হাসাদ নিয়ে একটা প্রশ্ন
সবাই হিংসা করে, তবু সে থামছে না
এমন মানুষ আপনিও দেখেছেন। শাইখ ফাওয়াজ আল-আসওয়াদ বলেছেন, এর পেছনে ৬টি কারণ আছে।
হাসাদ মানেই ব্যর্থতা নয়
অনেকে ভাবেন হাসাদ হলেই সব আটকে যাবে। ভিডিওতে শাইখ বলেছেন, হাসাদ প্রভাব ফেলতে পারে — কিন্তু আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে পারে না।
আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত
সালাত, সকাল-সন্ধ্যার যিকর, ইস্তিগফার, দু'আ, কুরআন। শাইখ বলেন, এতে হাসাদের প্রভাব দুর্বল বা সাময়িক হয়ে যায়।
সে ভয়ের বৃত্তে বাস করে না
কেউ কেউ ক্লান্তি, দেরি, ক্ষতি — সবকিছুতেই হাসাদ খোঁজে। শাইখ বলেন, হাসাদের ভয় অনেক সময় হাসাদের চেয়েও বেশি ক্ষতি করে।
প্রথম বাধাতেই সে থামে না
কাজ আটকায়, ব্যবসায় দেরি হয় — তবু সে আবার চেষ্টা করে। 'আগে চিকিৎসা, পরে বিয়ে' বলে জীবন থামিয়ে রাখা — শাইখ বলেন, এতে হাসাদ আরও জোর পায়।
ইস্তিগফার আর সদকা বেশি করে
শাইখ বলেন, ইস্তিগফার কল্যাণের দরজা খুলে দেয়। আর গোপন সদকা কত মানুষের সম্পদ ও পরিবারকে রক্ষা করেছে।
সে সবকিছু দেখিয়ে বেড়ায় না
কাজ শেষ হওয়ার আগে ঘোষণা নয়। শাইখ বলেন, ব্যর্থ হয়ে যাওয়া পরিকল্পনার গল্পেও মানুষ হিংসা করতে পারে।
আল্লাহ চেয়েছেন বলেই হচ্ছে
শাইখ বলেন, আল্লাহ কারো রিযিক চাইলে কোনো হিংসুক তা আটকাতে পারে না; তিনি দরজা খুললে কেউ বন্ধ করতে পারে না।
হিংসার শিকার মানেই আটকে যাওয়া নয়
শুরু করুন ছোট করে: সকাল-সন্ধ্যার যিকর, প্রতিদিন সূরা আল-ফালাক, আর অল্প হলেও সদকা। পোস্টটি সংরক্ষণ করে রাখুন।
ডায়াগনোসিস শুরু করুন →