← সব ক্যারোসেল

আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা — শিফা কাছে আসার সবচেয়ে বড় লক্ষণ

শিফার লক্ষণ

জানেন কি?

থেমে থেমে কষ্ট? এটাই সবচেয়ে বড় লক্ষণ

শাইখ বলেন — অনেক রোগী এই পর্যায়টা খেয়াল করেন না, আর ঠিক তখনই অনেকে থেমে যান।

উপসর্গ দেখছেন, আচরণ দেখছেন না

শাইখ বলেন — অনেক রোগী শুধু উপসর্গ মাপেন। দুঃস্বপ্ন দেখলেই ভাবেন আক্রমণ প্রবল, উপসর্গ ফিরলেই ভাবেন চিকিৎসা কাজ করেনি।

আক্রমণ আর টানা থাকে না

শাইখ বলেন — আগে প্রতিদিন কষ্ট দিত। এখন ধরনটাই বদলে গেছে।

শক্তি কমলে কৌশল বদলায়

জীবনের অংশগুলো ফিরে আসছে

শাইখ বলেন — আগে দিনের বেশিরভাগ সময়টাই আক্রান্ত অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখত।

এখানেই অনেকে থেমে যান

শাইখ বলেন — সুস্থ ভেবে রুকইয়াহ ছেড়ে দিলে ২–৩ সপ্তাহ পর উপসর্গ ফেরে, আর সে শক্তির কিছুটা ফিরে পায়।

এবার আসে একঘেয়েমি

শাইখ বলেন — আগে ভয়, স্বপ্ন বা বুকের চাপ দিয়ে কষ্ট দিত। এখন ভেতরে অনীহা ঢুকিয়ে দিতে চায়।

গতকাল নয় — কয়েক মাস আগের সঙ্গে মিলান

শাইখ বলেন — ১, ২ বা ৩ মাস আগের অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। কষ্ট আগের মতো না থাকলে এটা ইতিবাচক লক্ষণ।

থামবেন না — আল্লাহর ইচ্ছায় শিফা কাছেই

শাইখ বলেন — কুরআন, জিকির ও রুকইয়াহ চালিয়ে যান; আল্লাহর অনুমতিতে মুক্তি কাছেই। এমন আরও পোস্ট পেতে Follow করুন।

ডায়াগনোসিস শুরু করুন →
#রুকইয়াহ#শিফা#রুকইয়াহচিকিৎসা#সবর

মূল ভিডিও দেখুন (আরবি) →

আরও ক্যারোসেল