এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা ২৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
তীব্র ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ, উড়ন্ত বিদ্রোহী দৈত্য, কাফির, হিংসুক, প্রেমাসক্ত, অবাধ্য জাদু-খাদেমকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য, দোয়াসহ।
রুকইয়াহ অডিও
তীব্র ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ, উড়ন্ত বিদ্রোহী দৈত্য, কাফির, হিংসুক, প্রেমাসক্ত, অবাধ্য জাদু-খাদেমকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য, দোয়াসহ।
رقية شديدة ومزلزلة لحرق المارد العفريت الطيار الكافر الحاسد العاشق خادم السحر المعاند مع الدعاء
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=mYah9rz-0T0
দৈর্ঘ্য: ১ ঘণ্টা ২৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ৫৫ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
রুকইয়াহয় ০:২৬، ৪৪:০৬ · ২ বার
قَدِ ٱفْتَرَيْنَا عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا إِنْ عُدْنَا فِى مِلَّتِكُم بَعْدَ إِذْ نَجَّىٰنَا ٱللَّهُ مِنْهَا ۚ وَمَا يَكُونُ لَنَآ أَن نَّعُودَ فِيهَآ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّنَا ۚ وَسِعَ رَبُّنَا كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًا ۚ عَلَى ٱللَّهِ تَوَكَّلْنَا ۚ رَبَّنَا ٱفْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِٱلْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْفَٰتِحِينَ ﴿٨٩﴾
৮৯. আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি, অথচ তিনি আমাদেরকে এ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। আমাদের কাজ নয় এ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করা, কিন্তু আমাদের প্রতি পালক আল্লাহ যদি চান। আমাদের প্রতিপালক প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। আল্লাহর প্রতিই আমরা ভরসা করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা। আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।
রুকইয়াহয় ০:৩৬
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ﴿٢﴾
২. আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
রুকইয়াহয় ১:২১، ২:৩৫ · ২ বার
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾
২৫৫. আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
রুকইয়াহয় ১:২৮، ২:৪০ · ২ বার
أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُۥ جَنَّةٌۭ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَابٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ لَهُۥ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَأَصَابَهُ ٱلْكِبَرُ وَلَهُۥ ذُرِّيَّةٌۭ ضُعَفَآءُ فَأَصَابَهَآ إِعْصَارٌۭ فِيهِ نَارٌۭ فَٱحْتَرَقَتْ ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْءَايَٰتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ ﴿٢٦٦﴾
২৬৬. তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে, আর এতে সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং সে বার্ধক্যে পৌছবে, তার দুর্বল সন্তান সন্ততিও থাকবে, এমতাবস্থায় এ বাগানের একটি ঘূর্ণিবায়ু আসবে, যাতে আগুন রয়েছে, অনন্তর বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে যাবে? এমনিভাবে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ননা করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর।
রুকইয়াহয় ৪:২৬، ৫:০২، ৫:১৭، ৫:৪৯، ৬:০৭، ৬:২৬… · ৯ বার
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَن تُغْنِىَ عَنْهُمْ أَمْوَٰلُهُمْ وَلَآ أَوْلَٰدُهُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيْـًۭٔا ۖ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمْ وَقُودُ ٱلنَّارِ ﴿١٠﴾
১০. যারা কুফুরী করে, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কাজে আসবে না। আর তারাই হচ্ছে দোযখের ইন্ধন।
রুকইয়াহয় ৮:৫৭، ৯:৩০ · ২ বার
لَّقَدْ سَمِعَ ٱللَّهُ قَوْلَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ فَقِيرٌۭ وَنَحْنُ أَغْنِيَآءُ ۘ سَنَكْتُبُ مَا قَالُوا۟ وَقَتْلَهُمُ ٱلْأَنۢبِيَآءَ بِغَيْرِ حَقٍّۢ وَنَقُولُ ذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿١٨١﴾
১৮১. নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন, যারা বলেছে যে, আল্লাহ হচ্ছেন অভাবগ্রস্ত আর আমরা বিত্তবান! এখন আমি তাদের কথা এবং যেসব নবীকে তারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তা লিখে রাখব, অতঃপর বলব, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের আযাব।
রুকইয়াহয় ৯:৫৭
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا سَوْفَ نُصْلِيهِمْ نَارًۭا كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُم بَدَّلْنَٰهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا۟ ٱلْعَذَابَ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمًۭا ﴿٥٦﴾
৫৬. এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী।
রুকইয়াহয় ১৩:৪১، ১৫:১৮ · ২ বার
يُرِيدُونَ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنْهَا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ مُّقِيمٌۭ ﴿٣٧﴾
৩৭. তারা দোযখের আগুন থেকে বের হয়ে আসতে চাইবে কিন্তু তা থেকে বের হতে পারবে না। তারা চিরস্থায়ী শাস্তি ভোগ করবে।
রুকইয়াহয় ১৭:৪৩
وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ جَمِيعًۭا يَٰمَعْشَرَ ٱلْجِنِّ قَدِ ٱسْتَكْثَرْتُم مِّنَ ٱلْإِنسِ ۖ وَقَالَ أَوْلِيَآؤُهُم مِّنَ ٱلْإِنسِ رَبَّنَا ٱسْتَمْتَعَ بَعْضُنَا بِبَعْضٍۢ وَبَلَغْنَآ أَجَلَنَا ٱلَّذِىٓ أَجَّلْتَ لَنَا ۚ قَالَ ٱلنَّارُ مَثْوَىٰكُمْ خَٰلِدِينَ فِيهَآ إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُ ۗ إِنَّ رَبَّكَ حَكِيمٌ عَلِيمٌۭ ﴿١٢٨﴾
১২৮. যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা মানুষদের মধ্যে অনেককে অনুগামী করে নিয়েছ। তাদের মানব বন্ধুরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা পরস্পরে পরস্পরের মাধ্যমে ফল লাভ করেছি। আপনি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলেন, আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ বলবেনঃ আগুন হল তোমাদের বাসস্থান। তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী।
রুকইয়াহয় ১৯:১৯، ২০:০৫ · ২ বার
وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذْ يَتَوَفَّى ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۙ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ وَأَدْبَٰرَهُمْ وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿٥٠﴾
৫০. আর যদি তুমি দেখ, যখন ফেরেশতারা কাফেরদের জান কবজ করে; প্রহার করে, তাদের মুখে এবং তাদের পশ্চাদদেশে আর বলে, জ্বলন্ত আযাবের স্বাদ গ্রহণ কর।
রুকইয়াহয় ২০:১৪، ২০:৪৪، ২১:০৩، ২১:৩৭، ৫৮:৪৪ · ৫ বার
فَكَيْفَ إِذَا تَوَفَّتْهُمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ وَأَدْبَٰرَهُمْ ﴿٢٧﴾
২৭. ফেরেশতা যখন তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে?
রুকইয়াহয় ২০:৩৯، ২১:২৭ · ২ বার
وَٱسْتَفْتَحُوا۟ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍۢ ﴿١٥﴾
১৫. পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
রুকইয়াহয় ২৫:২১
مِّن وَرَآئِهِۦ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّآءٍۢ صَدِيدٍۢ ﴿١٦﴾
১৬. তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।
রুকইয়াহয় ২৬:৫৯
يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ ﴿١٧﴾
১৭. ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
রুকইয়াহয় ২৭:২২
وَٱسْتَفْتَحُوا۟ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍۢ ﴿١٥﴾ مِّن وَرَآئِهِۦ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّآءٍۢ صَدِيدٍۢ ﴿١٦﴾ يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ ﴿١٧﴾ مَّثَلُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ ۖ أَعْمَٰلُهُمْ كَرَمَادٍ ٱشْتَدَّتْ بِهِ ٱلرِّيحُ فِى يَوْمٍ عَاصِفٍۢ ۖ لَّا يَقْدِرُونَ مِمَّا كَسَبُوا۟ عَلَىٰ شَىْءٍۢ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلضَّلَٰلُ ٱلْبَعِيدُ ﴿١٨﴾ أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ ۚ إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَأْتِ بِخَلْقٍۢ جَدِيدٍۢ ﴿١٩﴾ وَمَا ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ بِعَزِيزٍۢ ﴿٢٠﴾ وَبَرَزُوا۟ لِلَّهِ جَمِيعًۭا فَقَالَ ٱلضُّعَفَٰٓؤُا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًۭا فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا مِنْ عَذَابِ ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ ۚ قَالُوا۟ لَوْ هَدَىٰنَا ٱللَّهُ لَهَدَيْنَٰكُمْ ۖ سَوَآءٌ عَلَيْنَآ أَجَزِعْنَآ أَمْ صَبَرْنَا مَا لَنَا مِن مَّحِيصٍۢ ﴿٢١﴾ وَقَالَ ٱلشَّيْطَٰنُ لَمَّا قُضِىَ ٱلْأَمْرُ إِنَّ ٱللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ ٱلْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِىَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَٰنٍ إِلَّآ أَن دَعَوْتُكُمْ فَٱسْتَجَبْتُمْ لِى ۖ فَلَا تَلُومُونِى وَلُومُوٓا۟ أَنفُسَكُم ۖ مَّآ أَنَا۠ بِمُصْرِخِكُمْ وَمَآ أَنتُم بِمُصْرِخِىَّ ۖ إِنِّى كَفَرْتُ بِمَآ أَشْرَكْتُمُونِ مِن قَبْلُ ۗ إِنَّ ٱلظَّٰلِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ ﴿٢٢﴾ وَأُدْخِلَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جَنَّٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ ۖ تَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَٰمٌ ﴿٢٣﴾ أَلَمْ تَرَ كَيْفَ ضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًۭا كَلِمَةًۭ طَيِّبَةًۭ كَشَجَرَةٍۢ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌۭ وَفَرْعُهَا فِى ٱلسَّمَآءِ ﴿٢٤﴾ تُؤْتِىٓ أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍۭ بِإِذْنِ رَبِّهَا ۗ وَيَضْرِبُ ٱللَّهُ ٱلْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٢٥﴾ وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍۢ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ ٱجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ ٱلْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍۢ ﴿٢٦﴾ يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱلْقَوْلِ ٱلثَّابِتِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْءَاخِرَةِ ۖ وَيُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلظَّٰلِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ ﴿٢٧﴾ ۞ أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ بَدَّلُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ كُفْرًۭا وَأَحَلُّوا۟ قَوْمَهُمْ دَارَ ٱلْبَوَارِ ﴿٢٨﴾ جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا ۖ وَبِئْسَ ٱلْقَرَارُ ﴿٢٩﴾ وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ أَندَادًۭا لِّيُضِلُّوا۟ عَن سَبِيلِهِۦ ۗ قُلْ تَمَتَّعُوا۟ فَإِنَّ مَصِيرَكُمْ إِلَى ٱلنَّارِ ﴿٣٠﴾ قُل لِّعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ سِرًّۭا وَعَلَانِيَةًۭ مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا بَيْعٌۭ فِيهِ وَلَا خِلَٰلٌ ﴿٣١﴾ ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجَ بِهِۦ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ رِزْقًۭا لَّكُمْ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلْفُلْكَ لِتَجْرِىَ فِى ٱلْبَحْرِ بِأَمْرِهِۦ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلْأَنْهَٰرَ ﴿٣٢﴾ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ دَآئِبَيْنِ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ ﴿٣٣﴾ وَءَاتَىٰكُم مِّن كُلِّ مَا سَأَلْتُمُوهُ ۚ وَإِن تَعُدُّوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ لَا تُحْصُوهَآ ۗ إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لَظَلُومٌۭ كَفَّارٌۭ ﴿٣٤﴾ وَإِذْ قَالَ إِبْرَٰهِيمُ رَبِّ ٱجْعَلْ هَٰذَا ٱلْبَلَدَ ءَامِنًۭا وَٱجْنُبْنِى وَبَنِىَّ أَن نَّعْبُدَ ٱلْأَصْنَامَ ﴿٣٥﴾ رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًۭا مِّنَ ٱلنَّاسِ ۖ فَمَن تَبِعَنِى فَإِنَّهُۥ مِنِّى ۖ وَمَنْ عَصَانِى فَإِنَّكَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ﴿٣٦﴾ رَّبَّنَآ إِنِّىٓ أَسْكَنتُ مِن ذُرِّيَّتِى بِوَادٍ غَيْرِ ذِى زَرْعٍ عِندَ بَيْتِكَ ٱلْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ فَٱجْعَلْ أَفْـِٔدَةًۭ مِّنَ ٱلنَّاسِ تَهْوِىٓ إِلَيْهِمْ وَٱرْزُقْهُم مِّنَ ٱلثَّمَرَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ ﴿٣٧﴾ رَبَّنَآ إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِى وَمَا نُعْلِنُ ۗ وَمَا يَخْفَىٰ عَلَى ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ ﴿٣٨﴾ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى وَهَبَ لِى عَلَى ٱلْكِبَرِ إِسْمَٰعِيلَ وَإِسْحَٰقَ ۚ إِنَّ رَبِّى لَسَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ ﴿٣٩﴾ رَبِّ ٱجْعَلْنِى مُقِيمَ ٱلصَّلَوٰةِ وَمِن ذُرِّيَّتِى ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآءِ ﴿٤٠﴾ رَبَّنَا ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ ٱلْحِسَابُ ﴿٤١﴾ وَلَا تَحْسَبَنَّ ٱللَّهَ غَٰفِلًا عَمَّا يَعْمَلُ ٱلظَّٰلِمُونَ ۚ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍۢ تَشْخَصُ فِيهِ ٱلْأَبْصَٰرُ ﴿٤٢﴾ مُهْطِعِينَ مُقْنِعِى رُءُوسِهِمْ لَا يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ ۖ وَأَفْـِٔدَتُهُمْ هَوَآءٌۭ ﴿٤٣﴾ وَأَنذِرِ ٱلنَّاسَ يَوْمَ يَأْتِيهِمُ ٱلْعَذَابُ فَيَقُولُ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ رَبَّنَآ أَخِّرْنَآ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ قَرِيبٍۢ نُّجِبْ دَعْوَتَكَ وَنَتَّبِعِ ٱلرُّسُلَ ۗ أَوَلَمْ تَكُونُوٓا۟ أَقْسَمْتُم مِّن قَبْلُ مَا لَكُم مِّن زَوَالٍۢ ﴿٤٤﴾ وَسَكَنتُمْ فِى مَسَٰكِنِ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ ٱلْأَمْثَالَ ﴿٤٥﴾ وَقَدْ مَكَرُوا۟ مَكْرَهُمْ وَعِندَ ٱللَّهِ مَكْرُهُمْ وَإِن كَانَ مَكْرُهُمْ لِتَزُولَ مِنْهُ ٱلْجِبَالُ ﴿٤٦﴾ فَلَا تَحْسَبَنَّ ٱللَّهَ مُخْلِفَ وَعْدِهِۦ رُسُلَهُۥٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌۭ ذُو ٱنتِقَامٍۢ ﴿٤٧﴾ يَوْمَ تُبَدَّلُ ٱلْأَرْضُ غَيْرَ ٱلْأَرْضِ وَٱلسَّمَٰوَٰتُ ۖ وَبَرَزُوا۟ لِلَّهِ ٱلْوَٰحِدِ ٱلْقَهَّارِ ﴿٤٨﴾ وَتَرَى ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ مُّقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ ﴿٤٩﴾
১৫. পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
১৬. তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।
১৭. ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
১৮. যারা স্বীয় পালনকর্তার সত্তার অবিশ্বাসী তাদের অবস্থা এই যে, তাদের কর্মসমূহ ছাইভস্মের মত যার উপর দিয়ে প্রবল বাতাস বয়ে যায় ধূলিঝড়ের দিন। তাদের উপার্জনের কোন অংশই তাদের করতলগত হবে না। এটাই দুরবর্তী পথভ্রষ্টতা।
১৯. তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।
২০. এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন নয়।
২১. সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।
২২. যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
২৩. এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।
২৪. তুমি কি লক্ষ্য কর না, আল্লাহ তা’আলা কেমন উপমা বর্ণনা করেছেনঃ পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র বৃক্ষের মত। তার শিকড় মজবুত এবং শাখা আকাশে উত্থিত।
২৫. সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ ফল দান করে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন-যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।
২৬. এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন স্থিতি নেই।
২৭. আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
২৮. তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত করেছে এবং স্ব-জাতিকে সম্মুখীন করেছে ধ্বংসের আলয়ে।
২৯. দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।
৩০. এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা উপভোগ করে নাও। অতঃপর তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে যেতে হবে।
৩১. আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা নামায কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।
৩২. তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের জন্যে ফলের রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলা ফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন।
৩৩. এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।
৩৪. যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকেই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।
৩৫. যখন ইব্রাহীম বললেনঃ হে পালনকর্তা, এ শহরকে শান্তিময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন।
৩৬. হে পালনকর্তা, এরা অনেক মানুষকে বিপথগামী করেছে। অতএব যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার এবং কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
৩৭. হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে
৩৮. হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি। আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে কোন কিছুই গোপন নয়।
৩৯. সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন।
৪০. হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।
৪১. হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।
৪২. জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।
৪৩. তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত-বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।
৪৪. মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?
৪৫. তোমরা তাদের বাসভূমিতেই বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে এবং তোমাদের জানা হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই বর্ণনা করেছি।
৪৬. তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু-চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড় টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।
৪৭. অতএব আল্লাহর প্রতি ধারণা করো না যে, তিনি রসূলগণের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করবেন নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
৪৮. যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।
৪৯. তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।
রুকইয়াহয় ২৭:৪৯
وَءَاخَرِينَ مُقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ ﴿٣٨﴾
৩৮. এবং অন্য আরও অনেককে অধীন করে দিলাম, যারা আবদ্ধ থাকত শৃঙ্খলে।
রুকইয়াহয় ২৮:৪৯
سَرَابِيلُهُم مِّن قَطِرَانٍۢ وَتَغْشَىٰ وُجُوهَهُمُ ٱلنَّارُ ﴿٥٠﴾
৫০. তাদের জামা হবে দাহ্য আলকাতরার এবং তাদের মুখমন্ডলকে আগুন আচ্ছন্ন করে ফেলবে।
রুকইয়াহয় ২৮:৫২
وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًۭا وَزَيَّنَّٰهَا لِلنَّٰظِرِينَ ﴿١٦﴾ وَحَفِظْنَٰهَا مِن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ رَّجِيمٍ ﴿١٧﴾ إِلَّا مَنِ ٱسْتَرَقَ ٱلسَّمْعَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿١٨﴾
১৬. নিশ্চয় আমি আকাশে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছি এবং তাকে দর্শকদের জন্যে সুশোভিত করে দিয়েছি।
১৭. আমি আকাশকে প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে নিরাপদ করে দিয়েছি।
১৮. কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়, তার পশ্চাদ্ধাবন করে উজ্জ্বল উল্কাপিন্ড।
রুকইয়াহয় ২৯:২০
وَقُلِ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكُمْ ۖ فَمَن شَآءَ فَلْيُؤْمِن وَمَن شَآءَ فَلْيَكْفُرْ ۚ إِنَّآ أَعْتَدْنَا لِلظَّٰلِمِينَ نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا ۚ وَإِن يَسْتَغِيثُوا۟ يُغَاثُوا۟ بِمَآءٍۢ كَٱلْمُهْلِ يَشْوِى ٱلْوُجُوهَ ۚ بِئْسَ ٱلشَّرَابُ وَسَآءَتْ مُرْتَفَقًا ﴿٢٩﴾
২৯. বলুনঃ সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা, বিশ্বাস স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। আমি জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে রেখেছি, যার বেষ্টনী তাদের কে পরিবেষ্টন করে থাকবে। যদি তারা পানীয় প্রার্থনা করে, তবে পুঁজের ন্যায় পানীয় দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। কত নিকৃষ্ট পানীয় এবং খুবই মন্দ আশ্রয়।
রুকইয়াহয় ২৯:৫০، ৩২:০৭، ৩২:৫৮، ৩৩:১৫ · ৪ বার
قَالَ رَبِّ إِنِّى وَهَنَ ٱلْعَظْمُ مِنِّى وَٱشْتَعَلَ ٱلرَّأْسُ شَيْبًۭا وَلَمْ أَكُنۢ بِدُعَآئِكَ رَبِّ شَقِيًّۭا ﴿٤﴾
৪. সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা আমার অস্থি বয়স-ভারাবনত হয়েছে; বার্ধক্যে মস্তক সুশুভ্র হয়েছে; হে আমার পালনকর্তা! আপনাকে ডেকে আমি কখনও বিফলমনোরথ হইনি।
রুকইয়াহয় ৩৩:২৩، ৩৩:৫৭ · ২ বার
قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًۭا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًۭا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا ﴿٩٧﴾
৯৭. মূসা বললেনঃ দূর হ, তোর জন্য সারা জীবন এ শাস্তিই রইল যে, তুই বলবি; আমাকে স্পর্শ করো না, এবং তোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াদা আছে, যার ব্যতিক্রম হবে না। তুই তোর সেই ইলাহের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে থাকতি। আমরা সেটি জালিয়ে দেবই। অতঃপর একে বিক্ষিপ্ত করে সাগরে ছড়িয়ে দেবই।
রুকইয়াহয় ৩৪:১৬، ৩৪:৩৭، ৩৫:০৭ · ৩ বার
لَوْ يَعْلَمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ ٱلنَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ ﴿٣٩﴾
৩৯. যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
রুকইয়াহয় ৩৫:৩৬
ثَانِىَ عِطْفِهِۦ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ ۖ لَهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا خِزْىٌۭ ۖ وَنُذِيقُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿٩﴾
৯. সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে বিতর্ক করে, যাতে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে দেয়। তার জন্যে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা আছে এবং কেয়ামতের দিন আমি তাকে দহন-যন্ত্রণা আস্বাদন করাব।
রুকইয়াহয় ৩৬:৩০
۞ هَٰذَانِ خَصْمَانِ ٱخْتَصَمُوا۟ فِى رَبِّهِمْ ۖ فَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابٌۭ مِّن نَّارٍۢ يُصَبُّ مِن فَوْقِ رُءُوسِهِمُ ٱلْحَمِيمُ ﴿١٩﴾
১৯. এই দুই বাদী বিবাদী, তারা তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বিতর্ক করে। অতএব যারা কাফের, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।
রুকইয়াহয় ৩৭:০৪، ৩৭:১৭، ৩৮:২৫ · ৩ বার
كُلَّمَآ أَرَادُوٓا۟ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا مِنْ غَمٍّ أُعِيدُوا۟ فِيهَا وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ ﴿٢٢﴾
২২. তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।
রুকইয়াহয় ৩৯:৪০
وَمَنْ خَفَّتْ مَوَٰزِينُهُۥ فَأُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ فِى جَهَنَّمَ خَٰلِدُونَ ﴿١٠٣﴾
১০৩. এবং যাদের পাল্লা হাল্কা হবে তারাই নিজেদের ক্ষতিসাধন করেছে, তারা দোযখেই চিরকাল বসবাস করবে।
রুকইয়াহয় ৪০:১৬
وَمَن جَآءَ بِٱلسَّيِّئَةِ فَكُبَّتْ وُجُوهُهُمْ فِى ٱلنَّارِ هَلْ تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٩٠﴾
৯০. এবং যে মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অগ্নিতে অধঃমূখে নিক্ষেপ করা হবে। তোমরা যা করছিলে, তারই প্রতিফল তোমরা পাবে।
রুকইয়াহয় ৪০:৫২، ৪১:০৮ · ২ বার
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِى ٱلنَّارِ يَقُولُونَ يَٰلَيْتَنَآ أَطَعْنَا ٱللَّهَ وَأَطَعْنَا ٱلرَّسُولَا۠ ﴿٦٦﴾
৬৬. যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম।
রুকইয়াহয় ৪১:১৪، ৪২:১৩ · ২ বার
وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَهُمْ نَارُ جَهَنَّمَ لَا يُقْضَىٰ عَلَيْهِمْ فَيَمُوتُوا۟ وَلَا يُخَفَّفُ عَنْهُم مِّنْ عَذَابِهَا ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِى كُلَّ كَفُورٍۢ ﴿٣٦﴾
৩৬. আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই শাস্তি দিয়ে থাকি।
রুকইয়াহয় ৪২:৪৫، ৪২:৫৬ · ২ বার
وَهُمْ يَصْطَرِخُونَ فِيهَا رَبَّنَآ أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَٰلِحًا غَيْرَ ٱلَّذِى كُنَّا نَعْمَلُ ۚ أَوَلَمْ نُعَمِّرْكُم مَّا يَتَذَكَّرُ فِيهِ مَن تَذَكَّرَ وَجَآءَكُمُ ٱلنَّذِيرُ ۖ فَذُوقُوا۟ فَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِن نَّصِيرٍ ﴿٣٧﴾
৩৭. সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই।
রুকইয়াহয় ৪৩:২৪، ৪৩:৫৫ · ২ বার
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾ فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ﴿٢﴾ فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾ إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ﴿٤﴾ رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ ﴿٥﴾ إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾ وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾
১. শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,
২. অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,
৩. অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের-
৪. নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।
৫. তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।
৬. নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।
৭. এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
রুকইয়াহয় ৪৪:১১
وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾ لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ﴿٨﴾ دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ﴿٩﴾ إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ﴿١٠﴾
৭. এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
৮. ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।
৯. ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।
১০. তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।
রুকইয়াহয় ৪৫:৩৬
لَهُم مِّن فَوْقِهِمْ ظُلَلٌۭ مِّنَ ٱلنَّارِ وَمِن تَحْتِهِمْ ظُلَلٌۭ ۚ ذَٰلِكَ يُخَوِّفُ ٱللَّهُ بِهِۦ عِبَادَهُۥ ۚ يَٰعِبَادِ فَٱتَّقُونِ ﴿١٦﴾ وَٱلَّذِينَ ٱجْتَنَبُوا۟ ٱلطَّٰغُوتَ أَن يَعْبُدُوهَا وَأَنَابُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ لَهُمُ ٱلْبُشْرَىٰ ۚ فَبَشِّرْ عِبَادِ ﴿١٧﴾ ٱلَّذِينَ يَسْتَمِعُونَ ٱلْقَوْلَ فَيَتَّبِعُونَ أَحْسَنَهُۥٓ ۚ أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ هَدَىٰهُمُ ٱللَّهُ ۖ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمْ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَٰبِ ﴿١٨﴾ أَفَمَنْ حَقَّ عَلَيْهِ كَلِمَةُ ٱلْعَذَابِ أَفَأَنتَ تُنقِذُ مَن فِى ٱلنَّارِ ﴿١٩﴾
১৬. তাদের জন্যে উপর দিক থেকে এবং নীচের দিক থেকে আগুনের মেঘমালা থাকবে। এ শাস্তি দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করেন যে, হে আমার বান্দাগণ, আমাকে ভয় কর।
১৭. যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে।
১৮. যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
১৯. যার জন্যে শাস্তির হুকুম অবধারিত হয়ে গেছে আপনি কি সে জাহান্নামীকে মুক্ত করতে পারবেন?
রুকইয়াহয় ৪৬:৩০
৩৫
সূরা গাফির (আল-মু'মিন) : ৬–৭২
وَكَذَٰلِكَ حَقَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ عَلَى ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّهُمْ أَصْحَٰبُ ٱلنَّارِ ﴿٦﴾ ٱلَّذِينَ يَحْمِلُونَ ٱلْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُۥ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَىْءٍۢ رَّحْمَةًۭ وَعِلْمًۭا فَٱغْفِرْ لِلَّذِينَ تَابُوا۟ وَٱتَّبَعُوا۟ سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ ٱلْجَحِيمِ ﴿٧﴾ رَبَّنَا وَأَدْخِلْهُمْ جَنَّٰتِ عَدْنٍ ٱلَّتِى وَعَدتَّهُمْ وَمَن صَلَحَ مِنْ ءَابَآئِهِمْ وَأَزْوَٰجِهِمْ وَذُرِّيَّٰتِهِمْ ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ ﴿٨﴾ وَقِهِمُ ٱلسَّيِّـَٔاتِ ۚ وَمَن تَقِ ٱلسَّيِّـَٔاتِ يَوْمَئِذٍۢ فَقَدْ رَحِمْتَهُۥ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ﴿٩﴾ إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يُنَادَوْنَ لَمَقْتُ ٱللَّهِ أَكْبَرُ مِن مَّقْتِكُمْ أَنفُسَكُمْ إِذْ تُدْعَوْنَ إِلَى ٱلْإِيمَٰنِ فَتَكْفُرُونَ ﴿١٠﴾ قَالُوا۟ رَبَّنَآ أَمَتَّنَا ٱثْنَتَيْنِ وَأَحْيَيْتَنَا ٱثْنَتَيْنِ فَٱعْتَرَفْنَا بِذُنُوبِنَا فَهَلْ إِلَىٰ خُرُوجٍۢ مِّن سَبِيلٍۢ ﴿١١﴾ ذَٰلِكُم بِأَنَّهُۥٓ إِذَا دُعِىَ ٱللَّهُ وَحْدَهُۥ كَفَرْتُمْ ۖ وَإِن يُشْرَكْ بِهِۦ تُؤْمِنُوا۟ ۚ فَٱلْحُكْمُ لِلَّهِ ٱلْعَلِىِّ ٱلْكَبِيرِ ﴿١٢﴾ هُوَ ٱلَّذِى يُرِيكُمْ ءَايَٰتِهِۦ وَيُنَزِّلُ لَكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ رِزْقًۭا ۚ وَمَا يَتَذَكَّرُ إِلَّا مَن يُنِيبُ ﴿١٣﴾ فَٱدْعُوا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْكَٰفِرُونَ ﴿١٤﴾ رَفِيعُ ٱلدَّرَجَٰتِ ذُو ٱلْعَرْشِ يُلْقِى ٱلرُّوحَ مِنْ أَمْرِهِۦ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ لِيُنذِرَ يَوْمَ ٱلتَّلَاقِ ﴿١٥﴾ يَوْمَ هُم بَٰرِزُونَ ۖ لَا يَخْفَىٰ عَلَى ٱللَّهِ مِنْهُمْ شَىْءٌۭ ۚ لِّمَنِ ٱلْمُلْكُ ٱلْيَوْمَ ۖ لِلَّهِ ٱلْوَٰحِدِ ٱلْقَهَّارِ ﴿١٦﴾ ٱلْيَوْمَ تُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ ۚ لَا ظُلْمَ ٱلْيَوْمَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ ﴿١٧﴾ وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ ٱلْءَازِفَةِ إِذِ ٱلْقُلُوبُ لَدَى ٱلْحَنَاجِرِ كَٰظِمِينَ ۚ مَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنْ حَمِيمٍۢ وَلَا شَفِيعٍۢ يُطَاعُ ﴿١٨﴾ يَعْلَمُ خَآئِنَةَ ٱلْأَعْيُنِ وَمَا تُخْفِى ٱلصُّدُورُ ﴿١٩﴾ وَٱللَّهُ يَقْضِى بِٱلْحَقِّ ۖ وَٱلَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَقْضُونَ بِشَىْءٍ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ ﴿٢٠﴾ ۞ أَوَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ مِن قَبْلِهِمْ ۚ كَانُوا۟ هُمْ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةًۭ وَءَاثَارًۭا فِى ٱلْأَرْضِ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ وَمَا كَانَ لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِن وَاقٍۢ ﴿٢١﴾ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانَت تَّأْتِيهِمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَكَفَرُوا۟ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ ۚ إِنَّهُۥ قَوِىٌّۭ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ ﴿٢٢﴾ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَٰتِنَا وَسُلْطَٰنٍۢ مُّبِينٍ ﴿٢٣﴾ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَهَٰمَٰنَ وَقَٰرُونَ فَقَالُوا۟ سَٰحِرٌۭ كَذَّابٌۭ ﴿٢٤﴾ فَلَمَّا جَآءَهُم بِٱلْحَقِّ مِنْ عِندِنَا قَالُوا۟ ٱقْتُلُوٓا۟ أَبْنَآءَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَعَهُۥ وَٱسْتَحْيُوا۟ نِسَآءَهُمْ ۚ وَمَا كَيْدُ ٱلْكَٰفِرِينَ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍۢ ﴿٢٥﴾ وَقَالَ فِرْعَوْنُ ذَرُونِىٓ أَقْتُلْ مُوسَىٰ وَلْيَدْعُ رَبَّهُۥٓ ۖ إِنِّىٓ أَخَافُ أَن يُبَدِّلَ دِينَكُمْ أَوْ أَن يُظْهِرَ فِى ٱلْأَرْضِ ٱلْفَسَادَ ﴿٢٦﴾ وَقَالَ مُوسَىٰٓ إِنِّى عُذْتُ بِرَبِّى وَرَبِّكُم مِّن كُلِّ مُتَكَبِّرٍۢ لَّا يُؤْمِنُ بِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ ﴿٢٧﴾ وَقَالَ رَجُلٌۭ مُّؤْمِنٌۭ مِّنْ ءَالِ فِرْعَوْنَ يَكْتُمُ إِيمَٰنَهُۥٓ أَتَقْتُلُونَ رَجُلًا أَن يَقُولَ رَبِّىَ ٱللَّهُ وَقَدْ جَآءَكُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ مِن رَّبِّكُمْ ۖ وَإِن يَكُ كَٰذِبًۭا فَعَلَيْهِ كَذِبُهُۥ ۖ وَإِن يَكُ صَادِقًۭا يُصِبْكُم بَعْضُ ٱلَّذِى يَعِدُكُمْ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى مَنْ هُوَ مُسْرِفٌۭ كَذَّابٌۭ ﴿٢٨﴾ يَٰقَوْمِ لَكُمُ ٱلْمُلْكُ ٱلْيَوْمَ ظَٰهِرِينَ فِى ٱلْأَرْضِ فَمَن يَنصُرُنَا مِنۢ بَأْسِ ٱللَّهِ إِن جَآءَنَا ۚ قَالَ فِرْعَوْنُ مَآ أُرِيكُمْ إِلَّا مَآ أَرَىٰ وَمَآ أَهْدِيكُمْ إِلَّا سَبِيلَ ٱلرَّشَادِ ﴿٢٩﴾ وَقَالَ ٱلَّذِىٓ ءَامَنَ يَٰقَوْمِ إِنِّىٓ أَخَافُ عَلَيْكُم مِّثْلَ يَوْمِ ٱلْأَحْزَابِ ﴿٣٠﴾ مِثْلَ دَأْبِ قَوْمِ نُوحٍۢ وَعَادٍۢ وَثَمُودَ وَٱلَّذِينَ مِنۢ بَعْدِهِمْ ۚ وَمَا ٱللَّهُ يُرِيدُ ظُلْمًۭا لِّلْعِبَادِ ﴿٣١﴾ وَيَٰقَوْمِ إِنِّىٓ أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ ٱلتَّنَادِ ﴿٣٢﴾ يَوْمَ تُوَلُّونَ مُدْبِرِينَ مَا لَكُم مِّنَ ٱللَّهِ مِنْ عَاصِمٍۢ ۗ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍۢ ﴿٣٣﴾ وَلَقَدْ جَآءَكُمْ يُوسُفُ مِن قَبْلُ بِٱلْبَيِّنَٰتِ فَمَا زِلْتُمْ فِى شَكٍّۢ مِّمَّا جَآءَكُم بِهِۦ ۖ حَتَّىٰٓ إِذَا هَلَكَ قُلْتُمْ لَن يَبْعَثَ ٱللَّهُ مِنۢ بَعْدِهِۦ رَسُولًۭا ۚ كَذَٰلِكَ يُضِلُّ ٱللَّهُ مَنْ هُوَ مُسْرِفٌۭ مُّرْتَابٌ ﴿٣٤﴾ ٱلَّذِينَ يُجَٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ بِغَيْرِ سُلْطَٰنٍ أَتَىٰهُمْ ۖ كَبُرَ مَقْتًا عِندَ ٱللَّهِ وَعِندَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۚ كَذَٰلِكَ يَطْبَعُ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ قَلْبِ مُتَكَبِّرٍۢ جَبَّارٍۢ ﴿٣٥﴾ وَقَالَ فِرْعَوْنُ يَٰهَٰمَٰنُ ٱبْنِ لِى صَرْحًۭا لَّعَلِّىٓ أَبْلُغُ ٱلْأَسْبَٰبَ ﴿٣٦﴾ أَسْبَٰبَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ فَأَطَّلِعَ إِلَىٰٓ إِلَٰهِ مُوسَىٰ وَإِنِّى لَأَظُنُّهُۥ كَٰذِبًۭا ۚ وَكَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِفِرْعَوْنَ سُوٓءُ عَمَلِهِۦ وَصُدَّ عَنِ ٱلسَّبِيلِ ۚ وَمَا كَيْدُ فِرْعَوْنَ إِلَّا فِى تَبَابٍۢ ﴿٣٧﴾ وَقَالَ ٱلَّذِىٓ ءَامَنَ يَٰقَوْمِ ٱتَّبِعُونِ أَهْدِكُمْ سَبِيلَ ٱلرَّشَادِ ﴿٣٨﴾ يَٰقَوْمِ إِنَّمَا هَٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا مَتَٰعٌۭ وَإِنَّ ٱلْءَاخِرَةَ هِىَ دَارُ ٱلْقَرَارِ ﴿٣٩﴾ مَنْ عَمِلَ سَيِّئَةًۭ فَلَا يُجْزَىٰٓ إِلَّا مِثْلَهَا ۖ وَمَنْ عَمِلَ صَٰلِحًۭا مِّن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَأُو۟لَٰٓئِكَ يَدْخُلُونَ ٱلْجَنَّةَ يُرْزَقُونَ فِيهَا بِغَيْرِ حِسَابٍۢ ﴿٤٠﴾ ۞ وَيَٰقَوْمِ مَا لِىٓ أَدْعُوكُمْ إِلَى ٱلنَّجَوٰةِ وَتَدْعُونَنِىٓ إِلَى ٱلنَّارِ ﴿٤١﴾ تَدْعُونَنِى لِأَكْفُرَ بِٱللَّهِ وَأُشْرِكَ بِهِۦ مَا لَيْسَ لِى بِهِۦ عِلْمٌۭ وَأَنَا۠ أَدْعُوكُمْ إِلَى ٱلْعَزِيزِ ٱلْغَفَّٰرِ ﴿٤٢﴾ لَا جَرَمَ أَنَّمَا تَدْعُونَنِىٓ إِلَيْهِ لَيْسَ لَهُۥ دَعْوَةٌۭ فِى ٱلدُّنْيَا وَلَا فِى ٱلْءَاخِرَةِ وَأَنَّ مَرَدَّنَآ إِلَى ٱللَّهِ وَأَنَّ ٱلْمُسْرِفِينَ هُمْ أَصْحَٰبُ ٱلنَّارِ ﴿٤٣﴾ فَسَتَذْكُرُونَ مَآ أَقُولُ لَكُمْ ۚ وَأُفَوِّضُ أَمْرِىٓ إِلَى ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بَصِيرٌۢ بِٱلْعِبَادِ ﴿٤٤﴾ فَوَقَىٰهُ ٱللَّهُ سَيِّـَٔاتِ مَا مَكَرُوا۟ ۖ وَحَاقَ بِـَٔالِ فِرْعَوْنَ سُوٓءُ ٱلْعَذَابِ ﴿٤٥﴾ ٱلنَّارُ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا غُدُوًّۭا وَعَشِيًّۭا ۖ وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ أَدْخِلُوٓا۟ ءَالَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ ٱلْعَذَابِ ﴿٤٦﴾ وَإِذْ يَتَحَآجُّونَ فِى ٱلنَّارِ فَيَقُولُ ٱلضُّعَفَٰٓؤُا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًۭا فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا نَصِيبًۭا مِّنَ ٱلنَّارِ ﴿٤٧﴾ قَالَ ٱلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُلٌّۭ فِيهَآ إِنَّ ٱللَّهَ قَدْ حَكَمَ بَيْنَ ٱلْعِبَادِ ﴿٤٨﴾ وَقَالَ ٱلَّذِينَ فِى ٱلنَّارِ لِخَزَنَةِ جَهَنَّمَ ٱدْعُوا۟ رَبَّكُمْ يُخَفِّفْ عَنَّا يَوْمًۭا مِّنَ ٱلْعَذَابِ ﴿٤٩﴾ قَالُوٓا۟ أَوَلَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ ۖ قَالُوا۟ بَلَىٰ ۚ قَالُوا۟ فَٱدْعُوا۟ ۗ وَمَا دُعَٰٓؤُا۟ ٱلْكَٰفِرِينَ إِلَّا فِى ضَلَٰلٍ ﴿٥٠﴾ إِنَّا لَنَنصُرُ رُسُلَنَا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ ٱلْأَشْهَٰدُ ﴿٥١﴾ يَوْمَ لَا يَنفَعُ ٱلظَّٰلِمِينَ مَعْذِرَتُهُمْ ۖ وَلَهُمُ ٱللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوٓءُ ٱلدَّارِ ﴿٥٢﴾ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْهُدَىٰ وَأَوْرَثْنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْكِتَٰبَ ﴿٥٣﴾ هُدًۭى وَذِكْرَىٰ لِأُو۟لِى ٱلْأَلْبَٰبِ ﴿٥٤﴾ فَٱصْبِرْ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّۭ وَٱسْتَغْفِرْ لِذَنۢبِكَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِٱلْعَشِىِّ وَٱلْإِبْكَٰرِ ﴿٥٥﴾ إِنَّ ٱلَّذِينَ يُجَٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ بِغَيْرِ سُلْطَٰنٍ أَتَىٰهُمْ ۙ إِن فِى صُدُورِهِمْ إِلَّا كِبْرٌۭ مَّا هُم بِبَٰلِغِيهِ ۚ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ ﴿٥٦﴾ لَخَلْقُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ أَكْبَرُ مِنْ خَلْقِ ٱلنَّاسِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٥٧﴾ وَمَا يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَلَا ٱلْمُسِىٓءُ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٥٨﴾ إِنَّ ٱلسَّاعَةَ لَءَاتِيَةٌۭ لَّا رَيْبَ فِيهَا وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٥٩﴾ وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدْعُونِىٓ أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِى سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ ﴿٦٠﴾ ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلَّيْلَ لِتَسْكُنُوا۟ فِيهِ وَٱلنَّهَارَ مُبْصِرًا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلنَّاسِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ ﴿٦١﴾ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ خَٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ لَّآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ ﴿٦٢﴾ كَذَٰلِكَ يُؤْفَكُ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ يَجْحَدُونَ ﴿٦٣﴾ ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ قَرَارًۭا وَٱلسَّمَآءَ بِنَآءًۭ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَٰتِ ۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ ۖ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٦٤﴾ هُوَ ٱلْحَىُّ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ فَٱدْعُوهُ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ ۗ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٦٥﴾ ۞ قُلْ إِنِّى نُهِيتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَمَّا جَآءَنِىَ ٱلْبَيِّنَٰتُ مِن رَّبِّى وَأُمِرْتُ أَنْ أُسْلِمَ لِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٦٦﴾ هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍۢ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍۢ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍۢ ثُمَّ يُخْرِجُكُمْ طِفْلًۭا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْ ثُمَّ لِتَكُونُوا۟ شُيُوخًۭا ۚ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ مِن قَبْلُ ۖ وَلِتَبْلُغُوٓا۟ أَجَلًۭا مُّسَمًّۭى وَلَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ﴿٦٧﴾ هُوَ ٱلَّذِى يُحْىِۦ وَيُمِيتُ ۖ فَإِذَا قَضَىٰٓ أَمْرًۭا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ ﴿٦٨﴾ أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يُجَٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ أَنَّىٰ يُصْرَفُونَ ﴿٦٩﴾ ٱلَّذِينَ كَذَّبُوا۟ بِٱلْكِتَٰبِ وَبِمَآ أَرْسَلْنَا بِهِۦ رُسُلَنَا ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿٧٠﴾ إِذِ ٱلْأَغْلَٰلُ فِىٓ أَعْنَٰقِهِمْ وَٱلسَّلَٰسِلُ يُسْحَبُونَ ﴿٧١﴾ فِى ٱلْحَمِيمِ ثُمَّ فِى ٱلنَّارِ يُسْجَرُونَ ﴿٧٢﴾
৬. এভাবে কাফেরদের বেলায় আপনার পালনকর্তার এ বাক্য সত্য হল যে, তারা জাহান্নামী।
৭. যারা আরশ বহন করে এবং যারা তার চারপাশে আছে, তারা তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছুতে পরিব্যাপ্ত। অতএব, যারা তওবা করে এবং আপনার পথে চলে, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
৮. হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পত্নী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
৯. এবং আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।
১০. যারা কাফের তাদেরকে উচ্চঃস্বরে বলা হবে, তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমাদের আজকের এ ক্ষোভ অপেক্ষা আল্লার ক্ষোভ অধিক ছিল, যখন তোমাদেরকে ঈমান আনতে বলা হয়েছিল, অতঃপর তোমরা কুফরী করছিল।
১১. তারা বলবে হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’ বার জীবন দিয়েছেন। এখন আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। অতঃপর এখন ও নিস্কৃতির কোন উপায় আছে কি?
১২. তোমাদের এ বিপদ এ কারণে যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা কাফের হয়ে যেতে যখন তার সাথে শরীককে ডাকা হত তখন তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করতে। এখন আদেশ তাই, যা আল্লাহ করবেন, যিনি সর্বোচ্চ, মহান।
১৩. তিনিই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান এবং তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে নাযিল করেন রুযী। চিন্তা-ভাবনা তারাই করে, যারা আল্লাহর দিকে রুজু থাকে।
১৪. অতএব, তোমরা আল্লাহকে খাঁটি বিশ্বাস সহকারে ডাক, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।
১৫. তিনিই সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী, আরশের মালিক, তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা তত্ত্বপূর্ণ বিষয়াদি নাযিল করেন, যাতে সে সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে।
১৬. যেদিন তারা বের হয়ে পড়বে, আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আজ রাজত্ব কার? এক প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহর।
১৭. আজ প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের প্রতিদান পাবে। আজ যুলুম নেই। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
১৮. আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।
১৯. চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন বিষয় তিনি জানেন।
২০. আল্লাহ ফয়সালা করেন সঠিকভাবে, আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদেরকে ডাকে, তারা কিছুই ফয়সালা করে না। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
২১. তারা কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে না, যাতে দেখত তাদের পূর্বসুরিদের কি পরিণাম হয়েছে? তাদের শক্তি ও কীর্তি পৃথিবীতে এদের অপেক্ষা অধিকতর ছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে তাদের গোনাহের কারণে ধৃত করেছিলেন এবং আল্লাহ থেকে তাদেরকে রক্ষাকারী কেউ হয়নি।
২২. এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করত, অতঃপর তারা কাফের হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তাদের ধৃত করেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিধর, কঠোর শাস্তিদাতা।
২৩. আমি আমার নিদর্শনাবলী ও স্পষ্ট প্রমাণসহ মূসাকে প্রেরণ করেছি।
২৪. ফেরাউন, হামান ও কারুণের কাছে, অতঃপর তারা বলল, সে তো জাদুকর, মিথ্যাবাদী।
২৫. অতঃপর মূসা যখন আমার কাছ থেকে সত্যসহ তাদের কাছে পৌঁছাল; তখন তারা বলল, যারা তার সঙ্গী হয়ে বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা কর, আর তাদের নারীদেরকে জীবিত রাখ। কাফেরদের চক্রান্ত ব্যর্থই হয়েছে।
২৬. ফেরাউন বলল; তোমরা আমাকে ছাড়, মূসাকে হত্যা করতে দাও, ডাকুক সে তার পালনকর্তাকে! আমি আশংকা করি যে, সে তোমাদের ধর্ম পরিবর্তন করে দেবে অথবা সে দেশময় বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
২৭. মূসা বলল, যারা হিসাব দিবসে বিশ্বাস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি আমার ও তোমাদের পালনকর্তার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছি।
২৮. ফেরাউন গোত্রের এক মুমিন ব্যক্তি, যে তার ঈমান গোপন রাখত, সে বলল, তোমরা কি একজনকে এজন্যে হত্যা করবে যে, সে বলে, আমার পালনকর্তা আল্লাহ, অথচ সে তোমাদের পালনকর্তার নিকট থেকে স্পষ্ট প্রমাণসহ তোমাদের নিকট আগমন করেছে? যদি সে মিথ্যাবাদী হয়, তবে তার মিথ্যাবাদিতা তার উপরই চাপবে, আর যদি সে সত্যবাদী হয়, তবে সে যে শাস্তির কথা বলছে, তার কিছু না কিছু তোমাদের উপর পড়বেই। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালংঘনকারী, মিথ্যাবাদীকে পথ প্রদর্শন করেন না।
২৯. হে আমার কওম, আজ এদেশে তোমাদেরই রাজত্ব, দেশময় তোমরাই বিচরণ করছ; কিন্তু আমাদের আল্লাহর শাস্তি এসে গেলে কে আমাদেরকে সাহায্য করবে? ফেরাউন বলল, আমি যা বুঝি, তোমাদেরকে তাই বোঝাই, আর আমি তোমাদেরকে মঙ্গলের পথই দেখাই।
৩০. সে মুমিন ব্যক্তি বললঃ হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্যে পূর্ববর্তী সম্প্রদায়সমূহের মতই বিপদসঙ্কুল দিনের আশংকা করি।
৩১. যেমন, কওমে নূহ, আদ, সামুদ ও তাদের পরবর্তীদের অবস্থা হয়েছিল। আল্লাহ বান্দাদের প্রতি কোন যুলুম করার ইচ্ছা করেন না।
৩২. হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি।
৩৩. যেদিন তোমরা পেছনে ফিরে পলায়ন করবে; কিন্তু আল্লাহ থেকে তোমাদেরকে রক্ষাকারী কেউ থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
৩৪. ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ সুস্পষ্ট প্রামাণাদিসহ আগমন করেছিল, অতঃপর তোমরা তার আনীত বিষয়ে সন্দেহই পোষণ করতে। অবশেষে যখন সে মারা গেল, তখন তোমরা বলতে শুরু করলে, আল্লাহ ইউসুফের পরে আর কাউকে রসূলরূপে পাঠাবেন না। এমনিভাবে আল্লাহ সীমালংঘনকারী, সংশয়ী ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করেন।
৩৫. যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন।
৩৬. ফেরাউন বলল, হে হামান, তুমি আমার জন্যে একটি সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর, হয়তো আমি পৌঁছে যেতে পারব।
৩৭. আকাশের পথে, অতঃপর উঁকি মেরে দেখব মূসার আল্লাহকে। বস্তুতঃ আমি তো তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি। এভাবেই ফেরাউনের কাছে সুশোভিত করা হয়েছিল তার মন্দ কর্মকে এবং সোজা পথ থেকে তাকে বিরত রাখা হয়েছিল। ফেরাউনের চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ারই ছিল।
৩৮. মুমিন লোকটি বললঃ হে আমার কওম, তোমরা আমার অনুসরণ কর। আমি তোমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করব।
৩৯. হে আমার কওম, পার্থিব এ জীবন তো কেবল উপভোগের বস্তু, আর পরকাল হচ্ছে স্থায়ী বসবাসের গৃহ।
৪০. যে মন্দ কর্ম করে, সে কেবল তার অনুরূপ প্রতিফল পাবে, আর যে, পুরুষ অথবা নারী মুমিন অবস্থায় সৎকর্ম করে তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তথায় তাদেরকে বে-হিসাব রিযিক দেয়া হবে।
৪১. হে আমার কওম, ব্যাপার কি, আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই মুক্তির দিকে, আর তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও জাহান্নামের দিকে।
৪২. তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও, যাতে আমি আল্লাহকে অস্বীকার করি এবং তাঁর সাথে শরীক করি এমন বস্তুকে, যার কোন প্রমাণ আমার কাছে নেই। আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল আল্লাহর দিকে।
৪৩. এতে সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে যার দিকে দাওয়াত দাও, হইকালে ও পরকালে তার কোন দাওয়াত নেই! আমাদের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে এবং সীমা লংঘকারীরাই জাহান্নামী।
৪৪. আমি তোমাদেরকে যা বলছি, তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয় বান্দারা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।
৪৫. অতঃপর আল্লাহ তাকে তাদের চক্রান্তের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন এবং ফেরাউন গোত্রকে শোচনীয় আযাব গ্রাস করল।
৪৬. সকালে ও সন্ধ্যায় তাদেরকে আগুনের সামনে পেশ করা হয় এবং যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন আদেশ করা হবে, ফেরাউন গোত্রকে কঠিনতর আযাবে দাখিল কর।
৪৭. যখন তারা জাহান্নামে পরস্পর বিতর্ক করবে, অতঃপর দূর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। তোমরা এখন জাহান্নামের আগুনের কিছু অংশ আমাদের থেকে নিবৃত করবে কি?
৪৮. অহংকারীরা বলবে, আমরা সবাই তো জাহান্নামে আছি। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ফয়সালা করে দিয়েছেন।
৪৯. যারা জাহান্নামে আছে, তারা জাহান্নামের রক্ষীদেরকে বলবে, তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে বল, তিনি যেন আমাদের থেকে একদিনের আযাব লাঘব করে দেন।
৫০. রক্ষীরা বলবে, তোমাদের কাছে কি সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তোমাদের রসূল আসেননি? তারা বলবে হঁ্যা। রক্ষীরা বলবে, তবে তোমরাই দোয়া কর। বস্তুতঃ কাফেরদের দোয়া নিস্ফলই হয়।
৫১. আমি সাহায্য করব রসূলগণকে ও মুমিনগণকে পার্থিব জীবনে ও সাক্ষীদের দন্ডায়মান হওয়ার দিবসে।
৫২. সে দিন যালেমদের ওযর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।
৫৩. নিশ্চয় আমি মূসাকে হেদায়েত দান করেছিলাম এবং বনী ইসরাঈলকে কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছিলাম।
৫৪. বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ ও হেদায়েত স্বরূপ।
৫৫. অতএব, আপনি সবর করুন নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আপনি আপনার গোনাহের জন্যে ক্ষমা প্রর্থনা করুন এবং সকাল-সন্ধ্যায় আপনার পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
৫৬. নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে তাদের কাছে আগত কোন দলীল ব্যতিরেকে, তাদের অন্তরে আছে কেবল আত্নম্ভরিতা, যা অর্জনে তারা সফল হবে না। অতএব, আপনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
৫৭. মানুষের সৃষ্টি অপেক্ষা নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের সৃষ্টি কঠিনতর। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।
৫৮. অন্ধ ও চক্ষুষ্মান সমান নয়, আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং কুকর্মী। তোমরা অল্পই অনুধাবন করে থাক।
৫৯. কেয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে সন্দেহ নেই; কিন্ত অধিকাংশ লোক বিশ্বাস স্থাপন করে না।
৬০. তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে।
৬১. তিনিই আল্লাহ যিনি রাত্র সৃষ্টি করেছেন তোমাদের বিশ্রামের জন্যে এবং দিবসকে করেছেন দেখার জন্যে। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না।
৬২. তিনি আল্লাহ, তোমাদের পালনকর্তা, সব কিছুর স্রষ্টা। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?
৬৩. এমনিভাবে তাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে।
৬৪. আল্লাহ, পৃথিবীকে করেছেন তোমাদের জন্যে বাসস্থান, আকাশকে করেছেন ছাদ এবং তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন এবং তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন পরিচ্ছন্ন রিযিক। তিনি আল্লাহ, তোমাদের পালনকর্তা। বিশ্বজগতের পালনকর্তা, আল্লাহ বরকতময়।
৬৫. তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তাঁকে ডাক তাঁর খাঁটি এবাদতের মাধ্যমে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহর।
৬৬. বলুন, যখন আমার কাছে আমার পালনকর্তার পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণাদি এসে গেছে, তখন আল্লাহ ব্যতীত তোমরা যার পূজা কর, তার এবাদত করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। আমাকে আদেশ করা হয়েছে বিশ্ব পালনকর্তার অনুগত থাকতে।
৬৭. তিনি তো তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটির দ্বারা, অতঃপর শুক্রবিন্দু দ্বারা, অতঃপর জমাট রক্ত দ্বারা, অতঃপর তোমাদেরকে বের করেন শিশুরূপে, অতঃপর তোমরা যৌবনে পদর্পণ কর, অতঃপর বার্ধক্যে উপনীত হও। তোমাদের কারও কারও এর পূর্বেই মৃত্যু ঘটে এবং তোমরা নির্ধারিত কালে পৌঁছ এবং তোমরা যাতে অনুধাবন কর।
৬৮. তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। যখন তিনি কোন কাজের আদেশ করেন, তখন একথাই বলেন, হয়ে যা’-তা হয়ে যায়।
৬৯. আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে?
৭০. যারা কিতাবের প্রতি এবং যে বিষয় দিয়ে আমি পয়গম্বরগণকে প্রেরণ করেছি, সে বিষয়ের প্রতি মিথ্যারোপ করে। অতএব, সত্বরই তারা জানতে পারবে।
৭১. যখন বেড়িও শৃঙ্খল তাদের গলদেশে পড়বে। তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে।
৭২. ফুটন্ত পানিতে, অতঃপর তাদেরকে আগুনে জ্বালানো হবে।
রুকইয়াহয় ৪৭:০৭
إِنَّ ٱلَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِىٓ ءَايَٰتِنَا لَا يَخْفَوْنَ عَلَيْنَآ ۗ أَفَمَن يُلْقَىٰ فِى ٱلنَّارِ خَيْرٌ أَم مَّن يَأْتِىٓ ءَامِنًۭا يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ ۚ ٱعْمَلُوا۟ مَا شِئْتُمْ ۖ إِنَّهُۥ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ﴿٤٠﴾
৪০. নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে বক্রতা অবলম্বন করে, তারা আমার কাছে গোপন নয়। যে ব্যক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে সে শ্রেষ্ঠ, না যে কেয়ামতের দিন নিরাপদে আসবে? তোমরা যা ইচ্ছা কর, নিশ্চয় তিনি দেখেন যা তোমরা কর।
রুকইয়াহয় ৪৭:৫২
إِنَّ شَجَرَتَ ٱلزَّقُّومِ ﴿٤٣﴾ طَعَامُ ٱلْأَثِيمِ ﴿٤٤﴾ كَٱلْمُهْلِ يَغْلِى فِى ٱلْبُطُونِ ﴿٤٥﴾
৪৩. নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ
৪৪. পাপীর খাদ্য হবে;
৪৫. গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।
রুকইয়াহয় ৪৮:১২
كَٱلْمُهْلِ يَغْلِى فِى ٱلْبُطُونِ ﴿٤٥﴾
৪৫. গলিত তাম্রের মত পেটে ফুটতে থাকবে।
রুকইয়াহয় ৪৮:২৬، ৪৮:৩৮ · ২ বার
ثُمَّ صُبُّوا۟ فَوْقَ رَأْسِهِۦ مِنْ عَذَابِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٨﴾ ذُقْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾ إِنَّ هَٰذَا مَا كُنتُم بِهِۦ تَمْتَرُونَ ﴿٥٠﴾
৪৮. অতঃপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানির আযাব ঢেলে দাও,
৪৯. স্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো সম্মানিত, সম্ভ্রান্ত।
৫০. এ সম্পর্কে তোমরা সন্দেহে পতিত ছিলে।
রুকইয়াহয় ৪৯:১৬
مَّثَلُ ٱلْجَنَّةِ ٱلَّتِى وُعِدَ ٱلْمُتَّقُونَ ۖ فِيهَآ أَنْهَٰرٌۭ مِّن مَّآءٍ غَيْرِ ءَاسِنٍۢ وَأَنْهَٰرٌۭ مِّن لَّبَنٍۢ لَّمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُۥ وَأَنْهَٰرٌۭ مِّنْ خَمْرٍۢ لَّذَّةٍۢ لِّلشَّٰرِبِينَ وَأَنْهَٰرٌۭ مِّنْ عَسَلٍۢ مُّصَفًّۭى ۖ وَلَهُمْ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَمَغْفِرَةٌۭ مِّن رَّبِّهِمْ ۖ كَمَنْ هُوَ خَٰلِدٌۭ فِى ٱلنَّارِ وَسُقُوا۟ مَآءً حَمِيمًۭا فَقَطَّعَ أَمْعَآءَهُمْ ﴿١٥﴾
১৫. পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?
রুকইয়াহয় ৪৯:৩৭، ৫০:১৮ · ২ বার
يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِى ٱلنَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا۟ مَسَّ سَقَرَ ﴿٤٨﴾
৪৮. যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।
রুকইয়াহয় ৫০:৪০
سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَ ٱلثَّقَلَانِ ﴿٣١﴾ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٢﴾ يَٰمَعْشَرَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنِ ٱسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا۟ مِنْ أَقْطَارِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ فَٱنفُذُوا۟ ۚ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَٰنٍۢ ﴿٣٣﴾ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ ﴿٣٤﴾ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌۭ مِّن نَّارٍۢ وَنُحَاسٌۭ فَلَا تَنتَصِرَانِ ﴿٣٥﴾
৩১. হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।
৩২. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
৩৩. হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।
৩৪. অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
৩৫. ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।
রুকইয়াহয় ৫০:৪৯
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٱلْقَارِعَةُ ﴿١﴾ مَا ٱلْقَارِعَةُ ﴿٢﴾ وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْقَارِعَةُ ﴿٣﴾ يَوْمَ يَكُونُ ٱلنَّاسُ كَٱلْفَرَاشِ ٱلْمَبْثُوثِ ﴿٤﴾ وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ ٱلْمَنفُوشِ ﴿٥﴾ فَأَمَّا مَن ثَقُلَتْ مَوَٰزِينُهُۥ ﴿٦﴾ فَهُوَ فِى عِيشَةٍۢ رَّاضِيَةٍۢ ﴿٧﴾ وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَٰزِينُهُۥ ﴿٨﴾ فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٌۭ ﴿٩﴾
১. করাঘাতকারী,
২. করাঘাতকারী কি?
৩. করাঘাতকারী সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?
৪. যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত
৫. এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।
৬. অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,
৭. সে সুখীজীবন যাপন করবে।
৮. আর যার পাল্লা হালকা হবে,
৯. তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।
রুকইয়াহয় ৫১:৪৩
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ وَيْلٌۭ لِّكُلِّ هُمَزَةٍۢ لُّمَزَةٍ ﴿١﴾ ٱلَّذِى جَمَعَ مَالًۭا وَعَدَّدَهُۥ ﴿٢﴾ يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُۥٓ أَخْلَدَهُۥ ﴿٣﴾ كَلَّا ۖ لَيُنۢبَذَنَّ فِى ٱلْحُطَمَةِ ﴿٤﴾ وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْحُطَمَةُ ﴿٥﴾ نَارُ ٱللَّهِ ٱلْمُوقَدَةُ ﴿٦﴾
১. প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
২. যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে
৩. সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!
৪. কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
৫. আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?
৬. এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
রুকইয়াহয় ৫২:৫৪
نَارُ ٱللَّهِ ٱلْمُوقَدَةُ ﴿٦﴾ ٱلَّتِى تَطَّلِعُ عَلَى ٱلْأَفْـِٔدَةِ ﴿٧﴾ إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌۭ ﴿٨﴾ فِى عَمَدٍۢ مُّمَدَّدَةٍۭ ﴿٩﴾
৬. এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
৭. যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।
৮. এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে,
৯. লম্বা লম্বা খুঁটিতে।
রুকইয়াহয় ৫৩:৩৭
৪৬
সূরা আল-মাসাদ (লাহাব) : ১–২
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ تَبَّتْ يَدَآ أَبِى لَهَبٍۢ وَتَبَّ ﴿١﴾ مَآ أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُۥ وَمَا كَسَبَ ﴿٢﴾
১. আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
২. কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
রুকইয়াহয় ৫৩:৫৪
৪৭
সূরা আল-মাসাদ (লাহাব) : ৩–৫
سَيَصْلَىٰ نَارًۭا ذَاتَ لَهَبٍۢ ﴿٣﴾ وَٱمْرَأَتُهُۥ حَمَّالَةَ ٱلْحَطَبِ ﴿٤﴾ فِى جِيدِهَا حَبْلٌۭ مِّن مَّسَدٍۭ ﴿٥﴾
৩. সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
৪. এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,
৫. তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।
রুকইয়াহয় ৫৪:১৮
৪৮
সূরা আল-মাসাদ (লাহাব) : ৪–৫
وَٱمْرَأَتُهُۥ حَمَّالَةَ ٱلْحَطَبِ ﴿٤﴾ فِى جِيدِهَا حَبْلٌۭ مِّن مَّسَدٍۭ ﴿٥﴾
৪. এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,
৫. তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।
রুকইয়াহয় ৫৫:১৮، ৫৫:৩৪ · ২ বার
فَلَمَّا جَآءَ أَمْرُنَا جَعَلْنَا عَٰلِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةًۭ مِّن سِجِّيلٍۢ مَّنضُودٍۢ ﴿٨٢﴾ مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ ۖ وَمَا هِىَ مِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ بِبَعِيدٍۢ ﴿٨٣﴾
৮২. অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে পৌঁছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপরকে নীচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর পাথর বর্ষণ করলাম।
৮৩. যার প্রতিটি তোমার পালনকর্তার নিকট চিহ্নিত ছিল। আর সেই পাপিষ্ঠদের থেকে খুব দূরেও নয়।
রুকইয়াহয় ৫৭:৫৭
إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًۭا صَرْصَرًۭا فِى يَوْمِ نَحْسٍۢ مُّسْتَمِرٍّۢ ﴿١٩﴾ تَنزِعُ ٱلنَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍۢ مُّنقَعِرٍۢ ﴿٢٠﴾
১৯. আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ঝঞ্জাবায়ু এক চিরাচরিত অশুভ দিনে।
২০. তা মানুষকে উৎখাত করছিল, যেন তারা উৎপাটিত খর্জুর বৃক্ষের কান্ড।
রুকইয়াহয় ৫৮:১০
بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةًۭ فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ ﴿٤٠﴾
৪০. বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
রুকইয়াহয় ১:০০:৫০
قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌۭ فِىٓ إِبْرَٰهِيمَ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ إِذْ قَالُوا۟ لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَءَٰٓؤُا۟ مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةُ وَٱلْبَغْضَآءُ أَبَدًا حَتَّىٰ تُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَحْدَهُۥٓ إِلَّا قَوْلَ إِبْرَٰهِيمَ لِأَبِيهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ وَمَآ أَمْلِكُ لَكَ مِنَ ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ ۖ رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ ﴿٤﴾
৪. তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করব। তোমার উপকারের জন্যে আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন।
রুকইয়াহয় ১:১৯:৫০
لَيْسَ لَهَا مِن دُونِ ٱللَّهِ كَاشِفَةٌ ﴿٥٨﴾
৫৮. আল্লাহ ব্যতীত কেউ একে প্রকাশ করতে সক্ষম নয়।
রুকইয়াহয় ১:২০:৫১
وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾
১৮১. পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
রুকইয়াহয় ১:২২:১২
فَقُطِعَ دَابِرُ ٱلْقَوْمِ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ۚ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿٤٥﴾
৪৫. অতঃপর জালেমদের মূল শিকড় কর্তিত হল। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই জন্যে, যিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা।
রুকইয়াহয় ১:২২:২০
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر৪ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]৬ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ১২০ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْيِهِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْخِهِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْخِهِ بِسْمِ اللَّهِ
অভিশপ্ত শয়তান থেকে, তার কুমন্ত্রণা, তার অহংকার ও তার প্ররোচনা থেকে... অভিশপ্ত শয়তান থেকে, তার কুমন্ত্রণা, তার অহংকার ও তার প্ররোচনা থেকে... অভিশপ্ত শয়তান থেকে, তার কুমন্ত্রণা, তার অহংকার ও তার প্ররোচনা থেকে। আল্লাহর নামে
০:০৪–০:২৬
عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا رَبَّنَا
আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করলাম, আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করলাম, হে আমাদের রব
০:৩০–০:৩৬
أَنْتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقَةِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقَةِ نَهَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي عَيْنِ الشِّقَّتَيْنِ هَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقَةِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَشِيرِ تَأْتِي نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِرِ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقِينَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعُشَّاقَتِي نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقَةِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقَةِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي عَاشِقَتْ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْعَاشِقِينَ نَارًا
তুমিই সর্বোত্তম বিজয়দাতা। হে আল্লাহ, প্রেমাসক্ত (আসক্ত) জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, উভয় আসক্তের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, সঙ্গীর মধ্যে আগুন আসুক, হে আল্লাহ, আসক্তের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্তদের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনদের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো, হে আল্লাহ, আসক্ত জিনদের মধ্যে আগুন সৃষ্টি করো
০:৪২–১:২১
إِعْصَارًا فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَعَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ
একটি ঘূর্ণিবায়ু যাতে আগুন আছে, তা এসে আঘাত করল ও পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, ঘূর্ণিবায়ু যাতে আগুন আছে তা আঘাত করল ও পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তা পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তা পুড়ে গেল
৪:৫৫–৫:১৭
فَاحْتَرَقَتْ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فَاصَبَهَا إِعْصَارًا فِيهِمَا نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِي نَارٍ فَاحْتَرَقَتْ
তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল, উভয়ের মধ্যে আগুন, তাতে আগুন, তাতে আগুন, তাতে আগুন, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল
৫:২১–৫:৪৯
إِعْصَارًا فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فَعَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ
একটি ঘূর্ণিবায়ু যাতে আগুন আছে তা পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে তা পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে
৫:৫৩–৬:০৭
فَاحْتَرَقَتْ فَاحْتَرَقَتْ فَاحْتَرَقَتْ فَاحْتَرَقَتْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَدْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِي نَارٍ
পুড়ে গেল, পুড়ে গেল, পুড়ে গেল, পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল আগুনে
৬:১৫–৬:২৬
فَاحْتَرَقَتْ فَاحْتَرَقَتْ اللَّهُمَّ اشْعَلِ الشَّيْطَانَ نَارًا وَحَرِيقَهْ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْعِفْرِيتَ تَنَارًا اللَّهُمَّ اشْعَلِ الْعِفْرِيتَ نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اشْعَلِ الْعِفْرِيتَنَا نَارًا وَحَرْقًا اللَّهُمَّ اشْعَلِ الْعِفْرِيتَ نَارًا وَحِرْيَاءً اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْعِفْرِيتَ وَحَرِيقَهْ اللَّهُمَّ اشْعِيلِ الْعِفْرِيتَ نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ مِشْعَلُ الْعِفْرِيتِ نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَالِكَ الْجَانِي نَارًا وَحَارِقَهْ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الشَّيَاطِينَ وَحَرْقًا وَاللَّهُ مِشْعَلُ الْمَارِدِ نَارًا وَحَرِيقًا وَحَرِيقَهْ وَاللَّهُ مِشْعَلُ الْمَارِدِ نَارًا وَحَرْقَهْ اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَا أُرِيدُ نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْمَارِدَ انْهَارًا وَاحَارِقًا اللَّهُمَّ اشْعَلِ
পুড়ে গেল, পুড়ে গেল। হে আল্লাহ, শয়তানকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, আফরিত (দুষ্ট জিন)-কে আগুনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, আফরিতকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, আমাদের আফরিতকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, আফরিতকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, আফরিতকে আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, আফরিতকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, আফরিতকে আগুন ও দহনে প্রজ্বলিত করো, হে আল্লাহ, অপরাধী জিনের মালিককে আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, শয়তানদের দহনে পরিণত করো, আল্লাহ মারিদ (বিদ্রোহী জিন)-কে আগুন ও দহনে প্রজ্বলিত করেন, আল্লাহ মারিদকে আগুন ও দহনে প্রজ্বলিত করেন, হে আল্লাহ, যা চাই তা আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, মারিদকে নদীর মতো আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, জ্বালিয়ে দাও
৬:৩৪–৭:১৬
الْمَارِدَ انْهَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اشْعَرِ الْمَارِدَ انْهَارًا وَحَارِيًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ مُلُوكَ الشَّيَاطِينِ نَارًا اللَّهُ مِشْعَلُ الْعُشَّاقِ مِنَ الْجَانِي نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الشَّيَاطِينَ نَارًا وَحَرِيقًا اللَّهُمَّ اجْعَلْ مُلُوكَ الْجَانِي نَارًا وَحَارِيًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْعُشَّاقَ نَارًا وَحَارِيقًا اللَّهُمَّ اشْعَلِ الْعُشَّاقَ نَارًا وَحَارِقَهْ نَارًا وَحَارِيقًا نَارًا وَحَرْقَهْ نَارًا وَحَرِيقَهْ نَارًا وَحَرِيقَهْ نَارًا وَحَرِيقًا نَارًا وَحَرِيقَهْ نَارًا وَحَرِيقَهْ نَارًا وَحَرِيقَهْ نَارًا وَحَرِيقٌ نَارًا وَحَرْقًا بِإِذْنِ اللَّهِ نَارًا وَحَرِيقًا بِأَمْرِ اللَّهِ نَارًا وَحَرِيقًا بِإِذْنِ اللَّهِ نَارًا وَحَرِيقًا بِأَمْرِ اللَّهِ
মারিদকে আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, মারিদকে আগুন ও দহন অনুভব করাও, হে আল্লাহ, শয়তানদের রাজাদের আগুনে পরিণত করো, আল্লাহ অপরাধী জিনের আসক্তদের আগুন ও দহনে প্রজ্বলিত করেন, হে আল্লাহ, শয়তানদের আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, অপরাধী জিনের রাজাদের আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, আসক্তদের আগুন ও দহনে পরিণত করো, হে আল্লাহ, আসক্তদের আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আল্লাহর অনুমতিক্রমে আগুন ও দহন, আল্লাহর নির্দেশে আগুন ও দহন, আল্লাহর অনুমতিক্রমে আগুন ও দহন, আল্লাহর নির্দেশে আগুন ও দহন
৭:১৬–৭:৫৭
نَارًا وَحَرِيقَهُ نَارًا وَحَرِيقَهُ نَارًا وَحَارِقَهُ اللَّهُمَّ اشْعَلْهُمْ نَارًا وَحَرِيقَهُ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ
আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, আগুন ও দহন, হে আল্লাহ, তাদেরকে আগুন ও দহনে জ্বালিয়ে দাও, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে তা পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে
৭:৫৭–৮:১০
فَاصَبَ إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَصَبَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاصَبَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِيهِ نَارٌ فِي نَارٍ فَاحْتَرَقَتْ فَاصَبَهَا يَعْصِرُوا فِيهِ نَارٌ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তা পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তাতে আগুন লেগে পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, ঘূর্ণিবায়ু তাকে আঘাত করল যাতে আগুন আছে, তাতে আগুন, তাতে আগুন, তাতে আগুন, আগুনে পুড়ে গেল, ঘূর্ণিবায়ু তাদের চেপে ধরল যাতে আগুন আছে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য নিদর্শনসমূহ স্পষ্ট করেন, এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য নিদর্শনসমূহ স্পষ্ট করেন, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো
৮:১৪–৮:৫৭
النَّارِ وَقُودُ النَّارِ
আগুনের জ্বালানি, আগুনের জ্বালানি
৯:০৯–৯:১২
أَصْحَابُ النَّارِ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
জাহান্নামের অধিবাসী, জাহান্নামের অধিবাসী, তারা তাতে চিরকাল থাকবে
৯:৪৭–৯:৫৫
الْحَرِيقِ دُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ دُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ دُوقُوا عَذَابَ
অগ্নিদহনের শাস্তি, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, অগ্নিদহনের শাস্তি, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, অগ্নিদহনের শাস্তি, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো
১০:১৭–১০:২৮
ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُو وُقُوعِ عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُو قُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُو قُوا عَذَابَ الْحَ
তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, অগ্নিদহনের শাস্তি সংঘটিত হোক, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শা-
১০:৩৩–১০:৫২
ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُوقَهُ عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ دُقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ دُقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ رُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ
তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দান করো
১০:৫৭–১১:২৬
اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِهَا أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ ادِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ
হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে শাস্তি আস্বাদন করাও
১১:৪১–১১:৫৮
أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَلَى هَذَا الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ
তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, এই অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও তাদের উপর থেকে ও
১২:০৪–১২:১৪
أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقَهْ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ
তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি দান করো
১২:২৫–১২:২৯
أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ هَذِهِ الْقَوْمَ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَلَى عَذَابِ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ
হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, এই সম্প্রদায়কে অগ্নিদহনের শাস্তি দাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও (বারবার)
১২:৩৫–১৩:২৩
الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقَاتِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ
অগ্নিদহনের শাস্তি, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তিসমূহ আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও নিচ থেকে
১৩:২৩–১৩:২৯
سَوْفَ نُصْلِيهِ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا
শীঘ্রই আমি তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব
১৩:৪৬–১৪:০১
نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا مُصْلِيهِمْ نَارَهْ مُصْلِيهِمْ نَارَهُمْ نَارًا نُصْلِي هُمْ نَارًا نُصْلِي هُمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نَصَرَهُمْ نَارًا مُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا اصْلِيهِمْ نَارًا نِصْفُهُمْ نَارٌ نِصْفُهُمْ نَارٌ
তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব (বারবার), অবশেষে: তাদের অর্ধেক আগুন, তাদের অর্ধেক আগুন
১৪:০৭–১৫:০৮
مُصْلِهِمْ نَارَهُمْ نَارَهُمْ نَارًا نُصْلِيهِمْ نَارًا كُلَّمَا نَضِجَ الْجُنُودُهُمْ
তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, যখনই তাদের চামড়া/সৈন্যদল পুড়ে যাবে
১৫:০৮–১৫:১৮
لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ
যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে
১৫:৪৮–১৬:২৬
لِيَذُوقَ الْعَذَابَ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ وَضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمُ الْعَذَابَ
যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে। হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো
১৬:২৬–১৭:০৯
ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ وَضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ وَضِيعَ فَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَدِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمُ الْعَذَابَ ضِعْفَيْنِ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمًا أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ
দ্বিগুণ, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দান করো, হে আল্লাহ, তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি আস্বাদন করাও, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি
১৭:০৯–১৭:৩৮
عذاب مقيم ولهم عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيٌّ وَلَا مِنْ عَذَابٍ مُقِيمٍ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ ولهم عذاب مقيم
তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি, তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি (বারবার পুনরাবৃত্তি, বহুবার)
১৭:৫২–১৯:০৯
وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُقِيمٌ
তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি, তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি, তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি
১৯:০৯–১৯:১৯
النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمُ النَّارُ مَثْوَاكُمْ خَالِدِينَ فِيهَا
আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, আগুনই তোমাদের বাসস্থান, তোমরা তাতে চিরকাল থাকবে
১৯:৪৩–২০:০৫
انْزِلْ عَلَيْهِمْ جُنْدًا مِنْ جُنْدِيكَ وَمَلَائِكَهْ مِنْ عِنْدِكَ
হে আল্লাহ, তাদের উপর তোমার সৈন্যদল থেকে সৈন্য এবং তোমার পক্ষ থেকে ফেরেশতা নাযিল করো
২০:৩০–২০:৩৪
الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ جُنْدًا مِنْ جُنْدِي وَمَلَائِكَةً مِنْ عِنْدِكَ يَصُومُونَهُمْ سُوءَ الْعَذَابِ يَتَعَاقَبُونَ عَلَيْهِمْ وَأَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ جُنْدًا مِنْ جُنْدِكَ اللَّهُمَّ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ جُنْبًا أُولَئِكَهُ مِنْ عِنْدِكَ يَصُومُونَهُمْ سُوءَ الْعَذَابِ
অগ্নিদহনের শাস্তি তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে। হে আল্লাহ, তাদের উপর তোমার সৈন্যদল থেকে সৈন্য এবং তোমার পক্ষ থেকে ফেরেশতা নাযিল করো, যারা তাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দেবে, একের পর এক তাদের উপর আসতে থাকবে, এবং তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে। হে আল্লাহ, তাদের উপর তোমার সৈন্যদল থেকে সৈন্য নাযিল করো, হে আল্লাহ, তাদের উপর তোমার পক্ষ থেকে ফেরেশতা নাযিল করো, যারা তাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দেবে
২০:৪৮–২১:২৭
وَأَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ
এবং তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও নিচ থেকে
২১:৩৪–২১:৩৭
وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوقه عَذَابَ الْحَرِيقَهْ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق بِالْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقَهْ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ
এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং সে দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন করুক, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং আগুন দ্বারা আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং শাস্তি আস্বাদন কর
২১:৫২–২২:৪৯
الْحَرِيقَهْ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوقه عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوقه عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوق عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وذوقه عَذَابَ الْحَ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ الْحَرِيقِ الْحَرِيقِ الْحَرِيقِ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عبئ هَذَا الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ
দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং তোমরা আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং সে আস্বাদন করুক দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং সে আস্বাদন করুক দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং তোমরা আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, এবং সে আস্বাদন করুক দহনের... হে আল্লাহ! তাদেরকে দহনের শাস্তি, দহনের শাস্তি, দহনের শাস্তি, দহনের শাস্তি, দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! জাদুর খাদেমদেরকে এই আগুন দিয়ে ভরে দাও। হে আল্লাহ! জাদুর খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! জাদুর খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ!
২২:৪৯–২৩:৪৮
اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ السِّحْرِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِقْ خُدَّامَ الْعَيْنِ الْحَاسِدَهْ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ هَذِهِ خُدَّامُ الْعَيْنِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ اذِغْ قُدَّامَ الْعِشْقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَالِي يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ اذقكم عَذَابَ
জাদুর খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! জাদুর খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! জাদুর খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! হিংসুক বদনজরের খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! এই বদনজরের খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! প্রেম-জাদুর (আশিক) খাদেমদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও। হে আল্লাহ! তাদেরকে দহনের শাস্তি দান কর, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ। হে আল্লাহ! তাদেরকে এখনই শাস্তি দান কর, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক, হে শক্তিশালী, হে সুদৃঢ়। তোমাদেরকে আস্বাদন করাব শাস্তি
২৩:৪৮–২৪:২৩
وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَنْ تَجَبَّرَ وَطَغَى وَعَانَدَ وَاسْتَكْبَرَ وَاسْتَهْزَأَ عَلَى آيَاتِكَ وَلَمْ يَخْرُجْ مِنَ الْجَسَدِ فَأَذِنْ اللَّهُمَّ بِهِ عَجَائِبَ بِقُدْرَتِكَ يَا قَوِيُّ يَا مَتِي اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ الْمُعْتَدِي وَهَذَا الْعَاشِقِ الظَّالِمِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَنْ تَصَبَّرَ وَاعْتَدَى وَتَكَبَّرَ وَتَجَبَّرَ وَاعْتَدَى وَظَلَمَ وَبَطَشَ فَإِنَّهُ لَا يُعْجِزُكَ يَا قَوِيُّ يَا مَتِيبْ
এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর। হে আল্লাহ! যে সীমালঙ্ঘন করেছে, অবাধ্য হয়েছে, একগুঁয়েমি করেছে, অহংকার করেছে এবং তোমার আয়াতসমূহ নিয়ে বিদ্রূপ করেছে অথচ দেহ থেকে বের হয়নি— তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও, হে আল্লাহ। তোমার কুদরতের বিস্ময়কর নিদর্শন তার ওপর প্রয়োগ কর, হে শক্তিমান, হে সুদৃঢ়। হে আল্লাহ! এই সীমালঙ্ঘনকারী আসর (জিন) এবং এই যালিম আশিক (প্রেমাসক্ত জিন)-এর বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও। হে আল্লাহ! যে হঠকারিতা করেছে, সীমালঙ্ঘন করেছে, অহংকার করেছে, উদ্ধত হয়েছে, সীমালঙ্ঘন করেছে, যুলুম করেছে ও জোরজবরদস্তি করেছে— তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও, কেননা সে তোমাকে কখনো অক্ষম করতে পারবে না, হে শক্তিমান, হে সুদৃঢ়
২৪:৪১–২৫:২১
عَنِيدٍ
বিরুদ্ধাচারী
২৬:৩৩–২৬:৩৫
إِنْ صَدِيقٍ
পুঁজ-রক্ত
২৭:১৭–২৭:২১
عَذَابٌ غَنِيمٌ
কঠোর শাস্তি
২৭:৪৫–২৭:৪৯
وتوشا وُجُوهُهُمْ
আর তাদের মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত হবে
২৯:১৩–২৯:১৬
اِجْمَعْ نَفْسَكَ اُخْرُسْ طَاعَةَ اللَّهِ وَإِلَّا تُحْرَقْ بِآيَاتِ اللَّهِ
নিজেকে গুটিয়ে নাও, চুপ হয়ে যাও, আল্লাহর আনুগত্য কর, নতুবা আল্লাহর আয়াত দ্বারা পুড়িয়ে দেওয়া হবে
২৯:৪৩–২৯:৪৯
انْ شَاءَ فَلْيَكْفُرْ انَّا اعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَرَى لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نارا للظالمين نارا للظالمين
যে চায় সে কুফরী করুক; নিশ্চয়ই আমরা যালিমদের জন্য আগুন প্রস্তুত রেখেছি, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন
৩০:০১–৩১:০১
نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا انَّا اعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا للظالمين نارا اعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا
আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, নিশ্চয়ই আমরা যালিমদের জন্য আগুন প্রস্তুত রেখেছি, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন, প্রস্তুত রেখেছি যালিমদের জন্য আগুন, যালিমদের জন্য আগুন
৩১:০১–৩১:৫৮
لِلظَّالِمِينَ النَّارُ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا لِلظَّالِمِينَ نَارًا
যালিমদের জন্য আগুন; নিশ্চয়ই আমরা যালিমদের জন্য আগুন প্রস্তুত রেখেছি, যালিমদের জন্য আগুন
৩১:৫৮–৩২:০৭
يَشْوِي الْوُجُوهَ يَشْوِي الْوُجُوهَ وَإِنْ يَسْتَغِيثُ يُغَاثُ
মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়, মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়। আর যদি সে সাহায্য প্রার্থনা করে তবে তাকে সাহায্য করা হবে
৩২:৪৬–৩২:৫৮
وَإِنْ يَسْتَغِيثُ يُغَاذُوا بِ مَاءٍ
আর যদি সে সাহায্য প্রার্থনা করে তবে তাকে গলিত তামার মতো পানি দ্বারা সাহায্য করা হবে
৩৩:০৭–৩৩:১৫
وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ
মাথা জ্বলে উঠেছে (পেকে সাদা হয়ে গেছে), মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে, মাথা জ্বলে উঠেছে
৩৩:৩১–৩৩:৫৭
أُولَئِكَ رَبِّ شَقِيًّا قَالَ فَاذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِي الْحَيَاةِ أَنْ تَقُولَ لَا عَبَسًا
তারা... হে প্রভু, হতভাগ্য... সে বলল, তবে যাও, নিশ্চয় তোমার জন্য এই জীবনে (এই শাস্তি) রয়েছে যে তুমি বলবে 'স্পর্শ করো না'
৩৪:০৬–৩৪:১৬
لَنُحَرِّقَنَّهُ لَنُحَرِّقَنَّهُ لَا نُحَرِّقَنَّهُ لَنُحَرِّقَنَّهُ
আমরা অবশ্যই এটি পুড়িয়ে ফেলব, আমরা অবশ্যই এটি পুড়িয়ে ফেলব, আমরা এটি পুড়িয়ে ফেলব না, আমরা অবশ্যই এটি পুড়িয়ে ফেলব
৩৪:২৫–৩৪:৩৭
لَنُحَرِّقَنْ لَا نُحَرِّقَنْ لَا نُحَرِّقَنَّهُ لَا نُحَرِّقْ
আমরা অবশ্যই পুড়িয়ে ফেলব, আমরা পুড়িয়ে ফেলব না, আমরা এটি পুড়িয়ে ফেলব না, আমরা পুড়িয়ে ফেলব না
৩৪:৫৯–৩৫:০৭
لَانْحَرِقَنَّ لَا نَحْرِقَنَّ لَا نَحْرِقَنَّ لَنُحْرِقَنَّهُ لَنُحْرِقَنَّهُ لَا نَحْرِقَنَّهُ ثُمَّ لَنَنْسِفَنَّهُ فِي الْيَمِّ نَسْفًا لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا
আমরা অবশ্যই পুড়িয়ে ফেলব, আমরা পুড়িয়ে ফেলব না, আমরা পুড়িয়ে ফেলব না, আমরা অবশ্যই এটি পুড়িয়ে ফেলব, আমরা অবশ্যই এটি পুড়িয়ে ফেলব, আমরা এটি পুড়িয়ে ফেলব না, তারপর আমরা অবশ্যই এটি সমুদ্রে সম্পূর্ণরূপে উড়িয়ে দেব। কাফেররা যদি জানত
৩৫:১৬–৩৫:৩৬
يُنْصَرُونَ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ وَلَا
সাহায্য করা হবে না, আর তাদেরকে সাহায্য করা হবে না, আর তাদেরকে সাহায্য করা হবে না, আর না
৩৫:৪৫–৩৫:৫১
حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَ هَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ حَسَبُ جَهَنَّمَ أَنْتُمْ لَهَا وَارِدُونَ ثَانِيَ عِطْفِهِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ
জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, জাহান্নামের ইন্ধন, তোমরা তাতে প্রবেশকারী। নিজের ঘাড় বাঁকিয়ে (অহংকারভরে) আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করার জন্য
৩৬:০৩–৩৬:৩০
عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ عَذَابَ
দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি, শাস্তি
৩৬:৩৫–৩৬:৫৭
يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ تُصَبُّوا مِنْ فَارِقِ
তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, ঢালা হবে বিচ্ছিন্ন থেকে
৩৭:২২–৩৭:২৭
يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ
তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, ঢেলে দেওয়া হবে উপর থেকে
৩৭:৩১–৩৭:৩৬
يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مَا فَوْقَ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَلِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ
তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, উপর থেকে ঢেলে দেওয়া হবে
৩৭:৪১–৩৭:৫৭
يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِي يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ
তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে, তাদের মাথার উপর ঢেলে দেওয়া হবে
৩৮:০২–৩৮:১৯
كُلَّمَا
যখনই
৩৯:৩৮–৩৯:৪০
وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقْ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقْ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقَهُ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقْ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقْ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَذُوقْ بَابَ الْحَرِيقِ
এবং তোমরা জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি আস্বাদন কর, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, এবং তোমরা আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, এবং তোমরা আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের দরজা
৩৯:৪৬–৪০:১৬
فَكُبَّهْ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ فَكُبَّهْ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ فَكُبَّهْ نُجُومٌ فِي
অতঃপর তাদের মুখ আগুনে উপুড় করে ফেলা হবে, অতঃপর তাদের মুখ আগুনে উপুড় করে ফেলা হবে, অতঃপর তারকারাজি
৪০:৫৬–৪১:০৮
لَهُمْ نَارُ جَهَنَّمَ لَهُمْ نَارُ جَهَنَّمَ
তাদের জন্য (আছে) জাহান্নামের আগুন, তাদের জন্য (আছে) জাহান্নামের আগুন
৪২:৪৯–৪২:৫৬
سُتُورٌ وَهُمْ يَسْتَرْخُونَ فِيهَا وَهُمْ يَسْتَرْخُونَ فِيهَا وَهُمْ يَسْتَرْخُونَ فِيهَا
পর্দা, আর তারা তাতে হেলান দিয়ে থাকবে, আর তারা তাতে হেলান দিয়ে থাকবে, আর তারা তাতে হেলান দিয়ে থাকবে
৪৩:১৩–৪৩:২৪
أَرَائِكُمُ النَّبِيُّ فَدُوقُوا فَذُوقُوا
তোমাদের আসনে (হেলান দেওয়া অবস্থায়), হে নবী, সুতরাং আস্বাদন কর, আস্বাদন কর
৪৩:৪৫–৪৩:৫৫
كُلِّ شَيْطَانٍ كُلِّ شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ احْفَظْهُمْ مِنْ كُلِّ عِفْرِيتٍ مِنْ كُلِّ مَارِدٍ مِنْ كُلِّ عَاشِقٍ مِنْ كُلِّ عَاشِقَةٍ مِنْ كُلِّ سَاحِرٍ مِنْ كُلِّ حَاسِدٍ اللَّهُمَّ احْفَظْهُمْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
প্রত্যেক শয়তান, প্রত্যেক শয়তান, হে আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করুন প্রত্যেক ইফরিত থেকে, প্রত্যেক অবাধ্য জিন থেকে, প্রত্যেক আশেক (প্রেমাসক্ত পুরুষ জিন) থেকে, প্রত্যেক আশেকা (প্রেমাসক্ত নারী জিন) থেকে, প্রত্যেক জাদুকর থেকে, প্রত্যেক হিংসুক থেকে; হে আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক
৪৫:১৮–৪৫:৩৬
اجْمَعْ نَفْسَكَ طَاعَةً لِلَّهِ اجْمَعْ نَفْسَكَ
নিজেকে আল্লাহর আনুগত্যে সমর্পণ কর, নিজেকে সমর্পণ কর
৪৬:১৬–৪৬:১৯
الْبُطُونِ
পেট
৪৮:৩৬–৪৮:৩৮
الْبُطُونِ
পেট
৪৮:৫৯–৪৯:০১
هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ كَمَنْ هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ
সে আগুনে চিরস্থায়ী, যেমন সে আগুনে চিরস্থায়ী
৫০:১২–৫০:১৮
فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ فَقَطَّعَ
যা তাদের নাড়িভুঁড়ি টুকরো টুকরো করে দেবে, যা তাদের নাড়িভুঁড়ি টুকরো টুকরো করে দেবে, টুকরো করে দেবে
৫০:৩১–৫০:৪০
» فَلَا تَنْتَصِرَا فَلَا تَنْتَصِرَا فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
সুতরাং তোমরা উভয়ে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না, সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না; সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে
৫১:২৮–৫১:৪০
اللَّهُمَّ يَا وَاحِدُ اللَّهُمَّ يَا وَاحِدُ يَا أَحَدُ يَا
হে আল্লাহ, হে একক (ওয়াহিদ), হে আল্লাহ, হে একক, হে অদ্বিতীয় (আহাদ), হে...
৫৫:৪০–৫৫:৪৫
الْارَاضِينَ السَّبْعِ وَمَا اغْلَى وَرَبُّ الشَّيَاطِينِ وَمَا اضَلَّ وَرَبُّ الرِّيَاحِ وَمَا غَرِيبٌ اللَّهُمَّ انَا نبره مِنْ حَوْلِنَا وَقُوَّتِنَا وَلَا حَوْلَ لَنَا وَلَا قُوَّهْ الَّا بِكَ بِكَ نص وَبِكَ نَجُولُ وَبِكَ نُقَاتِلُ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَمُجْرِيَ السَّحَابِ هَازِمَ الْاحْزَابِ شَدِيدَ الْعِقَابِ سَرِيعَ الْحِسَابِ اللَّهُمَّ احسن سِحْرَهُ واعوانهم عَدَدًا ومرزقهم تَمْزِيقًا احسن مَنْ تَوَكَّلُوا بِالسِّحْرِ وَقُدَّامَ الطَّلَاسِمِ وَالْعَزَائِمِ وَالْاسْمَاءِ الشَّيْطَانِيَّهْ وَقُلْتَ لَهُمْ بَدِّدِي وَلَا تُغَادِرْ مِنْهُمْ
সাত জমিনের রব এবং যা তারা বহন করে তার রব, শয়তানদের রব এবং তারা যাদের পথভ্রষ্ট করে তাদের রব, বাতাসের রব এবং যা তা উড়িয়ে নেয় তার রব। হে আল্লাহ! আমাদের চারপাশ ও শক্তি (তোমার কাছে সমর্পণ করছি), তোমার সাহায্য ছাড়া আমাদের কোনো শক্তি-সামর্থ্য নেই। তোমার মাধ্যমেই আমরা সাহায্য পাই, তোমার মাধ্যমেই চলাফেরা করি এবং তোমার মাধ্যমেই যুদ্ধ করি। হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, মেঘ চালনাকারী, দলসমূহকে পরাজিতকারী, কঠোর শাস্তিদাতা, দ্রুত হিসাবগ্রহণকারী! হে আল্লাহ, জাদুকর ও তাদের সাহায্যকারীদের সংখ্যা গণনা করে রাখো এবং তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে ছিন্নভিন্ন করে দাও, যারা জাদুর উপর নির্ভর করেছে এবং তালিসমান, মন্ত্র ও শয়তানি নামের উপর নির্ভর করেছে তাদেরকেও। আমি তাদের বলেছিঃ তাদেরকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দাও, তাদের কাউকে অবশিষ্ট রেখো না।
৫৫:৫১–৫৬:৩৫
وَجِنَّهُمْ صَغِيرَهُمْ وَكَبِيرًا ذُكُورًا وَانَاثَهُمْ نَجْعَلُكَ اللَّهُمَّ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ نَعُوذُ بِكَ مِنْ اسْحَارِهِمْ وَعُقَدِهِمْ ونفهم وَرَبْطِهِمْ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ انْزِلْ عَلَيْهِمْ بَاسَكَ الشَّدِيدَ انْزِلْ عَلَيْهِمْ بِئْسَكَ الشَّدِيدَ الَّذِي لَا يُرَدُّ وَلَا يُصَدُّ وَلَا يَقْدِرُ عَلَى دَفْعِ احَدٍ انْتَقِمْ مِنْهُمْ شَرَّ انْتِقَامٍ وارناطهم عَجَائِبَ قُدْرَتِكَ انَّهُمْ طَغَوْا فِي
ও জিন, তাদের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাইকে। হে আল্লাহ, আমরা তোমাকে তাদের ঘাড়ে স্থাপন করছি, আমরা তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় চাই, তাদের জাদু, তাদের বাঁধন, তাদের ফুঁ এবং তাদের বন্ধন থেকে তোমার আশ্রয় চাই। হে শক্তিশালী, হে দৃঢ়! তাদের উপর তোমার কঠোর শক্তি অবতীর্ণ করো, তাদের উপর তোমার কঠোর আযাব অবতীর্ণ করো, যা প্রতিহত করা যায় না, রোধ করা যায় না এবং কেউ যা প্রতিরোধ করতে সক্ষম নয়। তাদের থেকে কঠোরভাবে প্রতিশোধ নাও এবং তাদেরকে তোমার ক্ষমতার বিস্ময়কর নিদর্শন দেখিয়ে দাও। তারা পৃথিবীতে সীমালঙ্ঘন করেছে,
৫৬:৩৯–৫৭:০৮
كُلَّهُمْ بِالْمِرْصَادِ اهْلِكْ اقْوَاهُمْ واعتابهم وَامْكَرَهُمْ وَاكْبَرَهُمْ وَادَّهُمْ وَاخْفَاهُمْ واخبدهم اهْلِكْ اعْلَمَهُمْ بِالسِّحْرِ وَاشَدَّهُمْ واقوام سِحْرًا اهي كُلَّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ شَيْطَانٍ مُتَكَبِّرٍ مَرِيدًا اهْلِكْ
তাদের সকলের উপর প্রতীক্ষায় থাকো; তাদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে চতুর, সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জঘন্য, সবচেয়ে গোপন ও সবচেয়ে লুকায়িতদের ধ্বংস করো। জাদুতে সবচেয়ে জ্ঞানী, সবচেয়ে শক্তিশালী ও সবচেয়ে বেশি জাদুকরী শক্তিধরদের ধ্বংস করো, প্রতিটি উদ্ধত, হঠকারী, অহংকারী, বিদ্রোহী শয়তানকে ধ্বংস করো
৫৭:১২–৫৭:৩১
اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ مَلِكٍ سَاحِرٍ مِنَ الْجَانِّ بِسِحْرِهِ الْمُسْتَمِرِّ تَسَلَّطَ بِهِ عَلَى عِبَادِكَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ اكْفِنَاهُمْ بِمَا شِئْتَ وَكَيْفَ شِئْتَ وَمَتَى شِئْتَ اللَّهُمَّ
হে আল্লাহ, প্রতিটি জিন জাদুকরের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই, যে তার অবিরাম জাদু দ্বারা তোমার বান্দাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে। হে আল্লাহ, আমরা তাকে তার ঘাড়ে স্থাপন করছি এবং তার অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় চাই। তুমি যা চাও, যেভাবে চাও এবং যখন চাও, তাদের থেকে আমাদেরকে রক্ষা করো। হে আল্লাহ,
৫৭:৪২–৫৭:৫৭
جُنْدًا مِنْ جلدك يَا اللَّهُ سَلِّطْ عَلَيْهِمْ جدا مِنْ جُنْدِيكَ سَلِّطْ عَلَيْهِمْ جُنْدًا مِنْ جُنْدِي اولَئِكَتَا مِنْ عِنْدِكَ يصومونهم سُوءَ الْعَذَابِ يَتَعَاقَبُونَ عَلَيْهِمْ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ يَضْرِبُونَ
তোমার পক্ষ থেকে একটি সেনাবাহিনী, হে আল্লাহ! তাদের উপর তোমার একটি বিশাল সেনাবাহিনী চাপিয়ে দাও, তাদের উপর আমার সেনাবাহিনী থেকে একটি সেনাদল চাপিয়ে দাও — এরা তোমার পক্ষ থেকে, যারা তাদের উপর কঠোর আযাব চাপিয়ে দেবে, দিনরাত তাদের পিছু নিতে থাকবে, তাদেরকে আঘাত করবে
৫৮:২১–৫৮:৪৪
مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِهَا قَدَامِهِمْ انْزِلْ عَلَيْهِمْ
তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, তাদের উপর অবতীর্ণ করো
৫৮:৫২–৫৮:৫৭
ايَهْ دَهْ ومزقم تَمْزِيقًا انْزِلْ عَلَيْهِمْ رِزًّا مِنَ السَّمَاءِ وَاغْرِقْهُمْ وَاطْبِقْ عَلَيْهِمْ كَقَوْمِ فِرْعَوْنَ الْمَاءَ
এই নিদর্শন... এবং তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে ছিন্নভিন্ন করে দাও; তাদের উপর আসমান থেকে কঠোর শাস্তি অবতীর্ণ করো এবং তাদেরকে ডুবিয়ে দাও, ফিরআউনের সম্প্রদায়ের মতো তাদের উপর পানি আবদ্ধ করে দাও।
৫৯:০২–৫৯:১৪
وَصَوَاعِقَ مُدَمِّرَهْ قَاتِلَهْ انْزِلْ عَلَيْهِمْ دَاسَكَ الشَّدِيدَ وَزَلْزِلْهُمْ زِلْزَالًا شَدِيدًا واكبتم وَالْعَنْهُمْ لَعْنًا كبيرالعنهم يَلْعَنُتُكَ عَلَى الْيَهُودِ يَلْعَنُهُمْ بِلَعْنَتِكَ عَلَى ابٍ اقْتُلْ مَنْ سَحَرَ والطغى وَبَغَى وَكَانَ لِايَاتِكَ عَدِيدَهْ وَارْهَقْ صُعُودًا اجْعَلِ النُّجُومَ عَلَيْهِمْ رُجُومًا وَسَقُومًا لَهُمْ طَعَامٌ واسقيهم حَمِيمَهْ وَالزَّقُّومُ لَهُمْ طَعَامَهْ واسقيهم حَمِيمَهْ القي فِي قُلُوبِهِمُ الرُّعْبَ القي فِي قُلُوبِهِمُ الرُّعْبَ ومرزقهم تَمْزِيقَهْ وَفَزِّعْهُمْ تَفْزِيعَهْ وَحُلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ وَيُرِيدُونَ شَتِّتْهُمْ تَشْتِيتًا
এবং ধ্বংসাত্মক, প্রাণঘাতী বজ্রপাত। তাদের উপর তোমার কঠোর শক্তি অবতীর্ণ করো এবং তাদেরকে প্রবলভাবে কাঁপিয়ে দাও, তাদেরকে স্তব্ধ করে দাও এবং তাদের উপর কঠোর লা'নত করো, ইহুদিদের উপর যেমন লা'নত করা হয়েছিল তেমনিভাবে তোমার লা'নত দ্বারা তাদের উপর লা'নত করো। যে জাদু করেছে, সীমালঙ্ঘন করেছে, বিদ্রোহ করেছে এবং তোমার নিদর্শনের বিরুদ্ধে বহুবার দাঁড়িয়েছে তাকে হত্যা করো এবং তার উপর কঠিন শাস্তি আরোপ করো। নক্ষত্রসমূহকে তাদের উপর নিক্ষেপের বস্তু বানিয়ে দাও, তাদের খাদ্য হোক যাক্কুম আর তাদের পান হোক উষ্ণ জল — তাদের জন্য যাক্কুমের খাদ্য ও উষ্ণ পানীয়। তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করো, তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করো, তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে ছিন্নভিন্ন করো, তাদেরকে ভীতসন্ত্রস্ত করো, তাদের ও তাদের চাহিদা-আকাঙ্ক্ষার মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি করো, তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দাও।
৫৯:১৯–১:০০:০৪
قَتَّلْهُمْ تَقْتِيلًا حركم تحرقها صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَ اللَّهُمَّ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَبِيبِ اللَّهُمَّ صُبَّنِي فَوْقَ رؤوسهم الْحَمِيدِ اللَّهُمَّ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَمِيمِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَمِيمِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَمِيمِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسه وَالْحَمِيرِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَمِيمِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَبِيبِ صَبَغَهْ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَبِيبِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم الْحَبِيبِ صُبَّ مِنْ فَوْقِ رؤوسهم وَاصْحَابِي مافي الْارْحَامِ وَالظُّهُورِ وَالْايْدِي وَالْاقْدَامِ وَالْاوْرَاتِ وَالْبُطُونِ اللَّهُمَّ احْرِقْهُمْ
তাদেরকে হত্যা করো, সম্পূর্ণভাবে হত্যা করো, তাদেরকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ, তাদের মাথার উপর থেকে (আযাব) বর্ষণ করো — হে আল্লাহ, তাদের মাথার উপর থেকে উষ্ণ আযাব বর্ষণ করো — হে আল্লাহ, তাদের মাথার উপর থেকে উষ্ণ (গরম) আযাব বর্ষণ করো (বারবার পুনরাবৃত্তি) — আমার ও আমার সাথীদের গর্ভ, পিঠ, হাত, পা, গুপ্তাঙ্গ ও উদর থেকে (জাদু দূর করো)। হে আল্লাহ, তাদেরকে জ্বালিয়ে দাও।
১:০০:০৪–১:০০:৫০
رَدَّهَا عَنْ وُجُوهِهِمْ وَاجْسَادِهِمْ وَاجْعَلْهُمْ حَصِيرًا خَامِدِينَ اللَّهُمَّ صُبَّ عَلَيْهِمُ الْعَذَابَ الصبا صُبَّ عَلَيْهِمُ الْعَذَابَ صَبًّا صَبًّا لَا تبقي مِنْهُمْ احَدًا ابَدًا اللَّهُمَّ لَا تبكي مِنْهُمْ احَدًا ابَدًا صُبَّ عَلَيْهِمْ صَوْتَ عَذَابٍ كُلَّهُمْ بِالْمِرْصَادِ وَاجْعَلْهُمْ كشين مُحْتَضَرٍ نَجْعَلْ فِي
তা তাদের মুখ ও শরীর থেকে ফিরিয়ে দাও এবং তাদেরকে নিভে যাওয়া ছাইয়ের মতো করে দাও। হে আল্লাহ, তাদের উপর একের পর এক আযাব বর্ষণ করো, তাদের কাউকে কখনো অবশিষ্ট রেখো না। হে আল্লাহ, তাদের কাউকে কখনো ছাড় দিও না। তাদের সকলের উপর আযাবের শব্দ বর্ষণ করো, তাদেরকে প্রতীক্ষায় রাখো এবং তাদেরকে মৃত্যুপথযাত্রীর মতো করে দাও। স্থাপন করো
১:০০:৫৫–১:০১:২৩
وَعُقِدَ وَرُبِطَ وَسُحِرَ وَصَلَّهُ صَقْرٌ وَلَا تبكي مِنْهُ وَلَا مِنْ جُودِهِ وَلَا تَذَرْ وَخَسَفَ بِهِمُ الْارْضَ وَارْسِلْ عَلَيْهِمْ حاسبا مِنَ السَّمَاءِ وَاقْطَعْ عَنْهُمْ اسباب اووه وَانْزِلُوا مِنْ صَيَاصِيهِمْ ويخرجهم مِنْ حُصُونِهِمْ وَبُيُوتِهِمْ اذِلَّهْ صَاغِرِينَ اخْرُجْ مِنَ الْاجْسَادِ مَذْلُولِينَ اخْرُجُوا مِنَ الْاجْسَادِ مَذْلُولِينَ اخْذًا سادي مَذْلُولِينَ مَدْحُولِينَ خَائِبِينَ نَادِمِينَ اخْرُجُوا مِنَ الْاجْسَامِ اللَّهُمَّ اخْرِجْهُمْ مِنَ الْاجْسَادِ مَذْلُولِينَ خَائِبِينَ نَادِمِينَ اللَّهُمَّ اخْرُجُوا مِنَ الْاجْسَادِ مَذْلُولِينَ غَائِبِينَ اللَّهُمَّ اخْرِجْهُمْ مِنَ الْاجْسَادِ مَدْلُولِينَ خَائِبِينَ نَادِمِينَ
এবং বাঁধন দিয়েছে, বন্ধন করেছে, জাদু করেছে এবং সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তার বিরুদ্ধে — তাকে ছেড়ে দিও না, তার চেষ্টা ব্যর্থ করো, তাকে অব্যাহতি দিও না। তাদের নিচে জমিন ধসিয়ে দাও এবং তাদের উপর আসমান থেকে হিসাবগ্রহণকারী প্রেরণ করো, তাদের সাহায্যের উপায়গুলো বিচ্ছিন্ন করে দাও। তাদেরকে তাদের দুর্গ থেকে নামিয়ে দাও এবং তাদের ঘাঁটি ও ঘরবাড়ি থেকে বের করে দাও, অপমানিত-লাঞ্ছিত অবস্থায়। (জাদু/জিনকে) শরীর থেকে বের করে দাও, অপমানিত অবস্থায়। তাদেরকে শরীর থেকে বের করে দাও, অপমানিত, লাঞ্ছিত, হতাশ ও অনুতপ্ত অবস্থায়। হে আল্লাহ, তাদেরকে শরীর থেকে বের করে দাও, অপমানিত, হতাশ ও অনুতপ্ত অবস্থায়।
১:০১:৩৫–১:০২:১৯
اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ مَجْنُونِينَ غَائِبِينَ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ مذلولين مدحولين غَائِبِينَ ناديمين اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ مِثْلَ الْأَوَّلِينَ مدحولين خَائِبِينَ نادي مين اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَامِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَامِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْزَاءِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ مذلولين مدحولين خَائِبِينَ نادي مين اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ مذلولين مدحولين غَائِبِينَ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ أَخْرِجْهُمْ مِنَ
হে আল্লাহ, তাদেরকে শরীর থেকে বিভ্রান্ত ও অদৃশ্য অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ, তাদেরকে শরীর থেকে অপমানিত, লাঞ্ছিত, অদৃশ্য ও অনুতপ্ত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ, তাদেরকে শরীর থেকে পূর্ববর্তীদের মতো অপমানিত, হতাশ ও অনুতপ্ত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ, তাদেরকে শরীর থেকে বের করে দাও (বারবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, তাদেরকে অংশসমূহ থেকে বের করে দাও।
১:০২:১৯–১:০২:৫৭
الْأَجْسَادِ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَامِ خَائِبِينَ وادي دي قسمتهم نكز من الكهم واقسم ظُهُورَهُمْ وقسم ظُهُورَهُمْ وَاكْسِرْ شَوْكَتَهُمْ معطل أَسْلِحَتَهُمْ وَمَا يَسْتَخْدِمُونَهُ فِي اسعارهم ضِدَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَكُلَّ مَنْ دَلَّ وَسَاهَمَ واعانه وَشَارَكَ فِي السِّحْرِ وَدَلَّلَ أَبْطِلِ الاسعار بَيْنَنَا كَانَتْ وكيفما كَانَتْ وَمَتَى كَانَتْ عَلَيْكَ بِهِمْ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ يَا قَوِيُّ يَا متيم يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ عَلَيْكَ بِكُلِّ تَابِعٍ وتابع وَغُولٍ وَغُولَةٍ وَعَادِيَتِكَ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ نَاكِلٍ بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّهُ
শরীর থেকে তাদেরকে বের করে দাও, হতাশ অবস্থায় বের করে দাও। তাদের ভাগ্য ছিন্ন করো, তাদের মেরুদণ্ড বিভক্ত করো ও তাদের শক্তি ভেঙে দাও, তাদের অস্ত্রশস্ত্র অকার্যকর করে দাও এবং মুসলিম নর-নারীদের বিরুদ্ধে তারা যা ব্যবহার করে তা অকার্যকর করে দাও, এবং যারা এতে সহায়তা করেছে, অংশ নিয়েছে ও জাদুতে সহযোগিতা করেছে তাদের সকলকেও। আমাদের মধ্যে যে জাদু রয়েছে তা যেভাবেই থাকুক, যখনই থাকুক, বাতিল করো। হে বিশ্বজগতের রব, তাদের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। হে শক্তিশালী, হে দৃঢ়! প্রতিটি অনুসারী জিন, গুল ও তার সহচরীর বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে, আল্লাহর নামে — ইহা সমস্ত জাদু বাতিল করে দেয়।
১:০২:৫৭–১:০৩:৪১
سِحْرٌ مَعْقُودٌ ينقل كُلُّهُ سِحْرٌ مَرْشُوشٌ عَلَى الْجُدْرَانِ وَالْأَبْوَابِ وَالنَّوَافِذِ وَالزَّوَايَا والارز أَوْ مَدْعُوسًا وطات والارجل وباطني الْأَقْدَامِ بِالْأَيْدِي وَالْأَصَابِعِ أَوْ مَلْبُوسًا أَوْ محسوسه ويحرق يبطل ويحرق ويحرق يُحْرَقُ يُحْرَقُ يُحْرَقُ كُلُّ المحروس مَدْفُونٌ عِنْدَ الْبُيُوتِ تَحْتَ الاعداب وَالْأَبْوَابِ الغرف المنازل وَغُرَفِ النَّوْمِ والمطابق وَدَوْرَاتِ الْمِيَاهِ وَالْجُدْرَانِ وَالْأَحْوَاشِ وَأَحْوَاضِ الزُّرُوعِ وَالنَّخِيلِ وَالْمَزَارِعِ كُلُّ مَدْفُونٍ فِي الْقُبُورِ وَالْمَقَابِرِ كُلُّهَا حَرِيمٌ مَعَ مَيِّتٍ فِي قَبْرٍ أَوْ لاحدنا أَوْ شَرٍّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ لِلْمَسْحُورِ وَالْمَسْحُورَةِ خَارِجَ هَذِهِ الْبِلَادِ وَفِي الْبِلَادِ وَفِي
প্রতিটি বাঁধা জাদু যা স্থানান্তরিত হয়, দেয়াল, দরজা, জানালা ও কোণায় ছিটানো প্রতিটি জাদু, খাদ্যে মেশানো বা পদদলিত জাদু, পায়ে ও হাতের তলায়, আঙুলে পরানো বা অনুভূত জাদু — তা জ্বালিয়ে দেয়, বাতিল করে দেয়, জ্বালিয়ে দেয় (বারবার পুনরাবৃত্তি) — প্রতিটি প্রহরীযুক্ত জাদু। বাড়ির আশেপাশে, দরজার নিচে, কক্ষে, শোবার ঘরে, রান্নাঘরে, বাথরুমে, দেয়ালে, উঠানে, বাগানে ও খেজুরবাগানে, খামারে মাটিতে পুঁতে রাখা সকল জাদু, কবর ও গোরস্তানে পুঁতে রাখা সকল জাদু — কোনো মৃতের সাথে কবরে হোক বা আমাদের কারো বিরুদ্ধে অন্য কোনো অনিষ্টে হোক — জাদুগ্রস্ত নারী-পুরুষের উপর প্রযুক্ত সকল জাদু বাতিল করো, এই দেশের বাইরে হোক বা দেশের মধ্যে হোক, আর
১:০৩:৪১–১:০৪:১৮
مَشَارِقِ الْأَرْضِ وَمَغَارِبِهَا اللَّهُمَّ نَجِّنَا مِنْ جَمِيعِ
পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিমে — হে আল্লাহ, আমাদেরকে সকল জাদু থেকে রক্ষা করো
১:০৪:১৮–১:০৪:২১
اصحابهب كُلَّ اسعار التَّنْجِيمِ وَالِاسْتِغَاثَاتِ الشِّرْكِيَّةِ كُلَّ سِحْرٍ مش مهم فِي عِطْرٍ أَوْ بَخُورٍ كُلُّهُ تحرم مَكْتُوبَةً سُفْلِيَّةً أَسْوَدَ القديم القوي جِدًّا أَوْ رُسُومَاتٍ مِنْ كِتَابِ شَمْسِ الْمَعَارِفِ كُلُّهُ قدام الازهار كُلُّ خُدَّامِ الاسعار طِينٌ وَمَرَضَى وَكُلُّ أَنْوَاعِ عفريت وَبِكُلِّ أَنْوَاعِهِمْ وَأَصْنَافِهِمْ مِنْ طَيَّارِينَ وَغَوَّاصِينَ وَزَوَاحِفَ وحياه وتعابين وَكِلَابٍ وَحَمِيرٍ وَقِطَطٍ وَحَشَرَاتٍ وَبِغَالٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ الْمُعْتَدِي اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا الْمَسِّ الْمُعْتَدِي والله ما عَلَيْكَ بِهَذَا
তাদের সহচরবৃন্দ, জ্যোতির্বিদ্যা ও শিরকপূর্ণ সাহায্যপ্রার্থনার সকল (প্রভাব) — সুগন্ধি বা ধূপে প্রযুক্ত জাদু হোক, লিখিত নিকৃষ্ট, প্রাচীন ও অতি শক্তিশালী কালো জাদু হোক, বা 'শামসুল মাআরিফ' গ্রন্থের অঙ্কিত নকশা হোক — সবকিছু হারাম ও বাতিল করো। জাদুর সকল সহায়ক (খাদিম) — মাটি, অসুস্থতা ও সকল প্রকার প্রেতাত্মা, যত প্রকারই হোক: আকাশে উড্ডয়নকারী, জলে ডুবন্ত, সরীসৃপ, সাপ, কুকুর, গাধা, বিড়াল, কীটপতঙ্গ, খচ্চর — হে আল্লাহ, এই আক্রমণাত্মক জিনের আসরের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। হে আল্লাহ, এই আক্রমণাত্মক আসরের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। আল্লাহর কসম, এই
১:০৪:৩৩–১:০৫:২০
الْمَسِّ الْمُعْتَدِي اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا المسل الْمُعْتَدِي اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهَذَا المسال الْمُعْتَدِي وَهَذَا الْخَادِمَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِهِ وعشره الْأَقْرَبِينَ سَلَّطْتَ عَلَيْهِمْ وَعَلَى قَرْيَتِهِمْ مَنْ يسلبه أَمْوَالَهُمْ ويسمي نِسَاءَهُمْ ويستبي حبايبتهم حَتَّى ياخذوا عَلَى يَدِ الظَّالِمِ مِنْهُمْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ اسعار الْخَلَوَاتِ وَالطَّلَاسِمِ وَالْحُجُبِ كُلَّ اسعار الرُّسُومَاتِ وَخَوَاطِرِ الْحَيَوَانَاتِ وَخَوَاصِّ النُّفُوسِ وَالْعَزَائِمِ كُلَّ الاسعار كُلَّ اسعار كُلَّ اسعار السَّحَرَةِ أَبْطِلْ كُلَّ أَسْحَارِهِمْ أَبْطِلْ اسعار السَّحَرَةِ وَالدَّجَّالِينَ والكانته الْمُشَعْوِذِينَ وَالْعَرَّافِينَ وَالْمُنَجِّمِينَ والرمانين
আক্রমণাত্মক আসরের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। হে আল্লাহ, এই আক্রমণাত্মক আসরের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। হে আল্লাহ, এই আক্রমণাত্মক আসর ও এই খাদেম (সহায়ক জিন) এবং তার নিকটতম দশজনের বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। যারা এদের ও তাদের জনপদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে, যারা তাদের সম্পদ লুট করে, তাদের নারীদের (বদনাম) করে, তাদের প্রিয়জনদের বন্দী করে — যতক্ষণ না তাদের মধ্যকার অত্যাচারীর হাত থেকে প্রতিশোধ নেওয়া হয়। হে আল্লাহ, গোপন বৈঠক, তালিসমান ও হিজাব (আবরণ) সম্পর্কিত সকল জাদু বাতিল করো, অঙ্কিত নকশা ও পশুর মাধ্যমে করা জাদু, আত্মিক বৈশিষ্ট্য ও মন্ত্রের মাধ্যমে করা জাদু — সকল জাদু, সকল জাদু, জাদুকরদের সকল জাদু বাতিল করো, জাদুকর, প্রতারক, নারী-গণক, বাহানাবাজ, জ্যোতিষী, রাশিবিদ ও
১:০৫:২০–১:০৫:৫৫
وَمَنْ يَضْرِبُونَ الوادعه وَيَقْرَؤُونَ الْفِنْجَانَ والكفه وَالْجُنْجُلَ وَالْحَارِثِينَ وَكُلَّ أَنْوَاعِ الاسعار الْمَرْصُودَةِ وَالنَّارِيَّةِ وَالْمَائِيَّةِ وَالْهَوَائِيَّةِ وَكُلَّ الاسعار وَكُلَّ اسعار الْهَوَائِيَّةِ وَالتُّرَابِيَّةِ والاسعار السَّوْدَاءَ وَالْحَمْرَاءَ وَالْبَيَاضَ وَالْبَيْضَاءَ وَالْإِرْسَالَ وَالْخُضُوعَ واسعار الشُّمُوعِ وَالتَّعْظِيمِ وَالطَّاعَةِ وَالتَّسْخِيرِ وَالْقَبُولِ والتهيج وَالْجَلْدِ وَالْمَحَبَّةِ وسلم افضل الاسعار الْهَوَاتِفِ هُوَ الْقَرِينُ وقدام العيد وَخُدَّامَ الْأَصْحَابِ وَخُدَّامَ الْأَسْحَارِ وَأَسْحَارَ وَإِحْرَاقَ اشعال الْمَنَازِلِ وَالْغُرَفِ وَالزَّوَايَا
যারা ভাগ্যগণনা করে, কফি-কাপ পড়ে, হাতের রেখা পড়ে, ঘণ্টা বাজায় ও জ্যোতিষচর্চা করে, এবং সকল প্রকার প্রহরী, আগুনের, পানির, বাতাসের জাদু — সকল জাদু, বাতাসের, মাটির, কালো, লাল, সাদা জাদু, আনুগত্য ও বশ্যতা সৃষ্টিকারী জাদু, মোমবাতির, সম্মানের, আনুগত্যের, বশীকরণের, গ্রহণযোগ্যতার, উত্তেজনার, চর্মরোগের ও প্রেম সৃষ্টিকারী জাদু — এসবের সর্বোত্তম প্রতিরোধ হলো (আল্লাহকে) সরাসরি ডাকা। (এটি) ক্বারীন (সহচর জিন), ঈদ, সাথীদের খাদেম ও জাদুর খাদেমদের এবং বাড়ি, কক্ষ ও কোণায়
১:০৫:৫৫–১:০৬:২৯
بِالنِّيرَانِ وَأَسْحَارِ عُبَّادِ الْكَوَاكِبِ السَّبْعَةِ
আগুন দিয়ে জ্বালানোর জাদু, এবং সাত গ্রহের পূজারীদের জাদু
১:০৬:২৯–১:০৬:৩২
وَالْحُوتِ وَالسَّرَطَانِ العقرب وَالدَّلْوِ وَالْجَوْزَاءِ وَالْمِيزَانِ وَالثَّوْرِ وَالْعَذْرَاءِ وَالْجَدْيِ وَمَا ارْتَبَطَتْ بِالْأَقْلَامِ الرُّوحَانِيَّةِ بِأَعْدَادِهَا وَحُرُوفِهَا وَطَلَاسِمِهَا وجداويلها واسعار الطَّلَاسِمِ الْمُثَلَّثِ الْغَزَالِيِّ بِطَلَاسِمِ الْعُودِ السُّلَيْمَانِيَّةِ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ الاسعار الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى وَالْبُوذِيِّينَ والهندسه واسعاره الباب لين وَالْفَرَاعِنَةِ والروبي والفرسون أَبْطِلْ الاسعار الحجم والطل سامي سليمان كُلَّ التعريف فِي كَنِيسَةٍ أَوْ مع بيتنا ضَرِيحٍ عقده وَقُبَّةٍ ثاني مُجَسَّمٍ دُمْيَةٍ لِلْأَطْفَالِ بِدَبَابِيسَ وَمَسَامِيرَ
মীন, কর্কট, বৃশ্চিক, কুম্ভ, মিথুন, তুলা, বৃষ, কন্যা, মকর রাশি এবং আত্মিক কলমের সাথে সম্পর্কিত জাদু — তার সংখ্যা, হরফ, তালিসমান ও সারণী অনুযায়ী, এবং ত্রিভুজাকার গাযালি তালিসমান ও সুলাইমানি উদ জাদুর তালিসমান। হে আল্লাহ, ইহুদি, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও হিন্দু জাদু এবং বাবেলীয়, ফারাওনি, রুবি ও ফার্সি জাদু বাতিল করো। ভারী জাদু ও তালিসমি জাদু বাতিল করো, সুলাইমান নামের সকল প্রতীক, গির্জায় বা আমাদের বাড়িতে থাকা যেকোনো মাজার, গিরা ও গম্বুজ, শিশুদের পুতুলের মূর্তি যাতে পিন ও সুঁচ
১:০৬:৩৬–১:০৭:১০
وغرزه وذته كُلَّ تعريف تِمْثَالٍ رَبَطُوهُ عقوه دَفَنُوهُ كُلَّ ساعتين فِي خُيُوطٍ حَمْرَاءَ وَسَوْدَاءَ عَقَدُوهُ وَنَفَذُوهُ كُلَّ سِحْرٍ مَعْقُودٍ مَرْبُوطٍ فِي الْمَبَايِضِ وَالْمَفَاصِلِ وَالْعِظَامِ وَالْفَقَرَاتِ كُلُّهَا تعرف مِنْ أَجْزَاءِ الْحَيَوَانَاتِ مِنْ رَأْسٍ أَوْ جَنَاحٍ أَوْ رِيشٍ صَنَعُوهُ كُلَّ سِحْرٍ مِنْ الجماجم الْقِرَدَةِ وَالْحَمِيرِ وَالضِّبَاعِ وَالطُّيُورِ وَالْكِلَابِ وَالذِّئَابِ وَالتَّمَاسِيحِ وَالْغِزْلَانِ وَالثَّعَابِينِ وَالْحَيَّاتِ وَمَا كَانَ مِنْ أَجْزَائِهَا وَشَعْرِهَا وَعِظَامِهَا وجنودها كُلَّ تعريف الْمَكَانِسِ وَالشُّمُوعِ والصوبان وَالْعَصَا وَالْخَرَزِ وَالْأَعْشَابِ وَالْخَلَطَاتِ كل النَّاسُ عرفت
গেঁথে দেওয়া হয়েছে — সকল মূর্তি যা বাঁধা হয়েছে, গিরা দেওয়া হয়েছে, মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে, লাল ও কালো সুতায় প্রতি দুই ঘণ্টায় বাঁধা, গিরা দেওয়া ও প্রবিষ্ট করানো হয়েছে — সকল বাঁধা জাদু যা ডিম্বাশয়, গ্রন্থি, হাড় ও মেরুদণ্ডে বাঁধা রয়েছে, যা পশুর অঙ্গ — মাথা, পাখা বা পালক থেকে তৈরি করা হয়েছে; বানর, গাধা, হায়েনা, পাখি, কুকুর, নেকড়ে, কুমির, হরিণ, সাপ ও সর্পের খুলি থেকে তৈরি প্রতিটি জাদু এবং তাদের অঙ্গ, চুল, হাড় ও সহায়ক থেকে তৈরি জাদু, ঝাড়ু, মোমবাতি, কাঠ, লাঠি, পুঁতি, ভেষজ ও মিশ্রণ থেকে তৈরি — এ সবই পরিচিত (জাদু)।
১:০৭:১০–১:০৭:৪৯
يُبْطَلُ بِأَمْرِ اللَّهِ والاسعار الْمُرَكَّبَةَ الَّتِي تَعَدَّدَتْ فِيهَا كُلَّ تَحْرِيرٍ بِاسْمِ الْمَسْكُونِ كَتَبُوهُ بِاسْمِ المسعوره بِاسْمِ الْأُمِّ أَوِ الْأَبِ دَوَّنُوهُ وبالتاريخ الْوِلَادَةِ رصده وبيع عُقَدٍ سِحْرِيَّةٍ أَوْ شِرْكِيَّةٍ أَوْ رُسُومَاتٍ هَنْدَسِيَّةٍ فُطِرَتْ وَانْشَقَّتْ وَانْفَجَرَتْ مِنْهَا الْعُقَدُ كُلُّهُ تعلم مِنْ مَلَابِسَ وَآثَارٍ اثاره مِنْ شَعْرٍ أَوْ رَائِحَةٍ أَوْ أَظَافِرَ أَوْ نِعَالٍ أَوْ ثِيَابٍ أَوْ مَلَابِسِ المسعوره والماس أَوْ نُحَاسٍ صَنَعُوهُ واستجلب بِهِ الشَّيَاطِينَ وَأَثَّرَ في الظاهر عَلَى الْحَرَكَةِ وَالْعَقْلِ عَلَى الْحَرَكَةِ وَالْعَقْلِ وَأَثَّرَ
আল্লাহর হুকুমে বাতিল হোক এবং সেই যৌগিক জাদু যা বহু প্রকারে বিভক্ত হয়েছে, যাতে প্রত্যেক লেখা বসবাসকারী জ্বিনের নামে, জাদুগ্রস্তের নামে, মা অথবা বাবার নামে লেখা হয়েছে এবং জন্ম তারিখ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, জাদুর বা শিরকি চুক্তি বিক্রি করা হয়েছে অথবা যান্ত্রিক নকশা তৈরি করা হয়েছে—তা ফেটে যাক, বিদীর্ণ হোক, বিস্ফোরিত হোক এই গিঁট। এটি কাপড়, চুল, গন্ধ, নখ, জুতা বা জাদুগ্রস্তের পোশাক থেকে চিহ্ন সংগ্রহ করে জানে এবং হীরা বা তামা দিয়ে তৈরি করে শয়তানদের ডেকে আনা হয়েছে এবং তা প্রকাশ্যে চলাফেরা ও বুদ্ধির উপর প্রভাব ফেলেছে, চলাফেরা ও বুদ্ধির উপর প্রভাব ফেলেছে
১:০৭:৫৪–১:০৮:৩৬
فِي الظَّهْرِ فِي الظَّهْرِ فِي الظَّهْرِ عَلَى الْحَرَكَةِ وَالْعَقْلِ وَالتَّفْكِيرِ وَالتَّنْظِيمِ وَالتَّخْطِيطِ وَالْإِحْسَاسِ وَأَثَّرَهُ وَالْبَصَرِ وَالشَّعْرِ وَالْجِلْدِ الصَّدْرِ أَثَّرَ عَلَى الصُّدُورِ وَالْقَ أَفْضَلَ سِعْرٍ السَّائِقِينَ وَالْخَدَمِ أَبْطِلْ سِحْرَ الْخَادِمَاتِ الْعَائِلَاتِ أَفْضَلَ سِعْرٍ الْمُوَظَّفِينَ وَالْمُوَظَّفَاتِ هَبَطَ الْأَسْعَارَ الْأَرْوَاحَ وَالْأَنْفُسَ وَالْأَجْسَامَ أَسْقَطَ الْأَسْعَارَ الْقَلْبَ الْعَقْلَ وَالْقُرُونَ وَالْهَوَسَ وَجُنُونَ الْعَظَمَةِ هَبَطَ الْأَسْعَارَ الطَّلَاقَ وَالتَّفْرِيقَ بَيْنَ الْأَزْوَاجِ هَبَطَ الْأَسْعَارَ الْفِرَاقَ وَالْبَغْضَاءَ وَالْإِثَارَةَ الْفِتْنَةَ فِي الْمَحَبَّةِ وَالْمَوَدَّةِ
পিঠে, পিঠে, পিঠে—চলাফেরা, বুদ্ধি, চিন্তা, সংগঠন, পরিকল্পনা ও অনুভূতির উপর প্রভাব, দৃষ্টি, চুল ও ত্বকের উপর প্রভাব, বুকের উপর প্রভাব। ড্রাইভার ও কাজের লোকদের সর্বোত্তম জাদু বাতিল কর, গৃহকর্মী পরিবারদের জাদু বাতিল কর, কর্মচারী-কর্মচারিনীদের জাদু বাতিল কর, রূহ, নফস ও দেহের জাদু নামিয়ে দাও, হৃদয়, বুদ্ধি ও অহংকারের উন্মাদনার জাদু নামিয়ে দাও, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক ও বিচ্ছেদের জাদু নামিয়ে দাও, বিচ্ছেদ, ঘৃণা ও মহব্বতে ফিতনা সৃষ্টিকারী জাদু নামিয়ে দাও
১:০৮:৩৬–১:০৯:১৪
اللَّهُمَّ أَبْطِلِ الْأَسْعَارَ عَقْدَ الْمَحَبَّةِ الْمُحَرَّمَةِ وَالزِّنَا وَالصَّرْفَ وَالْعَطْفَ وَأَسْعَارَ الْوُقُوعِ فِي الزِّنَا أَسْعَارَ التَّسْجِيلِ وَالْجَلْبِ عَلَيَّ وَأَخَّرَتْ زَوَاجَ حُطَّ الْأَسْعَارَ الْعُنُوسَةَ وَالْبَوَارَ حُطَّ الْأَسْعَارَ وَصَلَتْ مِنْ أَزْوَاجِكُمُ الْخُطُوَاتِ حُطَّ الْأَسْعَارَ الْعُشَّاقَ مِنَ الْجَانِّ وَالْقَرِيبِ رَبَطَ الْأَسْعَارَ قُدَّامَ الْعَيْنِ الْحَاسِدَةِ وَخُدَّامَ السِّحْرِ وَأَسْعَارَ الْمَرْضَى بِهَا أَشْكَالَهُ بِأَسْعَارِ السَّرَطَانِ بِأَنْوَاعِهِ وَأَسْعَارَ الدَّمَارِ وَالنِّزَاعِ وَالتَّشْدِيدِ وَأَسْعَارَ الْجُنُودِ وَالْوَسْوَسَةِ وَاخْتِلَالِ الْعُقُولِ فَمَطَّ الْأَسْعَارَ الْعُقْمَ وَعَدَمَ الْإِنْجَابِ أَبْطِ
হে আল্লাহ! হারাম মহব্বতের বন্ধন, ব্যভিচার, বশীকরণ ও স্নেহের জাদু বাতিল কর, ব্যভিচারে লিপ্ত করার জাদু বাতিল কর, আকর্ষণ ও বিবাহ বিলম্বিত করার জাদু বাতিল কর, অবিবাহিত থাকা ও বন্ধ্যাত্বের জাদু নামিয়ে দাও, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টিকারী জাদু নামিয়ে দাও, জ্বিন ও নিকটজনদের দ্বারা প্রেমাসক্তির জাদু নামিয়ে দাও, হিংসুক চোখ ও জাদুর সেবকদের বাঁধন নামিয়ে দাও, বিভিন্ন প্রকার অসুস্থতার জাদু, সব ধরনের ক্যান্সারের জাদু, ধ্বংস, বিরোধ ও কঠোরতার জাদু, জ্বিন-সৈন্য, কুমন্ত্রণা ও বুদ্ধিভ্রংশের জাদু নামিয়ে দাও, বন্ধ্যাত্ব ও সন্তান না হওয়ার জাদু বাতিল কর
১:০৯:১৫–১:০৯:৫৪
الْأَسْعَارَ كَثْرَةَ الْإِسْقَاطِ وَكَثْرَةَ الْإِسْلَامِ أَفْضَلَ الْأَسْعَارِ النَّزِيفَ الْمُسْتَمِرَّ وَالْمُتَقَطِّعَ كُلَّ عُقْدَةٍ وَرَبْطٍ شَدِيدٍ فِي الْأَرْحَامِ بِحَرْقِ مَا فِي الْأَرْحَامِ مِنْ عُقَدٍ مَسْدُودَةٍ كُلُّهُ تَحُبُّ أَثَّرَ عَلَى انْتِظَامِ الدَّوْرَةِ الشَّهْرِيَّةِ كُلُّهَا تَأَثَّرَ عَلَى الْمُخِّ وَالْمُخَيْخِيِّ وَالْغُدَدِ وَعُبِّرَ السِّحْرُ وَالشِّبَاكُ السِّعْرُ وَخَرَزُ السِّعْرِ وَمَعَادِنُ السِّعْرِ وَمِنْ أَثْقَالٍ وَأَغْلَالٍ وَعَلَقِ السِّحْرِ الْمُتَحَجِّرِ وَالْمُتَّصِلِ بِمِنْهَا كُلُّهُ تَحْرِيرٌ مُسْتَمِرٌّ مُمْتَدٌّ مُتَوَاصِلٌ كُلُّ الْأَسْعَارِ مَا عَلِمْنَا مِنْهَا وَمَا لَمْ نَعْلَمْ مَا قَدَرْنَا عَلَيْهَا وَمَا لَمْ نَقْدِرْ اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ الْأَسْعَارِ كُلَّ الْأَسْعَارِ مَا عَلِمْنَا مِنْهَا وَمَا لَمْ نَعْلَمْ مَا
অধিক গর্ভপাত ও অধিক রক্তস্রাবের জাদু, ক্রমাগত ও বিরতিহীন রক্তস্রাবের জাদু বাতিল কর, গর্ভাশয়ে প্রত্যেক গিঁট ও কঠোর বাঁধন, গর্ভাশয়ে বন্ধ গিঁট পুড়িয়ে দাও, যা মাসিক চক্রের নিয়মিততার উপর প্রভাব ফেলে, যা মস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক ও গ্রন্থিসমূহের উপর প্রভাব ফেলে, জাদু, জাল, পুঁতি, ধাতু, বোঝা, শৃঙ্খল এবং পাথরে পরিণত সংযুক্ত জাদুর মাধ্যমে—এসব একটানা, বিস্তৃত ও অবিচ্ছিন্ন বন্ধন, সমস্ত জাদু যা আমরা জানি ও যা জানি না, যার উপর আমরা সক্ষম ও যার উপর সক্ষম নই। হে আল্লাহ! সমস্ত জাদু বাতিল কর, সমস্ত জাদু যা আমরা জানি ও যা জানি না
১:০৯:৫৪–১:১০:৩২
قَدَرْنَا عَلَيْهَا ومالم نَقْدِرْ مَا تَوَصَّلْنَا إِلَيْهَا وَمَا لَمْ نَتَوَصَّلْ الْقَرِيبَةَ وَالْبَعِيدَةَ كُلَّ الاسعار الْكَثِيرَةِ الَّتِي فِيهَا تَعَقَّدَتْ تنوعت وَتَشَكَّلَتْ وَتَعَدَّلَتْ الاسعار الْأُسَرِ وَالْأَقَارِبِ وَالْعَوَائِلِ وَالْأَزْوَاجِ والاسود عوائل وَالْأَرْحَامِ أَبْطِلْ أَسْحَارَ الْأَرَقِ وَالْقَلَقِ ابط الاسحار الْفَشَلِ وَالْهَزِيمَةِ حُطَّ الاسعار بتعطيله عَنْ عَمَلٍ أَوْ فِعْلٍ أَوْ قَوْلٍ أَبْطِلْ اسحاراسيان وَشُرُودِ الاذان اعضاء وَأَجْهِزَةِ الْجَسَدِ كُلَّ سِحْرِ الا إِفْسَادِ الْأَجْسَادِ الصانعوه كلما فِي الْبُيُوتِ مِنْ اسعار الخفيه يطير فِي شَجَرِنَا
যার উপর আমরা সক্ষম ও যার উপর সক্ষম নই, যা পর্যন্ত পৌঁছেছি ও পৌঁছাইনি, নিকটবর্তী ও দূরবর্তী সেই সমস্ত অসংখ্য জাদু যা জটিল হয়েছে, বিভিন্ন রূপ নিয়েছে, গঠিত ও পরিবর্তিত হয়েছে—পরিবার, আত্মীয়, গোত্র, স্বামী-স্ত্রী ও কালো জাদু-পরিবার এবং গর্ভাশয়ের জাদু বাতিল কর। অনিদ্রা ও উদ্বেগের জাদু বাতিল কর, ব্যর্থতা ও পরাজয়ের জাদু বাতিল কর, কাজ, কর্ম বা কথা থেকে নিষ্ক্রিয় করার জাদু নামিয়ে দাও, ভুলে যাওয়া ও মনোযোগ হারানোর জাদু বাতিল কর, দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রত্যেক জাদু, দেহ নষ্টকারী প্রত্যেক জাদু যা তারা তৈরি করেছে, ঘরে যত গোপন জাদু আছে তা আমাদের গাছে উড়ে যাক
১:১০:৩২–১:১১:১৩
كُلُّهَا حَرِيمٌ مَنْقُوشٌ مَنْحُوتٌ كُلُّهُ مُلُوكُ الْجَانِّ وَمَرَضَتُهُمْ كُلُّ سِحْرٍ أَثَّرَ عَنِ الْمَبَايِضِ وَالْأَرْحَامِ كُلُّ لَا تُعْرَفُ فِيهِ جَوٍّ 30
সবই খোদাই করা ও নকশাকৃত হারাম বস্তু, সবই জ্বিন-রাজা ও তাদের ক্ষমতাপ্রাপ্তদের কাজ, ডিম্বাশয় ও গর্ভাশয়ের উপর প্রভাবকারী প্রত্যেক জাদু, যা সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না
১:১১:১৪–১:১১:২৫
فِي كِتَابِكَ وَآيَاتِكَ وَصِفَاتِكَ كُلُّ سِحْرٍ تَحَرَّكَاتِ الرِّيَاحِ أَوْ أَحْرَقَتْهُ النِّيرَانُ كُلُّهَا أَشْرَقَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ أَوْ عَلَيْهِ الظَّلَامُ كُلُّ مَا تَعَرَّفَ فِي غَارٍ أَوْ جَبَلٍ أَوْ تُرَابٍ أَوْ هَبَطَ الْأَسْعَارَ رَبَطَ الْأَزْوَاجَ وَالزَّوْجَاتِ كُلُّ سِحْرٍ بِمَنْعِ زَوْجَةٍ مِنْ زَوْجِهَا كُلُّ سِعْرٍ مَنَعَ زَوْجًا مِنْ زَوْجَتِهِ كُلُّ رَبْطٍ عَلَى الْفُرُوجِ وَالْعَوْرَاتِ أَفْضَلَ أَسْعَارَ الْبَغْضَاءِ وَالشَّحْنَاءِ وَالْفِتْنَةِ أَبْطِلْ أَسْعَارَ التَّعْطِيلَةِ عَنِ الْعَمَلِ وَالْوَظِيفَةِ رَبْطَ التَّبْدِيدِ الْأَمْوَالَ وَتَبْذِيرَهَا أَبْطِ الْأَسْعَارَ الْفَقْرَ وَالْعَوَزَ وَالْحَاجَةَ أَفْضَلَ أَسْعَارَ الْكُفْرِ وَالْفُجُورِ وَالتَّكْثِيرِ كُلُّ سِحْرٍ يَصُدُّ عَنْهُ الِالْتِزَامَ
আপনার কিতাব, আয়াতসমূহ ও গুণাবলীর মাধ্যমে, প্রত্যেক জাদু যা বাতাসের চলাচলে আছে বা আগুন তা পুড়িয়েছে, যার উপর সূর্য উদিত হয়েছে বা অন্ধকার পড়েছে, যা গুহায়, পাহাড়ে বা মাটিতে আছে তা জানা যাক—স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনের জাদু নামিয়ে দাও, স্ত্রীকে স্বামী থেকে বিরত রাখার প্রত্যেক জাদু, স্বামীকে স্ত্রী থেকে বিরত রাখার প্রত্যেক জাদু, লজ্জাস্থান ও গুপ্তাঙ্গের উপর প্রত্যেক বাঁধন বাতিল কর, ঘৃণা, বিদ্বেষ ও ফিতনার জাদু বাতিল কর, কাজ ও চাকরি থেকে নিষ্ক্রিয় করার জাদু বাতিল কর, অর্থ অপচয়ের বাঁধন বাতিল কর, দারিদ্র্য ও অভাবের জাদু বাতিল কর, কুফর, পাপাচার ও তা বৃদ্ধির জাদু বাতিল কর, দ্বীনের পাবন্দি থেকে বাধাদানকারী প্রত্যেক জাদু বাতিল কর
১:১১:৩৬–১:১২:১৯
وَالِاسْتِقَامَةِ كله سِحْرٍ يَصُدُّ عَنِ الْحِجَابِ وَالْحِشْمَةِ كُلَّ سِحْرٍ يَصُدُّ عَنِ الْقُرْآنِ وَالسُّنَّةِ كُلَّ تَحْرِيرٍ يَصُدُّ عَنِ الْإِسْلَامِ وَالْإِيمَانِ أَبْطِلْ الاسعار الشكي وَالتَّشْكِيكِ فِي الْعَقِيدَةِ وَالْمُعْتَقَدِ أَبْطِلْ اسعار الْقَتْلِ وَالْهَلَاكِ وَالِانْتِحَارِ هبط الاسعار الْقَتْلِ وَالِانْتِقَامِ وَالدَّمَارِ
সততার উপর প্রভাবকারী প্রত্যেক জাদু, পর্দা ও শালীনতা থেকে বাধাদানকারী প্রত্যেক জাদু, কুরআন ও সুন্নাহ থেকে বাধাদানকারী প্রত্যেক জাদু, ইসলাম ও ঈমান থেকে বাধাদানকারী প্রত্যেক বন্ধন বাতিল কর, আকিদা ও বিশ্বাসে সন্দেহ সৃষ্টিকারী জাদু বাতিল কর, হত্যা, ধ্বংস ও আত্মহত্যার জাদু বাতিল কর, হত্যা, প্রতিশোধ ও ধ্বংসের জাদু নামিয়ে দাও
১:১২:১৯–১:১২:৩৬
عُيُونِ السَّحَرَةِ وَالسَّاحِرَاتِ كُلَّ سِحْرٍ تَمَّ بِلَمْسَةٍ أَوْ بِمَسْكَةٍ أَوْ بِمُصَافَحَةٍ قوي خفيا ابطل احرقوا أَبْطِلْ وَحُلَّ أَكْبَرَ الْعُقَدِ وَمَا تَفَرَّعَ مِنْهَا أَحْرِقْ أَبْطِلْ وَحُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ فِي الْأَجْسَادِ وَفِي الدِّمَاءِ وَفِي الْعُرُوقِ وَفِي الْعِظَامِ وَفِي الْأَعْصَابِ وَالْخَلَايَا وَالْأَمْعَاءِ وَالْقُلُوبِ اللَّهُمَّ فكما ابو طلت أَوَّلَهُ واوصطه فاضط الاخره وَمَا بَقِيَ مِنْهُ أَحِلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ أَوَّلَهَا وَأَوْسَطَهَا وَمَا بَقِيَ مِنْهَا
জাদুকর ও জাদুকরনীদের চোখের মাধ্যমে, প্রত্যেক জাদু যা স্পর্শ, ধরা বা করমর্দনের মাধ্যমে করা হয়েছে—শক্তিশালী বা গোপনীয়ভাবে—বাতিল কর, পুড়িয়ে দাও, খুলে দাও সবচেয়ে বড় গিঁট ও তার শাখা-প্রশাখা। পুড়িয়ে দাও, বাতিল ও খুলে দাও দেহে, রক্তে, শিরায়, হাড়ে, স্নায়ুতে, কোষে, নাড়িভুঁড়িতে ও হৃদয়ে প্রত্যেক গিঁট। হে আল্লাহ! যেমন আপনি এর প্রথম ও মধ্যভাগ বাতিল করেছেন, তেমনি এর শেষভাগ ও অবশিষ্ট অংশ বিলুপ্ত করুন—এর প্রথম, মধ্য ও অবশিষ্ট প্রত্যেক গিঁট খুলে দিন
১:১২:৪৫–১:১৩:১৫
وَمَا اجمعين سِحْرُ الْأُسَرِ وَالْعَوَائِلِ وَالْأَزْوَاجِ أَصْلُهُ مَرْبُوطٌ فِي الْأُمِّ أَوِ الْأَبِ حُلَّ كُلَّ عُقْدَةٍ سِحْرِيَّةٍ وَعُقَدَ شِرْكِيَّةٍ وَعُقَدَ الطَّلَاسِمِ أَخْرِجْ مَا خَبَّئُوا وَأَبْطِلْ مَا صَنَعُوا إِنَّ اللَّهَ بطل إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا لَا يُغَادِرُ سِحْرًا مَأْكُولًا ومشروبا ومنطورا ومدعوس رُبِطَ كُلُّ سِحْرٍ فِي غَارٍ فِي الْأَجْوَاءِ وَالْأَعْمَاقِ كُلُّهُ تحرم مَرْبُوطًا بِالْحِبَالِ وَالْخُيُوطِ فِي الْحَدِيدِ وَالْأَسْلَاكِ الْغَلِيظَةِ وَفِي الزُّجَاجِ وَالْإِبَرِ وَالْخَرَزِ والسبع مَصْبُوبًا بِسَائِرِ الرَّصَاصِ
এবং সকলের জাদু—পরিবার, গোত্র ও স্বামী-স্ত্রীর জাদু, যার মূল মা বা বাবার সাথে বাঁধা—প্রত্যেক জাদুর গিঁট, শিরকি বন্ধন ও তাবিজের বন্ধন খুলে দাও, তারা যা লুকিয়েছে তা বের করে দাও এবং যা তৈরি করেছে তা বাতিল কর। নিশ্চয় আল্লাহ বাতিল করেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করবেন। এমন সুস্থতা দিন যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, এমন সুস্থতা দিন যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না—খাদ্যে, পানীয়ে, শ্বাসে ও পদদলিত বস্তুতে জাদু অবশিষ্ট না থাকুক। গুহায়, বাতাসে ও গভীরতায় বাঁধা প্রত্যেক জাদু, রশি ও সুতা দিয়ে, লোহা ও মোটা তারে, কাচে, সূঁচে, পুঁতিতে এবং সীসা দিয়ে ঢালাই করা সবকিছুর মধ্যে বাঁধা জাদু হারাম হোক
১:১৩:১৯–১:১৪:০৫
وَالزِّئْبَقِ الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ وَكُلِّ أَنْوَاعِهِ وانواانه وَأَسْحَارِ الْمَقْبُوضَةِ كُلِّ الْأَسْحَارِ الْمَقْبُوضَةِ وَالْمُحْكَمَةِ وَالْمَتِينَةِ وَالْمُلْصَقَةِ وَالْمَرْبُوطَةِ وَالْمُحَصَّنَةِ وَالْكَبِيرَةِ وَأَسْحَارٍ واسعار تَتَجَدَّدُ وَتَتَنَقَّلُ عَلَيْهَا مِنْ مُلُوكِ الْجَانِّ الظَّالِمِينَ وامراهم الْفَاجِرِينَ وَسَلَاطِينِهِمُ الظَّالِمِينَ وَمُلُوكِهِمُ الْغَاشِمِينَ كُلَّ الناس أَوْ نَعْلٍ أَوْ سِلْسَالٍ كُلُّهُ عَلَى أَمْوَاجِ الْبِحَارِ وَالْأَنْهَارِ وَعَلَى أَجْنِحَةِ الطُّيُورِ وَعَلَى رُؤُوسِ الْأَشْجَارِ وَدَاخِلَ الْقَوَارِيرِ وَفِي الْمَزَارِعِ وَالْبَسَاتِينِ وَالْأَحْوَاضِ مُحْكَمُهُمْ فِي الصَّنَادِيقِ عَلَيْهَا الْحِرَاسَةُ وَالْخُدَّامُ وَالْإِقْبَالُ وَالْعَهْدَةُ
এবং লাল ও কালো পারদ এবং তার সব প্রকার, এবং ধৃত জাদুসমূহ—সমস্ত ধৃত, দৃঢ়, শক্ত, লেপনকৃত, বাঁধা, সুরক্ষিত ও বড় জাদু, এবং জাদু যা নবায়ন হয় ও স্থানান্তরিত হয় অত্যাচারী জ্বিন-রাজাদের, তাদের পাপাচারী আমীরদের, তাদের অত্যাচারী সুলতানদের ও রাজাদের দ্বারা—সব মানুষ, জুতা বা শৃঙ্খল, সবকিছু সমুদ্র ও নদীর ঢেউয়ে, পাখির ডানায়, গাছের মাথায়, বোতলের ভিতরে, খামারে, বাগানে ও হাউজে, তাদের সিন্দুকে সুরক্ষিত যার উপর প্রহরী, সেবক, স্বাগত ও দায়িত্ব রয়েছে
১:১৪:০৫–১:১৪:৪১
وَالْمَوَاثِيقِ أَثَّرَتْ عَلَى الْقَوْلِ وَالْعَوَاطِفِ وَالنَّفْسِيَّاتِ أَرْهَقَتْهَا وَأَتْعَبَتْهَا وَقَهَرَتْهَا اللَّهُمَّ دُقَّ السَّاحِرَةَ انا من سحره اللَّهُمَّ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ يَا رَبُّ يَا رَبُّ اللَّهُمَّ يَا اللَّهُ ياقوي السَّاحِرَةَ على سحره هَذِهِ قِصَّةُ سَاحِرَةٍ الخبيثه الحاقده عَلَى نَاسٍ سحرها اجْعَلْ عَاقِبَةَ أَمْرِهِمْ إِلَى خُسْرَانٍ اقْلِبْ أَعْوَانَ السحرتي خَائِبِينَ رُدَّ كَيْدَهُمْ اللَّهُمَّ صليت بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ اجْعَلْ بعثهم بَيْنَهُمْ شَدِيدًا أَهْلِكِ الظَّالِمِينَ بِالظَّالِمِينَ وَأَخْرِجْنَا مِنْ بَيْنِهِمْ سَالِمِينَ غَانِمِينَ عَلَى كُلِّ ظَالِمٍ وَظَالِمٍ وَحَاقِدٍ وَحَاقِدٍ وَحَاقِدٍ وحازدا وَمُنْتَقِمٍ وَمُنْتَقِمٍ لَا يُغَادِرُنَا هَذَا الْجَسَدَ إِلَّا
এবং প্রতিশ্রুতিসমূহ কথা, আবেগ ও মানসিকতার উপর প্রভাব ফেলেছে, তা ক্লান্ত, শ্রান্ত ও নিপীড়িত করেছে। হে আল্লাহ! জাদুকরনীকে দুর্বল করে দিন, আমি তার জাদু থেকে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ, হে আল্লাহ, হে রব, হে রব, হে আল্লাহ, হে শক্তিশালী! জাদুকরনীকে তার জাদুর উপরই পরাস্ত করুন। এই এক নিকৃষ্ট, হিংসুক জাদুকরনীর কাহিনী যে মানুষের উপর জাদু করেছে—তাদের পরিণতি ক্ষতির মধ্যে নিয়ে যান। জাদুকরদের সহায়কদের ব্যর্থ করুন, তাদের চক্রান্ত তাদের দিকেই ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ, তাদের একজনকে অন্যজনের উপর লেলিয়ে দিন, তাদের মধ্যে কঠোর বিরোধ সৃষ্টি করুন, অত্যাচারীদের অত্যাচারী দিয়ে ধ্বংস করুন এবং আমাদের তাদের মধ্য থেকে নিরাপদে ও বিজয়ী অবস্থায় বের করে আনুন। প্রত্যেক অত্যাচারী, হিংসুক ও প্রতিহিংসাপরায়ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে—এই দেহ আমাদের ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না
১:১৪:৪১–১:১৫:২৩
جَهَنَّمَ مَحْمُولِينَ وَفِي عَذَابِكَ وسقطك ونعنتك مَغْمُوسِينَ وَعَنْ رَحْمَتِكَ مَطْرُودِينَ مبدين اخر اسال سنتهم واعمي أَبْصَارَهُمْ وَشُلَّ ايمانهم وجميد الدِّمَاءَ فِي عُرُوقِهِمْ وَافْضَحْ امك شيف سِتْرَهُمْ وهدى أَرْكَانَهُمْ وَزَلْزِلِ الْأَرْضَ مِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ وَكُلَّ مَنْ اعانك وشاركت وساهمت وذلت وحقدت وحددت وسحرت واخذت وسرقت مِنْ أَثَرٍ وَكُلَّ مَنْ كَانَتْ لَهَا مَصْلَحَةٌ اجْعَلْ مَا كَادُوهُ وَصَنَعُوهُ وَسَحَرُوهُ وَعَقَدُوهُ وَنَفَّذُوهُ فِي أَنْفُسِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ اقْلِبْ أَعْوَانَ السحارتي قائم رُدَّ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمْ وَأَخْرِجْهُمْ مِنَ الْأَجْسَادِ الذله صَاغِرِينَ اخرج مِنَ الْأَجْسَادِ ادله صَغِيرِينَ
জাহান্নামে বহন করা হোক, আপনার আযাবে, পতনে ও অভিশাপে নিমজ্জিত হোক এবং আপনার রহমত থেকে বিতাড়িত হোক। তাদের জিহ্বা শিথিল করে দিন, দৃষ্টি অন্ধ করে দিন, হাত অবশ করে দিন, শিরার রক্ত জমাট বাঁধিয়ে দিন, পর্দা উন্মোচিত করে দিন, স্তম্ভ ধ্বংস করে দিন এবং পায়ের নিচে থেকে ভূমি কম্পিত করে দিন। যে কেউ তাকে সাহায্য করেছে, অংশগ্রহণ করেছে, সহযোগিতা করেছে, হিংসা করেছে, নির্ধারণ করেছে, জাদু করেছে, নিয়েছে ও চুরি করেছে কোনো চিহ্ন থেকে, এবং যার কোনো স্বার্থ ছিল—তারা যা চক্রান্ত করেছে, তৈরি করেছে, জাদু করেছে, বেঁধেছে ও কার্যকর করেছে তা তাদের নিজেদের, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের উপরই ফিরিয়ে দিন। জাদুকরদের সহায়কদের উল্টে দিন, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন এবং দেহ থেকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত অবস্থায় বের করে দিন, দেহ থেকে ক্ষুদ্র ও হীন অবস্থায় বের করে দিন
১:১৫:২৭–১:১৬:১৬
خَاسِئِينَ مَدْحُورِينَ انْصُرْ عِبَادَكَ وان وَأُمَّتَكَ الْمَظْلُومِينَ الْمُسْتَضْعَفِينَ انْصُرْ كِتَابَكَ وَدِينَكَ وَسُنَّةَ نَبِيِّكَ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ افْتَحْ لَهُمْ فَتْحًا مُبِينًا ونصر مؤذرا كيومي بَدْرٍ أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ جدا مِنَ السَّمَاءِ الى قبل لَهُمْ بِهَا أَنْزِلْ عَلَيْهِمْ شِفَاءَكَ وَارْفَعْ عَنْهُمْ بلائك اشفي أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا اللَّهُمَّ لا الْعُقْدَةَ السحري الله أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي
অপমানিত ও তাড়িত অবস্থায়। আপনার বান্দাদের সাহায্য করুন এবং আপনার উম্মতের মধ্যে অত্যাচারিত ও দুর্বলদের সাহায্য করুন। আপনার কিতাব, দ্বীন ও নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুন্নাহকে সাহায্য করুন। তাদের জন্য স্পষ্ট বিজয় উন্মুক্ত করুন এবং বদরের দিনের মতো সাহায্য প্রদান করুন। তাদের উপর আকাশ থেকে রহমত নাযিল করুন, তাদের উপর আপনার শিফা নাযিল করুন এবং তাদের থেকে পরীক্ষা তুলে নিন। শিফা দিন, আপনিই শিফাদাতা, আপনার শিফা ব্যতীত কোনো শিফা নেই, এমন শিফা যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না। হে আল্লাহ! জাদুর গিঁট দূর করুন, আল্লাহ, আপনি পবিত্র, নিশ্চয় আমি
১:১৬:১৬–১:১৬:৪৭
عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عُقْدَه عَطَانِي وَأَخْرَجَ مَا خَبَّئُوا مَا تَمَّ السِّحْرُ إِلَّا بِإِذْنِكَ وَبِعِلْمِكَ وَلَا يَبْطُلُ إِلَّا بِمَشِيئَتِكَ وَقُدْرَتِكَ اكفينا بئس السَّحَرَةِ وَالشَّيَاطِينِ وَالْعَفَارِيتِ وَالْمَرَدَةِ إِنَّكَ أَشَدُّ بَأْسًا وَأَشَدُّ تَنْقِيلًا هَذَا وَالدَّعَوَاتُ الْمُسْتَجَابَاتُ اللَّهُمَّ عَافِنَا مِنْ أَنْفُسِ الْجِنِّ وَأَعِنِ الْإِنْسَانَ اشْفِي أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً إِلَّا يُغَادِرُ سَقَمًا نَدْعُوكَ دَعْوَه الْمَظْلُومِينَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَدْعُوكَ دَعْوَه الْمَظْلُومِينَ الْمُضِرِّينَ
গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট, গিঁট—আমাকে দিয়েছেন, এবং তারা যা লুকিয়েছে তা বের করে দিন। জাদু শুধুমাত্র আপনার অনুমতি ও জ্ঞানেই সংঘটিত হয়েছে এবং শুধুমাত্র আপনার ইচ্ছা ও ক্ষমতায়ই বাতিল হবে। আমাদের জন্য যথেষ্ট হোন নিকৃষ্ট জাদুকর, শয়তান, ভূত-প্রেত ও অবাধ্যদের বিরুদ্ধে। নিশ্চয় আপনি অতি কঠোর শাস্তিদাতা ও অতি কঠোর প্রতিশোধগ্রহণকারী। এই হলো কবুল হওয়া দোয়াসমূহ। হে আল্লাহ! আমাদের জ্বিনদের ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন এবং মানুষকে সাহায্য করুন। শিফা দিন, আপনিই শিফাদাতা, আপনার শিফা ব্যতীত কোনো শিফা নেই, এমন শিফা যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না। আমরা আপনাকে ডাকছি অত্যাচারিতদের দোয়া দিয়ে, হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে ডাকছি অত্যাচারিত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দোয়া দিয়ে
১:১৬:৫৩–১:১৭:৪১
فَخُذْ بِحَقِّنَا مِمَّنْ ظَلَمَنَا وَحَسَدَنَا وَسَحَرَنَا وَقَذَفَنَا مِنْ إِنْسٍ وَجِنٍّ وَشَيَاطِينَ وَمِنَ الْأَقْرِبَاءِ وَالْجِيرَانِ وَالْأَصْدِقَاءِ اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلْجِنِّ وَالشَّيَاطِينِ فِي أَجْسَادِنَا قَرَارًا اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلْجِنِّ وَالشَّيَاطِينِ فِي أَجْسَادِنَا مَسْكَنًا وَمُسْتَقَرًّا وَقَرَارًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُمْ مِنَ الرُّؤُوسِ وَالْعُيُونِ وَالصُّدُورِ وَالْبُطُورِ وَالْأَيْدِي وَالْأَقْدَامِ وَالْأَحْشَاءِ وَالْأَرْحَامِ وَالْعِظَامِ وَالْأَعْصَابِ وَالْعُرُوقِ وَالْأَظَافِرِ وَالشُّعُورِ فَانْذُرْ رَحْمَه مِنْ رَحْمَتِكَ الَّتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ وَأَنْزِلْ
আমাদের অধিকার আদায় করে দিন তাদের কাছ থেকে যারা আমাদের প্রতি অত্যাচার করেছে, হিংসা করেছে, জাদু করেছে ও অপবাদ দিয়েছে—মানুষ, জ্বিন ও শয়তান থেকে এবং আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের মধ্য থেকে। হে আল্লাহ! আমাদের দেহে জ্বিন ও শয়তানদের জন্য কোনো আবাসস্থল রাখবেন না। হে আল্লাহ! আমাদের দেহে জ্বিন ও শয়তানদের জন্য কোনো বসবাসস্থল, আবাসস্থল ও স্থিতিস্থল রাখবেন না। হে আল্লাহ! তাদের বের করে দিন, হে আল্লাহ! তাদের বের করে দিন মাথা, চোখ, বুক, পেট, হাত, পা, অন্ত্র, গর্ভাশয়, হাড়, স্নায়ু, শিরা, নখ ও চুল থেকে। আপনার সেই রহমত পাঠান যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করেছে এবং নাযিল করুন
১:১৭:৪১–১:১৮:২৫
آهْ بِالشَّفَايِفِكَ عَلَى كُلِّ سِحْرٍ فَيَضْطَلُّ وَيَزُولُ وَيُحْرَقُ وَيَخْرُجُ وَيَفْسُدُ أَعِنَّا وَلَا تُعِنْ عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا وَلَا تَنْصُرْ عَلَيْنَا وَاهْدِنَا وَ انْكُرْ لَنَا وَلَا تَذْكُرْ عَلَيْنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا اللَّهُمَّ بَصِّرْ كُلَّ مَسْحُورٍ بِمَكَانِ سِحْرِهِ وَبِدَايَه وَدَوَائِهِ حُلَّ السِّحْرُ عَنْ كُلِّ مَسْحُورٍ وَمَسْحُورَةٍ وَكُلِّ مَرْبُوطٍ وَمَرْبُوطًا اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِ السَّحَرَةِ وَخُدَّامِهِمْ وَأَعْوَانِهِمْ وَحُرَّاسِهِمْ وَكُبَرَائِهِمْ مِنَ الشَّيَاطِينِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ غَدْرِهِمْ
আপনার শিফা দিয়ে প্রত্যেক জাদু—তা দুর্বল হোক, বিলুপ্ত হোক, পুড়ে যাক, বের হয়ে যাক ও নষ্ট হয়ে যাক। আমাদের সাহায্য করুন এবং আমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করবেন না, আমাদের সাহায্য করুন এবং আমাদের বিরুদ্ধে বিজয় দেবেন না, আমাদের হেদায়েত দিন, আমাদের জন্য ক্ষমা করুন এবং আমাদের বিরুদ্ধে স্মরণ করবেন না, যে আমাদের প্রতি অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। হে আল্লাহ! প্রত্যেক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিকে তার জাদুর স্থান, শুরু ও চিকিৎসা সম্পর্কে অবহিত করুন, প্রত্যেক জাদুগ্রস্ত নারী-পুরুষের এবং প্রত্যেক বাঁধা ব্যক্তির জাদু খুলে দিন। হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে জাদুকর, তাদের সেবক, সহায়ক, রক্ষী ও শয়তানদের নেতাদের গলদেশে স্থাপন করছি। হে আল্লাহ! আমরা তাদের বিশ্বাসঘাতকতা থেকে আপনার আশ্রয় চাই
১:১৮:২৫–১:১৯:১৬
وَمِنْ حِقْدِهِمْ وَحَسَدِهِمْ وَانْتِقَالِهِمْ نَعُوذُ بِكَ مِنْ شِدَّه بَطْشِهِمْ وَتَرَبُّصِهِمْ وَمُتَابَعَتِهِمْ وَتَ أَيْدِيهِمْ
এবং তাদের হিংসা, ঈর্ষা ও স্থানান্তরের অপকৌশল থেকে আমরা আপনার আশ্রয় চাই, তাদের কঠোর আক্রমণ, ওঁত পেতে থাকা ও অনুসরণ এবং তাদের হাত থেকে
১:১৯:১৬–১:১৯:২৬
وَاسْتِمَاتَتِهِمْ فِي الْبَاطِنِ نَعُوذُ بِكَ مِنْ شَهَوَاتِهِمْ وَضَلَالَاتِهِمْ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ حَسْبُنَا الْخَالِقُ مِنَ الْمَخْلُوقِ حَسْبُنَا اللَّهُ حَسْبُنَا اللَّهُ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ
এবং গোপনে তাদের মরিয়া প্রচেষ্টা থেকে আমরা আপনার আশ্রয় চাই, তাদের কামনা-বাসনা ও বিভ্রান্তি থেকে। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। মাখলুকের বিরুদ্ধে স্রষ্টাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম
১:১৯:৩১–১:১৯:৫০
وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ رَبَّ جِبْرَائِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَائِيلَ نَشْكُو إِلَيْكَ ضَعْفَ قُوَّتِنَا وَقِلَّةَ حِيلَتِنَا وهوانا عَلَى النَّارِ إِلَى مَنْ تَكِلُنَا إِلَى مَنْ تَكِلُنَا يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ إِلَى عَدُوٍّ يَتَجَهَّمُونَ أَمْ إِلَى قَرِيبٍ مَلَّكْتَهُ أَمْرَنَا إِلَهَنَا لَيْسَ لَنَا فِي الْكَوْنِ إِلَهٌ غَيْرُكَ فند عوا وَلَيْسَ لَنَا فِي الْكَوْنِ إِلَهٌ غَيْرُكَ فَلَا نَرْجُوا
আর তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন, নিশ্চয়ই তুমি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব, আমরা তোমার কাছে আমাদের শক্তির দুর্বলতা, উপায়ের স্বল্পতা এবং মানুষের সামনে আমাদের অসহায়ত্বের অভিযোগ করছি। আমরা কার হাতে সঁপে দিচ্ছি, কার হাতে সঁপে দিচ্ছি, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ! কোনো রূঢ় শত্রুর হাতে, নাকি এমন কোনো নিকটজনের হাতে যাকে তুমি আমাদের বিষয়ে ক্ষমতা দিয়েছ? আমাদের ইলাহ! এই বিশ্বজগতে তুমি ছাড়া আমাদের আর কোনো ইলাহ নেই, তাই আমরা (তোমাকেই) ডাকি; এই বিশ্বজগতে তুমি ছাড়া আমাদের আর কোনো ইলাহ নেই, তাই আমরা (তোমার কাছেই) আশা রাখি।
১:১৯:৫৭–১:২০:৪১
كَمْ مِنْ مَطْرُودٍ قَبِلْتَهُ كَمْ مِنْ عَاصِمٍ تَحَنَّنْتَ عَلَيْهِ
কত বিতাড়িত ব্যক্তিকে তুমি (কাছে) টেনে নিয়েছ, কত অবাধ্য বান্দার প্রতি তুমি স্নেহশীল হয়েছ।
১:২০:৪১–১:২০:৪৭
اللَّهُمَّ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ مِنْ ضَرَرٍ وَبَلَاءٍ أَنْتَ اللَّهُ فِي السَّمَاءِ وَفِي قُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَنْتَ رَبُّنَا وَرَبُّهُمْ خَالِقُنَا وَخَالِقُهُمْ أَنْتَ تَعْلَمُ وَكَانَ السِّحْرُ يَا اللَّهُ يَا رَبِّ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ أَنْتَ تَعْلَمُ مَكَانَ السِّحْرِ وَمَوْضِعَ عَنِ الْعَمَلِ وَلَا نَعْلَمُهُ وَتَقْدِرُ إِيهِ وَتَقْدِرُ عَلَيْهِ وَتَقْدِرُ عَلَيْهِ وَلَا نَقْدِرُ عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَعْلَمُ الْغُ يُوبَ اللَّهُمَّ هَيِّ لَنَا مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ مَنْ يَسْتَدِلُّ عَلَيْهِ وَتُبَصِّرُهُ بِهِ وَيَسْتَخْرِجُهُ احْفَظْنَا بِحِفْظِكَ الَّذِي لَا يُرَامُ وَأَرْكِنَّا بِرُكْنِكَ الَّذِي لَا
হে আল্লাহ, আমরা যে ক্ষতি ও বিপদের মধ্যে আছি তা আমাদের থেকে দূর করে দাও। তুমিই আল্লাহ আসমানে, আর সৃষ্টির উপর তোমারই ক্ষমতা। তুমি আমাদের রব এবং তাদেরও রব, আমাদের স্রষ্টা এবং তাদেরও স্রষ্টা। তুমি জানো, আর জাদু ছিল... হে আল্লাহ, হে রব, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ! তুমি জানো জাদুর অবস্থান এবং কাজের জায়গা যা আমরা জানি না, আর তুমি তার উপর সক্ষম, তুমি তার উপর সক্ষম, তুমি তার উপর সক্ষম, যার উপর আমরা সক্ষম নই। আর তুমি অদৃশ্য বিষয়সমূহ জানো। হে আল্লাহ, তোমার নেককার বান্দাদের মধ্য থেকে আমাদের জন্য এমন কাউকে দাও যে এর সন্ধান দেবে, তা প্রত্যক্ষ করাবে এবং তা বের করে আনবে। আমাদের হেফাজত করো তোমার সেই হেফাজতে যা লঙ্ঘন করা যায় না, আর আমাদের আশ্রয় দাও তোমার সেই স্তম্ভে যা...
১:২০:৫৫–১:২১:৪৩
يُضَامُ واكلئنا بِرِعَايَتِكَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ اللَّهُمَّ احْفَظْنَا اللَّهُمَّ احْفَظْنَا مِنْ وَمِنْ فَوْقِنَا ونعود بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَعْتِنَا اللَّهُمَّ هَذَا الدُّعَاءُ وَمِنْكَ الْإِجَابَه وَهَذَا الْجُهْدُ عَلَيْكَ التُّكْلَانُ سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ
...অবিচল, আর আমাদের দেখাশোনা করো তোমার তত্ত্বাবধানে, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী। হে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করো, হে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করো আমাদের সামনে থেকে ও আমাদের উপর থেকে, আর আমরা তোমার মহত্ত্বের আশ্রয় নিচ্ছি যদি কেউ আমাদের প্রতারণা করতে চায়। হে আল্লাহ, এই দোয়া (আমাদের পক্ষ থেকে), আর কবুল করা তোমার পক্ষ থেকে, আর এই প্রচেষ্টা - তোমার উপরই নির্ভরতা। পবিত্র তোমার রব, ইজ্জতের রব...
১:২১:৪৩–১:২২:০৮
وَصَلِّ اللَّهُمَّ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيمًا كَثِيرًا حَيَّاكَ اللَّهُ خَيْرٌ طَاهِرٌ تَحْتَ بِإِذْنِ اللَّهِ خَيْرٌ ارْتَاحَ وَإِنْ شَاءَ اللَّهُ خَيْرٌ نَتَوَاصَلُ عَلَى خَيْرٍ تَمَامٍ أَخِي
হে আল্লাহ, আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের উপর রহমত ও প্রচুর সালাম বর্ষণ করুন। আল্লাহ আপনাকে স্বাগত জানান, খুব ভালো, পবিত্র, আল্লাহর অনুমতিক্রমে ভালোভাবে আরাম করুন, ইনশাআল্লাহ ভালোভাবে আমরা যোগাযোগ রাখব, সম্পূর্ণ (ঠিক আছে) ভাই।
১:২২:২৪–১:২২:৪৪
مُرْتَاحَةٌ ارْتَاحَ تَوَصَّلْ عَلَى خَيْرٍ إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِإِذْنِ اللَّهِ تَعَالَى مَعَ السَّلَامَةِ حَيَّاكُمُ اللَّهُ وَبَيَّاكُمْ أَحِبَّتِي فِي اللَّهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَنْ يَنْفَعَ بِهَذِهِ الْجَلْسَةِ الْجَلْسَةُ شَافِيَةٌ وَنَافِعٌ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ
স্বস্তিতে আছেন, আরাম করুন, ইনশাআল্লাহ আল্লাহর অনুমতিক্রমে ভালোভাবে পৌঁছে যাবেন, বিদায়, আল্লাহ আপনাদের এবং আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানান, আল্লাহর জন্য আমার প্রিয়জনেরা, ইনশাআল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যেন এই মজলিসের মাধ্যমে উপকার দান করেন, এই মজলিস আরোগ্যদায়ক ও উপকারী হোক, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক।
১:২২:৫০–১:২৩:১০
نَجْعَلُ هَذِهِ الْجَلْسَةَ حَرَامًا حَرْقًا وَنَسْفًا وَتَدْمِيرًا لِكُلِّ شَيْطَانٍ وَكُلِّ خَادِمٍ ظَالِمٍ كُلِّ مَنْ تَرَكَ
আমরা এই মজলিসকে প্রত্যেক শয়তান এবং প্রত্যেক জালিম খাদেমের জন্য হারাম, দহনকারী, নিশ্চিহ্নকারী ও ধ্বংসাত্মক বানাচ্ছি, প্রত্যেকে যে ছেড়ে দিয়েছে...
১:২৩:১৪–১:২৩:২৬
অন্যান্য পঠিত অংশ ১৩৩ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
তাদের উভয়কে রক্ষা করা তাঁর জন্য কষ্টকর নয়, আর তিনিই সুউচ্চ, মহান
তুলনীয়: সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৪২:৩২
حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
তাদের উভয়কে রক্ষা করা তাঁর জন্য কষ্টকর নয়, আর তিনিই সুউচ্চ, মহান
তুলনীয়: সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৪৪:১৯
نَارًا وَحَارِقَهُ اللَّهُمَّ اجْعَلِ الشَّيَاطِينَ نَارًا
আগুন ও দহন, হে আল্লাহ, শয়তানদের আগুনে পরিণত করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২২১৬:৫৮
اللَّهُمَّ اشْعَلِ النَّارَ اللَّهُمَّ اشْعِلِي الْمَارِدَ نَارٌ
হে আল্লাহ, আগুন জ্বালিয়ে দাও, হে আল্লাহ, মারিদকে আগুনে জ্বালিয়ে দাও
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ১৭৭–১৭৮৭:০৪
أَوْلَادُهُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا وَأُولَئِكَ هُمْ وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ
তাদের সন্তান-সন্ততি আল্লাহর মোকাবেলায় কোনো কাজে আসবে না, আর তারাই জাহান্নামের জ্বালানি, জাহান্নামের জ্বালানি, জ্বালানি
তুলনীয়: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৯:০২
وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ النَّارِ
আগুনের জ্বালানি, আগুনের জ্বালানি
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ৪–৫৯:১২
وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ النَّارِ
আগুনের জ্বালানি, আগুনের জ্বালানি
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ৪–৫৯:১৬
وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ النَّارِ
আগুনের জ্বালানি, আগুনের জ্বালানি
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ৪–৫৯:২০
وَقُودُ النَّارِ وَقُودُ النَّارِ
আগুনের জ্বালানি, আগুনের জ্বালানি
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ৪–৫৯:২৪
أَوْلَادُهُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا وَأُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ أَصْحَابُ النَّارِ أَصْحَابُ النَّارِ
তাদের সন্তান-সন্ততি আল্লাহর মোকাবেলায় কোনো কাজে আসবে না, আর তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, জাহান্নামের অধিবাসী, জাহান্নামের অধিবাসী
তুলনীয়: সূরা আল-মুজাদালা, আয়াত ১৭৯:৩৫
الْحَرِيقِ دُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ
অগ্নিদহনের শাস্তি, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২২১০:২৮
رِيقِ ذُو قُو عَذَابَ الْحَرِيقِ
-স্তি আস্বাদন করো, তোমরা অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করো
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২২১০:৫৪
عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ
অগ্নিদহনের শাস্তি তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও নিচ থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১১:২৬
أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِهَا أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ
তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে শাস্তি আস্বাদন করাও
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১১:৩১
الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِهَا أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقٍ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ
অগ্নিদহনের শাস্তি তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১১:৩৬
الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ
অগ্নিদহনের শাস্তি তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও নিচ থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১১:৫৮
تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِهَا أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ
নিচ থেকে তাদের পায়ের, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি দান করো, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১২:১৪
الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ اللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ
তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে, হে আল্লাহ, তাদেরকে অগ্নিদহনের শাস্তি দান করো, তাদের উপর থেকে ও তাদের পায়ের নিচ থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত ৫৫১২:২৯
هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْذِهِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
তার কুমন্ত্রণা, তার অহংকার ও তার প্ররোচনা থেকে। পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আন-নামল, আয়াত ৩০১৩:৩৪
مُصْلِيهِمْ نَارًا نُصْلِي هُمْ نَارًا مُصْلِيهِمْ نَارًا
তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব, তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করব
তুলনীয়: সূরা আল-বালাদ, আয়াত ২০১৪:০১
كُلَّمَا مَضَجَ الْجُلُودُهُمْ كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُمْ بَدَّلْنَاهُمْ جُلُودًا غَيْرَ عَالِي يَذُوقُ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ لِيَذُوقَ الْعَذَابَ
যখনই তাদের চামড়া পুড়ে যাবে, যখনই তাদের চামড়া পুড়ে যাবে, আমি তাদেরকে অন্য চামড়া দিয়ে বদলে দেব, উঁচু নয়, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে, যাতে সে শাস্তি আস্বাদন করে
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৬১৫:৩১
الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ يُرِيدُونَ أَنْ يَخْرُجُوا مِنَ النَّارِ
অভিশপ্ত শয়তান থেকে। তারা আগুন থেকে বের হতে চাইবে
তুলনীয়: সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৩৭১৭:৩৮
يَصُومُونَهُمْ سُوءَ الْعَذَابِ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ
তাদেরকে নিকৃষ্টতম শাস্তি দিয়ে যন্ত্রণা দাও, তাদের মুখমণ্ডলে আঘাত করো
তুলনীয়: সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২৭২০:৩৪
وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقَهْ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ
এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর, এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২২২২:০৮
الْحَرِيقَ مِنْ فَوْقِهِمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمُ اللَّهُمَّ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ يَا اللَّهُ يَا اللَّهُ يَا
তাদের ঊর্ধ্ব থেকে এবং তাদের পায়ের নিচ থেকে দহনের শাস্তি। হে আল্লাহ! তাদেরকে দহনের শাস্তি আস্বাদন করাও, হে আল্লাহ, হে আল্লাহ, হে
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১০২৪:২৩
اللَّهُ أَمَّا يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَذُوقُوا عَذَابَ الْحَ رِيقِ
আল্লাহ! তিনিই কি নন যিনি বিপদগ্রস্তের ডাকে সাড়া দেন যখন সে তাঁকে ডাকে? এবং তোমরা দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন কর
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২২২৪:৩০
جَبَّارٍ عَنِيدَهْ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدَهْ وَخَابَ كُلُّ
উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৫:৫৪
جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ
উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৫:৫৯
عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ
বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:০৪
أَيْهْ دَه وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدَهْ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ
(এই আয়াত) আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:১৪
عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:১৯
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ
আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:২৪
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ وَخَابَ
আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে, আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:৩৫
كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍ
প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:৪১
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ أَيْهْ دَه
আর প্রত্যেক উদ্ধত ব্যর্থ হয়েছে, (এই আয়াত)
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:৪৫
وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِي دٍ
আর প্রত্যেক উদ্ধত-বিরুদ্ধাচারী ব্যর্থ হয়েছে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫২৬:৫৪
إِنْ سَدِيدًا وَيُسْقَى مِنْ مَاءٍ صَدِيدٍ وَيُسْقَى مِمَّا
নিশ্চয়ই, আর তাকে পুঁজ-রক্তমিশ্রিত পানি পান করানো হবে, আর তাকে পান করানো হবে যা থেকে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৬২৭:১০
مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ
শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়, শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়
তুলনীয়: সূরা সোয়াদ, আয়াত ৩৮২৮:৩৪
مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ
শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়, শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়
তুলনীয়: সূরা সোয়াদ, আয়াত ৩৮২৮:৩৮
مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ
শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়, শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়
তুলনীয়: সূরা সোয়াদ, আয়াত ৩৮২৮:৪১
مُقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ وَتَرَى الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ
শৃঙ্খলে বাঁধা অবস্থায়। আর তুমি সেদিন অপরাধীদেরকে দেখবে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৪৯২৮:৪৪
وَتَغْشَى وُجُوهَهُمُ النَّارُ
আর তাদের মুখমণ্ডল আগুন দ্বারা আচ্ছাদিত হবে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৫০২৯:০১
وَتَغْشَى وُجُوهَهُمُ النَّارُ وَتَغْشَى وُجُوهَهُمُ النَّارُ
আর তাদের মুখমণ্ডল আগুন দ্বারা আচ্ছাদিত হবে, আর তাদের মুখমণ্ডল আগুন দ্বারা আচ্ছাদিত হবে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১০৪২৯:০৪
وَتَغْشَى وُجُوهَهُمُ النَّارُ
আর তাদের মুখমণ্ডল আগুন দ্বারা আচ্ছাদিত হবে
তুলনীয়: সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৫০২৯:১০
وُجُوهٌ يَشْوِي الْوُجُوهَ يَشْوِي الْوُجُوهَ
মুখমণ্ডল, মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়, মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়
তুলনীয়: সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত ২২–২৪৩২:৩৪
يَشْوِي الْوُجُوهَ يَشْوِي الْوُجُوهَ يَشْوِي الْوُجُوهَ
মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়, মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়, মুখমণ্ডল ঝলসে দেয়
তুলনীয়: সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত ২২–২৪৩২:৪০
هُمْ يُنْصَرُونَ وَلَا هُمْ يُنْصَرُونَ إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ حَسَبُ جَهَنَّمَ
তাদেরকে সাহায্য করা হবে, আর না তাদেরকে সাহায্য করা হবে। নিশ্চয় তোমরা এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমরা যাদের পূজা কর তা জাহান্নামের ইন্ধন
তুলনীয়: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৬৬–৬৭৩৫:৫১
الْحَرِيقِ عَذَابَ الْحَرِيقِ وَنُذِيقُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَذَابَ الْحَرِيقِ هَذَا إِنِّي
দহনের শাস্তি, দহন-যন্ত্রণার শাস্তি। আর কিয়ামতের দিন আমরা তাকে দহন-যন্ত্রণার শাস্তি আস্বাদন করাব। এই... নিশ্চয় আমি
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ৯৩৬:৫৭
قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابُهُمْ ثِيَابٌ مِنْ نَارٍ قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابٌ مِنْ نَارٍ قُطِّعَتْ لَهُمْ ثِيَابٌ مِنْ نَارٍ قُطِّعَتْ
তাদের জন্য কেটে তৈরি করা হয়েছে তাদের পোশাক, আগুনের পোশাক; তাদের জন্য আগুনের পোশাক তৈরি করা হয়েছে; তাদের জন্য আগুনের পোশাক তৈরি করা হয়েছে; তৈরি করা হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯৩৭:০৮
رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ
তাদের মাথা, ফুটন্ত পানি; তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯৩৭:২৭
رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ
তাদের মাথা, ফুটন্ত পানি; তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯৩৭:৩৬
رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ يُصَبُّ مِنْ فَوْقِ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيمُ
তাদের মাথা, ফুটন্ত পানি; তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯৩৭:৫৭
الْحَمِيمُ يُصَبُّ بِهِ فَوْقَ رُؤُوسِهِمُ الْحَمِيدُ
ফুটন্ত পানি, তা দিয়ে তাদের মাথার উপর ঢেলে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৬–৪৮৩৮:১৯
يُسْهَرُ بِي مَا فِي بُطُونِهِمْ وَالْجُلُودُ يُسْهَرُ بِهِ مَا
এর দ্বারা তাদের পেটের ভিতরের জিনিস ও চামড়া গলিয়ে দেওয়া হবে, এর দ্বারা গলিয়ে দেওয়া হবে যা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৩১
فِي بُطُونِهِمْ
তাদের পেটের ভিতরে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৩৬
يُسْهَرُ بِيمَا فِي بُطُونِهِمْ يُسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ
তাদের পেটের ভিতরের জিনিস গলিয়ে দেওয়া হবে, এর দ্বারা তাদের পেটের ভিতরের জিনিস গলিয়ে দেওয়া হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৩৮
يُسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يُسْخَرُ بِهِ مَا فِي
এর দ্বারা তাদের পেটের ভিতরের জিনিস গলিয়ে দেওয়া হবে, এর দ্বারা গলিয়ে দেওয়া হবে যা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৪৪
بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ بِهِ مَا
তাদের পেটের ভিতরে যা আছে, তা দিয়ে গলানো হবে, তাদের পেটের ভিতরে যা আছে তা দিয়ে গলানো হবে যা
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৪৯
فِي بُطُونِهِمْ يَسْخَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ بِهِ
তাদের পেটের ভিতরে যা দিয়ে গলানো হবে, তাদের পেটের ভিতরে যা দিয়ে গলানো হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৮:৫৪
مَا فِي بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ
যা তাদের পেটের ভিতরে গলানো হবে, যা তাদের পেটের ভিতরে গলানো হবে
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৯:০০
بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ يَسْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ وَالْجِ
যা দিয়ে তাদের পেটের ভিতরের জিনিস গলে যাবে, যা দিয়ে তাদের পেটের ভিতরের জিনিস ও চামড়া (গলে যাবে)
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২০৩৯:০৬
وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدِهْ وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدِهْ
এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর, এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২১৩৯:১৪
وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدِهْ وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدِهْ
এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর, এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২১৩৯:২০
وَلَهُمْ مَقَامِعُ مِنْ حَدِيدِهْ وَلَغُمْ قَوَابِعُ مِنْ حَدِيدِهْ
এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর, এবং লোহার মুগুর
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২১৩৯:২৬
وَلَهُمْ مَقَانِعُ مِنْ حَدِيدِهْ وَلَهُمْ مَقَاطِعُ مِنْ حَدِيدِهْ
এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার (হাতিয়ার), এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার (টুকরা)
তুলনীয়: সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২১৩৯:৩২
تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ النَّارُ تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ النَّارُ تَلْفَحُ
আগুন তাদের মুখমণ্ডল ঝলসে দেবে, আগুন তাদের মুখমণ্ডল ঝলসে দেবে, ঝলসে দেবে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১০৪৪০:৩০
وُجُوهَهُمُ النَّارُ
তাদের মুখমণ্ডল, আগুন
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১০৪৪০:৩৬
تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ النَّارُ تَلْفَحُ وُجُوهَهُمْ نَارُهُمْ فِيهَا كَالِحُونَ وَمَنْ جَاءَ
আগুন তাদের মুখমণ্ডল ঝলসে দেবে, তাদের মুখমণ্ডল ঝলসে দেবে, তারা তাতে বিকৃতমুখ অবস্থায় থাকবে, আর যে আসবে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১০৪৪০:৪১
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهٌ فِي نَارٍ
যেদিন মুখমণ্ডল আগুনে উল্টানো হবে
তুলনীয়: সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬৬৪২:০৪
وَحِفْظًا مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ وَحِفْظًا مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ
এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে সুরক্ষাস্বরূপ, এবং প্রত্যেক শয়তান থেকে সুরক্ষাস্বরূপ
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭৪৫:০৫
مَائِدَةٌ اللَّهُمَّ احْفَظْهُ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ اللَّهُمَّ
দস্তরখান, হে আল্লাহ তাকে প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে রক্ষা করুন, হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭৪৫:১১
احْفَظْهُمْ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ يَهُودِيٍّ كُلِّ شَيْطَانٍ نَصْرَانِيٍّ
তাদেরকে প্রত্যেক ইহুদি শয়তান থেকে, প্রত্যেক খ্রিস্টান শয়তান থেকে রক্ষা করুন
তুলনীয়: সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৭৪৫:১৫
شَيْطَانٍ اللَّهُمَّ احْفَظْهُمْ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ مِنْ كُلِّ
শয়তান, হে আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করুন প্রত্যেক শয়তান থেকে, প্রত্যেক...
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭৪৫:২১
اجْمَعْ نَفْسَكَ طَاعَةً لِلَّهِ لَهُمْ مِنْ فَوْقِهِمْ ظُلَلٌ مِنَ النَّارِ وَمِنْ تَحْتِهِمْ ضُلَلٌ
নিজেকে আল্লাহর আনুগত্যে সমর্পণ কর; তাদের উপরে থাকবে আগুনের স্তর এবং তাদের নিচেও স্তর
তুলনীয়: সূরা আয-যুমার, আয়াত ১৬৪৬:১৯
الْبُطُونُ يَغْلِي فِي الْبَطْنِ يَغْلِي فِي الْبَطْنِ يَغْلِي
পেট — পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৮:১৬
فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ
পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫৪৮:২১
يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي
ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৮:৩১
يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي
ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৮:৪১
الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبَطْنِ يَغْلِي فِي الْبَطْنِ يَغْلِي
পেট — পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৮:৪৫
فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبَطْنِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ
পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫৪৮:৫০
يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي
ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৮:৫৪
يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي
ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে পেটের ভিতরে, ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৯:০১
الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ
পেট — পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে, পেটের ভিতরে ফুটতে থাকবে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫–৪৬৪৯:০৫
كَغَلْيِ الْحَمِيمِ كَغَلْيِ الْحَمِيمِ خُذُوهُ فَاتْلُوهُ إِلَى
ফুটন্ত পানির মত ফুটতে থাকবে, ফুটন্ত পানির মত ফুটতে থাকবে; তাকে ধর, অতঃপর তাকে টেনে নিয়ে যাও
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৬–৪৭৪৯:১০
أَدْرَاكَ مَا هِيَ نَارٌ حَامِيَةٌ نَارٌ حَامِيَةٌ نَارٌ
তুমি কি জান তা কী? এটা প্রজ্বলিত আগুন, প্রজ্বলিত আগুন, আগুন
তুলনীয়: সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ১০–১১৫২:২৩
حَامِيَةٌ نَارٌ حَامِيَةٌ
প্রজ্বলিত, আগুন প্রজ্বলিত
তুলনীয়: সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ১১৫২:৩১
نَارٌ حَامِيَةٌ نَارٌ حَامِيَةٌ
আগুন প্রজ্বলিত, আগুন প্রজ্বলিত
তুলনীয়: সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ১০–১১৫২:৩৪
وَنَفْخَهْ وَنَفْخَهْ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
এবং ফুঁ, এবং ফুঁ — পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
তুলনীয়: সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১৫২:৪৬
اللَّهِ الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ
আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর
তুলনীয়: সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ৬৫৩:২২
الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ
প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর
তুলনীয়: সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ৬৫৩:২৬
الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ
প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর
তুলনীয়: সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ৬৫৩:৩০
الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ نَارُ اللَّهِ
প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন, আল্লাহর
তুলনীয়: সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ৬৫৩:৩৪
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبَهْ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৪:০৭
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩–৪৫৪:১৩
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩–৪৫৪:৩৪
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَبَنٍ
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৪:৪০
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে আগুনে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৪:৪৬
سَيَصْلَى نَارًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে আগুনে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৪:৫২
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَبَنٍ
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৪:৫৪
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩–৪৫৫:০০
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩–৪৫৫:০৫
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا سَيَصْلَى نَارًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে আগুনে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৫:১০
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَبَنٍ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبًا
সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে, সে শীঘ্রই প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
তুলনীয়: সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩৫৫:২৭
فَرْدٌ يَا صَمَدُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا اضَلَّ وَرَبُّ
ওয়াহিদ (এক), হে সামাদ! সাত আসমানের রব এবং যা তিনি ছায়া দিয়েছেন তার রব, এবং রব
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৮৬৫৫:৪৫
أَحَدًا اقْتُلِ السَّحَرَةَ وَأَعْوَانَهُمْ أَجْمَعِينَ إِنْسَهُمْ
হে আহাদ (এক)! জাদুকর ও তাদের সকল সাহায্যকারীকে হত্যা করো — মানুষ
তুলনীয়: সূরা সোয়াদ, আয়াত ৮২৫৬:৩৫
الْبِلَادَ وَاكْثَرُوا فِي الْفَسَادِ فَصُبَّ عَلَيْهِمْ عَذَابَ
এবং ফিতনা-ফ্যাসাদ ছড়িয়েছে, সুতরাং তাদের সকলের উপর আযাব বর্ষণ করো
তুলনীয়: সূরা আল-ফাজর, আয়াত ১২–১৩৫৭:০৮
مَنْ تَسَلَّطُوا بِالسِّحْرِ عَلَى عِبَادِكَ عَدَدًا احصنهم
যারাই জাদুর মাধ্যমে তোমার বান্দাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে, তাদের সংখ্যা তুমি গণনা করে রেখেছ
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২৫৭:৩১
عَدَدًا فَانَّهُمْ لَا يُحْصِيهِمْ عَدَدًا الَّا ان سُبْحَانَكَ فَانَّهُمْ لَا يُعْجِزُونَكَ
তাদের সংখ্যা, কারণ তারা নিজেরাই তা গণনা করতে পারবে না; কিন্তু তুমি পবিত্র, তারা তোমাকে কখনো অক্ষম করতে পারবে না।
তুলনীয়: সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫৯৫৭:৩৫
بِالطَّاغِيَةِ وَلَا تَجْعَلْ لَهُمْ مِنْ بَاقِيَةٍ سَلِّطْ عَلَيْهِمْ
অত্যাচারী শাসকের মাধ্যমে (শাস্তি দাও) এবং তাদের কাউকে অবশিষ্ট রেখো না। তাদের উপর চাপিয়ে দাও
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৮৫৮:১৭
فَوْقَهُمْ وَمِنْ تَحْتِ أَقْدَامِهِمْ أَذِقْهُمْ عَذَابَ الْحَرِيقِ
তাদের উপর থেকে এবং তাদের পায়ের নিচ থেকে; তাদেরকে জ্বলন্ত আযাবের স্বাদ দেখাও
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১০৫৮:৪৮
وَعَذَابَكَ الشَّدِيدَ
এবং তোমার কঠোর আযাব
তুলনীয়: সূরা আল-বুরূজ, আয়াত ১২৫৮:৫৯
ارْسِلْ عَلَيْهِمْ انجو مِنْ ثَاقِبَهْ وَشُهُبًا حَارِقَهْ
তাদের উপর বিদ্ধকারী উল্কা ও জ্বালানি শিখা প্রেরণ করো
তুলনীয়: সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত ৩৩৫৯:১৪
اعْنَاقِهِمْ وَايْدِيهِمْ وَارْجُلِهِمْ سَلَاسِلَ واغلى لَوْ
তাদের গলায়, হাতে ও পায়ে শিকল ও গরম লোহার বন্ধনী
তুলনীয়: সূরা আন-নূর, আয়াত ২৪১:০১:২৩
وَسَعِيرَاتٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِمَنْ ادْبَرَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ
এবং জ্বলন্ত আগুন। হে আল্লাহ, যে পিছু ফিরেছে তার বিরুদ্ধে তোমার সাহায্য চাই। হে আল্লাহ,
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৪১:০১:২৭
بِمَنْ أَدْبَرَ وَاسْتَكْبَرَ وَعَبَسَ لِلْحَقِّ وَبَسَرَ وَحَسَدَ
যে পিছু ফিরেছে, অহংকার করেছে, সত্যের প্রতি মুখ কুঁচকেছে ও বিদ্রূপ করেছে, হিংসা করেছে
তুলনীয়: সূরা আল-মুদ্দাসসির, আয়াত ২৩১:০১:৩০
الْأَسْحَارِ فِي الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ رَبِّ الْمَشْرِقِ
পূর্ব ও পশ্চিমের সকল জাদু থেকে, হে পূর্বের রব
তুলনীয়: সূরা আল-মা'আরিজ, আয়াত ৪০১:০৪:২১
وَالْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ كُلَّ
ও পশ্চিমের এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পশ্চিম থেকে আগত জাদু দূর করো। সকল
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২৮১:০৪:২৬
سِحْرٍ فِي الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ كُلَّ
পূর্ব ও পশ্চিমের জাদু, সকল
তুলনীয়: সূরা আল-মা'আরিজ, আয়াত ৪০১:০৪:৩১
وَالْأَفْلَاكِ وَالْأَقْمَارِ وَالنُّجُومِ وَمُرْتَبِطَةٍ بِالْأَبْرَاجِ الْفَلَكِيَّةِ كَالْقَوْسِ وَالْحَمَلِ وَالْأَسَدِ
আকাশমণ্ডল, চন্দ্র ও নক্ষত্রের এবং রাশিচক্রের সাথে সম্পর্কিত জাদু — যেমন ধনু, মেষ, সিংহ
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১২১:০৬:৩২
أَفْضَلَ أَسْعَارَ الْعَمَى وَالْأَبْصَارِ كُلَّ سِحْرٍ عَلَى
অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তির উপর সর্বোত্তম জাদু বাতিল কর, প্রত্যেক জাদু
তুলনীয়: সূরা ফাতির, আয়াত ১৯১:১০:৫৮
الْأَسْعَارَ الْخَسَارَةَ فِي التِّجَارَةِ وَأَسْعَارَ
ব্যবসায় ক্ষতির জাদু এবং জাদু
তুলনীয়: সূরা আন-নাযি'আত, আয়াত ১২–১৩১:১২:০৭
السَّابِقَةِ وَالِابْتِزَازِ كلنا سِحْرٍ المستمر أَنْتَ
পূর্ববর্তী ও ব্ল্যাকমেইলের জাদু, আমাদের সবার উপর ক্রমাগত জাদু, আপনি
তুলনীয়: সূরা আত-তূর, আয়াত ৫–৬১:১২:৩৬
تُجَدِّدُهَا وَيُجَدِّدُ وَيَقُولُ سِحْرٌ مُسْتَمِرٌّ بِنَظْرَةٍ مِنْ
যা নবায়ন হয় ও নবায়ন করে এবং বলে—ক্রমাগত জাদু, দৃষ্টির মাধ্যমে
তুলনীয়: সূরা আল-কামার, আয়াত ২১:১২:৩৯
اقْلِبِ السِّحْرَ عَلَى مَنْ سَحَرَ قَاتِلِ السَّحَرَةِ وَعَوَانَهُ
জাদু তার উপরই ফিরিয়ে দাও যে জাদু করেছে, জাদুকরদের হত্যাকারী ও তার সহায়কদের উপর
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ৩৭–৩৮১:১৩:১৫
وَهُمْ فرعا مُجَنْدَلِينَ إِلَى الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ لِلنَّارِ
এবং তারা শাখা-প্রশাখাসহ ধরাশায়ী হয়ে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে নিক্ষিপ্ত হোক
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৪৫১:১৫:২৩
اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالْوَسِيطَةِ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالْوَسِيطَةِ
হে আল্লাহ! মধ্যস্থতাকারীকে পাকড়াও করুন, হে আল্লাহ! মধ্যস্থতাকারীকে পাকড়াও করুন
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬৪১:১৫:৪৬
الْوَجْهِ الْكَرِيمِ وَلِيِّ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ
সম্মানিত চেহারার মালিক, পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের অধিকারী
তুলনীয়: সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত ৩৪–৩৫১:১৭:১৮
وَتَرَصُّدِهِمْ نَعُوذُ بِكَ مِنْ صَدْرِهِمْ وَصَبْرِ شَيَاطِينِهِمْ
এবং তাদের পর্যবেক্ষণ থেকে আমরা আপনার আশ্রয় চাই, তাদের হিংসা ও তাদের শয়তানদের অধ্যবসায় থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ৯৭১:১৯:২৬
وَقُلْتَ عَثْرَتَهُ يَا رَبَّنَا أَنْتَ الْقَائِلُ وَقَوْلُكَ
আর তুমি বলেছিলে তার পদস্খলনের কথা, হে আমাদের রব, তুমিই তো বলেছ, আর তোমার বাণী...
তুলনীয়: সূরা আয-যুখরুফ, আয়াত ৮৮১:২০:৪৭
بَيْنَ أَيْدِينَا وَمِنْ خَلْفِنَا أَيْمَانِنَا وَعَنْ شَمَائِلِنَا
আমাদের সামনে থেকে এবং আমাদের পেছন থেকে, আমাদের ডান দিক থেকে এবং আমাদের বাম দিক থেকে
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১৭১:২১:৪৯
الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ
তারা যা বর্ণনা করে তা থেকে (তিনি) পবিত্র ও মহান
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৫৯১:২২:০৮
أَسْأَلُ اللَّهَ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَنْ تَكُونَ هَذِهِ
আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দোয়া করছি যেন এটি হয়
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১১:২৩:০৫
وَأَسْأَلُ اللَّهَ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَنْ يَجْعَلَهَا
আর আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দোয়া করছি যেন তিনি এটিকে বানিয়ে দেন
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ১১:২৩:১০
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ০:০০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ০:০৮ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ০:১৭ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ০:২৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
- ০:৩৬ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৮৯
- ১:২১ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ২
- ১:২৮ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ২:৩৫ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ২
- ২:৪০ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫
- ৪:২৩ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ৪:২৬ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৫:০২ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৫:১৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৫:৪৯ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৬:০৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৬:২৬ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৮:১০ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৮:২৭ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৮:৪৩ — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬৬
- ৮:৫৭ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০
- ৯:৩০ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০
- ৯:৫৭ — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮১
- ১৩:২৯ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৩:৪১ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৬
- ১৫:১৮ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৬
- ১৭:৪৩ — সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৩৭
- ১৯:১৯ — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১২৮
- ২০:০৫ — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১২৮
- ২০:১৪ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫০
- ২০:৩৯ — সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২৭
- ২০:৪৪ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫০
- ২১:০৩ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫০
- ২১:২৭ — সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ২৭
- ২১:৩৭ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫০
- ২৫:২১ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫
- ২৬:৫৯ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৬
- ২৭:২২ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৭
- ২৭:৪৯ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ১৫–৪৯
- ২৮:৪৯ — সূরা সোয়াদ, আয়াত ৩৮
- ২৮:৫২ — সূরা ইবরাহীম, আয়াত ৫০
- ২৯:১৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ২৯:২০ — সূরা আল-হিজর, আয়াত ১৬–১৮
- ২৯:৫০ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ২৯
- ৩২:০৭ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ২৯
- ৩২:৫৮ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ২৯
- ৩৩:১৫ — সূরা আল-কাহফ, আয়াত ২৯
- ৩৩:২৩ — সূরা মারইয়াম, আয়াত ৪
- ৩৩:৫৭ — সূরা মারইয়াম, আয়াত ৪
- ৩৪:১৬ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৯৭
- ৩৪:৩৭ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৯৭
- ৩৫:০৭ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৯৭
- ৩৫:৩৬ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৩৯
- ৩৬:৩০ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ৯
- ৩৭:০৪ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯
- ৩৭:১৭ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯
- ৩৮:২৫ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯
- ৩৯:৪০ — সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ২২
- ৪০:১৬ — সূরা আল-মু'মিনূন, আয়াত ১০৩
- ৪০:৫২ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৯০
- ৪১:০৮ — সূরা আন-নামল, আয়াত ৯০
- ৪১:১৪ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬৬
- ৪২:১৩ — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৬৬
- ৪২:৪৫ — সূরা ফাতির, আয়াত ৩৬
- ৪২:৫৬ — সূরা ফাতির, আয়াত ৩৬
- ৪৩:২৪ — সূরা ফাতির, আয়াত ৩৭
- ৪৩:৫৫ — সূরা ফাতির, আয়াত ৩৭
- ৪৪:০২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৪৪:০৬ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩
- ৪৪:১১ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১–৭
- ৪৫:৩৬ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৭–১০
- ৪৬:৩০ — সূরা আয-যুমার, আয়াত ১৬–১৯
- ৪৭:০৭ — সূরা গাফির (আল-মু'মিন), আয়াত ৬–৭২
- ৪৭:৫২ — সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ৪০
- ৪৮:১২ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৩–৪৫
- ৪৮:২৬ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫
- ৪৮:৩৮ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৫
- ৪৯:১৬ — সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৪৮–৫০
- ৪৯:৩৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৪৯:৩৭ — সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ১৫
- ৫০:১৮ — সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত ১৫
- ৫০:৪০ — সূরা আল-কামার, আয়াত ৪৮
- ৫০:৪৯ — সূরা আর-রহমান, আয়াত ৩১–৩৫
- ৫১:৪০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৫১:৪৩ — সূরা আল-কারি'আ, আয়াত ১–৯
- ৫২:৪১ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৫২:৫৪ — সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ১–৬
- ৫৩:৩৭ — সূরা আল-হুমাযা, আয়াত ৬–৯
- ৫৩:৫৪ — সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ১–২
- ৫৪:১৮ — সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৩–৫
- ৫৫:১৮ — সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৪–৫
- ৫৫:৩৪ — সূরা আল-মাসাদ (লাহাব), আয়াত ৪–৫
- ৫৭:৫৭ — সূরা হূদ, আয়াত ৮২–৮৩
- ৫৮:১০ — সূরা আল-কামার, আয়াত ১৯–২০
- ৫৮:৪৪ — সূরা আল-আনফাল, আয়াত ৫০
- ১:০০:৫০ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৪০
- ১:১৯:৫০ — সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত ৪
- ১:২০:৫১ — সূরা আন-নাজম, আয়াত ৫৮
- ১:২২:১২ — সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৮১
- ১:২২:২০ — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ৪৫
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. তীব্র ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ, উড়ন্ত বিদ্রোহী দৈত্য, কাফির, হিংসুক, প্রেমাসক্ত, অবাধ্য জাদু-খাদেমকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য, দোয়াসহ।
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার তীব্র ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ, উড়ন্ত বিদ্রোহী দৈত্য, কাফির, হিংসুক, প্রেমাসক্ত, অবাধ্য জাদু-খাদেমকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য, দোয়াসহ। — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (তীব্র ও প্রকম্পনকারী রুকইয়াহ, উড়ন্ত বিদ্রোহী দৈত্য, কাফির, হিংসুক, প্রেমাসক্ত, অবাধ্য জাদু-খাদেমকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য, দোয়াসহ।) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।