পর এমন প্রশান্তি যা কোনো কষ্ট কলুষিত করে না
তুলনীয়: সূরা আন-নাজম, আয়াত ১৪–১৫৩০:৩৫
يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ يُكَدِّرُهَا أَلَمٌ وَسَاوِسَ
যা কষ্ট কলুষিত করে, যা কষ্ট ও কুমন্ত্রণা কলুষিত করে
তুলনীয়: সূরা আন-নাজম, আয়াত ১৪–১৫৩০:৫৪
وَبَرَكَةً فِي أَعْمَارِنَا
আমাদের হায়াতে বরকত
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৩২৩১:০৭
وَبَصِيرَتَنَا وَرِضَاكَ وَمَعِيَّتَكَ وَرَحْمَتَكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
ও আমাদের অন্তর্দৃষ্টি এবং তোমার সন্তুষ্টি তোমার সান্নিধ্য ও তোমার রহমত হে সর্বাধিক দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৫১৩২:৫৬
وَرِضَاكَ وَمَعِيَّتَكَ وَرَحْمَتَكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
এবং তোমার সন্তুষ্টি তোমার সান্নিধ্য ও তোমার রহমত হে সর্বাধিক দয়ালু
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৫১৩৩:০৩
إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ
আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭৩৩:১৩
وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ
এবং আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে এবং আশ্রয় চাই
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮৩৩:১৮
وَاجْعَلْ لَنَا فِي كُلِّ خَطْوَةٍ سَلَامَةً وَفِي كُلِّ نَفَسٍ رَاحَةً وَفِي كُلِّ لَيْلَةٍ طُمَأْنِينَةً
এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের জন্য নিরাপত্তা দাও প্রতিটি নিঃশ্বাসে আরাম ও প্রতিটি রাতে প্রশান্তি দাও
তুলনীয়: সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮১৩৪:২০
آمِينَ آمِينَ وَصَلِّ اللَّهُمَّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
আমীন আমীন হে আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদের উপর দরুদ সালাম ও বরকত বর্ষণ কর
তুলনীয়: সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৬৬৩৪:৩৪
وَصَلِّ اللَّهُمَّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদের উপর দরুদ সালাম ও বরকত বর্ষণ কর
তুলনীয়: সূরা আল-কাহফ, আয়াত ৬৬৩৪:৪০
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ০:০৪ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–২
- ০:০৪ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৩
- ০:৫২ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ০:৫৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ০:৫৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ০:৫৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ১:৩৭ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৭
- ১:৫০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১:৫০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে)
- ২:০৩ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ২–৭
- ২:৩৪ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৭
- ৩:১০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৩:১০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৩:১৭ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ২
- ৩:২৯ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৩:৪০ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৩১
- ৩:৪০ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৩:৫৩ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১১০
- ৩:৫৮ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৪:১৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৪:২০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৪:২০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৪:২৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮৫–২৮৬
- ৫:৫৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৬:১০ — সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ১–৩
- ৬:১০ — সূরা আল-ইখলাস, আয়াত ১–৪
- ৬:২১ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ৬:২৮ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–২
- ৬:২৮ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ১–৪
- ৬:৩৬ — সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৩–৫
- ৬:৫০ — সূরা আন-নাস, আয়াত ১–৩
- ৬:৫৭ — সূরা আন-নাস, আয়াত ২–৬
- ৭:১৭ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:২১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:২১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:২৭ — সূরা আর-রা'দ, আয়াত ২৮
- ৭:৩৯ — সূরা আর-রা'দ, আয়াত ২৮
- ৭:৫২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:৫৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:৫৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে)
- ৮:২০ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৭৭
- ৮:২৭ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮
- ৮:৩১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৮:৩৭ — সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩
- ৯:০৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৯:০৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৯:০৮ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ১২৭
- ৯:২৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৯:২৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে)
- ৯:৩৭ — সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩
- ১০:০১ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ১২৭
- ১০:১৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১০:১৪ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (দীর্ঘ রূপ: তার উন্মাদনা, অহংকার ও কুমন্ত্রণা থেকে)
- ১০:২৭ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ২–৭
- ১০:৫৮ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১–৭
- ১১:৩৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১১:৩৮ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
- ১১:৩৮ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ১১:৫৫ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ১২:০১ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭
- ১২:৩০ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭
- ১৩:০০ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ১৩:০৬ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ১৩:১২ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭–৯৮
- ১৩:৩৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১৩:৩৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১৩:৩৯ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৯৬
- ১৪:১৮ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৪:১৮ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ১৪:২৪ — সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৩৬
- ১৪:২৯ — সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২২০
- ১৪:৩৮ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ১৫:১৬ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০
- ১৫:৪২ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০০–২০১
- ১৬:৪০ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ২০১
- ১৬:৫৬ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১৬:৫৯ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১৬:৫৯ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ১৭:০৪ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৭:২১ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৭:৩১ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৮:০১ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৮:১৫ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৮:৪১ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ১৯:০৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৯:০৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৯:১১ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭–১১৮
- ১৯:৪৭ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮
- ২০:১৬ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১২১
- ২০:৩২ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২০–১২১
- ২০:৩২ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২০–১২২
- ২০:৪২ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২০:৪২ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২০:৪৪ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৭৯–৮২
- ২১:৩১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২১:৫২ — সূরা হূদ, আয়াত ৫৬
- ২২:৪৩ — সূরা হূদ, আয়াত ৫৬
- ২২:৫৩ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২২:৫৩ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২২:৫৬ — সূরা হূদ, আয়াত ৬৪
- ২৩:৪৫ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৭৩
- ২৩:৫০ — সূরা হূদ, আয়াত ৯৯
- ২৩:৫০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৩:৫৪ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৩:৫৪ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৪:১৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৪:১৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৪:৩০ — সূরা ইউসুফ, আয়াত ২৩
- ২৫:০০ — সূরা ইউসুফ, আয়াত ২৩
- ২৫:০৯ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৫:০৯ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২৫:২৮ — সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৮২
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ যা শয়তানকে প্রকম্পিত করে জাদু বদনজর ও কারীনের কারণে সৃষ্ট ওয়াসওয়াসা বিষণ্নতা ও প্যানিক অ্যাটাক চিকিৎসার জন্য
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ যা শয়তানকে প্রকম্পিত করে জাদু বদনজর ও কারীনের কারণে সৃষ্ট ওয়াসওয়াসা বিষণ্নতা ও প্যানিক অ্যাটাক চিকিৎসার জন্য — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (শক্তিশালী শরয়ী রুকইয়াহ যা শয়তানকে প্রকম্পিত করে জাদু বদনজর ও কারীনের কারণে সৃষ্ট ওয়াসওয়াসা বিষণ্নতা ও প্যানিক অ্যাটাক চিকিৎসার জন্য) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।