রুকইয়াহর সময় কাঁপছেন, কাঁদছেন?
ভুল রোগনির্ণয় এখানেই শুরু হয়
শাইখ ফাওয়াজ বলেন — প্রতিটি নড়াচড়া মস নয়। পার্থক্যটা না জানলে চিকিৎসাই ভুল পথে চলে যায়।
প্রতিটি কাঁপুনি মস নয়
শাইখ বলেন — কাঁপুনিরও কয়েক রকম আছে। কোনোটা মস থেকে, কোনোটা শরীরের গিঁট থেকে, কোনোটা বদনজর বা হাসাদ থেকে।
পূর্ণ জ্ঞানে কথা বললে — কারীন
কারীন মানে সঙ্গে থাকা জ্বিন। শাইখ বলেন, মস কথা বললে রোগী পূর্ণ জ্ঞানে থাকে না; জ্ঞান পুরো থাকলে কথাটা কারীনের।
এক জায়গায়, নাকি কয়েক জায়গায়?
শাইখ বলেন — মস এক জায়গাতেই আটকে ছটফট করে। আর গিঁট থাকে শরীরের নানা জায়গায়, তাই একসাথে কয়েক জায়গা নড়ে।
খাদিম শরীরের বাইরেও থাকতে পারে
শাইখ বলেন, আজকের অনেক জাদুতে খাদিম—জাদুর সেবক জ্বিন—শরীরের বাইরে থাকে। তখন কথা বলে কারীন, আর রোগনির্ণয় ভুল হয়।
কান্না মানেই খারাপ কিছু নয়
শাইখ বলেন — আল্লাহর ইচ্ছায় এগুলো বেরিয়ে আসারই আলামত।
ইস্তিনতাক — জ্বিনকে কথা বলানোর চেষ্টা
বোঝাটাই বড় একটা ধাপ
শাইখ বলেন — এই পর্ব ও আগেরটি বুঝে বারবার শুনলে, আল্লাহর ইচ্ছায়, প্রোগ্রাম ছাড়াও উন্নতি ৪০–৫০% ছাড়িয়ে যেতে পারে।
সঠিকটা জানাই প্রথম ধাপ
শিফা আল্লাহর হাতে — আমাদের কাজ শুধু সঠিকটা জেনে চেষ্টা করা। এই আলোচনা নিয়ে আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
রুকইয়াহ প্যাকেজ দেখুন →