প্রবল হাসাদ
এই হাসাদ একা আসে না
শ্বাসে টান, কাঁধ ও ঘাড়ে দখল — শাইখ বলেন, এমন হাসাদের সঙ্গে আরও একজন থাকে।
সব হাসাদ এক রকম নয়
শাইখ বলেন, আজ হাসাদে আক্রান্ত মানুষ অনেক — কিন্তু সব হাসাদের ওজন এক নয়।
দখলটা শরীরের উপরের অংশে
শাইখ বলেন — এই শয়তান শরীরে অনেক গিঁট বাঁধে, আর দখল রাখে কাঁধ, বুক, শ্বাস, মাথা, জিহ্বা আর ঘাড়ের পেছনে।
জীবনে যে ছাপ ফেলে
শাইখ বলেন, এতে নানা রোগও হতে পারে — উপরের অংশে টিউমার পর্যন্ত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
হাসাদ জমতে জমতে
ঘরে বসেই শুরু করা যায়
শাইখ বলেন, এর জন্য রাকীর কাছে যেতেই হবে এমন নয় — লেগে থাকাটাই মূল শর্ত।
রাতের আমল ও শেষ ধাপ
শাইখ বলেন, হিজামার জায়গা — কাহিল (বুকের পেছনের অংশ), কপাল, মাথার উপরিভাগ আর দুই কাঁধের পেছনে।
লেগে থাকুন — শিফা আল্লাহর হাতে
শাইখ বলেন, তাওয়াক্কুলের পর ধৈর্য ধরে লেগে থাকুন; এক সপ্তাহ থেকে এক মাসও লাগতে পারে। কাজে লাগবে — সেভ করে রাখুন।
রুকইয়াহ প্যাকেজ দেখুন →