জানেন কি?
থেমে থেমে কষ্ট? এটাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ
শাইখ বলেন — অনেক রোগী এই পর্যায়টা খেয়াল করেন না, আর ঠিক তখনই অনেকে থেমে যান।
উপসর্গ দেখছেন, আচরণ দেখছেন না
শাইখ বলেন — অনেক রোগী শুধু উপসর্গ মাপেন। দুঃস্বপ্ন দেখলেই ভাবেন আক্রমণ প্রবল, উপসর্গ ফিরলেই ভাবেন চিকিৎসা কাজ করেনি।
আক্রমণ আর টানা থাকে না
শাইখ বলেন — আগে প্রতিদিন কষ্ট দিত। এখন ধরনটাই বদলে গেছে।
শক্তি কমলে কৌশল বদলায়
জীবনের অংশগুলো ফিরে আসছে
শাইখ বলেন — আগে দিনের বেশিরভাগ সময়টাই আক্রান্ত অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখত।
এখানেই অনেকে থেমে যান
শাইখ বলেন — সুস্থ ভেবে রুকইয়াহ ছেড়ে দিলে ২–৩ সপ্তাহ পর উপসর্গ ফেরে, আর সে শক্তির কিছুটা ফিরে পায়।
এবার আসে একঘেয়েমি
শাইখ বলেন — আগে ভয়, স্বপ্ন বা বুকের চাপ দিয়ে কষ্ট দিত। এখন ভেতরে অনীহা ঢুকিয়ে দিতে চায়।
গতকাল নয় — কয়েক মাস আগের সঙ্গে মিলান
শাইখ বলেন — ১, ২ বা ৩ মাস আগের অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। কষ্ট আগের মতো না থাকলে এটা ইতিবাচক লক্ষণ।
থামবেন না — আল্লাহর ইচ্ছায় শিফা কাছেই
শাইখ বলেন — কুরআন, জিকির ও রুকইয়াহ চালিয়ে যান; আল্লাহর অনুমতিতে মুক্তি কাছেই। এমন আরও পোস্ট পেতে Follow করুন।
ডায়াগনোসিস শুরু করুন →