এই গাইডলাইন সম্পর্কে
এই গাইডলাইনটি শাইখ أبو محمد العراقي-এর একটি রুকইয়াহ (দৈর্ঘ্য ৩৫ মিনিট ১৯ সেকেন্ড) থেকে সংকলিত। রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াতগুলো মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ আকারে বাংলা অর্থসহ, আর শাইখের নিজের দোয়া-বাক্যগুলো আরবি ও বাংলা অর্থসহ দেওয়া হয়েছে।
আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন; দোয়াগুলো অর্থ বুঝে নিজের ভাষাতেও করা যায়।
এই রুকইয়াহ যে সমস্যাগুলোর জন্য
যাদু, বদনজর ও হিংসা বাতিলের জন্য শক্তিশালী শরয়ি রুকইয়াহ | রমজানে আশেক জ্বিন (প্রেমাসক্ত শয়তান) তাড়ানো এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে দ্রুত আরোগ্য লাভ
যোগাযোগের জন্য
রুকইয়াহ অডিও
যাদু, বদনজর ও হিংসা বাতিলের জন্য শক্তিশালী শরয়ি রুকইয়াহ | রমজানে আশেক জ্বিন (প্রেমাসক্ত শয়তান) তাড়ানো এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে দ্রুত আরোগ্য লাভ
رقية شرعية قوية لإبطال السحر والعين والحسد | طرد الشيطان العاشق في رمضان وشفاء عاجل بإذن الله
🔗 https://www.youtube.com/watch?v=mp7-XfloZT0
দৈর্ঘ্য: ৩৫ মিনিট ১৯ সেকেন্ড · শোনার সময় এই গাইডলাইন সামনে রাখলে আয়াত ও দোয়াগুলো অনুসরণ করা সহজ হবে
রুকইয়াহয় পঠিত কুরআনের আয়াত ১৪ আয়াত-পরিসর
প্রতিটি আয়াত মুসহাফের পাঠ অনুযায়ী; নিচে রুকইয়াহর সময় ও কতবার পড়া হয়েছে।
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَجَعَلَ ٱلظُّلُمَٰتِ وَٱلنُّورَ ۖ ثُمَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ يَعْدِلُونَ ﴿١﴾
১. সর্ববিধ প্রশংসা আল্লাহরই জন্য যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং অন্ধকার ও আলোর উদ্ভব করেছেন। তথাপি কাফেররা স্বীয় পালনকর্তার সাথে অন্যান্যকে সমতুল্য স্থির করে।
রুকইয়াহয় ০:০০
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
রুকইয়াহয় ১:১১
۞ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِىَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ﴿١١٧﴾
১১৭. তারপর আমি ওহীযোগে মূসাকে বললাম, এবার নিক্ষেপ কর তোমার লাঠিখানা। অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে।
রুকইয়াহয় ১:১৮
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
রুকইয়াহয় ২:৪৩
وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।
রুকইয়াহয় ৩:০৬
فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ﴿٨١﴾
৮১. অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মূসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দুস্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না।
রুকইয়াহয় ৬:৩৮، ৬:৫০، ৭:১২، ৭:৪৩ · ৪ বার
بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌۭ ۚ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ ﴿١٨﴾
১৮. বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
রুকইয়াহয় ৭:৫৫، ৮:১৯ · ২ বার
فَوَقَعَ ٱلْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١١٨﴾ فَغُلِبُوا۟ هُنَالِكَ وَٱنقَلَبُوا۟ صَٰغِرِينَ ﴿١١٩﴾ وَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ ﴿١٢٠﴾ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴿١٢١﴾ رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ﴿١٢٢﴾ قَالَ فِرْعَوْنُ ءَامَنتُم بِهِۦ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّ هَٰذَا لَمَكْرٌۭ مَّكَرْتُمُوهُ فِى ٱلْمَدِينَةِ لِتُخْرِجُوا۟ مِنْهَآ أَهْلَهَا ۖ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿١٢٣﴾ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَٰفٍۢ ثُمَّ لَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ﴿١٢٤﴾ قَالُوٓا۟ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ ﴿١٢٥﴾ وَمَا تَنقِمُ مِنَّآ إِلَّآ أَنْ ءَامَنَّا بِـَٔايَٰتِ رَبِّنَا لَمَّا جَآءَتْنَا ۚ رَبَّنَآ أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًۭا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ ﴿١٢٦﴾ وَقَالَ ٱلْمَلَأُ مِن قَوْمِ فِرْعَوْنَ أَتَذَرُ مُوسَىٰ وَقَوْمَهُۥ لِيُفْسِدُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَيَذَرَكَ وَءَالِهَتَكَ ۚ قَالَ سَنُقَتِّلُ أَبْنَآءَهُمْ وَنَسْتَحْىِۦ نِسَآءَهُمْ وَإِنَّا فَوْقَهُمْ قَٰهِرُونَ ﴿١٢٧﴾ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ ٱسْتَعِينُوا۟ بِٱللَّهِ وَٱصْبِرُوٓا۟ ۖ إِنَّ ٱلْأَرْضَ لِلَّهِ يُورِثُهَا مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ وَٱلْعَٰقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴿١٢٨﴾ قَالُوٓا۟ أُوذِينَا مِن قَبْلِ أَن تَأْتِيَنَا وَمِنۢ بَعْدِ مَا جِئْتَنَا ۚ قَالَ عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يُهْلِكَ عَدُوَّكُمْ وَيَسْتَخْلِفَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ ﴿١٢٩﴾ وَلَقَدْ أَخَذْنَآ ءَالَ فِرْعَوْنَ بِٱلسِّنِينَ وَنَقْصٍۢ مِّنَ ٱلثَّمَرَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ ﴿١٣٠﴾ فَإِذَا جَآءَتْهُمُ ٱلْحَسَنَةُ قَالُوا۟ لَنَا هَٰذِهِۦ ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۭ يَطَّيَّرُوا۟ بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓ ۗ أَلَآ إِنَّمَا طَٰٓئِرُهُمْ عِندَ ٱللَّهِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿١٣١﴾ وَقَالُوا۟ مَهْمَا تَأْتِنَا بِهِۦ مِنْ ءَايَةٍۢ لِّتَسْحَرَنَا بِهَا فَمَا نَحْنُ لَكَ بِمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلطُّوفَانَ وَٱلْجَرَادَ وَٱلْقُمَّلَ وَٱلضَّفَادِعَ وَٱلدَّمَ ءَايَٰتٍۢ مُّفَصَّلَٰتٍۢ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ قَوْمًۭا مُّجْرِمِينَ ﴿١٣٣﴾ وَلَمَّا وَقَعَ عَلَيْهِمُ ٱلرِّجْزُ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَ ۖ لَئِن كَشَفْتَ عَنَّا ٱلرِّجْزَ لَنُؤْمِنَنَّ لَكَ وَلَنُرْسِلَنَّ مَعَكَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿١٣٤﴾ فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُمُ ٱلرِّجْزَ إِلَىٰٓ أَجَلٍ هُم بَٰلِغُوهُ إِذَا هُمْ يَنكُثُونَ ﴿١٣٥﴾ فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ بِأَنَّهُمْ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا وَكَانُوا۟ عَنْهَا غَٰفِلِينَ ﴿١٣٦﴾ وَأَوْرَثْنَا ٱلْقَوْمَ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ يُسْتَضْعَفُونَ مَشَٰرِقَ ٱلْأَرْضِ وَمَغَٰرِبَهَا ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا ۖ وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ ٱلْحُسْنَىٰ عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ بِمَا صَبَرُوا۟ ۖ وَدَمَّرْنَا مَا كَانَ يَصْنَعُ فِرْعَوْنُ وَقَوْمُهُۥ وَمَا كَانُوا۟ يَعْرِشُونَ ﴿١٣٧﴾ وَجَٰوَزْنَا بِبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْبَحْرَ فَأَتَوْا۟ عَلَىٰ قَوْمٍۢ يَعْكُفُونَ عَلَىٰٓ أَصْنَامٍۢ لَّهُمْ ۚ قَالُوا۟ يَٰمُوسَى ٱجْعَل لَّنَآ إِلَٰهًۭا كَمَا لَهُمْ ءَالِهَةٌۭ ۚ قَالَ إِنَّكُمْ قَوْمٌۭ تَجْهَلُونَ ﴿١٣٨﴾ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ مُتَبَّرٌۭ مَّا هُمْ فِيهِ وَبَٰطِلٌۭ مَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٣٩﴾
১১৮. সুতরাং এভাবে প্রকাশ হয়ে গেল সত্য বিষয় এবং ভুল প্রতিপন্ন হয়ে গেল যা কিছু তারা করেছিল।
১১৯. সুতরাং তারা সেখানেই পরাজিত হয়ে গেল এবং অতীব লাঞ্ছিত হল।
১২০. এবং যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল।
১২১. বলল, আমরা ঈমান আনছি মহা বিশ্বের পরওয়ারদেগারের প্রতি।
১২২. যিনি মূসা ও হারুনের পরওয়ারদেগার।
১২৩. ফেরাউন বলল, তোমরা কি (তাহলে) আমার অনুমতি দেয়ার আগেই ঈমান আনলে! এটা প্রতারণা, যা তোমরা এ নগরীতে প্রদর্শন করলে। যাতে করে এ শহরের অধিবাসীদিগকে শহর থেকে বের করে দিতে পার। সুতরাং তোমরা শীঘ্রই বুঝতে পারবে।
১২৪. অবশ্যই আমি কেটে দেব তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে। তারপর তোমাদের সবাইকে শূলীতে চড়িয়ে মারব।
১২৫. তারা বলল, আমাদেরকে তো মৃত্যুর পর নিজেদের পরওয়ারদেগারের নিকট ফিরে যেতেই হবে।
১২৬. বস্তুতঃ আমাদের সাথে তোমার শত্রুতা তো এ কারণেই যে, আমরা ঈমান এনেছি আমাদের পরওয়ারদেগারের নিদর্শনসমূহের প্রতি যখন তা আমাদের নিকট পৌঁছেছে। হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর।
১২৭. ফেরাউনের সম্প্রদায়ের র্সদাররা বলল, তুমি কি এমনি ছেড়ে দেবে মূসা ও তার সম্প্রদায়কে। দেশময় হৈ-চৈ করার জন্য এবং তোমাকে ও তোমার দেব-দেবীকে বাতিল করে দেবার জন্য। সে বলল, আমি এখনি হত্যা করব তাদের পুত্র সন্তানদিগকে; আর জীবিত রাখব মেয়েদেরকে। বস্তুতঃ আমরা তাদের উপর প্রবল।
১২৮. মূসা বললেন তার কওমকে, সাহায্য প্রার্থনা কর আল্লাহর নিকট এবং ধৈর্য্য ধারণ কর। নিশ্চয়ই এ পৃথিবী আল্লাহর। তিনি নিজের বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন এবং শেষ কল্যাণ মুত্তাকীদের জন্যই নির্ধারিত রয়েছে।
১২৯. তারা বলল, আমাদের কষ্ট ছিল তোমার আসার পূর্বে এবং তোমার আসার পরে। তিনি বললেন, তোমাদের পরওয়ারদেগার শীঘ্রই তোমাদের শক্রদের ধ্বংস করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দেশে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন। তারপর দেখবেন, তোমরা কেমন কাজ কর।
১৩০. তারপর আমি পাকড়াও করেছি-ফেরাউনের অনুসারীদেরকে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
১৩১. অতঃপর যখন শুভদিন ফিরে আসে, তখন তারা বলতে আরম্ভ করে যে, এটাই আমাদের জন্য উপযোগী। আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয় তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে। শুনে রাখ তাদের অলক্ষণ যে, আল্লাহরই এলেমে রয়েছে, অথচ এরা জানে না।
১৩২. তারা আরও বলতে লাগল, আমাদের উপর জাদু করার জন্য তুমি যে নিদর্শনই নিয়ে আস না কেন আমরা কিন্তু তোমার উপর ঈমান আনছি না।
১৩৩. সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত প্রভৃতি বহুবিধ নিদর্শন একের পর এক। তারপরেও তারা গর্ব করতে থাকল। বস্তুতঃ তারা ছিল অপরাধপ্রবণ।
১৩৪. আর তাদের উপর যখন কোন আযাব পড়ে তখন বলে, হে মূসা আমাদের জন্য তোমার পরওয়ারদেগারের নিকট সে বিষয়ে দোয়া কর যা তিনি তোমার সাথে ওয়াদা করে রেখেছেন। যদি তুমি আমাদের উপর থেকে এ আযাব সরিয়ে দাও, তবে অবশ্যই আমরা ঈমান আনব তোমার উপর এবং তোমার সাথে বনী-ইসরাঈলদেরকে যেতে দেব।
১৩৫. অতঃপর যখন আমি তাদের উপর থেকে আযাব তুলে নিতাম নির্ধারিত একটি সময় পর্যন্ত-যেখান পর্যন্ত তাদেরকে পৌছানোর উদ্দেশ্য ছিল, তখন তড়িঘড়ি তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করত।
১৩৬. সুতরাং আমি তাদের কাছে থেকে বদলা নিয়ে নিলাম-বস্তুতঃ তাদেরকে সাগরে ডুবিয়ে দিলাম। কারণ, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল আমার নিদর্শনসমূহকে এবং তৎপ্রতি অনীহা প্রদর্শন করেছিল।
১৩৭. আর যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত তাদেরকেও আমি উত্তরাধিকার দান করেছি এ ভুখন্ডের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের যাতে আমি বরকত সন্নিহিত রেখেছি এবং পরিপূর্ণ হয়ে গেছে তোমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত কল্যাণ বনী-ইসরাঈলদের জন্য তাদের ধৈর্য্যধারণের দরুন। আর ধ্বংস করে দিয়েছে সে সবকিছু যা তৈরী করেছিল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায় এবং ধ্বংস করেছি যা কিছু তারা সুউচ্চ নির্মাণ করেছিল।
১৩৮. বস্তুতঃ আমি সাগর পার করে দিয়েছি বনী-ইসরাঈলদিগকে। তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌছাল, যারা স্বহস্তনির্মিত মূর্তিপুজায় নিয়োজিত ছিল। তারা বলতে লাগল, হে মূসা; আমাদের উপাসনার জন্যও তাদের মূর্তির মতই একটি মূর্তি নির্মাণ করে দিন। তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে বড়ই অজ্ঞতা রয়েছে।
১৩৯. এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা ধ্বংস হবে এবং যা কিছু তারা করেছে তা যে ভুল!
রুকইয়াহয় ৮:৪১
وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا ﴿٨١﴾
৮১. বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।
রুকইয়াহয় ১০:১২، ১০:৩৮ · ২ বার
وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ ﴿٦٩﴾
৬৯. তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।
রুকইয়াহয় ১৫:০০، ১৫:৪৭ · ২ বার
أَمْ يَحْسُدُونَ ٱلنَّاسَ عَلَىٰ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۖ فَقَدْ ءَاتَيْنَآ ءَالَ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَءَاتَيْنَٰهُم مُّلْكًا عَظِيمًۭا ﴿٥٤﴾
৫৪. নাকি যাকিছু আল্লাহ তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে দান করেছেন সে বিষয়ের জন্য মানুষকে হিংসা করে। অবশ্যই আমি ইব্রাহীমের বংশধরদেরকে কিতাব ও হেকমত দান করেছিলাম আর তাদেরকে দান করেছিলাম বিশাল রাজ্য।
রুকইয়াহয় ১৬:৩৩، ১৬:৫৪، ১৭:০৮، ১৭:৪৬ · ৪ বার
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ﴿٥١﴾
৫১. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
রুকইয়াহয় ১৮:১১، ১৮:২৫، ১৮:৩৬ · ৩ বার
إِنَّمَا سُلْطَٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشْرِكُونَ ﴿١٠٠﴾
১০০. তার আধিপত্য তো তাদের উপরই চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং যারা তাকে অংশীদার মানে।
রুকইয়াহয় ২১:৪৩
إِنَّهُۥ لَيْسَ لَهُۥ سُلْطَٰنٌ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ ﴿٩٩﴾ إِنَّمَا سُلْطَٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشْرِكُونَ ﴿١٠٠﴾
৯৯. তার আধিপত্য চলে না তাদের উপর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং আপন পালন কর্তার উপর ভরসা রাখে।
১০০. তার আধিপত্য তো তাদের উপরই চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং যারা তাকে অংশীদার মানে।
রুকইয়াহয় ২২:২৫
রুকইয়াহয় পঠিত মাসনুন দোয়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ) — صيغة الاستعاذة المأمور بها في قوله تعالى: ﴿فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ﴾ [النحل: ٩٨]৬ বার
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে।
সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা — صيغة مأثورة عن بعض السلف (انظر تفسير القرطبي، مقدمة الاستعاذة) — يُراجَع المصدر১ বার
শাইখের রুকইয়াহ-বাক্য ও দোয়া ৪৯ অংশ
শাইখের নিজের ভাষায় পড়া দোয়া — বাংলা অর্থসহ
يَعْدِلُونَ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا أَمَّا بَعْدُ فَهَذِهِ رُقْيَةٌ شَرْعِيَّةٌ لِإِبْطَالِ السِّحْرِ وَالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ وَطَرْدِ الشَّيْطَانِ الْعَاشِقِ خَاصَّةً لِمَنِ ابتل فِي شَهْرِ رَمَضَانَ وَلَمْ يُكْتَبِ النَّفْعُ وَالْبَرَكَةُ وَأَنْ يَمُنَّ عَلَيْنَا وَعَلَيْكُمْ بِالْعَافِيَةِ وَالْفَرَجِ وَالشِّفَاءِ الْعَاجِلِ إِنَّهُ وَلِيُّ ذَلِكَ وَالْقَادِرُ عَلَيْهِ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ
...যারা সমকক্ষ স্থাপন করে। এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসূল। তাঁর, তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের উপর অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক। এরপর, এটি জাদু, বদনজর ও হিংসা প্রতিরোধ এবং আশেকরূপী শয়তান তাড়ানোর জন্য একটি শরয়ী রুকইয়াহ, বিশেষত যিনি রমজান মাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং যাঁর উপকার ও বরকত (এখনো) লেখা হয়নি তাঁর জন্য। আল্লাহ যেন আমাদের ও আপনাদের সুস্থতা, মুক্তি ও দ্রুত আরোগ্য দান করেন। তিনিই এর অভিভাবক ও এর উপর ক্ষমতাবান। আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি- তার প্ররোচনা, ফুঁ ও থুতু থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও থুতু থেকে, তার প্ররোচনা, ফুঁ ও নিঃশ্বাস থেকে, তার প্ররোচনা ও ফুঁ থেকে
০:০৮–১:০৪
وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ
তার নিঃশ্বাস, তার প্ররোচনা ও ফুঁ থেকে, তার নিঃশ্বাস, তার প্ররোচনা ও ফুঁ থেকে
১:০৪–১:১১
سَاجِدِينَ
সিজদাকারী অবস্থায়
২:৫৯–৩:০০
وَهَارُونَ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ يَا مُبْطِلَ كَيْدِ السَّحَرَةِ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِيَسْحَبَ الْأَبْصَارَ وَالْأَبْدَانَ وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِيَسْحَقَ
এবং হারুনের (রবের প্রতি ঈমান এনেছি)। হে আল্লাহ, হে জাদুকরদের চক্রান্ত নস্যাৎকারী (বহুবার পুনরাবৃত্তি- হে আল্লাহ, হে জাদুকরদের চক্রান্ত নস্যাৎকারী), হে আল্লাহ, হে জাদুকরদের নস্যাৎকারী, হে আল্লাহ, হে জাদুকরদের চক্রান্ত নস্যাৎকারী (আরও কয়েকবার)। সকল জাদু বাতিল করে দিন যা তৈরি করা হয়েছে (তিনবার), যাতে দৃষ্টি, দেহ ও বুদ্ধি হরণ করা যায়। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করুন যা চূর্ণ করার জন্য তৈরি হয়েছে
৩:১৪–৪:১০
الْأَبْصَارَ وَالْأَبْدَانَ وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِيَسْحَبَ وَالْأَبْدَانَ وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِ يَسْحَرَ الْأَبْصَارَ وَالْأَبْدَانَ وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِيَسْحَبَ وَالْأَبْدَانَ وَالْعُقُولَ
দৃষ্টি, দেহ ও বুদ্ধি। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করুন যা হরণ করার জন্য তৈরি হয়েছে, দেহ ও বুদ্ধি। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করুন যা জাদু করার জন্য তৈরি হয়েছে দৃষ্টি, দেহ ও বুদ্ধির উপর। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করুন যা হরণ করার জন্য তৈরি হয়েছে, দেহ ও বুদ্ধি
৪:১০–৪:৪০
وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لِيَسْحَقَ الْأَبْصَارَ وَالْأَبْدَانَ
ও বুদ্ধি। হে আল্লাহ, সকল জাদু বাতিল করুন যা তৈরি হয়েছে দৃষ্টি ও দেহ চূর্ণ করার জন্য
৪:৪৬–৪:৫৪
كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ رُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ
তাদের চক্রান্ত তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের জাদু তাদের উপরই ফিরিয়ে দিন
৫:৩৪–৫:৩৮
نُحُورِهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمُ اللَّهُمَّ
তাদের গলায়, এবং তাদের জাদু তাদের উপর ফিরিয়ে দিন (কয়েকবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ
৫:৪২–৫:৫১
سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ وَرُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمْ بِقُوَّتِكَ وَجَبَرُوتِكَ يَا قَوِيُّ يَا عَزِيزُ بِقُوَّتِكَ وَجَبَرُوتِ يَا قَوِيُّ يَا
তাদের জাদু তাদের উপর, এবং তাদের জাদু তাদের উপর ফিরিয়ে দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)- আপনার শক্তি ও পরাক্রম দ্বারা, হে শক্তিমান, হে পরাক্রমশালী, আপনার শক্তি ও পরাক্রম দ্বারা, হে শক্তিমান, হে
৫:৫৮–৬:৩২
الرَّجِيمِ
অভিশপ্ত (শয়তান)
৬:৩৬–৬:৩৮
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ
৭:১৮–৭:২৩
فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ بَلْ نَقْذِفُ
তখন তা বিলুপ্ত হয়ে যায় (ছয়বার পুনরাবৃত্তি)। বরং আমরা নিক্ষেপ করি
৮:০৫–৮:১৯
أَنَّهَا هَؤُلَاءِ
নিশ্চয় এসব তারা
৮:৩৭–৮:৪১
زَهُوقًا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ كُلَّ بَاطِلٍ فِي الْجَسَدِ يَذْهَبُ وَيَحْ رِقُ وَيَفْسَدُ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ حَطِّمْ كُلَّ بَاطِلٍ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ حَطِّمْ كُلَّ بَاطِلٍ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ ابْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَحَسَدٍ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي الْجَسَدِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ
বিলুপ্তকারী রূপে। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, হে আল্লাহ, এই দেহে যা কিছু বাতিল/মিথ্যা আছে তা দূর করে দিন, জ্বালিয়ে দিন ও ধ্বংস করে দিন, হে আমাদের রব। হে আল্লাহ, এই দেহের মধ্যে সকল বাতিল গুঁড়িয়ে দিন। হে আল্লাহ, এই দেহের মধ্যে সকল বাতিল গুঁড়িয়ে দিন। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, এই দেহের সকল জাদু বাতিল করুন। হে আল্লাহ, এই দেহের সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করুন (কয়েকবার)। হে আল্লাহ, এই দেহের সকল জাদু ও হিংসা বাতিল করুন- এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে, এই দেহে। হে আল্লাহ, দেহে নূর দান করুন এবং শয়তান ও তার জাদুর উপর আগুন দিন। হে আল্লাহ, দিন
১০:৫২–১১:৪৭
النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ وَالْعَافِيَةَ وَالْعَافِيَةَ وَالْعَافِيَةَ وَالْعَافِيَةَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ وَالنَّارَ وَالنَّارَ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي
এই দেহে নূর। হে আল্লাহ, এই দেহে নূর দিন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, নূর ও সুস্থতা, সুস্থতা, সুস্থতা, সুস্থতা এই দেহে দান করুন। হে আল্লাহ, এই দেহে নূর দিন। হে আল্লাহ, এই দেহে নূর দিন, এবং শয়তান ও তার জাদুর উপর আগুন দিন, আগুন দিন শয়তান ও তার জাদুর উপর (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, নূর দিন
১১:৪৭–১২:৩০
هَذَا الْجَسَدِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ وَالنَّارَ وَالنَّارَ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَالنَّارَ عَلَى الشَّيْطَانِ وَسِحْرِهِ اللَّهُمَّ اجْعَلِ النُّورَ فِي هَذَا الْجَسَدِ اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي الْجَسَدِ نُورًا وَنَارًا عَلَى كُلِّ شَيْطَانٍ سَكَنَهُ وَنَارًا عَلَى كُلِّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ
এই দেহে, এবং শয়তান ও তার জাদুর উপর আগুন, আগুন, আগুন, শয়তানের উপর আগুন, শয়তান ও তার জাদুর উপর আগুন। হে আল্লাহ, এই দেহে নূর দিন। হে আল্লাহ, দেহের মধ্যে নূর দিন এবং তাতে বসবাসকারী প্রত্যেক শয়তানের উপর আগুন দিন এবং প্রতিটি জাদুর উপর আগুন দিন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করে বাতিল করুন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করুন
১২:৩০–১৩:১৩
وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ كُلَّ سِحْرٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ اللَّهُمَّ
এবং বাতিল করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করে বাতিল করুন (বহুবার পুনরাবৃত্তি)। হে আমাদের রব, হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করে বাতিল করুন এবং প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে ধ্বংস করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু, সকল জাদু, সকল জাদু, সকল জাদু, সকল জাদু, সকল জাদু বের করুন। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করে বাতিল করুন (কয়েকবার)। হে আল্লাহ
১৩:১৩–১৩:৫২
أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ سِحْرٍ وَأَبْطِلْهُ يَا قَوِيُّ يَا مَتِينُ وَاهْ أَهْلِكْ كُلَّ
সকল জাদু বের করে বাতিল করুন, হে আমাদের রব। হে আল্লাহ, সকল জাদু বের করে বাতিল করুন, হে শক্তিমান, হে সুদৃঢ়। এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক
১৩:৫২–১৪:০০
سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ واهل كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ كُلَّ سَ رٍ كُلَّ سَاحِرٍ كُلَّ سَاحِرٍ كُلَّ سَاحِرٍ
পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে, প্রত্যেক জাদুকর, প্রত্যেক জাদুকর, প্রত্যেক জাদুকর, প্রত্যেক জাদুকর
১৪:১১–১৪:৩৫
إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ كَيْدُ سَاحِرٍ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَ
তারা যা তৈরি করেছে তা তো একজন জাদুকরের চক্রান্ত মাত্র (তিনবার পুনরাবৃত্তি)- জাদুকরের চক্রান্ত, জাদুকরের চক্রান্ত, জাদুকরের চক্রান্ত, জাদুকরের চক্রান্ত, জাদুকরের চক্রান্ত। আর জাদুকর কখনো সফল হয় না, জাদুকর সফল হয় না, যেখানেই সে আ-
১৪:৪০–১৫:০০
أَتَى وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى وَلَا يُفْلِحُ
আসুক না কেন। জাদুকর সফল হয় না যেখানেই সে আসুক না কেন। এবং সফল হয় না
১৫:৩৩–১৫:৩৯
السَّاحِرُ حَيْثُ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْسِهِ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ أَمْ يَحْسُ يَسُدُونَ
যাদুকর যেখানেই আসুক, শয়তানের প্ররোচনা, তার অহংকার ও তার (কু)ফুঁ থেকে, শয়তানের প্ররোচনা, তার অহংকার ও তার ফুঁ থেকে, শয়তানের প্ররোচনা, তার অহংকার ও তার ফুঁ থেকে, তারা কি মানুষকে হিংসা করে, তারা কি মানুষকে হিংসা করে, তারা কি মানুষকে হিংসা করে, তারা কি হিংসা করে
১৫:৫৩–১৬:৩২
النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ
মানুষকে, তারা কি হিংসা করে
১৬:৪৭–১৬:৫২
مِنْ فَضْلِهِ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَىٰ مَا آتَاهُمُ
তাঁর অনুগ্রহ থেকে, তারা কি মানুষকে হিংসা করে যা তাদের দেওয়া হয়েছে তার জন্য
১৭:০১–১৭:০৮
وَالْحِكْمَةَ
এবং প্রজ্ঞা
১৭:১৬–১৭:১৮
مَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ
আল্লাহ তাদের যে অনুগ্রহ দান করেছেন তার জন্য, তারা কি মানুষকে হিংসা করে
১৭:৩৮–১৭:৪৬
لِلْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَيْنٍ نَظَرَتْ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا نَظَرَتْ إِلَيْنَا نَظَرَتْ إِلَيْنَا نَظَرَتْ نَظَرَتْ نَظَرَتْ إِلَيْنَا نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَيْنٍ بِكُلِّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا أَبْطِلْ أَثَرَهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا
বিশ্ববাসীর জন্য। হে আল্লাহ! প্রতিটি চোখ যা হিংসাভরে আমাদের দিকে তাকিয়েছে, তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও। হে আল্লাহ! প্রতিটি চোখ যা হিংসাভরে আমাদের দিকে তাকিয়েছে, তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও। হে আল্লাহ! প্রতিটি চোখের বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও — তাকিয়েছে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে হিংসাভরে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে, তাকিয়েছে, তাকিয়েছে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে, তাকিয়েছে আমাদের দিকে হিংসাভরে। হে আল্লাহ! প্রতিটি চোখের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নাও, প্রতিটি চোখ যা আমাদের দিকে হিংসাভরে তাকিয়েছে। হে আল্লাহ! প্রতিটি চোখ যা হিংসাভরে আমাদের দিকে তাকিয়েছে তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও, এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও এবং এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও এবং এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও।
১৯:০৭–২০:১১
اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ وَأَبْرِدْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَرِحْنَا مِنْ شُرُورِهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا وَأَرِحْنَا مِنْ شُرُورِهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا وَأَرِحْنَا مِنْ شُرُورِهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا وَأَرِحْنَا مِنْ شُرُورِهَا وَأَرِحْنَا مِنْ شُرُورِهَا اللَّهُمَّ أَطْفِئْ حَرَّهَا وَأَبْطِلْ أَثَرَهَا وَأَرِحْنَا مِنْ
হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও এবং এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও ও ঠান্ডা করো এবং এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! আমাদের এর অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও, এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও এবং আমাদের এর অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও, এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও এবং আমাদের এর অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও, এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও এবং আমাদের এর অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি দাও, আমাদের এর অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি দাও। হে আল্লাহ! এর উত্তাপ নিভিয়ে দাও, এর প্রভাব বিনষ্ট করে দাও এবং আমাদের অনিষ্ট থেকে
২০:১১–২১:০০
شُرُورِهَا اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
অনিষ্ট থেকে (প্রশান্তি দাও)। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
২১:০০–২১:০৩
الْعَافِيَةَ
নিরাপত্তা/সুস্থতা
২১:১৬–২১:১৯
الْعَافِيَةَ وَأَلْبِسْنَا ثَوْبَ الصِّحَّةِ وَالسَّلَامُ
নিরাপত্তা/সুস্থতা এবং আমাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তার পোশাক পরিধান করাও
২১:২৪–২১:৩০
الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ إِنَّمَا سُلْطَانُهُ
অভিশপ্ত (শয়তান) থেকে, তার প্ররোচনা, অহংকার ও ফুঁ থেকে (আশ্রয় চাই)। তার ক্ষমতা তো কেবল
২১:৩৭–২১:৪৩
يَتَوَلَّوْنَهُ إِنَّمَا سُلْطَانُهُ عَلَى الَّذِينَ
যারা তাকে অভিভাবক বানায় তাদের উপরই। তার ক্ষমতা তো কেবল তাদের উপরই যারা
২২:১৯–২২:২৫
اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اقْطَعْ اقْطَعْ عَنْ كُلِّ شَيْطَانٍ سَبَبًا يَرْبِطُهُ بِنَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ لَا سُلْطَانَ لِلشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ لَا سُلْطَانَ لِلشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ لَا سُلْطَانَ لِلشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ لَا سُلْطَانَ لِلشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ لَا سُلْطَانَ لِلشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ اقْطَعْ عَنْهُ كُلَّ سَبَبٍ يَرْبِطُهُ بِنَا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ
হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! বিচ্ছিন্ন করে দাও, প্রতিটি শয়তানের সাথে আমাদের সংযোগকারী প্রতিটি মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে দাও। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর কোনো ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর কোনো ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর কোনো ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর কোনো ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর কোনো ক্ষমতা নেই। হে আল্লাহ! তার সাথে আমাদের সংযোগকারী প্রতিটি মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও।
২৩:০৬–২৪:০০
اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ فِي الْجَسَدِ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا
হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে দেহের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে-সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে-সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও
২৪:০০–২৪:৪৭
اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ
হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে বের করে দাও
২৪:৪৭–২৫:৪৪
صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا لَا يَقْدِرُ عَلَى الْبَقَاءِ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا لَا يَقْدِرُ عَلَى الْبَقَاءِ فِي الْجَسَدِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْهُ صَاغِرًا ذَلِيلًا لَا يَقْدِرُ الْبَقَاءَ لَا يَقْدِرُ عَلَى الْبَقَاءِ فِي الْجَسَدِ لَا يَقْدِرُ عَلَى الْبَقَاءِ فِي الْجَسَدِ بِحَوْلِكَ وَقُوَّتِكَ يَا عَزِيزُ يَا جَبَّارُ بِقُوَّتِكَ يَا رَبَّنَا يَا عَزِيزُ يَا
অপমানিত ও লাঞ্ছিত। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও, সে দেহে থাকতে সক্ষম হবে না। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও, সে দেহে থাকতে সক্ষম হবে না। হে আল্লাহ! তাকে অপমানিত ও লাঞ্ছিত অবস্থায় বের করে দাও, থাকতে সক্ষম হবে না, দেহে থাকতে সক্ষম হবে না, দেহে থাকতে সক্ষম হবে না — তোমার শক্তি ও ক্ষমতা দ্বারা, হে পরাক্রমশালী, হে মহাপ্রতাপশালী, তোমার ক্ষমতা দ্বারা, হে আমাদের রব, হে পরাক্রমশালী, হে
২৫:৪৪–২৬:৩২
جَبَّارُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا
মহাপ্রতাপশালী। হে আল্লাহ! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী। হে আল্লাহ! হে চিরঞ্জীব, হে
২৬:৩২–২৬:৪৬
قَيُّومُ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا
চিরস্থায়ী, হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী। হে আল্লাহ! হে চিরঞ্জীব, হে
২৬:৫৫–২৭:০৪
وَبِأَسْمَاءِ الْحُسْنَى وَصِفَاتِكَ الْعُلَى أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا أَنْ تَشْفِيَنَا شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ ارْفَعْ عَنَّا كُلَّ ضُرٍّ
এবং তোমার সুন্দর নাম ও উচ্চ গুণাবলীর উসিলায় (প্রার্থনা করছি) যে তুমি আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না, আমাদের এমন আরোগ্য দান করো যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও বিপদ দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও বিপদ দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও বিপদ দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও বিপদ দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও বিপদ দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল ক্ষতি ও
২৭:১৪–২৮:২৬
وَبَلَاءٍ اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا هَذَا الشَّهْرَ الْمُبَارَكَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ الْمُبَارَكَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ الْمُبَارَكَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ الْمُبَارَكَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ هَذَا الشَّهْرَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا الشَّهْرَ الْمُبَارَكَ شَهْرَ الْفَرَجِ لَنَا اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ شَهْرَ الْخَيْرِ وَالرَّحْمَةِ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا اجْعَلْهُ شَهْرَ خَيْرٍ وَرَحْمَةٍ لَنَا اللَّهُمَّ اكْشِفْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ
বিপদ (দূর করে দাও)। হে আল্লাহ! এই, এই বরকতময় মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই মাস, এই মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসকে আমাদের জন্য মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এটিকে কল্যাণ ও রহমতের মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! এটিকে আমাদের জন্য কল্যাণ ও রহমতের মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল পুরনো যাদু দূর করে দাও
২৮:২৬–২৯:২৩
وَجَدِيدٍ اللَّهُمَّ اكْشِفْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ وَجَدِيدٍ اللَّهُمَّ اكْشِفْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ وَجَدِيدٍ اللَّهُمَّ اكْشِفْ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ قَدِيمٍ وَجَدِيدٍ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ اللَّهُمَّ زَلْزِلِ
এবং নতুন। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল পুরনো ও নতুন যাদু দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল পুরনো ও নতুন যাদু দূর করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে সকল পুরনো ও নতুন যাদু দূর করে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি কাঁপিয়ে দাও। হে আল্লাহ! কাঁপিয়ে দাও
২৯:২৩–৩০:২০
الْأَرْضَ تَحْتَ أَقْدَامِ السَّحَرَةِ واهلكم يَا رَبَّنَا واهلكم واهلكم واهلكم وَاجْعَلْ نَارًا تَحْرِقُ السِّحْرَ وَحَرَاسَهُ اللَّهُمَّ أَرْسِلْ نَارًا مِنْ عِنْدِكَ تَحْرِقُ السِّحْرَ وَحَرَاسَهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَلَائِكَتَكَ الْكِرَامَ تُسْقِطُهُ كُلَّهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَلَائِكَتَكَ الْكِرَامَ تُسْقِطُهُ كُلَّهُ وَأَبْطِلْهُ كَمَا أَبْطَلْتَ سِحْرَ فِرْعَوْنَ اللَّهُمَّ اجعل نا فِي حِصْنِكَ الْحَصِينِ وَاجْعَلْنَا فِي حِمَايَتِكَ اللَّهُمَّ أَبْعِدْ عَنَّا كُلَّ عَيْنٍ تُصِيبُنَا أَوْ حَسَدٍ
যাদুকরদের পায়ের নিচের মাটি (কাঁপিয়ে দাও), এবং তাদের ধ্বংস করো। হে আমাদের রব! তাদের ধ্বংস করো, তাদের ধ্বংস করো, তাদের ধ্বংস করো, এবং এমন আগুন সৃষ্টি করো যা যাদু ও এর রক্ষীদের জ্বালিয়ে দেয়। হে আল্লাহ! তোমার পক্ষ থেকে এমন আগুন পাঠাও যা যাদু ও তার রক্ষীদের পুড়িয়ে দেয়। হে আল্লাহ! তোমার সম্মানিত ফেরেশতাদের দিয়ে এটিকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলো। হে আল্লাহ! তোমার সম্মানিত ফেরেশতাদের দিয়ে এটিকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলো এবং নিষ্ফল করে দাও যেমন তুমি ফেরাউনের যাদু নিষ্ফল করেছিলে। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার সুরক্ষিত দুর্গে রাখো এবং তোমার সুরক্ষায় রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের থেকে প্রতিটি ক্ষতিকর নজর অথবা হিংসা দূর করে দাও
৩০:২০–৩১:১০
يُؤْذِينَا اللَّهُمَّ كُلُّ مَنْ أَرَادَ بِنَا شَرًّا فَاشْغَلْهُ بِنَفْسِهِ اللَّهُمَّ مَنْ أَرَادَ بِنَا شَرًّا فَاشْغَلْهُ فِي نَفْسِهِ اللَّهُمَّ مَنْ أَرَادَ بِنَا يَا رَبَّنَا مَنْ أَرَادَ بِنَا شَرًّا فَاشْغَلْهُ فِي نَفْسِهِ اللَّهُمَّ كُلُّ مَنْ أَرَادَ تَعْطِيلَ أُمُورِنَا فَاقْطَعْ أَسْبَابَهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ
যা আমাদের কষ্ট দেয়। হে আল্লাহ! যে আমাদের অনিষ্ট চায়, তাকে তার নিজের মধ্যেই ব্যস্ত রাখো। হে আল্লাহ! যে আমাদের অনিষ্ট চায়, তাকে তার নিজের মধ্যেই ব্যস্ত রাখো। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! যে আমাদের অনিষ্ট চায়, তাকে তার নিজের মধ্যেই ব্যস্ত রাখো। হে আল্লাহ! যে আমাদের কাজে বাধা দিতে চায়, তার সব উপায় বিচ্ছিন্ন করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো, আল্লাহ। হে আল্লাহ! আমাদের রাখো তোমার হিফাজতে
৩১:১০–৩২:০০
وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْنَا فِي حِفْظِكَ وَكَنَفِكَ وَارْزُقْنَا يَا رَبَّنَا وَارْزُقْنَا الْعَافِيَةَ وَالطُّمَأْنِينَةَ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا ارْزُقْنَا الطُّمَأْنِينَةَ اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا وَيَا مَوْلَانَا وَيَا سَمِيعَ الدُّعَاءِ نَسْأَلُكَ يَا رَبَّنَا فِي هَذَا الشَّهْرِ أَنْ تُنَزِّلَ شِفَاءَكَ وَرَحْمَتَكَ عَلَى كُلِّ مبتل وَمَرِيضٍ اللَّهُمَّ ارْحَمْ ضَعْفَنَا اللَّهُمَّ ارْحَمْ ضَعْفَنَا وَاجْبُرْ كَسْرَنَا
ও আশ্রয়ে। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো। হে আল্লাহ! আমাদের তোমার হিফাজত ও আশ্রয়ে রাখো এবং আমাদের দান করো। হে আমাদের রব! আমাদের নিরাপত্তা ও প্রশান্তি দান করো। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! আমাদের প্রশান্তি দান করো। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব, হে আমাদের অভিভাবক, হে দোয়া শ্রবণকারী! আমরা তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, হে আমাদের রব, এই মাসে তুমি প্রতিটি বিপদগ্রস্ত ও রোগীর উপর তোমার আরোগ্য ও রহমত নাযিল করো। হে আল্লাহ! আমাদের দুর্বলতার প্রতি দয়া করো। হে আল্লাহ! আমাদের দুর্বলতার প্রতি দয়া করো এবং আমাদের ভাঙা অংশ জোড়া লাগাও
৩২:০০–৩২:৫৪
وَأَطْلِقْ أَسْرَنَا وَاشْفِ مَرْضَانَا وَعَافِ مُبْتَلَانَا اللَّهُمَّ يَا قَوِيُّ يَا عَزِيزُ يَا جَبَّارُ يَا مُنْتَقِمُ نَسْأَلُكَ بِقُدْرَتِكَ الَّتِي قَهَرْتَ بِهَا كُلَّ شَيْءٍ وَبِنُورِ وَجْهِكَ الَّذِي أَشْرَقَتْ لَهُ السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أَنْ تُبْطِلَ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ لَنَا اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ صُنِعَ وَوُضِعَ لَنَا اللَّهُمَّ يَا رَبَّنَا أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَدْفُونٍ أَوْ مُعَلَّقٍ فِي الْهَوَاءِ اللَّهُمَّ كُلَّ سِحْرٍ يَا رَبَّنَا اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ كُلِّ عَيْنٍ خَبِيثَةٍ وَمِنْ كُلِّ نَفْسٍ وَمِنْ كُلِّ نَفْسٍ خَبِيثَةٍ تَتَمَنَّى زَوَالَ النِّعَمِ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِكِرْهٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِبُغْضٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَيْنٍ نَظَرَتْ إِلَيْنَا بِحَسَدٍ اللَّهُمَّ
এবং আমাদের বন্দীদের মুক্ত করো, আমাদের রোগীদের সুস্থ করো এবং আমাদের বিপদগ্রস্তদের নিরাপদ রাখো। হে আল্লাহ! হে শক্তিশালী, হে পরাক্রমশালী, হে মহাপ্রতাপশালী, হে প্রতিশোধ গ্রহণকারী! আমরা তোমার সেই ক্ষমতার উসিলায় প্রার্থনা করছি যা দিয়ে তুমি সবকিছুকে পরাভূত করেছ, এবং তোমার সেই নূরের উসিলায় যার দ্বারা আসমান ও জমিন আলোকিত হয়েছে, যে তুমি আমাদের জন্য তৈরি করা প্রতিটি যাদু নিষ্ফল করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য তৈরি ও স্থাপন করা প্রতিটি যাদু নিষ্ফল করে দাও। হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! মাটিতে পোঁতা বা বাতাসে ঝুলানো প্রতিটি যাদু নিষ্ফল করে দাও। হে আল্লাহ! প্রতিটি যাদু, হে আমাদের রব। হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই প্রতিটি খারাপ নজর থেকে এবং প্রতিটি প্রবৃত্তি থেকে, আর প্রতিটি খারাপ প্রবৃত্তি থেকে যা নেয়ামত বিলুপ্ত হওয়া কামনা করে। হে আল্লাহ! ঘৃণাভরে আমাদের প্রতি তাকানো প্রতিটি নজর দূর করে দাও। হে আল্লাহ! বিদ্বেষভরে আমাদের প্রতি তাকানো প্রতিটি নজর দূর করে দাও। হে আল্লাহ! হিংসাভরে আমাদের প্রতি তাকানো প্রতিটি নজর দূর করে দাও। হে আল্লাহ!
৩২:৫৪–৩৩:৪৮
أَطْفِئْ نَارَهَا اللَّهُمَّ رُدَّهَا عَلَى صَاحِبِهَا اللَّهُمَّ اشْفِنَا مِنْ أَثَرِهَا وَضَرِّهَا وَأَبْعِدْ عَنَّا شَرَّ الْعُيُوبِ اللَّهُمَّ أَهْلِكِ الشَّيَاطِينَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِكُلِّ عَاشِقٍ تَسَلَّطَ عَلَيْنَا اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِالْعُشَّاقِ مِنَ الْجَانِّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وَعَيْنٍ وَحَسَدٍ اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ عَاشِقٍ صَاغِرًا ذَلِيلًا مُنْكَسِرًا مَهْزُومًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْأَجْسَادَ عَلَيْهِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْجَسَدَ عَلَيْهِ نَارًا اللَّهُمَّ اجْعَلِ الْجَسَدَ عَلَيْهِ نَارًا اللَّهُمَّ فِي هَذَا الشَّهْرِ الْمُبَارَكِ اللَّهُمَّ فِي هَذَا الشَّهْرِ الْمُبَارَكِ امْلَأْ بُيُوتَنَا وَأَجْسَادَنَا بِنُورِ الْقُرْآنِ وَحِفْظِ الْمَلَائِكَةِ وَحَصِّنَّا مِنْ شَيَاطِينِ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ
এর আগুন নিভিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তা এর মালিকের দিকে ফিরিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এর প্রভাব ও ক্ষতি থেকে আমাদের আরোগ্য দান করো এবং আমাদের থেকে কুনজরের অনিষ্ট দূর করো। হে আল্লাহ! শয়তানদের ধ্বংস করে দাও। হে আল্লাহ! যে আশেক (প্রেমাসক্ত জ্বিন) আমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে তার বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও। হে আল্লাহ! জ্বিনদের মধ্যে থেকে আশেকদের বিরুদ্ধে তুমি ব্যবস্থা নাও, প্রতিটি যাদু, কুনজর এবং হিংসা নিষ্ফল করে দাও। হে আল্লাহ! প্রতিটি আশেককে অপমানিত, লাঞ্ছিত, ভগ্ন ও পরাজিত অবস্থায় বের করে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহগুলোকে তার জন্য আগুন বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহকে তার জন্য আগুন বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই দেহকে তার জন্য আগুন বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসে। হে আল্লাহ! এই বরকতময় মাসে আমাদের ঘর ও দেহকে কুরআনের নূর, ফেরেশতাদের হিফাজত দিয়ে পূর্ণ করে দাও এবং আমাদের মানুষ ও জ্বিন শয়তান থেকে সুরক্ষিত করে দাও
৩৩:৪৮–৩৪:৪২
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَمَضَانَ واجعلوا شَهْرَ الشِّفَاءِ وَالرَّحْمَةِ وَالتَّخَلُّصِ مِنْ كُلِّ أَذًى وَسُوءٍ اللَّهُمَّ لَا يَنْقَضِي هَذَا الشَّهْرُ إِلَّا وَقَدْ أَنْعَمْتَ عَلَيْنَا بِالصِّحَّةِ وَالْعَافِيَةِ وَأَذْهِبْ عَنَّا كُلَّ دَاءٍ وَبَلَاءٍ يَا أَرْحَمَ
হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রমজানকে বরকতময় করো এবং একে আরোগ্য, রহমত এবং সকল ক্ষতি ও অনিষ্ট থেকে মুক্তির মাস বানিয়ে দাও। হে আল্লাহ! এই মাস শেষ না হোক যতক্ষণ না তুমি আমাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করো এবং আমাদের থেকে সকল রোগ ও বিপদ দূর করে দাও, হে সবচেয়ে দয়ালু
৩৪:৪২–৩৫:০৭
وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا
এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের উপর, এবং প্রচুর সালাম বর্ষণ করো
৩৫:১২–৩৫:১৯
অন্যান্য পঠিত অংশ ৫৭ অংশ
এ অংশগুলো আয়াতের অংশ বা দোয়া হিসেবে পড়া হয়েছে; কুরআনের আয়াত সর্বদা মুসহাফ থেকেই পড়বেন।
شِفَاؤُهُمْ نَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظِيمَ أَنْ يَجْعَلَ فِيهَا
তাদের আরোগ্য- আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি তাতে দান করেন
তুলনীয়: সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত ৩৩০:৩২
فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا
তখন তা গ্রাস করে নিল যা তারা মিথ্যা বানিয়েছিল, তখন তা গ্রাস করে নিল যা
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ৪৫১:৩১
يَأْفِكُونَ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা মিথ্যা বানিয়েছিল। অতঃপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং যা তারা করছিল তা ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১:৩৬
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا
তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১:৪১
كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১:৪৬
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَط وَطَلَ مَا كَانُوا
করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্য-ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮১:৫৪
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:০২
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:১১
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا
করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:২০
كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ
তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:২৫
مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:৩০
وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
আর ব্যর্থ হলো যা তারা করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:৩৪
يَعْمَلُونَ وَبَطَلَ مَا كَانُوا
করছিল, আর ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮২:৩৯
وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ
এবং জাদুকররা সিজদায় নত হয়ে পড়ল, এবং জাদুকররা সিজদায় নত হয়ে পড়ল
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২০–১২১৩:০০
لِيَسْحَبَ لِيَسْحَبَ وَالْأَبْدَانَ
হরণ করার জন্য, হরণ করার জন্য, এবং দেহ
তুলনীয়: সূরা গাফির (আল-মু'মিন), আয়াত ৭১৪:৪০
وَالْعُقُولَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ
ও বুদ্ধি। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৪:৫৪
اجْعَلْ كَيْدَ السَّحَرَةِ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ
জাদুকরদের চক্রান্ত তাদের গলায় ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ, রাখুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৪:৫৮
كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي
তাদের চক্রান্ত তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত রাখুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ১–২৫:০২
نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ
তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:০৬
اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي
তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ, রাখুন তাদের চক্রান্ত
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:১১
نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ
তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:১৬
اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي
তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ, রাখুন তাদের চক্রান্ত
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:২১
نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ
তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:২৫
اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحْ
রাখুন তাদের চক্রান্ত গল...
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:২৮
اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ
হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ, রাখুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:৩০
اللَّهُمَّ رُدَّ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي
হে আল্লাহ, তাদের জাদু তাদের উপর ফিরিয়ে দিন। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত রাখুন
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:৩৮
اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي
তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন। হে আল্লাহ, রাখুন তাদের চক্রান্ত
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২৫:৫১
نُحُورِهِمُ اللَّهُمَّ اجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي نُحُورِهِمْ وَرُدَّ
তাদের গলায়। হে আল্লাহ, তাদের চক্রান্ত তাদের গলায় রাখুন, এবং ফিরিয়ে দিন
তুলনীয়: সূরা আল-ফীল, আয়াত ২–৩৫:৫৪
اللَّهُ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ
আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৬:৪৪
بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ
তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৭:০১
سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُ
তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ বাতিল কর...
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৭:২৩
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ
নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয় আল্লাহ তা বাতিল করে দেবেন। তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা জাদু, নিশ্চয়
তুলনীয়: সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১৭:৩০
وَبَاطِلٌ مَا كَانُوا
এবং ব্যর্থ হলো যা তারা
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮৯:৪৯
يَعْمَلُونَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَقُلْ قَ
করছিল। আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং বলুন, স-
তুলনীয়: সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৮৯:৫৩
جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَقُلْ
সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, এবং বলুন
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১০:০২
جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ
সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, বিলুপ্ত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১০:২৬
الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ وَزَهَقَ
মিথ্যা, এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, বিলুপ্ত হয়েছে
তুলনীয়: সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১১০:৩১
سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ
পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২১৪:০০
سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ سَاحِرٍ أَثِيمٍ وَأَهْلِكْ كُلَّ
পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক পাপী জাদুকরকে, এবং ধ্বংস করুন প্রত্যেক
তুলনীয়: সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১২১৪:০৫
السَّاحِرُ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَى
যাদুকর, আর যাদুকর সফল হবে না, আর যাদুকর যেখানেই আসুক না কেন সফল হবে না।
তুলনীয়: সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯১৫:৩৯
وَآتَيْنَاهُمْ مُلْكًا عَظِيمًا أَمْ يَحْسُدُونَ
এবং আমি তাদের মহান রাজত্ব দান করেছি, তারা কি হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৩৩১৭:১৮
النَّاسَ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَىٰ مَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَىٰ
মানুষকে, তারা কি মানুষকে হিংসা করে আল্লাহ তাদের যে অনুগ্রহ দান করেছেন তার জন্য, তারা কি মানুষকে হিংসা করে
তুলনীয়: সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪১৭:২৫
وَآتَيْنَاهُمْ مُلْكًا الرَّجِيمِ
এবং আমি তাদের রাজত্ব দান করেছি — অভিশপ্ত (শয়তান)
তুলনীয়: সূরা আদ-দুখান, আয়াত ৩৩১৮:০০
بِأَبْصَارِهِمْ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَيُزْلِقُونَكَ
তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে পদস্খলিত করার উপক্রম করে, তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে পদস্খলিত করার উপক্রম করে
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১১৮:১৭
لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَيُزْلِقُونَكَ
তোমাকে পদস্খলিত করার উপক্রম করে তাদের দৃষ্টি দ্বারা, তোমাকে পদস্খলিত করার উপক্রম করে
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১১৮:৩০
لَمَجْنُونٌ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ
নিশ্চয় সে পাগল — অথচ এই কুরআন তো নিছক উপদেশ
তুলনীয়: সূরা আল-কলম, আয়াত ৫২১৯:০২
الْعَافِيَةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
নিরাপত্তা/সুস্থতা। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২০৮২১:০৩
الْعَافِيَةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
নিরাপত্তা/সুস্থতা। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২০৮২১:০৬
الْعَافِيَةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
নিরাপত্তা/সুস্থতা। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২০৮২১:০৯
الْعَافِيَةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
নিরাপত্তা/সুস্থতা। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২০৮২১:১৩
اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ৪১২১:১৯
الْعَافِيَةَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا
নিরাপত্তা/সুস্থতা। হে আল্লাহ! আমাদের দান করো
তুলনীয়: সূরা আশ-শু'আরা, আয়াত ২০৮২১:২১
اللَّهُمَّ أَبْعِدْ تَسَلُّطَ الشَّيَاطِينِ عَلَيْنَا
হে আল্লাহ! শয়তানদের আমাদের উপর আধিপত্য দূর করে দাও
তুলনীয়: সূরা মারইয়াম, আয়াত ৮৩২৩:০১
احْرِقْهُ حَرْقًا اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ احْرِقْهُ اللَّهُمَّ
সম্পূর্ণরূপে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তাকে জ্বালিয়ে দাও। হে আল্লাহ!
তুলনীয়: সূরা আশ-শামস, আয়াত ১৩২৪:১৮
قَيُّومُ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ اللَّهُمَّ يَا حَيُّ يَا
চিরস্থায়ী, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী। হে আল্লাহ! হে চিরঞ্জীব, হে
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ২৭২৬:৪৬
قَيُّومُ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ نَسْأَلُكَ بِعَظَمَتِكَ وَجَلَالِكَ
চিরস্থায়ী, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! আমরা তোমার মহত্ত্ব ও মহিমার উসিলায় প্রার্থনা করছি
তুলনীয়: সূরা আর-রহমান, আয়াত ২৭–২৮২৭:০৫
الرَّاحِمِينَ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
যিনি সকল দয়ালুর মধ্যে শ্রেষ্ঠ! হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মদের উপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করো
তুলনীয়: সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৬৯৩৫:০৭
তিলাওয়াত-ক্রম (এক নজরে)
রুকইয়াহয় যে ক্রমে আয়াত ও দোয়াগুলো পড়া হয়েছে
- ০:০০ — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১
- ১:১১ — সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ১
- ১:১৮ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৭
- ২:৪৩ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১২০
- ৩:০৬ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১২০–১২২
- ৬:৩২ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৬:৩৮ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ৬:৫০ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ৭:১২ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ৭:৪৩ — সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১
- ৭:৫০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৭:৫৫ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
- ৮:১৯ — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১৮
- ৮:৩০ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ৮:৪১ — সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ১১৮–১৩৯
- ১০:১২ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১
- ১০:৩৮ — সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৮১
- ১৪:৩৫ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৫:০০ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
- ১৫:৪৭ — সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯
- ১৫:৫৬ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৬:৩৩ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪
- ১৬:৫৪ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪
- ১৭:০৮ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪
- ১৭:৪৬ — সূরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪
- ১৮:০৩ — শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা (সংক্ষিপ্ত রূপ)
- ১৮:১১ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
- ১৮:২৫ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
- ১৮:৩৬ — সূরা আল-কলম, আয়াত ৫১
- ২১:৩০ — সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
- ২১:৪৩ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ১০০
- ২২:২৫ — সূরা আন-নাহল, আয়াত ৯৯–১০০
সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
নিজে নিজে রুকইয়াহ করার নিয়ম — এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী
📌 সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন
আপনি যে সমস্যাগুলো থেকে বের হতে চান অথবা যে রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করতে চান সেই সমস্যা ও রোগ গুলোকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমে নোট ডাউন করে নিবেন। পরবর্তীতে এক নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য একদিন ৩০ মিনিট আপনি নিজেই রুকইয়াহ করবেন, দ্বিতীয় নম্বরে যে সমস্যা বা রোগটি থাকবে সেটার জন্য দ্বিতীয় দিন ৩০ মিনিট রুকইয়াহ করবেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় সমস্যা বা রোগটির জন্য, চতুর্থ দিন চতুর্থ সমস্যা বা রোগের জন্য। এভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন একটি সমস্যা ধরে রুকইয়াহ করবেন; তালিকা শেষ হলে আবার এক নম্বর থেকে শুরু করবেন।
এই গাইডলাইনের বিষয় অনুযায়ী আপনার তালিকাটি হতে পারে এরকম:
১. যাদু, বদনজর ও হিংসা বাতিলের জন্য শক্তিশালী শরয়ি রুকইয়াহ | রমজানে আশেক জ্বিন (প্রেমাসক্ত শয়তান) তাড়ানো এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে দ্রুত আরোগ্য লাভ
আপনার নিজের অবস্থা অনুযায়ী এই তালিকা ছোট-বড় করে নিবেন; যে সমস্যা আপনার নেই তা রাখবেন না।
🟢 নিজেই নিজের রুকইয়াহ করার নিয়ম
"হে আল্লাহ আমার যাদু, বদনজর ও হিংসা বাতিলের জন্য শক্তিশালী শরয়ি রুকইয়াহ | রমজানে আশেক জ্বিন (প্রেমাসক্ত শয়তান) তাড়ানো এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে দ্রুত আরোগ্য লাভ — এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত সকল বদনজর, হাসাদ, সেহের, জ্বীন, শরীরের ভিতরে ও বাইরে থাকা শয়তান জ্বীন ও তাদের সকল প্রভাবকে আপনি ধ্বংস করে দিন"
উপরের এই বাংলা দোয়াটি ১৫ মিনিট পাঠ করবেন। যেদিন তালিকার যে সমস্যাটির পালা, সেদিন দোয়ায় সেই সমস্যাটির নাম বলবেন। আর বাকি ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক এবং নাস পাঠ করবেন।
এভাবে বাংলা ১৫ মিনিট দোয়া এবং ১৫ মিনিট কুরআনের আয়াত পাঠ করে মোট ৩০ মিনিট রুকইয়াহ শেষ করার পর পানি, মধু, গোলাপজল, অলিভ অয়েল, সিদর পাতা, এগুলোতে ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে ফুঁ দিবেন।
এরপর করার ফলে আপনার নিজের রুকইয়াহও হলো আবার সাথে সাথে আপনার পড়া পানি, পড়া মধু, পড়া তেল ইত্যাদি সব সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে গেল।
🟢 সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার নিয়ম
১. পড়া পানি: রুকইয়াহ শেষে যে পানিতে ফুঁ দিয়েছেন, সেই পানি প্রতিদিন সকালে ও রাতে পান করবেন।
২. পড়া মধু: সকালে খালি পেটে ১ চামচ পড়া মধু খাবেন; চাইলে পড়া পানিতে মিশিয়ে।
৩. পড়া অলিভ অয়েল: নিচের নিয়মে শরীরে মাখবেন।
৪. গোলাপজল ও সিদর পাতা: রুকইয়াহ গোসলে ব্যবহার করবেন (নিচে)।
৫. পিঙ্ক সল্ট: রুকইয়াহ গোসলে ১ চামচ।
সব সাপ্লিমেন্ট ৭ দিন পর পর নতুন করে পড়ে নিবেন। পানি ফুরিয়ে গেলে নতুন পানিতে আবার ফুঁ দিবেন।
🟢 রুকইয়াহ গোসল করবেন সপ্তাহে ১ দিন
গোসলের নিয়ম:
এক বালতি গোসলের পানি নিন। তাতে ১ লিটার পড়া পানি, এক চামচ পিঙ্ক সল্ট, ১০-১৫ চামচ গোলাপজল এবং ১ থেকে ৩ চামচ অলিভ অয়েল এবং সাতটি সিদর পাতা বেটে পেস্ট করে পানিতে মিশিয়ে ফেলুন।
এরপর এই ১ বালতি পানি থেকে আরেক বালতি পানি আপনার মাথার উপর থেকে আস্তে আস্তে ঢালবেন এবং পুরো শরীর ম্যাসাজ করবেন। পরবর্তীতে নরমাল ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিবেন।
🟢 পড়া অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন
গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে পড়া অলিভ অয়েল মেখে নিবেন। বিশেষ করে আপনার শরীরের যে সকল জায়গায় ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে এবং ফুসকুড়ি সেসব স্থানে ঐ পড়া অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন।
🟢 পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন / স্প্রে করবেন
১. প্রতিদিন সকালে ও রাতে পড়া পানি দিয়ে মুখ ধোবেন।
২. একটি স্প্রে বোতলে পড়া পানি নিয়ে ঘরের কোণায় কোণায়, বিছানায় ও নিজের শরীরে স্প্রে করবেন।
৩. ঘর মোছার পানিতে এক গ্লাস পড়া পানি মিশিয়ে ঘর মুছবেন।
৪. পড়া পানিতে কিছু অ্যালকোহলমুক্ত (পারফিউম-ছাড়া) আতর মিশিয়ে ঘরে ও শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রাতে ঘুমানোর আগে পড়া পানি পান করে ঘুমাবেন।
🟢 আমল
সূরা কাহফ ৩ বার রাতে, সকালে সূরা ইয়াসিন, সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া।
সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আযকার নিয়মিত পড়বেন। প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী ও তিন কুল পড়বেন।
🟢 সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ করবেন
নিয়মিত মাসনুন আমল করার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্নতের নিয়তে সাদাকাহ আদায় করবেন।
🟢 গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ দেখে পড়বেন।
শাইখের নিজের ভাষার দোয়াগুলো মাসনুন নয় — অর্থ বুঝে, শিরকমুক্ত ভাষায়, নিজের ভাষাতেও করা যায়।
কোনো লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করবেন না; প্রয়োজনে রাকী ও চিকিৎসক উভয়ের পরামর্শ নেবেন।
🟢 সেলফ রুকইয়াহ মডেল
ধাপ ১ — সমস্যাগুলো সিরিয়াল করুন
এই গাইডলাইনের বিষয় (যাদু, বদনজর ও হিংসা বাতিলের জন্য শক্তিশালী শরয়ি রুকইয়াহ | রমজানে আশেক জ্বিন (প্রেমাসক্ত শয়তান) তাড়ানো এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে দ্রুত আরোগ্য লাভ) সহ নিজের সমস্যাগুলো ১, ২, ৩ করে লিখে নিন।
ধাপ ২ — ৩০ মিনিটের রুকইয়াহ সেশন
১৫ মিনিট উপরের বাংলা দোয়া, ১৫ মিনিট সূরা ফাতিহা, ফালাক ও নাস; সাথে এই গাইডলাইনের আয়াতগুলো মুসহাফ থেকে।
ধাপ ৩ — রুকইয়াহ করা উপকরণ প্রস্তুত
সেশন শেষে পানি, মধু, অলিভ অয়েলে ফুঁ দিয়ে সাপ্লিমেন্টের নিয়মে ব্যবহার করুন।
ধাপ ৪ — নিয়মিততা
প্রতিদিন একই সময়ে; সপ্তাহে একদিন রুকইয়াহ গোসল; অন্তত ২১ দিন একটানা।